Times Of Era
رفتن به کانال در Telegram
দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ, ফিলিস্তিন ইস্যু সহ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে খবরাখবর এবং বিশ্লেষণ ধর্মী পর্যালোচনা পেতে চোখ রাখুন আমাদের চ্যানেলে [Times Of Era]
نمایش بیشتر9 746
مشترکین
-624 ساعت
+37 روز
-330 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+28
در 1 کانالها
ژوئن '26
+156
در 1 کانالها
Get PRO
مه '26
+231
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+202
در 2 کانالها
Get PRO
مارس '26
+67
در 3 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+156
در 4 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+88
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+155
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+64
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+163
در 6 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+139
در 4 کانالها
Get PRO
اوت '25
+159
در 4 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+285
در 9 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+244
در 3 کانالها
Get PRO
مه '25
+174
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+204
در 7 کانالها
Get PRO
مارس '25
+169
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+168
در 5 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+345
در 6 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+1 222
در 15 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+1 001
در 11 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+1 039
در 12 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+208
در 3 کانالها
Get PRO
اوت '24
+1 603
در 40 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+3 625
در 38 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+79
در 2 کانالها
Get PRO
مه '24
+194
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+821
در 6 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 06 ژوئیه | +2 | |||
| 05 ژوئیه | +4 | |||
| 04 ژوئیه | +6 | |||
| 03 ژوئیه | +3 | |||
| 02 ژوئیه | +2 | |||
| 01 ژوئیه | +11 |
پستهای کانال
🕌 আধিপত্যবাদ বিরোধী দুর্গ ‘’বাবরি মসজিদ উত্তরবঙ্গ‘’ নির্মাণে আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য 🕌
আল্লাহর ঘর নির্মাণে অংশগ্রহণ করা একটি মহৎ আমল এবং সদকায়ে জারিয়ার উত্তম মাধ্যম। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান দিয়ে এই নেক কাজে শরিক হতে পারেন।
💳 ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য:
🏦 ব্যাংক: Al-Arafah Islami Bank PLC (Branch-Signboard)
👤 অ্যাকাউন্ট নাম: BABRI MASJID UTTARBANGA
🔢 অ্যাকাউন্ট নম্বর: 9901080313844
🏧 Routing No: 015670320
🌍 SWIFT Code: ALARBDDH
📲 বিকাশ | নগদ | রকেট (পার্সোনাল): 01338-592121
আপনার সামান্য অনুদানও আধিপত্যবাদবিরোধীএইদুর্গ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। আল্লাহ তাআলা সকল দাতার দান কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।
যোগাযোগ: 01338-592121 (হোয়াটস্যাপ)
| 2 | শাহ আমানত সাব্বির ভাইয়ের মার্শাল আর্ট শেখানোর ব্যাপারে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন।
সন্দেহবশত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে সর্বোচ্চ। গ্রেফতার ও রিমান্ড মঞ্জুর সুস্পষ্ট যুলুম। তাছাড়া এরা কেউই গোপন চক্রের সাথে জড়িত না। এমন প্রমাণ আজ অবধি কেউ দিতে পারেনি।
প্রকাশ্যে ইসলামপন্থীরা মার্শাল আর্ট/এমএমএ করলে যদি সেটা উ'গ্রবাদিতা হয় তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে এমএমএ/বক্সিং সহ যত রকমে ডিফেন্সিভ কার্যক্রম আছে সকলের জন্যই তা নিষিদ্ধ করে দিন। নয়তো এসব কাজ কেবল ইসলামপন্থীদের জন্য সন্দেহজনক হবে সেটা আমরা মানবো না। এসব আইনের দ্বিচারিতা মেনে নেয়াটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। | 244 |
| 3 | খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের করা ভুলগুলো কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান,কাতার এবং ইরানকে সহায়তাকারী হুথি, হামাস ও হিজবুল্লাহকেও পৃথকভাবে সুন্দর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩ তিলাওয়াত করা হয়।
"নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য দুটি দলের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে একটি নিদর্শন ছিল; একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অন্য দলটি ছিল কাফের (অবিশ্বাসী)...।" (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩)
ইরানের আসল বার্তা :
ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ ছিল হক (সত্য) ও বাতিলের (মিথ্যা) মধ্যকার প্রথম মুখোমুখি লড়াই। সৌদি আরবকে এই আয়াত শোনানোর অর্থ হলো—ইরান নিজেকে আল্লাহর পথের দল (হক) দাবি করছে। আর সৌদি আরব যেহেতু আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতিরোধ অক্ষের সরাসরি পক্ষে দাঁড়ায়নি, তাই ইরান তাদের পরোক্ষভাবে 'বাতিল' বা 'অবিশ্বাসী' শিবিরের কাছাকাছি অবস্থানকারী হিসেবে ইঙ্গিত করে এক কূটনৈতিক খোঁচা দিয়েছে।
তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯৫ তিলাওয়াত করা হয়।
"ঈমানদারদের মধ্যে যারা কোনো কারণ ছাড়াই ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করে, তারা সমান হতে পারে না। যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা ঘরে বসে থাকা লোকদের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন...।" (সূরা আন-নিসা, ৪:৯৫)
ইরানের আসল বার্তা :
তুরস্ক ও দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মুখে ফিলিস্তিন বা গাজার পক্ষে অনেক বড় বড় কথা বললেও, বাস্তবে ইসরায়েল বা আমেরিকার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে যায়নি বা ইরানের মতো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তুরস্কের প্রতিনিধিদলকে এই আয়াত শোনানোর উদ্দেশ্য ছিল প্রতীকী বার্তা দেওয়া। ইরান এর মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে—"তোমরা কেবল মুখে বড় কথা বলে ঘরে বসে আছ, আর আমরা (ইরান, হিজবুল্লাহ, হুথি) জান-মাল দিয়ে ময়দানে লড়াই করছি। তাই আল্লাহর দরবারে আমাদের মর্যাদাই সবার উপরে।"
