Times Of Era
رفتن به کانال در Telegram
দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ, ফিলিস্তিন ইস্যু সহ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে খবরাখবর এবং বিশ্লেষণ ধর্মী পর্যালোচনা পেতে চোখ রাখুন আমাদের চ্যানেলে [Times Of Era]
نمایش بیشتر9 785
مشترکین
+524 ساعت
+187 روز
-3430 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
سپتامبر '26
سپتامبر '26
+24
در 0 کانالها
اوت '26
+137
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئیه '26
+222
در 1 کانالها
Get PRO
ژوئن '26
+156
در 1 کانالها
Get PRO
مه '26
+231
در 2 کانالها
Get PRO
آوریل '26
+202
در 2 کانالها
Get PRO
مارس '26
+67
در 3 کانالها
Get PRO
فوریه '26
+156
در 4 کانالها
Get PRO
ژانویه '26
+88
در 1 کانالها
Get PRO
دسامبر '25
+155
در 2 کانالها
Get PRO
نوامبر '25
+64
در 1 کانالها
Get PRO
اکتبر '25
+163
در 6 کانالها
Get PRO
سپتامبر '25
+139
در 4 کانالها
Get PRO
اوت '25
+159
در 4 کانالها
Get PRO
ژوئیه '25
+285
در 9 کانالها
Get PRO
ژوئن '25
+244
در 3 کانالها
Get PRO
مه '25
+174
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+204
در 7 کانالها
Get PRO
مارس '25
+169
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+168
در 5 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+345
در 6 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+1 222
در 15 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+1 001
در 11 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+1 039
در 12 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+208
در 3 کانالها
Get PRO
اوت '24
+1 603
در 40 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+3 625
در 38 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+79
در 2 کانالها
Get PRO
مه '24
+194
در 4 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+821
در 6 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 04 سپتامبر | +7 | |||
| 03 سپتامبر | +8 | |||
| 02 سپتامبر | +2 | |||
| 01 سپتامبر | +7 |
پستهای کانال
ইরান ঘোষণা করেছে
- We will preemptively strike our enemy from now on. (আমরা এখন থেকে আমাদের শত্রুর ওপর আগাম হামলা চালাব)
এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন
- ইরান তো এত দিন অ্যামেরিকার হামলার জবাব দিচ্ছিল। এখন নিজ থেকে হামলা করতে যাচ্ছে কেন?
অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ল্যারি উইলকার্সন আজ বলেছেন, ইরান বুঝতে পেরেছে
- The United States’ stockpile of military equipment is running low. (অ্যামেরিকার সামরিক সরঞ্জামের মজুদ ফুরিয়ে এসেছে।)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে- আপনি এটা কীভাবে বুঝবেন? খুব সহজ বুঝা। গত সপ্তাহে অ্যামেরিকা প্রথমে ইরানে হামলা চালিয়েছিল লারাক দ্বীপে। এরপর ইরান পাল্টা জবাব দেয়। এরপর অ্যামেরিকা আবার হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান, আরব আমিরাত এবং কুয়েতে থাকা অ্যামেরিকান ঘাঁটিতে ভয়ানক হামলা চালিয়েছিল। বুর্জোয়া ট্রাম্প সেদিনই বলেছিল
- We will give Iran a devastating response today. (আমরা আজই ইরানকে এর ভয়ানক জবাব দেব।)
কিন্তু তিন দিন পার হয়ে গেছে, সেই জবাব অ্যামেরিকা দিতে পারে নাই। কেন পারে নাই? ব্রিটিশ স্কাই নিউজের সামরিক বিশ্লেষক শন বেল আজকেও বলেছে
- ইরান সর্বশেষ জর্ডানে যে হামলা করেছে। সেখানে কোন ইন্টার্সেপ্টের দেখা যায় নাই।
অর্থাৎ ইরানের মিসাইল এবং ড্রোণগুলো বিনা বাঁধায় এখন সরাসরি আঘাত করতে পারছে। কারন অ্যামেরিকার স্টক পাইল কমে গেছে। ওরা চাইলেও আর ইরানের মিসাইল ফেরাতে পারছে না। আর এই কারনেই ইরান হয়ত এখন ঘোষণা করেছে- আমরা এখন থেকে আমাদের শত্রুর ওপর আগাম হামলা চালাব। এখন প্রশ্ন হচ্ছে
- ইরান কি আগ বাড়িয়ে ইজরাইলে হামলা করবে?
আপনাদের জানিয়ে রাখি, সর্বশেষ কিন্তু ইরানই ইজরাইলে হামলা চালিয়েছিলো। অ্যামেরিকান অধ্যাপক মেইর শেইমার বলেছেন
- অক্টোবর মাসে ইজরাইলের নির্বাচনে ঠিক আগ মুহূর্তে ইরান হয়ত সেখানে হামলা করতে পারে।
আপনাদের এটাও জানিয়ে রাখি অক্টোবরের একদম শেষে ইজরাইলে জাতীয় নির্বাচন এবং নভেম্বরে অ্যামেরিকায় মিড-টার্ম নির্বাচন আছে। জার্মান টেলিভিশন ডয়েচে ভেলে রিপোর্ট করেছে
- Iran is plotting to teach Trump a lesson he will never forget. ( ইরান ট্রাম্পকে এমন শিক্ষা দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে, যা সে সারাজীবন মনে রাখবে।)
অর্থাৎ ইরান হয়ত ইজরাইল এবং অ্যামেরিকার নির্বাচনের আগে নিজ থেকেই এই মাসে কিংবা আগামী মাসে এই দুই দেশের সামরিক এবং অর্থনৈতিক স্থাপনার উপর হামলা চালাতে পারে। এদিকে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজকে বলেছেন
- অ্যামেরিকা যদি নিজেদের যুদ্ধ জাহাজগুলো এই অঞ্চল থেকে সরিয়ে না নেয়। ইরান হয়ত ওই জাহাজগুলোতে হামলা চালাতে পারে।
অ্যামেরিকার সংবাদ মাধ্যম সিএনএস কিছুক্ষণ আগে একটা বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। যার শিরোনাম হচ্ছে
- Why Iran won't back down in conflict with the US (যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরান কেন পিছু হটবে না)
অর্থাৎ এখন অ্যামেরিকান মূল ধারার সংবাদ মাধ্যমগুলোও বিশ্লেষণ লেখা শুরু করেছে- ইরানকে আসলে হারানো সম্ভব নয়। সব চাইতে মজার ঘটনা ঘটেছে গতকালকে। সিএনএন-এর হোয়াইট হাউজের প্রতিনিধি সাংবাদিক ক্যাটলিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সকে জিজ্ঞস করেছে
- এই যুদ্ধ কখন শেষ হবে?
