fa
Feedback

فریب کلاهبرداران را نخورید! تل‌متریو این کانال‌ها را شناسایی و برچسب‌گذاری می‌کند 👉 برای مشاهده برچسب، اشتراک تهیه کنید

Bangladesh 2.0

Bangladesh 2.0

رفتن به کانال در Telegram

♦️ ♦️ ♦️ Join Our Chat Group - 👇 https://t.me/BangladeshTime

نمایش بیشتر
6 572
مشترکین
-1124 ساعت
-347 روز
-15730 روز

در حال بارگذاری داده‌ها

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اکتبر '26
اکتبر '26
+2
در 0 کانال‌ها
سپتامبر '26
+10
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '26
+35
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+6
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+1 244
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+10
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+146
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+126
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+1 257
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+969
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+143
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+144
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+260
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+58
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+362
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+5 989
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+99
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
16 اکتبر0
15 اکتبر0
14 اکتبر0
13 اکتبر0
12 اکتبر0
11 اکتبر0
10 اکتبر0
09 اکتبر+1
08 اکتبر0
07 اکتبر0
06 اکتبر+1
05 اکتبر0
04 اکتبر0
03 اکتبر0
02 اکتبر0
01 اکتبر0
پست‌های کانال
পার্থক্যটা আসলে অন্য বিষয়ে!! মিশরের সাইয়্যেদ কুতুব (রহঃ) কে জেলখানার মাঝে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এমনকি এখনো কেউ বল
পার্থক্যটা আসলে অন্য বিষয়ে!! মিশরের সাইয়্যেদ কুতুব (রহঃ) কে জেলখানার মাঝে ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। এমনকি এখনো কেউ বলতে পারবে না, তাঁর কবর কোথায় অবস্থিত! যেদিন সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) কে হত্যা করা হলো, সেদিন মিশরের পথে পথে তাঁর রচিত তাফসির 'ফি যিলালিল কুরআন' -এর সাত অথবা আট হাজার সেট অর্থাৎ চৌষট্টি হাজার পুস্তক পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিলো। রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়েছিলো, যার কাছে সাইয়্যেদ কুতুবের (রহ.) গ্রন্থ পাওয়া যাবে, তাকে দশ বছর জেলে রাখা হবে। সাইয়্যেদ কুতুবের গ্রন্থগুলো জাদুর মতো। যে পাঠ করে, সেই তাঁর অনুসারী হয়ে যায়! তাঁর শাহাদাতের ঘটনা পত্র-পত্রিকা ও বিভিন্ন দেশের বেতারে সম্প্রচারিত হলে সবার মনে একটি প্রশ্ন উঁকি দিলো, এই ব্যক্তি কে? কেনো তাকে ফাঁসি দেওয়া হলো? সেই তাফসীর গ্রন্থটি কেমন, যার কারণে তাকে ফাঁসি দেয়া হলো? তখন বৈরুতের প্রকাশকেরা প্রকাশনা জগতে, কোনো খ্রিস্টান লোকসান খেলে, তাকে বলতো,"তুমি যদি বাঁচতে চাও তাহলে সাইয়্যেদ কুতুবের 'ফি যিলালিল কুরআন' ছাপাও।" হ্যাঁ, যে বছর সাইয়্যেদ কুতুবকে ফাঁসি দেওয়া হলো সে বছরই তার তাফসির গ্রন্থটির সপ্তম সংস্করণ ছাপা হলো। অথচ তাঁর জীবদ্দশায় মাত্র একবার ছাপানো হয়েছিলো। আর এখন তো অবস্থা এমন যে, পৃথিবীর এমন কোনো প্রান্ত পাওয়া যাবে না, যেখানে সাইয়্যেদ কুতুবের এই তাফসিরগ্রন্থ গিয়ে পৌঁছে নি। এমন কোনো ভাষাও পাওয়া যাবে না, যে ভাষায় তা অনূদিত হয়নি। ★★ ফাঁসির আগের রাতে সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) কে কালেমা পড়ানোর জন্য জেলের ইমামকে পাঠানো হলো। জেলের ইমাম এসে সাইয়্যেদ কুতুবকে কালেমা পড়ানোর চেষ্টা করতে লাগলেন। তাকে দেখে সাইয়্যেদ কুতুব জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কী জন্য এখানে এসেছেন?" ইমাম বললেন,"আমি আপনাকে কালেমা পড়াতে এসেছি। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে আসামীকে কালেমা পড়ানো আমার দায়িত্ব।" সাইয়্যেদ কুতুব বললেন, "এই দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে?" ইমাম বললেন,"সরকার দিয়েছে।" সাইয়্যেদ কুতুব বললেন, "এর বিনিময়ে কি আপনি বেতন পান?" ইমাম বললেন, "হ্যাঁ আমি সরকার থেকে বেতন-ভাতা পাই।" তখন সাইয়্যেদ কুতুব (রহ.) বলেছিলেন, "কি আশ্চর্য! যেই কালেমা পড়ানোর কারণে আপনি বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন, সেই কালেমার ব্যাখ্যা মুসলিম উম্মাহকে জানানোর অপরাধেই আমাকে আজ ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে!" ❝আপনার কালেমা আপনার রুটি জোগায়, আর আমার কালেমা আমাকে ফাঁসিতে ঝুলায়!❞

2
بدون متن...