এছাড়াও পাকিস্তানকে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ভয়ে ভীত না হয়ে সত্যের পথে অটল থাকা এবং সঠিক পথে সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কাতারকেও তাদের ভুল বুঝতে পারা এবং সঠিক সমঝোতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের তাদের বীরত্ব,শহীদ হওয়া, দমে না যাওয়া,বিজয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুরস্কারের বিষয়ে আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছে।
আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদল তেহরানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে ইরান তাদের সূরা আল-ফাতহ (৪৮ নম্বর সূরা)-এর ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াতের তেলাওয়াত শোনায়।
"নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ) একটি স্পষ্ট ও পরিপূর্ণ বিজয় দান করেছি।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত:১)
ইরানের আসল বার্তা :
২০ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের পর আমেরিকার মতো পরাশক্তিকে দেশ থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করায়, আফগানিস্তানের এই সংগ্রাম ও রাজনৈতিক বিজয়কে প্রতীকী অর্থে সম্মান জানাতে এবং অভিনন্দন জানাতেই ইরান তাদের এই আয়াতটি শোনায়।
বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণের সময় ইরান পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ২৩ নম্বর আয়াত তেলাওয়াত করে。
- আয়াতটির অর্থ হলো: “মুমিনদের মধ্যে এমন অনেক লোক রয়েছেন, যারা আল্লাহর সাথে কৃত তাদের অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করেছেন। তাদের কেউ কেউ নিজের দায়িত্ব পূর্ণ করেছেন (শাহাদাত বরণ করেছেন) এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছেন। তারা তাদের সংকল্পে কোনো পরিবর্তন করেননি।”
ইরানের বার্তা: বাংলাদেশ কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণে সরাসরি জড়ায়নি। বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার বৈশ্বিক শান্তি ও মধ্যপন্থাও বজায় রেখেছে। ইরান এই আয়াতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে 'উম্মাহর এক ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানিত অংশ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে। | 381 |
| 4 | আমেরিকার ৪ জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় খুন হয়েছেন। সর্বপ্রথম জন আব্রাহাম লিঙ্কন। সর্বশেষ কেনেডি।
আব্রাহাম লিঙ্কনের জানাজা বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় হোয়াইট হাউসে উপস্থিত ছিলেন ৬০০ মানুষ। তার লাশ টানা দুই মাস ধরে রেলে করে ১ হাজার ৬ শ মাইলের বেশি ঘোরানো হয়, আমেরিকার স্টেটে স্টেটে। এই পুরো জার্নিতে দুই মাস ধরে তার কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ মানুষ।
কেনেডির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী মার্কিন বাহিনীকে অনুরোধ করেছিলেন যেন তার শেষকৃত্যও লিঙ্কনের মতো হয়। তার শেষকৃত্যে এরকমই রাষ্ট্রীয়ভাবে ৯২টি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
তার শেষকৃত্যের দিনকে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করে সব কিছু ছুটি দেওয়া হয়েছিল, যেন সবাই অংশ নিতে পারে। আমেরিকার টেলিভিশনগুলোতে টানা ৪ দিন, কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়া, বিরতিহীনভাবে কেনেডির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রচারিত হয়েছিল।
এই সব কিছুর পরে তার শেষকৃত্যে লোক হয়েছিল ১২ শ জন, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সহ। জনগণকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ১৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। এই সময়ে আড়াই লাখ মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাকে।
এদিকে খামেনির জানাজায় বিবিসি, রয়টার্স, আল জাজিরাসহ গ্রহণযোগ্য সমস্ত পত্রিকার ভাষ্যমতে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ উপস্থিত হবে। জানাজা উপলক্ষে আসা মুসল্লিদের মাঝে বিতরণের জন্য ৫ কোটি রুটি তৈরি করা হচ্ছে।
কোথায় আড়াই লাখ, আর কোথায় দুই কোটি!!
অথচ কেনেডির মৃত্যুর সময় আমেরিকার জনসংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯২ লাখ, অর্থাৎ প্রায় ১৯ কোটি। আর ইরানের বর্তমান জনসংখ্যা ৯ কোটি।
১৯ কোটি থেকে আড়াই লাখ, ৯ কোটি থেকে দুই কোটি!
তারপরেও মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ফ্রম দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, আর ইরানি রেজিম জনবিচ্ছিন্ন!
Rakibul Hasan | 393 |
| 5 | আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের যতগুলো ভিডিও দেখেছি, তার মধ্যে এই ভিডিওটা সবচেয়ে হৃদয়গ্রাহী।
এখানে উপস্থিত আছেন বিভিন্ন সময় শহিদ হওয়া হেজবুল্লাহ নেতাদের আত্মীয়-স্বজনরা। আছেন লিজেন্ডারি হেজবুল্লাহ লিডার, ইমাদ মুগনিয়ার পরিবারের সদস্যরা। আছেন সাইয়্যেদ হাসান নাসরাল্লাহ'র পরিবারের সদস্যরা।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তারা প্রত্যেকে আক্ষরিক অর্থেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন। এই কান্না তাদের প্রিয়জনের কথা স্বরণ করে তো বটেই, কিন্তু একইসাথে যে আয়াতটা এখানে তিলাওয়াত করা হয়েছে, সেটার অর্থ, এবং তিলাওয়াতের যে করুণ সুর, সেটা শুনলেই যেকোনো বিবেকবান মানুষের চোখে পানি আসার কথা।
আয়াতটা হচ্ছে সূরা আলে-ইমরানের ১৩৯-১৪০ আয়াত:
"আর তোমরা নিরাশ হয়োনা ও বিষন্ন হয়োনা, এবং যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তাহলে তোমরাই বিজয়ী হবে। যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে, অনুরূপ আঘাত তো তাদেরও লেগেছে। মানুষের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমরা এ দিনগুলোর আবর্তন ঘটাই, যাতে আল্লাহ মুমিনগণকে চিনতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যককে শহিদরূপে গ্রহণ করতে পারেন..."
