Tᴇᴄʜɴᴏʟᴏɢʏ 乂 Bᴀɴɢʟᴀᴅᴇsʜ
رفتن به کانال در Telegram
𝚃𝙷𝙸𝚂 𝙲𝙷𝙰𝙽𝙽𝙴𝙻 𝙳𝙾𝙴𝚂'𝙽𝚃 𝙿𝚁𝙾𝙼𝙾𝚃𝙴 𝙰𝙽𝚈 𝙸𝙻𝙻𝙴𝙶𝙰𝙻 𝙰𝙲𝚃𝙸𝚅𝙸𝚃𝙸𝙴𝚂 & 𝙴𝚅𝙴𝚁𝚈𝚃𝙷𝙸𝙽𝙶 𝙸𝙽 𝚃𝙷𝙴 𝙲𝙷𝙰𝙽𝙽𝙴𝙻 𝙸𝚂 𝙵𝙾𝚁 𝙴𝙳𝚄𝙲𝙰𝚃𝙸𝙾𝙽𝙰𝙻 𝙿𝚄𝚁𝙿𝙾𝚂𝙴𝚂 𝙾𝙽𝙻𝚈.
نمایش بیشتر1 835
مشترکین
-324 ساعت
-247 روز
+66630 روز
آرشیو پست ها
বোকাচোদা বাঙালি কাস্টম এসএমএস চায় না দেখতেছি🙄
রিয়েক্ট না দিলে পু৳কি দিয়ে ভরে দিবো ওয়েবসাইট 🙄
Free Netflix or Netflix mod links of download
First join - https://t.me/+-2T-ilA5Yz4xMjVl
Pc (windows) - https://t.me/c/3808360333/5
Android - https://t.me/c/3808360333/6
Web ( has ads use ads blocker ) - https://netfree.qzz.io/
Repost from Cʏʙᴇʀ Sʜɪᴇʟᴅ Bᴀɴɢʟᴀᴅᴇsʜ
ফ্রিতে আনলিমিটেড কাস্টম এসএমএস পাঠানোর ওয়েবসাইট কামিং সুন!! নিজের নাম্বার গোপন রেখে বাংলাদেশি যে কোন নাম্বারে ফ্রিতে এসএমএস পাঠাতে পারবেন।✅
লাগা পোস্টে উরাধুরা রিয়েকশন❤️
Repost from Wᴏʀʟᴅ Mᴇᴛʜᴏᴅ🌐
This channel can’t be displayed because it violated Telegram's Terms of Service.
Redot pay or bybit account কেউ সেল করলে জানাবেন
7$ pay korbo
Dm @benjaminroot
শবেবরাতের বিষয়ে শাইখ ইবন উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ’র মন্তব্য
প্রশ্ন: মধ্য শা‘বানের রাত, অর্থাৎ ১৫ই শা‘বানের রাত উপলক্ষে কি কোনো নির্দিষ্ট সুন্নত আমল আছে? কারণ আমরা এই রাতের ফজিলত সম্পর্কে কিছু হাদিস সংবলিত একটি লিফলেট দেখেছি, আর সেই হাদিসগুলোর কিছু কিছু নাকি কিছু মুহাদ্দিস সহিহ বলেছেন।
উত্তর: সঠিক কথা হলো— মধ্য শা‘বানের রাতের ফজিলত সম্পর্কে যেসব হাদিস বর্ণিত হয়েছে, সেগুলোর সবই দুর্বল এবং দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এর মধ্যে কিছু বর্ণনা সম্পূর্ণ বানোয়াট। এছাড়া সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না যে, তাঁরা এই রাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন বা এই রাতের জন্য আলাদা কোনো ইবাদত নির্ধারণ করতেন। একইভাবে, এই দিনকে বিশেষভাবে রোজা রাখার জন্য নির্ধারণ করারও কোনো প্রমাণ নেই।
এই রাতকে যারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন, তারা ছিলেন শামের (বর্তমান সিরিয়া অঞ্চলের) লোকেরা—তারা ছিলেন তাবেয়ি; সাহাবি নন। হিজাযের তাবেয়িরা, অর্থাৎ মক্কা ও মদিনার তাবেয়িরা তাদের এই কাজের বিরোধিতা করেছিলেন এবং বলেছিলেন—সহিহ প্রমাণ ছাড়া নির্দিষ্ট কোনো দিন বা রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া যায় না।
সুতরাং সঠিক কথা হলো: মধ্য শা‘বানের রাত অন্যান্য রাতের মতোই। এই রাতকে বিশেষভাবে নামাজ বা কিয়ামের জন্য এবং পরের দিনকে বিশেষভাবে রোজার জন্য নির্ধারণ করা যাবে না। তবে যে ব্যক্তি নিয়মিত প্রতিরাতে কিয়াম করেন, তাকে বলা হবে না—নিসফে শাবানের রাতে কিয়াম করো না।
আর যে ব্যক্তি নিয়মিত আইয়ামে বীযের (প্রত্যেক মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ) রোজা রাখেন, তাকে বলা হবে না— নিসফে শাবানের দিনে রজা রেখো না। আমরা শুধু এতটুকুই বলি—এই রাতকে আলাদা করে কিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট কোরো না, আর এই দিনটিকেও আলাদা করে রোজার জন্য নির্ধারণ কোরো না।
সূত্র: https://binothaimeenডটnet/s/uGExQuaf
আরেক স্থানে শাইখ ইবন উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ বলেন—বিশুদ্ধ মত অনুযায়ী, শা‘বান মাসের ১৫ তারিখে রোজা রাখা, অথবা কুরআন তিলাওয়াতের জন্য এই দিনকে নির্দিষ্ট করা, অথবা এই দিনে বিশেষভাবে দুআ করার কোনো ভিত্তি নেই। শাবান মাসের ১৫ তারিখ অন্য যেকোনো মাসের ১৫ তারিখের মতোই। [ফাতাওয়া ইবন উসাইমীন, ৩৯৩]
মার্চ ১৫, ২০২২
মুহাম্মাদ ওমার ফারুক মিল্কি
