Al Asar
رفتن به کانال در Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
نمایش بیشتر1 393
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-2430 روز
آرشیو پست ها
1 393
জুময়া রিমাইন্ডার :: সূরা কাহাফ, ইস্তিগিফার, দুরুদ ও দোয়া।
★রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চোখে শ্রেষ্ঠ ::
(১)
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে ও অপরকে শিক্ষা দেয়।”(২)
নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সে, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।চলবে~~~~
1 393
নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। what is love?
নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। what is love?
আবু সালামা তার স্ত্রী উম্মে সালামাকে খুব ভালবাসতেন। তাদের ভালোবাসার গাঢ়তা কল্পিত প্রেমকাহিনীগুলোকেও হার মানায়। আবু সালামা যখন মৃত্যু শয্যায় তখন তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী তাঁর পাশে বসা। উম্মে সালামা তাঁর স্বামীকে সাহস দিয়ে যাচ্ছিলেন। ভালবাসা দিয়ে মৃত্যুকে পরাজিত করা না গেলেও হাসিমুখে আলিঙ্গনের প্রেরণা যোগায়। উম্মে সালামা তাঁর স্বামীকে বললেন,
"আসো, আমরা প্রতিজ্ঞা করি আমাদের মধ্যে কেউ মারা গেলে অপরজন বাকী জীবনটা তাঁর স্মৃতি নিয়েই কাটিয়ে দিব। অন্য কারো জীবন সঙ্গী হবনা"।
[এরকম প্রপোজাল মৃত্যু পথযাত্রী স্বামীর কাছ থেকে আসাই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু স্বামীর প্রতি প্রবল ভালোবাসা এবং তাকে মৃত্যুকালে কিছুটা স্বস্তির পরশ দেয়ার উদ্দেশ্য উম্মে সালামাই এমন প্রস্তাব দিয়ে বসলেন। সুবহানাল্লাহ!]
আবু সালামাও কম যাননি। তিনি স্ত্রীর এমন প্রস্তাবের প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন,
"না। বরং তুমি তোমার জীবনসঙ্গী বেছে নিও এবং আমি দোয়া করি আল্লাহ আমার চেয়েও ভাল কোন জীবনসঙ্গী তোমার জন্য ব্যবস্থা করে দিন".
আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতাআলা আবু সালামার দোয়া কবুল করেন। তাঁর মৃত্যুর পর উম্মে সালামা মহানবী (সঃ)কে জীবনসঙ্গী হিসেবে পান।
আল্লাহ তাঁদের উপর সন্তুষ্ট থাকুন।
এটাই কি "নিঃস্বার্থ ভালোবাসা"? What is love?
- মুজাহিদ রাসেল
1 393
সম্পর্কগুলোর মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কিছু ‘টেকনিক্যাল’ বুদ্ধি বড্ড প্রয়োজন
আমাদের বিয়ের আগে আমার better half এর সাথে আমার শত শত ইমেইল আদান প্রদান হয়েছিল (আমাদের ঘটককে CC তে রেখে) 'compatibility check' করার জন্য। সেখান থেকে ঊনার সম্পর্কে আমার যেসব ধারণা হয়েছিল, বিয়ের পর দেখেছি তার অধিকাংশই ভুল। শুধু একটা ব্যাপারে আমার prediction সঠিক হয়েছিল......
কথা প্রসঙ্গে ঊনি বলেছিলেন যে ঊনার পরিবার ঊনার জন্য একটা বড় প্রায়োরিটি...মালয়শিয়া থেকেও ঊনি ঊনার ছোট বোনের সাথে ঘণ্টা ধরে ফোনে কথা বলেন ওর সব খোঁজ খবর নেয়ার জন্য। তাই তাঁর সম্ভাব্য স্ত্রী তাঁর ফ্যামিলিকে কিভাবে দেখবে এটা তাঁর জন্য খুব বড় একটা কন্সার্ণ। এই কথাটা শুনে আমার মনে হয়েছিল, যে ছেলে তাঁর মা, বোন এদের প্রতি এত কেয়ারিং, সে হয়তো খুব কেয়ারিং হাসব্যাণ্ড হবে......I really needed someone who will be a shelter for me. আমার সেই ধারণাটা ভুল প্রমাণিত হয় নি...
