fa
Feedback
Book Collection

Book Collection

رفتن به کانال در Telegram

Various useful books & writings

نمایش بیشتر
1 363
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+77 روز
+3730 روز
آرشیو پست ها
একটি সতর্কবার্তা: ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় সচেতন হোন সম্প্রতি সিলেটের শ্রীমঙ্গলের একটি রিসোর্টকে কেন্দ্র করে এমন একটি ঘটনার অভিযোগ সামনে এসেছে, যা সত্যিই উদ্বেগজনক। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি দম্পতি সেখানে অবস্থান শেষে অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইলের হুমকি পান। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে, তবে এটি শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়; মানুষের ইজ্জত, সম্মান ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর জঘন্য আঘাত। এই ঘটনা আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। আজ শুধু অনলাইনে নয়, অফলাইনেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই হোটেল, রিসোর্ট বা যেকোনো আবাসিক স্থানে অবস্থানের আগে যথাসম্ভব সতর্ক থাকুন। কক্ষ, বিশেষ করে বেডরুম ও ওয়াশরুমে কোনো অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক ডিভাইস আছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখুন। শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সব সময় সম্ভব না হলেও প্রাথমিক সতর্কতা অনেক ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে। ইসলাম মানুষের ইজ্জত ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে অত্যন্ত মর্যাদা দিয়েছে। অন্যের গোপন বিষয় অনুসন্ধান, গোপনে নজরদারি করা বা তা প্রকাশ করা শরীয়তে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আর যদি কেউ এমন ব্ল্যাকমেইল বা গোপন ক্যামেরার শিকার হন, তাহলে ভয় বা লজ্জায় নীরব থাকবেন না। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করুন। অপরাধীদের আড়াল করা নয়; আইনের আওতায় আনা-ই সমাজকে নিরাপদ রাখার সঠিক পথ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার ইজ্জত, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা হেফাজত করুন। আমীন।

কুষ্টিয়ার লাবণ্য ইসলাম নামের একটা মেয়েকে 'ইসকন' এর দুই নেতা শুভ দীপ তিলক এবং শ্রী নেহাল হালদার ভাগওয়া লাভ ট্র‍্যাপে ফেলে অবশেষে মেয়েটাকে হিন্দু বানিয়েছে শুধু তাইনা, এখন তার পুরো পরিবারকে হিন্দু হওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছে, হিন্দু না হলে তার বাকি দুই বোনকেও তুলে নিয়ে যাবে! ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা শুধু স্বাভাবিকভাবে লাভ ট্র‍্যাপে ফেলে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে না এরা যদি কোনো মুসলিম মেয়েকে লাভ ট্র‍্যাপে ফেলতে না পারে, তখন ব্ল্যাক ম্যাজিকের আশ্রয় নেয় ব্ল্যাক ম্যাজিকের মাধ্যমে মাদরাসার মেয়েদেরকেও তারা ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে যাচ্ছে এরকম কয়েকটা ঘটনা দেশে ভাইরাল হইছে এর মধ্যে একটা ছিলো আমাদের পাশের উপজেলা চুনারুঘাটে আরো ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, এসব ভাগওয়া সন্ত্রাসীরা মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিওগুলা তাদের সংগঠনের গ্রুপে আপলোড দিয়ে উল্লাস করতেছে এতোকিছু ঘটার পরেও অনেক মুসলিম মেয়েরা সতর্ক হচ্ছেনা দুইদিন আগে যে হিন্দুদের 'রথযাত্রা' হইছে সেই 'রথযাত্রা'য় অসংখ্য বোরখা পড়া মুসলিম মেয়েদের দেখা গেছে বিশেষ করে, আমাদের সিলেটের 'ইসকন' আয়োজিত রথ মেলায় অসংখ্য মুসলিম মেয়েদের উপস্থিতি দেখা গেছে বিষয়টা ভয়াবহ উদ্বেগের এবং ভয়ের কারণ, ভালোভাবে খুঁজ নিলে দেখা যাবে 'রথ মেলায়' উপস্থিত হওয়া বেশিরভাগ মুসলিম মেয়েরা এই ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে আটকে আছে বাংলাদেশের মুসলমানদের এই বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক হতে হবে, সচেতনতা বাড়াতে হবে সবাই সবার মা বোন কিংবা উপযুক্ত মেয়ের দিকে বিশেষ নজর রাখুন, তাদেরকে এই ব্যাপারে সতর্ক করুন আশপাশে মুসলিম কোনো মেয়েকে হিন্দু কোনো ছেলের সাথে দেখতে পেলে তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করুন, মুসলিম মেয়ের পরিবারকে জানান হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ'কে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিন ✍️সাদমান জহির ইংল্যান্ড, ১৯ জুলাই

