fa
Feedback
Al Asar

Al Asar

رفتن به کانال در Telegram

নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)

نمایش بیشتر
1 393
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-2430 روز
آرشیو پست ها
Al Asar
1 393
تقبل الله منا ومنكم عيد مبارك "তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম" অর্থঃ আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের সৎকর্মগুলো কবুল করুন। (আমীন) "ঈদ মোবারক"🌙🕌 ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, উইঘুর, আরাকান, খোরাসান, ইরাক,সিরিয়া সহ বিশ্বের সকল নির্যাতিত মুসলিম ভাই-বোনদের জন্য দোয়া, আল্লাহ যেন সবাইকে হেফাজত করেন এবং তাঁর রহমত দিয়ে আচ্ছাদিত রাখেন। আমীন। অ্যাডমিনদেরকে দোয়ায় স্মরণ রাখতে ভুলবেন না! https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
।।ঈদের সালাতের পূর্বে নবিজির ﷺপ্রস্তুতি।। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন— "নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন।" [১] . আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন গোসল করতেন। [২] একাধিক বর্ণনার মাধ্যমে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে গোসল করার বিষয়টি প্রমাণিত রয়েছে। হাদিসগুলো মারফু হলেও গ্রহণযোগ্য। কারণ, ব্যাপকহারে সাহাবিদের আমল রয়েছে। ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত, তিনি ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। এ ছাড়া সহিহ সনদে বর্ণিত আছে, জাদান রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি একদিন আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম, : গোসল কখন করব? জবাবে তিনি বললেন— যখন ইচ্ছা তখন। আমি বললাম— : আমি বিশেষ দিনের গোসলের কথা বলছি। তখন তিনি বললেন— জুমার দিনে, আরাফার দিনে, ঈদুল ফিতরের দিনে এবং ঈদুল আজহার দিনে। [৩] গোসলের সময় সম্পর্কে ইবনু কুদামা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "ঈদের দিনের গোসলের সর্বোত্তম সময় হলো ফজরের পর।" [৪] সুতরাং ঈদের দিন গোসল করার মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা একান্ত প্রয়োজন। কেননা, এ দিনে সকল মানুষ একত্রে জমায়েত হয়, তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত হলো, আল্লাহর শুকরিয়া আদায়স্বরূপ যার যার সাধ্যমতো নিজেকে সর্বোত্তম সাজে সজ্জিত করা। আবদুল্লাহ ইবনু আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দার ওপর তাঁর প্রদত্ত নিয়ামতের প্রকাশ দেখতে পছন্দ করেন।[৫] জ্ঞাতব্যঃ ঈদ উপলক্ষ্যে যথাসম্ভব পরিবারের সদস্যদেরকে ভালো খাবার ও সুন্দর পোশাক দেওয়ার ব্যবস্থা করা উত্তম। তবে অপচয় যেন না হয় সে দিকে লক্ষ রাখা জরুরি। অনুরূপভাবে আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করা কর্তব্য। পাশাপাশি, প্রতিবেশীর খোঁজখবর রাখতে হবে এবং দরিদ্রদের যথাসম্ভব সাহায্য-সহযোগিতা করতে হবে, যাতে ঈদের আনন্দ থেকে তারা বঞ্চিত না হয়। রেফারেন্সঃ [১] মুয়াত্তা ইমাম মালেক, দুই ঈদের অধ্যায়, হাদিস : ২ [২] সুনানু ইবনু মাজাহ, তুহফাতুল আহওয়াজি, দুই ঈদের অধ্যায়। [৩] ইলাহুস সুনান, ১/২৩৩-২৩৪। নাআনিল আছার, তাহাবি, ১/৭১। সমস্ত রাবি গ্রহণযোগ্য। [৪] আল মুগনি, ২/২৬৮ [৫] সহিহ আল জামে - শাইখ হামদান আল - হুমাইদি https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