489
3
📌 ২০ বছর পর ইরাক ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী। ➡️ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইরাকের শেষ সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকেও মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হওয়ার কথা। এর মধ্য দিয়ে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির অবসান ঘটবে। এই সময়ে ইরাকে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন নাগরিক নিহত হয়। ➡️ ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে “ঐতিহাসিক বিজয়” এবং “আমেরিকান প্রকল্পের জন্য বড় পরাজয়” হিসেবে দেখছে। তাদের বক্তব্য, ইরাক থেকে মার্কিন সেনা চলে যাওয়াকে তারা নিজেদের দীর্ঘদিনের অবস্থানের সাফল্য হিসেবে দেখছে। ➡️ ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে সামরিক হামলা শুরু করে। ২০১১ সালের শেষে মার্কিন সেনারা ইরাক ছাড়লেও ২০১৪ সালে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আবার সেখানে ফিরে আসে। ➡️ চলতি বছরের ইরান যুদ্ধেও ইরাকে মার্কিন সেনারা হামলার মুখে পড়ে। যুদ্ধে নিহত ১৮ জন মার্কিন সেনার মধ্যে ৭ জন ইরাকে নিহত হন। ইরাকে নিহত সর্বশেষ মার্কিন সেনা ছিলেন একজন আর্মি সার্জেন্ট, যিনি জুলাইয়ে এরবিলের কাছে একটি ঘাঁটিতে ড্রোন বিস্ফোরণের সময় নিহত হন। ➡️ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) আবার সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে বলেও ইরাকের কিছু নিরাপত্তা কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন। তাদের মতে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য, ড্রোন ও অন্যান্য সহায়তা না থাকলে আইএসের গোপন ঘাঁটিগুলো আবার শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। সূত্র: Reuters @SorwarAlam[mh] #world
821
4
بدون متن...
620
5
একজন স্বামী ভালোবাসা দিয়ে স্ত্রীর হৃদয় জয় করেন, আর একজন স্ত্রী শ্রদ্ধা দিয়ে স্বামীর হৃদয় জয় করেন। দাম্পত্য জীবনের বড় ভুলগুলোর একটি হলো, আমরা ধরে নিই যে আমি যেভাবে ভালোবাসা পেতে চাই, আমার জীবনসঙ্গীও ঠিক সেভাবেই ভালোবাসা চান। অথচ নারী ও পুরুষের স্বভাবগত পার্থক্য রয়েছে। কুরআনে এসেছে, “আর পুরুষ তো নারীর মতো নয়...” (সূরা আলে ইমরান, ৩:৩৬) রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “নিশ্চয়ই নারীরা পুরুষদের সমকক্ষ ও পরিপূরক।” (জামে আত-তিরমিযী, হাদিস: ১১৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৩৬) আধুনিক দাম্পত্য মনস্তত্ত্বের আলোচিত দুটি বই, ড. এমারসন এগেরিচসের Love & Respect এবং লরা ডয়েলের The Surrendered Wife, দাম্পত্যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার পারস্পরিক সম্পর্ককে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে। Love & Respect-এর মূল ধারণা হলো, স্বামীর কাছে শ্রদ্ধা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, স্ত্রীর কাছে ভালোবাসা ও নিরাপত্তাও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ। একজন আরেকজনকে এগুলো দিতে পারলে দাম্পত্যে একটি ইতিবাচক চক্র তৈরি হয়। স্ত্রী যখন স্বামীকে সম্মান ও মূল্যায়ন করেন, তখন স্বামীও নিজেকে দায়িত্বশীল ও মূল্যবান মনে করেন। এর প্রভাব পড়ে তাঁর ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও স্ত্রীর প্রতি যত্নে। আবার স্বামী যখন স্ত্রীকে ভালোবাসা, মনোযোগ ও মানসিক নিরাপত্তা দেন, তখন স্ত্রী নিজেকে মূল্যবান ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মনে করেন। সেখান থেকে স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ও সহযোগিতাও বাড়তে পারে। কিন্তু যখন এই চক্রটি ভেঙে যায়, তখন শুরু হয় বিপরীত চক্র। ভালোবাসার অভাবে অসম্মান, আর অসম্মানের কারণে ভালোবাসা থেকে দূরে সরে যাওয়া। এগেরিচস এটিকে বলেছেন The Crazy Cycle। কুরআন পুরুষকে পরিবারের দায়িত্ব ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দিয়েছে: “পুরুষেরা নারীদের ওপর অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ক...” (সূরা আন-নিসা, ৪:৩৪) রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যদি আমি কোনো মানুষকে অপর কোনো মানুষকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তবে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করার জন্য।” (জামে আত-তিরমিযী, হাদিস: ১১৫৯; সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২১৪০) এখানে সিজদা উপাসনার অর্থে নয়, বরং স্বামীর বিশেষ অধিকারের প্রতি স্ত্রীর গভীর সম্মানের একটি উদাহরণ হিসেবে এসেছে। লরা ডয়েলের The Surrendered Wife বইয়ে স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীর ওপর অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ও মাতব্বরি কমিয়ে তাঁর ওপর আস্থা রাখার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। যেমন, স্বামীর প্রতিটি সিদ্ধান্তে সন্দেহ না করে তাঁর বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। গাড়ি চালানো, কেনাকাটা কিংবা পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে প্রতিটি বিষয় নিয়ন্ত্রণ করতে না চাওয়া। স্বামী কোনো বিষয়ে ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে “আমি তো আগেই বলেছিলাম” না বলে তাঁকে নিজের ভুল থেকে শেখার সুযোগ দেওয়া। স্ত্রী যেন তাঁর সহধর্মিণী হন, সবসময় শাসনকারী মা হয়ে না ওঠেন। স্বামী কোনো কাজের উদ্যোগ নিলে “তুমি পারবে না” বলে তাচ্ছিল্য না করে তাঁর চেষ্টা ও সক্ষমতাকে মূল্য দেওয়া। উৎসাহ একজন মানুষকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলতে পারে। অভিযোগ করার ক্ষেত্রেও ভাষা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। “তুমি কখনো সময়মতো ফেরো না” বলার বদলে, “তুমি দেরি করায় এবং কোনো খবর না থাকায় আমি খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম” বলা অনেক বেশি কোমল। “তুমি সবসময় আমার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করো” বলার বদলে, “তোমার এই কথাটিতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি” বলা অভিযোগকে আক্রমণে পরিণত হতে দেয় না। আর পরিবারের মানুষ বা বন্ধুদের সামনে স্বামীকে খাটো না করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর যোগ্যতা, চেহারা বা সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে ঠাট্টা করা সম্পর্কের মধ্যে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে স্বামীর দায়িত্ব হলো শুধু সংসারের খরচ বহন করেই ভালোবাসার দায়িত্ব শেষ মনে না করা। ভালোবাসা মুখেও প্রকাশ করতে হয়। স্ত্রীকে “আমি তোমাকে ভালোবাসি” বলা, তাঁর কাজের প্রশংসা করা এবং তাঁর সৌন্দর্য ও যত্নের মূল্যায়ন করা দাম্পত্যে ভালোবাসার নিশ্চয়তা তৈরি করে। রাসুলুল্লাহ ﷺ হযরত আয়েশা (রা.)-এর সঙ্গে ভালোবাসার প্রকাশে বলেছিলেন, “আমার অন্তরে তোমার জন্য ভালোবাসা যেন একটি মজবুত গিঁট।” পরে আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করতেন, “গিঁটের অবস্থা কেমন?” নবীজি ﷺ বলতেন, “আগের মতোই শক্ত।” (হিলয়াতুল আউলিয়া, ২/৪৪) স্ত্রীর রান্না, ঘরের কাজ, সন্তান লালন-পালন কিংবা পরিবারের জন্য করা ছোট ছোট ত্যাগকে স্বাভাবিক ধরে না নিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা দরকার। বিশেষ দিন মনে রাখা, সামর্থ্য অনুযায়ী উপহার দেওয়া কিংবা দুজন মিলে কিছু সময় কাটানোও দাম্পত্যের ভালোবাসাকে সতেজ রাখতে পারে। আর সময় দেওয়া মানে শুধু একই ঘরে থাকা নয়। স্ত্রী যখন কোনো কথা বলতে চান, তখন মোবাইল সরিয়ে তাঁর দিকে তাকানো, মন দিয়ে শোনা এবং তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়াও ভালোবাসার অংশ। অনেক সময় স্ত্রী কোনো সমস্যার সমাধান চান না, শুধু চান তাঁর স্বামী তাঁর কথা শুনুক। তাঁর আবেগ ও ক্লান্তিকে বুঝতে চেষ্টা করাটাই তখন সবচেয়ে বড় ভালোবাসা হতে পারে। একটি প্রশান্তিময় পরিবার একজনের একক প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে না। স্বামীকে ভালোবাসা দিতে হয়, স্ত্রীকে শ্রদ্ধা দিতে হয়, আবার দুজনকেই একে অপরের প্রয়োজন বুঝতে হয়। Love & Respect এবং The Surrendered Wife-এর আলোচনার সারকথা হলো, দাম্পত্যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পরস্পরকে শক্তিশালী করতে পারে। আর ইসলামের শিক্ষা আমাদের বহু আগেই শিখিয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক।
747
6
