Tazkiyah Society
অন্যদের আল্লাহর দিকে পরিচালিত করে, নিজে পথ হারানোর ব্যাপারে সতর্ক হও! সর্বদা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও যেন তুমি সেতু না হও যা পার হয়ে অন্যরা জান্নাতে চলে যায়, আর তোমাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়। – ফুদাইল ইবন ইয়াদ (রহ.) [ সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ৬/২৯১ ]
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام Tazkiyah Society
کانال Tazkiyah Society (@tazkiyah_society_dawah) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 572 مشترک است و جایگاه 7 039 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 853 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 572 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 25 اوت, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -250 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -9 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 0% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً N/A% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 0 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 0 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 0 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“অন্যদের আল্লাহর দিকে পরিচালিত করে, নিজে পথ হারানোর ব্যাপারে সতর্ক হও!
সর্বদা আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও যেন তুমি সেতু না হও যা পার হয়ে অন্যরা জান্নাতে চলে যায়, আর তোমাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়।
– ফুদাইল ইবন ইয়াদ (রহ.)
[ সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, ৬/২৯১ ...”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 26 اوت, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
‘এমন কোন দিন নেই, যে দিন আরাফার দিন হতে অধিক বান্দা অথবা বান্দীকে মহান মহিয়ান আল্লাহ্ জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। তিনি সেদিন (বান্দার) নিকটবর্তী হন এবং তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের কাছে তাদের (মর্যাদার) ব্যাপারে গর্ব করে বলেন : এরা কী কামনা করে?’[সুনানে আন-নাসায়ী, ৩০০৩] আরাফার দিনের দু‘আ — রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন — আরাফাতের দিনের দু’আই উত্তম দু’আ। আমি ও আমার আগের নাবীগণ যা বলেছিলেন তার মধ্যে সর্বোত্তম কথা — ‘আল্লাহ ছাড়া কোন মাবূদ নেই। তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সার্বভৌমত্ব তারই এবং সমস্ত কিছুর উপর তিনি সর্বশক্তিমান।’ [সুনান আত-তিরমিজি, ৩৫৮৫]
ইসলামে সাধারণ রেইপ এর শাস্তি হচ্ছে পাবলিকলি বেত্রাঘাত (অবিবাহিত অপরাধী) অথবা পাথর মেরে এক্সিকিউশন (বিবাহিত অপরাধী) - কারেক্ট।. কিন্তু যদি রেইপ এর ঘটনাটা সাধারণ না হয়ে "ত্রাস সৃষ্টিকারী" হয় যেমন গ্যাং রেইপ, অস্ত্রের মুখে রেইপ, ফিজিকাল হার্ম করে রেইপ ইত্যাদি - তাহলে শাস্তিটা আরও অনেক ভয়ঙ্কর হইতে পারে। তখন শাস্তিটা হচ্ছে -
পাব্লিক এক্সিকিউশন করে লা’শ ঝুলায় রাখা, এক হাত আর এক পা কেটে ফেলা, বা নির্বাসন। কাজী এসব থেকে একটা শাস্তি নির্ধারণ করবেন।মাজহাবগুলার মধ্যে একটা ইখতিলাফ আছে যে আগে এক্সিকিউট করে তারপর লা’শ ঝুলায় রাখা হবে নাকি আগে ঝুলায় তারপর এক্সিকিউট করা হবে।
