Student Classroom
رفتن به کانال در Telegram
✅All our Platform: https://t.me/TheStudent_Official/1229 ⛔Classroom Channel Link 👇
نمایش بیشتر690
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
মানলাম পিপড়ার থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।
এখন প্রশ্ন হলো,
পিঁপড়ারা হেঁটে যাওয়ার সময় একটু দাঁড়িয়ে একে অপরের সাথে কি আলোচনা করে নেয়.!!😐
StudentClassroom
জানবো-শিখবো
Reminder 🕰️
যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি হার মানছেন,
ততক্ষণ পর্যন্ত কেউই আপনাকে হারাতে পারবে না।
মনোবল হারাবে না, তুমি'ই সফল হবে।
StudentClassroom
জানবো-শিখবো
১৭ বছর বয়সে, তিনি কলেজ থেকে বহিষ্কৃত হন।
২৫ বছর বয়সে, তাঁর মা মারা যান।
২৬ বছর বয়সে, তিনি ইংরেজি শেখানোর জন্য পর্তুগালে চলে যান।
২৭ বছর বয়সে, তিনি বিয়ে করেন।
তাঁর স্বামী তাঁর সাথে দুর্ব্যবহার করতেন। তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।
২৮ বছর বয়সে, তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয় এবং তিনি গুরুতর বিষণ্নতায় ডুবে যান।
৩০ বছর বয়সে, তিনি এই পৃথিবীতে থাকতে চাননি।
তবে,
৩১ বছর বয়সে, তিনি অবশেষে তাঁর প্রথম বই প্রকাশ করেন।
৩৫ বছর বয়সে, তিনি ৪টি বই প্রকাশ করে ফেলেন এবং তাঁকে বছরের সেরা লেখক হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল।
৪২ বছর বয়সে, প্রকাশের প্রথম দিনে তার নতুন বইটির ১১ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছিল।
এই মহিলা হলেন জে.কে. রাউলিং।
৩০ বছর বয়সে যদি আত্মহত্যা করতেন জে কে রাউলিং, তবে আমরা কি হ্যারি পটার পেতাম?
আজ, হ্যারি পটার হলো একটি বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ড যার মূল্য $১৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
এ সাহিত্য কর্মের জন্য তিনি একাধিক পুরস্কার জিতেছেন। সারা বিশ্বে হ্যারি পটার সিরিজের ৫০০ মিলিয়নেরও অধিক কপি বিক্রি হয়েছে।
তাই কখনো হাল ছেড়ে দেবেন না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, কঠোর পরিশ্রম করুন, সাফল্য আসবেই আসবে।
©StudentClassroom
যে প্রশ্নটি তোমরা আমাদের কাছে প্রতিনিয়ত করতে এবং যার জন্য ভিডিও চাচ্ছিলে সেটাই দেওয়া
হয়েছে ।
আশা করি তোমাদের অনেক বেশি কাজে দিবে।
পরবর্তীতে কোন টপিকের উপর ভিডিও চাও সেটা উক্ত ভিডিওর কমেন্টে জানাতে পারো।
শুভকামনা সবার জন্য ❤️
অসাধারণ প্রতিভা 😳
একটি চালের দানায় ধান লাগানো থেকে কাটানো পর্যন্ত কত নিখুঁত ভাবে চিত্রকর্মে তুলে ধরেছে।
@Bigganbazar-/Art-talent!
🌐Wikipedia!
সুযোগ হচ্ছে সূর্যোদয়ের মতো, বেশী দেরী করলে হারাতে হয়।
StudentClassroom
জানবো-শিখবো
জোনাকি পোকা কেনো এবং কিভাবে আলো দেয়?