আমার যতটুকু মনে আছে ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের ঘটনা তখনো আমি ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ (Bhagwa Love Trap) সম্পর্কে কিছুই জানতাম না মাধবপুর উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের একটা দায়িত্বে ছিলাম, সেই সুবাদে তখন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে আমার বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনে যেতে হতো যেকারণে বেশিরভাগ স্কুলের শিক্ষক এবং মেমরা আমাকে চিনতো, সবার সাথেই আমার ভালো সম্পর্ক ছিলো হঠাৎ একদিন একটা স্কুলের পরিচিত শিক্ষিকা কল দিয়ে একটা জটিল সমস্যার কথা জানালো এবং পরামর্শ চাইলো এমন হাসিখুশি শিক্ষিকার মুখে এমন ভয়ানক ঘটনা শুনে আমি এতোটা ভয় পাইছিলাম যে, অনেকদিন পর্যন্ত মাথার ভিতর থেকে এটা মুছতে পারিনি ঘটনাটা খুব সংক্ষেপে বলি, প্রাইভেসির কারণে তার নাম পরিচয়টা বলতে পারবো না সে ছিলো মুসলিম এবং অবিবাহিতা। বৃন্দাবন কলেজে অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়তো বয়সে তার থেকে দুই/তিন বছর বড় একটা হিন্দু ছেলে তার কাছে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করতো ছেলেটাও একই কলেজে পড়তো বেশ কিছুদিন কথাবার্তার পর হিন্দু ছেলেটা মুসলিম হতে রাজি হলো তবে শর্ত একটাই ছিলো, যার কাছ থেকে ইসলাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানার কারণে সে মুসলিম হওয়ার সৌভাগ্য পাচ্ছে, সেই মেয়েটাকেই বিয়ে করতে চায় তাকে সে হারাতে চায়না মেয়েটা, মানে শিক্ষিকা এক পর্যায়ে রাজি হয়ে যায় তারা লুকিয়ে এক হুযুরের মাধ্যমে বিয়ে করে ফেলে এর পর স্বাভাবিক নিয়মে তাদের মধ্যে শারিরীক সম্পর্ক চলতে থাকে ঘটনা এখান পর্যন্ত শেষ হলেই ভালো হতো এর পরের অংশটাই ছিলো ভয়াবহ হিন্দু ছেলেটা তাদের শারিরীক সম্পর্কের সকল কিছু তার মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে এরপর ছেলেটা নিজেই স্বীকার করে যে, সে আসলে কখনোই ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস করেনা মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করাই তার উদ্দেশ্য এবং সে ছিলো ৬ নাম্বার মুসলিম মেয়ে, যাদেরকে একই ফাঁদে ফেলে চরিত্র নষ্ট করেছে এখানেও ঘটনা শেষ হলে একটা সমাধান হয়ে যেতো কিন্তু না, এর পরের অংশ আরো মারাত্মক ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ভারতীয় পাসপোর্ট করিয়েছে ছেলের সাথে ভারতে না গেলে তার সকল ভিডিও ছড়িয়ে দিবে শুধু তাইনা, মেয়েটার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার এবং ফেসবুক আইডির লগইন সেই ছেলেটার মোবাইলে সেইভ করা ছিলো এই ফাঁদ থেকে বের হওয়ার পরামর্শ আমি কী দিবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না প্রথমে ভাবছিলাম থানায় যাবো, মামলা করবো কিন্তু মেয়েটা তাতে রাজি হয়নি, কারণ বিষয়টা প্রকাশ হয়ে গেলে সে বাঁচতে পারবে না অবশেষে বুঝে না বুঝে আমি তাকে তার এক আত্নীয়ের কাছে ঢাকায় চলে যেতে পরামর্শ দেই ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ ডিএক্টিভ করে সিম কার্ড ভেঙে ফেলতে বলি যদিও তাদের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার রিস্ক ছিলো, তবুও এটাই করতে হইছে বিষয়টা নিয়ে অন্য কিছু করার সাহস ছিলোনা তখন আমার মেয়েটা ঢাকায় চলে যাওয়ার পর থেকে আর কিছু ঘটেনি, হিন্দু ছেলের ব্যাপারেও আর কিছু জানতে পারিনি এর কিছুদিন পরেই, মানে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ফেসবুকে একটা লিখা পড়ে জানতে পারি ভারতের হিন্দুত্ববাদী উগ্র সংগঠনের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে মুসলিম মেয়েদের চরিত্র নষ্ট করার জন্য 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' (Bhagwa Love Trap) কার্যক্রম শুরু করে উগ্রবাদী হিন্দুদের এই কার্যক্রম আর ভারতের সীমানায় সীমাবদ্ধ নাই উগ্রবাদী 'ইসকন', বিশ্ব হিন্দু পরিষদ' এবং 'হিন্দু মহাজোট' সংগঠনের মাধ্যমে এটা বাংলাদেশের সকল জেলা উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে যে ভিডিওটা আপলোড দিলাম, গাউছিয়া রয়েল হোটেলে রাত সাড়ে এগারোটার দিকে দুইটা মুসলিম মেয়েকে নিয়ে একটা 'ইসকন' সদস্য আটক হওয়ার একটা 'ইসকন' সদস্যের সাথে দুইটা মুসলিম মেয়েকে এক সাথে এক রুমে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে কতটা ভয়াবহ অবস্থায় চলে গেছে হিন্দুদের 'ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ' বুঝতে পারছেন? এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না এমন ঘটনা এখন প্রতিদিন ঘটতেছে কয়দিন আগে সিলেট জিন্দাবাজারে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য অভিজিৎ তালুকদার একটা মুসলিম মেয়ের সাথে আটক হইছে মেয়েটার নাম মিতা আক্তার। বাড়ি সুনামগঞ্জ জাওয়া 'ইসকন' সদস্যের নাম অভিজিৎ তালুকদার। গ্রাম- নতুনবাজার ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ তার কাছে ভারতের পাসপোর্টও পাওয়া গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জেও সাগর নামে আরেকটা 'ইসকন' সদস্য ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপে ফেলে ৪টা মুসলিম মেয়ের চরিত্র নষ্ট করেছে তাকেও আটক করা হইছে কুড়িগ্রাম থেকে ইসকনের সদস্য প্রশান্ত চন্দ্র শীল একটা মুসলিম মেয়েকে ঢাকায় শামীবাগ 'ইসকন' মন্দিরে নিয়ে হিন্দু বানাইছে মেয়েটাকে ভারতে পাচার করার আগ মূহুর্তে 'Protect Our Sisters BD' টিম তাদেরকে আটক করেছে মেয়েটাকে তার পরিবারের কাছে তুলে দিছে ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া আরেক ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীতে রাজশাহী কলেজের সাবেক অধ্যাপকের মেয়েকে সুহাদ্র সরকার যুবরাজ নামে এক ভাগওয়া সন্ত্রাসী 'ইসকন' সদস্য এই ট্র‍্যাপে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করেছে এরকম অসংখ্য ঘটনা ঘটতেছে প্রতিনিয়ত গতকাল 'দৈনিক আজাদি বার্তা' নিউজে দেখলাম

