fa
Feedback
Bangladesh 2.0

Bangladesh 2.0

رفتن به کانال در Telegram

♦️ ♦️ ♦️ Join Our Chat Group - 👇 https://t.me/BangladeshTime

نمایش بیشتر
6 737
مشترکین
-824 ساعت
-377 روز
-15430 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
سپتامبر '26
سپتامبر '26
+6
در 0 کانال‌ها
اوت '26
+35
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '26
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '26
+6
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+4
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+1 244
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+10
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+146
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+7
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+126
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+12
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+1 257
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+969
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+8
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+143
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+144
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+260
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+58
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+362
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+5 989
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '240
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+99
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
13 سپتامبر0
12 سپتامبر0
11 سپتامبر0
10 سپتامبر0
09 سپتامبر0
08 سپتامبر+1
07 سپتامبر0
06 سپتامبر0
05 سپتامبر+1
04 سپتامبر+1
03 سپتامبر+2
02 سپتامبر+1
01 سپتامبر0
پست‌های کانال
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯
মানুষ যা চায়, তাই কি সে পায়? - সূরা আন-নাজম, ২৪ মানুষ তাই পায় যা সে চেষ্টা করে। - সূরা আন-নাজম, ৩৯

2
গতবছর এই দিনে দখলদার বাহিনীর আক্রমণে নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সাথে শহীদ হন মাহাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা - হ
গতবছর এই দিনে দখলদার বাহিনীর আক্রমণে নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সাথে শহীদ হন মাহাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু উবাইদা - হুজাইফা আল কাহলুত। সাত অক্টোবরের ঐতিহাসিক ঘটনার পর পৃথিবী অপেক্ষায় থাকতো কখন আবু উবাইদা কথা বলবে নতুন কোনো ভিডিওতে। একেকটা শব্দ যেন পশ্চিম আর যায়োদের উপর ছিল অ্যাটম বোমের মতো। দৃঢ় কন্ঠ, স্পষ্ট উচ্চারণ আর শব্দচয়ন যেকারো অন্তরে প্রভাব ফেলতে বাধ্য। লাল রুমালে চেহারা ঢাকা, দুই চোখ দেখা যায় কেবল। এক আঙুল উঁচিয়ে কথা বলা এক যুবক হয়ে উঠেছিলেন 'উম্মাহর স্পোকসম্যান'। প্রতিরোধের প্রতীক। তার শাহাদাতের খবর যেদিন অফিসিয়ালি কনফার্ম করা হলো, সেদিন চোখের পানি ঝরিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছে এমন অগণিত মানুষ যারা জীবনে তার কথা শোনেনি। সামরিক শাখার পরবর্তী মুখপাত্রের উপাধিও 'আবু উবাইদা' রাখা হয়েছে এতটাই মানুষের অন্তরে গেঁথে আছে এই নাম। ইনস্টাতে ঢুকলেই আবু উবাইদার কোনো না কোনো ক্লিপ সামনে চলে আসে। মনে হয় ইশ যদি আরও একবার তার কন্ঠ শুনতে পেতাম নতুন করে! একটা কন্ঠকে এতটা ভালোবাসা সম্ভব, তা আমি আগে জানতাম না। একটা আওয়াজ যে অন্তরে এত প্রভাব ফেলতে পারে, আগে বুঝিনি। ওয়া ইন্নাহু লাজিহাদ, আউ ইশতিশহাদ। সালামুন আলা আরওয়াহিশ শুহাদা।
625
3