১৪) শুভেচ্ছা বিনিময় করাঃ ঈদের শিষ্টাচারের মধ্যে রয়েছে পরস্পরের মাঝে উত্তম পদ্ধতিতে শুভেচ্ছা বিনিময় করা। সে শুভেচ্ছার ভাষা যে ধরণেরই হোক না কেন। যেমন কেউ কেউ বলেন, تقبل الله منا ومنكم (তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম) (অনুবাদ: আল্লাহ্‌ আমাদের ও আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করে নিন)। কিংবা عيد مبارك (ঈদ মোবারক) কিংবা এ ধরণের অন্য যে কোন বৈধ ভাষায়। জুবাইর বিন নুফাইর থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ঈদের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীবর্গ যখন একে অপরের সাথে সাক্ষাত করতেন তখন বলতেন: تُقُبِّل منا ومنك (তুকুব্বিলা মিন্না ও মিনকা) (অনুবাদ: আমাদের আমল ও আপনার আমল কবুল হোক)। (আল-ফাতহ ২/৪৪৬) - মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
।।ঈদের দিনের আমল।। ১) দুই ঈদের রাতে গুরুত্বসহ ইবাদত করা। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার রাতে জাগরিত থেকে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগীতে মশগুল থাকবে, তাহলে তার দিল কেয়ামতের দিন মরবে না। (ইবন মাজাহ ১৭৮২) (কেয়ামতের আতঙ্কের কারণে অন্যান্য লোকের অন্তর ঘাবড়ে গিয়ে মৃতপ্রায় হয়ে যাবে। কিন্তু দুই ঈদের রাতে ইবাদতকারীর অন্তর তখন ঠিক থাকবে, ঘাবড়াবে না।) ২) মিসওয়াক করা। ইবনুল মুসাইয়াব রহ. বলেন, ঈদের দিন মিসওয়াক করা সুন্নাত। (মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক ৩/৩০৮) ৩) গোসল করা। নাফি রহ. বলেন , ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত যে, তিনি ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে গোসল করতেন। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হাদিস: ৬০৯) ইমাম নববী রহ. বলেন, ঈদের নামাযের জন্য গোসল করা মুস্তাহাব মর্মে আলেমদের মতৈক্য উল্লেখ করেছেন। যে কারণে জুমার নামায ও অন্যান্য সাধারণ সম্মিলনের জন্য গোসল করা মুস্তাহাব ঠিক একই কারণ ঈদের ক্ষেত্রেও পাওয়া যায়। বরং ঈদের ক্ষেত্রে সে কারণটি আরও বেশি স্পষ্ট। ৪) শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবীজি ﷺ -এর এমন একটি জুব্বা ছিল যেটা তিনি দুই ঈদের সময় ও জুমার দিন পরতেন। (সহিহ ইবনে খুযাইমা ১৭৬৫) ৫) সামর্থ অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা।ইমাম বাইহাকী সহিহ সনদে বর্ণনা করেন যে, ইবনে উমর রাযি. ঈদের জন্য তার সবচেয়ে সুন্দর পোশাকটি পরতেন। ( বায়হাকী : ১৯০১) ৬) সুগন্ধি ব্যবহার করা। (মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৫৬০) ৭) ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টিজাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। বুরাইদা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ঈদুল ফিতরের দিনে না খেয়ে বের হতেন না, আর ঈদুল আজহার দিনে ঈদের নামাজের পূর্বে খেতেন না। সালাত থেকে ফিরে এসে কুরবানীর গোশত খেতেন। (আহমদ : ১৪২২) আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈদুল ফিতরের দিন কয়েকটি খেজুর না খেয়ে বের হতেন না, আর খেজুর খেতেন বে-জোড় সংখ্যায়। (বুখারী : ৯০০) ৮) সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আমাদের এ দিনে আমরা সর্ব প্রথম যে কাজটি করবো তা হল (ঈদের) নামাজ আদায় করবো। এরপর ফিরে এসে আমরা কুরবানী করবো। যে ব্যাক্তি এভাবে তা আদায় করল সে আমাদের নীতি অনুসরণ করল। (বুখারী ৫১৪৭) ৯) ঈদুল ফিতরে ঈদগাতে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। ইবনু উমর রাযি. থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ লোকদেরকে ঈদের নামাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পূর্বেই সাদকাতুল ফিত্‌র আদায় করার নির্দেশ দেন। (বুখারী ১৪২১) ১০) পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া। আলী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুন্নত হল ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া। (তিরমিযী ১৮৭ ) ১১) ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। (বুখারী ৯৫৬, আবু দাউদ ১১৫৮) ১২) যে রাস্তায় ঈদগাতে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা। (বুখারী ৯৮৬) ১৩) ঈদের দিনে তাকবীর দেওয়া। এটি ঈদের দিনের মহান সুন্নত। ওয়ালিদ বিন মুসলিম বলেন, আমি আওযায়ি ও মালেক বিন আনাসকে দুই ঈদের দিন উচ্চস্বরে তাকবির দেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: হ্যাঁ। আব্দুল্লাহ্‌ বিন উমর রাযি. ঈদুল ফিতরের দিন ইমাম আসার আগ পর্যন্ত উচ্চস্বরে তাকবির দিতেন। আবু আব্দুর রহমান আস্‌-সুলামি থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, তাঁরা ঈদুল আযহার তাকবিরের চেয়ে ঈদুল ফিতরের ব্যাপারে বেশি কঠোর ছিলেন। ওকী বলেন, বুঝাতে চাচ্ছেন: তাকবিরের ব্যাপারে। ( ইরওয়াউল গালিল ৩/১২২) ঘর থেকে বের হওয়া থেকে শুরু করে ঈদগাহে আসা পর্যন্ত ও ইমাম আসা পর্যন্ত তাকবীর দেওয়ার বিষয়টি সালাফদের মাঝে মশহুর ছিল। একদল গ্রন্থকার এ বিষয়টি বর্ণনা করেছেন। যেমন- ইবনে আবু শাইবা, আব্দুর রাজ্জাক, ফিরইয়াবি ‘আহকামুল ঈদাইন’ গ্রন্থে একদল সালাফ থেকে বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাগুলোর মধ্যে রয়েছে যে, নাফে বিন জুবাইর নিজে তাকবীর দিতেন এবং লোকদের তাকবীর না দেওয়া দেখে বিস্মিত হয়ে বলতেন: আপনারা কি তাকবীর দিবেন না? ইবনে শিহাব আয-যুহরী বলেন, লোকেরা বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় থেকে ইমাম আসার আগ পর্যন্ত তাকবীর দিতেন। ঈদুল ফিতরের তাকবীর দেওয়ার সময় হচ্ছে- ঈদের রাত থেকে শুরু করে ঈদের নামাযের ইমাম হাযির হওয়া পর্যন্ত। তাকবীর দেওয়ার পদ্ধতিঃ মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবাতে সহিহ সনদে ইবনে মাসউদ রাযি. থেকে উদ্ধৃত হয়েছে যে, তিনি তাশরিকের দিনগুলোতে এভাবে তাকবির দিতেন, الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله والله أكبر الله أكبر ولله الحمد (উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ) (অনুবাদ: আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান। আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই। আল্লাহ্‌ মহান, আল্লাহ্‌ মহান। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।) ২য় অংশ👇

Al Asar
1 393
ঈদের দিন রয়েছে ১৩ টি সুন্নতঃ- ১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া। [বায়হাকী, হাদীস নং-৬১২৬] ২. মিসওয়াক করা। [তাবয়ীনুল হাকায়েক-১/৫৩৮] ৩. গোসল করা। [ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৩১৫] ৪.শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮] ৫. সামর্থ্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৪৮, মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং -৭৫৬০] ৬. সুগন্ধি ব্যবহার করা। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৫৬০] ৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া। তবে ঈদুল আযহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৩, তিরমিজী, হাদীস নং-৫৪২, সুনানে দারেমী, হাদীস নং-১৬০৩] ৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৭] ৯. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতর আদায় করা। [দারাকুতনী, হাদীস নং-১৬৯৪] ১০. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৫৬, আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৫৮] ১১. যে রাস্তায় ঈদগাহে যাবে, সম্ভব হলে ফিরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরা। [বুখারী, হাদীস নং-৯৮৬] ১২. পায়ে হেঁটে যাওয়া। [আবু দাউদ, হাদীস নং-১১৪৩] ১৩. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় আস্তে আস্তে এই তাকবীর পড়তে থাকাঃ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ বাংলায়: আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ। তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় পথে এ তাকবীর আওয়াজ করে পড়তে থাকবেন। [মুস্তাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-১১০৫] https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
ঈদুল ফিতরের ১০টি সুন্নাহ ও ৩টি কুসংস্কার - শাইখ আহমাদুল্লাহ https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: সিজদায় মৃত্য পর্ব: ৯ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: ৩০ বছর পর পর্ব: ৮ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: কিশোরের শেষ কথা। পর্ব: ৭ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
আজ রমাদ্বানের শেষ দশকের অন্যতম বেজোড় রাত। কেউ দুআয় তাদেরকে না ভুলি। আল্লাহ জাভেদ কায়সার রহিমাহুল্লাহ ভাইয়ের সাথে আমাদের জান্ন
আজ রমাদ্বানের শেষ দশকের অন্যতম বেজোড় রাত। কেউ দুআয় তাদেরকে না ভুলি। আল্লাহ জাভেদ কায়সার রহিমাহুল্লাহ ভাইয়ের সাথে আমাদের জান্নাতে একত্রিত হওয়ার তৌফিক দিন, আমিন... #JavedKaisar #RamadanOddNights #RamadanDua ©MashwaraOfficial

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: আগুনের কাফন পর্ব: ৬ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
প্রিয় বোন! এই প্রচণ্ড গরমে বোরখা হিজাব পরিহিত অবস্থায় সিদ্ধ হয়ে আপনার শরীর থেকে গড়িয়ে পড়া প্রতিটি ফোটা ঘাম আপনার মীজানের পাল্লায় যেন অনেক ভারী হয়, ইং শা আল্লাহ; সেই দু'আ করছি। . ~ শাইখ মোখতার আহমেদ (হাফিজাহুল্লাহ)

Al Asar
1 393
পর্দা করলে যদি আরো সুন্দর লাগে, সেটা পর্দা না ৷ পর্দার উদ্দেশ্যই সৌন্দর্য গোপন ৷ বুঝা যাবেনা যে পর্দার ভেতর ষোল বছরের কিশোরী
পর্দা করলে যদি আরো সুন্দর লাগে, সেটা পর্দা না ৷ পর্দার উদ্দেশ্যই সৌন্দর্য গোপন ৷ বুঝা যাবেনা যে পর্দার ভেতর ষোল বছরের কিশোরী না ষাট বছরের বয়স্কা ৷ . – শাহ মোহাম্মদ তন্ময়

Al Asar
1 393
Repost from Mashwara Official
কারও অন্তরে আজ রোনাজারির মেঘের ঘনঘটা, তো কারও অন্তর অশ্লীলতার প্রচারে প্রফুল্ল। দুই অন্তরের মাঝে কতই না ব্যবধান...!!! রমাদ্বা
কারও অন্তরে আজ রোনাজারির মেঘের ঘনঘটা, তো কারও অন্তর অশ্লীলতার প্রচারে প্রফুল্ল। দুই অন্তরের মাঝে কতই না ব্যবধান...!!! রমাদ্বানের শেষ দশকের বরকতময় রজনীতে আমাদের দুআয় যেন মাজলুম ভাইয়েরা সর্বাধিক গুরুত্ব পায়, আল্লাহ রহম করুন...

Al Asar
1 393
শেষের গল্প: স্ট্রেচার আঁকড়ে ধরা মৃতদেহ। পর্ব: ৫ #Rain_Drops https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya

Al Asar
1 393
বিসমিল্লাহীর রহমানির রহীম। যা করবো ৮৩ বছর দিয়ে গুন হবে! সুবহানঅাল্লাহ! ১. ফরজ সালাহ অনেক মনোযোগ সহকারে, যত্ন নিয়ে পড়া। ২. তিনবার সুরা ইখলাস =১বার কুরআন খতমের সওয়াব!যা গুন হবে ৮৩ বছর দিয়ে মানে ৮৩ বছর ধরে আমি একবার করে কুরআন খতম দিচ্ছি! ৩. দশবার সুরা ইখলাস =জান্নাতে ১ টি বাড়ি নিরমান হবে!