fa
Feedback
It's time to wake up

It's time to wake up

رفتن به کانال در Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

نمایش بیشتر
2 468
مشترکین
+124 ساعت
-97 روز
-4630 روز
آرشیو پست ها
Repost from Sorwar Alam
তেলআবিবে মানুষ রাস্তায় নেমেছে প্রথম দফায় ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তির অপেক্ষায়। এই মুক্তি যেকোনো মুহূর্তে শুরু হওয়ার কথা। হামাস
তেলআবিবে মানুষ রাস্তায় নেমেছে প্রথম দফায় ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তির অপেক্ষায়। এই মুক্তি যেকোনো মুহূর্তে শুরু হওয়ার কথা। হামাস ইতিমধ্যে মুক্তির জন্য নির্ধারিত প্রথম ২০ জনের নাম প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, আজই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েল ও মিশরে যাচ্ছেন গাজা যুদ্ধের অবসান চুক্তিতে স্বাক্ষরের জন্য। (hn)

💔💔বন্ধুরা হয়তো একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারেনি বেশীদিন! আল্লাহ ইচ্ছায় শহী‌দি কা‌ফেলায় যুক্ত হ‌লেন সা‌লেহ।
+1
💔💔বন্ধুরা হয়তো একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারেনি বেশীদিন! আল্লাহ ইচ্ছায় শহী‌দি কা‌ফেলায় যুক্ত হ‌লেন সা‌লেহ।

📍📍গাজায় ইসরায়েল-সমর্থিত গোষ্ঠীর নেতাকে ঘিরে ফেলেছে হামাস বাহিনী রাফাহ শহরে ইসরায়েল-সমর্থিত সংগঠন পপুলার ফোর্সেস-এর নেতা ও ক
📍📍গাজায় ইসরায়েল-সমর্থিত গোষ্ঠীর নেতাকে ঘিরে ফেলেছে হামাস বাহিনী রাফাহ শহরে ইসরায়েল-সমর্থিত সংগঠন পপুলার ফোর্সেস-এর নেতা ও কথিত ফিলিস্তিনি “দালাল” ইয়াসের আবু শাবাবের বাড়ি ঘিরে ফেলেছে হামাসের নিরাপত্তা বাহিনী। ঘটনাটি দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় সংঘটিত হয়েছে বলে জানা গেছে।

📍📍ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত দাঘমুশ মিলিশিয়া বাহিনী সাংবাদিক সালেহ আল-জাফারিকে কয়েক ঘণ্টা বন্দি রাখার পর সামনাসামনি সাতটি
📍📍ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কিত দাঘমুশ মিলিশিয়া বাহিনী সাংবাদিক সালেহ আল-জাফারিকে কয়েক ঘণ্টা বন্দি রাখার পর সামনাসামনি সাতটি গুলি করে হত্যা করেছে।

📍📍গাজা সিটির সাবরা এলাকায় যা ঘটছে... যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হওয়ার পর গত দুই দিনে, একটি সশস্ত্র অপরাধী গ্যাং জর্ডানিয়ান হাসপাতালের কাছে দুইজন আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই গ্যাং দক্ষিণ গাজা থেকে গাজা সিটিতে ফিরে আসা বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষদেরও আক্রমণ করছিল। মন্ত্রণালয় গ্যাংটির সদস্য ও অপরাধীদের এক সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের সময়সীমা দিয়েছিল। কিন্তু গ্যাংটি আত্মসমর্পণ করতে অস্বীকার করে এবং গাজার সাবরা এলাকায় ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে ফটোসাংবাদিক সালেহ আল-জাফরাওয়ি সহ আরো কয়েকজন নিহত হন। [

Repost from Sorwar Alam
#BREAKING সাংবাদিক সালেহ আল-জাফরাউই গাজা শহরের সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত হয়েছেন। তাকে ক্ল
#BREAKING সাংবাদিক সালেহ আল-জাফরাউই গাজা শহরের সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত হয়েছেন। তাকে ক্লোজ রেঞ্জ থেকে সাতটি গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। (সাংবাদিক হামজা আল-মাসরি এই নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।) [mh]

Repost from Sorwar Alam
হামাস ইসরায়েলকে জানিয়েছে, তাদের হাতে ২০ জন ইসরায়েলি বন্দী জীবিত আছে, এবং তারা হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত। (hn)