🪳🪳🪳গ্রাম অঞ্চলে রাতের বেলা অন্ধকারে ছোট ছোট আলোর মতো বাতাসে জোনাকি পোকা উড়তে দেখা যায়। মূলত বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করতে এই প্রচেষ্টা।
জোনাকি পোকার একধরনের এনজাইম লুসিফেরেস তার শরীরে থাকা লুসিফেরিন নামক পদার্থের সাথে ম্যাগনেশিয়াম আয়ন, এটিপি ও অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করে আলো উৎপন্ন করে।
আলোর পরিমান নির্ভর করে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের পরিমানের উপর। ঠাণ্ডা আলো উৎপাদনকারী জোনাকি পোকার প্রায় ২০০০ ধরনের প্রজাতি আছে যার মধ্যে খুব কম সংখ্যক পোকা আলো উৎপন্ন করতে পারে।
জলচর অনেক প্রানী আলো উৎপন্ন করতে পারলেও স্থলচর প্রানীর মধ্যে জোনাকি পোকা অন্যতম।
StudentClassroom
শিখবো-জানবো
ডিম থেকে বেবি কোবরা বের হচ্ছে.
এটি তার ফণা তুলে, শত্রুদের কামড় বসানোর জন্য প্রস্তুত, এবং একটি মানুষকে অনায়াসে মারার জন্য যথেষ্ট,
এবং তারা তাদের শিকারের মধ্যে কতটা বিষ প্রয়োগ করতে হবে তার উপর খুব কম নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে, এর জন্য আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে বেবি কোবরা।
এই গাছটির নাম বাওবাব।
মাদাগাস্কারের অন্যতম প্রধান গাছ। আফ্রিকান সাভানাতেও প্রচুর জন্মায়। এই গাছের গুঁড়ি খুবই রসালো। একেকটি গুঁড়ি ১ লাখ ২০ হাজার লিটার পানি ধরতে পারে।
এই পানি স্থানীয় মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর পিপাসা মেটায়। গাছটি এমনকি খাদ্য, বস্ত্র আর আশ্রয়ও দান করে! এর বাঁকল থেকে অগ্নি নিরোধক কাপড় তৈরি হয়।
আর প্রশস্ত গাছের কোটর বাসগৃহ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
✅বিস্তারিত :
https://www.facebook.com/groups/243857340887451/permalink/742216644384849/?ref=share&mibextid=WiMSqg
[তোমার জীবনের পথ চলার একটি পাথেয় হবে ]
🎯
কয়েকটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, পৃথিবীতে আত্মহত্যার ১০% এবং রাস্তার দূর্ঘটনার ১৭% সংঘটিত হয় একটি জীবানুর কারনে, যার নাম টক্সোপ্লাজমা গন্ডিয়াই।
যদি কোনও মানুষের মধ্যে এই জীবানুর সংক্রমণ হয় তাহলে মানুষের কিছু মানসিক পরিবর্তন দেখা যায় আর --
১) এই মানুষের ভয় কমে যায় ফলে সে সাহসী ও হিংসুক হয় । তাই এরা দ্রুতবেগে গাড়ী চালায়।
২) মানুষের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হয়। ফলে অন্যের গাড়ীকে এরা আগে যেতে দেয় না।
৩) মস্তিষ্কের বিচারশক্তি হ্রাস হয়। ফলে গাড়ীতে এরা নির্দিষ্ট সময়ের পরে ব্রেক মারে।
৪) মস্তিষ্কের রেসপন্স কম হয়। ফলে যখন ধীর গতিতে চালানোর কথা তখন তারা গাড়ী দ্রুত চালায়।
খুব দূর্বল প্রকৃতির এই জীবাণু শুধুমাত্র যাদের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কম তাদের আক্রান্ত করে। যখন এই জীবাণু দ্বারা ইঁদুর আক্রান্ত হয় তখন ইঁদুরের বিড়ালের প্রতি ভয় কমে যায় আর ইঁদুরটি বিড়ালের খাদ্যে পরিণত হয়।
বিড়ালের শরীরে প্রবেশ করার পরে সেখানে জীবানুটির বংশবৃদ্ধি হয়। সুতরাং এই জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত বিড়ালের দেহ থেকে আমাদের শরীরে জীবাণুটি আগমনের সম্ভাবনা খুব বেশি।
StudentClassroom
শিখবো-জানবো
জনস্বার্থে_প্রচারিত
সাবধান হন ,সচেতন করুন
মানুষ মানুষেরই জন্য..
