বাশের কেল্লা -basher kella new
رفتن به کانال در Telegram
Official Telegram Channel of বাশের কেল্লা -basher kella
نمایش بیشتر9 353
مشترکین
-724 ساعت
-407 روز
-19130 روز
آرشیو پست ها
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিমকে জুতাপেটা করেছে স্থানীয় বিএনপির আরেক নেতা।
+2
স্থানীয় জামায়াত এমপিকে ফাঁসাতে মিরপুরের বাউনিয়াবাদের বস্তিতে আগুন লাগায় বিএনপি কর্মীরা!
সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীর বাউনিয়াবাদ সি-ব্লকের বস্তিতে নাজমুল নামের যে ছেলেটি আগুন লাগায় (গনধোলাই খেয়ে বর্তমানে জেল হাজতে) সেই ছেলেটি পল্লবী থানা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. মানিক মিয়ার সাথে ঐ এলাকায় সক্রিয়ভাবে বিএনপি করে ।
বিএনপির মিছিল মিটিং এ তার অসংখ্য ছবি ও ভিডিও রয়েছে। মানিক মিয়ার ফেসবুক আইডিসহ বাউনিয়াবাদ বিএনপি নেতাদের অনেকের আইডিতে তার এসব ছবি রয়েছে। বুঝাই যাচ্ছে স্থানীয় বিএনপি নেতা মানিক মিয়া এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা এতে জড়িত।
অথচ এই মানিক মিয়া ঢাকা-১৬ আসনের জামায়াতের এমপি কর্ণেল (অব.) বাতেন ক্ষতিগ্রস্ত বস্তি পরিদর্শনকালে নিজে এসে এমপিকে বলতেছিল "আপনি আগুন লাগাইছেন"!
এই মানিক মিয়াকে আটক করলেই সত্য উদঘাটন সহজ হবে। বস্তিতে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষের এমপির ওপর দায়ভার চাপানোর অপরাজনীতি শুরু করলো বিএনপি নেতা আমিনুলের ছ্যালারা।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সুগন্ধা ও আশপাশের বালিয়াড়ি দখল করে আবারও দোকানপাট-রেস্তোরাঁ নির্মাণের হিড়িক পড়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে রাতের অন্ধকারে বালিয়াড়ি দখল করে দোকানপাট গড়ে উঠলেও কেউ বাধা দিচ্ছেন না।
গত চার-পাঁচ দিনে অন্তত চার শতাধিক দোকান-রেস্তোরাঁ বসানো হয়েছে। সৈকতের ঝাউবাগান ও অন্যান্য বালিয়িাড়ি দখল করে আরও দোকান নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা সাত দিনের ছুটি শেষে হচ্ছে আজ রোববার (৩১ মে)। ছুটি শেষে আগামীকাল সোমবার (১ জুন) খুলবে অফিস। লম্বা ছুটি শেষে সরকারি অফিসের পাশাপাশি ব্যাংক, বিমা, শেয়ারবাজার— সবকিছুই সোমবার থেকে চলবে স্বাভাবিক নিয়মে।
গত ২৮ মে দেশে মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়। ঈদ উপলক্ষে ২৫ মে থেকে শুরু হয় সরকারি ছুটি। সরকারি ছুটির সঙ্গে মিল রেখে ব্যাংক, বিমা ও শেয়ারবাজারও ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন বন্ধ রাখা হয়।
+2
আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারি উত্তরা আজমপুরে জুলাই গ্রাফিতির উপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী জনাব সেলিম উদ্দিন ভাইয়ের কিছু পোস্টার লাগানো হয়েছে।
তাৎক্ষণিক সেলিম ভাইয়ের সাথে কথা বললাম, দ্রুত অপসারণের জন্য দিলেন এবং দুঃখ প্রকাশ করলেন। সেই সাথে যারা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এই পোস্টার গুলো লাগিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার কথা বললেন। এরপর পোস্টার গুলো অপসারণ করি।
- তাহমীদ হুজাইফা
জুলাই গ্রাফিতির উপর পোস্টার লাগানোর অভিযোগ জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
গতকাল কলকাতায় কয়েকজন হিন্দুত্ববাদী একটি মুসলিম পরিবারকে এলাকা থেকে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। কারণ হিন্দু এলাকায় তারা কোন মুসলিম পরিবারকে সহ্য করবেনা। এতে নাকি তাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত হচ্ছে আর আশেপাশের মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে!