জেডি ভান্স বলেছে
- এটা আসলে কোন যুদ্ধ না।
- তাহলে এটা কী?
এরপর ভান্স বলেছে
- দেখো ইরান যদি হরমুজে কোন মিসাইল বা ড্রোন নিক্ষেপ করে। সেটা তো আমরা আটকাতে পারবো না।
ক্যাটলিন এরপর করেছে আসল প্রশ্নটা
- তাহলে কি যুদ্ধ শেষ কবে হবে, এটা নির্ভর করছে ইরানের উপর?
বেচারা ভান্স কোন উত্তর দিতে পারে নাই! ইজরাইল ছাড়া অ্যামেরিকা এখন আর কোন বন্ধুকে খুঁজে পাচ্ছে না। দিন কয়েক আগে SCO (সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার) মিটিং-এ চীন, রাশিয়া সহ গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো এক হয়ে অ্যামেরিকার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছে। বলেছে- এভাবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দেশগুলোকে দমিয়ে রাখা যাবে না।
আর আজকে দ্যা আটলান্টিক চ্যানেলে এসে অ্যামেরিকার মিত্র রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল বলেছেন
- Trump has lost Asia. (ট্রাম্প এশিয়ায় তাঁর প্রভাব হারিয়ে ফেলেছে।)
এই লেখাটা যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন। তাহলে বুঝতে পারবেন, যুদ্ধ সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। আগে অ্যামেরিকা কখন ইরানে হামলা করবে, সেটা লিখতে হয়েছে আমাদের। আর এখন ইরান কখন কুয়েত, আরব আমিরাত, জর্ডান কিংবা অ্যামেরিকার কোন যুদ্ধ জাহাজে হামলা করবে। সেই বিশ্লেষণ লিখতে হচ্ছে।
এবং এই রাষ্ট্রগুলো ইরানকে সেই অর্থে কিছু বলছেও না। কেন বলছে না? কারন ওরাও বুঝে গেছে- অ্যামেরিকা ওদের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। ম্যলকম যেটা বলতে ভুলে গেছে, সেটা হচ্ছে
- সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা শুধু এশিয়ায় না; পুরো পৃথিবীতেই ওদের Hegemon (প্রভাব) হারাতে বসেছে।
অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যের পতন এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার।
Aminul Islam
| 2 | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো আমেরিকা ও ইউরোপ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, কোনো বোমা দিয়ে নয়, বরং কারেন্সি দিয়ে।
কী ঘটেছিল আসলে?
ইরান যুদ্ধের কারণে জাপান প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়ে। তেল সরবরাহ বন্ধ। অর্থনীতি ধসের পথে। ইয়েনের মান তলানিতে।
নিজেকে বাঁচাতে জাপান মার্কিন বন্ড বিক্রি করার পরিকল্পনা করে।
আমেরিকা জাপানকে মার্কিন বন্ড বিক্রি না করতে অনুরোধ করে।
জাপানকে নয় বরং নিজের অস্তিত্ব বাঁচাতে আমেরিকা বিক্রি করে দিল: বিলিয়ন বিলিয়ন ইউরো।
গোপনে। ইউরোপকে কোনো কিছু না জানিয়েই।
ইউরোর মানে চরম ধস নামল।
ইউরোপ ক্ষোভে ফুঁসছে। তারা বলছে: "তোমরা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছ। ইরান যুদ্ধের প্রতিশোধ নিয়েছ।"
এখন ইউরোপ পাল্টা জবাবে মার্কিন বন্ড বিক্রি করার হুমকি দিচ্ছে।
এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মুদ্রা যুদ্ধ (কারেন্সি ওয়ার)।
ইরান এই কাজটি ঘটিয়েছে। তারা এই মিত্রতা ভেঙে দিয়েছে।
জাপান ক্ষুব্ধ।
ইউরোপ ক্ষোভে দিশেহারা।
আমেরিকা এখন সম্পূর্ণ একা।
চীন লাভবান হচ্ছে।
রাশিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের প্রভাব বাড়ছে।
ন্যাটো ভেঙে পড়ছে।
পরাশক্তি হিসেবে আমেরিকার আধিপত্য শেষের পথে।
ট্রাম্প একবার নেতানিয়াহুকে বলেছিল, "গোটা বিশ্ব তোমাকে ঘৃণা করে। কেবল আমেরিকার কারণেই তুমি এখনও টিকে আছ।"
অথচ আজ আমেরিকা নিজেই একা দাঁড়িয়ে।
এটাই কি তবে আমেরিকান মিত্রতার সমাপ্তি?
একটাই প্রশ্ন কী আছে আমেরিকার মিত্র আমাদের বাংলাদেশের কপালে?
©রাজিক হাসান | 398 |
| 3 | এই যে ট্রাম্প আজকে রাতে ইরানে হামলা করার হুমকি দিয়েছে। কেন দিয়েছে? কারন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েও ইরানিদের দমানো যাচ্ছে না। উল্টো ইরান দ্বিগুণ শক্তিতে অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করছে। তাই ট্রাম্প দিশা হারিয়ে একবার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করছে; আবার থেমে গিয়ে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটছে! অ্যামেরিকান অধ্যাপক জেফ্রি সাক্স বলেছেন
- Trump doesn't know what he is doing ( ট্রাম্প নিজেই জানে না, সে কী করেছে।)
যেমনটা আগেই বলেছি- সাম্রাজ্যবাদীরা যখন বুঝতে পারে; ওদের সাম্রাজ্যের পতন হতে চলেছে। তখন ওরা অন্য রকম আচরণ করা শুরু করে। অতীতের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোও এমন করেছে। অ্যামেরিকা ঠিক সেই কাজটাই এখন করছে। এভাবে আরও কিছু দিন চলবে। এরপর অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যের শেষ সূর্যটাও ডুবে যাবে।
Aminul Islam | 675 |
| 4 | ট্রাম্প আজকে ওর সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছে
- Iran is officially a Failed Nation. IT IS DEAD! (ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এটি মৃত!)
এখন প্রশ্ন হচ্ছে
-এমন একটা মৃত রাষ্ট্রের লারাক দ্বীপে গতকাল রাতে হামলা করতে হলো কেনো?