মিথ্যা রূপচাঁদা মাছ / চান্দা মাছ থেকে সাবধান ‼️
আজকাল বিশেষত অনেক শহরে এবং গ্রামগঞ্জের বাজারে একধরনের মাছ বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে, যাকে মৎস ব্যবসায়ীরা রূপচাঁদা মাছ বা চান্দা মাছ অথবা চাঁদা মাছ বলছেন।
এই মাছ কোথা থেকে আসে জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা বলছেন, এই মাছ পুকুরে চাষ করা হয়। দামেও অন্যান্য মাছের তুলনায় বেশ সস্তা।
তাই গ্রামগঞ্জে মানুষের পছন্দের তালিকায় একেবারে প্রথম সারিতে এখন এই মাছ। কিন্তু এই মাছের সম্পর্কে শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। এই মাছ মূলত মাংসাশী শ্রেণির। এখন অনেক মৎস ব্যবসায়ীও এই মাছ চাষ করছেন।
এটি মানুষখেকো পিরানহা মাছ।
এই মাছ চেনার উপায় হল, এর সামনের দাঁত অবিকল মানুষের মতো। এই মাছ খেলে ফুসফুস ক্যানসার, ব্রেন ক্যানসার, স্ট্রোক ইত্যাদি রোগ শরীরে দানা বাঁধে কথিত আছে। যদি কোনো মৎস্য ব্যবসায়ী এই মাছ বিক্রি করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক জেল- জরিমানা হওয়ারও বিধান রয়েছে। অথচ সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে ব্যবসায়ীরা এই মাছকে রূপচাঁদা বা চাঁদা অথবা চান্দা বলে বিক্রি করে চলেছেন।
না এটা এলিয়েন নয়। বরং গভীর সমুদ্রে বসবাসকারী ফ্রিল্ড শার্ক।
এদেরকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়৷
৮০ মিলিয়ন বছর পূর্ব থেকে পৃথিবীতে এদের বিচরণ৷ এদেরকে প্রশান্ত এবং আটলান্টিক মহাসাগরেই কেবল পাওয়া যায়৷ ইলের মত দেখতে এই মাছ সমুদ্রের প্রায় ১৫০০ মিটার গভীরে এরা বসবার করতে পারে৷ তবে সাধারণত ১২০০ মিটার গভীরে এদের উপস্থিতি বেশি। তবে মাঝেমধ্যে ৫০০-৭০০ মিটার ওপরে উঠে আসে এরা৷ তখনই জেলেদের জালে ধরা পড়ে। সেরকমই এক জালে ধরা পড়েছিল ছবির মাছটি!
এত সুন্দর ভাবে তোমাদের কাছে বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়,,,বাট তোমাদের ভাব গতি দেখে কন্টিনিউ করার আর কোন ইচ্ছা নেই।
কতজন বিষয়টি দেখছে, কিন্তু রিয়াক্ট একদমই নেই ।
মানে কারোর ভালোই লাগে নাই !!