এই আয়াতটা নাজিল হয়েছিল উহুদের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। ঐ যুদ্ধে মুসলমানরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার পর, আত্মীয়-স্বজনদেরকে হারানোর পর, আল্লাহ সরাসরি তাদেরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।
কিন্তু একইসাথে এই আয়াতটা যখন হেজবুল্লাহ নেতাদের আত্মীয়দের সামনে তিলাওয়াত করা হচ্ছিল, তখন তাদের নিজেদের জন্যও এটা ছিল স্বান্ত্বনার বাণী, আশাবাদের বাণী। তারা নিজেরা আঘাত পেলেও, বিপরীতে শত্রুও যে আঘাত পেয়েছে, সেই স্বান্ত্বনার বাণী।
খামেনির এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুধু একটা ফরমালিটি ছিল না, এটা ছিল একইসাথে আমাদের চোখের সামনে দিয়ে প্রবাহমান জীবন্ত ইতিহাস, একইসাথে ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক বার্তা।
কমেন্টে ভিডিওটার লিঙ্ক দিয়ে দিবো। তিলাওয়াতটা শুনে আসতে পারেন। মাঝে মাঝে কিছু কিছু ক্বারীর কিছু কিছু আয়াতের তিলাওয়াত এত ভালো লেগে যায়, বার বার শুনতে ইচ্ছা করে। এই তিলাওয়াতটা সেরকমই একটা তিলাওয়াত।
মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা | 431 |
| 6 | রাজধানীর গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া এলাকায় জামায়াতের মিছিলে হামলা করেছে বিএনপি। সংঘর্ষ চলাকালে কবির আহমেদ (৪৫) নামের এক মোবাইল পার্টস ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে আহত করেছে বিএনপি।
এঘটনায় জামায়াতের আরো ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটে এ ঘটনা।
আহত ব্যবসায়ীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, বিকেলে ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে কবির আহমেদের কোমরের নিচে ছুরি মেরে পালিয়ে যায় এক দৃর্বৃত্ত। পরে বিকেল ৬ টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি।
আহত কবির আহমেদ জামায়াত সমর্থক বলে দাবি করেন আক্তার হোসেন। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেছেন, আহত কবির আহমেদকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াত নেতা আব্দুল সাত্তার সুমন অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি'র কর্মীরা দীর্ঘদিন থেকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি অব্যাহত রেখেছে। কিছুদিন আগে তারা মার্কেট তালাবদ্ধ করে মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। তখন সাধারণ ব্যবসায়ীদের অনুরোধে পাশে দাঁড়ায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আজ স্থানীয় জামায়াত রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিল আহ্বান করে। সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জড়ো হলে তারা অতর্কিত হামলা চালায়।’ | 431 |
| 7 | যখন হা মা সের প্রতিনিধিদল আলি খামেনেয়িকে সম্মান জানাতে আসলেন, তখন ক্বারী তিলাওয়াত করলেন- সুরা আহযাবের ২৩ নং আয়াত-
"মুমিনদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা আল্লাহর কাছে করা প্রতিজ্ঞায় সত্যনিষ্ঠ। তাদের মধ্যে এমনও আছে, যে তার প্রতিজ্ঞা (মৃত্যু পর্যন্ত) পূর্ণ করেছে এবং এমনও আছে, যে (তার সুযোগের) অপেক্ষায় রয়েছে। আর তারা কোনো পরিবর্তনের দ্বারাই (তাদের প্রতিজ্ঞার শর্তে) কোনো পরিবর্তন আনেনি। "
কি দারুণভাবে হা মা সে'র কুরবানিকে স্বীকৃতি জানালো ইরান। | 1 338 |
| 8 | আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় এবং সম্মাননা জানানোর অনুষ্ঠানে আজ ইরান ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে পবিত্র কুরআন শরিফ থেকে ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াত করে শুনিয়েছে।
এবং এই আয়াতগুলোও তারা বাছাই করেছে অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে।
যেমন সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল যখন উপস্থিত হয়, তখন তারা তিলাওয়াত করে সূরা আলে-ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত:
"তোমাদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে সেই দু’দল সৈন্যের মধ্যে যারা পরস্পর প্রতিদ্বন্দীরূপে দাঁড়িয়েছিল (বদর প্রান্তরে)। একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করেছিল এবং অপরদল ছিল কাফির, কাফিররা মুসলিমদেরকে প্রকাশ্য চোখে দ্বিগুণ দেখছিল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে স্বীয় সাহায্যের দ্বারা শক্তিশালী করে থাকেন, নিশ্চয়ই এতে দৃষ্টিমানদের জন্য শিক্ষা রয়েছে।"
বাস্তবে সাম্প্রতিক সময়ে যখন দুই দল সৈন্য পরস্পর যুদ্ধ করছিল, যেখানে একদল ছিল মুসলিম এবং আরেকদল ছিল কাফের, সেখানে মুসলিম সৈন্যদলের পাশে না দাঁড়িয়ে বরং নীরব থাকা, কিংবা ঐ কাফের সৈন্যদলকেই সহযোগিতা করা সৌদি শাসকদের ভূমিকাকে এরচেয়ে চমৎকারভাবে তুলে ধরা আর সম্ভব ছিল না। | 1 389 |
| 9 | ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা তেহরানে শুরু হয়েছে। হামলায় তাঁর সাথে প্রাণ হারানো পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের কফিনের পাশেই তাঁর কফিনটি রাখা হয়েছে।
তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে তেহরানে এসে পৌঁছেছে। আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন শহরে এই আনুষ্ঠানিকতা চলবে, যেখানে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। | 613 |
| 10 | ভারত উপমহাদেশের সকল মুসলিম ইনক্লুডিং মি! আমরা সবাই কাপুরুষ! আমাদের ভাই আয়ুশ মালিককে আমরা Hi*ন্দুত্ব*/বাদীদের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি। আয়ুশ মালিকের করুণ চেহারায় স্ক্রিপ্টেড ভিডিও রেকর্ড দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো। ভারতের মতো বিশাল একটা দেশে এত মুসলিম থেকে কি লাভ হলো? তাকে যাদু করা হইছে কিনা সেটাও ভাবা দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামে নওমুসলিমদের নিয়ে যাদু করার কাহিনী ভদ্র সমাজে না আসলেও আমাদের ইনবক্সে ঠিকই আসে। | 948 |
| 11 | নোট বাতিলের এই প্রস্তাবটির সবচেয়ে বড় ফাঁকটি কোথায় জানেন? এর গোড়াতেই রয়েছে এক চরম গাণিতিক প্রহসন।
বলা হচ্ছে, যারা স্বৈরাচারী শাসনের সাথে যুক্ত ছিল, তারা নাকি বস্তা বস্তা ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছে!
