fa
Feedback
Book Collection

Book Collection

رفتن به کانال در Telegram

Various useful books & writings

نمایش بیشتر
1 318
مشترکین
+124 ساعت
+137 روز
+3130 روز
آرشیو پست ها
পুরুষ হিসেবে কোনদিন এভারেজ হইতে চাইবেন না। সব সময় সমাজের ধনী, পাওয়ারফুল এবং সিস্টেম মেকারদের একজন হতে চাইবেন। মনে রাখবেন একটা পুরুষ গরীব হলে তার স্ত্রী এবং সন্তান সমাজে গরীব হিসেবে গণ্য হয়। তার কোন রকম পাওয়ার না থাকলে তার নিজ পরিবারের কেউ কোন জায়গায় ভিক্টিম হলে সে নিজের পরিবারকে ইনসাফ এনে দিতে পারবে না। সে যদি সিস্টেম মেকারদের একজন না হয় তাহলে তার পরিবার সিস্টেমের শিকার হবে। মনে রাখবেন আপনি পুরষ। আপনার উপর নির্ভর করবে আপনার পরিবারকে সবাই সম্মান করবে নাকি কেউ গণনায় ধরবে না। নিজেকে শিক্ষা, যোগ্যতা, টাকা এবং ক্ষমতায় এমনভাবে বেস্টিত রাখবেন যাতে আপনার পরিবারের কোন সদস্য রাস্তা দিয়ে গেলে খারাপ লোকেরা বলে, বাদ দে ঐ লোকের ফ্যামিলি। একদম শেষ করে ফেলবে। আপনার পরিবারের কেউ অসুস্থ হলো আপনি বাঁচাতে না পারলেও সেরা চিকিতসা তাকে করাতে পারবেন। মনে একটা স্যাটিসফ্যাকসন থাকবে চেস্টা করেছিলেন। আপনার ফেইস ভ্যালু যেন আপনার স্ত্রী আর সন্তানদের সোসাইটিতে নিরাপদে রাখে। সোসাইটি ব্যক্তি নয় ব্যক্তির অবস্থানকে সম্মান করে। আপনার বদলতে যেন আপনার স্ত্রী আর সন্তান একটা ডিলুসনে বেঁচে যায় যে দুনিয়া একটা সুন্দর জায়গা।

★যাদুগ্রস্থ পেশেন্টদের ক্ষেত্রে একটি কমন সমস্যা "খাওয়ানো যাদু".. সেটা হতে পারে সরাসরি খাবারের মাধ্যমে অথবা স্বপ্নে জ্বীনের মাধ্যমে (বেশিরভাগ স্বপ্নেই খাওয়ানো হয়)। স্বপ্নে যাদু খাওয়ানোর কারন হচ্ছে পেশেন্টের শরীরে জ্বীনের প্রভাব ধরে রাখা...আমল,সাদাক্বা অথবা রুকইয়াহ'র মাধ্যমে যখন পেশেন্টের শরীরে জ্বীনের প্রভাব কমতে থাকে এবং জ্বীন দুর্বল হতে থাকে ..তখন সে স্বপ্নে পেশেন্টদের যাদু খাওয়ানোর ট্রাই করে।একারণে অধিকাংশ যাদুর পেশেন্ট স্বপ্নে খেতে দেখেন। এমন পেশেন্টদের জন্য পেট থেকে যাদু বের করার একটি চমৎকার উপায় হচ্ছে " ইস্তিফারগ" ★ইস্তিফারগ (إستفراغ) একটি আরবী শব্দ, যার অর্থ: বমি করা বা উদরস্থ বস্তু মুখ দিয়ে বের করে দেওয়া। এটি শরীর থেকে অবাঞ্ছিত বা অতিরিক্ত কিছু বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া, যা কখনো প্রাকৃতিকভাবে ঘটে, আবার কখনো চিকিৎসা বা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটানো হয়। ★ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তার বই "আত-তিব্বুন্নববী"–তে বলেন: “ইস্তিফারগ শরীরের জন্য উপকারী, কারণ এতে দেহে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ(যাদু,বদনজর,হাসাদ) বের হয়ে যায়।” হাকিমি চিকিৎসায় রোগ নিরাময়ের জন্য ইস্তিফারগ করানো হয় (যাকে বলে "ইলাজ বিল ইস্তেফরাগ")। অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ, বিষাক্ত পদার্থ, অথবা খাদ্যে বিষক্রিয়ার সময় ইস্তিফারগ উপকারী হয়। ★ইস্তিফারগের নিয়ম: সকালে খালি পেটে ২ লিটার পানি নিবেন... এর মধ্যে ৭টা বরই পাতা বেটে মিশাবেন..এরপর ফাতিহা,আয়াতুল কুরসি,ইখলাস,ফালাক্ব,নাস..প্রত্যেকটা ৩ বার করে পড়বেন আর পানিতে ফুঁ দিবেন..পড়া শেষ হলে ১ লিটার পানি পান করবেন(পেটের যাদু বের করার নিয়্যাতে).. এরপর পেটের যাদু বের করার/খুরুজের আয়াতের অডিও শুনবেন ইয়ারফোন লাগিয়ে... অডিও চলাকালিন সময়ে আরো ১ লিটার খাবেন... এভাবে ৩ দিন করলে ইনশাআল্লাহ পেটের যাদু বের হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ... পাশাপাশি শারিরীক অনেক রোগ থেকেও সুস্থ হবেন ইনশাআল্লাহ।