ইয়েস, শরীআহ বর্বর - ক্রিমিনালদের জন্য।– সাইফুল্লাহ বিন ইউসুফ
কারিনার আমলনামায় কী জমা হবে?গুনাহে জারিয়া! কারিনার জন্য আক্ষেপ করবে অনেকেই, কিন্তু অন্তর থেকে দুআ করবে ক'জন? علمت نفس ما قدمت واخرت. "[কিয়ামতের দিন] প্রত্যেক মানুষ জানতে পারবে, সে কী আমল আগে পাঠিয়েছে, কী আমল পিছনে রেখে গিয়েছে।" [সূরা ইনফিতার : ৫] . এই ঘটনা ও লেখা মূলত আমাদের জন্য রিমাইন্ডার। কারিনা কায়সার সাব্জেক্ট না, সাব্জেক্ট হলো—আমরা কী লিগ্যাসি দুনিয়াতে রেখে যাচ্ছি, সদাকায়ে জারিয়া না গুনাহে জারিয়া—তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সদাকায়ে জারিয়া না হোক, আমাদের আমলনামায় যেন গুনাহে জারিয়ার পাল্লা ভারী না হয়। . আপনি-আমি বেঁচে আছি মানে, এখনও শেষ হয়ে যায়নি সময়। ফিরে আসার এখনও সুযোগ আছে। কিন্তু, যখন নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে, তখন থাকবে কেবল অনন্ত আফসোস... . . – মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকী
"হে আল্লাহ! আপনি আমার গোপন ত্রুটি/গুনাহসমূহ ঢেকে রাখুন, এবং আমার সকল ভয়-ভীতি ও দুশ্চিন্তা থেকে আমাকে নিরাপত্তা দান করুন।"[সুনানু আবি দাউদ : ৫০৭৪] আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে সব ধরনের গুনাহ থেকে হেফাজত করুন এবং নিজেদের কৃত গুনাহের জন্য নিয়মিত তাওবা করার তাওফিক দান করুন। . . – মাওলানা মাহমুদ সিদ্দিকী
সেক্যুলারদের চোখে যৌ’ন স্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, নারী অধিকার ও হার বডি হার চয়েজের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।. অন্যদিকে সিমরিন লুবাবার কম (পড়ুন সঠিক) বয়সে বিয়ে সেই সেক্যুলারদের দৃষ্টিতে ধর্মান্ধতা, বাল্যবিবাহ, পুরুষতন্ত্র, নারীর পরাধীনতার একটি লজ্জাজনক উদাহরণ। . অন্যদিকে একজন মুসলিমের কাছে প্রথম ঘটনা কবিরাহ গুনাহ, অশ্লীলতা, নারীর সম্ভ্রমের অপমান ও অন্যতম নিকৃষ্ট কাজ। কিন্তু দ্বিতীয়টি ইবাদত, পবিত্রতা, নির্মলতা ও শালীনতার উদাহরণ। .
কোন পথে যাবে বাংলার মুসলমান?. – ইরফান সাদিক
অন্যদিকে তোমরা তোমাদের আখিরাতের জন্য তা-ই রেখে দাও, যা তোমাদের দুনিয়া নিশ্চিত করার পর অবশিষ্ট থাকে।”[‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আউন আল-মুযানী রাহিমাহুল্লাহু। জন্ম ৬৬ হিজরী, বসরা। সিফাতুস সাফওয়া ৩\১০১] – জাভেদ কায়সার রাহিমাহুল্লাহ
مَن رَأَى مُبتَلًى فقال: الحمدُ للهِ الذي عافَانِي مِمَّا ابْتلاكَ به، وفَضَّلَنِي على كَثيرٍ مِمَّنْ خلق تَفضِيلًا، لَمْ يُصِبْهُ ذلكَ البلاءُযে ব্যক্তি কোনো পরীক্ষাগ্রস্থ ব্যক্তিকে দেখে এই দুআ পড়বে তাকে উক্ত বিপদ স্পর্শ করবে না। দুআটি এই: الحمدُ للهِ الذي عافَانِي مِمَّا ابْتلاكَ به، وفَضَّلَنِي على كَثيرٍ مِمَّنْ خلق تَفضِيلًا
আলহামদুলিল্লাহিল্লাযী আফানি মিম্মাব তালাকা বিহি ওয়া ফাদ্দ্বালানি আলা কাসিরিন মিম্মান খলাকা তাফদ্বীলা।[তাবারানী ৭৯৯] – মাওলানা আম্মারুল হক
জীবন, তুমি আসলে কী? এতটা ক্ষণস্থায়ী হলে এই জীবনের ভরসাই বা কতটুকু?. অতঃপর, কিসে আমাদের মৃ'ত্যু সম্পর্কে গাফেল করে রাখলো? – মেরাজ হোসেন