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯
962
7
গতবছর এই দিনে দখলদার বাহিনীর আক্রমণে নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সাথে শহীদ হন মাহাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা - হ
গতবছর এই দিনে দখলদার বাহিনীর আক্রমণে নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সাথে শহীদ হন মাহাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা - হুজাইফা আল কাহলুত। সাত অক্টোবরের ঐতিহাসিক ঘটনার পর পৃথিবী অপেক্ষায় থাকতো কখন আবু উবাইদা কথা বলবে নতুন কোনো ভিডিওতে। একেকটা শব্দ যেন পশ্চিম আর যায়োদের উপর ছিল অ্যাটম বোমের মতো। দৃঢ় কন্ঠ, স্পষ্ট উচ্চারণ আর শব্দচয়ন যেকারো অন্তরে প্রভাব ফেলতে বাধ্য। লাল রুমালে চেহারা ঢাকা, দুই চোখ দেখা যায় কেবল। এক আঙুল উঁচিয়ে কথা বলা এক যুবক হয়ে উঠেছিলেন 'উম্মাহর স্পোকসম্যান'। প্রতিরোধের প্রতীক। তার শাহাদাতের খবর যেদিন অফিসিয়ালি কনফার্ম করা হলো, সেদিন চোখের পানি ঝরিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছে এমন অগণিত মানুষ যারা জীবনে তার কথা শোনেনি। সামরিক শাখার পরবর্তী মুখপাত্রের উপাধিও 'আবু উবাইদা' রাখা হয়েছে এতটাই মানুষের অন্তরে গেঁথে আছে এই নাম। ইনস্টাতে ঢুকলেই আবু উবাইদার কোনো না কোনো ক্লিপ সামনে চলে আসে। মনে হয় ইশ যদি আরও একবার তার কন্ঠ শুনতে পেতাম নতুন করে! একটা কন্ঠকে এতটা ভালোবাসা সম্ভব, তা আমি আগে জানতাম না। একটা আওয়াজ যে অন্তরে এত প্রভাব ফেলতে পারে, আগে বুঝিনি। ওয়া ইন্নাহু লাজিহাদ, আউ ইশতিশহাদ। সালামুন আলা আরওয়াহিশ শুহাদা।
1 008
8
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে এসেছিলো কিছু সম্পদ লাভের আশায়। সে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে সম্পদ চেয়েও ফেললো! রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছাগল দান করলেন। একটি-দুটি ছাগল না। হাদীসে উল্লেখ আছে- “তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু’উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।” এখন চিন্তা করুন, দুই উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পূর্ণ হয়ে যাবে, এরকম কতো ছাগল লাগতে পারে? ৫০০? ১০০০ ছাগল? সংখ্যা শখানেক হোক বা হাজার, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, অনেক ছাগল দেয়া হয়। যা সে ভাবতেও পারেনি! একসাথে এতো সম্পদ পেয়ে সেই বেদুইনের প্রতিক্রিয়া কী ছিলো জানেন? সে খুশিতে আত্মাহারা হয়ে তার গোত্রে চলে গেলো চিৎকার করতে করতে- “হে আমার জাতির ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো। কারণ মুহাম্মদ ﷺ অভাবের আশঙ্কা না করে এতো দান করতে থাকেন (তোমরা ভাবতেও পারবে না)!” (সহীহ মুসলিম: ৫৯১৪) . এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- “এই বেদুঈন প্রথমে কেবল দুনিয়াবি লাভের আশায় নবী ﷺ–এর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু রাসূল ﷺ–এর অসাধারণ উদারতা ও দানশীলতা দেখে তাঁর অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং তিনি আন্তরিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর গোত্রও ইসলাম গ্রহণ করে।” . জীবনের প্রথম পরিচয়ে যে বেদুঈনের কাছে মনে হলো- রাসূলুল্লাহ ﷺ গরীব নন, তিনি অভাবের আশঙ্কা করেন না, তিনি দুহাত খুলে দান করেন, আর সেই রাসূল ﷺ সম্পর্কে আমরা কী মন্তব্য করি? যেই নবী ﷺ একটি সুন্দর জামা পরে আসলে কেউ যদি বলতো জামাটা আমাকে দিবেন? তিনি সাথে সাথে জামা খুলে দিতেন, সেই নবীর অর্থনৈতিক জীবন বলতে গিয়ে আমরা শুধু তাঁর দারিদ্র্যের গল্প শুনাই? আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে কোটি কোটি টাকা দান করেছেন। সেই রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ইমেইজ দাঁড় করানো হয়েছে কেবল ৩ মাস চুলোয় আগুন জ্বলেনি এই থিমের ওপর! অথচ আমার রাসূলকে দুনিয়া অফার করা সত্ত্বেও তিনি দুনিয়া বেছে নেননি, তারপরও দুনিয়া তাঁর কাছে এসেছিলো। সেই দুনিয়াটাও তিনি গ্রহণ না করে দান করে গেছেন। যার দানশীলতা দেখে একজন-দুজন না, একেকটা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করতো, মক্কার কাফিররা যারা মক্কা বিজয়ের পরও মনে প্রাণে ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাঁর দানশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তাদের মন জয় হয়। সেই রাসূলকে কিনা বলা হয় গরীব ছিলেন! অনাহারে থাকতেন। . রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে ভালোবাসতে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জেনেই ভালোবাসতে হবে। আপনার কল্পিত ধারণা অনুযায়ী যে ইমেইজ দাঁড় করাতে চাচ্ছেন, সেভাবে না। বরং তিনি যেমন ছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই তাঁকে চিন্তা করুন। জোর করে ভালোবাসতে হবে না। ঐ ঘটনাগুলো পড়লে এমনিতেই ভালোবাসা জন্মাবে।