সবচেয়ে বড় একটা স্কিলের কথা বলব? সেটা হচ্ছে বেশি বেশি দোয়া করার স্কিল। উঠতে-বসতে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। হেদায়েত চান, আমলের তৌফিক চান, ভালো বন্ধু চান। পাশাপাশি বড় বড় জিনিস চান : গাড়ি চান, বাড়ি চান, বাগানবাড়ি চান, ব্যবসা চান, জমি চান, সন্তান চান, টাকা চান, চাকরি চান, পাওয়ার চান, শান্তি চান, ইজ্জত চান, স্থিরতা চান, কাজে দক্ষতা চান, সুখ চান, সুস্থতা চান, নেক স্ত্রী চান—এককথায় যা যা আপনার দরকার, সেসকল কিছু আল্লাহর নিকট চাইতে থাকেন। . আপনি যত চাইবেন, আল্লাহ ততবেশি খুশি হবেন। এই স্কিলে আপনি যত দ্রুত আসবেন, আল্লাহর মেহেরবানিতে তত দ্রুত আপনার মানসিক হালত উন্নতি হবে ইনশাআল্লাহ। রাশেদ মুহাম্মাদ আবু জাইনাব

একটা পবিত্র উদ্দেশ্য সামনে রেখে একই দিনে এই আমলগুলো করুন, ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই উত্তম ফলাফল পাবেন। ১. দরুদ ১০০ বার পাঠ করুন ২. ইসতিগফার ১০০ বার ৩. সদকাহ (সামর্থ অনুযায়ী) ৪. সালাতুল হাজত (২ রাকাত) ৫. রাতে তাহাজ্জুদ (যত রাকাত পারেন) ৬. তাহাজ্জুদের পর দোয়া পরীক্ষিত এবং বড় বড় আল্লাহওয়ালা বুজুর্গানে দ্বীন এই আমলগুলো করতেন এবং এই আমলগুলো করার প্রতি অন্যদের উৎসাহিতও করতেন।