What's the use of being vigilant against أمراض القلوب, diseases of the heart? If we are already perfect, then why did Prophet Muhammad ﷺ tell us this hadith on human imperfection? كل ابن آدم خطاء وخير الخطائين التوابون. "Every child of Adam is one who frequently makes mistakes, and the best of those who frequently make mistakes are those who frequently repent." If we are not responsible for anything we do because we are just so amazing all the time, then why did Prophet Muhammad ﷺ teach us this hadith on responsibility? الا كلكم راع وكلكم مسؤول عن رعيته... "Indeed, each of you is a shepherd and each of you will be asked about/ held accountable for his responsibility..." If accountability is "shaming," then why did Umar ibn al-Khattab رضي الله عنه famously say, حاسبوا أنفسكم قبل أن تحاسبوا... "Hold yourself accountable before you are held accountable [by Allah on the Day of Judgment]..." All of these basic principles we have in Islam directly contradict the delusional teachings of feminism. As Muslims, we know that this feminist "you are perfect, slay queen!!" is the path towards kibr (كبر, arrogance) which is the path of Shaytan, the path that leads away from Jannah. We know that perfection is only for Allah, and that we human beings (men or women) are not perfect and must always try to better ourselves. We accept that we are fully responsible for our own actions. We are cognizant of the importance of monitoring our heart for diseases like عجب (`ujb, self-amazement, being too pleased with oneself), laziness, arrogance, and self-delusion. So we believing Muslim women reject the feminist brainwashing of modern women that they are "perfect" no matter what. May Allah save us from arrogance, entitlement, and self-deceit, and grant us clean hearts, ameen. Umm Khalid

This sort of generic, toxic-positive over-generalization is a staple of modern feminism. And it has ruined many women. I randomly came across this anonymous comment on some video online: (You see and hear this everywhere nowadays) "Every girl is perfect the way she is, no matter how she looks, feels, speaks, or anything!" What's so wrong about this statement? One the surface, it seems nice, right? Encouraging. Accepting. Inclusive. Empowering. But in reality, this statement isn't "empowering" at all-- it's enabling. It enables bad behavior. It normalizes bad habits. It makes acceptable the unacceptable. This leads to a sense of complacency. Which leads to a sense of entitlement. Which leads to a mindset of laziness and an inability to change. Which leads to mediocrity. Which leads to getting away with bad behavior and poor decisions and eventually open injustice. Which leads to an utter lack of personal responsibility for your own actions and a hatred of any kind of accountability. Which leads to an inflated ego and an over-sensitivity to valid criticism. Which leads to thinking that any genuinely deserved criticism is just "an attack" that is "toxic" and "shaming." Which leads to a victim mentality. Which leads to a sort of modern fragility and weakness of character. Which leads to depression and a deep sense of general anxiety. In trying to make women "happy" by lying to them and telling them whatever they want to hear, feminists and simps have actually made modern women depressed and miserable. They're depressed and miserable because they have become weak and fragile, complacent and sub-par, and so entitled and bratty and irresponsible that they have become insufferable and nobody wants to be around them except others just like them. The strong, responsible, successful masculine man that such women long for avoids them entirely, because he doesn't have time for their brand of whiny entitlement or crazy delusions of granduer or lazy uselessness. Only weak spineless males and fellow self-centered women accept this sort of dynamic. Others don't. Mature adults, both men and women, who possess some level of emotional regulation and psychological stability and an acceptance of reality, understand that they are not perfect and that everyone has flaws that must be addressed and blind spots that must be found and corrected. They understand that change is necessary for growth. They accept responsibility and hold themselves and others accountable for their actions, and are strong enough to face the truth about themselves and adjust accordingly. They don't want to be told sweet lies that will give them a false sense of security; they would rather learn the truth and work with reality even if it is initially painful. They become stronger and more resilient over time. But liberalism and feminism teach the opposite of reality, strength, resilience. They train women to be fragile, hypersensitive, and self-deluded. Blind to their own blind spots. Feminism has, weirdly, created a generation of modern women who are an odd mix of opposites: tyrannical victims, whiny tyrants. Fragile dictators, weak queens. Perfect failures. A fake "beauty" that hides ugliness underneath. A fake "strength" that hides weakness and fragility underneath. A fake "perfect' that hides a tangled mess of imperfections and delusions and dysfunctions underneath. The message that's aggressively given to modern women is: "You are PERFECT as is! You don't have to change anything about yourself! Every part of you is beautiful! You're a queen! No matter what you do or say, you're right!" As Muslims, we see this for the delusional lie that it is. Islamically, this lie sold to modern women is very dangerous. If we are already perfect, then where's the need for tawba (توبة, repentance) or istighfar (استغفار, seeking Allah's forgiveness)? What's the use of مجاهدة النفس, struggling against the lower self? What's the use of تزكية النفس , tazkiyat an-nafs, purifying the self?