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে এসেছিলো কিছু সম্পদ লাভের আশায়। সে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে সম্পদ চেয়েও ফেললো! রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছাগল দান করলেন। একটি-দুটি ছাগল না। হাদীসে উল্লেখ আছে- “তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু’উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।” এখন চিন্তা করুন, দুই উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পূর্ণ হয়ে যাবে, এরকম কতো ছাগল লাগতে পারে? ৫০০? ১০০০ ছাগল? সংখ্যা শখানেক হোক বা হাজার, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, অনেক ছাগল দেয়া হয়। যা সে ভাবতেও পারেনি! একসাথে এতো সম্পদ পেয়ে সেই বেদুইনের প্রতিক্রিয়া কী ছিলো জানেন? সে খুশিতে আত্মাহারা হয়ে তার গোত্রে চলে গেলো চিৎকার করতে করতে- “হে আমার জাতির ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো। কারণ মুহাম্মদ ﷺ অভাবের আশঙ্কা না করে এতো দান করতে থাকেন (তোমরা ভাবতেও পারবে না)!” (সহীহ মুসলিম: ৫৯১৪) . এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- “এই বেদুঈন প্রথমে কেবল দুনিয়াবি লাভের আশায় নবী ﷺ–এর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু রাসূল ﷺ–এর অসাধারণ উদারতা ও দানশীলতা দেখে তাঁর অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং তিনি আন্তরিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর গোত্রও ইসলাম গ্রহণ করে।” . জীবনের প্রথম পরিচয়ে যে বেদুঈনের কাছে মনে হলো- রাসূলুল্লাহ ﷺ গরীব নন, তিনি অভাবের আশঙ্কা করেন না, তিনি দুহাত খুলে দান করেন, আর সেই রাসূল ﷺ সম্পর্কে আমরা কী মন্তব্য করি? যেই নবী ﷺ একটি সুন্দর জামা পরে আসলে কেউ যদি বলতো জামাটা আমাকে দিবেন? তিনি সাথে সাথে জামা খুলে দিতেন, সেই নবীর অর্থনৈতিক জীবন বলতে গিয়ে আমরা শুধু তাঁর দারিদ্র্যের গল্প শুনাই? আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে কোটি কোটি টাকা দান করেছেন। সেই রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ইমেইজ দাঁড় করানো হয়েছে কেবল ৩ মাস চুলোয় আগুন জ্বলেনি এই থিমের ওপর! অথচ আমার রাসূলকে দুনিয়া অফার করা সত্ত্বেও তিনি দুনিয়া বেছে নেননি, তারপরও দুনিয়া তাঁর কাছে এসেছিলো। সেই দুনিয়াটাও তিনি গ্রহণ না করে দান করে গেছেন। যার দানশীলতা দেখে একজন-দুজন না, একেকটা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করতো, মক্কার কাফিররা যারা মক্কা বিজয়ের পরও মনে প্রাণে ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাঁর দানশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তাদের মন জয় হয়। সেই রাসূলকে কিনা বলা হয় গরীব ছিলেন! অনাহারে থাকতেন। . রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে ভালোবাসতে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জেনেই ভালোবাসতে হবে। আপনার কল্পিত ধারণা অনুযায়ী যে ইমেইজ দাঁড় করাতে চাচ্ছেন, সেভাবে না। বরং তিনি যেমন ছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই তাঁকে চিন্তা করুন। জোর করে ভালোবাসতে হবে না। ঐ ঘটনাগুলো পড়লে এমনিতেই ভালোবাসা জন্মাবে।
612
4
بدون متن...
680
5
মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন। রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস! তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক! কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, "আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।" ৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা! যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না? কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না। ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন। মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো। একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে। সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো। একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, "আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?" তিনি বললেন, "হ্যাঁ, পারবো।" তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন। প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি। তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন! ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো! ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে! পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব? লোকজন চিৎকার করে বললো, "আল্লাহু আকবর!" এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন। লোকজন বললো, "কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন। এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন। কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন! দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!" সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান। তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত: "ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!" [সূরা হুদ: ১১৫]
