687
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-2130 روز
آرشیو پست ها
687
জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা কিন্তু প।য়ুকাম চর্চা এবং শিশুদের উপর প।য়ুকাম চাপিয়ে দেয়াটাকেও মানবাধিকার বলে মান্য করে। বলা বাহুল্য, এই সংস্থা বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করলে আগের চেয়ে দ্রুত গতিতে প।য়ুকামবাদের চর্চায় আইনিভাবে কোনো বাধা থাকবে না। আগে পশ্চিমে বসে যারা এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতো এখন তারা এই দেশে বসেই আমার-আপনার উপির ট্র।ন্সবাদসহ অশ্লীলতা আর অবাধ যৈ।নাচারের ছোড়ি ঘোড়াবে।
687
ট্র।ন্সবাদীরা বলে সার্জারি করে পুরুষ।ঙ্গ অথবা নারীর যে।নির মত দেখতে কোন কিছু বানালেই আপনি নারী কিংবা পুরুষের রূপান্তর হতে পারবেন। অথচ এমেরিকা সাইক্যাট্রিস্টের মতে,
"কোনো অপারেশন করেই নারীর যোনীর কাছাকাছি কিছু বানানো সম্ভব না। এই অপারেশন একটা ডাকাতি। এটা (অপারেশন করে যা বানানো হয় সেটা) একটা খোলা ক্ষত ছাড়া আর কিচ্ছু না। এটাকে যারা কৃত্রিম যোনী বলে, তারা ডাকাত। এরা শুধু অজ্ঞ, সাধাসিধে, বোকা মানুষদের টাকা হাতিয়ে নিতে চায়।"
[Socarides, Charles W. Beyond sexual freedom. Quadrangle/The New York Times Book Company, 1975. p 130]
#নাবিক
687
সার্জারির মাধ্যমে বানানো কৃত্রিম যোনী কিংবা কৃত্রিম পুরুষাঙ্গ কোনটাই সত্যিকার অঙ্গের মতো কাজ করে না। প্রজননের ক্ষেত্রে তো নাই যৌ।নতার ক্ষেত্রেও না। ব্যাপারটা আরো সহজ ভাবে বললে হয়, "পাঠাকে খাসি করলে সে মাদি হয়ে যায় না। সে তখন বাচ্চাও দিতে পারেনা, দুধও দিতে পারে না দিতে পারে না। জায়গা মতো ছিদ্র করে দিলেও পারেনা।"
- অবক্ষয়কাল
687
"সমক।মী প্রতীক চিহ্নিত টি-শার্টে স্বাক্ষর না করায় জার্মান ফুটবলার কেভিন বেহরেনকে সাসপেন্ড করেছে উল্ফসবার্গ ক্লাব।"
687
শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের জেড়ে কার্ড থেকে সমক।মিতার সিম্বল ফ্ল্যাগ সরিয়ে নিয়েছে ব্র্যাকের তিবরা আলি...
#নাবিক
687
যারা জাতীয় সমকামিতা প্রতিরোধ কমিটিতে ভূমিকা রাখতে চান। তারা এই গুগল ফর্ম পুরণ করুন। আপনার সার্কেলেও শেয়ার করতে পারেন।
https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfbEXHEFsSgGj1Y_tfjPn9T2r11MjejiXITIaP3QmeFHSxOIA/viewform?pli=1
687
ইনক্লুসিভ সোসাইটি হচ্ছে, "এমন এক সমাজ যেখানে প্রত্যেক মানুষের সমান অধিকার থাকে"
শুনতে বেশ ভালো শোনাচ্ছে তাই না? বেশ ভালো শোনালেও এখানে খতিয়ে দেখার মতো কিছু ব্যাপার আছে। এই সমাজে যেহেতু প্রত্যেক ব্যাক্তিই সমান অধিকার পাবে সেহেতু ট্র।ন্সগন্ডার, সমক।মীরাও বিকৃত যৌন।চার চর্চা এবং ছড়িয়ে দেয়ার অধিকার পাবে। এমনকি তাদের বিকৃত যৌন।চারের জন্য আইন করে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
বুঝলেন তাহলে ব্যাপারটা কত ভালো শোনাচ্ছে?!