খুব বেশি কঠিন কিছু বলবোনা। একদম সহজ কিছু কাজ বলি, যেগুলো মেইনটেইন করলে লাইফ স্মুথ লাগবে ইনশাআল্লাহ। ১। ঘুম হলো শরীরের আসল ঔষধ। ঘুমের মধ্যে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা শরীরটাকে হিল করে দেন। এজন্য প্রতিদিন আগে আগে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে চেষ্টা করবেন। ২। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আউয়াল ওয়াক্তে তো পড়বেনই, ফজর বাদ দেয়া যাবে না কোনভাবেই। দিনের শুরুটা যদি আল্লাহর স্মরণ দিয়ে হয়, পুরো দিনের এনার্জিটাই অন্যরকম থাকবে। ৩। প্রতিদিন কমপক্ষে ২লিটার পানি খাবেন। ৫ বেলা ওযূর পর পানি খাওয়ার একটা অভ্যাস করতে পারেন এতে টার্গেট পূরণে সহজ হবে। ৪। সপ্তাহে ২ দিন রোজা রাখবেন। সোমবার ও বৃহস্পতিবারে রাখলে সুন্নতও আদায় হয়ে যাবে। রোজাতে অনেক ফায়দা। শরীর ও মনের উপর কন্ট্রোল পাওয়া সহজ হয়। ৫। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০০ বার দুরুদ ও ১০০ বার ইস্তেগফার পড়বেন। এত না পারলে অন্তত ৫০ বার, তাও না পারলে অন্তত ৫ বার করে হলেও পড়বেন। জীবনে, মনে, রিজিকে সবকিছুতে বরকত ও আল্লাহর রহমত টানার আমল হলো দুরুদ ও ইস্তেগফার। ৬। খাবার একেবারে পেটভরে খাবেন না। শরীর ভারী লাগে তখন কাজে-কর্মে, নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতে অলসতা আসে। ৭। নিজের প্রিয় মানুষগুলোর কোনো ১জনের সাথে দিনে অন্তত ১০ মিনিট কথা বলবেন, সন্তানকে অন্তত কয়েকবার জড়িয়ে ধরবেন। এগুলোতে পজিটিভ এনার্জি পাবেন। ৮। কোনো দুশ্চিন্তা হলে একা একা ভাবতে থাকবেন না বারবার ওযূ করবেন, মনে না চাইলেও দুই রাকাত নামাজ পড়বেন তারপর আল্লাহর কাছে মন খুলে দুআ করবেন। ৯। প্রতিদিন কোনো একটা ভালো কাজ করবেন। ১টাকা হলেও সদকা করবেন, রাস্তা থেকে ইট-পাথর সরিয়ে দিবেন, কারো উপকার করবেন। এইসমস্ত কাজ অন্তরকে প্রশান্ত রাখে। ১০। মাঝেমধ্যে বদনজরের রুকইয়ার গোসল করবেন। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, অকারণেই সংসারে অশান্তি, বাচ্চাদের অস্বাভাবিক কান্নাকাটি এমন হলে অবশ্যই রুকইয়া করবেন। সবকথার শেষ কথা, শান্তির মালিক হলেন আল্লাহ তায়ালা।এজন্য প্রতিদিন কিছু সময় তাঁর স্মরণে কাটাবেন। ১ পৃষ্ঠা হলেও কুরআন তিলাওয়াত করবেন, যিকির করবেন। নয়তো বেশিদিন ভালো থাকতে পারবেন না। লাইফ এলোমেলো লাগবে আর মনে হবে কিছু একটা মিসিং এবং অল্পতেই অস্থির হয়ে যাবেন।

photo content

আলু-ডিম-কফি মেয়ের বিয়ে হয়েছে। মা মরা মেয়েটা বড়ই আদরের। কখনো মায়ের অভাব বুঝতে দেননি। কিন্তু শ্বশুর বাড়িতে মেয়েটা সুখে নেই। সকালে চা বাপ-বেটিতে চা খেতে বসল। মেয়ে বাবার কাছে তাঁর দু:খের কথা বলে কেঁদে ফেলল। মেয়ে বলল, ও বাড়িতে সমস্যা শুধু একটা নয়, অনেকগুলো। একটা সমাধান করতে না করতেই আরেকটা এসে হাজির হয়। জীবনটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বাবা শহরের নামকরা শেফ (বাবুর্চি)। টাকা পয়সার অভাব নেই। কিন্তু হায়, টাকা দিয়ে যদি মেয়েটাকে সুখ কিনে দিতে পারতেন! এখন মেয়েকে কিভাবে সান্তনা দিবেন? কান্না থামলে বাবা মেয়ের হাত ধরে রান্না ঘরে নিয়ে গেলেন। তিনটা চুলায় একসাথে আগুন জালিয়ে তিনটা ছোট পানিভর্তি পাতিল তুলে দিলেন। পানি টগবগ করে ফোটা শুরু করলে, একটাতে আলু দিলেন, একটাতে ডিম দিলেন তৃতীয়টাতে কফির দানা ছেড়ে দিলেন। সেগুলোকে সেদ্ধ হতে সময় দিলেন। মেয়ে অবাক দৃষ্টিতে চুপচাপ দেখে যাচ্ছে। বাবাও মুখে কিছু বলছেন না। মিনিট বিশেক পর বাবা চুলা বন্ধ করে দিলেন। আলু আর ডিম আলাদা আলাদা প্লেটে রাখলেন। একটা কাপে কফি ঢেলে নিলেন। এবার মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলেন: মা, কী দেখতে পাচ্ছ? আলু, ডিম আর কফি। বাবা বললেন: কাছে এসে আলুগুলোকে ধরে দেখ। মেয়ে দেখল আলুগুলো নরম। এবার একটা ডিম নিয়ে খোসা ছাড়িয়ে দেখ। মেয়ে খোসা ছাড়িয়ে ভেতরে দেখল শক্ত সিদ্ধ ডিম। এবার কফির কাপটাতে চুমুক দাও। কফির সুগন্ধে মেয়ের মুখে হাসি ফুটল। মেয়ে বাবাকে বলল: বাবা এ কাজগুলো কেন করেছ? আস, আমরা এতক্ষণ যা করলাম তা বিশ্লেষণ করে দেখি। আলু, ডিম আর কফির দানা তিনটাকেই একই পরিবেশে রেখেছি, সমান তাপমাত্রার গরম পানিতে রেখেছি। কিন্তু প্রত্যেকটার পরিবর্তন (প্রতিক্রিয়া) হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন। আলু ছিল শক্ত, পুরু আর অগলনযোগ্য কিন্তু ফুটন্ত পানিতে পড়ে নরম আর দুর্বল হয়ে গেছে। ডিমটা ছিল ভঙ্গুর। উপরের পাতলা আবরণ ভেতরের তরল পদার্থকে সুরক্ষা দিচ্ছিল। কিন্তু গরম পানিতে দেয়ার পর দেখা গেল ভেতরের তরল শক্ত হয়ে গেছে। কফির দানাগুলো ছিল গুঁড়োগুঁড়ো। সেগুলোকে গরম পানিতে সেগুলোর কোন রদবদল হলো না, বরং পানিকেই বদলে দিল, এবং নতুন একটা বস্তু (কফি) তৈরি করল। মা, তুমি কোনটা? যখন বিপদ-দু:খ-দুর্দশা তোমার দরজায় করাঘাত করে তুমি কিভাবে সাড়া দিবে? গরম পানির প্রভাবে আলুর মতো গলে যাবে? না ডিমের মতো ভেতরে শক্ত হয়ে যাবে নাকি কফির মতো নিজেকে না বদলে আশপাশকে বদলে নতুন পরিবেশ তৈরী করবে? বিশ্লেষণ এক: আমাদের জীবনে অনেক কিছুই ঘটে। অনেক কিছুই আমাদেরকে নিয়ে ঘটে। এসব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের ভেতরে কী ঘটে সেটা। বিশ্লেষণ দুই: বাইরের প্রভাবে নিজে না বদলে গিয়ে, ভেতরের প্রভাবে বাহিরকে বদলানোই আসল কাজ। ইয়া আল্লাহ! আশপাশের কলুষতায় বদলে না গিয়ে, আমাদেরকে জন্মগত ফিতরাত ইসলামের উপরই জীবন কাটানোর তাওফীক দান করুন। আমীন ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