আমরা মেয়েরা অনেকসময়ই চাই যে আমাদের স্বামীরা যেন শুধু 'আমারই' হয়......কিন্তু একটা কথা আমার ইদানিং খুব মনে হয় –যে ছেলে তার জন্মদাত্রী মায়ের প্রতি উদাসীন, তাকে শ্রদ্ধা করে না, সে কিভাবে তার বউ এর ব্যাপারে সত্যিকার অর্থে মনোযোগী হবে?
কিংবা যে মেয়েটা একবার তার পরিবার, সংসার ছেড়ে আসতে পারে, কিভাবে আশা করা যায় যে সে পরের জনের প্রতি Loyal হবে?
ব্যাপারটা যেন সেই মীরজাফরের কাহিনীর মত...ইংরেজরা মীরজাফরকে বিশ্বাস করে নি, কারণ ওরা বুঝেছিল যে একবার বিশ্বাস ঘাতকতা করতে পারে, সে বারবার করতে পারে। বিশ্বাসঘাতকতা, অকৃতজ্ঞতাই তার স্বভাব......
আমি হয়তো 'অতি সরলীকরণ' করে ফেলছি অনেক কিছু...কিন্তু আমি মন থেকে বিশ্বাস করি যে 'মেয়েদের সম্মান' করতে জানা একটা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, যা পরিবার থেকে শেখানো উচিৎ। যদি কেউ সেটা অর্জন করতে পারে, তবে সে সবাইকে সম্মান করতে পারবে, হোক সেটা মা, বউ কিংবা বোন...
তবে হ্যাঁ, সম্পর্কগুলোর মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কিছু 'টেকনিক্যাল' বুদ্ধি বড্ড প্রয়োজন।এই বুদ্ধিটার সাথে পড়াশোনার ঘিলুর কোনো সম্পর্ক নেই। অনেক ব্রিলিয়ান্ট (দুনিয়ার চোখে) ছেলেকে দেখেছি এই 'টেকনিক্যাল' বুদ্ধির ভাণ্ডার একদম শূন্য......এগুলোর উপর আমাদের স্কলারদের ক্লাস নেয়া উচিত...তাদের 'টেকনিক' শিখানো উচিৎ।
সমাধান কখনো একটা সম্পর্কের উর্ধ্বে আরেকটাকে স্থান দেয়া না। যে ছেলে তাঁর মাকে সম্মান করতে জানে না, সে বউয়ের প্রতি Loyal হবে এটা আশা করা অনুচিত।তাই কেউ মার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আমার কাছে এলে সেটা আমি ইতিবাচকভাবে নিবো না, বরং অ্যালার্মড হয়ে যাবো!
-- Hamida Mubasshera
1 393
(1)
https://youtu.be/LpwjR7OYthA?si=zcPS3EXvcoJjhyn9
(2)
https://youtu.be/sBmKXb08U-Q?si=ySICNR2g6owXoXAv
ভিডিও দুইটি সময় পেলে দেখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
২য় ভিডিও তে যে দোয়ার কথা বলা হয়েছে ::
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।
দোআ ও যিকির (হিসনুল মুসলিম) অ্যাপটি পেতেঃ https://gtaf.org/apps/hisnulbn
#GreentechApps
1 393
Announcement🗣️ :
If Anyone wants to help to make Quiz everyday from Quran as Guided By As Sunnah Foundation kindly message here..
