8 802
مشترکین
-224 ساعت
+377 روز
+20630 روز
آرشیو پست ها
8 802
১৫। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম কত সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন?
ক) ১৯৯১ সালে
খ) ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে
গ) ২০০১ সালে
ঘ) ২০২৬ সালে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৬। তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে মোট কতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন?
ক) ২ বার
খ) ৩ বার
গ) ৪ বার
ঘ) ৫ বার
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি), ২০০১ এবং ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি এই আসন থেকে বিজয়ী হন।
১৭। ২০১৮ সালের নির্বাচনে মির্জা ফখরুল কোন আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন?
ক) ঠাকুরগাঁও-১
খ) বগুড়া-৬
গ) ঢাকা-১০
ঘ) ফেনী-১
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে বিজয়ী হলেও দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
১৮। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় তিনি কোন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন?
ক) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
খ) কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন
গ) অর্থ ও পরিকল্পনা
ঘ) স্বরাষ্ট্র ও তথ্য
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: তিনি ২০০১-২০০৬ মেয়াদে প্রথমে কৃষি এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর মির্জা ফখরুল কোন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান?
ক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
গ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ঘ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
২০। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রীর নাম কী?
ক) বেগম খালেদা জিয়া
খ) রাহাত আরা বেগম
গ) জুবাইদা রহমান
ঘ) সেলিনা হোসেন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: তাঁর সহধর্মিণীর নাম রাহাত আরা বেগম।
২১। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কন্যাদের নাম কী কী?
ক) শামারুহ ও সাফারুহ
খ) আমিনা ও ফাতেমা
গ) রোকেয়া ও সুফিয়া
ঘ) নদী ও সাগর
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: মির্জা ফখরুল ও রাহাত আরা দম্পতির দুই মেয়ের নাম মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ।
২২। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের পিতা মির্জা রুহুল আমিন কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন?
ক) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
খ) অর্থ মন্ত্রণালয়
গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
ঘ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: তাঁর পিতা মির্জা রুহুল আমিনও একজন সফল রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২৩। ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে ছিলেন?
ক) আব্দুর রহমান বিশ্বাস
খ) বদরুল হায়দার চৌধুরী
গ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
ঘ) জিয়াউর রহমান
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২৪। ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে ছিলেন?
ক) শেখ হাসিনা
খ) জিল্লুর রহমান
গ) বদরুল হায়দার চৌধুরী
ঘ) সাহাবুদ্দিন আহমেদ
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী।
২৫। বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি কে হয়েছিলেন?
ক) সাহাবুদ্দিন আহমেদ
খ) আব্দুর রহমান বিশ্বাস
গ) ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ
ঘ) আব্দুল হামিদ
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৯১ সালের ১৭২ ভোট পেয়ে আব্দুর রহমান বিশ্বাস বাংলাদেশের ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন।
২৬। ২০২৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা কয়টি ব্যালট বাক্সে তাদের ভোট প্রদান করেন?
ক) ১টি
খ) ২টি
গ) ৩টি
ঘ) ৪টি
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: সংসদ ভবন বা জাতীয় সংসদে নির্বাচনের জন্য মোট ৩টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছিল।
২৭। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন?
ক) অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
গ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
২৮। কত বছর বয়সে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন? (জন্ম ১৯৪৮, নির্বাচন ২০২৬)
ক) ৭৫ বছর
খ) ৭৮ বছর
গ) ৮০ বছর
ঘ) ৭০ বছর
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৪৮ সালে জন্ম হওয়ায় ২০২৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৮ বছর।
২৯। ২০২৬ সালের নির্বাচনে মোট কতজন সংসদ সদস্য ভোট প্রদান করেছেন?
ক) ৩৪৯ জন
খ) ৩৪৩ জন
গ) ৩৫০ জন
ঘ) ৩৩০ জন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: মোট ভোটার ৩৪৯ জন থাকলেও ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
৩০। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সদস্যদের সহায়তা করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কতজন কর্মকর্তা নিযুক্ত ছিলেন?
ক) ১০ জন
খ) ১৫ জন
গ) ২০ জন
ঘ) ২৫ জন
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ভোটদান প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ২০ জন কর্মকর্তা সংসদ সদস্যদের সহায়তা করেছেন।
8 802
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি এমসিকিউ প্রশ্ন।
১। কত বছর পর বাংলাদেশে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলো?
