fa
Feedback
Mohammad Abid

Mohammad Abid

رفتن به کانال در Telegram

“If you're not ready to die for it, put the word 'freedom' out of your vocabulary.” — Malik El-Shabazz (Malcolm X)

نمایش بیشتر
4 639
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+47 روز
+630 روز
آرشیو پست ها
অমুসলিমদের উৎসব পালন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুফতি তারেকুজ্জামান ওনার বই "ইসলামি জীবনব্যবস্থা" তে আল্লাহর রাসূল ﷺ এর সাহাবী আব্দুল্লাহ বিন আমর এর বক্তব্য তুলে ধরেছেন। আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাযি.) বলেন,
যে ব্যক্তি অনারব তথা অমুসলিমদের দেশে বাসস্থান নির্মাণ করে এবং তাদের নওরোজ ও মেসেরজান (উৎসব) পালন করে তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করে, অতঃপর এ অবস্থার ওপরই তার মৃত্যু হয়, তাহলে ঐসব কাফিরদের সাথেই তার হাশর হবে।
( আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি: ৯/৩৯২, হাদিস নং ১৮৮৬৩) বই: ইসলামি জীবনব্যবস্থা (পৃষ্ঠা ১৬৬) লেখক: মুফতি তারেকুজ্জামান

বদর যুদ্ধের পর বন্দিদের কি করা হবে এই বিষয়ে যখন আল্লাহর রাসূল ﷺ সাহাবীদের সাথে পরামর্শ করছিলেন তখন আবু বকর রাযি. পরামর্শ দিলেন মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্ত করার সুযোগ রাখা হোক যেনো অর্থ আয়ের মাধ্যমে মুসলিমদের সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। বন্দিরা সবাই ছিলেন তাদের আত্মীয় (কুরাইশ) হয়তো আল্লাহ ভবিষ্যতে তাদের হিদায়াত দান করবেন। তখন ওমর রাযি. বললেন, আমি এই মতের সাথে একমত নই। তিনি ওনার আত্মীয়কে এবং সমস্ত সাহাবীদের আত্মীয়দের ঐসব সাহাবীদের হাতে হত্যা করার জন্য দিয়ে দিতে পরামর্শ দেন। এসময় তিনি বললেন, যাতে আল্লাহ জানতে পারেন যে আমাদের অন্তরে মুশরিকদের জন্য কোনো সহানুভূতি নেই। এই বাক্যের দ্বারা ওমর রাযি. মুসলিমদের আকিদার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক — আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা প্রকাশ করলেন। আমি চিন্তা করি, আজকের দিনে ওমর রাযি. এর অনুরূপ কথা কেউ বললে কতক মুসলিম ঝাঁপিয়ে পড়তো অমানবিক, হিংস্র অভিহিত করে! সূত্র: তাফসিরু ইবনি কাসির: ৮/৮৪

দক্ষিণ ভারতে সৃষ্ট অসন্তোষ প্রসঙ্গ।

খুব শীঘ্রই ভারত ভেঙে যাবে। সৌভাগ্যবান হলে হয়তো আমরাই দেখে যেতে পারবো।

গাজ্জায় আসছে শীত | আমাদের কি করণীয়? https://t.me/brothersforcrescent/973

জামায়াতে ইসলামপন্থী আছেন কিন্তু জামায়াত রাজনৈতিক ভাবে ইসলামপন্থী নেই, সাঈদী হুজুরদের আমলে ছিল, এখন নেই।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: জামায়াতে ইসলামীকে আমি ইসলামপন্থী মনে করি না বরং ওনাদের থেকেই বক্তব্য আছে, জামায়াত হচ্ছে মডারেট লিবারেল ইসলামি রাজনৈতিক দল। ইসলামপন্থায় মডারেট লিবারেলিজমের স্থান নেই, কারণ লিবারেলিজম কুফর/হারাম, /কুফর/হারাম মডারেট হলেও কুফর/হারাম। মদ এক ঢোক আর এক বোতল যাই হোক, হারাম।