একটু লজিক দিয়ে ভাবুন। বিগত পনেরো বছর ধরে যারা এই দেশটিকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে লুটেপুটে খেয়েছে, তারা কি এতটাই বোকা যে তারা কাঁচা টাকা বস্তায় ভরে দেশের ভেতরে রাখবে?
একদমই না! আসল মেগা-লুটেরারা, আসল অলিগার্করা অনেক আগেই তাদের টাকা বেগমপাড়ার বাড়ি, সুইস ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট, সিঙ্গাপুরের ক্যাসিনো আর দুবাইয়ের গোল্ড মার্কেটে পাচার করে দিয়েছে। তাদের টাকা এখন ডলারে, পাউন্ডে আর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর হয়ে সুরক্ষিত আছে। দেশের ভেতরে যদি তাদের কিছু থেকেও থাকে, তবে তা আছে জমি, ফ্ল্যাট আর বেনামি সম্পদের পাহাড় হিসেবে।
তাহলে এই ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোটগুলো আসলে কাদের কাছে?
এই নোটগুলো আছে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে। কৃষকের জমানো সঞ্চয়, প্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো টাকায় কেনা মায়ের শেষ সম্বল, ছোট মুদি দোকানির পুঁজি, আর নিম্ন মধ্যবিত্তের বালিশের নিচে রাখা মেয়ের বিয়ের টাকা। দেশের ইনফরমাল ইকোনমি বা অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি পুরোটাই চলে এই ক্যাশ বা নগদ টাকার ওপর।
এখন সবচেয়ে ভয়ংকর প্রশ্নটি হলো...হঠাৎ করে মানুষের জমানো এই নগদ টাকাগুলো ব্যাংকে ফিরিয়ে আনার জন্য এত মরিয়া চেষ্টা কেন চলছে?
এর উত্তর লুকিয়ে আছে দেশের ব্যাংকগুলোর বর্তমান করুণ দশার ভেতর। গত দেড় দশক ধরে ব্যাংকগুলোকে আক্ষরিক অর্থেই একটি কসাইখানায় পরিণত করা হয়েছিল। ঋণখেলাপিরা, মাফিয়া ব্যবসায়ীরা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা লুটেরারা ব্যাংকগুলো থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা পাচার করে দিয়েছে। আজ ব্যাংকগুলোর ভল্ট শূন্য। তাদের কাছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার মতো, এমনকি গ্রাহকের নিজের জমানো টাকা ফেরত দেওয়ার মতো তারল্য বা লিকুইডিটি নেই।
ব্যাংকগুলো আজ দেউলিয়া। আর এই দেউলিয়া ব্যাংকগুলোকে বাঁচানোর জন্য, তাদের ভল্ট আবার ভরার জন্য এখন নজর পড়েছে সাধারণ মানুষের পকেটের দিকে!
প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, মানুষের টাকাগুলো ব্যাংকে আসুক। ব্যাংক শক্তিশালী হোক।
কিন্তু তারপর কী হবে?
খুব সহজ। জনগণের ঘাম ঝরানো এই হাজার হাজার কোটি টাকা যখন আবার ব্যাংকে গিয়ে জমা হবে, তখন সেই একই টাকা আবার 'বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী খাতের' নাম করে ভুল খাতে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে! আর কাদের দেওয়া হবে? সেই একই অলিগার্ক, সেই একই ঋণখেলাপিদের!
অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের শেষ সম্বলটুকু ব্যাংকে টেনে নিয়ে, সেই টাকা দিয়ে আবার হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণের জোগান দেওয়া হবে। আর ঋণখেলাপিরা সেই টাকা আবারও গিলে খাবে। জনগণের জমানো টাকা লুট হয়ে যাওয়ার পর, সাধারণ মানুষকে পুরোপুরি দেউলিয়া করে রাস্তায় বসিয়ে দেওয়া হবে।
এটি হলো 'লিগ্যাল রবারি' বা আইনি ডাকাতির এক নতুন, শ্বাসরুদ্ধকর মাস্টারপ্ল্যান!
Mahadi Hasan | 1 094 |
| 12 | লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে গতকাল যে মা-মেয়েসহ ৪ জনকে খু'ন করা হয় সে খু'নি ঘা'ত'কের নাম অন্তর মজুমদার।
হ্যাঁ, এদেশে ভাজা মাছ উল্টায়া খাইতে না জানা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন অন্তর মজুমদার।
.
মেথর কার্তিক মজুমদারের পোলা অন্তর মজুমদার ভ্যানে কইরা রায়পুরে ফল বেচতো।
মাঝেমধ্যে পানির মিস্ত্রী হিসেবে এদিক ওদিক টুকটাক ক্ষে'প মা'রতো।
কাহিনী হচ্ছে, নি'হ'তদের মধ্যে বড় মেয়ে সায়মা আক্তার ছিলো ঢাবির শিক্ষার্থী।
আর যেই বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতো, একই বাড়িতে এই মেথরের পোলাও এককালে ভাড়া থাকতো।
অন্তর বিবাহিত হইলেও সেখানে প্রায় সময়েই সায়মাকে উত্যক্ত করতো ও বাড়িতেই স্ত্রী-সহ ম'দ'পান করতো।
একপর্যায়ে এই নিয়ে পাড়া-মহল্লায় জল'ঘো'লা ও বাড়াবাড়ি হইলে অন্তর মজুমদার উক্ত বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়।
এতদ্বসত্ত্বেও তার উপদ্রব কমে তো নাই-ই, উ'ল্টা পরবর্তীতে দলবল নিয়ে নাটকীয়ভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে সায়মাদের বাসায় হাজির হয়।
সায়মার পরিবার স্বাভাবিকভাবেই এমন মা'দ'কা'স'ক্ত, উ'ত্য'ক্ত'কা'রী ও ব'খা'টে'র প্র'স্তা'ব সরাসরি প্র'ত্যা'খ্যা'ন করে।
ক্ষু'দ্ধ হয়ে সেই বৈঠকেই সায়মাকে গ'ণধ'র্ষ'ণ ও দেখে নেওয়ার হু'ম'কি দেয় অন্তর মজুমদার।
অতঃপর?
