fa
Feedback
Times Of Era

Times Of Era

رفتن به کانال در Telegram

দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ, ফিলিস্তিন ইস্যু সহ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে খবরাখবর এবং বিশ্লেষণ ধর্মী পর্যালোচনা পেতে চোখ রাখুন আমাদের চ্যানেলে [Times Of Era]

نمایش بیشتر
9 746
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-930 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '26
ژوئیه '26
+68
در 1 کانال‌ها
ژوئن '26
+156
در 1 کانال‌ها
Get PRO
مه '26
+231
در 2 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '26
+202
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مارس '26
+67
در 3 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '26
+156
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '26
+88
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '25
+155
در 2 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '25
+64
در 1 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '25
+163
در 6 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '25
+139
در 4 کانال‌ها
Get PRO
اوت '25
+159
در 4 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '25
+285
در 9 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '25
+244
در 3 کانال‌ها
Get PRO
مه '25
+174
در 4 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '25
+204
در 7 کانال‌ها
Get PRO
مارس '25
+169
در 2 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '25
+168
در 5 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '25
+345
در 6 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '24
+1 222
در 15 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '24
+1 001
در 11 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '24
+1 039
در 12 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '24
+208
در 3 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+1 603
در 40 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+3 625
در 38 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+79
در 2 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+194
در 4 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+821
در 6 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
12 ژوئیه+6
11 ژوئیه0
10 ژوئیه+3
09 ژوئیه+11
08 ژوئیه+9
07 ژوئیه+6
06 ژوئیه+7
05 ژوئیه+4
04 ژوئیه+6
03 ژوئیه+3
02 ژوئیه+2
01 ژوئیه+11
پست‌های کانال
পশ্চিমবঙ্গে বিরিয়ানির দোকানের নাম 'হাজির বিরিয়ানি' হওয়ার কারণে বিজেপির কর্মীরা দোকানের ব্যানার ছিঁড়ে হুমকি দিয়েছে, হিন্দু নামে দোকানের নামকরণ করতে। শুধু মুসলমিই না; ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা খ্রিস্টানদের গির্জাও ভাঙছে এখন। পশ্চিমবঙ্গে এত হিন্দুত্ববাদ কোথা থেকে আসল? নতুন আসেনি; আগে থেকেই ছিল। তবে শাসনব্যবস্থায় ওদের ক্ষমতা ছিল না। অর্থাৎ রাষ্ট্রের ক্ষমতা নেওয়া মূল কাজ। কে বা কতজন আপনার আদর্শ গ্রহণ করল সেটা মূল না। যারা বলে মানুষের ঈমান ঠিক হয়নি, আমল নেই তাদেরকে দিয়ে ইসলাম কায়েম করবেন কিভাবে? তাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ একটা বড়ো উদাহরণ। খেয়াল করলে দেখবেন কষা জাহেদ প্রায়ই বলে, বাংলাদেশের সংখ্যাগরীষ্ঠ মানুষ ইসলামি শাসনব্যবস্থার পক্ষে ভোট দিলেও ইসলামপন্থীদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না। অর্থাৎ পেশিশক্তি দিয়ে দমন করে রাখবে। সুতরাং মতাদর্শ প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র উপায় পেশিশক্তির প্রয়োগ। দ্বিতীয় কোনো অপশন নেই।

2
কনসার্ট করার "পাপে" আজ ঢাকা আর চট্টগ্রামের এই অবস্থা হয় নাই। ঢাকা আর চট্টগ্রামের এই অবস্থা হইসে মার্ডারের কারণে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের লোভ, দুর্নীতি দিয়ে যে পরিমাণ নদী, পুকুর, খাল আর হাওর খুন করেছে, পৃথিবীর আর কোন দেশে এই নীরব গণহত্যা হয় নাই। অথচ দেশটাকে খোদা কী সুন্দর করেই না সাজাইয়া দিসিল। সারা দেশে নদী, খাল আর বিল। নদীর ধার দিয়ে উঁচু জায়গায় মানুষের বাস। এই নদীই তো আমাদের খাওয়াইতো, আমাদের বাঁচাইয়া রাখত। অথচ সুযোগ পাওয়া মাত্র আমরা সবার আগে নদীগুলোকে খুন করে ফেলেছি। মাত্র একদিন বৃষ্টি হইসে, ঢাকা আর চট্টগ্রাম অর্ধেক ডুবে গেছে। যেদিন আশ্বিনে গহীন আসবে, টানা ১৫ দিন যদি আবারও বৃষ্টি হয়, সেখান থেকে আমাদের কে বাঁচাবে? কেউ বাঁচাবে না। লোভ করতে করতে ঢাকা শহরে আর কোন খাল বা নিম্ন ভূমি অবশিষ্ট নাই। রাজশাহীর মত শহরে কোন পুকুর নাই। সব ভরাট করে আবাসিক এলাকা গইড়া তুলসে। ব্রিজ আর কালভার্টের অত্যাচার তো আছেই। বাকিটা খুন হইতেসে ইন্ডাস্ট্রির বিষে। বিধাতা মানুষকে যেই নিয়ামত দেন, সেইটার মর্যাদা না করলে,যত্ন না করলে সেই নিয়ামত তুইলা নেন। খোদা কাউকে মানুষ দেন, কাউকে সম্পদ দেন, কাউকে রূপ দেন, কাউকে মেধা দেন। বনি ইসরাইলকে খোদা দিয়েছিলেন মান্না ওয়া সালওয়া। জান্নাতের খাবার। বনি ইসরাইল এই খাবারের কদর করে নাই। খোদা সেই নিয়ামত তুইলা নিসে। খোদা বাংলাদেশকে মান্না ওয়া সালওয়া না দিলেও, দিয়েছিলেন নদী। কী যে সুন্দর সুন্দর নদী, কী যে সুন্দর সুন্দর সব নাম। সন্ধ্যা, শীতলক্ষ্যা, পদ্মা, মেঘনা, মধুমতী.... আমরা বনি ইসরাইলের মতোই সেই নিয়ামতকে শুধু অস্বীকার করিনি, খুন করে ফেলেছি। এই পাপ থেকে আমাদের মুক্তি নাই। কবে কোন শহরে কখন পানি উইঠা আসবে, আমরা জানব না। শুধু জানব, কতজন সেই পানিতে ভেসে গেছে। কখনও আমাদের ভাই ভেসে যাবে, কখনও