×৮৩ বছর! ৪. শুকুরানার সিজদা (দীর্ঘ করে)=আল্লাহর শোকরগোজারী বান্দার অন্তর্ভুক্ত ×৮৩ বছর! ৫. আল্লাহর ৯৯ নাম পড়তে পারি =৮৩ বছর ধরে পড়ছি! ৬. সুরা মুলক= ৮৩ বছর ধরে কবরের ফিতনা থেকে বাচার চেষ্টা! ৭. সুরা কাহাফ(১ম ১০ আয়াত) =৮৩ বছর ধরে দাজ্জালের ফিতনা থেকে বাচার চেষ্টা! ৮. সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত=ঐ রাতের জন্য যথেষ্ট আমল! ৯. মিনিমাম ১ টা কুরআনের আয়াত মুখস্থ /হিফয করা=৮৩ বছর ধরে হিফয করার চেষ্টার সওয়াব! ১০. মিনিমাম ১ টা হাদিস পড়া=৮৩ বছর ধরে হাদিস পড়ার (তালিবে ইলম) সওয়াব! ১১. সাদাকা করা= ৮৩ বছর ধরে করছি! ১২. দুই রাকাত তওবার সালাহ=৮৩ বছর ধরে তওবা করছি! ১৩. যিকির করা=৮৩ বছর ধরে করছি! (বিশেষ করে-কালেমা,দুরুদ,ইস্তেগফার,সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার, সুবহানঅাল্লাহ,অালহামদুলিল্লাহ,আল্লাহুঅাকবার) ১৪. কদরের দুয়া শুদ্ধভাবে পড়ব=৮৩ বছর ধরে পড়ছি! ১৫. সুরা বাকারার ১২৭ নং দুয়াটা পড়তে পারি,ইবাদতে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে আল্লাহ মাফ করবেন ইনশাআল্লাহ! (ইব্রাহিম (অাঃ) কাবাঘর যখন পুনঃস্থাপন করেন তখন এই দুয়া পড়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন) Dua of acceptance! প্রার্থনা কবুলের  দোয়া :                                       ‎  رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ‎وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ রাব্বানা- তাকাব্বাল্ মিন্না--- ইন্নাকা আন্তাস্ সামী-‘উল ‘আলী---ম্। ওয়াতুব্ ‘আলাইনা--- ইন্নাকা আন্তাত্ তাওওয়া-বুর্ রাহি---ম্।                                                                     হে আমাদের রব! আমাদের থেকে আপনি কবুল করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। আমাদের ক্ষমা কর। নিশ্চয় তুমি তওবা কবুলকারী। দয়ালু। [২:১২৭-১২৮] ১৬.মজলিস/বৈঠক শেষের দুয়াটা পড়তে পারি(রাসুল সাঃ সালাহ, কুরআন / যেকোনো আমলের শেষে কাফফারা হিসেবে এ দুয়াটা পড়তেন!) হিসনুল মুসলিম এপ্স এ পাবেন ৮৫ নং দুয়া। বৈঠকের কাফ্‌ফারা (ক্ষতিপূরণ) ‎ «سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ». (সুব্‌হা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা)। “হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তওবা করি।” [হাদীসটি সুনান গ্রন্থকারগণ সবাই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ৪৮৫৮; তিরমিযী, নং ৩৪৩৩; নাসাঈ, নং ১৩৪৪। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৩। তাছাড়া এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই একে কিছু বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন। …। হাদীসটি নাসাঈ তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থে নং ৩০৮ এ বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আহমাদ, ৬/৭৭, নং ২৪৪৮৬। আর ড. ফারূক হাম্মাদাহ, ইমাম নাসাঈ এর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থের তাহকীকের সময় এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। পৃ. ২৭৩।] ইয়া যুলফাদ্বলিল আযীম! আমাদের সকলকে কবুলযোগ্যভাবে শেষ ১০ দিন অন্তরের তৃপ্তি মিটায়, ইবাদাতের স্বাদ নিয়ে নিয়ে আমল করার তৌফিক দিন।এমন স্বাদ এই অন্তরে বাকি দিনগুলোতে দিন, যাতে করে রামাদানের চলে যাওয়া দিন,সময় ও মুহূর্তগুলার জন্য আর এতটুকুও আফসোস না হয়! ইয়া আরহামুর রহিমীন!এই রামাদানে কদর রাত আমাদের কবুলযোগ্যভাবে পাওয়ায় দিন,সেই রাতে পৃথিবীতে যতটুকু কল্যাণ আপনি নাযিল করবেন তার সবটুকু আমাদের পাওয়ায় দিন,স্বাদ নিয়ে যেন জীবনের সর্বোওম ইবাদাত যা আপনার অনেক পছন্দ হবে,করতে করতে যেন সেই রাত অতিবাহিত করতে পারি সেই তৌফিক দিন আপনার অনুগ্রহে। আমীন।   নবী  সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মা আয়েশা রা. কে শিখিয়েছিলেন। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যদি জানতে পারি যে, কোন রাতটি লাইলাতুল কদর তাহলে তখন কোন দুয়াটি পাঠ করব? তিনি বললেন, তুমি বল: ‎اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারীম তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী। - সংগৃহীত #Ramadan #শেষ১০দিন #Last10Days https://t.me/RamadanReminder