কাল সকালে সে কৌশলে 'বাসার পানির পাইপ ঠিক করার' অজুহাত দেখিয়ে বিল্ডিং এর ভেতর প্রবেশ করে।
তার সাথে ধারালো অ'স্ত্র থাকলেও পানির মিস্ত্রী বেশে যাওয়ায় কেউ স'ন্দে'হ করেনি।
এরপর ভেতরে ঢুকেই প্রথমে সায়মাকে কো'প দিয়ে আ'হ'ত করে।
মেয়েকে রক্ষা করতে মা এগিয়ে আসলে ম'দ্যপ অন্তর মজুমদার এক নাগাড়ে সায়মা, তার মা এবং দুই বোনকে কু'পি'য়ে জখম করে।
পরের এপিসোড তো সবারই জানা
মুহূর্তের মধ্যে সায়মা, তার মা ও ছোট বোন একসাথে মৃ'ত্যু'মুখে ঢলে পড়ে।
হসপিটাল নেয়ার পথে গু'রু'তর আহত মেজো বোনও শেষ নিঃশ্বা'স ত্যাগ করে এ্যা'ম্বু'লে'ন্সে'ই।
ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হইলো—ঘাতক অন্তর মজুমদারকে স্থানীয় জনতা ইতিমধ্যেই পি'টা'ই'য়া পরপারে পাঠায়া দিসে; পুলিশের দাবি এমনটাই।
যদিও এখানে এলাকাবাসীর কাছে ধোঁ'য়া'শা বিদ্যমান—এইটা কী আসলেই অন্তর মজুমদার, নাকি অন্য কেউ?
কারণ বিগত সময়ে আমরা দেখেছি কীভাবে স্রেফ 'সং'খ্যাল'ঘু' হবার দরুণ পাহাড়সম অ'প'রা'ধ করেও তারা না'ট'কীয়'ভাবে পার পেয়ে যায়।
আজ পর্যন্ত কয়টা হে'দুর ফাঁ'সি হয়েছে এদেশে, বলতে পারবেন?
যাই হোক।
প্রশ্ন হইতেসে—এই অন্তর মজুমদারগংয়ের এহেন আস্কারা ও শক্তির উৎস কী?
ঘা'ত'কে'র নাম-পরিচয় লুকানো পশ্চিমাপন্থী প্রথমাল্লো-স্টারদের ভূমিকা কী অস্বীকারযোগ্য এই শক্তির উৎসে?
লেখা- সাজিদ আবদুল্লাহ। | 1 147 |
| 13 | চারটা তরতাজা মানুষরে কৌশলে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করছে 'অন্তর মজুমদার' নামের এক মাদকাসক্ত ছেলে!
রামিসারেও যে হত্যা করছে মাদকাসক্ত ছিলো।
এমুহূর্তে দেশে যতো খুন হচ্ছে ,ধর্ষণ হচ্ছে ,অপরাধ হচ্ছে মেক্মিমাম মাদকের সাথে জড়িত!
বলছিলাম, সীমান্তবর্তী দেশগুলোর "হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার! গেইমটার কথা!
মানে তথাকথিত বন্ধুদেশ "মাদক সন্ত্রাস" গেইমটা সফলভাবেই খেলছে!
গোটা জাতিকে কৌশলে ইচ্ছেমতো মাদক গিলাচ্ছে ,
আর মাদক জাতিকে রিঅ্যাকশন দেখাচ্ছে!
ধর্ষণ কর, গলা কেটে মেরে ফেল, খুন কর, ডিভোর্স দে,ঝগড়া লাগ,মাইর দে,পাগলামি কর! গালি দে, বিশৃঙ্খলা তৈরি কর,ধর্মের রীতিনীতি ভুলে যা, দেশপ্রেম ভুলে যা, ইনজয় কর!
ভা**রত থেকে চোরাই পথে আসা কয়টা মাদক ল্যাব টেস্ট করছেন?
মিয়ানমার থেকে আসা কয়টা মাদক টেস্ট করছেন?
দেশের বড় বড় সাইনস্টিটরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন!
ভা*রত, মিয়া**নমার থেকে চোরাইভাবে প্রাচারকৃত মাদকে যৌন উত্তেজক কিছু মেশাচ্ছে না! আমাদের মস্তিষ্করে বিকৃত করছে না!
কোন বুদ্ধিজীবী ,সাংবাদিক ,বিজ্ঞানী বলতে পারবেন?
বিশ্বাস করেন আর নাই করেন শত্রু*দেশ আমাদের সরাসরি পরাজিত করার ঘোষণা ছাড়াই।
শুধু মাদক দিয়া মানে চোরাইভাবে মাদক পাচারের মাধ্যমে এদেশের অর্থনীতি ও তরুণ সমাজকে ধ্বংস করার দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান করে বসতে পারে।
ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গেইম মারাত্মক জিনিস!
ইদানিং যতোগুলো ধর্ষণ হচ্ছে, খুন হচ্ছে মেক্সিমাম মাদক রিলেটেড!