Repost from Sorwar Alam
গাজায় যুদ্ধবিরতি হওয়ায় লোহিত সাগরে হামলা স্থগিত করল হুথিরা উপসাগরীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে—আনসারুল্লাহ (হুথি আন্দোলন) ইসরাই
গাজায় যুদ্ধবিরতি হওয়ায় লোহিত সাগরে হামলা স্থগিত করল হুথিরা উপসাগরীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে—আনসারুল্লাহ (হুথি আন্দোলন) ইসরাইল ও ইসরাইল-সংযুক্ত জাহাজের বিরুদ্ধে লোহিত সাগর ও ওমান উপসাগরে পরিচালিত সব আক্রমণ আপাতত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সূত্রের ভাষায়, এই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে যতদিন গাজার যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকে। শুক্রবার ইয়েমেনের বিভিন্ন শহরে হুথিরা ব্যাপক সমাবেশ করেছে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে। তারা “গাজার জনগণ ও প্রতিরোধের বীরদের অসাধারণ দৃঢ়তার জন্য অভিনন্দন” জানিয়েছে। আনসারুল্লাহ নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি জানিয়েছেন, গাজা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ইসরাইল ও ইসরাইল-সংযুক্ত জাহাজের ওপর ১,৮০০-রও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আমরা যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ করছি। যদি ইসরাইল কোনো বর্বরতা, হত্যাযজ্ঞ বা নতুন আগ্রাসন শুরু করে, আমরা ফিলিস্তিনি জনগণকে সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত।” ....

📍📍গাজায় যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে হামাস পাল্টা প্রতিরোধ গড়বে একজন হামাস কর্মকর্তা ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি (AFP)-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন,
যদি গাজায় যুদ্ধ আবার শুরু হয়, তবে হামাস পূর্ণ শক্তিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি আরও জানান, গাজা থেকে হামাস সদস্যদের বিতাড়িত করার ধারণা “সম্পূর্ণ অবাস্তব” ও “অগ্রহণযোগ্য”। সূত্র: AFP

Repost from Sorwar Alam
এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তি গাজায় নিজের বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন—একজন প্রতিরোধ যোদ্ধা তার বাড়ি থেকে এক জোড়া স্যান্ডেল নিয়ে গিয়েছ
এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তি গাজায় নিজের বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন—একজন প্রতিরোধ যোদ্ধা তার বাড়ি থেকে এক জোড়া স্যান্ডেল নিয়ে গিয়েছে। বাড়িতে তিনি একটি চিঠি ও ৫০ শেকেল পান। নোটে লেখা ছিল:
“এটি স্যান্ডেলের মূল্য। আমরা ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
[mh]

Repost from Sorwar Alam
গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় উসকানি না দেওয়ার আহ্বান তুরস্কের। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার আঙ্কারায় এক সংবা
গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়ায় উসকানি না দেওয়ার আহ্বান তুরস্কের। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান শুক্রবার আঙ্কারায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
“গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্দি বিনিময় ও মানবিক সহায়তা পাঠানো শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো— এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা ও ইসরায়েলের উসকানি এড়িয়ে চলা।”
(na)