উত্তরটা খুব সহজ। বেলজিয়ান সাংবাদিক অ্যালাইজা ম্যাগনেইর আজ বলেছেন
- Because economic sanctions are not achieving anything. ( কারন অর্থনৈতিক অবরোধ দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না।)
আমি অবশ্য অ্যালাইজার সাথে পুরোপুরি একমত না। আমার ধারণা এই যুদ্ধের ফলে ইরানের অর্থনীতি অবশ্যই খারাপ হয়েছে। কিন্তু সেটা ভেঙে পড়ার মত না। কারন ইরানের হাতে অনেক ধরণের অপশন আছে। তাছাড়া ইরানিরা এই কষ্ট টুকু মেনে নিচ্ছে। ওরা জানে- এটা ওদের অস্তিত্বের লড়াই। অ্যালাইজা অবশ্য আরও বলেছে
- America’s Iran Strategy is a Total Disaster ( ইরানে আমেরিকার কৌশলের সম্পূর্ণ বিপর্যয় ঘটেছে)
তাঁর এই বিশ্লেষণের সাথে অবশ্য আমি একমত। কীভাবে বুঝবেন জানেন ? গতকাল ইরানের লারাক দ্বীপে অ্যামেরিকা হামলা করেছে। ইরান এক মিনিটও বসে থাকে নাই। সঙ্গে সঙ্গে জর্ডান এবং আরব আমিরাতে থাকা অ্যামেরিকার ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
প্রথমে অ্যামেরিকান সেন্ট কম এসে বলেছে
- আমরা ইরানের সকল মিসাইল প্রতিরোধ করেছি।
মানে ইন্টারসেপ্ট করেছে আরকি। যেমনটা এই যুদ্ধের প্রথম থেকেই বলে আসছে। কয়েক দিন পর দেখা যায় ঘাঁটিগুলো ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। গতকালের ইরানের হামলায় জর্ডানে থাকা অ্যামেরিকার ঘাঁটির ভয়ানক অবস্থা হয়েছে। এটা বুঝবেন কীভাবে জানেন?
অ্যামেরিকান সামরিক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক কর্নেল ম্যাক গ্রেগর বলেছেন
- Trump’s reactions on social media alone are enough to show how severely Iran has struck back. ( ট্রাম্পের সামাজিক মাধ্যমের প্রতিক্রিয়া দেখলেই বুঝা যাবে ইরান কি পরিমাণ আঘাত করেছে।)
তো, আজকে কিছুক্ষণ আগে ট্রাম্প ওর সামাজিক মাধ্যমে কী পোস্ট করেছে জানেন? লিখেছে
- They have no Navy, they have no Air Force, they have no currency, they are not paying their soldiers or police ( তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই, কোনো বিমানবাহিনী নেই, কোনো কার্যকর মুদ্রা নেই, এমনকি তারা তাদের সৈন্য বা পুলিশকেও বেতন দিচ্ছে না।)
এরপর লিখেছে
- Inflation is at 300%, and their leadership is in total disarray and incapable of properly representing the country ( ওদের মুদ্রাস্ফীতি ৩০০%-এ পৌঁছেছে, আর তাদের নেতৃত্ব সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল এবং দেশকে যথাযথভাবে পরিচালনা ও প্রতিনিধিত্ব করতে অক্ষম।)
এরপর সে বলেছে
- ইরানে সরকার এই পর্যন্ত এক লাখ মানুষকে হত্যা করেছে।
অথচ গতকাল ফক্স নিউজকে দেয়া ইন্টার্ভিউতে এই ট্রাম্পই বলেছে
- ইরানের সরকার এই পর্যন্ত ৫০ হাজার নাগরিককে হত্যা করেছে।
ট্রাম্পের এইসব বক্তব্য শুনে ইরানের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক নিমা আল খরসেদ বলেছেন
- I hope it reaches one million by tomorrow. ( আশা করি আগামীকালের মাঝে সংখ্যাটা এক মিলিয়ন হয়ে যাবে।)
গতকাল রাতে অ্যামেরিকান ঘাঁটিগুলোতে ইরান এতটাই সফল ভাবে হামলা করেছে যে, এখন আল-জাজিরা ব্রেকিং নিউজ দিচ্ছে; ট্রাম্প বলেছে
- We’re going to hit them hard tonight. ( আজ রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি)
এদিকে আজকে মক্কা প্যাক্ট নিয়ে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের মাঝে ফর্মাল মিটিং হয়েছে এবং ওরা এই প্যাক্টের অফিসিয়াল নাম দিয়েছে। নামটা হচ্ছে- মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স। আজকের বৈঠকের পর তুরস্কের প্রতিনিধি বলেছে
- ইজরাইলকে আর বাড়তে দেয়া যাবে না। ওদেরকে থামতে হবে। ওরা শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, এই পুরো অঞ্চলের জন্যই হুমকি।
পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে এই প্যাক্টটা মূলত ইজরাইলকে থামানোর জন্যই করা হয়েছে। ইজরাইল অবশ্য দিশা না পেয়ে সাইপ্রাস এবং গ্রীসের সাথে সামরিক চুক্তি করেছে। এই দুটো দেশ কিন্তু তুরস্কের পাশের দেশ। অর্থাৎ ইজরাইল যে এরপর তুরস্কে কিছু করতে যাচ্ছে; এটা কিন্তু এখন পরিষ্কার।
তুরস্ক এই জন্যই ন্যাটো জোটে থাকার পরও মক্কা জোটে যোগ দিয়েছে। কারন তুরস্ক খুব ভালো করেই জানে- ইজরাইল যদি তুরস্কে আঘাত করে; অ্যামেরিকার নেতৃত্বাধীন ন্যাটো কোন দিনও ওদের বাঁচাতে আসবে না।
পশ্চিম এশিয়ার (মধ্যপ্রাচ্যের) ভূ-রাজনীতি খুব দ্রুত চেঞ্জ হচ্ছে। অ্যামেরিকার Hegemon (প্রভাব) আমাদের চোখের সামনে; মানে একদম রিয়াল টাইমে ভেঙে পড়ছে। অন্যান্য আরব দেশগুলো কিন্তু এখন চুপ করে গেছে। পাকিস্তান আজকে জানিয়েছে
- আর ছয়টা আরব দেশ এই জোটে ঢুকতে চায়।