ক) ২০ বছর
খ) ২৫ বছর
গ) ৩০ বছর
ঘ) ৩৫ বছর
উত্তর: ঘ
ব্যাখ্যা: সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০২৬ সালে পুনরায় ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদের ফয়সালা হলো।
২। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কত তারিখে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন?
ক) ২০ আগস্ট ২০২৬
খ) ২১ আগস্ট ২০২৬
গ) ২৬ মার্চ ২০২৬
ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬
উত্তর: ক
ব্যাখ্যা: ২০ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ভোটের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
৩। ২০২৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মোট কতটি ভোট পেয়েছেন?
ক) ১৭২টি
খ) ২৫৫টি
গ) ৮৮টি
ঘ) ৩৪৩টি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮টি ভোট।
৪। নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী কে ছিলেন?
ক) আব্দুর রহমান বিশ্বাস
খ) বদরুল হায়দার চৌধুরী
গ) কর্নেল (অব.) অলি আহমদ
ঘ) তারেক রহমান
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট সমর্থিত এলডিপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
৫। ২০২৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার (সংসদ সদস্য) সংখ্যা কত ছিল?
ক) ৩৪৩ জন
খ) ৩৪৯ জন
গ) ৩৫০ জন
ঘ) ৩০০ জন
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
৬। ২০২৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন কে?
ক) কাজী হাবিবুল আউয়াল
খ) এ এম এম নাসির উদ্দিন
গ) মাহবুব তালুকদার
ঘ) শামসুল হুদা
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এই নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
৭। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
ক) ১৯৪৫ সালে
খ) ১৯৫২ সালে
গ) ১৯৪৮ সালে
ঘ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: তিনি ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
৮। ছাত্রাবস্থায় মির্জা ফখরুল কোন ছাত্র সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এস এম হল ইউনিটের মহাসচিব ছিলেন?
ক) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
খ) জাতীয় ছাত্র সমাজ
গ) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (ইপিএসইউ)
ঘ) ছাত্রদল
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ১৯৬০-এর দশকে তিনি পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টির ছাত্র সংগঠন ইপিএসইউ-তে যোগ দেন এবং এস এম হল ইউনিটের মহাসচিব হন।
৯। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানকালে মির্জা ফখরুল কোন ইউনিটের সভাপতি ছিলেন?
ক) ঢাকা কলেজ ইউনিট
খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট
গ) ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট
ঘ) কেন্দ্রীয় কমিটি
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খান বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১০। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিসিএস-এর কোন ক্যাডারের সদস্য ছিলেন?
ক) প্রশাসন ক্যাডার
খ) পুলিশ ক্যাডার
গ) শিক্ষা ক্যাডার
ঘ) পররাষ্ট্র ক্যাডার
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের শিক্ষা ক্যাডারের সদস্য ছিলেন এবং ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
১১। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কত সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন?
ক) ১৯৮৬ সালে
খ) ১৯৮৮ সালে
গ) ১৯৯০ সালে
ঘ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১২। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কত সালে এবং কোন আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেন?
ক) ২০০১ সালে, নির্বাচনের আগে
খ) ১৯৭৮ সালে, দল গঠনের সময়
গ) ১৯৯০-এর দশকের গোড়ায়, এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়
ঘ) ১৯৯৬ সালে, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।
১৩। কত সালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়?
ক) ১৯৮৮ সালে
খ) ১৯৯১ সালে
গ) ১৯৯২ সালে
ঘ) ২০০১ সালে
উত্তর: গ
ব্যাখ্যা: বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর ১৯৯২ সালে তিনি নিজ জেলা ঠাকুরগাঁও বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৪। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কত তারিখে বিএনপির মহাসচিবের স্থায়ী দায়িত্ব পান?