Al Asar
1 393
. মাসজিদের পরিবেশে, একান্ত নিভৃতে ১০ দিনের এই সময়টা বান্দাকে ধৈর্যশীল, সহনশীল ও আল্লাহমুখী করে তোলে। . ইমাম ইবনুল জাওযি (রাহ.) বলেন, ‘দেখলাম কিছু লোক খুব নামাজ পড়ে, তিলাওয়াত করে ও রোজা রাখে; কিন্তু তাদের হৃদয় যেন ছুটন্ত ঘোড়া। আবার, কিছু লোক নামাজ পড়ে সামান্য, রোজাও রাখে পরিমিত, কিন্তু তাদের অন্তর অত্যন্ত নিবিড়, একান্ত এবং শান্ত ও স্থির। আমি বুঝলাম, আল্লাহকে পেতে হলে বেশি ইবাদত নয়, বরং অধিক নির্জনতার প্রয়োজন।’ [ইমাম ইবনুল জাউযি, সইদুল খাতির, পৃষ্ঠা: ৩৫৫] . ❑ ইতিকাফকারীর ইবাদত: . ইতিকাফকারীর পুরো সময়টিই ইবাদত বলে গণ্য। তবুও সে বিভিন্ন ইবাদতে সময় ব্যয় করবে। মাঝে মধ্যে ঘুম অথবা বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে, এতে সমস্যা নেই। . (১) অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার করা: নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন ৭০ বারের বেশি ইস্তিগফার পড়তেন। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৭] . সায়্যিদুল ইস্তিগফার পড়বেন সাধ্যমত। এছাড়া, আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি, আল্লাহুম্মাগফিরলি, রাব্বিগফিরলি ইত্যাদি সহজ ইস্তিগফারগুলো বেশি বেশি পড়বেন। অন্যান্য ইস্তিগফারও পড়বেন, যেগুলো জানা আছে। . (৩) অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করা: হাদিসে এসেছে, “তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ, কুরআন কিয়ামতের দিন তার সাথীর (পাঠকের) জন্য সুপারিশকারী হবে।” [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৫৯] . সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস—এই ৩টি সুরা প্রত্যেক নামাজের পর ১ বার করে পড়বেন। ঘুমানোর আগে এবং সকাল-সন্ধ্যায় ৩ বার করে পড়বেন। বিশেষ করে, রাতে সুরা মুলক এবং সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়বেন। জুমার দিনে সুরা কাহাফ পড়বেন। . হাদিস এবং ধর্মীয় বইও পড়া যেতে পারে। . (৪) বেশি বেশি যিকর করা: একদিন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবিদের সামনে বললেন, ‘‘মুফাররাদ (একাকী মানুষেরা) এগিয়ে গেলো।’’ সাহাবিগণ প্রশ্ন করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! মুফাররাদ কারা?’ তিনি বলেন, ‘‘আল্লাহর বেশি বেশি যিকরকারী নারী-পুরুষেরা।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৭০১] . সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার—এগুলো প্রত্যেকটি প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার করে পড়বেন। যত বেশি পারবেন, তত ভালো। এছাড়া ‘লা হাউলা ওয়ালা ক্বুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযিম’ এবং ‘সুবহানাল্লাহিল আযিমি ওয়া বিহামদিহ’ বেশি বেশি পড়বেন। . (৫) নবিজির উপর দরুদ পাঠ করা: নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি (মর্যাদার) স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ] . নামাজের শেষ বৈঠকে আমরা যে দরুদ পড়ি, সেটিই সর্বোত্তম। এছাড়াও অন্যান্য দরুদ পড়তে পারেন। সহিহ হাদিসে বর্ণিত একটি সহজ দরুদ হলো, ‘‘আল্লাহুম্মা সল্লি আ-লা মুহাম্মাদ, ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ’’। . (৬) সাধ্যানুসারে নফল নামাজ পড়া: একজন সাহাবি জান্নাতে নবিজির সান্নিধ্য লাভের জন্য তীব্র বাসনা ব্যক্ত করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, ‘‘তাহলে বেশি বেশি সিজদার মাধ্যমে (অর্থাৎ নামাজের মাধ্যমে) তুমি নিজের জন্যই আমাকে সাহায্য করো।