“এ জীবন এক স্বপ্ন, মানুষ ঘুমন্ত। মৃত্যুতে সে জেগে ওঠে...”- মুহাম্মাদ জাভেদ কায়সার রাহিমাহুল্লাহ্ . এমন এক দেশে বসবাস করি যেখানে প্রতি মূহুর্তেই একটা আতংক নিয়ে চলতে হয় কখন না জানি মৃত্যু চলে আসে বা কারোর দ্বারা হ-ত্যার স্বীকার হই! . স্বাভাবিক আর পাঁচটা দিনের মতোন মানুষ চলাফেরা করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত লাশ হয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ মৃত্যুর সংখ্যা অনেক অনেক বেড়ে গেছে। . বলা চলে এই দেশটা এখন মৃত্যুপুরীই হয়ে গেছে। আমাদের আর আলাদা করে কোন যুদ্ধ করার দরকার নাই বরং এদেশের কিছু মানুষ ও অব্যবস্থাপনাই মানুষকে মারার জন্য প্রতিনিয়ত প্রস্তুত হয়ে আছে। . ভার্সিটির এক ম্যাম একদিন ক্লাসে বলেছিল—
বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের জিনিস হলো বেঁচে থাকা।এই কথাটার মর্ম কদিন পর পরই এদেশের চিত্রে ফুটে ওঠে। . এই কথাগুলো বললাম অসর্তকতা ও অসাবধানতার জায়গা থেকে তাছাড়া নিঃসন্দেহে জীবন-মৃত্যু আল্লাহর হাতে। হায়াত ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে তার কাছে মৃত্যু চলে আসবে। এক সেকেন্ডও এদিক সেদিক হবেনা।
‘আমি খুঁজতে খুঁজতে উমরের বাড়িতে গেলাম।’. আবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে খলিফার কান্নার আওয়াজ ভেসে আসছিল। আমি দরজায় করাঘাত করছিলাম। . কিছুক্ষণ পর তিনি দরজা খুলে দিলে আমি অশ্রুসিক্ত উমরকে দেখে বললাম—
‘হে আমিরুল মুমিনিন, আজ ঈদের এই খুশির দিনে আপনি এভাবে কেন কাঁদছেন? কীসে আপনাকে কাঁদাচ্ছে?’. সাইয়িদুনা উমর ফারুক (রা.) বললেন— ‘যারা খুশির খবর পেয়েছে, তাদেরকে আনন্দ করতে দাও। হে আবু হুরায়রা, রমজানের বদৌলতে যার জীবন থেকে গুনাহের কালিমা মুছে গেছে, তার তো আজ আনন্দেরই দিন। আর রমজান বিদায় হওয়ার পরও যার জীবন পাপমুক্ত হতে পারেনি, তার জন্য আজ কান্নার দিন।
আমার জানা নাই, আমি কী আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছি নাকি আমি বিতাড়িতদের অন্তর্ভুক্ত।’. ঈদ আনন্দের, তবে রমাদান শেষ হয়ে যাওয়া কষ্টের৷ আর গুনাহমুক্ত হয়ে ঈদগাহে যেতে না পারলে, ঈদ আনন্দের না। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন। اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي বই : সাহাবায়ে কেরাম আমাদের প্রেরণা
তিন প্রশ্নের উত্তর একই জায়গাতে পৌঁছে দেয় -- লুসিফার।. এগুলো কন্সপিরেসি থিওরি মনে হতো, কিন্তু এপস্টিন মেইলসগুলোর পর সব কন্সপিরেসি থিওরিকেই সত্য মনে হচ্ছে। . গতকাল এপস্টিনের আপন ভায়ের মেয়ের একটা ইন্টারভিউ দেখলাম। এই মেয়ের শৈশব কেটেছে তার বাপ, চাচা এবং তাদের বন্ধুদের কাছে ক্রমাগত ধ’র্ষিত হয়ে। তাকে সবসময় ড্রাগসের ওপর রাখা হতো। সে বলছে, তার বাপ চাচারা বা'আল দেবতার অনুসারী ছিলো, প্রাচীনকালে যে বা'আল দেবতাকে তুষ্ট করতে জীবন্ত শিশু পোড়|নো হতো। . শ্য|টানিক রিচুয়ালে পবিত্র জিনিসের মূল্য অনেক। শিশুরা পবিত্র। শিশু ব’লি শ্যাটানিক রিচুয়ালের অংশ। এপস্টিন দ্বীপে শিশুহত্য|র ঘটনা ঘটতো। এবং অল্পবয়স্ক মেয়েরা প্রেগনেন্ট হয়ে পড়লে তাদের এবর্শন করায়ে ফিটাসের সুপ বানাতো, ইন্টেসটাইনাল কনটেন্টও খাইতো। এগুলোও তাদের কোন রিচুয়ালের অংশ হতে পারে। . আপনারা আরেকটা খবর শুনেছেন, একজন আরব মহিলা এপস্টিনকে কাবার কিসওয়া গিফট করেছিলো, যে কিসওয়া স্পর্শ করেছিলো মিলিয়ন মিলিয়ন হাজি। লাখো হাজির স্পর্শ সম্বলিত এই পবিত্র কিসওয়া কোন রিচুয়ালের ব্যবহৃত হয়েছিলো কিনা জানি না, তবে সম্ভাবনা তো আছে। .