725
9
بدون متن...
728
10
মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন। রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস! তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক! কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, "আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।" ৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা! যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না? কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না। ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন। মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো। একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে। সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো। একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, "আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ, পারবো।" তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন। প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি। তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন! ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো! ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে! পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব? লোকজন চিৎকার করে বললো, "আল্লাহু আকবর!" এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন। লোকজন বললো, "কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন। এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন। কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন! দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!" সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান। তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত: "ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!" [সূরা হুদ: ১১৫]
817
11
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পর তাঁর স্ত্রীগণ কীভাবে জীবিকানির্বাহ করবেন? নবীজি কি তাঁদের জন্য কিছু রেখে গিয়েছিলেন? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকালের পূর্বে তাঁর নিজের যতো দিনার-দিরহাম ছিলো সবই দান করেন। অবশিষ্ট কিছুই রেখে যাননি। তবে তাঁর স্ত্রীগণকে এমন অবস্থায় রেখে যাননি যে, তাঁদেরকে ধার করতে হবে। যদিও পরবর্তীতে খুলাফায়ে রাশেদার যুগে উম্মুল মুমিনীনদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো এবং উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগে তারা পেতেন ফার্স্টক্লাস গ্রেডে ভাতা। কিন্তু, নবীজিও তাঁর স্ত্রীদের জন্য বার্ষিক খাবারের ব্যবস্থা করে যান। খাইবার বিজয়ের পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রত্যেক স্ত্রীর নামে আলাদা করে বছরে ৮০ ওয়াসাক খেজুর এবং ২০ ওয়াসাক যব নির্ধারিত করেছিলেন। আরেক বর্ণনামতে ১০০ ওয়াসাক শুধু খেজুরই বরাদ্দ দিয়েছিলেন। আরো ২০ ওয়াসাক দিয়েছিলেন যব। এক ওয়াসাক = ৬০ সা'। আর এক সা' হচ্ছে ২.৪০ কেজি। তো এক ওয়াসাকের পরিমাণ হয় ১২২.৪ কেজি। তাহলে ১০০ ওয়াসাকে হয় বর্তমানের ৩০৬ মণ। খেজুর ও যবের মণ গড়ে যদি ৫০০০ টাকা করে ধরা (খেজুরের কেজি ১২৫ টাকা ধরা হয়েছে) হয় তাহলে হয় ১৫ লাখেরও বেশি। সুতরাং বছরে নবীজি তাঁর স্ত্রীগণের জন্য বরাদ্দ রেখে যান প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। এই সম্পদের মালিক কিন্তু নবীজির স্ত্রীগণ হতেন। তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী: ২৩২৮, সুনানে আবু দাউদ: ৩০০৮ ©©©