photo content

প্রজন্মের 'মা' ধ্বংসের মাস্টার প্ল্যান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যা অর্জনের নামে আসলে কী হচ্ছে? ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়েদের একটা অংশ দেহব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। আরেকটা বড় অংশ প্রেমিকের সাথে রুমডেট, মেস, আবাসিক হোটেল, ডার্ক রেস্টুরেন্ট, হাইড আউট, পার্কে সময় কাটাচ্ছে। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ প্রতিটি শহরে এরা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। জনৈক ভার্সিটি শিক্ষার্থীর বক্তব্য: “আমার এক বন্ধু পড়াশোনার পাশাপাশি একটি আবাসিক হোটেলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছে। তার ডিউটি রাতে। বিশাল বড় হোটেলের কোনো রাতেই খুব একটা রুম খালি থাকে না। সে বলছে, বেশিরভাগই ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রী। প্রতি রাতে ১৫০০-৫০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করে এক রাতের স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকছে। বেশিরভাগ মেয়েই মুখে হিজাব পরে আসে। অথচ ক্যাম্পাসে দেখা হলে অনেকে মুখ ঢেকে চলে যায়। এটা তো মাত্র একটা হোটেলের তথ্য, অথচ শহরে অসংখ্য হোটেল!” আরেকটা অংশ ভার্সিটির খরচসহ বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য এটাকে পুরোদস্তুর ব্যবসা হিসেবে নিয়েছে। একটা চক্র দালালের ভূমিকায় কন্টাক্ট করে দেয়। প্রিয় অভিভাবকেরা, এটাই আপনাদের মেয়েদের বাস্তবতা! যাকে আপনি পুরো রমরমা ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পাঠিয়েছেন, সে যথাযথ “অর্জন” করেই ঘরে ফিরছে। অনার্সের বয়সটা এমন যে, কনজারভেটিভ পরিবার থেকে আসা মেয়েটা দীর্ঘ সময় ছেলেদের সাথে উঠাবসা করে। এই বয়সের ছেলেদের তেমন ভয় থাকে না। তারা নিঃসংকোচে গোপন কথাবার্তা মেয়ে বন্ধুকে বলে। শুনতে শুনতে মেয়েদের লজ্জা কমে যায়। আর জৈবিক চাহিদা যেহেতু নারী-পুরুষের সবচেয়ে তীব্র চাহিদা, তাই ভয়হীন ছেলে আর লজ্জাহীন নারীর জন্য এটা সহজ হয়ে যায়। ফলে অবাধে চলছে আপনার মেয়ের যৌন প্রেম অথবা রমরমা যৌন ব্যবসা। সবচেয়ে বড় পরিতাপের বিষয় হলো— এই মেয়েরা তো সারাজীবন এভাবে চলতে পারবে না। ভার্সিটি শেষে একদিন এদেরই কেউ না কেউ আপনার-আমার ঘরে স্ত্রী হয়ে আসবে। আর সেই লজ্জাহীন নারী তখন স্বামীকে মমতা, প্রেম, তীব্র আবেগ দিতে পারবে না। পারবে না সন্তানকে নৈতিকতার শিক্ষা দিতে। এভাবেই প্রজন্মের মায়েরা ধ্বংস হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো— অভিভাবক হিসেবে আপনি কি চান যে, ক্যারিয়ারের নামে আপনার কলিজার টুকরো মেয়েটা নিজের ইজ্জত বিলিয়ে দিক? বিকল্প অনেক আছে। কিন্তু পুঁজিবাদী মস্তিষ্ক আর পশ্চিমা সভ্যতার বিষপাশে আচ্ছন্ন হয়ে আমরা সেগুলো দেখতে পাই না। আসুন, পরিবর্তন হই। ধাবিত হই রবের দিকে। মৃত্যুকে ভয় করি। আখিরাতের পাথেয় গ্রহণ করি। আল্লাহ আমাদের সকলকে তাওফিক দান করুন। সমাজকে অশ্লীলতামুক্ত করে দিন।🤲 কপি

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে। ১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে। ২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়। ৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়। ৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷ ৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন। ৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা। ৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন। ৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷ ৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে। ১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে। ১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। . এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ। -সংগৃহীত

★যাদের রিযিকে সমস্যা, ইনকামে বারাকাহ পাচ্ছেন না কিংবা বিয়েতে ঝামেলা...তাদের জন্য একটা ইফেক্টিভ আমল.. প্রতিদিন ১০০০ বার দুরুদ পাঠ করবেন ও ১০০০ বার ইস্তিগফার করবেন। শর্ত ২ টা.. ১- হালাল রিযিক ভক্ষণ করতে হবে। ২- মনযোগ দিয়ে পাঠ করতে হবে।(এমন যেনো না হয় দুরুদ আর ইস্তিগফার মুখ দিয়ে শুধু পড়ে যাচ্ছেন আর অন্তর সেটা টেরই পাচ্ছে না...অন্তর অন্য চিন্তায় বিভোর) ★১ মাস পর আপটেড জানাবেন ইনশাআল্লাহ।