772
6
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পর তাঁর স্ত্রীগণ কীভাবে জীবিকানির্বাহ করবেন? নবীজি কি তাঁদের জন্য কিছু রেখে গিয়েছিলেন? নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকালের পূর্বে তাঁর নিজের যতো দিনার-দিরহাম ছিলো সবই দান করেন। অবশিষ্ট কিছুই রেখে যাননি। তবে তাঁর স্ত্রীগণকে এমন অবস্থায় রেখে যাননি যে, তাঁদেরকে ধার করতে হবে। যদিও পরবর্তীতে খুলাফায়ে রাশেদার যুগে উম্মুল মুমিনীনদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো এবং উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগে তারা পেতেন ফার্স্টক্লাস গ্রেডে ভাতা। কিন্তু, নবীজিও তাঁর স্ত্রীদের জন্য বার্ষিক খাবারের ব্যবস্থা করে যান। খাইবার বিজয়ের পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রত্যেক স্ত্রীর নামে আলাদা করে বছরে ৮০ ওয়াসাক খেজুর এবং ২০ ওয়াসাক যব নির্ধারিত করেছিলেন। আরেক বর্ণনামতে ১০০ ওয়াসাক শুধু খেজুরই বরাদ্দ দিয়েছিলেন। আরো ২০ ওয়াসাক দিয়েছিলেন যব। এক ওয়াসাক = ৬০ সা'। আর এক সা' হচ্ছে ২.৪০ কেজি। তো এক ওয়াসাকের পরিমাণ হয় ১২২.৪ কেজি। তাহলে ১০০ ওয়াসাকে হয় বর্তমানের ৩০৬ মণ। খেজুর ও যবের মণ গড়ে যদি ৫০০০ টাকা করে ধরা (খেজুরের কেজি ১২৫ টাকা ধরা হয়েছে) হয় তাহলে হয় ১৫ লাখেরও বেশি। সুতরাং বছরে নবীজি তাঁর স্ত্রীগণের জন্য বরাদ্দ রেখে যান প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। এই সম্পদের মালিক কিন্তু নবীজির স্ত্রীগণ হতেন। তথ্যসূত্র: সহীহ বুখারী: ২৩২৮, সুনানে আবু দাউদ: ৩০০৮ ©©©
589
7
বর্তমানের সো কল্ড ধার্মিক যারা ইবলিশরে নিয়া ট্রল করেন, গালি দেন, আপনারা সারা টা জীবন ইবাদত করলেও ইবলিশের আগের জীবনের ইবাদতের সমান হবেনা। সারাজীবন নামায, কালাম পইড়াও ওই লেভেলের ভক্তিতে যাইতে পারবেন না। ইবলিশের কিছু ভুল হইসে আমি মানি। একটু অহংকার করসিলো আই গেট ইট। কিন্তু ইবলিশের আগের জীবনের ইবাদত বন্দেগীর জন্যে আমি ইবলিশরে সারাজীবন সম্মান করব। বিনম্র শ্রদ্ধা।
785
8
"আমি মেজর ডালিম বলছি, খন্দকার মোশতাক আহমদের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করিয়াছে। শেখ মুজিব ও তার খুনী-দুর্নীতিবাজ সরকারকে উৎখাত করা হইয়াছে। এখন থেকে সারা দেশে সামরিক আইন জারি করা হলো। আপনারা সবাই আমাদের সহযোগিতা করুন। আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন, কোনো অসুবিধা আপনাদের হইবে না। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!" — বাংলাদেশ বেতার আগস্ট ১৫,১৯৭৫
838
9
“আমি আমার এ দু’টি আঁখি, কি করে ধরে রাখি, অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে” #WeAreAllamaSayedee
“আমি আমার এ দু’টি আঁখি, কি করে ধরে রাখি, অঝোরে কান্না বেরিয়ে আসে” #WeAreAllamaSayedee
861
10
আজ সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চু
আজ সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে একটি ঐতিহাসিক ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে যা Makkah Joint Defense Agreement নামে পরিচিত। ​সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন। ​ চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারা অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ বা আগ্রাসন চালানো হলে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে ("An attack on one is an attack on all") উম্মার সামরীক, আর্থিক শক্তি, ভ্রাতৃপ্রেম, নিরাপত্তা মজবুত হোক এটাই কাম্য। বলাবাহুল্য, আমাদের দেশে একটি গ্রুপ নামাজে হাত কোথায় বাঁধতে হবে তা নিয়ে রীতিমতো জগড়া করে! আমাদের হানাফী মতকে তারা মানতেই চায়না। অতচ, দেখেন। হাত বুকে বা নাভির নিচে কিংবা হাত সম্পূর্ণ ছেড়ে দেয়া ফিকহী ইখতেলাফ। তা নিয়ে বাড়াবাড়ি, বিভক্তি অনাকাঙ্ক্ষিত। আহলে হাদীস ভাইয়েরা ফিকহী, ইজতেহাদী বিষয়ে সহনশীল হোন।
1 071
11
بدون متن...