তারা শর্ত দেয়, যদি ধর্ম পরিবর্তন করে সনাতনী ধর্ম গ্রহন করে তাহলে এই এলাকায় নাকি থাকতে পারবে। ভারতে উগ্রবাদী হিন্দুরা মুসলমান পরিবারকে এলাকা ছাড়তে হুমকি দেয় আর বাংলাদেশের মাটিতে কুরবানি ঈদে ক্যাম্পাসে গরু কুরবানী দিতে বাধা দিয়েছিল ক্ষমতাসীন দলের অনুগত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিএনপির ছাত্রসংগঠন!
মুসলিম সংখ্যগরিষ্ট দেশ বাংলাদেশে গরুর মাংস ক্যাম্পাসে খাওয়ার ব্যবস্থা করলে নাকি ধর্মীয় অনূভুতিতে আঘাত আসবে অন্যদিকে ভারতে হিন্দু এলাকায় মুসলমান বাস করলে নাকি ধর্মীয় অনূভুতিতে আঘাত হয়?
যাদের সমস্যা হচ্ছে এই দুই গ্রুপই ক্ষমতাসীন দলের গুন্ডা বাহিনী।
এবার মিলিয়ে নিন এরা কাদেরকে ফলো করছে এবং কাদের খুশি করতে এই রকম ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে।
#StopHindutvaFascism
গতকাল সশস্ত্র মিয়ানমার বিদ্রোহীরা নাফ সীমান্ত অতিক্রম করে গুলি চালায় এবং প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নির্বিঘ্নে ফিরে যায়।
সীমান্ত নিরাপত্তা এবং দেশের সার্বভৌমত্বের এই কী হাল!
এক সময় আমি আনন্দবাজার পত্রিকা পড়তাম আর সংবাদগুলোর হেডিং এর নিচে নাম দেখতাম কোনো মুসলমান নাম আছে কিনা!
কখনো পেতাম না।
কলকাতার প্রায় ২৫ শতাংশ মানুষ মুসলমান, কিন্তু সমাজে তাদের প্রতিনিধিত্ব নাই। সামাজিক, রাজনৈতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক কোথাও নেতৃত্বে মুসলমানদের কে দেখবেন না।
কিন্তু বাংলাদেশে পুরো ঘটনা উল্টো। সাংবাদিকতার কথাই ভাবেন। বেশ কিছু সম্পাদক হিন্দু ধর্মের।
কলকাতার মানুষদের মুসলিম বিদ্বেষ নতুন না। বিজেপির ক্ষমতায় আসার মধ্যে দিয়ে তা প্রতিষ্ঠিত হলো।
- মুশফিক ওয়াদূদ
রায়পুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠু-এর নেতৃত্বে এনসিপি নেতা আনোয়ার এবং তার পরিবারের ওপর নৃশংস হামলা। বিপুল সংখ্যক বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকর্মী জড়ো করে ভুক্তভোগীর বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়, নারী ও শিশুদের ওপরও হামলা চালানো হয়। পরবর্তীতে আনোয়ারকে মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং উল্টো তার বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করা হয়।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারবিরোধী মতামত ও সমালোচনামূলক ফেসবুক পোস্ট করা।
এখনো হয়নি সেই শাকসু নির্বাচন। যে নির্বাচন স্থগিত হয়ে গিয়েছিল ছাত্রদল কর্তৃক ইসি ভবন ঘেরাও করে মব সৃষ্টি করার পর।
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