জীবনে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন? সূরা ফাতেহার এই আমলটি করুন! মানুষের জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। কেউ চাকরিতে ব্যর্থ হয়, কেউ সম্পর্কে, কেউ ব্যবসায়, আবার কেউ নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে বারবার হোঁচট খায়। কিন্তু একজন মুমিন কখনো হতাশ হয় না। কারণ সে জানে—আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া হারাম। অনেক সময় আমরা দুনিয়ার সব দরজায় কড়া নাড়ি, অথচ আসমানের দরজায় কড়া নাড়তে ভুলে যাই। অথচ আল্লাহ এমন একটি সূরা দিয়েছেন, যা পুরো কুরআনের সারাংশ—সূরা আল-ফাতেহা। এই সূরার মাঝে রয়েছে রহমত, হিদায়াত, শিফা এবং সফলতার চাবিকাঠি। ✅ সূরা ফাতেহার মহত্ব আল্লাহ তাআলা বলেন— “আমি আপনাকে দিয়েছি সাতটি বার বার পাঠ করা আয়াত এবং মহান কুরআন।” — সূরা হিজর: ৮৭ মুফাসসিরগণ বলেন, এখানে “সাতটি বার বার পাঠ করা আয়াত” বলতে সূরা ফাতেহাকেই বোঝানো হয়েছে। রাসূল ﷺ বলেছেন— “সূরা ফাতেহা হলো কুরআনের সবচেয়ে মহান সূরা।” — সহিহ বুখারি আরেক হাদিসে এসেছে— “সূরা ফাতেহা শিফা।” — সহিহ বুখারি অর্থাৎ এই সূরা শুধু শারীরিক নয়, মানসিক ভাঙন, হতাশা ও আত্মিক অস্থিরতারও চিকিৎসা। ✅ কেন বারবার ব্যর্থতা আসে? অনেক সময় ব্যর্থতার কারণ হয়— ▪️আল্লাহর উপর ভরসা কমে যাওয়া ▪️গুনাহে জড়িয়ে পড়া ▪️নামাজ ও দোয়ায় অবহেলা ▪️হতাশা ও নেগেটিভ চিন্তা ▪️ধৈর্যের অভাব ▪️রিজিক ও কাজে বরকত না থাকা আর এসব সমস্যার সমাধানের জন্য সূরা ফাতেহা এক অসাধারণ আমল। ✅ সূরা ফাতেহার বিশেষ আমল আমলটি যেভাবে করবেন ১. সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ার আমল (সবচেয়ে বেশি উল্লেখিত) ▪️অজু করে নিন। ▪️কোনো শান্ত জায়গায় বসুন। ▪️প্রথমে ৩-১১ বার দরূদ শরীফ পড়ুন (যেমন: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ...)। ▪️তারপর সূরা ফাতিহা ৪১ বার পড়ুন (সঠিক তাজবিদে)। ▪️শেষে আবার ৩-১১ বার দরূদ পড়ুন। ▪️তারপর আল্লাহর কাছে দোয়া করুন: ব্যর্থতা দূর হওয়া, সফলতা, রিজিক, মনের শান্তি, যা চান তা বলুন। ▪️সময়: ফজরের পর, মাগরিব-এশার পর বা রাতের শেষ প্রহরে (তাহাজ্জুদের সময়) করলে বেশি ফজিলত। ▪️মেয়াদ: ৭, ১১, ২১ বা ৪১ দিন পর্যন্ত নিয়মিত করুন। ▪️উপকার: অনেকে বলেন—রিজিক বাড়ে, ব্যর্থতার চক্র ভাঙে, মনের অস্থিরতা কমে, দোয়া কবুল হয়। ২. সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত ভিত্তিক আমল (ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তা’ঈন) ▪️এ আয়াতটি পড়ুন: إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (অর্থ: আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।) ▪️২১ বা ৪১ বার পড়ুন (বা পুরো সূরা ফাতিহা ২১/৪১ বার)। ▪️এতে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখার তাকিদ আছে, যা ব্যর্থতার মূল কারণ (নিজের উপর বেশি ভরসা) দূর করে। ▪️২১-৪১ দিন করুন। ৩. সহজ দৈনিক আমল (দোয়া কবুলের জন্য) ▪️দরূদ ৩ বার। ▪️সূরা ফাতিহা ৭ বার। ▪️সূরা ইখলাস ৯ বার (বা ৩ বার)। ▪️শেষে দোয়া করুন। ▪️এটা অনেকে ব্যর্থতা, অভাব দূর করতে করে। ৪. গুরুত্বপূর্ণ কথা ▪️ইখলাস ও বিশ্বাস সবচেয়ে বড়। শুধু সংখ্যা নয়, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। ▪️আমল করার সময় দোয়া করবেন: "ইয়া আল্লাহ! আমার জীবনের ব্যর্থতাগুলো দূর করে দাও, আমাকে সঠিক পথে রাখো, রিজিক বাড়িয়ে দাও, হতাশা দূর করো।" ▪️নিয়মিত নামাজ, ইস্তিগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ ১০০ বার), দরূদ পড়া চালিয়ে যান—এগুলো ব্যর্থতা ভাঙার সবচেয়ে বড় অস্ত্র। ✅ হতাশ হবেন না আল্লাহ তাআলা বলেন— “নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।” — সূরা আশ-শারহ: ৬ আজ আপনি ব্যর্থ হচ্ছেন মানে এই নয় যে আল্লাহ আপনাকে ভুলে গেছেন। হয়তো তিনি আপনাকে আরও বড় কিছুর জন্য প্রস্তুত করছেন। ✅ একটি বাস্তব শিক্ষা ইউসুফ (আ.)-কে কূপে ফেলা হয়েছিল, দাস হিসেবে বিক্রি করা হয়েছিল, অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দী করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাকেই মিশরের ক্ষমতাবান ব্যক্তি বানিয়েছিলেন। তাই দেরি মানেই অস্বীকার নয়। আল্লাহ যখন দেন, তখন কল্পনার চেয়েও উত্তম কিছু দেন। ✅ মনে রাখবেন ▪️ব্যর্থতা শেষ নয় ▪️দোয়া কখনো বিফলে যায় না ▪️আল্লাহর সাহায্য আসতে দেরি হতে পারে, কিন্তু তা নিশ্চিত ▪️সূরা ফাতেহা শুধু একটি সূরা নয়, এটি একজন মুমিনের শক্তি ✅ শেষ কথা আজ থেকে অভিযোগ কমিয়ে দিন, সূরা ফাতেহার সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে দিন। হয়তো আপনার জীবনের অন্ধকার সময়টিই আপনাকে আল্লাহর সবচেয়ে কাছে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যম। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সূরা ফাতেহার বরকতে দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা দান করুন। আমিন।

গতকাল বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বিকেলের দিকে এক ভাই তার ওয়াইফের সাথে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন। কোন
গতকাল বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। বিকেলের দিকে এক ভাই তার ওয়াইফের সাথে কেনাকাটা করতে এসেছিলেন। কোন এক বিষয়ে দুজনের ঝ-গড়ার এক পর্যায়ে ৮ তলা থেকে ভাই রা-গ করে লা-ফিয়ে পড়েন। নিচে একদম সেন্ট্রাল এক্সেলেটরের পাশে পড়ে তার ব-ডিটা। সম্ভবত মা-রা গেছেন। মার্কেটের সবাই এমনটাই বলছিলো। যদিও আমি চাই আল্লাহ যেন উনার এই ভুলটা মাফ করে উনাকে এবারের মতোন বাঁচিয়ে দেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, যে জায়গায় কিছুক্ষণ আগেও র-ক্তে ভেসে যাচ্ছিলো, সেই জায়গাটা একদম পরিষ্কার। তার উপর দিয়ে মানুষ হেসে হেসে হেঁটে যাচ্ছে। খুব ইচ্ছে করছিলো সেই ভাইকে ডাকি। ডেকে বলি যে, "দেখতে পাচ্ছেন? আপনার এই স্বেচ্ছা-মৃ-ত্যু কারও কোনকিছু আটকে রাখেনি। জগৎ আপনার নামে কোন সমাধি তৈরী করেনি। এমনকি আপনার র-ক্তের দাগ শুকোবার আগেই সেটার উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া লোকেরা নিজেদের স্বপ্ন বুনছে।" রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ❝যে ব্যক্তি যে বস্তু দ্বারা নিজেকে হ_-ত্যা করবে, সেই বস্তু দ্বারা তাকে কি-য়া-মতের দিন শা_-স্তি দেওয়া হবে।❞ [সহীহ বুখারী]

