It's time to wake up
رفتن به کانال در Telegram
জাগতে হলে জানতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]
نمایش بیشتر2 462
مشترکین
-124 ساعت
-57 روز
-4330 روز
آرشیو پست ها
2 462
📍📍আয়ারল্যান্ড কেন ফিলিস্তিনের পক্ষে?
চলুন জেনে আসি অজানা এক অধ্যায়।
_
উসমানি খিলাফত ও আয়ারল্যান্ড: দুর্ভিক্ষকালে এক মানবিক সম্পর্কের ইতিহাস
১৮৪০-এর দশকে আয়ারল্যান্ড যখন ভয়াবহ দুর্ভিক্ষে পড়েছিল, তখন হাজার মাইল দূরের মুসলিম বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু উসমানি খিলাফত এগিয়ে এসেছিল তাদের সাহায্যে।
★ আয়ারল্যান্ডের দুর্ভিক্ষ: The Great Irish Famine
১৮৪৫ সাল থেকে ১৮৫২ সাল পর্যন্ত সময়কালকে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে "The Great Famine" নামে চিহ্নিত করা হয়। এই দুর্ভিক্ষের মূল কারণ ছিল potato blight নামক একটি ফসল-ধ্বংসকারী রোগ। পটেটো ছিল সে সময় আয়ারল্যান্ডের প্রধান খাদ্য; প্রায় ৩০-৪০% মানুষ শুধু এটিকেই খাদ্য হিসেবে নির্ভর করত।
এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ১০ লাখ মানুষ মারা যায়, এবং ২০ লাখেরও বেশি মানুষ দেশত্যাগে বাধ্য হন।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এই দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি।
★ উসমানী খিলাফতের সুলতান আব্দুল মাজিদ
উসমানি খিলাফতের তখনকার খলীফা ছিলেন সুলতান আব্দুল মাজিদ (১৮৩৯–১৮৬১)।
তিনি আয়ারল্যান্ডের দুর্ভিক্ষের খবর শুনে অত্যন্ত ব্যথিত হন এবং মুসলিম উম্মাহর বাইরে গিয়েও মানবতার প্রতি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
প্রথমে তিনি আয়ারল্যান্ডের জন্য ১০,০০০ পাউন্ড দানের ঘোষণা দেন।
কিন্তু সমস্যার সৃষ্টি হয় ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে।
তারা জানান যে, রানী ভিক্টোরিয়া নিজেই মাত্র ২,০০০ পাউন্ড সাহায্য করেছেন, কাজেই খিলাফতের সহায়তা যেন সে অঙ্কের বেশি না হয়।
তাই বাধ্য হয়ে সুলতান আব্দুল মাজিদ কূটনৈতিক সম্মান রক্ষা করে ১,০০০ পাউন্ড আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠান, কিন্তু এর বাইরেও:
তিনি গোপনে তিনটি খাদ্যবাহী জাহাজ আয়ারল্যান্ডের Drogheda বন্দরে পাঠান।
এই জাহাজগুলো স্থানীয় লোকদের হাতে খাদ্য সরবরাহ করে এবং বহু মানুষের প্রাণ বাঁচায়।
এটি ছিল সেই সময়ের জন্য একটি বিশাল মানবিক উদারতার নিদর্শন, যখন একটি মুসলিম বিশ্বশক্তি খ্রিস্টান জনপদের পাশে দাঁড়িয়েছিল শুধুমাত্র মানবিকতার জন্য।
এরপর থেকেই আইরিশরা প্রতিবছর এই সময়টিকে স্মরণ করে। শুধু তাই নয়, মুসলিমদের, উসমানীয়দের এবং তুর্কিদের যেকোনো বিষয়ে সমর্থন দিয়েও পাশে থাকে।
কার্টিসি : সরোয়ার আলম, সাংবাদিক, আনাদুলু এজেন্সি, তুর্কিয়ে।
2 462
Repost from Sorwar Alam
গাজায় প্রতিনিয়ত বোম্বিং চলছে। এমনকি ত্রাণ নিতে আসা মানুষরাও এর থেকে রেহাই পাচ্ছে না।