আমাদের বোন ভেসে যাবে, কখনও আমাদের সন্তান নিয়ে যাবে, কখনও বা আমরাই ভেসে যাব। আমরা এই প্রকৃতির সন্তান। নদী ছিল আমাদের মায়ের মত। খোদা তো এই প্রকৃতির সন্তান করেই মানুষকে দুনিয়াতে পাঠাইসিলেন। দায়িত্ব দিসিলেন, আশরাফুল মাখলুকাতের। বইলা দিসিলেন, তোমাদের মত এরাও তো খোদারই সৃষ্টি। এদের হেফাজত কইরো। আমরা কী করলাম? প্রথম সুযোগেই, যেই মায়ের কোলে খোদা দুনিয়ায় পাঠাইলেন, সেই মাকেই গলা টিপে মেরে ফেললাম। মাকে হত্যা করা সন্তানেরা কোনদিন শান্তিতে ঘুমাইতে পারবে না। প্রকৃতির প্রতিশোধ প্রকৃতির মতোই ভয়ংকর হয়। আজ হোক বা কাল, এই প্রতিশোধ থেকে আমাদের মুক্তি নাই। আজ চট্টগ্রাম, ঢাকা, কাল রাজশাহী, রংপুর। যেখানেই লুকান, লাভ নাই। গত ৩০ বছর ধরে যেই পাপ আপনারা ব্যবসায়ী, সরকার আর আমলারা মিলে করেছেন, সেই পাপের প্রতিশোধ নিতে প্রকৃতি ৩০ বছর সময় নেবে না। কারণ আপনার হাতে আছে ঘড়ি, আর প্রকৃতির হাতে আছে, সময়। সময়ের কাটা ঘুরতে শুরু করেছে। শুনতে পাচ্ছেন? Sadiqur Rahman Khan
358
3
আমরা যখন খেলা নিয়ে উন্মাদনায় মেতে আছি ঠিক তখন চট্টগ্রামে বন্যার পানিতে ডুবে ৪৫ টা মানুষ মারা গেছে। ১০ লাখের বেশি মানুষ পানিতে ভেসে আছে, ১৬ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে, ৯১ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। বড়রা সাঁতার জানলেও ছোটরা জানে না। তাই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে ডুবে মারা যাচ্ছে। এক বাবার বড় ছেলেটা গত বন্যায় ডুবে মারা গিয়েছিল। ছোট ছেলেটার দিকে তাকিয়ে সেই কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন এই ছেলেটা বড় হয়ে অভাবের সংসারটার হাল ধরবে। অথচ ছোট ছেলেটাও আজকে বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেল। ছেলেটাকে যে মাটি দিবে সে মাটিটুকও অবশিষ্ট নেই। সমস্ত এলাকা ডুবে গেছে। গতবছরের বন্যার মতো এবারেও কবর দেয়ার মতো পরিস্থিতি নেই, অবস্থাটা এমন যে কলাগাছের ভেলায় করে লা*শ ভাসিয়ে দিতে হবে। পানিতে ডুবে যারা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল তাদেরকে পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেছে কিন্তু পায়নি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফুলে ফেঁপে উঠা লা*শগুলোই এখন একটু পর পর ভেসে উঠছে। গলা অব্দি পানিতে দাঁড়িয়ে পরিবারের লোকজনরা অপেক্ষা করছে কখন লা*শটা পাবে। খোঁজে পাওয়া কিছু লা*শ ভাসিয়ে দেয়া হচ্ছে পানিতে। জীবিত মানুষের বেঁচে থাকার জন্যেই মাটি নেই, লা*শ কবর দেয়ার মাটি পাবে কোথা থেকে? আরেক অসহায় বাবা কিছুদিন আগে তার ছেলেকে কবর দিয়েছিলেন। কিন্তু পানির স্রোত সে কবরটাও ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। বাবা'টা সমস্ত শক্তি দিয়ে চেষ্টা করছিলেন কবরটা আঁকরে ধরে রাখতে। ছেলের শেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখতে হবে যে! কিন্তু তিনি পারছিলেন না। পানির স্রোত যেন শেষ স্মৃতিটুকুও জোর করে কেড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। বাবা'টা সারাক্ষণ অসহায়ের মতো চেয়ে ছিল শুধু। চোখ দিয়ে একটু পানিও আসছিল না। যে সব হারিয়ে ফেলে সে বোধহয় কাঁদার সামর্থ্যটুকু হারিয়ে ফেলে। আগামী কয়েকদিন আরও ভারী বৃষ্টিপাত হবে, বাকি অঞ্চলগুলোও ডুবে যাবে। ধারণা করা হচ্ছে এভাবে আর মাত্র দুইদিন চললেই শত শত মানুষ মারা যাবে। কবর দেয়ার জায়গাটুকুও পাওয়া যাবে না। এই যে এত এত মানুষ মারা যাচ্ছে, বাচ্চারা মারা যাচ্ছে অথচ সরকারের বিন্দুমাত্র উদ্যেগ নাই, যথাযথ ত্রাণ নাই , দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নাই। প্রতিবছরই উত্তরবঙ্গ, চট্টগ্রাম ,ফেনী এলাকায় বন্যা হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের লোকজন আগে থেকেই জানে কোন দিন কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে। কিন্তু আগাম কোন ব্যবস্থা নেয় না। বন্যা হলে দু একদিন গিয়ে নামমাত্র ত্রাণ দিয়ে চলে আসে অথচ দীর্ঘমেয়াদি কোন ব্যবস্থা নেয় না। এমনকি বন্যার পর পুনর্বাসনের টাকাটাও দেয় না। প্রতি অর্থবছর শুধুমাত্র দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যেই ১০ হাজার ৩৬২ কোটি টাকার বাজেট পাশ হয়। আই রিপিট ১০ হাজার কোটি টাকা! এতগুলো টাকার বাজেট হওয়ার পরও ওরা দীর্ঘমেয়াদী কোন ব্যবস্থা নেয় না। কারণ ব্যবস্থা নিলে ওদের পকেটে আর টাকা ভরতে পারবে না। প্রতিবছর এমপি, মন্ত্রী , আমলারা এই কোটি কোটি টাকাগুলো নিজেদের পকেটে ঢুকায়, বিদেশে বেগমপাড়া বানায়। অথচ এগুলো আমার আপনার কষ্টের ট্যাক্সের টাকা। আমাদের কষ্টের টাকা চুরি করে ওরা ওদের ছেলে-মেয়েকে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ায়, ফ্যাশন শিখায় আর জনগণের ছেলে-মেয়েরারা বন্যার পানিতে ডুবে মরে। দক্ষিণ কুরিয়ায় এক্সিডেন্টে মাত্র কিছু লোক মারা যাওয়ায় সেখানের মন্ত্রী পদত্যাগ করেছিল। আর আমাদের দেশে শত শত লোক রাস্তায় এক্সিডেন্টে মরে, পানিতে ডুবে মরে কিন্তু মন্ত্রীরা একটু ক্ষমাও চায় না। কারণ এদেশের জনগণরা প্রজা আর ওরা লাটসাহেব। বিএনপির এক এমপি আজকে চেহারে বসে বসে বন্যা দেখতে গিয়েছে। তার হাসি হাসি মুখ দেখে মনে হচ্ছে সে কোন পিকনিকে এসেছে। অথচ তার সামনেই মানুষজন পানিতে ডুবে মরছে। যেই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো পানিতে ডুবে মরেছে তাদের এখন স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল ,বন্ধুদের সাথে হাসিমুখে খেলার কথা ছিল। না জানি আরও কতশত ইচ্ছে ছিল। এমপি, মন্ত্রীদের ছেলেমেয়েরা ঠিকই স্কুলে গিয়েছে, হাসিমুখে খেলা করেছে অথচ জনগণের মাসুম বাচ্চাগুলোর মরা লা*শ ভেসে আছে পানিতে Ibrahim Khalil Shawon
347
4