ওরা কেন ঢুকতে চায়? কারন ওরা বুঝে গেছে- অ্যামেরিকা ওদের নিরাপত্তা দিতে পারবে না। আর ইরানই হতে যাচ্ছে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ পরাশক্তি। | 622 |
| 5 | বাংলাদেশের মানুষ একটু একটু করে বুঝতে শুরু করেছে হিন্দু কী জিনিস।
৪ জন হিন্দুকে খুন করল ২ জন হিন্দু।
প্রশাসন অপরাধীদের গ্রেফতার করল।
অপরাধীরা দোষ স্বীকার করল।
হিন্দু পুলিশরা তদন্ত করল।
স্থানীয়রা স্বাক্ষ দিল।
ডাক্তার ফরেনসিক রিপোর্ট দিলো।
তবুও হিন্দুরা বিচার না মেনে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে।
বোঝাই যাচ্ছে হিন্দুদের মতলব খারাপ। বরাবরই এরা মতলববাজি করে। নিজেরাই একটা অঘটন ঘটিয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি দেয়।
আসলে পেছন থেকে ভারত বাংলাদেশের হিন্দুদের নাচাচ্ছে। জায়গাটা খেয়াল করুন। রংপুর। সেই রংপুর, যেখানে রামের মূর্তি বানানো নিয়ে উস্কানি দিয়েছিল হিন্দুরা।
আমার এখন ধারণা হচ্ছে—এই ঘটনায় ভারত সরাসরি জড়িত। হিন্দু দুই ছেলেকে দিয়ে খুনগুলো ভারতই করায়৷ সাথে ভারতীয় দুয়েকজন হিন্দু থাকার সম্ভাবনাও আছে—যারা অপারেশন শেষে সীমান্ত পেড়িয়ে চলে গিয়েছে।
ভারত ও বাংলাদেশের হিন্দুত্ববাদীরা পরিকল্পনা করেছিল খুন করিয়ে সেই ইস্যু দিয়ে বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলবে। মুসলিমদের ওপর দায় চাপাবে। কিন্তু বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের তৎপরতায় খুনিরা ধরা পড়ে। ভারতের পরিকল্পনাটা ভেস্তে যায়।
হিন্দুরাই হিন্দুদের বলি দিয়েছে। ওরা ভেবেছিল হিন্দুরাজ্যের জন্য হিন্দুদের বলি দেওয়া পূণ্যের কাজ। হিন্দু খুনিরা ধরা পড়ার ফলে পরিকল্পনাও সফল হয়নি। মাঝখান থেকে হিন্দুদের রক্তগুলো বৃথা যাবে এখন।
তাই হিন্দুরা পাগল হয়ে গেছে৷ অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে এখন রাস্তায় নেমেছে। কিছুদিন আগেও মূর্তি ইস্যুতে রাস্তায় নেমেছিল। কিছুদিন পরপরই এরা রাস্তায় নামে মশাল-টশাল নিয়ে। ইসকন সন্ত্রাসী চিন্ময় গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত চট্টগ্রামে উস্কানিমূলক একাধিক মিছিল-জ্বালাও-পোড়াও করেছিল। এবারের ঘটনাও আগের ধারাবাহিক নাশকতারই অংশ।
হিন্দুরা ততদিন থামবে না, যতদিন ভারত বাংলাদেশে সামরিক আক্রমণ করবে। ভারত ওদেরকে শিখিয়ে দিয়েছে 'হিন্দু নিধনের' 'সংখ্যালঘু নির্যাতনের' মিথ্যা গল্পটা প্রতিষ্ঠিত করতে। ফলে ভারত বিশ্বকে দেখাবে হিন্দু রক্ষা করতে বাংলাদেশে আক্রমণ করেছি। পুরো বাংলাদেশ দখল না করলেও সাত রাজ্য রক্ষা করতে উত্তরবঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চাচ্ছে ভারত। | 917 |
| 6 | প্রথম আলো জানেনা কে মারলো। আচ্ছা আমরাই বলে দিচ্ছি - কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে - সিদ্ধার্থ দাস।
প্রথম আলোঃ উপস সরি, সব 'দাস'। আমরাও ভারত চন্দ্রের দাস, সো… ইয়েস টাইটেল রিমেইন্স। এখনো আমরা জানিনা কে মারলো, অল আইজ ক্লোজড।
তুমি আসলে পাশবিক কিউট প্রথম আলো! ভীতিকর নির্লজ্জ এবং তোমার প্রভু ভারতের মন রক্ষার্থে তুমি কাপড় কেন প্রয়োজন হলে নিজের চামড়াও খুলে দিবে! | 1 219 |
| 7 | অস্টলিয়ার কিং আইল্যান্ডের ডলফিন খনিটি আবার চালু হচ্ছে। এটি এমন একটি খনি যা গত ১০০ বছরে প্রতিটি বড় যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়ায় অবস্থিত কিং আইল্যান্ড ডলফিন মাইন, যেখান থেকে টাংস্টেন ধাতু উত্তোলন করা হয়।
আপনি যদি পুরানো হলুদ বাল্বগুলো দেখে থাকেন, তাহলে দেখবেন এর পাতলা তারটিও টাংস্টেনের ছিল। কিন্তু টাংস্টেন শুধু বাল্বের জন্যই নয়। এটি সর্বোচ্চ গলনাঙ্কের ধাতু এবং এটি বেশ শক্তও।
এই কারণেই এটি ক্ষেপণাস্ত্র, বর্মভেদী, ট্যাঙ্ক-বিধ্বংসী গোলাবারুদ এবং সামরিক অস্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
এই খনিটি ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় চালু হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ খনিটি বন্ধ হয়ে যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৩৮ আবার চালু হয় ডলফিন খনি।
এরপর কোরিয়া যুদ্ধ ভিয়েতনাম যুদ্ধ এই খনি ব্যবহার হত । স্নায়ু যুদ্ধ শেষে, ১৯৯০ সালে এটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন, আমেরিকা ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে টাংস্টন আবার একটি কৌশলগত ধাতুতে পরিণত হয়েছে।
প্রায় ৮০% টাংস্টন চীনে উৎপাদিত হয় এবং এর রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই কারণেই ডলফিন খনি আবার চালু হয়েছে। অস্ত্র অতিরিক্ত উৎপাদন করা মানে বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি। | 1 371 |
| 8 | ট্রাম্প কিভাবে ইরানের সামনে মাথা নত করেছেন...উদাহরণ ও প্রমাণসহ ভেতরের গল্প শুনিয়েছেন গালিবাফ!