আমেরিকা এক হাতে তার ত্রাণ সংস্থাগুলো দিয়ে ত্রাণ দেওয়াচ্ছে আবার অন্য হাতে ইসরাইলকে দিয়ে মিসাইল মারাচ্ছে।
এই ছবিই তার বাস্তব উদাহরণ।
[mh]
2 462
🔻🔻 খান ইউনিসের পূর্বে,
১টি ইজ্রাইলি D9 সামরিক বুলডোজার'কে ১টি "Al-Yassin 105" শেল দ্বারা টার্গেট করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা।
এতে বুলডোজারে আগুন ধরে যায়।
2 462
Repost from Sorwar Alam
গত রাতে গাজা সিটিতে ইসরায়েল এক বিমান হামলা চালিয়ে হাকেম আল-ইসাকে হত্যা করেছে।
তিনি ছিলেন হামাসের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, এবং ৭ অক্টোবরের হামলার প্রধান পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে অন্যতম।
হাকেম আল-ইসা হামাসের সামরিক শাখায় কমব্যাট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট বিভাগ-এর প্রধান ছিলেন।
তিনি ছিলেন যুদ্ধ-পূর্ব সময় থেকে গাজায় সক্রিয় থাকা হাতে গোনা কয়েকজন শীর্ষ নেতার একজন এবং হামাসের জ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
[mh]
2 462
📍📍গালফ দেশ ও ইরানে বড় বিপদ: ভারতীয় সফটওয়্যারের আড়ালে ইসরায়েলের গুপ্ত নজরদারি!
গত ২০ বছরে সফটওয়্যার জগতে ভারত অনেক এগিয়ে গেছে। তাই গালফ দেশগুলো (যেমন—সৌদি আরব, কাতার, ইউএই, কুয়েত) ও ইরান তাদের সফটওয়্যার আর প্রোগ্রামারদের জন্য ভারতের ওপর নির্ভর করে আসছিল।
কিন্তু সম্প্রতি ইরানে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ঢুকে পড়ে।
এরপর ইরান চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে মিলে একটা বড় তদন্ত চালায়।
এই তদন্তে দেখা যায়, ভারতীয় প্রোগ্রামাররা এলন মাস্কের স্টারলিংক স্যাটেলাইট ব্যবহার করে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল।
যখন তাদের ধরা হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তখন এক ভয়ংকর সত্য বেরিয়ে আসে:
ইরানে যেসব সফটওয়্যার ভারতীয় নামে ব্যবহার হচ্ছে, সেগুলোর বেশিরভাগই আসলে ইসরায়েলের তৈরি।
এই সফটওয়্যারে এমন গোপন ব্যবস্থা (ব্যাকডোর) রয়েছে, যা দিয়ে ইসরায়েল সবকিছু লাইভ ট্র্যাক করতে পারে।
👉 এর মধ্যে আছে—
*সাধারণ মানুষের তথ্য (জাতীয় নিবন্ধন)
*পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত তথ্য
*বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও যাতায়াত
*এমনকি সেনাবাহিনীর প্রযুক্তি পর্যন্ত
এই সফটওয়্যার ইরান ছাড়াও সৌদি আরব, কাতার, ইউএই ও কুয়েত-এ ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এসব দেশের মধ্যে যে কেউ আসা-যাওয়া করছে—বিশেষ করে মিশরের নাগরিকরা—তাদের তথ্যও ইসরায়েলের হাতে চলে যাচ্ছে।
এই ঘটনা জানার পর ইরান তা প্রকাশ করেছে। এতে গালফ দেশগুলো খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছে এবং ভারতের সঙ্গে বড় ধরনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হতে যাচ্ছে।
পুরো ঘটনাটির আরও বিস্তারিত শিগগিরই প্রকাশিত হবে।
ক্রেডিট: Clash Report
বুঝলেন তো ভারতীয়রা কি করছে?