"আমাদের শহীদ নেতাকে আমি বলতে চাই: আমরা প্রতিজ্ঞা করছি, ওই অপরাধী ও ঘৃণ্য খুনিদের কাছ থেকে আপনার এবং এই দুই যুদ্ধে নিহত সব শহীদের পবিত্র রক্তের বদলা আমরা নেবই। এই প্রতিশোধ আমাদের পুরো জাতির দাবি, আর এটি অবশ্যই নেওয়া হবে। ওই অপরাধীদের নাম ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবারই জানা। নিজেদের বিছানায় শান্তিতে মৃত্যুর যে আশা তারা করছে, তা কখনোই পূরণ হবে না; বরং এই অপূর্ণ আশা নিয়েই তাদের কবরে যেতে হবে। তাদের জেনে রাখা উচিত যে, এই প্রতিশোধ নেওয়াটা আমার বা অন্য কোনো কর্মকর্তার বেঁচে থাকার ওপর নির্ভর করে না। আমরা থাকি বা না থাকি, এই কাজ সম্পন্ন হবেই। আর খুব শিগগিরই সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষদের মধ্য থেকে কেউ না কেউ এই পবিত্র দায়িত্বের কোনো না কোনো অংশ পালন করবে।" - ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি
433
5
গাজাবাসী আজকে আগ্রহ আর আনন্দ নিয়া মিশরের খেলা দেখছে! কিন্তু আজকে রাতে বিশ্বের উন্মাদনার আড়ালে ইরায়েল আর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামে**রিকা সবচেয়ে বড় জিওপলিটিক্যাল গেইমটা খেলে ফেলছে! *খেলা চলাকালীন সময়ে অ্যামে**রিকা ইরানে ভয়ংকর হামলা চালাইছে। *আবার ই**রায়েল মিশরের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরে হত্যা করছে। *দিনে IDF লেবাননে বোম্বিং করছে। এমন একটা মুহুর্তে মিশরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিটারে হত্যা করছে যখন পুরো মিশর খেলা নিয়া ব্যস্ত। তারা জানে ,এমুহূর্তে হত্যা করলে মিশরের সাথে তাদের পাতানো বন্ধুত্ব নষ্ট হবে না কারণ সবাই ফুটবলের উম্মাদনায় ব্যস্ত। ইরানে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামে**রিকা এমন একটা সময় হামলা চালাইছে। যখন ইরানিরা শোক পালন করছে ,খামেনিরে কোটি কোটি মানুষ বিদায় দিচ্ছে। বিশ্বের মেক্মিমাম দেশের প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা জানাইতে ইরানে অবস্থান করছে।মরার উপরে খাড়ার ঘা মারছে। ঠিক তখনি ভয়ংকর হামলা চালাইছে যখন পুরো বিশ্ব ফুটবল নিয়া মহা ব্যস্ত! বিশ্ব এখন অ্যা*মেরিকার কাপুরুষোচিত আক্রমণকে নিন্দা জানাবে না। জানানোর সময় নাই। আপনারও নাই ,আমার নাই! কে জিতছে ,কে হারছে ,কে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করছে এই আলাপ নিয়া মহাব্যস্ত। সোজা কথা ,সবার চোখ এখন অ্যামে**রিকার স্টেডিয়ামে। চাকচিক্য লাইটিং আর ড্রামের শব্দে বিভোর! বিশ্বাস করেন, বিশ্বকাপ ফুটবল আর Greatest Show on Earth এ নাই! এটা হয়ে গেছে টোটালি জিওপলিটিক্যাল গেইম! ফিফা একটা স্ক্যাম। এটা পশ্চিমাদের ভণ্ডামি। পুরো বিশ্ব যখন Greatest Show on Earth এর উন্মাদনায় ব্যস্ত ঠিক তখনি রচিত হচ্ছে আধুনিক জিওপলিটিক্যাল ভণ্ডামি! ফিফার বিনোদনের উন্মাদনার সুযোগে পরাশক্তির দেশগুলো হাজারও অপকর্ম লুকিয়ে ফেলছে। বিশ্বের মানুষকে জাস্ট বিনোদনের নামে আইওয়াশ দিচ্ছে। বড় বড় নেতাদের অপকর্মে ঢেকে ফেলছে। এপিস্টিন ফাইল বলেন আর ইরানের সাথে অ্যামেরিকা ইসরায়েলের পরাজয় বলেন ,এমনকি তারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ইরায়েলরে দিয়া গাজা ধ্বংস করছে, লেবানন ধ্বংস করছে। ঐদিকে ইরানে অযৌক্তিকভাবে আক্রমণ করছে। শিশু মারছে, বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নষ্ট করছে। লেবাননে বো*ম্বিং করছে, ইয়েমেনে হামলা করছে। ভেনিজুয়েলার প্রধামন্ত্রীরে অন্যায়ভাবে উঠিয়ে নিয়া গেছে। এই সব কিছু খেলার মতো মেগা ইভেন্টকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সব অপকর্মে ঢেকে ফেলছে। পুরো বিশ্বের মনোযোগ অন্যদিকে ডাইভেট করছে। এখন ফিফা স্বাধীন সংস্থার কাতারে নাই। ফিফা চলে অ্যামেরিকা আর ইউরোপীয়ানদের ইশারায়। এখানে শক্তি যার রেফারিও তার। মাঠের নিয়মও তার। গোটা বিশ্বের চোখ শুধু ফুটবলে কিন্তু আড়ালে মুছে যাচ্ছে সাম্রাজ্যবাদীদের মানবাধিকার বিরোধী অপকর্মগুলো! আর যাই হোক! আগে ভাবতাম ফিফা গ্রেইটেস্ট শো অন আর্থ এখন আর মনে করছি না! Anisur Rahman
762
6
ই$কটিদের র/থ/যাত্রা নিয়ে যে তথ্য শুনলাম- তা যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে দেশের পরিস্থিতি ভ'য়া'বহ হতে চলছে। দেশব্যাপী বড় একটা সা'ম্প্র-দায়িক স'হিং-সতা দা'ঙ্গা সৃষ্টির বিশাল আয়োজনের জোর সম্ভাবনা বিদ্যমান। গুঞ্জন রয়েছে - ই$কটি দ্বারা বিভিন্ন মসজিদের সামনে ঢাক-ঢোল বাজাইয়ে ভার'তীয় কায়দায় উ'স্কা'নিমূলক বক্তব্য দিয়ে সা'ম্প্র-দায়িক দা'ঙ্গা লাগানোর প্ল্যান ইতিমধ্যে পাস হয়েছে। আর এবার রথযাত্রার মুল মাস্টারমাইন্ড হলো খোদ কলকাতার এক বুদ্ধিজীবী। মূলত, আর-এস-এস এর প্রেসক্রিপশনের প্ল্যানটা হচ্ছে বলেই প্রতীয়মান হয়। আর ভাঁ/ড়/ত/কে এক্ষেত্রে সাপোর্ট দিচ্ছে লীগ আর পলাতক লীগপন্থী বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা। গেলো সপ্তাহে গ্রেফতার দুই ডারতীয় স্পাইকে এরেস্টের পরেও এমন কিছুই শোনা যাচ্ছিলো। আমাদের জানা উচিত- ভাড়তে এই রথযাত্রাই হচ্ছে দা-ঙ্গা লাগিয়ে মুসলিম নিধ-নের একটা মাধ্যম। ১৯৯০ সালে এই রথযাত্রার মাধ্যমে ভারতে প্রায় ২ হাজার মুসলমানকে শ/হী/দ করে হি/ন্দু/ত্ব/বা/দী/রা। আর সেই রেশ ধরে পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে বাবরী মসজিদকে শহীদ করে বি/ন্দু/'ত্ব/বা/দীরা। আর একই মডেল তারা এবার বাংলাদেশেও ট্রায়াল চালায়ে দেখতে চাইছে। তাই আমি বাংলাদেশের মুসলমানদের বলবো, গ/ণ/হ/ত্যার শি'কার হতে না চাইলে দেশজুড়ে সব রথযাত্রা ব'ন্ধ করতে হবে। যা হয় হবে সব মন্দিরের ভেতর হবে, করবে তারা, তাতে সমস্যা নাই। কোন কিন্তু নাই, ডাইরেক্ট ফুলস্টপ। প্রয়োজনে সব জেলা থেকে র/থ/যাত্রা বন্ধ চেয়ে প্রশাসনকে চিঠি দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন। ইতিমধ্যেই অনেক জেলায় সফলও হয়েছেন।