আমল: রিয়া, ভুল নিয়ত, গোপন গুনাহ ও আমলে অহংকার থেকে বাঁচার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন। ১০. সব কাজের সংশোধন ও নিজের ওপর ছেড়ে না দেওয়ার দোয়া يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ، بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ، أَصْلِحْ لِي شَأْنِي كُلَّهُ، وَلَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ উচ্চারণ: ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ূম, বিরাহমাতিকা আসতাগীস, আসলিহলি শা’নি কুল্লাহু, ওয়া লা তাকিলনি ইলা নাফসি তরফাতা আইন। অর্থ: হে চিরঞ্জীব, হে সবকিছুর ধারক, আপনার রহমতের মাধ্যমে আমি সাহায্য চাই। আমার সব বিষয় সংশোধন করে দিন। চোখের পলক পরিমাণ সময়ের জন্যও আমাকে আমার নিজের ওপর ছেড়ে দেবেন না।

আরাফার দিনের সেরা দোয়াগুলো নবী করিম ﷺ বলেছেন— “সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।” আরাফার দিন হলো তাওবার দিন, ক্ষমার দিন, জাহান্নাম থেকে মুক্তির দিন, আর আল্লাহর কাছে ফিরে আসার দিন। এই দিনে নিজের ভাষায়ও দোয়া করুন। আর নবী করিম ﷺ থেকে প্রমাণিত দোয়াগুলোও বেশি বেশি পড়ুন। হতে পারে আজকের একটি দোয়াই আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেবে। ১. আরাফার দিনের শ্রেষ্ঠ জিকির لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদীর। অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসাও তাঁরই। আর তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আমল: আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন; অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করবেন। ২. নবী করিম ﷺ-এর বেশি পড়া দোয়া رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ উচ্চারণ: রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আযাবান্নার। অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আমল: আরাফার দিন দুনিয়া, আখিরাত, পরিবার, রিজিক ও জান্নাতের জন্য ৭ বার পড়বেন। ৩. ক্ষমা ও রহমতের দোয়া رَبَّنَا ظَلَمْنَا أَنْفُسَنَا وَإِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ উচ্চারণ: রব্বানা যালামনা আনফুসানা, ওয়া ইল্লাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা, লানাকূনান্না মিনাল খাসিরীন। অর্থ: হে আমাদের রব, আমরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছি। আপনি যদি আমাদের ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি দয়া না করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব। আমল: নিজের গুনাহ, ভুল ও তাওবার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার বা বেশি বেশি পড়বেন। ৪. অন্তর ঠিক রাখার দোয়া يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ، ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ উচ্চারণ: ইয়া মুকাল্লিবাল কুলূব, সাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক। অর্থ: হে অন্তরসমূহ পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন। আমল: ঈমান, হিদায়াত, গুনাহ থেকে বাঁচা ও দ্বীনের ওপর অটল থাকার জন্য ৭ বার পড়বেন। ৫. জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয়ের দোয়া اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ, ওয়া আউযু বিকা মিনান্নার। অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আমল: আরাফার দিনে জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশায় ৭ বার পড়বেন। ৬. ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তার দোয়া اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ। অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা, সুস্থতা ও নিরাপত্তা চাই। আমল: শরীর, মন, ঈমান, পরিবার ও আখিরাতের নিরাপত্তার জন্য সকাল-সন্ধ্যা ১ বার এবং আরাফার দিনে বেশি বেশি পড়বেন। ৭. উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক ও কবুল আমলের দোয়া اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিআ, ওয়া রিজকান তাইয়িবা, ওয়া আমালাম মুতাকাব্বালা। অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিজিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই। আমল: আরাফার দিনে জ্ঞান, হালাল রিজিক ও আমল কবুলের জন্য ৩ বার পড়বেন। ৮. ঋণ, দুশ্চিন্তা ও কষ্ট থেকে মুক্তির দোয়া اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযান, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসাল, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবন, ওয়া দলাইদ্দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল। অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার এবং মানুষের প্রভাব-চাপ থেকে। আমল: ঋণ, দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও আর্থিক কষ্ট দূর হওয়ার জন্য আরাফার দিনে ৩ বার পড়বেন। ৯. শিরক, গোপন গুনাহ ও ভুল নিয়ত থেকে বাঁচার দোয়া اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَنَا أَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া আনা আ‘লাম, ওয়া আনা আসতাগফিরুকা লিমা লা আ‘লাম। অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই—জেনে আপনাকে শরিক করা থেকে। আর যা আমি জানি না, তার জন্য আপনার কাছে ক্ষমা চাই।