প্রথমত: নিজেদের সন্তানদের নিরাপদ রাখায় দায় অভিভাবকদেরই। এজন্য সচেতনতা খুব জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান কালে কাউকে বিশেষ ট্রাস্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই, তা সেটা কোনো আত্মীয় হোক, এলাকার পিচ্চি হোক বা মুরুব্বী কিংবা কোনো শিক্ষক বা হুজুর। কাউকে ট্রাস্ট করার দরকার নাই। দ্বিতীয়ত, নিজের সন্তানের ছবি অনলাইনে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন, নয়তো পরে কই যে চলে যাবে একমাত্র আল্লাহ জানেন। তৃতীয়ত, আত্মীয়স্বজন বা অন্যান্য কাউকেও যথাসম্ভব মেয়েদের ছবি তুলতে দেবেন না। আত্মীয়দের মাঝে তো ঝগড়া করা যায় না, তবে চেষ্টা করতে হবে যেন নিতে না পারে। নিজেরাও ফ্যামিলি ওয়াটস এপ গ্রুপ বা অন্যত্র শেয়ার দেবেন না। . পশ্চিমে যা নষ্টামি আপনারা দেখেন নিশ্চিত থাকেন তা এদেশেও আছে, ব্যাপকভাবেই আছে। আমি আপনি দেখি না, বা আমাদের সামনে পরে না বলে নেই-এমন না। বড় সমস্যা হচ্ছে পশ্চিমে আইন ও তার বহুলাংশে প্রয়োগ থাকলেও এদেশে নেই। এজন্য অপরাধ কমানোর সুযোগ সেভাবে নেই। তার ওপর আমাদের আছে বদ হজমের ব্যাপক সমস্যা, কি ইসলামি বিষয় কি সেক্যুলার বিষয়, আমরা জাতিগত ভাবে যা পাই বদহজমে আক্রান্ত হই। . কাজেই prevention থেকে ভালো কোনো সমাধান আমাদের হাতে আপাতত নেই।

