ILMAN NAFIYA
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছিয়ে দাও।" [বুখারি ৩৪৬১] আল্লাহ তা'আলা বলেন - তার কথার চেয়ে উত্তম কার কথা হতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করে। (সুরা হা মিম সাজদাহ : ৩৩)
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام ILMAN NAFIYA
کانال ILMAN NAFIYA (@ilmannafiyaofficial) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 10 638 مشترک است و جایگاه 8 658 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 2 171 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 10 638 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 09 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -147 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -4 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید شده (به صورت رسمی توسط تلگرام)
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 10.31% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 2.17% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 1 097 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 231 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 14 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছিয়ে দাও।" [বুখারি ৩৪৬১]
আল্লাহ তা'আলা বলেন - তার কথার চেয়ে উত্তম কার কথা হতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করে। (সুরা হা মিম সাজদাহ : ৩৩)”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 10 ژوئیه, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 10 ژوئیه | 0 | |||
| 09 ژوئیه | +1 | |||
| 08 ژوئیه | 0 | |||
| 07 ژوئیه | +4 | |||
| 06 ژوئیه | 0 | |||
| 05 ژوئیه | 0 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | +1 | |||
| 02 ژوئیه | 0 | |||
| 01 ژوئیه | 0 |
| 2 | রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
.
مَّن يُطِعِ ٱلرَّسُولَ فَقَدْ أَطَاعَ ٱللَّهَ ۖ وَمَن تَوَلَّىٰ فَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًۭا ٨٠
যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে আল্লাহরই আনুগত্য করল। আর যে বিমুখ হল, তবে আমি তোমাকে তাদের উপর তত্ত্বাবধায়ক করে প্রেরণ করিনি।
. | 83 |
| 3 | রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
.
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ٢
وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ٣
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ٤
তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্ট হয়নি এবং বিপথগামীও হয়নি। আর সে মনগড়া কথা বলে না। তাতো কেবল ওহী, যা তার প্রতি ওহীরূপে প্রেরণ করা হয়।
.
আন-নাজমঃ ২-৪ | 263 |
| 4 | রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনুল কারীমের আয়াতসমূহ
وَمَآ أَرْسَلْنَـٰكَ إِلَّا رَحْمَةًۭ لِّلْعَـٰلَمِينَ
আর আমি তো তোমাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।
.
আল-আম্বিয়াঃ ১০৭ | 280 |
| 5 | পবিত্র কুরআনুল কারীমে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর আনুগত্য করা, তাঁর বিধান মেনে চলা, তাঁর নির্দেশনা অনুসরণ করা এবং তাঁর শিক্ষাদানের প্রজ্ঞা থেকে শিক্ষা গ্রহণের গুরুত্বের উপর বারবার জোর দেওয়া হয়েছে।
বেশ কিছু আয়াত একত্র করলে দেখায় যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর সুন্নাহ এর উপলব্ধি ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে ইসলামের বার্তার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। Ilman Nafiya পবিত্র কুরআনুল কারীমের সেইসব গুরুত্বপূর্ণ আয়াত একত্র করেছে, যা প্রত্যেক মুমিনের জীবনে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কর্তৃত্ব, তাঁকে অনুসরণ করার কর্তব্য এবং ওহীর উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত তাঁর শিক্ষার ভূমিকার উপর আলোকপাত করে। | 255 |
| 6 | আজকের আয়াত
.
قُلۡ إِنَّنِي هَدَىٰنِي رَبِّيٓ إِلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ دِينٗا قِيَمٗا مِّلَّةَ إِبۡرَٰهِيمَ حَنِيفٗاۚ وَمَا كَانَ مِنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ
"বল, আমাকে আমার রব্ব সরল সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন (যা) সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, একনিষ্ঠ ইবরাহীমের পথ। সে মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।"
.
সূরা আন'আম
আয়াত : ১৬১ | 342 |
| 7 | এক চুমুক সীরাত
.
হজ্জ শেষ করে বনূ আমির গোত্র দেশে ফিরে গেল। তাদের এক বয়োবৃদ্ধ মুরব্বী ছিল। অনেক তার বয়স। তাদের সাথে হজ্জে যাওয়ার শক্তি সে রাখত না। প্রতি বছর হজ্জ থেকে ফিরে এসে তাকে সে বছরের হজ্জের বিবরণ শোনাত। বরাবরের মত এ বছরও তারা ফিরে আসলে, সে তাদের কাছে হজ্জের ঘটনাবলী জিজ্ঞেস করল।
তারা বলল—এবার জনৈক কুরায়শী যুবক আমাদের কাছে এসেছিল। সে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর। তাঁর দাবি, সে নবী। আমাদেরকে তাঁর ধর্মাদর্শ গ্রহণ ও তাঁর পার্শ্বে দাড়াঁনোর দাওয়াত দিয়েছিল। আরও প্রস্তাব করেছিল, তাকে আমাদের দেশে নিয়ে আসি। এ কথা শুনে বৃদ্ধ মাথায় হাত দিল। তারপর বলল—
'হে বনু আমির! এর কি কোন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা আছে? যা হারিয়েছ, তা কি আর ফিরে পাওয়া সম্ভব? আল্লাহর কসম! ইসমাইলের বংশে কেউ কখনও মিথ্যা নবুওয়াতের দাবি করেনি। তার দাবি সত্য। তোমরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কি করে ভুল করলে?