716
7
🕌 আধিপত্যবাদ বিরোধী দুর্গ ‘’বাবরি মসজিদ উত্তরবঙ্গ‘’ নির্মাণে আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য 🕌 আল্লাহর ঘর নির্মাণে অংশগ্রহণ কর
🕌 আধিপত্যবাদ বিরোধী দুর্গ ‘’বাবরি মসজিদ উত্তরবঙ্গ‘’ নির্মাণে আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কাম্য 🕌 আল্লাহর ঘর নির্মাণে অংশগ্রহণ করা একটি মহৎ আমল এবং সদকায়ে জারিয়ার উত্তম মাধ্যম। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান দিয়ে এই নেক কাজে শরিক হতে পারেন। 💳 ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য: 🏦 ব্যাংক: Al-Arafah Islami Bank PLC (Branch-Signboard) 👤 অ্যাকাউন্ট নাম: BABRI MASJID UTTARBANGA 🔢 অ্যাকাউন্ট নম্বর: 9901080313844 🏧 Routing No: 015670320 🌍 SWIFT Code: ALARBDDH 📲 বিকাশ | নগদ | রকেট (পার্সোনাল): 01338-592121 আপনার সামান্য অনুদানও আধিপত্যবাদবিরোধীএইদুর্গ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। আল্লাহ তাআলা সকল দাতার দান কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন। যোগাযোগ: 01338-592121 (হোয়াটস্যাপ)
727
8
শাহ আমানত সাব্বির ভাইয়ের মার্শাল আর্ট শেখানোর ব্যাপারে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন। সন্দেহবশত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে স
শাহ আমানত সাব্বির ভাইয়ের মার্শাল আর্ট শেখানোর ব্যাপারে আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন। সন্দেহবশত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে সর্বোচ্চ। গ্রেফতার ও রিমান্ড মঞ্জুর সুস্পষ্ট যুলুম। তাছাড়া এরা কেউই গোপন চক্রের সাথে জড়িত না। এমন প্রমাণ আজ অবধি কেউ দিতে পারেনি। প্রকাশ্যে ইসলামপন্থীরা মার্শাল আর্ট/এমএমএ করলে যদি সেটা উ'গ্রবাদিতা হয় তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে এমএমএ/বক্সিং সহ যত রকমে ডিফেন্সিভ কার্যক্রম আছে সকলের জন্যই তা নিষিদ্ধ করে দিন। নয়তো এসব কাজ কেবল ইসলামপন্থীদের জন্য সন্দেহজনক হবে সেটা আমরা মানবো না। এসব আইনের দ্বিচারিতা মেনে নেয়াটা আমাদের পক্ষে সম্ভব না।
750
9
খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের করা ভুলগুলো কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান,কাতার এবং ইরানকে সহায়তাকারী হুথি, হামাস ও হিজবুল্লাহকেও পৃথকভাবে সুন্দর বার্তা দেওয়া হয়েছে। সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের সামনে: সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩ তিলাওয়াত করা হয়। "নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য দুটি দলের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে একটি নিদর্শন ছিল; একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অন্য দলটি ছিল কাফের (অবিশ্বাসী)...।" (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩) ইরানের আসল বার্তা : ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ ছিল হক (সত্য) ও বাতিলের (মিথ্যা) মধ্যকার প্রথম মুখোমুখি লড়াই। সৌদি আরবকে এই আয়াত শোনানোর অর্থ হলো—ইরান নিজেকে আল্লাহর পথের দল (হক) দাবি করছে। আর সৌদি আরব যেহেতু আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতিরোধ অক্ষের সরাসরি পক্ষে দাঁড়ায়নি, তাই ইরান তাদের পরোক্ষভাবে 'বাতিল' বা 'অবিশ্বাসী' শিবিরের কাছাকাছি অবস্থানকারী হিসেবে ইঙ্গিত করে এক কূটনৈতিক খোঁচা দিয়েছে। তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সামনে: সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯৫ তিলাওয়াত করা হয়। "ঈমানদারদের মধ্যে যারা কোনো কারণ ছাড়াই ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করে, তারা সমান হতে পারে না। যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা ঘরে বসে থাকা লোকদের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন...।" (সূরা আন-নিসা, ৪:৯৫) ইরানের আসল বার্তা : তুরস্ক ও দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মুখে ফিলিস্তিন বা গাজার পক্ষে অনেক বড় বড় কথা বললেও, বাস্তবে ইসরায়েল বা আমেরিকার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে যায়নি বা ইরানের মতো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তুরস্কের প্রতিনিধিদলকে এই আয়াত শোনানোর উদ্দেশ্য ছিল প্রতীকী বার্তা দেওয়া। ইরান এর মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে—"তোমরা কেবল মুখে বড় কথা বলে ঘরে বসে আছ, আর আমরা (ইরান, হিজবুল্লাহ, হুথি) জান-মাল দিয়ে ময়দানে লড়াই করছি। তাই আল্লাহর দরবারে আমাদের মর্যাদাই সবার উপরে।" এছাড়াও পাকিস্তানকে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ভয়ে ভীত না হয়ে সত্যের পথে অটল থাকা এবং সঠিক পথে সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কাতারকেও তাদের ভুল বুঝতে পারা এবং সঠিক সমঝোতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের তাদের বীরত্ব,শহীদ হওয়া, দমে না যাওয়া,বিজয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুরস্কারের বিষয়ে আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছে। আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদল তেহরানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে ইরান তাদের সূরা আল-ফাতহ (৪৮ নম্বর সূরা)-এর ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াতের তেলাওয়াত শোনায়। "নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ) একটি স্পষ্ট ও পরিপূর্ণ বিজয় দান করেছি।