🟥 কি কি চাইবেন আল্লাহর কাছে মোনাজাতে সিজদায় সালাম ফিরানোর আগে? 🟥 ১. নিজের হিদায়াহ ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাওহীদের পথে থাকার তাওফিক। ২. আজীবন শারীরিক মানসিক সুস্থতা,এমন সুস্থতা যেনো শরীরের ভিতর কোনো রোগই অবশিষ্ট না থাকে। সুকুন। ৩. উত্তম, হালাল ও পবিত্র রিযিক্ব। ৪. বাবা মা পরিবারের হিদায়াহ ও তাদের সুস্থতার সাথে নেক লম্বা দীর্ঘ হায়াত। ৫. নেককার চক্ষুশীতলকারী জীবনসঙ্গী ও সন্তান। যারা মুসলিম উম্মাহর উপকারে আসবে। ৬. নিজের ও পরিবারের জন্য কবর-জাহান্নামের আযাব থেকে পানাহ । ৭. কিয়ামতের দিন পরিবার সহ আল্লাহর আরশের ছায়া ৮. হিসাব সহজ হওয়ার জন্য দোয়া ৯. ডানহাতে আমলনামা পাওয়া ১০. মিযানের পাল্লা নেকি দ্বারা ভারী ১১. চোখের পলকে পুলসিরাত পার হওয়া ১২. রাসূল ﷺ এর হাতে হাউযে কাওসারের পানি পান ১৩. বিনা হিসাবে বিনা আযাবে পরিবারের সাথে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব। ১৪. কিয়ামতের দিন রাসূল ﷺ এর সুপারিশ নসীব। ১৫. জান্নাতে রাসূল ﷺ এর প্রতিবেশী হওয়ার তাওফিক। ১৬. উত্তম সুন্দর শহীদি মৃত্যু, জীবন মৃত্যুর ফিতনা থেকে পানাহ ১৭. আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে পবিত্র আত্মা নিয়ে মৃত্যু ১৮. সকল মুসলিম উম্মাহর জন্য হিদায়াতের, জান্নাতের দোয়া। ১৯. স্বামীর হায়াত ও রোজগারে বারাকাহ ২০. অল্প বয়সে বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত হওয়া থেকে পানাহ ২১. সময়ে বারাকাহ ২২. নেক আমল, ইবাদাত, দোয়াতে বারাকাহ ২৩. কবুলযোগ্য ইবাদাত করার তাওফিক পাওয়া ২৫. অধিকহারে দান সাদাকা করার তাওফিক পাওয়া ২৫. কবুলযোগ্য উমরাহ ও হাজ্জ করার তাওফিক ২৬. মাদীনাবাসী হওয়ার তাওফিক ২৭. মাদিনাতে ঈমানি হালতে মৃত্যুর তাওফিক ২৮. আল্লাহর শোকর গুজার বান্দা হওয়ার তাওফিক ২৯. বিপদে উত্তম সবর করার তাওফিক ৩০. ইখলাস ও আখলাক্বে বারাকাহ ৩১. শির্ক বিদাত মুক্ত জীবন ৩২. জবান হেফাজত করার তাওফিক ৩৩. গীবত মিথ্যা, পরনিন্দা, হিংসা, অহংকার থেকে বিরত থাকার তাওফিক ৩৪. অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি হওয়া থেকে পানাহ ৩৫. দিনে রাতে কুরআন ও যিকিরের সাথে লেগে থাকার তাওফিক ৩৬. সিজদাহ্, সালাম ফিরানোর আগে ও মোনাজাতে কবুলযোগ্য দোয়া করার তাওফিক ৩৭. অযথা অহেতুক ঘর থেকে বের হওয়া থেকে পানাহ ৩৮. দিনে রাতের সুন্নাহ আমলের তাওফিক ৩৯. দ্বীনের জ্ঞান অর্জনে বারাকাহ পাওয়া ৪০. বাবা মা ও স্বামী সন্তানের সাথে উত্তম ব্যবহার করার তাওফিক। ৪১. মানুষের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ। সকল অবস্থায় আল্লাহর মুখাপেক্ষী হওয়ার তাওফিক। ৪২. ঋণ থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক। ৪৩. হালাল রিযিক্বে অনেকবেশি বারাকাহ পাওয়া, হালালে সন্তুষ্ট থাকার তাওফিক। সে সম্পদ বিনাহিসাবে আল্লাহর রাস্তায় দান করার তাওফিক। ৪৪. শয়তান ও অতৃপ্ত নফসের ওয়াসওয়াসা থেকে পানাহ ৪৫. কবুলযোগ্য ইবাদাতকারী, শুকরিয়া আদায় কারী, যিকর ও তিলাওয়াতকারী, তাকওয়াবান হওয়ার তাকফিক। ৪৬. আল্লাহর প্রতি বিনয়ী, আনুগত্যকারী ও বেশি বেশি তওবাকারী হওয়ার তাওফিক। ৪৭. যাদের সাথে থাকলে ইমান আমল ইখলাসে আখলাক্বে বারাকাহ আসবে, তাদের সঙ্গ পাওয়ার তাওফিক। ৪৮. যাদের সাথে থাকলে ইমান আমল দুর্বল ও নষ্ট।হয়ে যায়, তাদের কাছ থেকে পানাহ। ৪৯. আমানত রক্ষা করার তাওফিক। অন্যের সম্মান ও সম্পদ খিয়ানত করা থেকে পানাহ। ৫০. আকস্মিক মৃত্যু থেকে পানাহ। ৫১. কুরআন সুন্নাহভিত্তিক সঠিক দ্বীন প্রচারের তাওফিক। এই ছোট্ট দুনিয়ার জীবনে দোয়া চাওয়ার কোন শেষ নেই। দুনিয়াবিমুখ হয়ে, আখেরাতমুখী হোন। যেটাই দোয়া করবেন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হতে হবে। নিজের জন্য যা দোয়া করবেন একই দোয়া পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য করবেন। সকলের ভালো চেয়ে অন্তরকে প্রশস্ত সুস্থ রাখবেন। যতবেশি পারেন, দোয়া করতে থাকুন। কবুল হবেই ইন শা আল্লাহ। সাথে সাথে, নাহয় কিছুসময় পর। দুনিয়াতে নাহয় আখেরাতে। মুমিনের কোন লস নেই! 🌱 ____সংগৃহিত