1 393
সেই কিশোরীর গল্প (অসমাপ্ত)
কিশোরী মেয়েটা খুব ছটফটে ছিল। আর ছিল সাহসী। সাথে প্রচন্ড রকমের আত্মসম্মানবোধ।
সেই একবার, যখন প্রিয় মানুষটা কয়েকদিনের জ্ন্য বাইরে যাওয়ার জন্য সাথে যাওয়ার কথা বললো, তখন তার খুশি দেখে কে! আগের দিনই বোনের গলায় হারটা দেখে খুব পছন্দ হয়েছিল। ছুটে গেল বোনের কাছে, 'আপু, আমি কিছুদিনের জন্য ওর সাথে বের হবো। তোমার হারটা পড়ে যাই প্লীজ প্লীজ প্লীজ! আমার তো ওরকম কিছু নাই!' বোনের আপত্তি করাই প্রশ্নই আসে না পাগলীটার কাছে। হার খুলে দিয়ে দিলেন সাথে সাথে।
প্রিয় মানুষটার সঙ্গ ও যে ভীষন ভালবাসে! মানুষটা যে অসাধারন! ও তার জীবদ্দশায় এত ভাল মানুষ দেখে নি। ভালবাসায় টইটুম্বর। এক একটা কাজ যে করে, তাতে অসম্ভব সুখে হৃদয় মনে দোল লাগে। ছোট ছোট কাজ, কিন্তু এই কাজগুলো দিয়েও প্রতি মুহুর্তে বুঝিয়ে দেন, বউ, তোমাকে ভালবাসি। এই যেমন এক সাথে খেতে বসলে ও পানি খেয়ে গ্লাস নামাতেই উনি ওর গ্লাসটাই হাতে নিবেন। তারপরে খুঁজে খুঁজে ঠিক যেখানে ওর মুখ লাগানো হয়েছিল, সেখানে মুখ লাগিয়ে পানি খাবেন।
সেবার বেড়াতে যাওয়ার পরে সবাইকে আগে পাঠিয়ে দিলেন। তারপরে ওকে বলেন, চলো তো দেখি কে আগে ওই ওখানে পৌঁছতে পারে? দৌঁড় দিল দু'জনেই! চটপটে মেয়েটার কাছে উনি পারবেন কেন? হারার পরেও ওনার হাসি দেখে কে!
এবার কয়েকদিনের জন্য ঘুরে আসার প্রস্তাবে তাই দারুণ ভাল লাগায় মন দুলতে লাগল ওর। এই যে, উটে উঠার সময়ও মানুষটার টলমলে মনের টলটলে স্নেহ টের পাওয়া যায়। উঁচু উটে উঠতে একটু সমস্যা হয় ওর, ব্যপারটা ওনার চোখ এড়াবে কি করে? নিচু হয়ে বসে হাঁটু পেতে বসলেন, যেন ও ভর দিয়ে উঠে যেতে পারে।
নানা কথায় গল্পে কেটে গেল সময়। মাঝে এখানে ওখানে নেমে এদিক সেদিক যাওয়া। শেষ দিন, সবাই ফিরার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। একটু পরেই চলা শুরু করবে উটগুলো। তখনই হঠাৎ টের পেলো, গলার হারটা নেই! চমকে উঠলো ও। আপুর গলার হার, হারালে খবর আছে। আজ কই কই গিয়েছিল মনে করতে চাইলো। ওদিকে গিয়ে আতি পাতি করে খুঁজতে হবে। এর মধ্যে কেউ নিয়ে না গেলেই হয়। বাতাসে বালুর নিচে চাপা পড়লে কখনও খুঁজে পাবে বুঝি ও?
থরথরে শঙ্কায় আপুর হারের জন্য কেমন উদ্ভ্রান্ত লাগছিল। সাথে তীব্র অপরাধবোধ। কাউকে না বলে, কাউকে সাথে না নিয়ে কিশোরী মেয়েটা একাই চললো হারের খোঁজে। হাঁটতে হাঁটতে অনেক দূর এসে পেল বালুর বুকে পড়ে থাকা চকচকে হারটা। সাথে সাথে ছুটে এসে হার নিয়ে বুকের কাছে চেপে ধরলো। আর পাইয়ে দেয়ার জন্য আল্লাহকে চরম কৃতজ্ঞতা। ফুরফুরে মন নিয়ে চপল গতিতে উটের কাছে ফিরে আসতেই বুক ধ্বক করে উঠল। কেউ নেই!