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত:১) ইরানের আসল বার্তা : ২০ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের পর আমেরিকার মতো পরাশক্তিকে দেশ থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করায়, আফগানিস্তানের এই সংগ্রাম ও রাজনৈতিক বিজয়কে প্রতীকী অর্থে সম্মান জানাতে এবং অভিনন্দন জানাতেই ইরান তাদের এই আয়াতটি শোনায়। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণের সময় ইরান পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আহযাবের ২৩ নম্বর আয়াত তেলাওয়াত করে。 - আয়াতটির অর্থ হলো: “মুমিনদের মধ্যে এমন অনেক লোক রয়েছেন, যারা আল্লাহর সাথে কৃত তাদের অঙ্গীকার সত্যে পরিণত করেছেন। তাদের কেউ কেউ নিজের দায়িত্ব পূর্ণ করেছেন (শাহাদাত বরণ করেছেন) এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছেন। তারা তাদের সংকল্পে কোনো পরিবর্তন করেননি।” ইরানের বার্তা: বাংলাদেশ কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণে সরাসরি জড়ায়নি। বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার বৈশ্বিক শান্তি ও মধ্যপন্থাও বজায় রেখেছে। ইরান এই আয়াতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে 'উম্মাহর এক ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানিত অংশ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।
773
10
আমেরিকার ৪ জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় খুন হয়েছেন। সর্বপ্রথম জন আব্রাহাম লিঙ্কন। সর্বশেষ কেনেডি। আব্রাহাম লিঙ্কনের জানাজা বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় হোয়াইট হাউসে উপস্থিত ছিলেন ৬০০ মানুষ। তার লাশ টানা দুই মাস ধরে রেলে করে ১ হাজার ৬ শ মাইলের বেশি ঘোরানো হয়, আমেরিকার স্টেটে স্টেটে। এই পুরো জার্নিতে দুই মাস ধরে তার কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ মানুষ। কেনেডির মৃত্যুর পর তার স্ত্রী মার্কিন বাহিনীকে অনুরোধ করেছিলেন যেন তার শেষকৃত্যও লিঙ্কনের মতো হয়। তার শেষকৃত্যে এরকমই রাষ্ট্রীয়ভাবে ৯২টি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তার শেষকৃত্যের দিনকে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করে সব কিছু ছুটি দেওয়া হয়েছিল, যেন সবাই অংশ নিতে পারে। আমেরিকার টেলিভিশনগুলোতে টানা ৪ দিন, কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়া, বিরতিহীনভাবে কেনেডির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রচারিত হয়েছিল। এই সব কিছুর পরে তার শেষকৃত্যে লোক হয়েছিল ১২ শ জন, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সহ। জনগণকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ১৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল। এই সময়ে আড়াই লাখ মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তাকে। এদিকে খামেনির জানাজায় বিবিসি, রয়টার্স, আল জাজিরাসহ গ্রহণযোগ্য সমস্ত পত্রিকার ভাষ্যমতে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ উপস্থিত হবে। জানাজা উপলক্ষে আসা মুসল্লিদের মাঝে বিতরণের জন্য ৫ কোটি রুটি তৈরি করা হচ্ছে। কোথায় আড়াই লাখ, আর কোথায় দুই কোটি!! অথচ কেনেডির মৃত্যুর সময় আমেরিকার জনসংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯২ লাখ, অর্থাৎ প্রায় ১৯ কোটি। আর ইরানের বর্তমান জনসংখ্যা ৯ কোটি। ১৯ কোটি থেকে আড়াই লাখ, ৯ কোটি থেকে দুই কোটি! তারপরেও মার্কিন প্রেসিডেন্টরা ফ্রম দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল, আর ইরানি রেজিম জনবিচ্ছিন্ন! Rakibul Hasan
556
11
আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের যতগুলো ভিডিও দেখেছি, তার মধ্যে এই ভিডিওটা সবচেয়ে হৃদয়গ্রাহী। এখানে উপস্থিত আছেন বিভিন্ন সময় শহিদ হওয়া হেজবুল্লাহ নেতাদের আত্মীয়-স্বজনরা। আছেন লিজেন্ডারি হেজবুল্লাহ লিডার, ইমাদ মুগনিয়ার পরিবারের সদস্যরা। আছেন সাইয়্যেদ হাসান নাসরাল্লাহ'র পরিবারের সদস্যরা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তারা প্রত্যেকে আক্ষরিক অর্থেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন। এই কান্না তাদের প্রিয়জনের কথা স্বরণ করে তো বটেই, কিন্তু একইসাথে যে আয়াতটা এখানে তিলাওয়াত করা হয়েছে, সেটার অর্থ, এবং তিলাওয়াতের যে করুণ সুর, সেটা শুনলেই যেকোনো বিবেকবান মানুষের চোখে পানি আসার কথা। আয়াতটা হচ্ছে সূরা আলে-ইমরানের ১৩৯-১৪০ আয়াত: "আর তোমরা নিরাশ হয়োনা ও বিষন্ন হয়োনা, এবং যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তাহলে তোমরাই বিজয়ী হবে। যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে, অনুরূপ আঘাত তো তাদেরও লেগেছে। মানুষের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আমরা এ দিনগুলোর আবর্তন ঘটাই, যাতে আল্লাহ মুমিনগণকে চিনতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য থেকে কিছু সংখ্যককে শহিদরূপে গ্রহণ করতে পারেন..." এই আয়াতটা নাজিল হয়েছিল উহুদের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। ঐ যুদ্ধে মুসলমানরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়ার পর, আত্মীয়-স্বজনদেরকে হারানোর পর, আল্লাহ সরাসরি তাদেরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। কিন্তু একইসাথে এই আয়াতটা যখন হেজবুল্লাহ নেতাদের আত্মীয়দের সামনে তিলাওয়াত করা হচ্ছিল, তখন তাদের নিজেদের জন্যও এটা ছিল স্বান্ত্বনার বাণী, আশাবাদের বাণী। তারা নিজেরা আঘাত পেলেও, বিপরীতে শত্রুও যে আঘাত পেয়েছে, সেই স্বান্ত্বনার বাণী। খামেনির এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুধু একটা ফরমালিটি ছিল না, এটা ছিল একইসাথে আমাদের চোখের সামনে দিয়ে প্রবাহমান জীবন্ত ইতিহাস, একইসাথে ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক বার্তা। কমেন্টে ভিডিওটার লিঙ্ক দিয়ে দিবো। তিলাওয়াতটা শুনে আসতে পারেন। মাঝে মাঝে কিছু কিছু ক্বারীর কিছু কিছু আয়াতের তিলাওয়াত এত ভালো লেগে যায়, বার বার শুনতে ইচ্ছা করে। এই তিলাওয়াতটা সেরকমই একটা তিলাওয়াত। মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা
647
12
রাজধানীর গুলিস্তান ফুলবাড়িয়া এলাকায় জামায়াতের মিছিলে হামলা করেছে বিএনপি। সংঘর্ষ চলাকালে কবির আহমেদ (৪৫) নামের এক মোবাইল পার্টস ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে আহত করেছে বিএনপি। এঘটনায় জামায়াতের আরো ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটে এ ঘটনা। আহত ব্যবসায়ীকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, বিকেলে ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে কবির আহমেদের কোমরের নিচে ছুরি মেরে পালিয়ে যায় এক দৃর্বৃত্ত। পরে বিকেল ৬ টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। আহত কবির আহমেদ জামায়াত সমর্থক বলে দাবি করেন আক্তার হোসেন। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেছেন, আহত কবির আহমেদকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে জামায়াত নেতা আব্দুল সাত্তার সুমন অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি'র কর্মীরা দীর্ঘদিন থেকে রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি অব্যাহত রেখেছে। কিছুদিন আগে তারা মার্কেট তালাবদ্ধ করে মার্কেটে নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। তখন সাধারণ ব্যবসায়ীদের অনুরোধে পাশে দাঁড়ায় জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আজ স্থানীয় জামায়াত রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে একটি বিক্ষোভ মিছিল আহ্বান করে। সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জড়ো হলে তারা অতর্কিত হামলা চালায়।’
615
13
যখন হা মা সের প্রতিনিধিদল আলি খামেনেয়িকে সম্মান জানাতে আসলেন, তখন ক্বারী তিলাওয়াত করলেন- সুরা আহযাবের ২৩ নং আয়াত- "মুমিনদের ম
যখন হা মা সের প্রতিনিধিদল আলি খামেনেয়িকে সম্মান জানাতে আসলেন, তখন ক্বারী তিলাওয়াত করলেন- সুরা আহযাবের ২৩ নং আয়াত- "মুমিনদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা আল্লাহর কাছে করা প্রতিজ্ঞায় সত্যনিষ্ঠ। তাদের মধ্যে এমনও আছে, যে তার প্রতিজ্ঞা (মৃত্যু পর্যন্ত) পূর্ণ করেছে এবং এমনও আছে, যে (তার সুযোগের) অপেক্ষায় রয়েছে। আর তারা কোনো পরিবর্তনের দ্বারাই (তাদের প্রতিজ্ঞার শর্তে) কোনো পরিবর্তন আনেনি। " কি দারুণভাবে হা মা সে'র কুরবানিকে স্বীকৃতি জানালো ইরান।
2 358
14
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় এবং সম্মাননা জানানোর অনুষ্ঠানে আজ ইরান ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে পবিত্র কুরআন শরি
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় এবং সম্মাননা জানানোর অনুষ্ঠানে আজ ইরান ভিন্ন ভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সামনে পবিত্র কুরআন শরিফ থেকে ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াত করে শুনিয়েছে। এবং এই আয়াতগুলোও তারা বাছাই করেছে অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে। যেমন সৌদি আরবের প্রতিনিধিদল যখন উপস্থিত হয়, তখন তারা তিলাওয়াত করে সূরা আলে-ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত: "তোমাদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন আছে সেই দু’দল সৈন্যের মধ্যে যারা পরস্পর প্রতিদ্বন্দীরূপে দাঁড়িয়েছিল (বদর প্রান্তরে)। একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করেছিল এবং অপরদল ছিল কাফির, কাফিররা মুসলিমদেরকে প্রকাশ্য চোখে দ্বিগুণ দেখছিল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছে স্বীয় সাহায্যের দ্বারা শক্তিশালী করে থাকেন, নিশ্চয়ই এতে দৃষ্টিমানদের জন্য শিক্ষা রয়েছে।" বাস্তবে সাম্প্রতিক সময়ে যখন দুই দল সৈন্য পরস্পর যুদ্ধ করছিল, যেখানে একদল ছিল মুসলিম এবং আরেকদল ছিল কাফের, সেখানে মুসলিম সৈন্যদলের পাশে না দাঁড়িয়ে বরং নীরব থাকা, কিংবা ঐ কাফের সৈন্যদলকেই সহযোগিতা করা সৌদি শাসকদের ভূমিকাকে এরচেয়ে চমৎকারভাবে তুলে ধরা আর সম্ভব ছিল না।
2 141
15
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা তেহরানে শুরু হয়েছে। হামলায় তাঁর সাথে প্রাণ হারানো পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের কফিনের পাশেই তাঁর কফিনটি রাখা হয়েছে। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ১০০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদল এরই মধ্যে তেহরানে এসে পৌঁছেছে। আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত ইরানের বিভিন্ন শহরে এই আনুষ্ঠানিকতা চলবে, যেখানে লাখ লাখ শোকার্ত মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
788
16
ভারত উপমহাদেশের সকল মুসলিম ইনক্লুডিং মি! আমরা সবাই কাপুরুষ! আমাদের ভাই আয়ুশ মালিককে আমরা Hi*ন্দুত্ব*/বাদীদের হাত থেকে বাঁচাতে
ভারত উপমহাদেশের সকল মুসলিম ইনক্লুডিং মি! আমরা সবাই কাপুরুষ! আমাদের ভাই আয়ুশ মালিককে আমরা Hi*ন্দুত্ব*/বাদীদের হাত থেকে বাঁচাতে পারিনি। আয়ুশ মালিকের করুণ চেহারায় স্ক্রিপ্টেড ভিডিও রেকর্ড দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো। ভারতের মতো বিশাল একটা দেশে এত মুসলিম থেকে কি লাভ হলো? তাকে যাদু করা হইছে কিনা সেটাও ভাবা দরকার। পার্বত্য চট্টগ্রামে নওমুসলিমদের নিয়ে যাদু করার কাহিনী ভদ্র সমাজে না আসলেও আমাদের ইনবক্সে ঠিকই আসে।
1 182
17