৫ আগস্টের পর থেকে গণপিটুনি বাদেই কয়েকশ খুন হয়েছে, যার সবগুলো হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট লোক দ্বারা। ইসলামপন্থীদের
৫ আগস্টের পর থেকে গণপিটুনি বাদেই কয়েকশ খুন হয়েছে, যার সবগুলো হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট লোক দ্বারা। ইসলামপন্থীদের দ্বারা এখন পর্যন্ত কোনো খুন হয়নি। আগস্টের পর থেকে কয়েক শতাধিক ধর্ষণের ঘটনা খবরে এসেছে, একটাতেও ইসলামপন্থীদের কেউ যুক্ত নন। তবুও দেশটা ইসলামপন্থীদের জন্য শেষ হয়ে যাচ্ছে, আর দেশ উদ্ধার করছেন খুনী ও ধর্ষক সোনার ছেলেরা। খুউব সুন্দর

সীরাতের তো অনেক বই, কোনটা পড়বো? প্রথম কথা হচ্ছে, সীরাতের একটা বই পড়া যথেষ্ট না। একজন লেখক সবগুলো বিষয়ের উপর সমান গুরুত্ব দেননা সাধারণত, এজন্যই বেশ কয়েকটা সীরাতের বই পড়া উচিত। দ্বিতীয়ত, সীরাত একবার পড়ে রেখে দেওয়ার মতো কিছু না বরং সবসময়ই সীরাত পড়তে হয়। প্রতিবার পড়ার সময় আমরা নতুন কিছু শিখি, নতুন কিছু আমাদের অনুধাবনে আসতে থাকে। সীরাত হচ্ছে সুগভীর সাগর যেখানে রাসূলের জীবন থেকে মুক্তা সংগ্রহ করার সুযোগ আছে। যত সময় দিবো তত বেশি মুক্তা আমাদের নজরে আসবে, সংগ্রহের আগ্রহ জন্মাবে। কথা না বাড়াই, পড়ার মতো কিছু সীরাত হলো — * সাধারণ ১] সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া (মুফতী মুহাম্মদ শফী, পাকিস্তান) ২] নবীয়ে রহমত (সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী, হিন্দুস্তান) ৩] রেইনড্রপস এর সীরাত (দুই খন্ড) ৪] উসওয়াতুন হাসানাহ - রাসূল ﷺ-এর সংক্ষিপ্ত জীবনচরিত (মুফতি তারেকুজ্জামান, বাংলাদেশ) ৫] সিরাতুন নবি (আলী মুহাম্মাদ সাল্লাবী, লিবিয়া) * শিশু-কিশোরদের জন্য ৬] গল্পে আঁকা সীরাত (ইয়াহইয়া ইউসুফ নদভী) ৭] নবি-জীবনের গল্পভাষ্য মুস্তফা (নকীব মাহমুদ) * সাহিত্য হিসাবে সীরাত বর্ণনা ৮] তোমাকে ভালোবাসি হে নবী (গুরুদত্ত সিং) ৯] আরবের চাঁদ (স্বামী লক্ষ্মণ প্রসাদ) **** বিশেষ বিষয়ে আলোকপাত করেছে এমন সীরাত ১০] মহানবির যুদ্ধজীবন (হাসান রাউফুন) ১১] এক দিঘল দিনে নবিজি ﷺ (আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে নাসির আত-তুরাইরী) ১২] নবীজির দিন-রাতের আমল (ইমাম ইবনুস সুন্নী রহ.)

এমন একটা বইয়ের নাম বলেন যাতে পুরো দ্বীন সম্পর্কে বেসিক জানাশোনা হয়ে যাবে —
এমন একটা বইয়ের নাম বলেন যাতে পুরো দ্বীন সম্পর্কে বেসিক জানাশোনা হয়ে যাবে —