Repost from Sorwar Alam
"সাজানো শান্তির নাট্যমঞ্চ" ইসরায়েল ৭ অক্টোবরের হামলাকে নিজের স্বার্থে একটি বিশাল মানচিত্র পরিবর্তন ও গণহত্যার প্রক্রিয়ায় পরিণত করেছে। সেই ঘটনার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে যে চুক্তিটি হয়েছে সেটা হামাসের জন্য সাময়িক বিজয় হলেও ফিলিস্তিনিদের অবর্ননীয় কষ্ট আর‌ ভোগান্তিকে দীর্ঘস্থায়ী করবে। আরও খোলাসা করে বলতে গেলে “অস্ত্রবিরতির প্রথম ধাপে সমঝোতা হয়েছে” ঘোষণাটি আসলে স্থায়ী শান্তির সূচনা নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যের দুর্বল ও পচে যাওয়া শক্তিগুলোর নিরব সমর্থনে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডকে ইসরায়েলের ভূরাজনৈতিক স্বপ্ন অনুযায়ী উপনিবেশে রূপ দেওয়া হচ্ছে। আসলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রসম্ভার দিয়ে অসীমভাবে, বিনা জবাবদিহিতায় বেসামরিকদের ওপর সহিংসতা চালানো নেতানিয়াহু সরকারের জন্য সময় কিনে দেওয়ার একটি কৌশল মাত্র। ইরান ও লেবাননের প্রতিরোধ শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, সিরিয়া ইসরায়েলের খেলার আঙিনায় পরিণত হয়েছে—এই বাস্তবতার মধ্যেই নতুন এক “পরিস্থিতি” তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে ফিলিস্তিনিদের ও তাদের সমর্থনকারী রাষ্ট্রগুলোকে এই চলমান ট্র্যাজেডি ভুলে “ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে” বাধ্য করা হচ্ছে। ট্রাম্পের সেই “শান্তি পরিকল্পনা”তে অনেক অস্পষ্ট ও ধূসর দিক আছে। গাজায় ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা নিয়ে কোনো প্রশ্নই তোলা হয়নি এই শান্তি চুক্তিতে। নতুন করে গঠিত হতে যাওয়া "অস্থায়ী সরকার" মূলত একটা নতুন “উপনিবেশিক প্রশাসন”। এই প্রসাশন ধনী আরব দেশগুলোর অর্থায়নে গাজাকে ট্রাম্পের স্বপ্নের “ভূমধ্যসাগরীয় রিভিয়েরা”-তে পরিণত করবে। কিন্তু সেখানে কি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র থাকবে? ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় “ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র” শব্দটি ধোঁয়াশাপূর্ণ; রাষ্ট্র গঠনের পুরো প্রক্রিয়া নেতানিয়াহুর খেয়ালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে ফিলিস্তিনিদের কি বেঁচে থাকার অধিকার দেওয়া হবে? ঘরবাড়ি ও জমি থেকে উৎখাত হওয়া মানুষদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কি? ভবিষ্যতে তারা জীবিকা নির্বাহ করবে কীভাবে? নতুন এক বর্ণবাদী শাসনব্যবস্থা কি তৈরি হবে না? অন্যদিকে, গাজাকে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের মিথ্যাবাদী মুখপাত্র টনি ব্লেয়ারের মতো এক নিওকন ও জায়নবাদী উপনিবেশিক প্রশাসকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এই তথাকথিত শান্তি পরিকল্পনার কোথাও ফিলিস্তিনি জনগণ নেই, তাদের কোনো প্রতিনিধিও আলোচনায় নেই। যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে গাজায় এমন এক নির্মম বাস্তবতা তৈরি করা হয়েছে যেখানে খাদ্য সহায়তা নিতে যাওয়া শিশুদের ওপরও গুলি চালানো হচ্ছে। সেখানে মানবাধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কোথায়? ট্রাম্পের পরিকল্পনায় ইসরায়েলকে মাঠে সীমাহীন স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ফিলিস্তিনি প্রতিরোধকে নিরস্ত্র করার শর্তটি শক্তভাবে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এই নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া কীভাবে কার্যকর হবে? এই সময়ে ইসরায়েলকে কে নিয়ন্ত্রণ করবে? ইসরাইল যে হামলা করবে না তার নিশ্চয়তা কি? আসলে যা ঘটছে তা হলো শত বছর আগের সাইক্‌স-পিকো ও বেলফোর ব্যবস্থার নতুন সংস্করণ! এছাড়াও পতনশীল আমেরিকান আধিপত্যের সামরিক শক্তি, ইহুদি পুঁজির প্রভাবশালী বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের নির্মমতা একত্রে ব্যবহার করে ২১ শতকের এক নতুন উপনিবেশিক মডেল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। পদ্ধতিগতভাবে নিপীড়িত ও নিশ্চিহ্ন হতে থাকা ফিলিস্তিনি জনগণ এখন আর কোনো প্রতিরোধশক্তি না থাকায় কেবল “বেঁচে থাকার অধিকার” পেয়েই আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হচ্ছে। ভিয়েতনাম যুদ্ধেও লক্ষ লক্ষ ভিয়েতনামি নিহত হয়েছিল, কিন্তু তারা অন্তত যুদ্ধ করে মরেছিল এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই জিতে নিয়েছিল। তাদের পাশে ছিল চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। অথচ অসহায় ফিলিস্তিনিদের জন্য আজ আরবরা অথবা মুসলিমরা সাহায্য করা তো দূরের কথা, বরং তাদের উপনিবেশীকরণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। ওদিকে, ইসরায়েল-কেন্দ্রিক ভূরাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্র–ব্রিটেন অক্ষের সঙ্গে তুরস্ক, সৌদি আরব ও মিসর যুক্ত হয়ে ইরানবিরোধী এক বাস্তব জোট গঠন করেছে—যদিও সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ট্রাম্প নামের এক সাবেক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এবং ব্লেয়ারের মতো এক সাবেক উপনিবেশবাদী এজেন্ট এখন গাজাকে ও বিশেষ করে তার সামুদ্রিক অধিকারক্ষেত্রকে দখল ও বঞ্চনার মাধ্যমে বৈশ্বিক পুঁজিবাদের হাতে তুলে দিতে চলেছেন। এখন থেকে “সাজানো শান্তির নাট্যমঞ্চে” আরব বিশ্ব ও তুরস্ককে পাশে নিয়ে ট্রাম্প নিজের অভ্যন্তরীণ সংকট ও এপস্টিন কেলেঙ্কারির প্রভাব কমাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাড়তে থাকা সামাজিক অস্থিরতা প্রশমনে ইসরায়েলকে ইরান আক্রমণের অনুমতি দিতে পারেন। মনে করিয়ে দিই— মার্কিন বিমানবাহি রণতরী USS Nimitz আরব সাগরে, আর USS Gerald Ford পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করছে।