একজন মুমিন বান্দা দশটি কারণে শয়তান থেকে নিরাপত্তা পেতে পারে– (১) আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়া বা 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম' পাঠ করা। (২) সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করা। (৩) আয়াতুল কুরসী পাঠ করা। (৪) সূরা আল-বাকারাহ পাঠ করা। (৫) সূরা আল-বাকারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করা। (৬) সূরা গাফির (সূরা মুমিন) এর শুরু থেকে পাঠ করা। (৭) "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদ ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর" পাঠ করা। (৮) অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করা। (৯) অধিক দৃষ্টিপাত, অধিক কথা, অধিক খাওয়া ও অধিক মেলামেশা থেকে বিরত থাকা। (১০) ওজু ও সালাত। ~ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম (রহ.) সূত্র: [বাদায়েউল ফাওয়ায়েদ, ২/২৬৭]

ছোট বেলায় আমার দাদীকে দেখতাম আরাফার সময়ে যতো পারতেন ইস্তেগফার করতেন। তাই ছোট্ট একটা রিমাইন্ডার দিতে আসলাম। ☀️ এই দিনের সর্বোচ্চ দোয়া দিয়ে শুরু করছি - "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।" আরো কিছু শর্টকাট জিকির আছে, যেগুলো সামনের কয়েকটা দিন সঙ্গী বানিয়ে রাখার চেষ্টা করেন ..✨🌷 "সুবাহানাল্লিহ ওয়া বিহামদিহি।" "ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম।" "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবাহানাকা ইন্নী কুন্তু মিনাজজোয়ালেমিন" "ইয়া আর হামার রাহিমীন।" সওয়াব প্রাপ্তির জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রফেটের উপর দরুদপাঠ। সাথে সুরা ফাতিহার "ইহদিনাস সিরাতুল মুস্তাকিম", সুরা ইখলাসের "লাম ইয়ালিদ, ওয়ালাম ইউ লাদ, ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ", আর সুরা আর রাহমানের "ফাবি আইয়ি আলায়ি রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান" পড়ার আমল করতে পারেন। নিজের জন্যসহ পুরো মানবজাতির জন্য দুনিয়া এবং আখিরাতের কল্যাণ দোয়ায় রাখেন। সুন্দর জীবন যাপনের জন্য যা যা লাগে - উত্তম রিজিক, শারিরীক সুস্থতা, মানসিক শান্তি, নিরাপত্তা, শ্রদ্ধা, বরকতময় সম্পদ, উত্তম সঙ্গী, নেক হায়াত, ডান হাতে তুলতে পারা আমল... ইত্যাদি সব কিছুর জন্যেই বিনীত হয়ে চাইতে থাকুন। দাদী বলতেন, "লাইলাতুল কদর যেমন বান্দাহর তাকদির বদলে দিতে পারে, তেমনি আরাফার দিন বান্দাহ রবের সাথে সবচেয়ে গভীর কানেকশন তৈরি করে নিতে পারে!" একবার ভাবুন, একটা দিন রোজা রেখে গুড ইনটেনশন নিয়ে আপনি রবের কাছে হাতে তুললেন, আর চমৎকার সব ব্যাপার আপনার সাথে ঘটতে শুরু করলো.... এর চাইতে সুন্দর আর কি হতে পারে! 🌸💫🌹👏 Sharmeen Shoheli May 25, 2026.

📢 ওয়াজিব তাকবিরের রিমাইন্ডার 📢 মনে রাখবেন ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল ফজর থেকে তাকবিরে তাশরীক শুরু হবে। ভুলে না যাওয়ার জন্য মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন ইনশাআল্লাহ ⏰ --- 🕋 ওয়াজিব তাকবিরে তাশরীক: > *_আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, > লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, > আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।_* --- 📅 সময়: ২৭ মে ফজর থেকে ৩১ মে আছর পর্যন্ত 👉 ৯ জিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্ব আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত 👨‍🦰 পুরুষগণ: উচ্চ আওয়াজে পাঠ করবেন 👩‍🦰 মহিলাগণ: নীরবে পাঠ করবেন আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন

✨✨ শত্রু দমনের পরীক্ষিত আমল ✨✨ ❌ সতর্কতা: এই আমল কখনো নিরীহ মানুষ বা যাদের কোনো দোষ নেই, তাদের ক্ষতি করার জন্য পড়া যাবে না। 👉 এটা শুধু সেই শত্রুর বিরুদ্ধে করা যাবে, যে আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে বা ক্ষতি করছে। 🔑 মনে রাখবেন — একমাত্র আল্লাহর সাহায্যেই শত্রুকে দমন করা সম্ভব। 📖 ধাপ ১ : সূরা লাহাব (৪১ বার) পড়ুন। بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ مَا أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ 🌟উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাবিওঁ ওয়া তাব্ব, মা আগনা আনহু মালুহু ওয়া মা কাসাব, সায়াসলা নারান যায়তা লাহাব, ওয়ামরাতুহু হাম্মালাতাল হাতাব, ফি জিদ্দিহা হাবলুম-মিম-মাসাদ। 📖 ধাপ ২ : সূরা ফাতির – আয়াত ২৬ (১০ মিনিট কমপক্ষে পাঠ করুন) আরবি: ثُمَّ أَخَذْتُ الَّذِينَ كَفَرُوا فَكَيْفَ كَانَ نَكِيرِ 🌟উচ্চারণ: সুম্মা আখাযতুল্লাযিনা কাফারু ফাকাইফা কানা নাকীর। অর্থ: তারপর আমি কাফেরদের পাকড়াও করেছি। অতএব আমার শাস্তি কেমন ছিলো! 📖 ধাপ ৩ : সূরা ফাতির – আয়াত ৭ (৫ মিনিট কমপক্ষে পাঠ করুন) আরবি: الَّذِينَ كَفَرُوا لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ ۖ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَهُم مَّغْفِرَةٌ وَأَجْرٌ كَبِيرٌ 🌟উচ্চারণ: আল্লাযিনা কাফারু লাহুম আজাবুন শাদীদ, ওয়াল্লাযিনা আমানু ওয়া আমিলুস সালিহাতি লাহুম মাগফিরাতুন ওয়া আজরুন কাবীর। অর্থ: যারা কুফরী করে তাদের জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে। আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার। 🔸 আমল করার নিয়ম 1️⃣ প্রথমে দরুদ শরীফ ৩ বার পড়ুন। 2️⃣ সূরা লাহাব ৪১ বার পড়ুন। 3️⃣ সূরা ফাতিরের ২৬ নং আয়াত ১০মিনিট পড়ুন। 4️⃣ সূরা ফাতিরের ৭ নং আয়াত ৫ মিনিট পড়ুন। 5️⃣ শেষে আবার দরুদ শরীফ ৩ বার পড়ে হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন — 👉 “হে আল্লাহ, আমাকে শত্রুর হাত থেকে হেফাজত করুন, শত্রুর শক্তি দুর্বল করে দিন এবং আমার উপর তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিন।” ✅ ফলাফল 🔹 আল্লাহর ইচ্ছায় শত্রুর ষড়যন্ত্র, জাদু, কুদৃষ্টি ও অপকারিতা থেকে আপনি হেফাজতে থাকবেন। 🔹 শত্রুর শক্তি ধ্বংস হয়ে যাবে, আর আল্লাহর রহমতে আপনি শান্তি ও নিরাপত্তা পাবেন। এবং সবাই যাতে উপকৃত হয় সেজন্য পেইজটি শেয়ার এবং ফলো করুন 👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇 ✒️ Raqi Hossain 🌿 @top fans