photo content
+9

photo content

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেছেন, গুনাহ বা পাপকাজ ত্যাগ করার উপকারীতা হলো : ১. সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। ২. মানুষের অন্তরে মর্যাদা লাভ হয়। ৩. পূর্বে লোকেরা ক্ষতি করে থাকলে লোকদের কাছ থেকে সাহায্য এবং নিরাপত্তা। ৪. লোকেরা যদি গীবত করে থাকে, তাহলে তার সম্মান রক্ষা পায়। ৫. আল্লাহ তার দুয়া কবুল করেন। ৬. আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য। ৭. ফেরেশতাদের নৈকট্য। ৮. মানুষ ও জিনদের মধ্য থেকে যারা শ*য়তান তারা দূরে সরে যায়। ৯. লোকেরা তাকে সাহায্য করার জন্য, তার চাহিদা পূরণ করার জন্যে এবং তার সাহচর্য ও ভালোবাসা পাওয়ার জন্য প্রতিযোগীতা করবে। ১০. সে মৃ*ত্যুকে ভয় করবেনা। বরং আল্লাহ তা'আলার সাথে সাক্ষাৎ লাভের জন্য ও তাঁর কাছ থেকে পুরষ্কার পাওয়ার জন্যে আগ্রহী হবে। ১১. এই দুনিয়া তার দৃষ্টিতে তুচ্ছ মনে হবে এবং পরকালকে অনেক মূল্যবান মনে করবে। ১২. পরকালে অনেক বড় রাজত্ব ও মর্যাদা পাওয়ার জন্যে চেষ্টা করবে। ১৩. আল্লাহর আনুগত্যের স্বাদ ফিরে পাবে। ১৪. ঈমানের মিষ্টতা অনুভব করবে। ১৫. আরশ বহনকারী ফেরেশতা ও আরশের চারপাশে আল্লাহর প্রশংসাকারী ফেরেশতাদের দু'আ লাভ করবে। ১৬. কেরামান কাতেবীন- দুইজন ফেরেশতা তার উপরে খুশি থাকবে এবং তারা তার জন্যে দু'আ করবে। ১৭. জ্ঞান, বুদ্ধি ও ঈমান বৃদ্ধি পাবে। ১৮. আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে। ১৯. আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ কামনা করবে। ২০. তওবাহ করে পবিত্র জীবন-যাপনের উপরে সন্তুষ্ট থাকবে। ২১. আল্লাহ তাকে এমন সুখ ও শান্তি দান করবেন, যা সে যখন পাপ কাজে লিপ্ত ছিলো তা থেকে বঞ্চিত ছিলো। [সূত্র : আল-ফাওয়ায়েদ, পৃ. ২৫৫]

পুরুষ হিসেবে কোনদিন এভারেজ হইতে চাইবেন না। সব সময় সমাজের ধনী, পাওয়ারফুল এবং সিস্টেম মেকারদের একজন হতে চাইবেন। মনে রাখবেন একটা পুরুষ গরীব হলে তার স্ত্রী এবং সন্তান সমাজে গরীব হিসেবে গণ্য হয়। তার কোন রকম পাওয়ার না থাকলে তার নিজ পরিবারের কেউ কোন জায়গায় ভিক্টিম হলে সে নিজের পরিবারকে ইনসাফ এনে দিতে পারবে না। সে যদি সিস্টেম মেকারদের একজন না হয় তাহলে তার পরিবার সিস্টেমের শিকার হবে। মনে রাখবেন আপনি পুরষ। আপনার উপর নির্ভর করবে আপনার পরিবারকে সবাই সম্মান করবে নাকি কেউ গণনায় ধরবে না। নিজেকে শিক্ষা, যোগ্যতা, টাকা এবং ক্ষমতায় এমনভাবে বেস্টিত রাখবেন যাতে আপনার পরিবারের কোন সদস্য রাস্তা দিয়ে গেলে খারাপ লোকেরা বলে, বাদ দে ঐ লোকের ফ্যামিলি। একদম শেষ করে ফেলবে। আপনার পরিবারের কেউ অসুস্থ হলো আপনি বাঁচাতে না পারলেও সেরা চিকিতসা তাকে করাতে পারবেন। মনে একটা স্যাটিসফ্যাকসন থাকবে চেস্টা করেছিলেন। আপনার ফেইস ভ্যালু যেন আপনার স্ত্রী আর সন্তানদের সোসাইটিতে নিরাপদে রাখে। সোসাইটি ব্যক্তি নয় ব্যক্তির অবস্থানকে সম্মান করে। আপনার বদলতে যেন আপনার স্ত্রী আর সন্তান একটা ডিলুসনে বেঁচে যায় যে দুনিয়া একটা সুন্দর জায়গা।