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৯৮১] . ইতিকাফকারী গুরুত্বের সাথে তাহাজ্জুদ, চাশত (দোহা), যাওয়াল, তাহিয়্যাতুল অজু, তাহিয়্যাতুল মাসজিদ ইত্যাদি নামাজ আদায় করবেন। ইতিকাফের দিনগুলোতে এগুলোতে অভ্যস্ত হওয়া ব্যক্তির জন্য কঠিন নয়। . (৭) আন্তরিকভাবে দু‘আ করা: রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আর চেয়ে অধিক সম্মানিত আর কিছু নেই।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৩৭০; হাদিসটি হাসান] . বিশেষ করে, শেষ রাতে এবং জুমার দিন আসরের পর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দু‘আ করবেন। . (৮) বিশেষ দুটো দু‘আ বেশি বেশি পড়া: . ইবরাহিম (আ.)-এর দু‘আটি পড়তে পারেন— . ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻭَﻟِﻮَﺍﻟِﺪَﻱَّ ﻭَﻟِﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳَﻮْﻡَ ﻳَﻘُﻮﻡُ ﺍﻟْﺤِﺴَﺎﺏُ . অর্থ: হে আমাদের রব! আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে এবং সকল ঈমানদারকে আপনি সেদিন ক্ষমা করে দিয়েন, যেদিন হিসাব কায়েম করা হবে। [সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১] . আয়িশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি বুঝতে পারি, কোন্ রাতটি লাইলাতুল কদর, তাহলে ওই রাতে কী বলব?’ নবিজি বলেন, তুমি বলো— . اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ . [আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা‘অ্ফু ‘আন্নি] . অর্থ: হে আল্লাহ্! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩৮৫০; হাদিসটি সহিহ] . #ইতিকাফ (দ্বিতীয় পর্ব) প্রথম পর্বের লিংক কমেন্টে পাবেন। সেখানে ইতিকাফের মৌলিক আলোচনা রয়েছে। ইশার পর অথবা সাহরির সময়ে আরেকটি পর্ব দেওয়া হতে পার, ইনশাআল্লাহ। . #Nusus

Al Asar
1 393
. ❑ ইতিকাফের উদ্দেশ্য: . ইতিকাফের উদ্দেশ্য হলো, সৃষ্টির সাথে যাবতীয় সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করে একান্ত নিভৃতে আল্লাহর ধ্যানে নিমগ্ন থাকা, যাতে মানবমনের যাবতীয় চিন্তা জুড়ে কেবল আল্লাহর যিকর, তাঁর ভালোবাসা এবং আকর্ষণই প্রাবল্য লাভ করে। [ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৮৭] . সেজন্য, উত্তম হলো: এমন মাসজিদে ইতিকাফ করা, যেখানে মানুষ চিনবে না। ফলে কেউ তার সাথে কথা বলতে আসবে না। সে নিরবে আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকতে পারবে। তবে, এমনটি করা জরুরি নয়। . এছাড়া, ইতিকাফের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, লাইলাতুল কদর তালাশ করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি (রমাদানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করে এ রাতটি খুঁজলাম, এরপর মাঝের ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। অতঃপর আমার কাছে (ফেরেশতা) আসলেন। আমাকে বলা হলো, এ রাতটি শেষ দশকে রয়েছে। সুতরাং, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন ইতিকাফ করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬১] . তাছাড়া, ইতিকাফের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো: নিজের কামনা-বাসনার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রবৃত্তিদমন ও অহেতুক কাজ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার অভ্যাস গড়ে তোলা। ইতিকাফ এ বিষয়ে নজিরবিহীন সমাধানের পথ, ইনশাআল্লাহ। . ❑ ইতিকাফ সুন্দর করতে করণীয়: . (১) মোবাইল ও অনলাইন থেকে দূরে থাকা উচিত। বিশেষ করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে ইতিকাফ অবস্থায় অনলাইনে আসা একদম