fa
Feedback
আলোর পথ

আলোর পথ

رفتن به کانال در Telegram

আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।

نمایش بیشتر
9 376
مشترکین
+624 ساعت
-17 روز
-1630 روز
آرشیو پست ها
Repost from N/a
কে বুঝে কার দুঃখ 💔

Repost from N/a
Goals ❤️🤘
Goals ❤️🤘

ইয়া রব! ভারতের মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি আপনি রহম করুন এবং সকলেই আপনার হেফাজতের চাদরে আবৃত করে রাখুন💔🤲 [ ভিডিও গুলো দেখে নিজের অন্তরের রক্তক্ষরণ হচ্ছে]

Repost from N/a
হে আল্লাহ, তুমি জানো সেই কষ্টের কথা যা আমি কখনো বলি না, সেই ভাবনাগুলোর কথা যা আমি নিজের মধ্যে চেপে রাখি, আর সেই সংগ্রামের কথা যা আমি প্রতিদিন নীরবে লড়ি। হে লতিফ, আমার দুশ্চিন্তাগুলোকে তাওয়াক্কুলে, আমার দুঃখকে শান্তিতে এবং তোমার থেকে আমার দূরত্বকে তোমার নৈকট্যে বদলে দাও।🤲🏻🤍

Repost from N/a
মি**সাইল নিয়ে রাজু থেকে এগিয়ে যাচ্ছি ডারতের দিকে।সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ৭১ যেমন জয় এনেছি সেই ৭১এর চেতনা বুকে নিয়ে আমরা
মি**সাইল নিয়ে রাজু থেকে এগিয়ে যাচ্ছি ডারতের দিকে।সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ৭১ যেমন জয় এনেছি সেই ৭১এর চেতনা বুকে নিয়ে আমরা আমাদের দেশের শত্রুদের আবারও পরাস্ত করবো। জয় ভাংলা। #Chetona71

photo content

Repost from N/a
ধরেন, স্বামী এক্সিডেন্ট করে বিছানায় পড়ে গেছে ১০ মাসের জন্য। বৌ এর সাথে সে** করার শক্তি নাই। এই পরিস্থিতিতে বৌ যদি স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে "হালাল সে** করার জন্য" আরেকটা বিবাহ করে, সেইটা কি হারাম হবে? না। হারাম হবে না। ইসলামে যে কোন সময়ই যে কাউকে ডিভোর্স দেওয়া যায়। কিন্তু কাজটা কি মানবিক হবে? উত্তরটা হলো, না, হবে না। এবার চিন্তা করেন, একজন নারী প্রেগনেন্ট। এক সপ্তাহ পর তার ডেলিভারি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আছেন। এই পরিস্থিতিতে স্বামী আরেকটা বিবাহ করে আনতেসেন। লজিক কী? "গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য", পরকীয়া না করে হালাল উপায়ে সে** করার জন্য। সেইটা আবার ফেসবুকে প্রকাশ করতেসেন। হাজার হাজার মানুষকে এনকারেজ করতেসেন, যেহেতু তিনি একজন সেলিব্রিটি আলেম। এইসবে সমাজে কী মেসেজ যায়? মেসেজ যায় যে বৌ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকুক, সে এর ব্যবস্থা করতেই হবে। সে থামানো যাবে না। কারণ একটাই, বিষয়টা "হালাল", "হারাম" না। অথচ একটা সম্পর্ক কি হালাল হারাম দিয়ে টিকে থাকে? এই যে আমার জ্বর হইলে আমার মা না ঘুমাইয়া সেবা যত্ন করে, এই যে ঘরের সবার ভালো মন্দ হিসেব করে গোটা সংসারটা চালানো, এসবের একটাও ধর্মে নাই। আই রিপিট, ধর্মে নাই। মানে আমার মা আমার খাবার দাবার তো দূরের কথা, আমার জন্মের পর যদি আমাকে বুকের দুধ না খাওয়ায়, ধর্ম অনুযায়ী তিনি কোন "হারাম" কাজ করতেন না। বৌদের উপর সংসারের কোন কাজ তো না ই, ইভেন বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোও ফরজ না। ফাঁক খুজলে এইটা খুঁজতেই পারত। কিন্তু কয়টা মা এইটা খুজে? কয়টা মা বলে যে বাচ্চার জন্য রানতে পারব না? বাচ্চাকে খাওয়াইতে পারব না? একটা মাও বলে না। বলে না, কারণ, হালাল হারামের বাইরেও সংসারে একটা জিনিস আছে, তার নাম ভালোবাসা, মায়া। আপনি হাসপাতালে ভর্তি থাকলে কোন ধর্মেই বলা নাই যে আপনার বৌ কে আপনার সেবা করতে হবে। কোথাও লেখা নাই। বৌরে করে না সেবা? হালাল হারাম মেনে করে? নাকি ভালোবাসা থেকে করে? বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুরুষের জীবনই গরিবি জীবন। এদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। অথচ আর্থিক স্ট্রাগল করার কোন বাধ্যবাধকতা কি ইসলাম বৌদের উপর দিয়েছে? দেয়নি। ইভেন, বৌদের চাহিদা পূরণ করা স্বামীদের উপর ফরজ। অথচ কয়টা বৌ স্বামীদের কাছে মুখ ফুটে কিছু চায়? শুধু সংসারের দিকে তাকাইয়া কত মেয়ে তাদের "হালাল" স্বর্ণ, বিলাসিতা, শৌখিনতা এমনকি দেনমোহর পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে দেয়। জাস্ট স্বামীর মুখের দিকে তাকাইয়া এরা এদের ধর্মীয় অধিকার পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে। কেন? ভালোবাসা, মায়া। তো এই ভালোবাসা আর মায়া দিয়ে দিয়ে একটা মেয়ে সেইটা কেন এক্সপেক্ট করবে না? প্রেগনেন্ট হইলে কেন একটা মেয়েকে দেখতে হবে সে** করার জন্য তার স্বামী "হালাল" "হারামের" খাতা খুলে আরেকটা বিবাহ করে আনসে? বহুদিন আগে লিখেছিলাম, ধর্ম আর ধার্মিকতা বিবাহের কোন ক্রাইটেরিয়া হইতে পারে না। কেন বলসিলাম, এখন বুঝতেসেন? কে কত ধার্মিক, কে কত বড় আলেম, কে কত নামাজ রোজা করে, এইগুলা কোনদিনই মানুষের ক্রাইটেরিয়া না। একজন মানুষ তখনই মানুষ যখন তার মধ্যে মায়া থাকে, ভালোবাসা থাকে। যারা করে ফেলেছেন, তারা তো করেই ফেলেছেন, বাট যারা বিবাহ করেন নাই, ছেলে হোন বা মেয়েই হোন, লেবাস দেখে, জোব্বা দেখে, বোরকা দেখে বা হিজাব দেখে বিয়ে কইরেন না, কে কত ভালো ফতোয়া দিতে পারে তা দেখে পার্টনার চুজ কইরেন না, করলে দেখবেন, আপনি অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন, আর আপনার স্বামী সেই অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে দ্বিতীয় বৌ এর ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়ে গেছে। মায়াহীন আর ভালোবাসাহীন মানুষ, পশুরও অধম, তা সে যত ফতোয়াই দিক না কেন!!