ধর্ষণকারী, খুনি, ছিনতাইকারী বড় বড় ক্রাইম মাদক খেয়ে করছে।
মাদক কেনার টাকা পাচ্ছে না ,সন্তান বাবাকে টুকরো টুকরো করে ফেলছে।
মাদক খেয়ে ধর্ষণ করছে ,গলা কেটে হত্যা করছে।
মায়া -দায়া, ইমুশন সব হারিয়ে ফেলছে।
মাদক কেনার টাকার অভাবে ছিনতাই হচ্ছে, বিসিএস ক্যাডার বুলেট বৈরাগীদের মেরে ফেলছে।
মাদক কেনার টাকার লোভে বড় বড় অপরাধ করছে।
পুরো রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করছে।
গ্রাম ,শহর -নগর ,বন্দর, স্কুল- কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের রমরমা ব্যবসা আর ব্যবহার চলছে।
বিশ্বাস করেন, মাদক প্রজম্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
মূল্যবোধ ,বিবেক ,ধর্মীয় রীতিনীতি সবকিছুই মাদক ভুলিয়ে দিচ্ছে।
একটু ভাবেন তো! এখনি ভাবার সময়।গবেষণা করেন, প্রচুর গবেষণা করেন।
মনে আছে ,"আফিম যুদ্ধের" কথা?
১৯শ শতকে ব্রিটিশরা চীনকে পরাজিত করার জন্য কৌশলে চীনে আফিম ছড়িয়ে দিয়েছিল।
এর ফলে চীনের সমাজ ও সেনাবাহিনী পঙ্গু হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত চীনকে ব্রিটিশদের কাছে নতি স্বীকার করতে হয়।
আমাদের তথাকথিত বন্ধুদেশ বসে নাই!
পুশইন, সীমান্ত হত্যা থেমে নাই। ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থেমে থাকার কথা না!
ভাবেন, প্রচুর ভাবেন, প্রজম্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন, গোটা জাতিকে রক্ষা করেন।
হয়তো তারা আমাদের তিলে তিলে গোটা জাতি,গোটা প্রজম্মকে মাদক দিয়া ধ্বংস করার মিশনে নামছে!!! | 968 |
| 14 | ঢাকা শহরটা একটা টাইম বো-মার উপরে দাড়ানো!
সেই বো-মার রিমোটটা হইলো ,ভূমিকম্প!
৬.৫ মাত্রার উপরে ভূমিকম্প হলে পুরো বাংলাদেশের শহরগুলোতে জাহান্নাম নেমে আসবে।
এই মৃত্যুপুরীতে রাজনৈতিক নেতা, আমলা, এলিট, ,ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ,সাংবাদিক ,শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী,দেশের সাধারণ ,অসাধারণ প্রত্যেকটা শ্রেণী পেশার মানুষ কেউ বাঁচবে না!
এই নিয়া সংসদে আলাপ নাই! কেউ দীর্ঘশ্বাসও ফালায় না!
কোন প্ল্যান ,পলিসি নাই! অলিগলি চিপাচাপায় নামে বেনামে মা-বাপহীন দেশে শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং হচ্ছে।
এমন একটা দিন আসবে ,হয়তো আপনার দেহটা বিল্ডিংয়ের চিপায় আটকে আছে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
কিন্তু আপনাকে উদ্ধার করার মতো লোক নাই।
উদ্ধার করার মতো Equipment নাই। জনবল নাই! প্রশিক্ষণ নাই! থাকবে শুধু চিৎকার! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অসহায়ত্বের চিৎকার! এছাড়া আমাদের রিয়েলাইজেশন নাই!
পাপের ফল প্রাকৃতিক দুর্যোগ (ভূমিকম্প ) জানি কিন্তু মানি না! তারপরেও ৭ বছরের শিশুটা ধর্ষিত হচ্ছে। ক্লাস ৮ এর বাচ্চা মেয়েটারে ধর্ষণ করে মেরে জঙ্গলে ঝুলিয়ে রাখছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একজন আরেকজনে মেরে ফেলছে!
প্রকাশ্যে দিবালোকে কোটি কোটি টাকার ঘোষ বানিজ্য হচ্ছে! অর্থ পাচার হচ্ছে! ব্যবসায়ীরা মানুষরে ঠকাচ্ছে!
দেশের মেক্মিমাম মানুষ বসেই আছে সুযোগে আরেকজনকে মেরে নিজে বড় হইতে।
প্রায় মনে হয় আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত জাতি বড় একটা ডিজিস্টার ডিজার্ভ করি! তার আগে হয়তো আমরা বদলাবো না!
"বারবার ওয়ার্নিং আসতেছে, বারবার সুযোগ পাচ্ছি। তবু অকৃতজ্ঞের মতো বারবারই অবহেলা করে যাচ্ছি।
হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো শুধরানোর! হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো!!