''আমাদের আলোচনার ফল হিসেবে ওই রাতেই তারা অবরোধ তুলে নিয়েছিল! ৩০ দিন পর নয়, ঠিক ওই রাতেই!
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছিল, 'আজ রাতে আমরা অবরোধ তুলে নিচ্ছি,' আর এর ঠিক নিচেই সে লিখেছিল, 'অবশ্য, ইরানিরাও হরমুজ প্রণালী খুলে দেবে!'
এটা দেখামাত্রই আমি বাধা দিই! আমি বলি, 'আমাদের চুক্তিতে এমন কোনো কথাই নেই!' আমি মধ্যস্থতাকারীদের সোজা জানিয়ে দিই, 'যদি এক্ষুনি ওই টুইট মুছে ফেলা না হয়, তবে আমরা হামলা চালাব!'
ঠিক ৫৮ মিনিট পর ট্রাম্প তার পোস্টের ওই দ্বিতীয় অংশটুকু মুছে ফেলে...'"
- মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, স্পিকার, ইরানের পার্লামেন্ট! | 1 744 |
| 9 | 🟥 আপডেট 🟥
দুই পক্ষই এখন বাজি ধরেছে যে কার পকেটের টাকা সবার আগে শেষ হয়!
ইরানের তেল রপ্তানি দিনে ২০ লাখ ব্যারেল থেকে কমে এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে! এর পাশাপাশি নৌ-অবরোধের কারণে প্রতিদিন তাদের যে প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ লিটার পেট্রোলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে, তা তারা কিছুতেই মেটাতে পারছে না!
তেহরান এর জবাবে 'টিকে থাকার অর্থনীতি' বেছে নিয়েছে! তারা জ্বালানি আর বিদ্যুৎ রেশনিং (হিসাব করে নির্দিষ্ট পরিমাণ দেওয়া) করছে এবং রাষ্ট্রের সুরক্ষাকে সবার আগে রেখে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে এই কষ্টের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে!
অন্যদিকে ওয়াশিংটনের হিসাব-নিকাশ চলছে ঠিক তার উল্টো পথে!
পারমাণবিক কর্মসূচির চেয়েও সস্তা জ্বালানিকে এই সপ্তাহে নিজেদের এক নম্বর লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন ভ্যান্স! আর বেসেন্ট কথা দিয়েছেন যে, নৌ-অবরোধের পাশাপাশি এমন সব নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে 'যা অর্থনৈতিকভাবে একঘরে করার ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি'!
যুদ্ধ শুরুর আগে যেখানে প্রতিদিন ১৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালী পার হতো, সেখানে গত বৃহস্পতিবার মাত্র ১৩টি জাহাজ ওই পথ পার হয়েছে! এর মধ্যে ৯টিই গেছে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা পথ দিয়ে! আর এদিকে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মজুত এত দ্রুত কমে যাচ্ছে যে, সামনে নতুন করে আর কোনো বড় ধাক্কা লাগলে তা সামাল দেওয়ার মতো কিছুই হয়তো আর অবশিষ্ট থাকবে না!
- ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল | 1 699 |
| 10 | আজকে আরব আমিরাত ইরানে 1.5 টন স্বর্ণ পাঠিয়েছে যার মুল্য ২০০ মিলিয়ন ডলার।
আরব আমিরাত দিয়েই শুরু হলো ইরানকে গুরু মানা।
আজকে থেকে শুরু হলো ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার। ৩০শে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করে নিবে আমেরিকা।
ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন - আমাদের ভূখণ্ডে থেকে আমাদের প্রতিবেশিকে হামলা করবে এটা হতে দেওয়া হবে না।
ইরানের সুপ্রিম লিডারের উপদেষ্টা আকবার সাহেব বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কোন রকম দাদাগিরি আর এই অঞ্চলে মেনে নেওয়া হবে না। যদিও তারা চোরা পথ বেছে নিয়ে বর্তমানে হামলা করতেছে, এটার ফায়সালাও আমরা করবো।
আমেরিকার সিনেটর বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়েছে এটাই সত্য। ট্রাম্প যে মিথ্যার ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে তাতে আমেরিকার মান বাড়ছে নাকি কমছে এটা যেন ট্রাম্প ভেবে দেখেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আব্বাস আরাগচী বলেছেন
গুজব ছড়ানোর চেয়েও সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি হচ্ছে আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার ভুল তথ্য প্রচার। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা ইরান সম্পর্কে যা জেনেছে এবং জানায়েছে সবই ভুল তথ্য।
বারাকাল্লাহ ফি ইরান। | 1 359 |
| 11 | আমিও মনে করছি ইরানের উচিত হবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকা। ভূ-রাজনীতির শিক্ষক হিসেবে অন্তত ইতিহাস থেকে যা জেনেছি; সেটা হচ্ছে- সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো যখন পরাজিত হয়। শত্রুকে ভয়ংকর রকম আঘাত করেই বিদায় নেয়। এমনকি সভ্য(!!!!) সাম্রাজ্যবাদী বলতে যাদেরকে বলা হয়। সেই ব্রিটিশরাও কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বিদায় নেবার আগে অনেক ক্ষতি করে গেছে।
এটাই সাম্রাজ্যবাদীদের স্বভাব। অতীতের সকল সাম্রাজ্যগুলো একই কাজ করেছে। তবে অ্যামেরিকান অধ্যাপক রবার্ট পেপ আজকেও বলেছেন
- IRAN WILL HAVE NUCLEAR WEAPONS VERY SOON ( ইরান খুব শিগগিরই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে যাচ্ছে)
আমি ইচ্ছা করেই এই বাক্যটা ক্যাপিটাল লেটারে লিখেছি। অধ্যাপক পেইপ উনার যুক্তি দিয়েই যাচ্ছেন। তিনি আজকেও বলেছেন
- ইরান আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মাঝে পৃথিবীর সুপার পাওয়ারগুলোর একটা হবে।
তিনি তাঁর যুক্তি দিচ্ছেন। প্রায় প্রতিদিনই বলছেন। তবে আমি অধ্যাপক পেইপের যুক্তি পুরোপুরি মানছি না। মাত্র দেড় বছরে একটা রাষ্ট্র আসলে সুপার পাওয়ার হতে পারে না। যদিও ইরান খুবই ধনী দেশ। মানে প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকে পৃথিবীতে ৫ নাম্বার ধনী দেশ ইরান। ওদের সব কিছু আছে। কিন্তু পুরো পৃথিবীতে সুপার পাওয়ার হতে আমার ধারণা আরও সময় লাগবে।
তবে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়- ইরান মধ্যপ্রাচ্যের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হবে কিংবা হয়েই গেছে এবং পৃথিবীর সুপার পাওয়ারও হবে। কিন্তু সময় লাগবে। আজকের এই লেখাটা শেষ করছি অ্যামেরিকান কর্নেল ম্যাক গ্রেগরের উক্তি দিয়ে। তিনি আজ বলেছেন
- Trump was good at the art of the deal. Now he needs to master the art of defeat. ( ট্রাম্প ডিল (ব্যবসা) মেকিং-এ ভালো ছিল। এখন তাকে ‘পরাজয়ের শিল্প’ও রপ্ত করতে হবে।)
ইরান এসে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার পরাজয় হয়েছে। ভুলে যাবেন না সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তানে এসে আঁটকে পড়েছিল। তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল পৃথিবীর সব চাইতে শক্তিশালী দেশ। অ্যামেরিকা তখন আফগানিস্তানকে সাহায্য করেছিল। ওরা চেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন দুর্বল হোক।
১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান থেকে সরে পড়ে। আর এর ঠিক দেড় বছরের মাথায় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হয়। সেই সাথে শুরু হয় অ্যামেরিকান একক সাম্রাজ্য। ২০২৬ সালে ইরানে এসে অ্যামেরিকা আঁটকে পড়েছে। আর ইরানকে সাহায্য করছে কারা?