612
12
বর্তমানের সো কল্ড ধার্মিক যারা ইবলিশরে নিয়া ট্রল করেন, গালি দেন, আপনারা সারা টা জীবন ইবাদত করলেও ইবলিশের আগের জীবনের ইবাদতের সমান হবেনা। সারাজীবন নামায, কালাম পইড়াও ওই লেভেলের ভক্তিতে যাইতে পারবেন না। ইবলিশের কিছু ভুল হইসে আমি মানি। একটু অহংকার করসিলো আই গেট ইট। কিন্তু ইবলিশের আগের জীবনের ইবাদত বন্দেগীর জন্যে আমি ইবলিশরে সারাজীবন সম্মান করব। বিনম্র শ্রদ্ধা।
789
13
"আমি মেজর ডালিম বলছি, খন্দকার মোশতাক আহমদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করিয়াছে। শেখ মুজিব ও তার খুনী-দুর্নীতিবাজ সরকারকে উৎখাত করা হইয়াছে। এখন থেকে সারা দেশে সামরিক আইন জারি করা হলো। আপনারা সবাই আমাদের সহযোগিতা করুন। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন, কোনো অসুবিধা আপনাদের হইবে না। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!" — বাংলাদেশ বেতার আগস্ট ১৫,১৯৭৫
843
14
“আমি আমার এ দু’টি আঁখি, কি করে ধরে রাখি, অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে” #WeAreAllamaSayedee
“আমি আমার এ দু’টি আঁখি, কি করে ধরে রাখি, অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে” #WeAreAllamaSayedee
861
15
আজ সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চু
আজ সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা Makkah Joint Defense Agreement নামে পরিচিত। ​সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন। ​ চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারা অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ বা আগ্রাসন চালানো হলে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে ("An attack on one is an attack on all") উম্মার সামরীক, আর্থিক শক্তি, ভ্রাতৃপ্রেম, নিরাপত্তা মজবুত হোক এটাই কাম্য। বলাবাহুল্য, আমাদের দেশে একটি গ্রুপ নামাজে হাত কোথায় বাঁধতে হবে তা নিয়ে রীতিমতো জগড়া করে! আমাদের হানাফী মতকে তারা মানতেই চায়না। অতচ, দেখেন। হাত বুকে বা নাভির নিচে কিংবা হাত সম্পূর্ণ ছেড়ে দেয়া ফিকহী ইখতেলাফ। তা নিয়ে বাড়াবাড়ি, বিভক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত। আহলে হাদীস ভাইয়েরা ফিকহী, ইজতেহাদী বিষয়ে সহনশীল হোন।
1 071
16
بدون متن...
747
17
একটি মসজিদ উদ্বোধন করার কথা ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের, কিন্তু আল্লাহর নির্দেশে তিনি সেই মসজিদটি ভেঙ্গে এবং পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেন! . হঠাৎ করে সীরাত পড়তে গিয়ে এই ঘটনা পেলে অবাকই হতে হবে। আল্লাহর রাসূল, যিনি মদীনায় আসার পর প্রথম মসজিদ নির্মাণ করেন, তিনি কিনা একটি মসজিদ ভাঙ্গার নির্দেশ দেন? কেনো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মদীনায় অনেকগুলো মসজিদ ছিলো। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাইন। মদীনার মুনাফিকরা মসজিদে কুবায় নামাজ পড়তে আপত্তি জানায়। তাদের কথা হলো এই জায়গায় একসময় গাধা রাখা হতো। এখানে নামাজ পড়া যাবে না। মুনাফিকরা কতোবার কতোভাবে যে রাসূলুল্লাহকে বিরক্ত করে সেটা চিন্তার বাইরে। তাবুক যুদ্ধের সময় যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ যুদ্ধে ফান্ডিংয়ের জন্য আহ্বান করেন, তখন মুনাফিকরা ফান্ডিং তো করলোই না উল্টো তারা সাহাবীদের নিয়ে ঠাট্টা শুরু করলো। যারা বেশি দান করতেন, তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করে তারা বললো- ‘অ্যাহ, লোক দেখানোর জন্য দান করছে!’ আর যারা সামর্থ্যের অভাবে কম দান করতেন, তাঁদেরকে বলা শুরু করলো- ‘তোমার এই সামান্য খেজুর দিয়ে কী এমন হবে?’ একদিকে যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ যুদ্ধ প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অন্যদিকে তারা একটি মসজিদ নির্মাণ করছে। মনে হচ্ছে তারা ভিন্ন একটি প্রজেক্ট করছে, রাসূল যা করছেন সেটা নিয়ে তাদের চিন্তা নেই। সেই মসজিদটি নির্মাণ হলে উদ্বোধনের জন্য তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে দাওয়াত দেয়। তিনি জানান, তাবুক থেকে ফেরার পর ‘আল্লাহ চাইলে’ তিনি আসবেন। . মদীনার এক লোক ছিলো যার নাম আবু আমির। রাসূলুল্লাহ ﷺ মদীনায় আগমনের পূর্বে আবু আমিরের বেশ প্রভাব ছিলো। সে ছিলো একজন স্কলার, নেতা। এজন্য লোকজন তাকে ‘আর-রাহিব’ নামে ডাকতো। আবু আমির সে রাসূলুল্লাহকে এতো ঘৃণা করে, রাসূলের আগমনের পর সে আর মদীনায় থাকতে চায়নি। সে চলে যায় মক্কায়! মক্কায় গিয়ে সে প্ল্যান করতে থাকে কীভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ক্ষতি করা যায়। উহুদ যুদ্ধে সে অংশ নেয় কুরাইশদের পক্ষে। সে ভেবেছিলো মদীনায় তো তার অনেক অনুসারী, যুদ্ধ শুরুর আগে একটা ভাষণ দিলে মদীনার সাহাবীরা তার পক্ষে চলে আসবে। কিন্তু, সে ভাবতে পারেনি মুসলিমদের এই বন্ধন ছিলো ঈমানের বন্ধন। তার ভাষণ শুনে মদীনার লোকজন তাকে ডাকা শুরু করলো- আবু আমির আল-ফাসিক! আগে যেখানে লোকজন তাকে ডাকতো সন্যাসী, নেককার, এখন তাকে ডাকা শুরু করলো পাপিষ্ঠ। উহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য ছিলেন হানজালা রাদিয়াল্লাহু আনহু। ফেরেশতারা যাকে গোসল করিয়েছিলেন। আইরনি হলো, হানজালা রাদিয়াল্লাহু আনহু মুসলিমদের পক্ষে লড়াই করেন আর তার বাবা কুরাইশদের পক্ষে। তার বাবা ছিলো কে? সেই আবু আমির আল-ফাসিক! . আবু আমির এক পর্যায়ে চলে যায় সিরিয়ায়, সে রোমানদের সাথে ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। আর ধর্মে তো সে ছিলো খ্রিস্টান। ফলে, রোমানরা তাকে বরণ করে। তাদের কাছে আরবের এমন একজন ইন্টেলেকচুয়াল ফিগার পাওয়া ছিলো সৌভাগ্যের। বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার আলোকে চিন্তা করুন। ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের কথাই ধরুন। পাকিস্তানের কেউ যদি জেনুইনলি ইন্ডিয়াতে যোগ দেয়, ইনফরমেশন শেয়ার করে, তাকে কীভাবে গ্রহণ করা হবে? রোমানরা আবু আমিরকে এভাবেই গ্রহণ করে। বর্তমানে আমরা দেখি মার্কিনরা বিভিন্ন দেশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য ঘাটি স্থাপন করে। যেমন: মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, সৌদি আরব, ওমানে মার্কিন ঘাটি আছে। সুপারপাওয়ার মূলত তাদের ক্ষমতা প্রদর্শন, নিয়ন্ত্রণের জন্য এভাবেই ঘাটি স্থাপন করে। তাবুক যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যায় রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে। এর ১ বছর আগ থেকেই মূলত রোমানদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের যুদ্ধ শুরু হয়। রোমানরা এই সময় আবু আমিরকে দিয়ে একটা চাল খেলে। তারা মদীনাতেই তাদের একটা ঘাটি স্থাপন করতে চায়। আর সেটা তো সামরিক ঘাটি হতে পারে না, এজন্য তারা বেছে নেয় রিলিজিয়াস সেন্টার। সেই উদ্দেশ্যেই আবু আমির তার খালাতো ভাই মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে দিয়ে একটি মসজিদ স্থাপন করতে চায়। চিন্তা করুন, সিরিয়াতে বসে আবু আমির মদীনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটা অফিস বানানোর প্ল্যান করে যার উদ্দেশ্য মুসলিমদের ক্ষতি করা। আর সেটা উদ্বোধনের জন্য কাকে চিফ গেস্ট করতে চায়? খোদ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে! . তাবুক থেকে ফেরার পথে আল্লাহ কুরআনের আয়াত নাযিল করে তাদের এই প্ল্যান জানিয়ে দিলেন। সূরা তাওবার ১০৭-১১০ নাম্বার আয়াতে মসজিদের নামে সামরিক ঘাটি স্থাপনের প্ল্যান ফাঁস হয়ে গেলে রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন এই মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে এবং পুড়িয়ে দিতে। ‘মসজিদে দিরার’ নামে পরিচিত এই সামরিক ঘাটি ভেঙ্গে ফেলার মাধ্যমে রোমানদের ষড়যন্ত্র, আবু আমিরের ডিপ্লোম্যাসি ভেস্তে যায়। . সীরাত পড়ার সময় আমরা কেবল পড়ি রাসূলুল্লাহ ﷺ মুনাফিকদের মসজিদ ভাঙ্গার নির্দেশ দেন। কিন্তু, এটা যে মসজিদ ছিলো না, এটা ছিলো যে মদীনার বুকে তৎকালীন সুপারপাওয়ারের একটা ঘাটি সেটা আমরা বুঝতে পারি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পলিটিকাল ডিসিশন যদি আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারতাম, তাহলে সীরাত পড়ে সেটা আমাদের যুগের সাথেও রিলেট করার চেষ্টা করতাম। ১৪০০ বছর আগের সীরাত স্রেফ কোনো গল্প, ঘটনা না। সেটা এই যুগেও প্রাসঙ্গিক।
707
18
২০২৪ ফতহে গণভবন মোবারক
২০২৪ ফতহে গণভবন মোবারক
546
19
بدون متن...