#৫৫৭৫ আপনি আপনার স্ত্রীকে যতই ভালোবাসেন, নিজের পরিবার পরিজন ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যারা তাকে কষ্ট দিতে চায়, সবার কাছ থেকে তাকে প্রটেক্ট করবেন না। আপনি কারো কারো কাছ থেকে প্রটেক্ট করবেন তাকে। বাট নেভার এভার ফ্রম এভ্রিবডি। যারাই সবার কাছ থেকে প্রটেক্ট করে ওয়াইফকে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু কনসিকোয়েন্সেস ঘটতে দেখা যায়। ১)স্ত্রী তখন সবার বা অন্তত অনেকের সাধারন শত্রুতে পরিনত হয়, আর স্ত্রীরও ছোটখাট ব্যাপারে কমপ্লেইন করার একটা টেন্ডেন্সি গ্রো করে। এতে কিছুদিন পরেই আপনার চোখে সে আর চার্মিং থাকবে না, বিরক্তিকর প্রানীতে পরিনত হবে। ২)স্ত্রীর ব্যাপারে আপনার ন্যায্য কথাও তখন অন্যদের চোখে অন্যায্য হয়ে যেতে শুরু করে। ফলে ছোটখাট ব্যাপারে আপনার কথার গুরুত্ব থাকলেও বড় ব্যাপারগুলোর ফয়সালা থেকে ধীরে ধীরে আপনাকে এড়ানোর একটা সিক্রেট মেকানিজম তৈরি হয়। ৩)তার চেয়ে যে নারীরা ইনফেরিওর, তাদের ভেতর প্রচন্ড ঈর্ষা বা হাসাদ তৈরি হয়, সেটা এমনকি হতে পারে আপনার মা, ভাবী, বোন বা তার মা, ভাবী/বোনের ভেতরেও। ৪)এই ঈর্ষা বাড়তে বাড়তেই একটা সময় তারা ব্ল্যাক ম্যাজিকের দিকে অগ্রসর হয়। এবং একবার এই জিনিস যে পরিবারে ঢোকে, ঐ পরিবার শেষ। এজন্য, যারা এইসব নিয়ে জানেন তাদের প্রয়োজনে নিজে কঠোর হওয়া উচিত ওয়াইফের সাথে, সবার সামনে, পরে আলাদাভাবে ম্যানেজ করা উচিত। এতে শত্রুরা সাময়িক তুষ্টিতে থাকবে, এগুলো তাদেরকে চুড়ান্ত ক্ষতির দিকে যাওয়া থেকে বিরত রাখবে। কিন্তু আপনি যখনই একদম সব কিছু থেকে স্ত্রীকে প্রটেক্ট করতে শুরু করবেন, সেও যাবে, আপনিও যাবেন। বড় ক্ষতির হাত থেকে বাচতে ছোটখাট মান অভিমান সহ্য করা যায়। বাংলাদেশের পরিবারগুলোয় জঘন্য ব্যাকস্ট্যাবিং কালচার সম্পর্কে যারা জানেন, কথাগুলো তারা মেলাতে পারবেন। যারা জানেন না বা জেনেও না জানার ভান করেন, তারা এই পোস্ট এড়িয়ে যাবেন। সজল ভাই থেকে

আমার নবীজি গণশিক্ষা কাযক্রমের আওতায় রচিত সংক্ষিপ্ত সীরাহ। বইটা দেশের কোটি কোটি শিক্ষার্থিকে বিনামূল্যে হাদিয়া দেয়া হবে। তাদেরকে বইটা আগাগোড়া পড়ানোর উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আপনার আন্তরিক পরামর্শ কাম্য। ইনশা আল্লাহ ওয়াফফাকানাল্লাহ জাযাকুমুল্লাহু খাইরান রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম

6 ways the Quran says to unlock rizq (and none of them involve a side hustle): 1. istighfar - "seek forgiveness... He will send rain in abundance" (71:10-11) 2. taqwa - "whoever is conscious of Allah, He will make a way out" (65:2) 3. tawakkul - "if you relied on Allah truly He would provide like He provides the birds" (hadith) 4. gratitude - "if you are grateful I will increase you" (14:7) 5. charity - "who is it that would loan Allah a goodly loan so He may multiply it" (2:245) 6. salah - "command your family to pray... We do not ask you for provision, We provide for you" (20:132) The wealth formula was never hidden. you just stopped reading.