747
12
একটি মসজিদ উদ্বোধন করার কথা ছিলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের, কিন্তু আল্লাহর নির্দেশে তিনি সেই মসজিদটি ভেঙ্গে এবং পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেন! . হঠাৎ করে সীরাত পড়তে গিয়ে এই ঘটনা পেলে অবাকই হতে হবে। আল্লাহর রাসূল, যিনি মদীনায় আসার পর প্রথম মসজিদ নির্মাণ করেন, তিনি কিনা একটি মসজিদ ভাঙ্গার নির্দেশ দেন? কেনো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মদীনায় অনেকগুলো মসজিদ ছিলো। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য- মসজিদে নববী, মসজিদে কুবা, মসজিদে কিবলাতাইন। মদীনার মুনাফিকরা মসজিদে কুবায় নামাজ পড়তে আপত্তি জানায়। তাদের কথা হলো এই জায়গায় একসময় গাধা রাখা হতো। এখানে নামাজ পড়া যাবে না। মুনাফিকরা কতোবার কতোভাবে যে রাসূলুল্লাহকে বিরক্ত করে সেটা চিন্তার বাইরে। তাবুক যুদ্ধের সময় যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ যুদ্ধে ফান্ডিংয়ের জন্য আহ্বান করেন, তখন মুনাফিকরা ফান্ডিং তো করলোই না উল্টো তারা সাহাবীদের নিয়ে ঠাট্টা শুরু করলো। যারা বেশি দান করতেন, তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করে তারা বললো- ‘অ্যাহ, লোক দেখানোর জন্য দান করছে!’ আর যারা সামর্থ্যের অভাবে কম দান করতেন, তাঁদেরকে বলা শুরু করলো- ‘তোমার এই সামান্য খেজুর দিয়ে কী এমন হবে?’ একদিকে যেমন রাসূলুল্লাহ ﷺ যুদ্ধ প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অন্যদিকে তারা একটি মসজিদ নির্মাণ করছে। মনে হচ্ছে তারা ভিন্ন একটি প্রজেক্ট করছে, রাসূল যা করছেন সেটা নিয়ে তাদের চিন্তা নেই। সেই মসজিদটি নির্মাণ হলে উদ্বোধনের জন্য তারা রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে দাওয়াত দেয়। তিনি জানান, তাবুক থেকে ফেরার পর ‘আল্লাহ চাইলে’ তিনি আসবেন। . মদীনার এক লোক ছিলো যার নাম আবু আমির। রাসূলুল্লাহ ﷺ মদীনায় আগমনের পূর্বে আবু আমিরের বেশ প্রভাব ছিলো। সে ছিলো একজন স্কলার, নেতা। এজন্য লোকজন তাকে ‘আর-রাহিব’ নামে ডাকতো। আবু আমির সে রাসূলুল্লাহকে এতো ঘৃণা করে, রাসূলের আগমনের পর সে আর মদীনায় থাকতে চায়নি। সে চলে যায় মক্কায়! মক্কায় গিয়ে সে প্ল্যান করতে থাকে কীভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ক্ষতি করা যায়। উহুদ যুদ্ধে সে অংশ নেয় কুরাইশদের পক্ষে। সে ভেবেছিলো মদীনায় তো তার অনেক অনুসারী, যুদ্ধ শুরুর আগে একটা ভাষণ দিলে মদীনার সাহাবীরা তার পক্ষে চলে আসবে। কিন্তু, সে ভাবতে পারেনি মুসলিমদের এই বন্ধন ছিলো ঈমানের বন্ধন। তার ভাষণ শুনে মদীনার লোকজন তাকে ডাকা শুরু করলো- আবু আমির আল-ফাসিক! আগে যেখানে লোকজন তাকে ডাকতো সন্যাসী, নেককার, এখন তাকে ডাকা শুরু করলো পাপিষ্ঠ। উহুদ যুদ্ধে মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য ছিলেন হানজালা রাদিয়াল্লাহু আনহু। ফেরেশতারা যাকে গোসল করিয়েছিলেন। আইরনি হলো, হানজালা রাদিয়াল্লাহু আনহু মুসলিমদের পক্ষে লড়াই করেন আর তার বাবা কুরাইশদের পক্ষে। তার বাবা ছিলো কে? সেই আবু আমির আল-ফাসিক! . আবু আমির এক পর্যায়ে চলে যায় সিরিয়ায়, সে রোমানদের সাথে ডিপ্লোম্যাটিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। আর ধর্মে তো সে ছিলো খ্রিস্টান। ফলে, রোমানরা তাকে বরণ করে। তাদের কাছে আরবের এমন একজন ইন্টেলেকচুয়াল ফিগার পাওয়া ছিলো সৌভাগ্যের। বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার আলোকে চিন্তা করুন। ইন্ডিয়া-পাকিস্তানের কথাই ধরুন। পাকিস্তানের কেউ যদি জেনুইনলি ইন্ডিয়াতে যোগ দেয়, ইনফরমেশন শেয়ার করে, তাকে কীভাবে গ্রহণ করা হবে? রোমানরা আবু আমিরকে এভাবেই গ্রহণ করে। বর্তমানে আমরা দেখি মার্কিনরা বিভিন্ন দেশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য ঘাটি স্থাপন করে। যেমন: মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, সৌদি আরব, ওমানে মার্কিন ঘাটি আছে। সুপারপাওয়ার মূলত তাদের ক্ষমতা প্রদর্শন, নিয়ন্ত্রণের জন্য এভাবেই ঘাটি স্থাপন করে। তাবুক যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী যায় রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে। এর ১ বছর আগ থেকেই মূলত রোমানদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের যুদ্ধ শুরু হয়। রোমানরা এই সময় আবু আমিরকে দিয়ে একটা চাল খেলে। তারা মদীনাতেই তাদের একটা ঘাটি স্থাপন করতে চায়। আর সেটা তো সামরিক ঘাটি হতে পারে না, এজন্য তারা বেছে নেয় রিলিজিয়াস সেন্টার। সেই উদ্দেশ্যেই আবু আমির তার খালাতো ভাই মুনাফিক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে দিয়ে একটি মসজিদ স্থাপন করতে চায়। চিন্তা করুন, সিরিয়াতে বসে আবু আমির মদীনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটা অফিস বানানোর প্ল্যান করে যার উদ্দেশ্য মুসলিমদের ক্ষতি করা। আর সেটা উদ্বোধনের জন্য কাকে চিফ গেস্ট করতে চায়? খোদ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে! . তাবুক থেকে ফেরার পথে আল্লাহ কুরআনের আয়াত নাযিল করে তাদের এই প্ল্যান জানিয়ে দিলেন। সূরা তাওবার ১০৭-১১০ নাম্বার আয়াতে মসজিদের নামে সামরিক ঘাটি স্থাপনের প্ল্যান ফাঁস হয়ে গেলে রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন এই মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলতে এবং পুড়িয়ে দিতে। ‘মসজিদে দিরার’ নামে পরিচিত এই সামরিক ঘাটি ভেঙ্গে ফেলার মাধ্যমে রোমানদের ষড়যন্ত্র, আবু আমিরের ডিপ্লোম্যাসি ভেস্তে যায়। . সীরাত পড়ার সময় আমরা কেবল পড়ি রাসূলুল্লাহ ﷺ মুনাফিকদের মসজিদ ভাঙ্গার নির্দেশ দেন। কিন্তু, এটা যে মসজিদ ছিলো না, এটা ছিলো যে মদীনার বুকে তৎকালীন সুপারপাওয়ারের একটা ঘাটি সেটা আমরা বুঝতে পারি না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পলিটিকাল ডিসিশন যদি আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারতাম, তাহলে সীরাত পড়ে সেটা আমাদের যুগের সাথেও রিলেট করার চেষ্টা করতাম। ১৪০০ বছর আগের সীরাত স্রেফ কোনো গল্প, ঘটনা না। সেটা এই যুগেও প্রাসঙ্গিক।
707
13
২০২৪ ফতহে গণভবন মোবারক
২০২৪ ফতহে গণভবন মোবারক
546
14
بدون متن...