এমন একটা বইয়ের নাম বলেন যাতে পুরো দ্বীন সম্পর্কে বেসিক জানাশোনা হয়ে যাবে — ইসলামি জীবনব্যবস্থা (মুফতি তারেকুজ্জামান) সাড়ে সাতশ পৃষ্ঠার এই বইয়ের সূচিপত্রে নজর দিলেই বুঝতে পারা যায়, দ্বীন সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ের উপরেই কিছু কিছু আলোচনা এনেছেন মুফতি সাহেব। প্রথমেই সংক্ষেপে তিনি আলোচনা করেছেন ইসলাম পরিচিতি ও ইসলামের বুনিয়াদ নিয়ে। এরপর প্রথম অধ্যায়, আলোচনা করেছেন ইসলামি আকায়িদ নিয়ে। পরের অধ্যায় লিখেছেন, ইসলামি শরিয়াব্যবস্থার উপর। তৃতীয় অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন, ইসলামি শাসনব্যবস্থা নিয়ে। চতুর্থ অধ্যায় লিখেছেন, ইসলামি সমাজব্যবস্থা নিয়ে। এরপরের অধ্যায় হলো, অর্থায়নব্যবস্থা। তারপর লিখেছেন, বিভিন্ন মতবাদ ও আগ্রাসন নিয়ে। প্রতিটি অধ্যায়ের ভেতর দ্বীন সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলাদা আলাদা শিরোনামে আলোচনা করেছেন। বিষয়ভিত্তিক বিস্তারিত জানার জন্য সময় প্রয়োজন, একই মোলাটে সব বিষয়ে বেসিক পরিমাণ জানার জন্য ইসলামি জীবনব্যবস্থা উপযুক্ত বই। আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

দ্বীনের বুঝ আসার পর প্রথম কাজ হলো — ১) ঈমান শেখা এই বিষয়ে সাধারণ মানুষদের জন্য উপযুক্ত কিছু বই হলো: ক. ঈমান সবার আগে (লেখক: মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক) খ. তাওহীদের কালিমা (লেখক: শাইখ হারিস আন-নাযযারী) এরকম আরো বই আছে বাংলায়, পড়ে ফেলা। এসময় চেষ্টা করা স্থানীয় কোনও আলিম, যিনি দুনিয়ালোভী নন এবং হক্কের পথে থাকেন তার সাথে যোগাযোগ তৈরি করা। ২) সীরাতুন্নবী পাঠ বিভিন্ন লেখকের লেখা, অনুবাদ করা বই আছে সীরাতের যেকোনও একটি ভালো করে পড়ে নেওয়া। যেমন — ক. নবীয়ে রহমত (লেখক: সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী) এটার অনুবাদ খ. সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া (লেখক: মুফতি মুহাম্মদ শফি) এটার অনুবাদ এরকম শত শত বই আছে, মাঝারি আকারের একটা ভালো করে পড়ে নেওয়া। ৩) শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শেখা নিকটস্থ কোনও প্রতিষ্ঠান অথবা উস্তাদের থেকে শিখতে শুরু করা, এতে স্থানীয় আলিমদের সাথেও যোগাযোগ তৈরি সহজ হবে। এসময় কুরআন তিলাওয়াত শেখার সাথে সাথে জরুরি মাসাআলা-মাসায়েল শিখতে থাকা। দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজন এমন বিষয়গুলো জানতে থাকা। ৪) দৈনন্দিন জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় জানার জন্য নির্দিষ্ট বই পড়া এটা আপনার মাজহাব/ফিকহ অনুসারে পড়বেন। যেমন — হানাফী ফিকহের জন্য আবদুল মালেক সাহেব সম্পাদিত বই: নবীজীর নামাজ। ৫) এছাড়াও আলিমদের পরামর্শ মোতাবেক অন্যান্য বই পড়তে থাকা। একদম শুরুতে এতটুকুই আগে নিশ্চিত করা।

নুরাল পাগলার এলাকার মানুষ বলতেছে, তারা গত চল্লিশ বছর ধরে দফায় দফায় ওর ভন্ডামির বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিকট অভিযোগ জানিয়েছেন। বেশ কয়েকবার নুরাল মুচলেকাও দিয়েছিল এইসব ভন্ডামি না করার কিন্তু সে তা মেনে চলেনি। স্থানীয়দের কথা এখন ধীরে ধীরে সামনে আসছে।

হুকুমত ধর্মপালনে বাধ্য করে না, রাষ্ট্র ধর্ম পালনে উৎসাহিত করে। প্রশ্ন নৈতিকতা ও মূল্যবোধের হলে তখন হুকুমত সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে। এজন্যই দেখবেন আফগানিস্তানে হিজাব/ওড়না ছাড়া ঘুরতে নিষেধ করা হয়, কেননা এইটা নৈতিকতার অন্তর্ভুক্ত কিন্তু নিকাব করার জন্য জোর করা হয়না।