.
—ইবনে হিশাম (র.)
[সূত্র: সীরাতুন নবী (সা.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ] | 401 |
| 8 | এক চুমুক সীরাত
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন —
আমাকে যখন দরজার মুখে হাজির করা হল, তখন প্রশ্ন করা হল, ইনি কে, হে জিবরাইল?
জিবরাইল (আ) বললেন—
'মুহাম্মাদ!'
পুনরায় প্রশ্ন করা হলো—
'তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে?'
তিনি বললেন — হ্যা।
তখন সে ফেরেশতা আমার জন্য কল্যাণের দু'আ করলেন।
.
এই ফেরেশতার নাম 'ইসমাইল' যিনি বাবুল হাফাযা অর্থাৎ প্রহরীদের ফটক-এর দায়িত্বে নিযুক্ত।
.
সীরাতুন নবী (সা)
[সূত্র: ইবনে হিশাম (র.)/২য় খন্ড, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ] | 516 |
| 9 | এক চুমুক সীরাত
.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তায়েফবাসীদের তাঁর প্রতি ঈমান আনার এবং তাঁর সহযোগিতা করার আহবান জানালেন, কিন্তু তারা তাঁর এ আহবানে সাড়া দিল না, তখন তিনি হেরা পর্বতে চলে গেলেন। এরপর তিনি আখনাস ইবনে শুরায়ক এবং সুহায়ল ইবন আমরের কাছে তাঁর আশ্রয় চেয়ে খবর পাঠালে তাদের সবাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানায়। অবশেষে মুতঈম ইবন আদী তাঁকে আশ্রয় দান করেন।
চুক্তিপত্র বাতিল এবং ছিড়ে ফেলার ব্যাপারে মুতঈম ইবনে আদী অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং আগ্রণী ভুমিকা পালন করেছিলেন।
.
সীরাতুন নবী (সা)-২য় খন্ড | 607 |
| 10 | আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা ডাকে, তাদের তোমরা গালি দিও না। কেননা তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে।
.
আনআম : ১০৮ | 616 |
| 11 | "উপদেশদাতা হিসেবে মৃত্যুই যথেষ্ট!"
.
—আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.)
সূত্র: ইমাম বাগাউই (রাহ.), শারহুস সুন্নাহ: ৫/২৬১ | 1 252 |
| 12 | "যে তোমার কাছে কারও ব্যাপারে কথা লাগায়, সে তোমার বিরুদ্ধেও অন্য কারও কাছে কথা লাগায়"।
.
—ইমাম খালীল বিন আহমাদ (রাহ.)
সূত্র: ইমাম আবু আব্দির রাহমান আস সুলামী (রাহ.), আদাবুস সুহবাহ, পৃ: ৯২ | 1 184 |
| 13 | জুম'আ মুবারাক | 1 019 |
| 14 | জুম'আ রিমাইন্ডার
সূরা কাহাফ | 966 |
| 15 | রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন —
তিনজনের দুআ কবুল হয়—
- মজলুমের দুআ,
- মুসাফিরের দুআ; এবং
- সন্তানের জন্য পিতার দুআ
ثَلَاثُ دَعَوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٍ: دَعْوَةُ الْمَظْلُومِ، وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ، وَدَعْوَةُ الْوَالِدِ عَلَى
وَلَدِهِ
ইমাম বুখারী (রাহ.)
আল আদাবুল মুফরাদ, হা: ৪৮১
শাইখ আলবানীর (রাহ.) মতে সহীহ | 1 006 |
| 16 | "আমি আকাশ ও পৃথিবী এবং এদের মধ্যবর্তী কোনো কিছুই খেল-তামাশা বা ক্রীড়াকৌতুক হিসেবে সৃষ্টি করিনি।"
.
আল-আম্বিয়া : ১৬ | 901 |
| 17 | "আর এই পার্থিব জীবন তো খেল-তামাশা ও কৌতুক ছাড়া আর কিছু নয়। আর পরকালের জীবনই তো প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত!"
আনকাবুত : ৬৪ | 1 102 |
| 18 | ইয়া আল্লাহ! আপনি যেমনিভাবে আমাকে ঈমান দান করেছেন, তেমনিভাবে আমার থেকে ঈমানকে ছিনিয়ে নিবেন না।
.
— সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রদি.)
সূত্র: মুসান্নাফ ইবনি আবি শাইবাহ, ৩০৯৬৪ | 1 022 |
| 19 | রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন—
'ঢেকুর কম তোলো। কেয়ামতের দিন ঐসব লোকের ক্ষুধাই বেশি লম্বা হবে যারা দুনিয়াতে বেশি পরিতৃপ্ত ছিল।'
—সিলসিলাতুল আহাদীস : ৩৪৩ | 1 036 |
| 20 | 'এমন বহু মানুষ আছে, যাদের কাপড় ধবধবে সাদা, কিন্তু তার ধর্মকর্ম ময়লা, দুর্গন্ধযুক্ত।'
— জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী আবু উবাইদা (রাদ্বি.)
সূত্র: তাহযিবু হিলইয়াতিল আউলিয়া, ১/১০০ | 866 |