Stop 🚫
🔴কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তি:
বর্তমানে (AI) প্রযুক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লক্ষ্য বিভিন্ন কঠিন সমস্যার সমাধান করা। তবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
🔰যেমন:
বেকারত্ব বাড়বে কারণ কোম্পানীর মালিকদের যন্ত্র ও রোবট কর্মচারীদের ওপর ঝোঁক বাড়ছে।গোপনীয়তা বলতে কিছুই থাকবে না। আপনার ফেসবুকে করা পোস্ট, শেয়ার করা এগুলো মনিটরিং করা হয় AI দ্বারা।আপনার মনে হতে পারে এমন কিছু আছে যেটি কেউই জানে না কিন্তু হতে পারে সেটি AI জানে।
তবে সবচেয়ে উদ্বেগ এর বিষয় এটি একসময় মানবসভ্যতার জন্য হুমকি হয়ে দাড়াতে পারে বলেছেন,স্টিফ হকিং ও ইলন মাস্কের মতো শীর্ষ বিজ্ঞানী। যদিও,রোবট নিজে থেকে মানুষের বিরুদ্ধে মনোভাব তৈরি করছে না যেটি মানুষের জন্য ভয়ের কারণ হতে পারে। কিন্তু এসব যন্ত্র নির্ধারিত কাজ সম্পন্নে এতটাই দক্ষ হয়ে উঠছে যে, দুর্ঘটনাবসত তাদের ভুল কাজে লাগানোর মাধমেই আমাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে!!
StudentClassroom
শিখবো-জানবো
হাইকু সিঁড়ি, যা স্বর্গের সিঁড়ি নামেও পরিচিত।
হাইকু সিঁড়ি, প্রায় ২,৪০০ ফুট উঁচু, প্রায় 4,000টি সিঁড়ি বেয়ে হাওয়াইয়ের কুলাউ পর্বতমালার সর্বোচ্চ চূড়ায় উঠতে ব্যবহৃত হত ।
এই সিঁড়িতে ওঠা সম্পূর্ণ ভাবে বেআইনি। কিন্তু কে মানে সে কথা? প্রত্যেক বছর এই সিঁড়ি দেখতে ৪ হাজারেও বেশি পর্যটক ভিড় জমান। রেডিও স্টেশন অ্যাক্সেস করার জন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রাথমিকভাবে নির্মিত হয়েছিল এই সিঁড়ি।
এই সিঁড়ি বেয়ে উঠলে মনে হবে মেঘের মাঝে পৌঁছে গেছেন, এজন্য একে 'স্বর্গের সিঁড়ি' বলা হয়।
✅স্থান - হাইকু স্টেয়ার্স, হুয়াওয়ে, ইউএসএ
StudentClassroom
শিখবো-জানবো
দুই চোখের রং ,দুই রকম:
ঢাকার বেইলি রোডে দেখা মিললো দুই ভিন্ন রঙের চোখের অধিকারী এক শিশুর! 😲
কোনো মানুষ বা প্রাণীর দুই চোখের আইরিশ যখন ভিন্ন রঙের হয় তখন তাকে হেটারোক্রোমিয়া বলে। আমাদের চোখের রঙ এর সাথে মেলানিন এর সম্পর্ক রয়েছে। মেলানিন হচ্ছে এক ধরনের পিগমেন্ট বা রঞ্জক পদার্থ যা মানুষের ত্বক ও চুলের রঙের জন্য দায়ী। সাধারণত একজন ফর্সা মানুষের মেলানিন এর মাত্রা একজন কালো মানুষের চেয়ে কম থাকে। এই মেলানিন নামক রঞ্জক চোখের রঙও নির্ধারণ করে। যাদের চোখে মেলানিন এর মাত্রা কম তাদের চোখের বর্ণ হয় হালকা, আর যাদের চোখের মেলানিন বেশি তাদের চোখের বর্ণ গাঢ়।
হেটারোক্রোমিয়া যাদের থাকে তাদের চোখে মেলানিনের পরিমাণে ভিন্নতা দেখা যায়। চোখের মেলানিন এর ভিন্নতা হয়ে 8-HTP পথে কিছু জিনের প্রভাবে এবং ক্রোমোজোম এর জন্য। এই ভিন্নতার জন্যই দুই চোখের রঙ ভিন্ন ভিন্ন হয়। আবার প্রাণীদের মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্যের জন্য হেটারোক্রোমিয়া হতে পারে। পৃথিবীর মাত্র ১% মানুষ এমন বিরল চোখের রঙের অধিকারী!
ছবি কৃতজ্ঞতা: Ibnat Mahreen Zaman
© StudentClassroom