রাশিয়া এবং চীন। বিশেষ করে চীন। এটা সবারই জানা। মধ্যপ্রাচ্য থেকে অ্যামেরিকাকেও সরে যেতে হবে। এরপরই দেখবেন অ্যামেরিকায় কী Chaos (বিশৃঙ্খলা) শুরু হয়। লিখে রাখেন- ইরান যুদ্ধে হারার পর অ্যামেরিকায় নানান সব বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে। আর এভাবেই খুব দ্রুতই অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যেরও পতন ঘটবে। আমরা এরপর হয়ত Unipolar ( এক কেন্দ্রিক) বিশ্ব থেকে Multipolar (বহু কেন্দ্রিক) পৃথিবীতে প্রবেশ করবো।
Aminul Islam | 1 123 |
| 12 | ইরান যুদ্ধ এই মুহূর্তে ঠিক কোন অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে? এই প্রশ্ন নিশ্চয় সবার মনেই ঘুর পাক খাচ্ছে। ট্রাম্প গত দুই দিনে যা যা বলেছে। এ থেকেই আপনি কিছুটা উত্তর পেয়ে যাবেন। সে বলেছে
- We will keep the Strait of Hormuz blocked and gradually weaken Iran economically. (আমরা হরমুজ বন্ধ রেখে ইরানকে আস্তে আস্তে অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল করে দেব।)
আপনাদের নিশ্চয় মনে থাকার কথা। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর কিছুতেই পেরে না উঠে এপ্রিলের ১৩ তারিখ ট্রাম্প হরমুজ ব্লকেড শুরু করে ঘোষণা দিয়েছিল
- Their whole oil infrastructure is going to explode (তাদের পুরো তেল অবকাঠামো বিস্ফোরিত হয়ে যাবে।)
এরপর বলেছিল
- They have a matter of days before that event takes place ( এটা ঘটতে ইরানের হাতে আর মাত্র কয়েক দিন সময় আছে)
এপ্রিল পার হয়ে মে গেল। মে মাস পার হয়ে জুন, জুলাইও চলে গেল। এখন আগস্ট মাস। কয়েক দিনের কথা বলেছিল। এখন কয়েক মাস পার হয়ে গেছে। ইরানের অবকাঠামোও ভেঙে পড়ে নাই। কোন বিস্ফোরণও ঘটে নাই। আর এখন এসে বলেছে
- আমরা হরমুজ বন্ধ রেখে আস্তে আস্তে ইরানকে অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল করবো।
তো, ট্রাম্পের এই মন্তব্য শুনে অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর বলেছেন
- Doesn’t foolish Trump realize that before weakening Iran’s economy, the American economy itself could collapse? ( বোকা ট্রাম্প কি বুঝতে পারছে না, ইরানের অর্থনীতি দুর্বল করার আগে অ্যামেরিকার অর্থনীতিই ভেঙে পড়তে পারে?)
তবে আমার মজা লেগেছে জার্মান সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ওয়েলের (DW) একটা রিপোর্টে। ওই রিপোর্টে প্রশ্ন করা হয়েছে
- Wasn’t it just last week that Trump wanted to destroy Iran if it didn’t reopen the Strait of Hormuz? (গত সপ্তাহেই না ট্রাম্প ইরানকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল হরমুজ না খুললে?)
এরপর ওরা বলেছে
- তাহলে কেন খুলতে চেয়েছে?
এর উত্তর অবশ্য দিয়েছেন ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক এবং ট্রাম্প প্রশাসন থেকে ইরান যুদ্ধের কারনে পদত্যাগ করা জো কেন্ট। তিনি বলেছেন
- হরমুজ না খুললে শুধু অ্যামেরিকান নয়, অ্যামেরিকার মিত্র আরব দেশগুলোর অর্থনীতিও ধ্বসে পড়বে।
তো, গতকাল এসে ট্রাম্প বলেছে
- Hormuz is open ( হরমুজ খোলা আছে!)
এই হচ্ছে ম্যানিয়াক ট্রাম্পের অবস্থা। বেলজিয়ান সাংবাদিক অ্যালাইজা ম্যাগনেইর (আমাদের সাংবাদিকদের উচিত ওর কাছে থেকে শেখা) বলেছেন
- Iranians can endure a great deal of hardship, but Americans may not be able to ( ইরানিরা অনেক কঠিন পরিস্থিতি সহ্য করতে পারবে। কিন্তু আমেরিকানরা হয়তো সেটা পারবে না।)
এটাই বাস্তবতা। ইরানের তো ক্ষতি হয়েছে। তাই বলে কি ইরানিরা কেউ ভেনেজুয়েলার মত হাল ছেড়ে দিয়েছে? বরং আরও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমার মাঝে মাঝে জগতের দেশগুলোর রাজনীতিবিদদের দেখলে অবাক লাগে। এরা আমাদের মত অ্যাকাডেমিকদেড়র কথা শুনেই না। শত শত বছর আগের লেখা সান জু 'র (Sun Tzu) "আর্ট অব ওয়ার" বইটা তো সকল রাজনীতিবিদদের পড়ার কথা। এরা কি এইসব পড়ে না? সেখানে তো সে বলেছে
- If you push an enemy into a desperate, existential situation, you can actually make them more united. (আপনি যদি আপনার শত্রুকে চরম অস্তিত্বের সংকটের মধ্যে ঠেলে দেন, তাহলে উল্টো তারা আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠতে পারে।)
ইরানে ঠিক সেটাই হয়েছে। ট্রাম্প যেদিন বলেছে
- ইরানকে প্রস্তর যুগে নিয়ে যাওয়া হবে। পাঁচ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার বছর আগের সভ্যতা ধ্বংস করে দেয়া হবে।
সে দিনই ট্রাম্পের পরাজয় লেখা হয়ে গিয়েছিল। কারন একজন ইরানিও এটা মেনে নেবে না। তাহলে যুদ্ধের অবস্থা এখন কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে?
