Al Asar
رفتن به کانال در Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
نمایش بیشتر1 393
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-67 روز
-2430 روز
آرشیو پست ها
1 393
"মোসাদ" আর ইন্ডিয়ার "র" একটা বিষয়ে সেইম মার্কেটিং ট্যাকটিক ইউজ করে আর তা হচ্ছে নিজেদের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে খুবই উচ্চ ধারণা বা ভীতি তৈরি করা। এরা হ্যান করতে পারে, ত্যান করতে পারে, বা রন্ধ্রে রন্ধ্রে আছে - এসব। আমেরিকার স্কট রিটারও মোসাদের ব্যপারে একই কথা বলেছে।
অবশ্যই তারা বেশ সংঘবদ্ধ একটা ইন্টেল এজেন্সি, কিন্তু তাদের নিয়ে অনেক ওভার এস্টিমেশন প্রচলিত। কিন্তু সব বিষয়ে তাদেরকে একটা সুপার পাওয়ার ভাবা উচিত না।
M Mahbubur Rahman
1 393
Repost from INB বাংলা
বিশেষত ঢা'কায় অবস্থানরত ভাইয়েরা সাব'ধানে থাকবেন। এই মুহূর্তে সবার যা যা করণীয় :
১. সকাল-সন্ধ্যার দু'আ ও আম'লগুলো কন্টিনিউ করবেন।
২. আনন্দ বা বেদ'নাদায়ক কোনো ভু*য়া খ'বর ছড়াবেন না।
৩. কোনো ত'থ্য পেলে যাচাই না করেই সেটা প্রচার করবেন না।
৪. অন্য কোনো ঘট'নার ছবি বা ভিডিও চলমান আ'ন্দো*লনের নামে চালিয়ে দেবেন না।
৫. নির্যা*তনের ফুটেজে মিউজিক লাগিয়ে আপলোড করে সেটাকে ন*ষ্ট করবেন না।
৬. অপ্রয়োজনে কোথাও বের হওয়া থেকে বি'রত থাকবেন।
৭. সার্বক্ষণিকভাবে দু'আ চালিয়ে যাবেন।
আবুল হাসানাত কাসিম
1 393
আন্দোলনের পাশাপাশি আমরা আল্লাহমুখী হওয়াকে না ভুলি।
যথা সময়ে নামাজ আদায় করি। এই খুনীর পদত্যাগের জন্য তাহাজ্জুদে দুয়া করি। দান সাদকার মানত করি।
©
1 393
+1
এতদিন আওয়ামিলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ দেশটাকে তাদের পাপের স্বর্গরাজ্য বানিয়েছিল। আমরা তো কেউ এ দেশের নাগরিকই ছিলাম না!!
আজ এই দেশ জনতার,
মানুষের।
আজ থেকে যেখানেই আলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ পাওয়া যাবে সেখানেই তাদেরকে জয় বাংলা করে দেওয়া হবে।
1 393
Repost from Dr. Salim Al Deen
+3
ইনকিলাব জিন্দাবাদ!
এ এক অন্য বাংলাদেশ! এ বাংলাদেশ হারবেনা, ইন শা আল্লাহ!
1 393
(১)
"মুক্তিযুদ্ধো-রাজাকার" যেই শব্দ দিয়ে ১৬ বছর ন্যারিটিভ তৈরি করে ক্ষমতাই রইলেন, আল্লাহ ঐ শব্দের ওসিলা দিয়েই আপনাকে শেষ করে দিচ্ছে! আপনাদের জন্য আল্লাহর মাছি মসাও পাঠানো লাগছে না। জালিমরা এত স্পষ্ট আল্লাহর নিদর্শনও কী তোমাদের জুলুম থেকে ফিরাবে না?