ওকে ফেলে চলে গেল! অভিমান হওয়ার আগেই বুঝতে পারল, ভুল হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। ও যেই হালকা পাতলা মেয়ে, যেই উটের পিঠে পালকি থাকে, সেই উটেরও কোন পার্থক্য টের পাওয়ার কথা না। আচ্ছা, অসুবিধা নেই। প্রিয় মানুষটা টের পেয়ে সাথে সাথে নিশ্চয়ই লোক পাঠাবেন ওকে নিতে!
একটু নিশ্চিত হয়ে বসতেই দু'চোখ ভেঙে ঘুম আসলো ওর। এমনিই ঘুম কাতুরে। ঘুমাতে ভালবাসে খুব করে। তারওপর এতক্ষণ হারজনিত টেনশনে টান টান থাকায় এখন কেমন অবসন্ন লাগছে। আর কিছু না ভেবে ঘুমের রাজ্যে আত্মসমর্পন করে ফেললো।
হঠাৎই ঘুম ভাঙলো এক অপরিচিত পুরুষকণ্ঠের অস্ফুট স্বরে নিজের নাম শুনে... 'আয়শা!'
[এখন আলসেমি লাগছে। লিখার সুর কেটে গেছে কখন! পরে একসময় লিখব ভালভাবে এই মানুষটাকে নিয়ে। আয়শা (রা) আমাকে অভিভূত করে। তার জীবন কথা পড়ি আর চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, শি ওয়াজ সো কুল! কিশোরী বয়সে যেমন ছটফটে, চটপটে, বুদ্ধিমতী, সাহসী মেয়ে ছিলেন, পরবর্তী জীবনেও তাই। জ্ঞান গরিমা আর বুদ্ধিতে হারিয়ে দিতেন নারী পুরুষ নির্বিশেষে ছোট বড় সবাইকে। মানুষটাকে এখন পেলে দারুণ হত! খুব দরকার যে অমন একজন নারীকে এসময়ে!]
29th September 2006
https://shondhabati.blogspot.com/2006/09/blog-post_115949658484826477.html
1 393
সুন্নাহসম্মত পদ্ধতিতে পানাহার করবেন কীভাবে?
(আমির সাব মনে রাখার একটা উপায় শিখিয়েছিলেন :
পানি খাওয়ার ৬ টি সুন্নাত
দেখে, বসে, বিসমিল্লাহ ৩ শ্বাসে, ডান হাতে, আলহামদুলিল্লাহ#Ibadah
1 393
Repost from Save Muslim Sisters (Official)
ফরিদপুরে মুসলিম নির্যাতন করে হত্যার ভিডিও।
নিজ নিজ টাইমলাইনে শেয়ার করেন। আমরা তো এখন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে পারিনা। অন্তত অনলাইনে হলেও প্রতিবাদ করেন,ন্যায় বিচার খোঁজ করেন।🔗টেলিগ্রাম : t.me/Save_Muslims_Sister 🔗গ্রুপ : t.me/Save_Muslims_Sisters_Chat 🔗 টুইটার : x.com/Savemuslimsiste
1 393
Repost from Ishtiak Ahmad Tushar
সাবধান!
ঈমানী অবনতি আসে পর্যায়ক্রমে…
🔹 সুন্নাত-নফল ত্যাগ করার মাধ্যমে,
🔹 সালাতের পরের যিকিরগুলো ত্যাগ করার মাধ্যমে..
🔹 সকাল বিকালের যিকির ত্যাগ করার মাধ্যমে…
🔹 কুরআন তেলাওয়াত ত্যাগ করার মাধ্যমে…
এসবের পিছনে সাধারণত একটি যুক্তি বেশি কার্যকর, তা হচ্ছে, এখন সময় নাই বা সময় কম বা অন্য সময় করব..