★যাদুগ্রস্থ পেশেন্টদের ক্ষেত্রে একটি কমন সমস্যা "খাওয়ানো যাদু".. সেটা হতে পারে সরাসরি খাবারের মাধ্যমে অথবা স্বপ্নে জ্বীনের মাধ্যমে (বেশিরভাগ স্বপ্নেই খাওয়ানো হয়)। স্বপ্নে যাদু খাওয়ানোর কারন হচ্ছে পেশেন্টের শরীরে জ্বীনের প্রভাব ধরে রাখা...আমল,সাদাক্বা অথবা রুকইয়াহ'র মাধ্যমে যখন পেশেন্টের শরীরে জ্বীনের প্রভাব কমতে থাকে এবং জ্বীন দুর্বল হতে থাকে ..তখন সে স্বপ্নে পেশেন্টদের যাদু খাওয়ানোর ট্রাই করে।একারণে অধিকাংশ যাদুর পেশেন্ট স্বপ্নে খেতে দেখেন। এমন পেশেন্টদের জন্য পেট থেকে যাদু বের করার একটি চমৎকার উপায় হচ্ছে " ইস্তিফারগ" ★ইস্তিফারগ (إستفراغ) একটি আরবী শব্দ, যার অর্থ: বমি করা বা উদরস্থ বস্তু মুখ দিয়ে বের করে দেওয়া। এটি শরীর থেকে অবাঞ্ছিত বা অতিরিক্ত কিছু বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া, যা কখনো প্রাকৃতিকভাবে ঘটে, আবার কখনো চিকিৎসা বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়। ★ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তার বই "আত-তিব্বুন্নববী"–তে বলেন: “ইস্তিফারগ শরীরের জন্য উপকারী, কারণ এতে দেহে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ(যাদু,বদনজর,হাসাদ) বের হয়ে যায়।” হাকিমি চিকিৎসায় রোগ নিরাময়ের জন্য ইস্তিফারগ করানো হয় (যাকে বলে "ইলাজ বিল ইস্তেফরাগ")। অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ, বিষাক্ত পদার্থ, অথবা খাদ্যে বিষক্রিয়ার সময় ইস্তিফারগ উপকারী হয়। ★ইস্তিফারগের নিয়ম: সকালে খালি পেটে ২ লিটার পানি নিবেন... এর মধ্যে ৭টা বরই পাতা বেটে মিশাবেন..এরপর ফাতিহা,আয়াতুল কুরসি,ইখলাস,ফালাক্ব,নাস..প্রত্যেকটা ৩ বার করে পড়বেন আর পানিতে ফুঁ দিবেন..পড়া শেষ হলে ১ লিটার পানি পান করবেন(পেটের যাদু বের করার নিয়্যাতে).. এরপর পেটের যাদু বের করার/খুরুজের আয়াতের অডিও শুনবেন ইয়ারফোন লাগিয়ে... অডিও চলাকালিন সময়ে আরো ১ লিটার খাবেন... এভাবে ৩ দিন করলে ইনশাআল্লাহ পেটের যাদু বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ... পাশাপাশি শারিরীক অনেক রোগ থেকেও সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ।

What's the use of being vigilant against أمراض القلوب, diseases of the heart? If we are already perfect, then why did Prophet Muhammad ﷺ tell us this hadith on human imperfection? كل ابن آدم خطاء وخير الخطائين التوابون. "Every child of Adam is one who frequently makes mistakes, and the best of those who frequently make mistakes are those who frequently repent." If we are not responsible for anything we do because we are just so amazing all the time, then why did Prophet Muhammad ﷺ teach us this hadith on responsibility? الا كلكم راع وكلكم مسؤول عن رعيته... "Indeed, each of you is a shepherd and each of you will be asked about/ held accountable for his responsibility..." If accountability is "shaming," then why did Umar ibn al-Khattab رضي الله عنه famously say, حاسبوا أنفسكم قبل أن تحاسبوا... "Hold yourself accountable before you are held accountable [by Allah on the Day of Judgment]..." All of these basic principles we have in Islam directly contradict the delusional teachings of feminism. As Muslims, we know that this feminist "you are perfect, slay queen!!" is the path towards kibr (كبر, arrogance) which is the path of Shaytan, the path that leads away from Jannah. We know that perfection is only for Allah, and that we human beings (men or women) are not perfect and must always try to better ourselves. We accept that we are fully responsible for our own actions. We are cognizant of the importance of monitoring our heart for diseases like عجب (`ujb, self-amazement, being too pleased with oneself), laziness, arrogance, and self-delusion. So we believing Muslim women reject the feminist brainwashing of modern women that they are "perfect" no matter what. May Allah save us from arrogance, entitlement, and self-deceit, and grant us clean hearts, ameen. Umm Khalid