ক) ২০১১ সালের ২০ মার্চ
খ) ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ
গ) ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর
ঘ) ২০০১ সালের ১ অক্টোবর
উত্তর: খ
ব্যাখ্যা: ২০১১ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব থাকার পর ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ তাঁকে মহাসচিবের স্থায়ী দায়িত্ব দেওয়া হয়।
8 802
AI, Machine Learning, Data Science, Cyber Security ও Semiconductor Design–এ দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে।
বাংলাদেশের করণীয়
জাতীয় AI নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন।
হাই-টেক পার্ক ও জাতীয় ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো।
ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও স্মার্ট পেমেন্ট ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।
বিশ্ববিদ্যালয়–শিল্প–সরকারের সমন্বয়ে AI গবেষণা ও উদ্ভাবন জোরদার করা।
আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রযুক্তি স্থানান্তর ও দক্ষতা উন্নয়ন।
AI-সক্ষম সরকারি সেবা (Smart Governance) চালু করা।
উপসংহার
শিল্পবিপ্লবে যেমন কয়লা, তেল ও বিদ্যুৎ অর্থনৈতিক শক্তির মূল ভিত্তি ছিল, তেমনি একবিংশ শতাব্দীতে AI, কম্পিউটিং সক্ষমতা ও ডিজিটাল অবকাঠামো নতুন অর্থনৈতিক শক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে ডলারের আধিপত্য নতুন প্রযুক্তিগত ভিত্তি লাভ করতে পারে এবং বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কাঠামো পুনর্গঠিত হতে পারে। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, ডিজিটাল আর্থিক অবকাঠামো এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার মাধ্যমে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা কেবল অর্থনীতির নয়; এটি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, তথ্য ও নীতিগত সক্ষমতারও প্রতিযোগিতা।
8 802
প্রশ্ন লিখে দিলাম- উত্তর ইমেজে----
একবিংশ শতাব্দীতে জ্বালানি যেমন শিল্পবিপ্লবের চালিকাশক্তি ছিল, তেমনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কম্পিউটিং সক্ষমতা হবে নতুন অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি। এই বাস্তবতায় ডলারের আধিপত্য, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতিগত করণীয় বিশ্লেষণ করুন।
উত্তর
ভূমিকা
ইতিহাসে প্রতিটি শিল্পবিপ্লবের পেছনে একটি মৌলিক উৎপাদনশক্তি কাজ করেছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ক্ষেত্রে সেই শক্তি ছিল কয়লা, তেল ও বিদ্যুৎ। একবিংশ শতাব্দীতে সেই স্থান দখল করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence–AI), ডেটা, কম্পিউটিং সক্ষমতা (Computing Power) এবং ডিজিটাল অবকাঠামো। ফলে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা এখন শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং ডেটা সেন্টার, সেমিকন্ডাক্টর, ক্লাউড কম্পিউটিং, AI মডেল এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। এর প্রভাবে মার্কিন ডলারের বৈশ্বিক আধিপত্য নতুন রূপে আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
AI ও কম্পিউটিং সক্ষমতা কেন নতুন অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি?
১. উৎপাদনের নতুন উপকরণ
আগে শিল্প উৎপাদনের প্রধান উপকরণ ছিল জ্বালানি ও যন্ত্রপাতি; বর্তমানে AI উৎপাদনশীলতা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং উদ্ভাবনের মূল চালিকাশক্তি।
২. কম্পিউটিং একটি কৌশলগত সম্পদ
বর্তমানে GPU, উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার এবং ক্লাউড অবকাঠামো তেলের মতোই কৌশলগত সম্পদে পরিণত হচ্ছে।
৩. AI অর্থনীতির জ্বালানি হলো বিদ্যুৎ
AI মডেল প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার জন্য বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রয়োজন। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ডিজিটাল অবকাঠামো একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে।
৪. ব্যবসার রূপান্তর
স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, ব্যাংকিং, উৎপাদন, লজিস্টিকসসহ প্রায় সব খাতে AI ব্যবহারের ফলে কম্পিউটিং সেবা ভবিষ্যতের অপরিহার্য অর্থনৈতিক উপাদান হয়ে উঠবে।
AI কীভাবে ডলারের আধিপত্যকে আরও শক্তিশালী করতে পারে?
১. AI সেবার মূল্য ডলারে নির্ধারণ
বিশ্বের শীর্ষ AI কোম্পানি (যেমন OpenAI, Microsoft, Google, Anthropic) প্রধানত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক। তাদের সেবার মূল্য ডলারে নির্ধারিত হওয়ায় বিশ্বব্যাপী AI ব্যবহারকারীদের ডলার সংগ্রহ করতে হবে।
২. ডেটা সেন্টার বিনিয়োগ
AI অবকাঠামো নির্মাণে শত শত বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হচ্ছে। এসব বিনিয়োগ মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।
৩. ডলার-পেগড স্টেবলকয়েন
AI এজেন্টের স্বয়ংক্রিয় লেনদেনের জন্য ডলার-সংযুক্ত Stablecoin ব্যবহার বাড়লে আন্তর্জাতিক ডিজিটাল অর্থপ্রদানেও ডলারের ব্যবহার আরও বৃদ্ধি পাবে।
৪. মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের চাহিদা বৃদ্ধি
স্টেবলকয়েনের রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড ব্যবহৃত হওয়ায় ডলারের প্রতি আস্থা ও চাহিদা আরও বাড়তে পারে।
৫. নেটওয়ার্ক প্রভাব (Network Effect)
যত বেশি প্রতিষ্ঠান AI ও ডলারভিত্তিক পেমেন্ট গ্রহণ করবে, তত বেশি নতুন প্রতিষ্ঠান একই ব্যবস্থায় যুক্ত হবে; ফলে ডলারের আধিপত্য আরও দৃঢ় হবে।
বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় সম্ভাব্য পরিবর্তন
ইতিবাচক দিক
আন্তর্জাতিক লেনদেন দ্রুত ও কম ব্যয়সাপেক্ষ হবে।
AI-নির্ভর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণ ঘটবে।
স্বয়ংক্রিয় বাণিজ্য (Autonomous Commerce) বিকশিত হবে।
বৈশ্বিক আর্থিক অন্তর্ভুক্তি (Financial Inclusion) বাড়তে পারে।
নেতিবাচক দিক
ডলারের ওপর নির্ভরতা আরও বাড়তে পারে।
উন্নয়নশীল দেশগুলো প্রযুক্তিগতভাবে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।
সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য-সার্বভৌমত্বের নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হবে।
কয়েকটি প্রযুক্তি কোম্পানির বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
ডিজিটাল বৈষম্য (Digital Divide) আরও প্রকট হতে পারে।
উন্নয়নশীল দেশগুলোর নীতিগত করণীয়
১. ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন
উচ্চগতির ইন্টারনেট, আঞ্চলিক ডেটা সেন্টার, ক্লাউড কম্পিউটিং ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
২. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
AI পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সৌর, বায়ু ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ জরুরি।
৩. জাতীয় AI কৌশল
AI গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।
৪. স্থানীয় মুদ্রাভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট
CBDC, Tokenized Payment ও আন্তঃদেশীয় স্থানীয় মুদ্রা ব্যবহারের মাধ্যমে ডলারনির্ভরতা ধীরে ধীরে কমানো যেতে পারে।
৫. আঞ্চলিক সহযোগিতা
আসিয়ান, সার্ক, ব্রিকস বা অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের মাধ্যমে যৌথ ডেটা সেন্টার, AI গবেষণা ও ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো গড়ে তোলা যেতে পারে।
৬. সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষা
শক্তিশালী ডেটা সুরক্ষা আইন, AI নৈতিকতা (AI Ethics) এবং সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
৭. মানবসম্পদ উন্নয়ন
8 802
রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগপত্রে ৮ ভুল ও অসংগতি
শুদ্ধীকরণ:
১. শ্রদ্ধাজনেষু > শ্রদ্ধাভাজনেষু [শ্রদ্ধাভাজনেষু অর্থ শ্রদ্ধাভাজন পুরুষকে লিখিত পত্রের সম্বোধনসূচক পাঠ।]
২. ২০২৩ খ্রি. সনের > ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের ['সন' বাহুল্য।]
৩. ২৪ এপ্রিল > ২৪শে এপ্রিল [একই লেখায় অন্য জায়গায় লেখা হয়েছে '৫ই আগস্ট'। সেই সূত্রে, এখানেও '২৪শে এপ্রিল' লেখা সমীচীন ছিল।]
৪. কোন > কোনো ['কোন' ও 'কোনো' শব্দদ্বয়ের আলাদা প্রয়োগ রয়েছে। 'কোন' শব্দের উচ্চারণ /কোন্/। অন্যদিকে 'কোনো' শব্দের উচ্চারণ /কোনো/। যেমন: কোন জামাটি নেবেন? কোনো জামা নেব না। বাক্যভেদে যেখানে যেটি দরকার, সেখানে সেটি ব্যবহার করা উচিত।]
৫. হৃদযন্ত্রে > হৃদ্যন্ত্রে [সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ১৪০৪।]
৬. ইদানিং > ইদানীং [সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ১৮১।]
৭. পরিক্ষায় > পরীক্ষায় [(পরি+ঈক্ষা = পরীক্ষা) বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ৭৯৬।]
৮. রোগ সমূহের > রোগসমূহের [বহুবচন বোঝাতে সমূহ সেঁটে বসে।]
8 802
পদত্যাগ সম্পর্কিত জিকে
১। শ্রদ্ধাজনেষু
২। রাষ্ট্রপতি ভবনের নাম বঙ্গভবন
৩। সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন স্পিকারের নিকট
৪। ১০৬ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠন।
৫। ৫ আগষ্ট ২০২৪ এ জুলাই গণঅভ্যুত্থান
৬। ২২ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৪ এপ্রিল ২০২৩ শপথগ্রহণ
৭। ২২ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২৪ জুলাই ২০২৬ স্পিকারের নিকট পদত্যাগ করেন।
8 802
এই বিশ্বকাপ ২০২৬। চাকুরি প্রার্থীর জন্য এটুকু ছাড়া বাকি পুরোটাই সময় লস:-
👉 গোল্ডেন বল -- রদ্রি (স্পেন)।
👉 গোল্ডেন গ্লাভস -- উনাই সিমন (স্পেন)।
👉 সেরা ইয়াং প্লেয়ার -- পাউ কুবার্সি (স্পেন)।
👉 গোল্ডেন বুট -- কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।
8 802
🔥 গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
➡️ Spouses (husband and wife) বলতে স্বামী স্ত্রী দুজনকেই বুঝায় কিন্তু Spouse (husband or wife) বলতে স্বামী স্ত্রীর যেকোনো একজনকে বুঝায়।
➡️ Siblings (brother and sister) বলতে ভাই বোন দুজনকেই বুঝায় কিন্তু Sibling (brother or sister) বলতে ভাই বোন দুজনের যেকোনো একজনকে বুঝায়।
➡️ Parents (father and mother) বলতে পিতা-মাতা দুজনকেই বুঝায়। কিন্তু parent (father or mother) বলতে পিতা-মাতার যেকোন একজনকে বুঝায়।
➡️ যে শিশু অসাধারণ মেধাবী তাকে বলে wonder child/Prodigy
➡️ মানসপুত্র কে ইংরেজিতে বলে brainchild
➡️ যে শিশু জন্মায়নি তাকে বলে unborn child ।
➡️ যে শিশু মৃত জন্মেছে তাকে বলে stillborn child।
➡️ তবে, বিবাহবহির্ভুত সন্তানকে বলে love child।
➡️ ঘরের সিঁদ কেটে চুরি করলে সেই চোরকে বলে burglar। কিন্তু দোকান থেকে চুরি করলে তাকে বলে shoplifter.. এবং ব্যাংক থেকে যারা চুরি করে তাদেরকে বলে robbers।
➡️ বজ্র-বিদ্যুৎ সহযোগে ঝড় হলে তাকে electrical storm বলে।
কিন্তু চিন্তার ঝড় বুঝাতে brainstorm ব্যবহৃত হয়।
তবে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করা বুঝাতে barnstorm বসে।
➡️নিজের স্ত্রীকে হত্যা করলে Uxoricide
➡️ নিজের স্বামীকে হত্যা করলে mariticide
➡️ নিজের বোনকে হত্যা করলে Sororicide
➡️ নিজের ভাইকে হত্যা করলে fratricide
➡️ নিজের পিতাকে হত্যা করলে patricide
➡️ নিজের মাতাকে হত্যা করলে matricide
➡️ পুরো জাতিকে হত্যা করলে genocide
➡️ মানব হত্যাকে বলে homicide
➡️ শত্রুকে হত্যা করলে হয় hosticide।
🔶 তবে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করা হলে তাকে ecocide বলে।