নোট বাতিলের এই প্রস্তাবটির সবচেয়ে বড় ফাঁকটি কোথায় জানেন? এর গোড়াতেই রয়েছে এক চরম গাণিতিক প্রহসন। বলা হচ্ছে, যারা স্বৈরাচারী শাসনের সাথে যুক্ত ছিল, তারা নাকি বস্তা বস্তা ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট খাটের নিচে লুকিয়ে রেখেছে! একটু লজিক দিয়ে ভাবুন। বিগত পনেরো বছর ধরে যারা এই দেশটিকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে লুটেপুটে খেয়েছে, তারা কি এতটাই বোকা যে তারা কাঁচা টাকা বস্তায় ভরে দেশের ভেতরে রাখবে? একদমই না! আসল মেগা-লুটেরারা, আসল অলিগার্করা অনেক আগেই তাদের টাকা বেগমপাড়ার বাড়ি, সুইস ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট, সিঙ্গাপুরের ক্যাসিনো আর দুবাইয়ের গোল্ড মার্কেটে পাচার করে দিয়েছে। তাদের টাকা এখন ডলারে, পাউন্ডে আর ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর হয়ে সুরক্ষিত আছে। দেশের ভেতরে যদি তাদের কিছু থেকেও থাকে, তবে তা আছে জমি, ফ্ল্যাট আর বেনামি সম্পদের পাহাড় হিসেবে। তাহলে এই ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোটগুলো আসলে কাদের কাছে? এই নোটগুলো আছে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে। কৃষকের জমানো সঞ্চয়, প্রবাসী ভাইয়ের পাঠানো টাকায় কেনা মায়ের শেষ সম্বল, ছোট মুদি দোকানির পুঁজি, আর নিম্ন মধ্যবিত্তের বালিশের নিচে রাখা মেয়ের বিয়ের টাকা। দেশের ইনফরমাল ইকোনমি বা অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি পুরোটাই চলে এই ক্যাশ বা নগদ টাকার ওপর। এখন সবচেয়ে ভয়ংকর প্রশ্নটি হলো...হঠাৎ করে মানুষের জমানো এই নগদ টাকাগুলো ব্যাংকে ফিরিয়ে আনার জন্য এত মরিয়া চেষ্টা কেন চলছে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে দেশের ব্যাংকগুলোর বর্তমান করুণ দশার ভেতর। গত দেড় দশক ধরে ব্যাংকগুলোকে আক্ষরিক অর্থেই একটি কসাইখানায় পরিণত করা হয়েছিল। ঋণখেলাপিরা, মাফিয়া ব্যবসায়ীরা এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা লুটেরারা ব্যাংকগুলো থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা পাচার করে দিয়েছে। আজ ব্যাংকগুলোর ভল্ট শূন্য। তাদের কাছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার মতো, এমনকি গ্রাহকের নিজের জমানো টাকা ফেরত দেওয়ার মতো তারল্য বা লিকুইডিটি নেই। ব্যাংকগুলো আজ দেউলিয়া। আর এই দেউলিয়া ব্যাংকগুলোকে বাঁচানোর জন্য, তাদের ভল্ট আবার ভরার জন্য এখন নজর পড়েছে সাধারণ মানুষের পকেটের দিকে! প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, মানুষের টাকাগুলো ব্যাংকে আসুক। ব্যাংক শক্তিশালী হোক। কিন্তু তারপর কী হবে? খুব সহজ। জনগণের ঘাম ঝরানো এই হাজার হাজার কোটি টাকা যখন আবার ব্যাংকে গিয়ে জমা হবে, তখন সেই একই টাকা আবার 'বিনিয়োগ ও উৎপাদনমুখী খাতের' নাম করে ভুল খাতে ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে! আর কাদের দেওয়া হবে? সেই একই অলিগার্ক, সেই একই ঋণখেলাপিদের! অর্থাৎ, সাধারণ মানুষের শেষ সম্বলটুকু ব্যাংকে টেনে নিয়ে, সেই টাকা দিয়ে আবার হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণের জোগান দেওয়া হবে। আর ঋণখেলাপিরা সেই টাকা আবারও গিলে খাবে। জনগণের জমানো টাকা লুট হয়ে যাওয়ার পর, সাধারণ মানুষকে পুরোপুরি দেউলিয়া করে রাস্তায় বসিয়ে দেওয়া হবে। এটি হলো 'লিগ্যাল রবারি' বা আইনি ডাকাতির এক নতুন, শ্বাসরুদ্ধকর মাস্টারপ্ল্যান! Mahadi Hasan
1 311
18
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে গতকাল যে মা-মেয়েসহ ৪ জনকে খু'ন করা হয় সে খু'নি ঘা'ত'কের নাম অন্তর মজুমদার। হ্যাঁ, এদেশে ভাজা মাছ উল্টায়া খাইতে না জানা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন অন্তর মজুমদার। . মেথর কার্তিক মজুমদারের পোলা অন্তর মজুমদার ভ্যানে কইরা রায়পুরে ফল বেচতো। মাঝেমধ্যে পানির মিস্ত্রী হিসেবে এদিক ওদিক টুকটাক ক্ষে'প মা'রতো। কাহিনী হচ্ছে, নি'হ'তদের মধ্যে বড় মেয়ে সায়মা আক্তার ছিলো ঢাবির শিক্ষার্থী। আর যেই বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতো, একই বাড়িতে এই মেথরের পোলাও এককালে ভাড়া থাকতো। অন্তর বিবাহিত হইলেও সেখানে প্রায় সময়েই সায়মাকে উত্যক্ত করতো ও বাড়িতেই স্ত্রী-সহ ম'দ'পান করতো। একপর্যায়ে এই নিয়ে পাড়া-মহল্লায় জল'ঘো'লা ও বাড়াবাড়ি হইলে অন্তর মজুমদার উক্ত বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়। এতদ্বসত্ত্বেও তার উপদ্রব কমে তো নাই-ই, উ'ল্টা পরবর্তীতে দলবল নিয়ে নাটকীয়ভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে সায়মাদের বাসায় হাজির হয়। সায়মার পরিবার স্বাভাবিকভাবেই এমন মা'দ'কা'স'ক্ত, উ'ত্য'ক্ত'কা'রী ও ব'খা'টে'র প্র'স্তা'ব সরাসরি প্র'ত্যা'খ্যা'ন করে। ক্ষু'দ্ধ হয়ে সেই বৈঠকেই সায়মাকে গ'ণধ'র্ষ'ণ ও দেখে নেওয়ার হু'ম'কি দেয় অন্তর মজুমদার। অতঃপর? কাল সকালে সে কৌশলে 'বাসার পানির পাইপ ঠিক করার' অজুহাত দেখিয়ে বিল্ডিং এর ভেতর প্রবেশ করে। তার সাথে ধারালো অ'স্ত্র থাকলেও পানির মিস্ত্রী বেশে যাওয়ায় কেউ স'ন্দে'হ করেনি। এরপর ভেতরে ঢুকেই প্রথমে সায়মাকে কো'প দিয়ে আ'হ'ত করে। মেয়েকে রক্ষা করতে মা এগিয়ে আসলে ম'দ্যপ অন্তর মজুমদার এক নাগাড়ে সায়মা, তার মা এবং দুই বোনকে কু'পি'য়ে জখম করে। পরের এপিসোড তো সবারই জানা মুহূর্তের মধ্যে সায়মা, তার মা ও ছোট বোন একসাথে মৃ'ত্যু'মুখে ঢলে পড়ে। হসপিটাল নেয়ার পথে গু'রু'তর আহত মেজো বোনও শেষ নিঃশ্বা'স ত্যাগ করে এ্যা'ম্বু'লে'ন্সে'ই। ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হইলো—ঘাতক অন্তর মজুমদারকে স্থানীয় জনতা ইতিমধ্যেই পি'টা'ই'য়া পরপারে পাঠায়া দিসে; পুলিশের দাবি এমনটাই। যদিও এখানে এলাকাবাসীর কাছে ধোঁ'য়া'শা বিদ্যমান—এইটা কী আসলেই অন্তর মজুমদার, নাকি অন্য কেউ? কারণ বিগত সময়ে আমরা দেখেছি কীভাবে স্রেফ 'সং'খ্যাল'ঘু' হবার দরুণ পাহাড়সম অ'প'রা'ধ করেও তারা না'ট'কীয়'ভাবে পার পেয়ে যায়। আজ পর্যন্ত কয়টা হে'দুর ফাঁ'সি হয়েছে এদেশে, বলতে পারবেন? যাই হোক। প্রশ্ন হইতেসে—এই অন্তর মজুমদারগংয়ের এহেন আস্কারা ও শক্তির উৎস কী? ঘা'ত'কে'র নাম-পরিচয় লুকানো পশ্চিমাপন্থী প্রথমাল্লো-স্টারদের ভূমিকা কী অস্বীকারযোগ্য এই শক্তির উৎসে? লেখা- সাজিদ আবদুল্লাহ।