অনুচিত। কারণ মাসজিদের পরিবেশ ইবাদতময় আর অনলাইনের পরিবেশ গুনাহময়। (২) আড্ডায় লিপ্ত হওয়া যাবে না। অধিকাংশ ইতিকাফকারী এই কাজটা করেন। কেউ আড্ডা দিতে আসলে তাকে সঙ্গ দেওয়া যাবে না। (৩) অধিক পরিমাণে পানাহার থেকে বিরত থাকা উচিত। তাহলে ইবাদতে উৎসাহ পাওয়া যাবে। (৪) প্রয়োজনের বেশি ঘুমানো উচিত নয়। ঘুমের জন্য সারা বছর পড়ে আছে। অন্তত এই মূল্যবান দিনগুলো আমলের মধ্যে কাটুক। (৫) প্রস্রাব-পায়খানা ব্যতীত অন্য কোনো কারণে সেকেন্ডের জন্যও মাসজিদের বাইরে যাওয়া যাবে না; ইতিকাফ নষ্ট হয়ে যাবে। খুব সাবধান! (৬) ইতিকাফের মাসয়ালাগুলো আগেই ভালো করে জেনে নিতে হবে। না হয় কোনো ভুলের কারণে এই কষ্টের ইবাদত বিফলে যেতে পারে। (ইতিকাফের মাসয়ালা নিয়ে শীঘ্রই আলাদা পোস্ট দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ) (৭) ইতিকাফে নেক আমল করার ক্ষেত্রে বৈচিত্র আনা খুব ভালো। কারণ কোনো একটি আমলে দীর্ঘ সময় ব্যয় করলে কখনও কখনও বিরক্তি ও ক্লান্তি আসতে পারে। তাই, পালাক্রমে নফল নামাজ (অন্তত তাহাজ্জুদ, চাশত, যাওয়াল), কুরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ-যিকর, দরুদ, ইস্তিগফার এবং দু‘আ এই সবগুলো আমলের স্বাদ নেওয়া উচিত। তাহলে প্রোডাক্টিভিটির সাথে ক্লান্তিহীন সময় কাটবে, ইনশাআল্লাহ। . #ইতিকাফ (প্রথম পর্ব) আরও কয়েকটি পর্ব আসবে, ইনশাআল্লাহ। নারীদের ইতিকাফ নিয়ে আজই স্বতন্ত্র লেখা আসবে। সবরের সাথে অপেক্ষা করুন। . #Nusus ইতিকাফে বসে কী কী আমল করা উচিত? ইতিকাফের গুরুত্ব এবং অপরিসীম উপকারিতা: ▬▬▬▬▬▬▬❂▬▬▬▬▬▬▬ ❑ ইতিকাফের গুরুত্ব ও উপকারিতা: . (১) আয়িশা (রা.) বলেন, ‘মহান আল্লাহ রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মৃত্যু দেওয়া পর্যন্ত প্রতি বছর রামাদানের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। তাঁর (ইন্তিকালের) পর তাঁর স্ত্রীগণ ইতিকাফ করতেন।’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৭৪] . (২) রামাদানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ আদায় করলে লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য নসিব হয়। নবিজি এই উদ্দেশ্যেই ইতিকাফ করতেন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমি (রমাদানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করে এ মহান রাতটি খুঁজলাম, এরপর দ্বিতীয় ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। অতঃপর আমার কাছে (ফেরেশতা) আসলেন। আমাকে বলা হলো, এ রাতটি শেষ দশকে রয়েছে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই ইতিকাফ করতে চায়, সে যেন ইতিকাফ করে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৬১] . (৩) ইতিকাফের (দশ দিন দশ রাত) পুরো সময়টাই ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। . ইবনু আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিকাফকারী সম্পর্কে বলেছেন, ‘‘সে পাপ থেকে বেঁচে থাকে এবং তার নেকির প্রতিদানের মধ্যে সর্বপ্রকার নেকি সম্পাদনকারীর ন্যায় নেকি অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।’’ [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ১৭৮১: হাদিসটির সনদ দুর্বল] . (৪) ইতিকাফকারী বান্দাকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে হেফাজত করবেন। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এক দিন ইতিকাফ করবে, আল্লাহ তার ও জাহান্নামের মাঝে তিন পরিখা পরিমাণ দূরত্ব তৈরি করে দেবেন। প্রত্যেক পরিখার দূরত্ব দুই দিগন্তের চেয়েও বেশি।’’ [ইমাম বাইহাকি, শু‘আবুল ঈমান: ৩৯৬৫; হাদিসটির সনদ কারও মতে হাসান, কারও মতে দুর্বল] . (৫) আল্লাহর সান্নিধ্যে জীবনের পরিবর্তন: