791
مشترکین
-124 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
+1630 روز
آرشیو پست ها
হামাস ফুটেজ প্রকাশ করেছে তাদের যোদ্ধাদের খান ইউনিসের পূর্বে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত
যাজক জিমি ইভান্সঃ
আমরা অবশ্যই শেষ সময়ে বাস করছি! ইসরাইল শেষ সময়ের জন্য গ্রাউন্ড জিরো!
বাইবেলে একেবারে শেষে বলে, পুরো বিশ্ব ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পরিণত হবে!
এখানে সুসংবাদ: যীশু আসছেন!
ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা ইহুদী সৈন্যদের।
গাজায় স্থল অভিযান চালাতে গিয়ে ফেঁসে গেছে ইসরাইল!
Video Link- https://www.facebook.com/100089315661471/posts/302610302726156/
"গাza তে ২৩-২৪ ব্যাচের অফিশিয়ালি একাডেমিক বছরের ইতি ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ তাদের মধ্যের কোনো শিক্ষার্থীই আর বেঁচে নেই। একটা গোটা জেনারেশন মুছে গেল পৃথিবী থেকে।"
একটি ভূখণ্ডের নির্দিষ্ট ব্যাচের পুরো জেনারেশন পৃথিবী থেকে বিদায় নিল। তাদেরকে হত্যা করা হল। একটু কি ভেবে দেখেছেন বিষয়টা? কল্পনা করতে পারেন কতটা দু:খজনক এই ঘটনা। তারা আবার মুসলিম উম্মাহরই অন্তর্ভুক্ত। নিরব সাক্ষী হওয়া ছাড়া আমরা কিছুই করতে পারলাম না।
যেই জেনারেশনকে তারা শহীদ করেছে, আকসার ভূমি থেকে এর চেয়েও আরো ভয়াবহ এক মুসলিম জেনারেশনের মুখোমুখি অভিশপ্তরা হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ এই ভূমি শহীদের রক্তে সিঞ্চন হয়েছে। এই রক্তের সিঞ্চনে যেই মানব চারাগাছ এখানে জন্ম নিবে, তারা হবে শহীদি চেতনা, আকসার ভূমি উদ্ধার আর প্রতিশোধের আগুণে প্রজ্বলিত এক প্রজন্ম। এই প্রজন্মের পরম্পরা অভিশপ্ত ইয়া হুদরা কখনো চিরতরে বন্ধ করতে পারবে না।
শুধু আকসার বুক থেকেই নয়, আকসা বিজয়ী সালাউদ্দীনের জন্ম দেয়ার জন্য নাজমুদ্দিন আর তার সালেহা স্ত্রীর মত মুসলিম উম্মাহর হাজার হাজার পরিবার তৎপর হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।
হা]মাসের ই]সরাইল হামলা কি ভুল ছিল?
-শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফি.
ই]সরাইল ও পশ্চিমা মিডিয়ার প্রোপাগাণ্ডার কারণে হা]মাসের ব্যাপারে বিশ্বব্যাপী একটি ভুল বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক সাধারণ মানুষ ও নিরপেক্ষ দেশ সে প্রোপাগাণ্ডার শিকার হয়ে হা]মাসকে ভুল বুঝতে শুরু করেছে। বার্তাটি হলো- হা]মাস কেন গায়ে পড়ে ইস]রাইলের ওপর হামলা করতে গেল? হা]মাসের কী প্রয়োজন ছিল আগবাড়িয়ে এভাবে হামলা করার? যদ্দরুণ গা]জ্জায় এই মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছে। হা]মাস নিজেও জানে ইস]রাইল তার চাইতে শতগুণ বেশি শক্তিশালী। শুধু তাই নয়, বরং আ]মেরিকা-ব্রি]টেনসহ সমগ্র পশ্চিমাবিশ্ব ইস]রাইলের সঙ্গে রয়েছে। হা]মাসের না শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা আছে, না অন্য কিছু। হা]মাসের পক্ষে কয়েকটি রকেট হামলা করে ওদের পরাজিত করা সম্ভব? এমতাবস্থায় ইস]রাইল হামলা করা কি বুদ্ধিমানের কাজ হয়েছে?
হা]মাসের সাম্প্রতিক হা]মলাকে অনেকেই আত্মঘাতি ও আত্মহত্যার শামিল মনে করেন। আসলে বিষয়টি কি এমন? হা]মাসের হামলার পেছনে নৈপথ্য কারণ কি? হা]মাসের হামলা করা কি ভুল ছিল?
বিষয়টি বুঝতে হলে আগে ফিলিস্তিন সংকট বুঝতে হবে।
ইস]রাইলের নিজস্ব কোনো অস্তিত্ব নেই, না এটি স্বতন্ত্র কোনো শক্তি। বরং এটিকে সর্বপ্রকার শক্তি দিয়ে সুসজ্জিত করে মুসলমানদের বুকের ওপর বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য কেবল ফিলিস্তিন নয়, বরং ইসলামী বিশ্বের বুকের ওপর- তাদের ভাষায়- এক অপরাজেয় শক্তির উদ্ভব ঘটানো, যা মাধ্যমে মুসলমানদের দমিয়ে রাখা যায়। হাজারো নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, মুসলমানদের নিজ ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত করে এবং নানারকমের নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে ‘দাইরে ইয়াসীন’ এ ১৯৪৮ এই বিষবৃক্ষ সৃষ্টি করা হয়েছে। এরপর নানা ফন্দী-ফিকির ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, ইস]রাইলের অস্তিত্ব যেন স্বীকার করে নেওয়া হয় এবং রাষ্ট্র হিসাবে তাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মিশর জর্দানসহ কিছু মুসলিম রাষ্ট্র তাদের ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে ইস]রাইলকে স্বীকৃতি দিয়ে ফেলেছে। এখন তারা মুসলিমবিশ্বের কেন্দ্রভূমি সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার মাধ্যমে চুড়ান্ত স্বীকৃতি আদায়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। একবার যদি তারা সৌদীআরব থেকে স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়, তা হলে অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো তাকে অস্বীকৃতি জানানো কঠিন হয়ে পড়বে। ইস]রাইল চুড়ান্ত চক্রান্ত মেতে ওঠেছে, যেকোনো উপায়ে মুসলিম রাষ্ট্রগুলো থেকে তার অবৈধ জন্মের বৈধতা আদায় করে ছাড়বে।
বিষয়টি এমন নয় যে, হা]মাস হঠাৎ হামলা করে বসেছে। বরং জন্মলগ্ন থেকেই ফিলিস্তিনী মুসলামনের ওপর ইস]রাইলী বর্বরতার এক কালো অধ্যায় রচিত হয়ে আছে; যা কারও অজ্ঞাত নয়। এর পরে বিভিন্ন সময়ে কোনো না কোনো জায়গায় কোনো ছুতায় মুসলমানদের নির্মমভাবে হত্যা করে আসছে। হা]মাস এটা উপলব্ধি করতে পেরেছে, যদি একবার ইস]রাইল মুসলিমবিশ্বের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়, তখন এই দানব তার সর্বশক্তি দিয়ে আসল রূপে আবির্ভূত হবে। তখন একে প্রতিহত করার আর কোনো উপায় থাকবে না। আর এভাবে ইস]রাইল শক্ত হয়ে গেলে তাদের আসল লক্ষ্য গ্রেটার ইস]রাইল প্রতিষ্ঠার দিকে এগিয়ে যাবে, যে কারণে মুসলিমবিশ্ব আরও বিপদের মুখে পড়বে। এজন্য হা]মাস চিন্তা করলো, -আল্লাহু আ’লাম- যদি এ মুহূর্তে কোনো কার্যকরী আঘাত করা যায়, তা হলে মুসলিমবিশ্বের সাথে তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের যে গোপন প্রক্রিয়া চলছে, অন্তত তা থেমে যাবে। বাস্তবেও তাই হয়েছে। তাদের এ পদক্ষেপের কারণে মুসলিমবিশ্বে নতুন করে ভাবতে আরম্ভ করেছে এবং স্বীকৃতির যে প্রক্রিয়া চলছিল, তা থেমে গেছে। এটা তাদের প্রথম বড় অর্জন। তারা ভেবেছে, মরতে যখন হবে, তবে কেন লড়াই করে সসম্মানে মরবো না? কেন একজন বীরমুজা]হিদের মতো মরবো না। এজন্য তারা হামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এটা যদিও কতক বিবেকপূজারি কাছে বোধগম্য নয়, তথাপি যাদের জীবনের লক্ষ্য আল্লাহর রাস্তায় শাহাদাত বরণের সম্মান লাভ করা, তাদের পক্ষে এমন পদক্ষেপ যথার্থ ও সঠিক। এতে ভুল কিছু নেই।
দ্বিতীয়ত, বিশ্বব্যাপী ই]সরাইলের সম্পর্কে যে অপরাজেয় ভাবমূর্তি ও অপ্রতিরোধ্য প্রভাব তৈরি হয়ে আছে, হা]মাস একটি ফলপ্রসূ হামলার মাধ্যমে তা চূর্ণ করতে সক্ষম হয়েছে। যদি তারা দৃঢ়তার সাথে এ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং মুসলিমবিশ্ব তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে, তথা সহায়তা করে , তা হলে আল্লাহর রহমতে এটি একটি সিদ্ধান্তমূলক চুড়ান্ত যুদ্ধ সাব্যস্ত হতে পারে, যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা ইস]রাইলী দানব থেকে ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দান করবেন।
#MA
https://t.me/ma167bd
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান গাজা উপত্যকার দক্ষিণে খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের আশেপাশে বেসামরিক বাড়িতে হামলা চালায়
গত রাতে গাজার সেপারেশন লাইন অতিক্রম করে গাজায় ট্যাংক শেলিং ও এয়ার স্ট্রাইক চালিয়ে চলে যায় ইসরায়েলি কাপুরুষেরা!
গ্রাউন্ড অপারেশনের জন্য গ্রাউন্ড প্রস্তুত করতে এই অভিযান - জানিয়েছে ইসরায়েল!
গাজা স্বাস্থ্যঃ
ইসরায়েল গত ঘন্টায় "গণহত্যা" করেছে যাতে ৩০৫ জন শিশু, ১৭৩ জন মহিলা এবং ৭৮ জন বয়স্ক ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন
গাজায় স্বাস্থ্যঃ
আমরা গাজা স্ট্রিপের হাসপাতালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পতন ঘোষণা করছি!
গাজায় ইসরায়েলি লিফলেট বিতরণ করা হয়েছেঃ
আপনি যদি আপনার সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যত চান, তাহলে আমাদের বলুন জিম্মিরা কোথায় আছে?
আপনি তথ্য প্রদান করলে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আপনার বাড়িঘর সুরক্ষিত করবে এবং আপনাকে অর্থ দেবে!
গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি আরব দেশ মিশর, ফিলিস্তিন, লেবানন ও সিরিয়ায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল!
এরমধ্যে শুধু গাজা ও লেবানন থেকেই কিছুটা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। বাকিরা হজম করে গেছে!
হিব্রু সূত্র: গাজায় ইজরায়েলি বন্দীদের শত শত পরিবার দখলদার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দফতরের সামনে বিক্ষোভ করছে। নেতানিয়াহুকে চলে যাওয়ার, তার ব্যর্থতা স্বীকার করার এবং গাজা থেকে তাদের সন্তানদের ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে।
গাজার শিশুদের প্রতি দখলদার ইজরাইলের অপরাধ ও ঘৃণার সাক্ষী হোন!
ফিলিস্তিনি শিশুরা সবাই মিলে পানির জন্য পূর্ব গাজায় একটি পানির ট্যাঙ্কির কাছাকাছি জড়ো হয়, তখন ইজরায়েলি শত্রুরা তাদেরকে লক্ষ্য করে আকাশ থেকে অগ্নিবোমা নিক্ষেপ করে!
How to get WSP Premium
কিভাবে WSP এর প্রিমিয়াম নিবেন।
🔗 Link https://t.me/STLP_Team/9
╭──────
│Join Us @STLP_Team 🔥
│——x Share Us For More
└───────────────
[১]
মা-সন্তান দুজনেই হাসপাতালের ফ্লোরে পড়ে আছে। বে|মার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত শরীরে মা শুয়ে আছে। অবুঝ শিশুটাও আঘাতপ্রাপ্ত, জানে না কী হয়েছে শুধু জানে ব্যথা হচ্ছে, কিছুতেই কান্না থামছে না।
মা নিজের যন্ত্রণা ভুলে সন্তানের কান্না থামানোর চেষ্টা করছে।
অবুঝ শিশু যদি একটাবার বুঝতে পারতো কী হচ্ছে তাহলে একটুও আওয়াজ করতো না!
[২]
হাজার হাজার রোগী, বিপরীতে গুটিকয়েক ডাক্তার। হাসপাতালের সব রসদ শেষ হয়ে গেছে। ঔষধ থেকে শুরু করে চেতনানাশক, ব্যথানাশক কিছুই বাকি নেই।
হয়তো ডাক্তারদের কলিজাতেই খামচি মেরে ধরছে এক অজানা ভয়। রোগীর দেহে সেলাই করা হবে, সুঁই চামড়া ভেদ করে ঢোকামাত্রই টের পাবে। তীব্র যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পেইনকিলারও কপালে জুটবে না!
ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে শত শত রোগী! এই পরিস্থিতিতে ডাক্তারদের যন্ত্রণা দূর করার জন্য কোন চিকিৎসা করতে হয়?
আজকের তারিখটা ১৮-১০-২৩। চোখের পলকেই এক হাজার মুসলমানকে শহীদ করা হয় গাজায়। আমরা অধিকাংশ মুসলিম যখন শান্তিপূর্ণ ঘুমে নিমজ্জিত তখন কেবল মুসলিম হওয়ার অপরাধে এক মুহূর্তে শহীদ হলো এক হাজারের অধিক মানুষ!
[3]
একজন লোকের হাতে দুটো পলিথিন। অস্থির হয়ে এদিক সেদিক ছুটছেন আর কিছু একটা বলছেন। পাশেই অ্যাম্বুলেন্সের লাল-নীল আলোর ঝলকানি।
মানুষের ভীড়ের মধ্যে ব্যাগ নিয়ে এই লোক ছুটোছুটি করে শেষে একটা তাঁবুর মধ্যে ঢুকলেন। আশেপাশের সব মানুষের চোখ তার দিকেই স্থির হয়ে ছিল। কারণ লোকটা চিৎকার করে বলছিলেন, “এই ব্যাগে আমার সন্তানের ল|শ, দেখো এই ব্যাগে আমার সন্তানের ল|শ!”
ভাবতে থাকলাম, এই লোকের মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে! একটা বাচ্চাই তো! তবুও একটা ব্যাগে রাখা গেল না, দুটো ব্যাগে আলাদা করে রাখতে হলো। ভাবছিলাম এই লোকটার হারানোর আর কী বাকি আছে?
আরো ভয়ানক দৃশ্য দেখা হচ্ছে। মানুষের বিবেক তো কবেই মরে গেছে। তারা ই [হু] দীদের এসব নৃশংস হত্য|যজ্ঞ দেখে না, ইনিয়ে বিনিয়ে যুক্তি দিয়ে সমর্থন ঠিকই করে।
কিছু দৃশ্য কখনো ভুলতে পারব না। এটাও হয়তো সেগুলোর একটা।
আল্লাহু আলাম...
ইনশাআল্লাহ এই রাতটার জন্য অনুতপ্ত হবে ন|প|ক ই [হু] দীরা৷ ইনশাআল্লাহ হবেই হবে! আল্লাহ আপনি শুধু আমাদেরকে বিজয়টা দেখে যাওয়ার তৌফিক দান করুন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে ৬ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি মুসলিম শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার মা আহত হয়েছেন।
গত শনিবার শিকাগো থেকে প্রায় ৪০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমের প্লেনফিল্ড শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করেন, এমন ধরনের একটি ছুরি দিয়ে শিশুটিকে ২৬ বার আঘাত করা হয়েছে। অধিকারকর্মীরা একে ‘বিদ্বেষমূলক হামলা’ অভিহিত করেছেন।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ইলিনয়ের ৭১ বছর বয়সী এক বাসিন্দাকে আটক করা হয়েছে।
মুসলিমদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকা কর্মীরা বলছেন, ফিলিস্তিন–ইসরায়েল চলমান সংঘাতের জেরে ওই শিশু ও তার মায়ের ওপর ‘বিদ্বেষমূলক হামলা’ চালানো হয়েছে।
এক নজরে গাজা ফিলিস্তিনের মাজলুমদের স্মৃতি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবিগুলো বেশি ভাইরাল হয়েছিল সেগুলোকেই ভিডিও আকারে তুলে ধরা হয়েছে এখানে...
#GazaPalestine #Gaza #palestine #OurAqsa #MashwaraShorts