আব্দুল্লাহ বিন বশির
(২)
বিজয় হওয়ার আগেই বিজয়ের উল্লাস আর শত্রুকে দুর্বল ভাবার সেন্টিমেন্ট অনেক বিজয়কে পরাজয়ে রূপান্তর করেছে। বিজয়ের আগে বিজয়ের উল্লাসে মেতে উঠার অর্থ আপনি ফাঁদে পা দিয়েছেন, আপনার সচেতনতা আর উদ্দীপনা দুর্বল হয়ে পড়েছে। পথ এখনো অনেক বাকি, শক্ত পায়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে ময়দান ধরে রাখতে হবে।
হাসান মাহমুদ
1 393
খুবই অথেনটিক একটা নিউজ:
আমার খালাতো ভাই, Air Force এর প্যারা-কমান্ডো ট্রেনিং এ আছে। ওদের ৬০ জন লিস্ট করছে, আজকে ওদেরকে মাঠে নামাবে । সরকারের নির্দেশ একেবারে ওপেন ফায়ারিং করার। ওরা একেবারে জুনিয়র। তাহলে সিনিয়র পর্যায়ে কি অবস্থা চিন্তা করুন। শুরুতে একদিন ওদেরকে নামিয়েই আবার তুলে নেয়।
ওকে এখন চাকরি/ অবৈধ স্বৈরাচারের তাবেদারি, যেকোনো একটা বেঁছে নিতে হবে।
ও বলে দিছে ও চাকরি ছাড়তে প্রস্তুত৷
1 393
বিজয় হবার আগে বিজয় উৎযাপন করা যাবে না। ভয়াবহ পরিণতির কথা ভেবে, সে এত সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না। তার আরো রক্ত লাগবে। তাই হাসি তামাশার মাধ্যমে অন্তরের ক্ষোভ, ও প্রতিশোধের আগুনকে প্রশমিত হতে দেয়া যাবে না। এখন প্রয়োজন আরো বেশি কৌশলী হবার, দৃঢ় ও শক্তিশালী হবার। আরো ত্যাগের জন্য প্রস্তুত হবার।
Kaisar Ahmed
1 393
Repost from Abdullah bin bashir
২০০৭ এর সেপ্টেম্বর। বার্মা, মানে মিয়ানমারে সামরিক শাসন চলছে। তেলের দাম হঠাৎ করে অনেক বেড়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এল। আর্মিও যা করতে জানে তাই করল। ইউএন এর রিপোর্ট অনুযায়ী অন্তত ৩১জন নিহত হয়। রাস্তায় রাস্তায় আর্মি টহল দিতে লাগল। দেখামাত্রই গ্রেফতার/গুলি করতে লাগল। কিন্তু বার্মিজরাও কম যায় না। তারা একটা মজার বুদ্ধি বের করল।
বার্মিজ সংস্কৃতিতে কুকুরকে নিচু জাতের প্রাণী ভাবা হয়। ওরা মনে করে, আগের জন্মে খুব খারাপ কিছু করলে পরের জন্মে কুকুর হয়ে জন্মায়। তাই অন্য অনেক দেশের মতোই গালি দিতে গেলে কুকুর কিংবা কুকুরের বাপমা টেনে আনা সেখানেও খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। রাস্তায় যেহেতু মিছিল করা যাচ্ছে না তাই বার্মিজরা ভাবল কুকুরগুলো তো ঠিকই ঘুরে বেড়াচ্ছে। আইডিয়া! 💡
কিছুক্ষণ পর দেখা গেল, রাস্তায় রাস্তায় কুকুরের গলায় ঝুলছে বার্মার স্বৈরাচারী সামরিক নেতা থান শোয়ে'র ছবি। সেনাবাহিনী তো হতভম্ব। তারপর শহরের সব রাস্তা জুড়ে দেখা গেল পথের কুকুরগুলো গলায় বিভিন্ন সরকারের বড় বড় নেতাদের ছবি নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
কুকুরকে তো আর গুলি করে মারা যায় না এই অপরাধে। কিন্তু নেতাদেরও তো এ বড়ই অসম্মান। অগত্যা সেনা বাহিনীর লোকেরা রাস্তায় রাস্তায় দৌড়ে কুকুর ধরার চেষ্টা করতে লাগল যেন ছবিগুলো খুলে ফেলতে পারে। তারা কতটুক কি পেরেছে জানি না কিন্তু বার্মিজরা সেদিন অনেক হেসেছে সরকারি বাহিনীর এই হেনস্থা দেখে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি এক সরেস ভদ্রলোক থাইল্যান্ডের এক পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বলেন, "কুকুরগুলো দেখছি গ্রেফতার এড়াতে বেশ পটু"
আমাদের দেশেও কিন্তু রাস্তায় রাস্তায় প্রচুর কুকুর। আপনাদের মাথায় কোনো আইডিয়া আছে নাকি? 😉
#laughtivism
©
1 393
+3
কু*লীগের সাথে সকল সম্পর্ক ছেদ করুন। এভাবে আর কত? মানুষ কত নিচে নামতে পারে (নিচের ভিডিও দ্রষ্টব্য) দেখেন।