687
Things Fall Apart; The Centre Cannot Hold
ডিক্টেটরদের একটা ঝামেলা হলো, তারা নিজেকে খোদা মনে করে। তাই যেকোনো আন্দোলনকেই তারা শক্তি প্রয়োগে দমাতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। যে কেউই নামবে, মেরে-গুলি করে বিদায় করে দেবে। তা নিরাপদ সড়ক চায় আন্দোলন, পিটিয়ে ঘরে ঢোকাও। ৫ই মের আন্দোলন, গুলি করে বিদায় করে দাও। এমন প্রতিটা আন্দোলনেই হয়।
এ আন্দোলনেও এই সিরিয়াস ভুলটা করেছে সরকার। তারা ভেবেছে মেরে এটাও শেষ করে দেওয়া যাবে। তাই প্রথমে ছাত্রলীগকে নামায়। ভাবে এরাই মেরে দমিয়ে দেবে। কিন্তু ছাত্ররা এক রাতেই শিখে যায় প্রতিরোধের ভাষা। তারপর আর কিছু করার থাকে না। পুলিশ বিজিবি নেমেও আর কোনো কাজ হয় না। সেনাবাহিনী নামাতে হয়।
ইন্টারনেট বন্ধ করে যে ম্যাসাকার হয়েছে, তা স্মার্ট মুভ ছিলো তাদের দিক থেকে। যদিও লুকিয়ে রাখা যায় নি হত্য।গুলো, কিন্তু যে পরিমাণ পাবলিক আউটরেজ আসার কথা ছিলো তাও কিন্তু আসে নি। এরপর যখন তারা ধীরে ধীরে নর্মাল করা শুরু করলো, আজকে ইন্টারনেট খোলা থাকা অবস্থাতেই ক্যামেরার সামনে তারা মানুষ খুন করলো।
এটা ডিক্টেটরের অনেক বড় একটা ভুল ছিলো। আজকে যারা নেমেছে, তারা আমজনতা। জুমাকে কেন্দ্র করে মানুষ একসাথে হয়, জুমার পরেই মানুষ মেনে যায়। তাদের উপরেই যখন এসব চলে, তখন ব্যাপারটা খুব বিশ্রী একটা রূপ নিতে বাধ্য। আমরা ইতিমধ্যেই দেখছি, আহত-নিহতদের মধ্যে পুলিশ-আর্মির পরিবারও লোকজন আছে আজকাল।
আজকে যে ভুলটা সরকার করেছে, এর কোনো কাফফারা হয় না। এক দফা, এক দাবির ব্যাপারে মানুষের আর কোনো প্রকার কোনো সন্দেহ নেই। সমন্বয়করা ৯ দফায় থাকতে আহ্বান জানালেও আর থাকবে না মানুষ। আজকের গুলি স্বৈরাচারের হায়াত কমিয়ে দিয়েছে অনেকগুলো বছর। সবকিছু ভেঙে পড়ছে স্বৈরাচারের চোখের সামনে।
সব ধরণের মানুষ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে। ছাত্রদের সাথে তাদের পরিবার, বুদ্ধিজীবি মহল, আইনজীবি, গার্মেন্টস শ্রমিক, বিরোধী দল, আলেম-উলামা, কওমী গোষ্ঠী থেকে নিয়ে সবাই। এখন আমরা দেখতে পারো পুলিশ-র্যাব-বিজিবি-আর্মি থেকেও অনেকে সাইড পরিবর্তন করে জনতার পক্ষে এসে দাঁড়াচ্ছে। এ পরিমাণ শুধু বাড়তেই থাকবে।
এদিকে ধ্বসে পড়ছে দেশের ইকোনমি। রেমিটেন্স আসা কমে গেছে অনেক। ডলারের দাম বেড়ে ১২৫। শীঘ্রই ২০০ ছুঁতে পারে। ব্যাংকে টাকা নেই। ডলার নেই। ক্রমশ অরাজক পরিস্থিতি বন্ধ করে রেখেছে এ দেশের অর্থনীতির চাকা। লস খাচ্ছে সব বড় বড় কোম্পানিগুলো। শ্রীলঙ্কার মত দেউলিয়াত্বের দিকেও ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে এ সরকার।
আমার আপনার কাজ কী?
আমাদের কাজ আন্দোলনের সাথে থাকা। কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। যেভাবে যেভাবে সম্ভব এ আন্দোলনকে সাহায্য করা। রাস্তায় নেমে, খাবার দিয়ে, টাকা দিয়ে, ওয়াইফাই দিয়ে, ছবি একে, ভিডিও বানিয়ে, গল্প-কবিতা-নাটক লিখে, রেমিটেন্স বন্ধ করে, বিদেশীদেরকে জানিয়ে, সাধারণ মানুষকে সোচ্চার করে- যেভাবে যেভাবে সম্ভব সব ভাবে করা।
মাথায় রাখবেন, "সর্বোত্তম যুদ্ধ হলো অত্যাচারি শাসকের সামনে সত্য বলা।"
মনে রাখবেন, "মুমিনের রক্তের মূল্য আল্লাহর কাছে কাবার চেয়েও বেশি।"
পিছু হটার সব রাস্তা আমাদের সামনে বন্ধ হয়ে গেছে। পিছে শুধু বেঈমানিই আছে।
Coffeeshop Radical