This sort of generic, toxic-positive over-generalization is a staple of modern feminism. And it has ruined many women. I randomly came across this anonymous comment on some video online: (You see and hear this everywhere nowadays) "Every girl is perfect the way she is, no matter how she looks, feels, speaks, or anything!" What's so wrong about this statement? One the surface, it seems nice, right? Encouraging. Accepting. Inclusive. Empowering. But in reality, this statement isn't "empowering" at all-- it's enabling. It enables bad behavior. It normalizes bad habits. It makes acceptable the unacceptable. This leads to a sense of complacency. Which leads to a sense of entitlement. Which leads to a mindset of laziness and an inability to change. Which leads to mediocrity. Which leads to getting away with bad behavior and poor decisions and eventually open injustice. Which leads to an utter lack of personal responsibility for your own actions and a hatred of any kind of accountability. Which leads to an inflated ego and an over-sensitivity to valid criticism. Which leads to thinking that any genuinely deserved criticism is just "an attack" that is "toxic" and "shaming." Which leads to a victim mentality. Which leads to a sort of modern fragility and weakness of character. Which leads to depression and a deep sense of general anxiety. In trying to make women "happy" by lying to them and telling them whatever they want to hear, feminists and simps have actually made modern women depressed and miserable. They're depressed and miserable because they have become weak and fragile, complacent and sub-par, and so entitled and bratty and irresponsible that they have become insufferable and nobody wants to be around them except others just like them. The strong, responsible, successful masculine man that such women long for avoids them entirely, because he doesn't have time for their brand of whiny entitlement or crazy delusions of granduer or lazy uselessness. Only weak spineless males and fellow self-centered women accept this sort of dynamic. Others don't. Mature adults, both men and women, who possess some level of emotional regulation and psychological stability and an acceptance of reality, understand that they are not perfect and that everyone has flaws that must be addressed and blind spots that must be found and corrected. They understand that change is necessary for growth. They accept responsibility and hold themselves and others accountable for their actions, and are strong enough to face the truth about themselves and adjust accordingly. They don't want to be told sweet lies that will give them a false sense of security; they would rather learn the truth and work with reality even if it is initially painful. They become stronger and more resilient over time. But liberalism and feminism teach the opposite of reality, strength, resilience. They train women to be fragile, hypersensitive, and self-deluded. Blind to their own blind spots. Feminism has, weirdly, created a generation of modern women who are an odd mix of opposites: tyrannical victims, whiny tyrants. Fragile dictators, weak queens. Perfect failures. A fake "beauty" that hides ugliness underneath. A fake "strength" that hides weakness and fragility underneath. A fake "perfect' that hides a tangled mess of imperfections and delusions and dysfunctions underneath. The message that's aggressively given to modern women is: "You are PERFECT as is! You don't have to change anything about yourself! Every part of you is beautiful! You're a queen! No matter what you do or say, you're right!" As Muslims, we see this for the delusional lie that it is. Islamically, this lie sold to modern women is very dangerous. If we are already perfect, then where's the need for tawba (توبة, repentance) or istighfar (استغفار, seeking Allah's forgiveness)? What's the use of مجاهدة النفس, struggling against the lower self? What's the use of تزكية النفس , tazkiyat an-nafs, purifying the self?

photo content

প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাস্টার প্ল্যান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যা অর্জনের নামে আসলে কী হচ্ছে? ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমিকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে সময় কাটাচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ প্রতিটি শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। জনৈক ভার্সিটি শিক্ষার্থীর বক্তব্য: “আমার এক বন্ধু পড়াশোনার পাশাপাশি একটি আবাসিক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। তার ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম খালি থাকে না। সে বলছে, বেশিরভাগই ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রী। প্রতি রাতে ১৫০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকছে। বেশিরভাগ মেয়েই মুখে হিজাব পরে আসে। অথচ ক্যাম্পাসে দেখা হলে অনেকে মুখ ঢেকে চলে যায়। এটা তো মাত্র একটা হোটেলের তথ্য, অথচ শহরে অসংখ্য হোটেল!” আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য এটাকে পুরোদস্তুর ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। প্রিয় অভিভাবকেরা, এটাই আপনাদের মেয়েদের বাস্তবতা! যাকে আপনি পুরো রমরমা ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পাঠিয়েছেন, সে যথাযথ “অর্জন” করেই ঘরে ফিরছে। অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে আসা মেয়েটা দীর্ঘ সময় ছেলেদের সাথে উঠাবসা করে। এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকে না। তারা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে বলে। শুনতে শুনতে মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সবচেয়ে তীব্র চাহিদা, তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। ফলে অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা। সবচেয়ে বড় পরিতাপের বিষয় হলো— এই মেয়েরা তো সারাজীবন এভাবে চলতে পারবে না। ভার্সিটি শেষে একদিন এদেরই কেউ না কেউ আপনার-আমার ঘরে স্ত্রী হয়ে আসবে। আর সেই লজ্জাহীন নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগ দিতে পারবে না। পারবে না সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো— অভিভাবক হিসেবে আপনি কি চান যে, ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? বিকল্প অনেক আছে। কিন্তু পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক আর পশ্চিমা সভ্যতার বিষপাশে আচ্ছন্ন হয়ে আমরা সেগুলো দেখতে পাই না। আসুন, পরিবর্তন হই। ধাবিত হই রবের দিকে। মৃত্যুকে ভয় করি। আখিরাতের পাথেয় গ্রহণ করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন। সমাজকে অশ্লীলতামুক্ত করে দিন।🤲 কপি

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে। ১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে। ২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়। ৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়। ৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷ ৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন। ৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা। ৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন। ৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷ ৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে। ১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে। ১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। . এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ। -সংগৃহীত

★যাদের রিযিকে সমস্যা, ইনকামে বারাকাহ পাচ্ছেন না কিংবা বিয়েতে ঝামেলা...তাদের জন্য একটা ইফেক্টিভ আমল.. প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ পাঠ করবেন ও ১০০০ বার ইস্তিগফার করবেন। শর্ত ২ টা.. ১- হালাল রিযিক ভক্ষণ করতে হবে। ২- মনযোগ দিয়ে পাঠ করতে হবে।(এমন যেনো না হয় দুরুদ আর ইস্তিগফার মুখ দিয়ে শুধু পড়ে যাচ্ছেন আর অন্তর সেটা টেরই পাচ্ছে না...অন্তর অন্য চিন্তায় বিভোর) ★১ মাস পর আপটেড জানাবেন ইনশাআল্লাহ।