Repost from N/a
আফগানিস্তানের দারুল ইফতা (ফাতাওয়া বিভাগ) এর মাধ্যমে দেশটির আমির একটি নির্দেশ জারি করেছেন। দেশটির নারীরা চাইলে তাদের জাতীয় প
আফগানিস্তানের দারুল ইফতা (ফাতাওয়া বিভাগ) এর মাধ্যমে দেশটির আমির একটি নির্দেশ জারি করেছেন। দেশটির নারীরা চাইলে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি রাখতে পারবেন, আবার যদি না চান তাহলে ছবি ব্যতীত পরিচয়পত্র তৈরি করার সুযোগ রয়েছে। #AFGHANISTAN

নুরাল পাগলারা হচ্ছে লালসালু উপন্যাসের মজিদ। এই অঞ্চলের সেক্যুলাঙ্গাররা একদিকে মজিদ চরিত্র পোট্রে করে ইসলামকে ব্যাশিং করবে আবার এই মজিদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে তৌহিদী জনতাকে ব্যাশিং করবে। আসলে এই সেক্যুলাঙ্গারদের জন্য সমস্যা মজিদ না, এদের জন্য সমস্যা দ্বীন ইসলাম। বি.দ্র: কবর থেকে লাশ উঠিয়ে পোড়ানো সমর্থন করি না কারণ এটা জায়েজ না। মুসলিমদের আবেগ অনুভুতি শরীয়াহর সাথে aligned হওয়া জরুরি। তবে যেকোনো কবর ভেঙে সমতল করার পক্ষপাতি। ফারহান সাদিক

জান্নাতে মদিনা নেই মদিনায় জান্নাত আছে - খুব সুরতি

সীরাতুন্নবী না পড়ার/ না জানার ফল, আজকের এই ঘটনা। সীরাতুন্নবী পড়লে জানতে পারতো — রাসূলুল্লাহ ﷺ ইহুদীর লাশ নিতে দেখে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন আর তা দেখে উপস্থিত সাহাবী আশ্চর্য হলে রাসূলুল্লাহ ﷺ মন্তব্য করেছিলেন, সে মানুষ ছিল তো! (বুখারী) সীরাতুন্নবী পড়েন, প্লিজ।

আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ
তোমার জন্য জান কুরবান ওহে রবের প্রেমাস্পদ
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ
তোমার পথে তোমার মতে চলুক সদা মোদের পদ
আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ
আমরা তোমার আশেক ওহে আমরা তোমার উম্মত

কবর থেকে লাশ তুলে ফেলার ব্যাপারটা খুবই এলার্মিং। আমাদের রাষ্ট্র ক্রমাগতভাবে ধর্মীয় বিবাদ ম্যানেজ করতে ব্যর্থ হচ্ছে—এই ঘটনা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। লোকজন এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় উগ্রতা’ হিসেবে দেখতে চাইবে, জনতাকে ‘অসভ্য-বর্বর’ হিসেবে উপস্থাপন করে পুলিশ দিয়ে এসব সমাধান করতে চাইবে। বাস্তবতা হল, ‘ধর্মীয় বিবাদ’ সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ম্যাকানিজম-রিপ্রেজেন্টেশন-ম্যানেজমেন্টের বিকল্প নেই। কাজেই, এই ঘটনাকেও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার জায়গা থেকে দেখাই জরুরি। মালয়েশিয়ায় কী হত—অভিযোগ আসার সাথে সাথে লোকাল ফতোয়া বোর্ড বসত। তারা ইমামদের কাছে সিদ্ধান্ত পাঠাত, ইমামরা মসজিদে ফতোয়ার পক্ষে জনমত তৈরি করতেন, ধর্মীয় পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করত। কাজেই, রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতাকে আড়াল করতে জনতা ‘অসভ্য-বর্বর’ এই জাতীয় বয়ান চালু করার কোন সুযোগ নেই। পুনশ্চ : জনতার কর্মকান্ডের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নিন্দা জানাচ্ছি। - ইফতেখার জামিল