1 307
19
চারটা তরতাজা মানুষরে কৌশলে বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করছে 'অন্তর মজুমদার' নামের এক মাদকাসক্ত ছেলে! রামিসারেও যে হত্যা করছে মাদকাসক্ত ছিলো। এমুহূর্তে দেশে যতো খুন হচ্ছে ,ধর্ষণ হচ্ছে ,অপরাধ হচ্ছে মেক্মিমাম মাদকের সাথে জড়িত! বলছিলাম, সীমান্তবর্তী দেশগুলোর "হাইব্রিড ওয়ারফেয়ার! গেইমটার কথা! মানে তথাকথিত বন্ধুদেশ "মাদক সন্ত্রাস" গেইমটা সফলভাবেই খেলছে! গোটা জাতিকে কৌশলে ইচ্ছেমতো মাদক গিলাচ্ছে , আর মাদক জাতিকে রিঅ্যাকশন দেখাচ্ছে! ধর্ষণ কর, গলা কেটে মেরে ফেল, খুন কর, ডিভোর্স দে,ঝগড়া লাগ,মাইর দে,পাগলামি কর! গালি দে, বিশৃঙ্খলা তৈরি কর,ধর্মের রীতিনীতি ভুলে যা, দেশপ্রেম ভুলে যা, ইনজয় কর! ভা**রত থেকে চোরাই পথে আসা কয়টা মাদক ল্যাব টেস্ট করছেন? মিয়ানমার থেকে আসা কয়টা মাদক টেস্ট করছেন? দেশের বড় বড় সাইনস্টিটরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন! ভা*রত, মিয়া**নমার থেকে চোরাইভাবে প্রাচারকৃত মাদকে যৌন উত্তেজক কিছু মেশাচ্ছে না! আমাদের মস্তিষ্করে বিকৃত করছে না! কোন বুদ্ধিজীবী ,সাংবাদিক ,বিজ্ঞানী বলতে পারবেন? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন শত্রু*দেশ আমাদের সরাসরি পরাজিত করার ঘোষণা ছাড়াই। শুধু মাদক দিয়া মানে চোরাইভাবে মাদক পাচারের মাধ্যমে এদেশের অর্থনীতি ও তরুণ সমাজকে ধ্বংস করার দীর্ঘমেয়াদী প্ল্যান করে বসতে পারে। ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গেইম মারাত্মক জিনিস! ইদানিং যতোগুলো ধর্ষণ হচ্ছে, খুন হচ্ছে মেক্সিমাম মাদক রিলেটেড! ধর্ষণকারী, খুনি, ছিনতাইকারী বড় বড় ক্রাইম মাদক খেয়ে করছে। মাদক কেনার টাকা পাচ্ছে না ,সন্তান বাবাকে টুকরো টুকরো করে ফেলছে। মাদক খেয়ে ধর্ষণ করছে ,গলা কেটে হত্যা করছে। মায়া -দায়া, ইমুশন সব হারিয়ে ফেলছে। মাদক কেনার টাকার অভাবে ছিনতাই হচ্ছে, বিসিএস ক্যাডার বুলেট বৈরাগীদের মেরে ফেলছে। মাদক কেনার টাকার লোভে বড় বড় অপরাধ করছে। পুরো রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মাদক প্রবেশ করছে। গ্রাম ,শহর -নগর ,বন্দর, স্কুল- কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের রমরমা ব্যবসা আর ব্যবহার চলছে। বিশ্বাস করেন, মাদক প্রজম্মকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মূল্যবোধ ,বিবেক ,ধর্মীয় রীতিনীতি সবকিছুই মাদক ভুলিয়ে দিচ্ছে। একটু ভাবেন তো! এখনি ভাবার সময়।গবেষণা করেন, প্রচুর গবেষণা করেন। মনে আছে ,"আফিম যুদ্ধের" কথা? ১৯শ শতকে ব্রিটিশরা চীনকে পরাজিত করার জন্য কৌশলে চীনে আফিম ছড়িয়ে দিয়েছিল। এর ফলে চীনের সমাজ ও সেনাবাহিনী পঙ্গু হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত চীনকে ব্রিটিশদের কাছে নতি স্বীকার করতে হয়। আমাদের তথাকথিত বন্ধুদেশ বসে নাই! পুশইন, সীমান্ত হত্যা থেমে নাই। ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থেমে থাকার কথা না! ভাবেন, প্রচুর ভাবেন, প্রজম্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন, গোটা জাতিকে রক্ষা করেন। হয়তো তারা আমাদের তিলে তিলে গোটা জাতি,গোটা প্রজম্মকে মাদক দিয়া ধ্বংস করার মিশনে নামছে!!!
1 115
20
ঢাকা শহরটা একটা টাইম বো-মার উপরে দাড়ানো! সেই বো-মার রিমোটটা হইলো ,ভূমিকম্প! ৬.৫ মাত্রার উপরে ভূমিকম্প হলে পুরো বাংলাদেশের শহরগুলোতে জাহান্নাম নেমে আসবে। এই মৃত্যুপুরীতে রাজনৈতিক নেতা, আমলা, এলিট, ,ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ,সাংবাদিক ,শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী,দেশের সাধারণ ,অসাধারণ প্রত্যেকটা শ্রেণী পেশার মানুষ কেউ বাঁচবে না! এই নিয়া সংসদে আলাপ নাই! কেউ দীর্ঘশ্বাসও ফালায় না! কোন প্ল্যান ,পলিসি নাই! অলিগলি চিপাচাপায় নামে বেনামে মা-বাপহীন দেশে শুধু বিল্ডিং আর বিল্ডিং হচ্ছে। এমন একটা দিন আসবে ,হয়তো আপনার দেহটা বিল্ডিংয়ের চিপায় আটকে আছে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। কিন্তু আপনাকে উদ্ধার করার মতো লোক নাই। উদ্ধার করার মতো Equipment নাই। জনবল নাই! প্রশিক্ষণ নাই! থাকবে শুধু চিৎকার! পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অসহায়ত্বের চিৎকার! এছাড়া আমাদের রিয়েলাইজেশন নাই! পাপের ফল প্রাকৃতিক দুর্যোগ (ভূমিকম্প ) জানি কিন্তু মানি না! তারপরেও ৭ বছরের শিশুটা ধর্ষিত হচ্ছে। ক্লাস ৮ এর বাচ্চা মেয়েটারে ধর্ষণ করে মেরে জঙ্গলে ঝুলিয়ে রাখছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় একজন আরেকজনে মেরে ফেলছে! প্রকাশ্যে দিবালোকে কোটি কোটি টাকার ঘোষ বানিজ্য হচ্ছে! অর্থ পাচার হচ্ছে! ব্যবসায়ীরা মানুষরে ঠকাচ্ছে! দেশের মেক্মিমাম মানুষ বসেই আছে সুযোগে আরেকজনকে মেরে নিজে বড় হইতে। প্রায় মনে হয় আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত জাতি বড় একটা ডিজিস্টার ডিজার্ভ করি! তার আগে হয়তো আমরা বদলাবো না! "বারবার ওয়ার্নিং আসতেছে, বারবার সুযোগ পাচ্ছি। তবু অকৃতজ্ঞের মতো বারবারই অবহেলা করে যাচ্ছি। হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো শুধরানোর! হয়তো এটাই শেষ সুযোগ ছিলো!! Anisur Rahman
1 480
Times Of Era - آمار و تحلیل کانال تلگرام @timesofera