2 462
Repost from Sorwar Alam
#EXCLUSIVE
ইরানে বড় বিপদ: ভারতীয় সফটওয়্যারের আড়ালে ইসরায়েলের নজরদারি!
বিস্তারিত নিচে......
2 462
🔻🔻 ৪টি ইজ্রাইলি Bagget সামরিক এক্সকেভেটর'কে "Al-Yassin 105" শেল দ্বারা টার্গেট করেছে খান ইউনিসের পূর্বে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা।
এসময় টার্গেট স্থানে বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী নিহত ও আহত হয়।
হেলিকপ্টার এসে হতাহত সন্ত্রাসীদেরকে উদ্ধার করতে দেখা যায়।
2 462
Repost from Sorwar Alam
বিশ্বে সর্বাধিক শিশু অঙ্গহানির কেন্দ্র এখন গাজা — ইউনিসেফ
গাজায় বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শিশু অঙ্গহানির শিকার হয়েছে।
ইউনিসেফের মতে, ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ শিশু ইতোমধ্যে এক বা একাধিক অঙ্গ হারিয়েছে।
এই হিসাব অনুযায়ী, জনসংখ্যার অনুপাতে গাজাই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শিশু অঙ্গহানি অঞ্চল, যেখানে যুদ্ধ ও গোলাবর্ষণের সরাসরি শিকার হয়েছে হাজার হাজার শিশু। (hn)
2 462
Repost from Sorwar Alam
#BREAKING গাজা শহরের পূর্ব দিকে আল তুফফাহ এলাকায় একটা বাজারে ইসরাইলের হামলায় কমপক্ষে ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি আক্রমণে গাজায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা হয়েছে প্রায় ১০০।
2 462
❌❌গাজায় ত্রাণকেন্দ্রকে ‘নিধনক্ষেত্রে’ পরিণত করেছে ইসরায়েলি বাহিনী — রিপোর্টে ভয়াবহ তথ্য ফাঁস
এক বিস্ফোরক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল খাবারের জন্য ত্রাণকেন্দ্রে জড়ো হওয়া অস্ত্রহীন ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালাতে।
দখলদার সেনারা এলাকাগুলোকে বলেছে “নিধনক্ষেত্র”, যেখানে -
কোনো শত্রু থাকবেনা, কোনো অস্ত্র থাকবেনা।🔻 অভিযানের নাম: “অপারেশন সল্টেড ফিশ” সেনারা স্বীকার করেছে: “আমরা গুলি করি, ওরা দৌড়ায়, আবার গুলি করি।”
২৭ মে থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ৫৪৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪,০০০-এর বেশি আহত হয়েছেন শুধুমাত্র ত্রাণকেন্দ্রের আশেপাশে।সাক্ষ্য অনুযায়ী, মেশিনগান, মর্টার ও গ্রেনেড ব্যবহার করে চালানো হয়েছে সুপরিকল্পিত গুলিবর্ষণ। দখলদার সেনা কমান্ডারদের ভাষ্য: “ত্রাণ বিতরণের আগে বা পরে গুলি চালাও”—এই ছিল নির্দেশ। এক ইসরায়েলি অফিসার সরাসরি স্বীকার করেছে:
আমরা গুলি চালিয়েছি যেন মানুষ বুঝে নেয়, এটি যুদ্ধক্ষেত্র।গাজার 'বেসামরিক' মানুষকে গোলাবারুদ ছোড়ার নির্দেশও ছিল কেবল ‘এই বার্তাটি পাঠানোর’ জন্য। ইসরায়েল কি আদৌ গাজায় সামরিক-বেসামরিক পার্থক্য করে? বা এই এথিকস কি তার আছে?
2 462
Repost from Sorwar Alam
পিটার থিয়েলের ‘দাজ্জাল প্যারাডক্স’: যে দানব তৈরী করছেন, সেই দানব নিয়ে সতর্ক করছেন!