602
15
আপনি যদি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে গবেষণা করতে চান, লিখতে চান, বা কাজ করতে চান, তবে এই অনলাইন রিসোর্স লিস্ট আপনার জন্য। সেভ করে রাখুন, নিজের মতো করে ছড়িয়ে দিন। ১. শহীদদের সরকারি তালিকার গেজেট https://molwa.gov.bd/pages/static-pages/694032cd35ce18e1c0562acf ২. শহীদ ও আহতদের তালিকা https://medical-info.dghs.gov.bd/public?tab=death-summary ৩. শহীদদের নাম, ছবি ও বিস্তারিত https://jrabd.org/martyrs ৪. তারিখ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত ঘটনাপ্রবাহ https://julyarchive.cridobd.org/timelineofjuly/ ৫. জুলাইয়ে সাহসী ভুমিকা রেখেছে যে টেলিগ্রাম চ্যালেন https://t.me/BeGrateFulToALLAH ৬. আহত ও শহীদ পরিবারের সাক্ষ্য: জুলাই রেকর্ডসের পেইজ https://www.facebook.com/profile.php?id=61567349874342 ; বিস্তারিত সাক্ষাৎকারের জন্য পড়ুন বই “জুলাই বয়ান” https://www.rokomari.com/book/544988/july-boyan ৭. আহতদের ভিডিও সাক্ষাৎকার, জুলাই স্টোরির পেইজ https://www.facebook.com/julystory.bd ৮. আন্দোলনকারীদের নিজেদের বয়ানে সংগ্রামের গল্প https://www.facebook.com/Choukidar24/ ৯. তারিখ অনুযায়ী ২০০০+ অনলাইন নিউজের আর্কাইভ https://julyarchive.cridobd.org/news-archive/ ১০. তারিখ অনুযায়ী ছাপা পত্রিকার ক্লিপিং https://julyonrecord.org/ ১১. তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত জুলাই সম্পর্কিত সকল সংবাদের ১০ খণ্ডের বিশাল সংকলন (পিডিএফ) https://pressinform.gov.bd/pages/static-pages/6922dbf6933eb65569e0daf7 ১২. জুলাইয়ের গ্রাফিতির ছবি https://julyarchive.cridobd.org/2024/10/28/818/ ; স্থান অনুযায়ী আন্দোলনের সময় ও পরে আঁকা গ্রাফিতির ছবি https://julymemories.org/ ১৩.জুলাইয়ে নারীদের অংশগ্রহণের ছবি https://www.julybiplobemeyera.com/ ১৪. জুলাইয়ের হাজার হাজার ভিডিও সংকলন https://t.me/jra2024bd https://t.me/theredjuly24 https://julyarchive.cridobd.org/2025/04/30/subject-wise-july-videos/ https://t.me/history_of_July_document2024 https://www.facebook.com/JulyArchive24/reels/?locale=bn_IN ১৫. ঘটনাপ্রবাহ, সহিংসতা ও বিক্ষোভ নিয়ে বিবিসির ওয়েবসাইট https://www.bbc.com/bengali/extra/aimee860o7/36-days-of-july-revolution-in-bangladesh ১৬. সংখ্যায় জুলাই হত্যাযজ্ঞ, নেত্র নিউজের ইন্টারেক্টিভ সাইট https://interactive.netra.news/monsoon-massacre/bangla/ ১৭. জুলাই সম্পর্কিত সকল ডকুমেন্টারির লিংক কালেকশন https://julyarchive.cridobd.org/documentaries/ ১৮. জুলাইয়ে আঁকা কার্টুন কালেকশন https://julyarchive.cridobd.org/2024/10/15/cartoons/ https://duniyakapanojuly.org/gallery/cartoon/ ১৯. জাতিসংঘের প্রতিবেদনসহ কয়েকটি রিপোর্ট https://julyarchive.cridobd.org/reports/ ২০. জুলাইয়ের বিবিধ বিষয় নিয়ে সবচেয়ে গোছানো একটা সাইট https://duniyakapanojuly.org/ সংযুক্তি: জুলাই সনদ, সংস্কার কমিশন, গুম কমিশন ইত্যাদির সুকল রিপোর্টের পিডিএফ https://reform.gov.bd সংগ্রহে: জুলাই আর্কাইভ
631
16
আজ থেকে ২ বছর আগে বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘতম, দীর্ঘশ্বাসের, উৎকন্ঠার রাত্রি! যে রাতে পুরো জাতি একসাথে জেগে রইলো একটি নতুন ভোরের অপেক্ষায়।
592
17
প্রতিটি মানুষেরই এই ভিডিওটি অন্তত একবার দেখা এবং শেয়ার করা উচিত। একজন রানিং সেনাপ্রধানের মুখে এমন কথাগুলো শুনে সত্যিই চোখে প