Anisur Rahman | 1 355 |
| 15 | সন্তানকে দৌড় শিখান। শারীরিক ব্যায়ামে অভ্যস্ত করুন।তীর বানিয়ে দিন। তারা সেটা ব্যবহার করে নিশানা ঠিক করুক। অনেকে বন্দুক দিয়ে বেলুন ফোটানোর ব্যবসা করে। নিজে বেলুন ফুটো করুন, সন্তানকে ফুটো করতে দিন। ব্যক্তিগত পরিসরে উদ্ভাবনী চিন্তাশীল হোন।
সাঁতার শেখান। এটি চমৎকার ব্যায়ামই নয়, বরং যেকোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।
ভারবহন ও দীর্ঘ পথ হাঁটার অভ্যাস করান। পিঠে কিছুটা ওজন (ব্যাগ) নিয়ে দীর্ঘ পথ হাঁটার ক্লান্তি সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি করুন। দুর্বল হলে ক্রান্তিলগ্নে ভেঙে পড়বে।
কম্পাস দেখে, ধ্রুবতারা দেখে বা চারপাশের প্রকৃতি (যেমন গাছের শ্যাওলা) দেখে দিক ঠিক করার প্রাচীন ও কার্যকর পদ্ধতিগুলো রপ্ত করান।
মাঝেমধ্যে ঘরের আলো সম্পূর্ণ বন্ধ করে বা রাতের অন্ধকারে কোনো কৃত্রিম আলো ছাড়া সামান্য কিছু কাজ করার অভ্যাস করান, যাতে অন্ধকারের ভয় কেটে যায়।
রেশনিং বা মিতব্যয়িতা শিক্ষা দিন। সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার বা পানি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে টিকে থাকতে হয়, সেই মানসিক প্রস্তুতির দীক্ষা দিন।
প্রাথমিক চিকিৎসার স্বচ্ছ ধারণা দিন। রক্তপাত বন্ধ করা, ব্যান্ডেজ করা, সিপিআর (CPR) দেওয়া এবং সাপে কাটা বা পুড়ে যাওয়ার প্রাথমিক চিকিৎসাজ্ঞান দিন।
চারপাশের সাধারণ কিছু গাছগাছড়ার ঔষধি গুণ সম্পর্কে ধারণা দিন, যা জরুরি অবস্থায় ওষুধের বিকল্প হতে পারে।
সাইকেল মেরামত করা, হাতুড়ি-করাত-স্ক্রু ড্রাইভারের সঠিক ব্যবহার এবং ছোটখাটো কাঠ বা লোহার কাজ নিজে করতে পারার কৌশল শিখান।
মোবাইল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ডাউন থাকলে কীভাবে ওয়াকিটকি (Walkie-Talkie) বা রেডিওর মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, তার প্রাথমিক ধারণা দিন।
নিয়ত ঠিক রেখে এগুলো করার দ্বারা আপনি অবশ্যই জাযা পাবেন। রাত গভীর হচ্ছে। চারদিক থেকে ধেয়ে আসা সম্ভাব্য ঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণের এখনই সময়। এই সময়টা কাজে লাগান। দ্বীনের মেজাজ এটা নয় যে, আপনি সবক্ষেত্রে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকবেন। নিজে কর্মঠ ও দক্ষ যেমন হবেন, অধীনস্থদেরকেও আত্মরক্ষা ও শারীরিক শক্তিমত্তা ধরে রাখার কৌশল শিখান। | 1 571 |
| 16 | আওয়ামী লীগের এই বিবৃতি দেখে ৮টা কথা মনে এসেছে।
(১) আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের কারণে ভারত মনের দুঃখে ও মনের জেদে বাংলাদেশকে সরাসরি যা যা বলতে পারেনা সেটা আওয়ামী লীগকে দিয়ে বলালো।
(২) তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঠিক পথে হাঁটছেন।
(৩) আওয়ামী লীগ নিজেকে শতভাগ গোলাম হিসেবে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
(৪) বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে ভারত মাঠে নামিয়েছে দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য।
(৫) বিএনপি সরকার ও প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয় এজেন্টগুলো শীঘ্রই পুরো দমে সক্রীয় হবে।
(৬) শাহবাগী চুতিয়া ও সংবাদ ব্যবসায়ীদের দিয়ে ইসলামবিরোধী অপপ্রচার সামনে আরো বৃদ্ধি পাবে।
(৭) চীন ও পাকিস্তান ব্লকে যাচ্ছে জন্য ভারতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। পাগলা কুকুর হয়ে গেছে ভারত। কামড় একটা দেবেই।
(৮) সর্বশেষ চীন সফরে হাসিনাকে চীন বেশ জোরেশোরেই কিক মেরেছিল। ফলাফল— চীনের গ্রীন সিগনাল পেয়ে বিডির সামরিক বাহিনী হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। | 1 |
| 17 | আওয়ামী লীগের এই বিবৃতি দেখে ৮টা কথা মনে এসেছে।
(১) আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের কারণে ভারত মনের দুঃখে ও মনের জেদে বাংলাদেশকে সরাসরি যা যা বলতে পারেনা সেটা আওয়ামী লীগকে দিয়ে বলালো।
(২) তারেক রহমান আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঠিক পথে হাঁটছেন।
(৩) আওয়ামী লীগ নিজেকে শতভাগ গোলাম হিসেবে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।
(৪) বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে ভারত মাঠে নামিয়েছে দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য।
(৫) বিএনপি সরকার ও প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতীয় এজেন্টগুলো শীঘ্রই পুরো দমে সক্রীয় হবে।
(৬) শাহবাগী চুতিয়া ও সংবাদ ব্যবসায়ীদের দিয়ে ইসলামবিরোধী অপপ্রচার সামনে আরো বৃদ্ধি পাবে।
(৭) চীন ও পাকিস্তান ব্লকে যাচ্ছে জন্য ভারতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। পাগলা কুকুর হয়ে গেছে ভারত। কামড় একটা দেবেই।
(৮) সর্বশেষ চীন সফরে হাসিনাকে চীন বেশ জোরেশোরেই কিক মেরেছিল। ফলাফল— চীনের গ্রীন সিগনাল পেয়ে বিডির সামরিক বাহিনী হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে। | 1 429 |
| 18 | রাতে যখন ফ্লাইওভারে পতাকা লাগানো হচ্ছিলো। আমার কাছে তখন একটা দুশ্চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিলো সকালেই হয়তো প্রশাসন অথবা ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ এগুলো নামিয়ে ফেলবে। বাস্তবে হয়েছে তাই।
উ'ম্মাহ আজ কত দুর্বল হয়ে গেলো। তার গৌরব গাঁথা পতাকা যে কেউ খুলে ফেলে। কত ঠুনকো আমাদের অবস্থান৷
ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকার বিপরীতে কা-লিমার পতাকা লাগানোর সংখ্যা টা নেহাত কম৷
তবে আল্লাহ তায়ালা উত্তম পরিকল্পনাকারী। অচিরেই এই পতাকা দ্বিগুণ থেকে শতগুণ হবে।