টেক দুনিয়ার ধনকুবের পিটার থিয়েল একদিকে ‘দাজ্জালীয়’ বা দানবীয় ভবিষ্যতের বিপদ নিয়ে সতর্ক করছেন, অন্যদিকে নিজেই সেই “নিয়ন্ত্রণ ও দমন-পীড়নে গড়া প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা” তৈরিতে অর্থ ঢালছেন:
এর মধ্যে আছে
▪️ সর্মাত্মক নজরদারির ব্যবস্থা
▪️ এআই-এর সামরিকীকরণ
▪️ টেকনো-ফ্যাসিস্ট শাসনের প্রস্তুতি
অনেকে বলছেন, এ যেন নিজ হাতে দানব তৈরী করেও অন্যদের বলে—"সাবধান, এটা ধ্বংস ডেকে আনবে!"
সাংবাদিকের সোজাসুজি প্রশ্নে পিটার থিয়েলের অপ্রস্তুত হয়ে যাওয়াটা লক্ষ্যণীয়। (hn)
2 462
Repost from Sorwar Alam
গাজায় কোনো নির্দোষ নেই, এমনকি শিশুরাও নয় — মুক্ত হওয়া ইসরায়েলি বন্দির বিতর্কিত দাবি
গাজা থেকে মুক্তি পাওয়া ইসরায়েলি বন্দি আগাম বার্গার ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বলে,
গাজায় কেউ নির্দোষ নয়, এমনকি শিশুরাও নয়।তার দাবী, গাজায় এক ৩ বছরের মেয়েকে দেখেছে, যে ‘হামাস যোদ্ধা’—সে একটি খেলায় ইহুদি হত্যা করার ভান করছে। বার্গার আরও বলে, ওই শিশুর ৫ বছরের ভাই একটি একে-৪৭ রাইফেল হাতে নিয়ে ছিল এবং তাকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই বক্তব্য নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে, অনেকেই একে শিশুদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। (hn)
2 462
Repost from Sorwar Alam
🅱 REAKING
ট্রাম্প: আমি মনে করি আমরা আগামী সপ্তাহেই গাজায় একটা যুদ্ধ বিরতিতে পৌঁছতে পারবো।
2 462
Repost from Sorwar Alam
+3
গাজা উপত্যকার এক নিষ্পাপ শিশু। অবশেষে এই নিষ্ঠুর দুনিয়া থেকে বিদায় নিলো!
2 462
❌❌ইসরায়েলে ইরানের হামলা চলাকালীন অসংখ্য ইসরাইলি সাইপ্রাসে আশ্রয় নিয়েছিলো।
এখন সাইপ্রাসের বাসিন্দারা অভিযোগ করছে যে, ইসরায়েল তাদের দ্বীপ দখল করে ফেলেছে।
2 462
Repost from Sorwar Alam
🔴 ‘ইরানের সাধারণ মানুষের জীবন মূল্যহীন’ — বলছে অধিকাংশ ইহুদি ইসরায়েলি
ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট ১৫ থেকে ১৭ জুনের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে:
▪️ ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে, ইরানের সাধারণ মানুষের জীবনকে কোনো গুরুত্ব দেন না অধিকাংশ ইহুদি ইসরায়েলি।
▪️ যখন তাদের জিজ্ঞেস করা হয়, "ইরানি সাধারণ জনগণের দুর্ভোগকে ইসরায়েল কতটা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত?"
👉 তখন ৭৩% উত্তরদাতা বলেন—‘একেবারেই নয়’ বা ‘খুব সামান্য পরিমাণে’।
📌 অতীতেও গাজা ও লেবাননে সামরিক অভিযানের সময় অনুরূপ জরিপে দেখা গেছে:
▪️ বেশিরভাগ ইসরায়েলি গণহত্যা ও জাতিগত নিধনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
▪️ অনেকে বিশ্বাস করেন:
"আমালেক ধ্বংস হওয়া উচিত" এবং "কোনো শত্রু শহরের সব বাসিন্দাকে—নারী ও শিশুসহ—হত্যা করা উচিত"।সূত্র: Israel Democracy Institute [mh]