📍📍শহিদুল ইসলামকে ইসরায়েল থেকে উদ্ধার করে তুরস্ক বাংলাদেশ কনসুলেটে পাঠিয়েছে। অনেকগুলো ভালো ভালো সংবাদ নিয়ে লাইভে আসছি।
+1
📍📍শহিদুল ইসলামকে ইসরায়েল থেকে উদ্ধার করে তুরস্ক বাংলাদেশ কনসুলেটে পাঠিয়েছে। অনেকগুলো ভালো ভালো সংবাদ নিয়ে লাইভে আসছি।

📍📍উত্তর ও দক্ষিন গাজার মধ্যবর্তী রশিদ সড়ক থেকে ট্যাংক সরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল এই পথে কেউ আসতে চাইলেই ট্যাংক থেকে গোলা ব
📍📍উত্তর ও দক্ষিন গাজার মধ্যবর্তী রশিদ সড়ক থেকে ট্যাংক সরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল এই পথে কেউ আসতে চাইলেই ট্যাংক থেকে গোলা বর্ষন করেছিলো।

📍📍গাজায় ‘ট্রাম্প শান্তি পরিকল্পনা’ প্রচেষ্টার সমন্বয় করার জন্য মার্কিন বাহিনী ইসরায়েলে একটি কেন্দ্র স্থাপন করবে। মার্কিন বাহিনী মূলত মানবিক সাহায্য প্রবেশ, সরবরাহ এবং নিরাপত্তা প্রচেষ্টার সমন্বয় সাধন করবে। এক্ষেত্রে প্রথম মার্কিন বাহিনী ইতিমধ্যেই ইসরায়েলে পৌঁছাতে শুরু করেছে। আর এই বাহিনীতে সৈন্য সংখ্যা সর্বমোট ২০০ জনে দাঁড়াবে। তবে গাজা উপত্যকায় মার্কিন বাহিনী মোতায়েন করা হবে না। - আল জাজিরাকে এক মার্কিন কর্মকর্তা

Repost from Sorwar Alam
#BREAKING হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে গাযা যুদ্ধের সমাপ্তি টানলো। গাজার হামাস প্রধান আজ ঘোষণা দিয়েছেন যে, আজ থেকেই যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি শুরু হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। (hn)

Repost from Sorwar Alam
বক্তব্য দিচ্ছেন হামাস গাযা শাখার প্রধান খলিল আল হাইয়া। (hn)

🔻🔻ফুটেজে দেখা যাচ্ছে যে ইসরায়েলি দখলদার ট্যাঙ্কগুলি দক্ষিণ গাজা শহরের জর্ডান হাসপাতালের আশেপাশের এলাকা থেকে সরে যাচ্ছে।

🔻🔻 দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় তাদের প্রতিষ্ঠিত কিছু সামরিক ঘাঁটি ভেঙে ফেলা শুরু করেছে।

💔💚 গাজার বীরেরা #আল্লাহু আকবার (আল্লাহ মহান) ধ্বনির সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি উদযাপন করেছেন। 🇵🇸 ইসরায়েলের হুমকি এবং আক্রমণ সত্ত্বেও তাদের কর্তব্য পালনে অটল থাকা বেসামরিক প্রতিরক্ষা দল (‌সি‌ভিল ডি‌ফেন্স) এবং সাংবাদিকরা একটি কনভয় আয়োজন করেছেন। 🕊