Repost from N/a
This life is a temporary journey. Don't lose your way to Jannah. ♥️

‎ ‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে। ‎ ‎আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর। ‎ ‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂 ‎

দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি। ‎ ‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি। ‎ ‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা ‎ ‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়) ‎ ‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী ‎ ‎◾ সংসদ ভবন ‎ ‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ ‎ ‎◾ বাংলা একাডেমি ‎ ‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ‎ ‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ‎ ‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়) ‎ ‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা ‎ ‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) ‎ ‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত) ‎ ‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়) ‎ ‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ‎ ‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ‎ ‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ‎ ‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ‎ ‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প ‎ ‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন ‎ ‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম ‎ ‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন) ‎ ‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প ‎ ‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন ‎ ‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। ‎ ‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC) ‎ ‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান ‎ ‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি ‎ ‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী) ‎ ‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী ‎ ‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা ‎ ‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা ‎ ‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা। ‎ ‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১ ‎ ‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯ ‎ ‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০ ‎ ‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮ ‎ ‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক ‎ ‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩ ‎ ‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক ‎ ‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়। ‎ ‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২ ‎ ‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩ ‎ ‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩ ‎ ‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩ ‎ ‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে। ‎ ‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে। ‎ ‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি। ‎ ‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। ‎ ‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক। ‎ ‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে। ‎ ‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে। ‎ ‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে? বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান? ‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল। ‎ ‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল। ‎ ‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। ‎ ‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ‎ ‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩) ‎ ‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬) ‎ ‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০) ‎ ‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮) ‎ ‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১) ‎ ‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ‎ ‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল ‎ ‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল ‎ ‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল ‎ ‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল ‎ ‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা। ‎ ‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে ‎ ‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯) ‎ ‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯) ‎ ‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২) ‎ ‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ ‎ ‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে। ‎ ‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। ‎ ‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭) ‎ ‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮) ‎ ‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২) ‎ ‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২) ‎ ‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩) ‎ ‎◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬) ‎ ‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮) ‎ ‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০) ‎ ‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷ ‎ ‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। ‎ ‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷ ‎ ‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। ‎ ‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮) ‎ ‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩) ‎ ‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩) ‎ ‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫) ‎ ‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। ‎ ‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)" ‎ ‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে.... ‎ ‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"। ‎ ‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ‎ ‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল। ‎ ‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা! ‎ ‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের

Repost from N/a
ছোট কালে যারা ; Future কে ফুতুরি পড়েছিলেন তাদের জন্য সমবেদনা 🥺

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে জামায়াত, এনসিপি, শিবির, এক্স-শিবির, এক্স জামায়াত বহুমূখী বাক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তাদের অবস্থা দেখে মৃদু হাসে প্রিয় নেতা মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আর ভাবে, দিমু তোগো নির্বাচন! আক কইরা থাক!

আজকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক সাদিক কায়েমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে 🙌 এ
আজকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক সাদিক কায়েমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে 🙌 এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিন জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।

Repost from N/a
দুনিয়া তরীর মতো। এক কাত হয়ে চলতে পারে না। অথচ, এইসব মানুষেরা এসব কথায় সেটাই করতে চায়। করতে গিয়ে তরী উল্টে সামাজিক শৃঙ্খলা নষ্ট করাই এদের আসল উদ্দেশ্য।

What's on your mind about Alol Path? Admin

photo content

Repost from N/a
ভালোবাসা জিনিসটাকে আমি খুব ভয় পাই, জানেন? সিল্কসিটি এক্সপ্রেসে করে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাচ্ছি। সাথে আমার সদ্য ছ্যাকাখোর বন্ধু মাহিন। গত সপ্তাহ থেকে আমি ওরে একটা কথাই বোঝানোর ট্রাই করতেসি। এই মেয়েটার সাথে তোর হবে না। হলে রিলেশনে এতো ঝামেলা হতো না। সত্যিকারের ভালোবাসা যেদিন আসবে, সেইদিন দেখবি আর কোন কষ্ট থাকবে না। মাহিন আমার কথায় মাথা নাড়ে। হু হা করে। আমি ওর চোখ পানিতে টলমল করতে দেখি। যেন তিন বছরের বাচ্চা ছেলে। গাল ফুলিয়ে অভিমান করে বসে আছে। মনে আছে, বছর দুই আগে আমি নিজেও এমন ছিলাম। প্রেমে পড়লে পৃথিবীর সব পুরুষই বাচ্চা হয়ে যায়। যেই পুরুষের প্রেম যত তীব্র, সে তত বেশি বাচ্চা হইতে থাকে। সিল্কসিটি এক্সপ্রেসের লম্বা হুইসেল বেজে উঠে। ট্রেন চলতে শুরু করে। ঠিক এমন সময় লোকটাকে আমি প্রথমবার দেখি। তাড়াহুড়ো করে এসে আমাদের সামনের সিটে বসে পড়ে। সিল্কসিটি ততক্ষণে প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে চলে এসেছে অনেকটা দূরে। আমি আবারও মাহিনকে বোঝানোর ট্রাই করি। সেই ভাঙা রেডিও আবার শুরু করি। দ্যাখ, ঐ মেয়ের সাথে তোর হবে না…. ২. “তোমরা তাহলে আসলেই মনে করো যে সত্যিকারের ভালোবাসা আসলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে?” লোকটার কথা শুনে কিছুটা বিরক্ত হই। এর মানে উনি এতক্ষণ আমার আর মাহিনের কথাবার্তা শুনেছেন। লোকটা এবার তড়িঘড়ি করে বললো, “না না। আপত্তি থাকলে বলার প্রয়োজন নাই। আর প্রশ্ন করার জন্য স্যরি। তোমাদের পার্সোনাল ম্যাটারে প্রশ্ন করা আমার উচিত হয় নাই।” এইবার একটু ভালো লাগে। যাক, কিছুটা হলেও ভদ্রতা আছে। এই বয়সের লোকজন তো ইয়াং পোলাপাইন পাইলে জ্ঞান দেওয়াটাকে মনে করে নিজের জন্মগত অধিকার। ট্রেন তখন মাত্র বিমানবন্দর ছেড়েছে। রাজশাহী আসতে এখনও বহুত দেরি। কাজেই, আগামী ৫ ঘন্টা এই যন্ত্রনা সহ্য করা লাগবে। মাহিনকে আগেই বলে রেখেছিলাম, মাঝখানের সিট কাটিস না। আমার সব রাগ গিয়ে পড়ে ওর উপর। একটু পর বললো, তোমরা কখনও কাউকে ভালোবেসেছ? আমরা দুইজনই মাথা নিচু করে থাকি। কিছু বলি না। লোকটা আবার বলে, কাউকে ভালোবাসা কী হোলসাম ব্যাপার, না? আমি বলে ফেলি, সেই ভালোবাসার বদলে চিটিং পাইলে ঐটা জাহান্নামের মতো ব্যপার হয়ে যায়। লোকটা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বললো, ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা পাইলেও কখনও কখনও জীবন জাহান্নাম হয়ে যাইতে পারে, ইয়াং ম্যান!! আমি এইবার জোরে হেসে উঠি। ভালোবাসার বদলে ভালোবাসা কেউ পায়? লোকটা এবার আমার চোখের দিকে স্থির হয়ে তাকিয়ে বললো, পায়। আমি নিজেই পেয়েছিলাম। ৩. বুঝলাম, লোকটা তার প্রেমের গল্প শোনানোর প্রিপারেশন নিচ্ছে। ব্যাপারটা বেশ বোরিং। প্রেমের গল্প শুনতে দুই শ্রেণীর মানুষ খুব পছন্দ করে। এক। যাদের এখনও প্রেম হয় নাই। এরা প্রেমকে খুব স্বর্গীয় কিছু মনে করে গল্প শোনে। মনে মনে আশা করে, কোন একদিন ওদেরও এমন একটা প্রেম হবে। আর দুই। যাদের রিলেশন খুব ভালো চলছে। এরাও প্রেমের গল্প শুনে তার সাথে রিলেট করতে পছন্দ করে। আমরা এই দুই শ্রেণীর কোনটাতেই পড়ি না। কাজেই, প্রেমের গল্পে আমাদের আগ্রহ নাই। আমাদের আগ্রহ এখন একটু মিসোজিনিস্ট টাইপের গল্পের দিকে। যেখানে মেয়েটাকে গালিগালাজ করার সুযোগ থাকবে। কারণ আমরা দুইজনই ছ্যাকা খাওয়া পাবলিক। বাট লোকটাকে আমাদের আগ্রহ বা অনাগ্রহ নিয়ে খুব একটা বদার্দ বলে মনে হলো না। উনি বলতে শুরু করলেন, কলেজ লাইফের প্রেম নিয়ে তোমাদের মতামত কী, জানি না। অনেকেই এই প্রেমটাকে মোহ বললেও আমি বলি না। কারণ, নিলুর সাথে আমার পরিচয় কলেজে পড়ার সময়ই। আর আর সব প্রেমের মতোই, এই প্রেমেও নিলুকে দেখে আমি পাগল হয়ে গেলাম। মনে হলো, এই মেয়েকে না পেলে আমি বাঁচবো না। শুরু হলো, হন্টন। এই হাঁটতে হাঁটতে শুনেছি গৌতম বুদ্ধ মহাপুরুষ হয়েছিলেন। আর নিলুর পেছনে হাঁটতে হাঁটতে আমি নিলু প্রাপ্ত হলাম। গাছের একটা হলুদ গাদা ফুল আর সেই ফুলের চেয়েও সুন্দর একটা হাসি ছুড়ে দিয়ে নীলু আমাকে জানিয়ে দিলো, পেয়েছি। অবশেষে আমি তাহাকে পেয়েছি। জয়দেবপুর ছেড়ে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস টাঙ্গাইলে ঢুকে গেসে। আশেপাশে থেকে শহরের শেষ ছোয়াটুকু মুছে গিয়ে দুই ধারে চলে এসেছে বন। খাল আর বিল। ট্রেনের ঝকঝক শব্দ আর নীলুর গল্প মিলিয়ে আমার মনে পড়ে অর্ষার কথা। অর্ষার হাসিটাও খুব সুন্দর ছিলো। ফুলের মতোই। আমি চোখ বন্ধ করি। অর্ষাকে সরানোর জন্য আমি নীলুর গল্পে মন দিই। লোকটা বলে চলেছে, কলেজের প্রেম। তার উপর এক এলাকায় বাড়ি। জানাজানি হতে সময় লাগলো না। বুঝোই তো, তখন তো আর স্মার্টফোন বা ফেসবুক ছিলো না। বাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করতাম। রাতের বেলা জানালার নিচে গিয়ে বসে থাকতাম। ফলাফল যা হওয়ার, তাই হলো। নীলুর দুই ভাইয়ের কাছে ধরা পড়ে গেলাম। ধরা পড়ার পরদিন থেকে নীলু আর কখনও স্কুলে আসতে পারে নি। ওকে ওরা ঘরে আটকিয়ে রেখেছিলো। উড়ো খবর শুনলাম, তড়িঘড়ি করে বিয়ে করা ঠিক হয়েছে। আগামী শুক্রবার ওর বিয়ে। সেদিনই মেয়ে তুলে নিয়ে চলে যাবে।

দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার তথ্য সংক্রান্ত একটি সতর্কতা জারি করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার তথ্য সংক্রান্ত একটি সতর্কতা জারি করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার ও সব জেলা পুলিশ সুপার সহ পুলিশের সব ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশে চিঠি দেওয়া হয়েছে।