দেখেন, বর্তমান ওয়ার্ল্ড অর্ডার যারা নিয়ন্ত্রণ করছে তারা ডিরেক্ট শয়ত|নের অনুসারী- এই কন্সপিরেসি থিওরিটা এখন প্রায় প্রমাণিত সত্য। এরা দ|জ্জ|লের আগমনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে। সেকুল|রিজম, লিব|রেল ডেমোক্রেসি, ইনডিভিজুয়ালিজম - এগুলোর মাধ্যমে এরা পৃথিবীকে কন্ট্রোল করছে। ইসলামপন্থীরা এইসব সিস্টেমে সাবক্রাইব করে কখনো কখনো সাময়িক ভাল ফল পেলেও, লংরানে এটা এই শয়তানি ওয়ার্ল্ড অর্ডারকে টিকিয়ে রাখতে সহায়ক হয়। .
এই ওয়ার্ল্ড অর্ডার যতদিন টিকে থাকবে,ততদিন এপস্টিনরা টিকে থাকবে। – ডা. মেহেদী হাসান
পৃথিবীর সব বড় বড় শয়তানের মুখোশ উম্মোচনকারী এ এক গোপন নথি।বেশির ভাগই আ’মেরিকার শয়তানরা লিস্টে। যাদের নাম শুনলে এ দেশের রাজনীতিবিদ, তথাকথিত সুশীল, সভ্যধারীরাও পর্যন্ত সেজদায় পড়ে যায়। “মামদানীর” মাও তার সাথে জড়িতো। যেই মামদানিরে দেইখা মডারেট মোজলেম আপু, ভাইয়ারা একদম গলে গেসিলো!! .
এটা শুধু একটি ফাইল না এটা ক্ষমতা, টাকা, রাজনীতি আর যৌন অপরাধের ভয়ংকর জটিল নেটওয়ার্কের দলিল।.
- Epstein Files আসলে কী?Epstein Files বলতে বোঝানো হচ্ছে জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন আদালত নথি, সাক্ষ্য, ইমেইল, ফ্লাইট লগ, সাক্ষীদের জবানবন্দী,যেখানে উঠে এসেছে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, বিলিয়নিয়ার, কর্পোরেট লিডার, এমনকি রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠদের নাম। .
এপস্টিন একজন দণ্ডিত যৌ’ন অপরাধী, যিনি নাবালিকা মেয়েদের যৌন শোষণ ও পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন।সে মানুষের শিশু কন্যাদেরকে প্রভাবশালীদের কাছে সাপ্লাই দিত। .
-এগুলো কেন এখন প্রকাশ পাচ্ছে?বছরের পর বছর ধরে এই নথিগুলো চাপা ছিল। ক্ষমতাবানদের নাম থাকায় সত্যকে গোপন রাখা হয়েছিল। কিন্তু ভুক্তভোগীদের দীর্ঘ লড়াই, সাংবাদিকদের অনুসন্ধান এবং আদালতের আদেশে এখন একে একে ফাইলগুলো প্রকাশ পাচ্ছে। .
-কারা জড়িত?এখানে কোনো একক দল বা ব্যক্তি নয়, রাজনীতির শীর্ষ স্তর, কর্পোরেট ও ফাইন্যান্স এলিট,মিডিয়া ও লবিং গ্রুপ ক্ষমতার বলয়ের কিছু “অস্পর্শ্য” মানুষ। যাদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র (!!) বলে দাবি করা হয়। যাদের দেখলে পা চাটা মানুষরা সেজদায় পড়ে যায়। .