আপনি প্যাটার্নটা বুঝার চেষ্টা করেন। তাহলেই বুঝে যাবেন। আগের চুক্তিতে (MOU) ইরান দাবি করেছিল অ্যামেরিকা ওদের যেই টাকা জব্দ করে রেখেছে, সেটা কয়েক কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে। এটাও বলেছিল সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। আর এখন কী বলছে?
এখন বলছে- সব টাকা আগে দিতে হবে। নইলে কোন আলোচনা নয়। এমনকি ইরান এবার দাবি করেছে- শুধু লেবানন, ইয়েমেন নয়। প্যা*লেস্টাইনেও সকল রকম আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। চিন্তা করে দেখেন- যেখানে আরব রাষ্ট্রগুলো অ্যামেরিকার গোলামী করছে। সেখানে ইরান নিজেদের এত ক্ষতি সহ্য করেও প্যা*লেস্টাইনের স্বাধীনতার দাবি এখনও জানিয়ে যাচ্ছে।
যা হোক, ওদের দাবিগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন- যুদ্ধে কে এগিয়ে আছে। ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিক পেপ এস্কোবার বলেছেন
- এই দাবি অ্যামেরিকা যদি মেনে নেয়। এর মানে দাঁড়াবে, অ্যামেরিকার শোচনীয় পরাজয় হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা কি আদৌ ইরানের এইসব মেক্সিমালিস্ট দাবিগুলো মেনে নেবে? তাহলে তো প্রকাশ্যে পরাজয় মেনে নিতে হবে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডী বলেছেন
- Iran is fully prepared for another full-scale war. ( ইরান আরেকটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।) | 873 |
| 13 | আজকে একদিকে এসএসসির রেজাল্ট পেয়ে স্টুডেন্টরা যখন আনন্দ করছে অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী তখন স্টুডেন্টদেরকে ধ্বংস করার একটা ফন্দি বের করেছে।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন ঘোষণা দিয়েছে এখন থেকে স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ দিবে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা।
আগে এই নিয়োগটা এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ দিতো। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিধায় তাদের উপর সরকারের তেমন একটা হস্তক্ষেপ ছিল না।
তাই পরীক্ষা নিয়ে, বহু বাছবিচার করে তারপর যোগ্য শিক্ষককে নিয়োগ দিতে তারা।
কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী মিলন এবং বিএনপি সরকারের লোকেরা ঘুটু করে এই নিয়োগের দায়িত্বটা এখন থেকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিকে দিয়ে দিয়েছে।
শুধু মুখে মুখেই দেয়নি কাগজে কলমেও দিয়েছে যাতে সবসময় এটা বহাল থাকে। এমনকি এই আইনটাকে সংশোধন করে পরিপত্রও জারি করতে যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী মিলন এই কাজটা করেছে যাতে দলের লোকদেরকে, ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতাদেরকে ঘুষ খাওয়ার সুযোগটা করে দেয়া যায়।
আগে এই শিক্ষক নিয়োগে ঘুষের সুযোগটা কম ছিল। কিন্তু এখন থেকে প্রতিবছরই ৯৮৪২ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে।
এই নিয়োগটা ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতারাই দিবে।
বিনিময়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা ঘুষ নিবে, স্বজনপ্রীতি করবে।
যে শিক্ষকরা স্কুলে পড়াবে তাদের যোগ্যতা অনার্স-মাস্টার্স পাশ হতে হবে অথচ তাদেরকে যেই কমিটির সদস্যরা নিয়োগ দিবে তাদের কোন যোগ্যতাই থাকা লাগবে না।
এসব টু পাশ করা ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের যোগ্যতা একটাই- তারা সরকারি দলের রাজনীতি করে, বিএনপি সাপোর্ট করে।
এভাবেই লাখ লাখ টাকার ঘুষের বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে, রিডিং পড়তে না পারা লোকদেরকে মাস্টার বানানো হবে আর দেশের শিক্ষাব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে ফেলা হবে।
চায়নার স্টুডেন্টরা জটিল জটিল রোবট বানায়, ইরানের বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েরা আধুনিক ড্রোন বানায় অথচ আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীরা নেতাদের মিছিলে গিয়ে শোডাউন দেয়।
আমাদের নেতারাও চায় ছাত্রছাত্রীরা সারাদিন তাদের মিছিলেই পড়ে থাকুক। কারণ স্টুডেন্টরা শিক্ষিত হয়ে গেলে প্রশ্ন করা শিখে ফেলবে, দেশের রিজার্ভের জবাবদিহিতা চাইবে।
এজন্যে কোন সরকারই চায় না এদেশের স্টুডেন্টরা শিক্ষিত হোক, উন্নত হোক। শিক্ষিত হয়ে গেলে তাদের মিছিল-মিটিংয়ে লোক কমে যাবে।
এজন্যেই শিক্ষামন্ত্রী মিলন আর বিএনপি সরকার মিলে আজকে এই ফন্দিটা বের করেছে। তারা একঝাঁক স্বপ্ন দেখা স্টুডেন্টদের ভাগ্যটা মাত্র টু পাশ করা ম্যানেজিং কমিটির পাতি নেতাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
অথচ যেই জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় বসেছে সেই জুলাই আন্দোলনই হয়েছিল কোটার বিরুদ্ধে, চাকরির সুপারিশের বিরুদ্ধে। কিন্তু বিএনপি সরকার এটাই আজকে চালু করেছে।
এনটিআরসিএ এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৭ হাজার শিক্ষককে ঘুষ বাদে চাকরির সুযোগ করে দিয়েছিল।
আই রিপিট ১ লাখ ৭৭ হাজার!