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন দুইজন ব্যক্তি ওইগুলো খুলে ফেলছে। সমীকরণ এটাই বলে যে। এরা নিজেদের বাহুবলে এই গুলো খোলেনি নিশ্চয়ই উপর থেকে অর্ডার ছিলো। নতুবা ওইগুলো খোলার সাহস সহসায় কারো নাই।
-আল ইন্তিফাদা। | 1 439 |
| 19 | — ব্রেকিং:
🇺🇸🇮🇷
যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহান্তে ইরানের সাথে যে সমঝোতা স্মারক (MoU) হয়েছে তার সরকারি পাঠ্য প্রকাশ করেছে।
— যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও তাদের মিত্রদের মধ্যে লেবানন-সহ সব ফ্রন্টে তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, যেখানে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় এবং লেবাননের সার্বভৌমত্বের নিশ্চয়তা দেয়।
— পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক সম্মান, এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
— চূড়ান্ত চুক্তি ৬০ দিনের মধ্যে পৌঁছাতে হবে, যা উভয় পক্ষের সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে।
— যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে এবং ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে নৌ-অবরোধ তুলে নেবে; ইরান ধীরে ধীরে শিপিং পুনরুদ্ধার করবে। চূড়ান্ত চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র নিকটবর্তী বাহিনীও প্রত্যাহার করবে।
— ইরান ৬০ দিনের জন্য পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের মধ্যে মুক্ত ও নিরাপদ বাণিজ্যিক নৌচলাচল নিশ্চিত করবে, এবং খনি পরিষ্কার ও বাধা অপসারণের ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণ ট্রাফিক পুনরুদ্ধার করবে।
— ইরান ও ওমান আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর সাথে পরামর্শ করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ শাসন ও সামুদ্রিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবে।
— যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক অংশীদাররা ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যার বাস্তবায়নের বিবরণ ৬০ দিনের মধ্যে সম্মত হবে এবং প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স জারি করা হবে।
— ইরানের ওপর সব নিষেধাজ্ঞা সম্মত সময়সূচি অনুযায়ী তুলে নেওয়া হবে, যার মধ্যে জাতিসংঘ, আইএইএ, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার আলোচনার অগ্রাধিকার বিষয় হবে।
— ইরান পুনর্নিশ্চিত করে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ পারস্পরিক সম্মত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধান করা হবে, যা ন্যূনতমভাবে আইএইএ-এর তত্ত্বাবধানে সরাসরি মিশ্রীকরণের সাথে জড়িত। ভবিষ্যতের সমৃদ্ধকরণ ও পারমাণবিক চাহিদা চূড়ান্ত চুক্তিতে নিষ্পত্তি হবে।
— চূড়ান্ত চুক্তি পর্যন্ত বর্তমান অবস্থা বহাল থাকবে: ইরান তার বর্তমান পারমাণবিক অবস্থান স্থগিত রাখবে, আর যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না এবং অতিরিক্ত আঞ্চলিক বাহিনী মোতায়েন করবে না।
— ইরানি তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য, উপজাত, এবং সংশ্লিষ্ট সব ব্যাংকিং, বীমা, শিপিং ও বাণিজ্যিক সেবার ওপর তাৎক্ষণিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ছাড় দেওয়া হবে।
— ইরানের জব্দ করা সম্পদ সম্মত পদ্ধতিতে অ্যাক্সেসযোগ্য হবে, যার পূর্ণ ব্যবহার ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত হবে এবং প্রয়োজনীয় সব মার্কিন লাইসেন্স ও অনুমতি দ্বারা সমর্থিত হবে।
— একটি যৌথ বাস্তবায়ন ও মনিটরিং ব্যবস্থা সমঝোতা স্মারক এবং ভবিষ্যতের কোনো চূড়ান্ত চুক্তির সাথে সম্মতি তদারকি করবে।
চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা মূল বিধানগুলো বাস্তবায়িত হওয়ার পর এগিয়ে যাবে, এবং চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে। | 1 214 |
| 20 | তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ এর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পর নারীদের ব্যক্তিগত স্বর্ণেও বিশাল অংকের ট্যাক্স বসিয়েছে বিএনপি সরকার।
নারীরা তাদের ব্যক্তিগত স্বর্ণ বিক্রি করলে মুনাফার উপরে ১৫% ট্যাক্স দিতে হবে সরকারকে। অর্থাৎ ধরেন, আপনার স্বামীর ক্যান্সার বা কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের জন্য ১০ ভরি স্বর্ণ বিক্রি করলেন প্রতি ভরি ২.৫ লাখ টাকা করে। এগুলো কেনা ছিল ৫০ হাজার টাকা করে প্রতি ভরি।
মোট স্বর্ণ বিক্রি করলেন, ২৫ লাখ টাকায়। মুনাফা হল ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ সরকারকে এখন আপনার ক্যান্সার ফান্ড হতে ট্যাক্স দিতে হবে ৩ লাখ টাকা।
মহিলারা শখে স্বর্ণ বিক্রি করেন না৷ স্বামী, সন্তান বা,নিজের চিকিৎসা, সন্তানকে বিদেশে পড়তে বা চাকুরি করতে পাঠানো কিংবা নিজের মেয়েকে বিয়ে দিতে গেলে এসব স্বর্ণ বিক্রি করতে বাধ্য হন।
এসব স্বর্ণের মালিক ভদ্রমহিলা হয়তো গত ২০ বছর ধরে ২.৫% করে যাকাত দিয়ে এসেছেন। ২০ বছরে কত লাখ টাকা দিয়েছেন, হিসাব করেন।
এসব স্বর্ণ কি কালো টাকা বা, ঘুষের টাকায় কেনা? চাকুরির বেতন বা ব্যবসার যে টাকা দিয়ে স্বর্ণগুলো কেনা হয়েছে, মহিলার স্বামী সেগুলো কিনতেও ভ্যাট আর ট্যাক্স দিয়েছেন।
তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ ছাড়াও আরো অসংখ্য খাতে ভ্যাট-ট্যাক্স বসিয়েছে সরকার। এতকিছুর পরেও এমন কি দুরবস্থা তৈরি হল যে, হাউজ ওয়াইফদের একমাত্র ব্যক্তিগত সম্পদ স্বর্ণেও সরকারের থাবা পড়ল। তাও ১-২% না, পুরো ১৫%।
এই ব্যাপারে, আপনাদের মতামত কি?
Atique UA Khan | 1 221 |
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