প্রতিটি মানুষেরই এই ভিডিওটি অন্তত একবার দেখা এবং শেয়ার করা উচিত। একজন রানিং সেনাপ্রধানের মুখে এমন কথাগুলো শুনে সত্যিই চোখে পানি চলে আসে। আল্লাহ, আমাদের বাংলাদেশকে কবুল করে নিন এবং ইসলামের খেদমত করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
807
18
প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের জন্ম কলিকাতায়, ১৯৪৬ সালে। অনলাইন প্রধান সেলিম খানও পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাটের লোক। গুম ও জঙ্গিবাদ বিষয়ে পিআলোর সাবেক রিপোর্টার সাবিহা আলমের বাড়িও পশ্চিমবঙ্গে। এসব বলিবার বলিবার উদ্দেশ্য একটাই, কথিত এই সঙবাদিককুল কেউই বাংলাদেশের মানুষ না। ফলে বাংলাদেশের মানুষের দুঃখ যাতনা বঞ্চনা এদের কখনই স্পর্শ করে না। পূর্ব বঙ্গের মুসলমানের সংগ্রাম,ত্যাগ তিতিক্ষা আর নিপীড়িত হইবার ঘটনাকে এরা তাই কথিত বইলা উড়াইয়া দিতে পারে, খুব সহজেই। এদের একটাই কাজ, বাংলাদেশে তাদের নিজের দেশ ভারতের স্বার্থ রক্ষা করা। এরা মূলত বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতের চর, ক্যামোফ্লেজ হিসাবে এদের মুসলমান নামটা খুব কাজের। কেউই তাদের সন্দেহ করে না, সন্দেহ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আগামীতে এইসব মুসলমান নামধারী তথাকথিত হিন্দুত্ববাদী ক্যালকেশিয়ানগো বিরুদ্ধেও আমাদের লড়াই শুরু হবে।
781
19
মুক্তির মাস আগস্টের শুভেচ্ছা সবাইকে। ❤️
788
20
ইতিহাসের পাতায় কাতারের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। প্রথম ধাক্কা খাই, যখন ফজরের কিছু সম
ইতিহাসের পাতায় কাতারের জন্য আজকের দিনটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি দিন হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে। প্রথম ধাক্কা খাই, যখন ফজরের কিছু সময় পর আচমকা ইরান থেকে ছোড়া মিসাইলের আঘাতে পুরো দোহা একাধিকবার কেঁপে ওঠে! আর দ্বিতীয় ধাক্কা খাই, যখন সেই হামলার ঘণ্টাখানেক পর আকস্মিকভাবে সকল নিউজ পোর্টালে কাতারের সাবেক আমীর, শেখ হামাদ বিন খলিফা আল ছানীর বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকালের ঘোষণা আসে। শেখ হামাদ হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি বছরের পর বছর বিশ্বদরবারে ফিলিস্তিনের পক্ষে উঁচু স্বরে কথা বলে গেছেন। তবে তিনি শুধু কথা বলার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; একমাত্র আরব রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ২০১২ সালে তিনি সশরীরে গাযায় উপস্থিত হয়ে অবরুদ্ধ মাযলুম জনপদের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তার ইন্তিকালের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরপরই আল জাযিরার গাযা প্রতিনিধি, সংগ্রামী সাংবাদিক ওয়ায়েল আল-দাহদুহ তার ফেসবুক পোস্টে গভীর শোক প্রকাশ করে লিখেছেন..... “আজ আমরা হারালাম এক মহান মানুষকে। একজন প্রকৃত মানবতাবাদীকে। একজন সম্মানিত আরব নেতাকে। আমরা হারালাম সেই মানুষটিকে, যিনি গা য যা যখন কঠিন অবরোধে নিঃসঙ্গ ও অবরুদ্ধ ছিল, তখন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের উপস্থিতির মাধ্যমে বিশ্বকে মানবতার বার্তা দিয়েছিলেন। আমরা হারালাম সেই মানুষটিকে, যিনি গণহত্যার সেই ভয়াল যুদ্ধে আমার পুরো পরিবার শহীদ হওয়ার পর সর্বপ্রথম ফোন করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন এবং আমাদের দুঃখে শরিক হয়েছিলেন। আল্লাহ মরহুম আমীর পিতাকে তাঁর অশেষ রহমতে আচ্ছাদিত করুন, তাঁকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন।” [ছবিতে বর্তমান আমীর ও তাঁর সহোদরদের নিজ হাতে তাঁদের মরহুম পিতার মরদেহ কাঁধে বহন করতে দেখা যাচ্ছে]
1 205