আর এভাবে চলতে থাকলে একসময়
✅ ফরয সালাতের জামাতে হাযির হওয়া হয়ে যায় কঠিন।
✅ ফরয সালাত হয়ে যায় ভারী।
✅ এক সময় গুনাহগুলো হয়ে যায় স্বাভাবিক।
এ সব অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে মন থেকে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে।
ড: আবু বকর জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ
1 393
দুইটি ভয়ংকর গুনাহ--- কুধারণা এবং অপবাদ:
সম্ভবত এই দুই গুনাহের শাস্তি আল্লাহ তা'আলা দুনিয়ায় খুব দ্রুত দিয়ে দেন। নিজের চোখে দেখা বেশ কিছু ঘটনা আছে।
১. একবার তিনদিনের জামাত থেকে ফেরত আসা দুই কিশোর কে দেখলাম আসরের নামাজের পর ইমাম কে বলছে তাবলিগ করা ফরজ, কিন্তু ইমাম সাহেব যেহেতু যান না, তাই তিনি ফরজ তরকের গুনাহ করছেন। ইমাম শুধু তাদের বললেন আরেকটু পড়াশোনা করতে। এক মাস ও মনে হয় যায়নি এরপর তাদের নামাজের ধারেকাছেও দেখিনি।
২. এক বড় ভাই ভিন্ন মানহাজের হওয়ায় ফেসবুক এক সেলিব্রিটি মন্তব্য করেছিল তিনি মসজিদে নামাজ পড়েন না, জুমাও পড়েন না। অথচ জলজ্যান্ত মিথ্যা। আমি নিজেই ওই ভাই এর সাথে মসজিদে আসর মাগরিব পড়েছি। মসজিদের ইমামের পিছনে। যতটা জানি তিনি জুমাও পড়েন। ওই সেলিব্রিটি সম্পর্কে পরে জানা গেল ফ্রড।
৩. জাকির নায়েক হাফিযাহুল্লাহর ভুলত্রুটি নিয়ে অনেকে ইনসাফপূর্ণ আলোচনা করেছেন, কেউ কেউ তাকে ই হু দি দের দালাল বলেছেন। দ্বিতীয় পক্ষের অনেক কে জনসম্মুখে বেইজ্জত হতে দেখেছি। অথচ তারা যোগ্যতা সম্পন্ন আলিমের কাতারে থাকতে পারতেন।
৪. এক ভাই লাগাতার ৫-৬ মাস তাহাজ্জুদ জিকরের আমল করতেন। একজনের সম্পর্কে অহেতুক গীবত করে এখন তার মাঝে মধ্যে ফরজ ওয়াজিব ও ছুটে যেতে দেখি।
৫. আকিদা মানহাজ নিয়ে খুব কড়াকড়ি এক ভাই কে দেখতাম প্রায় ই বিপরীত মত কে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখতে। আল্লাহ তা'আলা তাকেও বাজেভাবে বেইজ্জত করলেন।
এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। আমার আপনার আমলের ধারাবাহিকতায় হঠাৎ ছেদ পড়লে একটু আত্মসমালোচনার দরকার আমি আসলে এমন কোন গুনাহে লিপ্ত কিনা। আমাদের তাড়াহুড়ার জন্য মুসলিম ভাই এর সাথে ব্যবহার কু ফ ফা র থেকে ও বাজে হয়। এজন্য যে কোন ট্যাগ ব্যবহার করতে দেরি করিনা।
আমি খুব আমলি কেউ না। বেশিরভাগ সময় অনলাইনে কাটে। আমার পক্ষ থেকে কেউ এমন কুধারণা বা অপবাদের স্বীকার হলে ইনবক্সে বলতে পারেন। অবশ্যই ক্ষমা চেয়ে নিব। উপরের কথা গুলো আল্লাহ তা'আলা আমাকে আগে আমলের তৌফিক দান করুন আমিন।
1 393
জুময়া রিমাইন্ডার :: সূরা কাহাফ, ইস্তিগিফার, দুরুদ ও দোয়া।
★রাসুলের (সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চোখে শ্রেষ্ঠ ::
(১)
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে নিজে কুরআন শিখে ও অপরকে শিক্ষা দেয়।”