-এটার পরিণতি কী হতে পারে?আ’মেরিকা ও বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধাক্কা আসবে। বহু “সম্মানিতর মুখোশ” খুলে যেতে পারে, ক্ষমতাবানদের জন্য আইন যে সমান, এই ধারণা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। . এই শিশু ধ’র্ষণক|রীরাই হয়তেসে আমাদের আদর্শ। আমাদের সভ্যতার প্রতীক। অনেক ইসলামপন্থীরাও এদেরকে আব্বো ডাকে। লেখাঃ মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী
প্রায়োরিটি। আর কিছু না। আপনি আসলে হারিয়ে গেছেন। নিজেকে এই-সেই বুঝ দিয়ে দুনিয়ায় মেতে থাকতে থাকতে নিজের রাব্বকে ভুলেছেন, ছেড়েছেন, সরেছেন।. ভেবে দেখুন, আপনার আজকের এই অবস্থান, দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ততা, আল্লাহ থেকে দূরে সরে যাওয়া, পুরোটাই ছিলো আপনার চয়েস, আপনারই সিদ্ধান্ত। তাই আপনাকেও আপনার যাবতীয় ভনিতা আর অজুহাতের উপরে সোপর্দ করা হয়েছে। এর উপরেই থাকবেন কিনা, এভাবেই চালিয়ে যাবেন কিনা, সেটাও আপনার ব্যাপার। কোন জোরাজুরি করবে না কেউ। . যে আল্লাহকে সত্যিই চায়, আল্লাহকে প্রায়োরিটি দেয়, তাকে আল্লাহ আরো বেশি বেশি করে আল্লাহর সান্নিধ্যে রাখেন, সহজ করে দেন, অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরিয়ে দেন, আর আরো বেশি আল্লাহর ইবাদাত করার তৌফিক দিয়ে দেন। কারণ, আল্লাহও যে তাকে ভালবাসেন। . আর যে আল্লাহকে চেনার পরেও, আল্লাহর দিক থেকে একবারের জন্যেও অন্যদিকে তাকানোর দুঃসাহস করে... . শুকরিয়া এটাই যে, ফেরার রাস্তা খোলা। এই লেখাটা পড়ার তৌফিক হয়েছে মানেই এখনো সুযোগ আছে। কতজন গোপনে গোপনে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের রাব্বের দিকে। কোনদিকে, কারও দিকে না তাকিয়ে এক মনে... নিজের কবর, হাশর, পুলসিরাত আর জাহান্নামের কথা ভেবে ভেবে সেই মানুষগুলো চোখ লাল করে, গাল ভিজিয়ে প্রস্তুতি নিতে নিতে দিনরাত হয়রান হয়ে যাচ্ছে! . কেউ তাদেরকে চিনে না৷ দরকারও নেই। তারাও চায়, তাদেরকে শুধু তাদের রাব্ব চিনুক। তারাও চায়, কেবলই তাদের রাব্বকে চিনতে, ভালবাসতে। সেই দয়াময় রাব্বের সাথে সময় কাটাতে। আপনিও আজ থেকে তাদের একজন হয়ে যেতে পারেন। আলহামদুলিল্লাহ, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফিরবার সুযোগ এখনো আছে। লেখা : মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর
সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
“তাদেরকে যখন বলা হয়, ‘পৃথিবীতে ফ|স|দ সৃষ্টি করো না’; তারা বলে, ‘আমরা তো সংশোধনকারী। মূলতঃ তারাই অশ|ন্তি সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা বুঝতে পারে না।”(সূরা বাকারা ১১, ১২)
"Among the believers are men who were true to what they pledged to Allah". শীর্ষক বার্তায় তিনি দুনিয়াকে তাঁর শাহাদাতের সংবাদ দান করেন। নবাগত মুখপাত্র তাঁর নিজের ছদ্মনামও আবু ঊবায়দা নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। আবু ঊবায়দার সত্যিকার নাম হুযাঈফা আল-কাহলুত বলেও এসময় প্রকাশ করেন তিনি। “কিংবদন্তীর প্রস্থান” – রেভান এম
৯ জনের মধ্যে একজন যে মাদ্রাসায় পড়েছিলো সেটা মাদ্রাসার নামসহ উল্লেখ করা হয়েছে।. কিন্তু বাকি ৮ জন কোন স্কুল-কলেজে পড়েছে সেটা মেনশন করা হয় নাই। কী বুঝলেন?
কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ। প্রাক্টিসিং মুসলিমদের দমন করার জন্য আবার পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে।– ফাহাদ ইবনে ইলিয়াস