602
20
আপনি যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে গবেষণা করতে চান, লিখতে চান, বা কাজ করতে চান, তবে এই অনলাইন রিসোর্স লিস্ট আপনার জন্য। সেভ করে রাখুন, নিজের মতো করে ছড়িয়ে দিন। ১. শহীদদের সরকারি তালিকার গেজেট https://molwa.gov.bd/pages/static-pages/694032cd35ce18e1c0562acf ২. শহীদ ও আহতদের তালিকা https://medical-info.dghs.gov.bd/public?tab=death-summary ৩. শহীদদের নাম, ছবি ও বিস্তারিত https://jrabd.org/martyrs ৪. তারিখ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ঘটনাপ্রবাহ https://julyarchive.cridobd.org/timelineofjuly/ ৫. জুলাইয়ে সাহসী ভুমিকা রেখেছে যে টেলিগ্রাম চ্যালেন https://t.me/BeGrateFulToALLAH ৬. আহত ও শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য: জুলাই রেকর্ডসের পেইজ https://www.facebook.com/profile.php?id=61567349874342 ; বিস্তারিত সাক্ষাৎকারের জন্য পড়ুন বই “জুলাই বয়ান” https://www.rokomari.com/book/544988/july-boyan ৭. আহতদের ভিডিও সাক্ষাৎকার, জুলাই স্টোরির পেইজ https://www.facebook.com/julystory.bd ৮. আন্দোলনকারীদের নিজেদের বয়ানে সংগ্রামের গল্প https://www.facebook.com/Choukidar24/ ৯. তারিখ অনুযায়ী ২০০০+ অনলাইন নিউজের আর্কাইভ https://julyarchive.cridobd.org/news-archive/ ১০. তারিখ অনুযায়ী ছাপা পত্রিকার ক্লিপিং https://julyonrecord.org/ ১১. তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত জুলাই সম্পর্কিত সকল সংবাদের ১০ খণ্ডের বিশাল সংকলন (পিডিএফ) https://pressinform.gov.bd/pages/static-pages/6922dbf6933eb65569e0daf7 ১২. জুলাইয়ের গ্রাফিতির ছবি https://julyarchive.cridobd.org/2024/10/28/818/ ; স্থান অনুযায়ী আন্দোলনের সময় ও পরে আঁকা গ্রাফিতির ছবি https://julymemories.org/ ১৩.জুলাইয়ে নারীদের অংশগ্রহণের ছবি https://www.julybiplobemeyera.com/ ১৪. জুলাইয়ের হাজার হাজার ভিডিও সংকলন https://t.me/jra2024bd https://t.me/theredjuly24 https://julyarchive.cridobd.org/2025/04/30/subject-wise-july-videos/ https://t.me/history_of_July_document2024 https://www.facebook.com/JulyArchive24/reels/?locale=bn_IN ১৫. ঘটনাপ্রবাহ, সহিংসতা ও বিক্ষোভ নিয়ে বিবিসির ওয়েবসাইট https://www.bbc.com/bengali/extra/aimee860o7/36-days-of-july-revolution-in-bangladesh ১৬. সংখ্যায় জুলাই হত্যাযজ্ঞ, নেত্র নিউজের ইন্টারেক্টিভ সাইট https://interactive.netra.news/monsoon-massacre/bangla/ ১৭. জুলাই সম্পর্কিত সকল ডকুমেন্টারির লিংক কালেকশন https://julyarchive.cridobd.org/documentaries/ ১৮. জুলাইয়ে আঁকা কার্টুন কালেকশন https://julyarchive.cridobd.org/2024/10/15/cartoons/ https://duniyakapanojuly.org/gallery/cartoon/ ১৯. জাতিসংঘের প্রতিবেদনসহ কয়েকটি রিপোর্ট https://julyarchive.cridobd.org/reports/ ২০. জুলাইয়ের বিবিধ বিষয় নিয়ে সবচেয়ে গোছানো একটা সাইট https://duniyakapanojuly.org/ সংযুক্তি: জুলাই সনদ, সংস্কার কমিশন, গুম কমিশন ইত্যাদির সুকল রিপোর্টের পিডিএফ https://reform.gov.bd সংগ্রহে: জুলাই আর্কাইভ
631