কিন্তু এখন থেকে সেই একই চাকরি নিতে হলে ঘুষ দিতে হবে, নেতাদের পায়ে ধরতে হবে। যতই যোগ্যতা থাকুক কাজে দিবে না।
অথচ জুলাইয়ে সবাই স্বপ্ন দেখেছিল দেশটা একটু পরিবর্তন হবে, শিক্ষাব্যবস্থাটা পরিবর্তন হবে। কিন্তু সেসব আর হবে না।
একঝাঁক আশা নিয়ে আপনিও হয়তো একদিন স্বপ্ন দেখেছিলেন শিক্ষক হবেন, চাকরি করবেন। ঘরে অসুস্থ বাবা-মায়ের স্বপ্নটা পূরণ করবেন।
কিন্তু অনার্স শেষ করে চাকরি নিতে গিয়ে দেখবেন মেধা থাকা থাকা সত্ত্বেও চাকরিটা হচ্ছে না। ফাইল ভর্তি সার্টিফিকেট আর মাথাভর্তি মেধা নিয়ে আপনি হন্য হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরবেন কিন্তু কোন কাজ হবে না।
কারণ নেতাকে লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে আরেকজন আপনার চাকরিটা নিয়ে নিয়েছে।
তখন মলিন মুখ দেখে আপনার অসুস্থ বাবা-মাও চাকরি হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করবে, খোটা দিয়ে দুটো কথা শুনাবে।
এসব ট্রমা আর ডিপ্রেশনে পড়ে শত শত চাকরি পরীক্ষার্থীরা আত্মহ*ত্যার পথটাও বেছে নিবে। এ মৃত্যুতেও তাকেই দোষারোপ করা হবে।
অথচ কেউ জানবে না এ দেশের সরকার লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে স্টুডেন্টদের স্বপ্নটা পাতি নেতাদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে
- Ibrahim Khalil Shawon | 974 |
| 14 | বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশ পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এবার রাজনৈতিক শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি হবে স্কুল-কলেজ গুলোতে।
বিশেষ করে বিএনপি নিয়ন্ত্রিত স্কুল গুলোতে তাদের লোকজন নিয়োগ হবে আবার জামায়াতে ইসলামী নিয়ন্ত্রিত স্কুল গুলোতে তাদের লোক নিয়োগ হবে।
এটির পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ এনটিআরসিএ হাতে থাকা উচিৎ ছিলো।
যাতে রাজনীতির বাহিরের যথাযথ যোগ্যতা রাখা মানুষ গুলোই সুযোগ পেতো এই পেশায় আসার...
সরকারের উচিৎ এই বিষয়টি নিয়ে আবারও বিবেচনা করা। | 1 064 |
| 15 | রাসুল (স:) বলেছেন শেষ জামানার মাওলানা আসমানের নীচে সর্বনিকৃষ্ট প্রানী বায়হাকি ২৭৬ মিশকাত। বর্তমান সময়ে দেখুন আমাদের মাওলানারা মালহামা আসন্ন পরমানু বিশ্বযুদ্ধের হাদিস নিয়ে ওয়াজ করেনা, ২০০০ বছর পরে ইস্রাইলে ইহুদিরা প্রবেশ করে জেরুজালেমকে ইস্রাইলের রাজধানী বানিয়েছে সেকথা যে কোরআন হাদিসে শেষ জামানার আলামত হিসেবে উল্লেখ রয়েছে সে বিষয় নিয়ে আমাদের মাওলানারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেনা।সুরা আম্বিয়ার ৯৫ তম আয়াত অনুসারে ইয়াজুজ মাজুজ যে ছাড়া পেয়েছে সে বিষয়ে আমাদের মাওলানারা আমাদের শিক্ষা প্রদান করেনা।ইলেকট্রনিক মুদ্রা যে হারাম সে বিষয়ে তারা ফতোয়া দ্যায়না, ইসলামের মুদ্রা যে দিনার দিরহাম সে বিষয়ে তারা শিক্ষা প্রদান করেনা,কোরআনে সুরা রুম নামে আল্লাহপাক একটি সুরা নাজিল করেছেন হাদিসে বলা আছে শেষ জামানায় মুসলমানদের রুমের সাথে সন্ধি হবে সেই রুম যে রাশিয়া সে বিষয়ে আমাদের মাওলানারা শিক্ষা প্রদান করেনা।এইরকম অসংখ্য বিষয় নিয়ে আমাদের মাওলানারা একেবারে চুপ হয়ে গিয়েছে তারা দাজ্জালের বর্তমান ফিতনা নিয়ে আলোচনা করেনা।
আমাদের মাওলানারা এইভাবে কোরআন হাদিসের সাথে বেঈমানি করেছে এই কারনে কিয়ামত দিবসে তাদের আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে।আর আমি কোরআন হাদিস গবেষনা করে যে সত্য প্রচার করিতেছি তা প্রচার হবে।কারন আমি যদি সঠিক শিক্ষা দেই সেই সত্য আল্লাহপাক প্রচার করবেন।
বিশ্ববরেন্য শায়খ ইমরান নজর হোসেন। | 1 003 |
| 16 | আজকে ইরান বলেছে আমাদের সাথে সমঝোতা করলে আমাদের কিছু শর্ত আছে তা মানতে হবে। মানলে সমঝোতার আলাপ হবে, অন্যথায় এই আলাপও আর হবে না। শর্তগুলি কি কি ছিল চলুন দেখে নিই --
১) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনির বিরুদ্ধে কোন হুমকি ধামকি দেওয়া যাবে না।
২) ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।
৩) ইরানের বিরুদ্ধে সকল প্রকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।
৪) ইরানের উপর যে নৌ অবরোধ আছে তা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করতে হবে।
৫) সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের যা যা ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতিপূরণ সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রকে বহন করতে হবে।
৬) বিদেশে আটকে থাকা সকল অর্থ ইরানকে ফেরত দিতে হবে।
আমেরিকা শুধু হার মেনে চলে যাবে তা হবে না। ইরান এবার আমেরিকাকে সেই রকম ভাবেই ধরেছে।
ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের আরামকোতে হামলার জবাবে এখনো পাকিস্তান বা তুরস্ক থেকে কোন রিয়েকশন পাওয়া যায় নাই।
এই ফাঁকে হুতিরা সৌদির আল জুবাইল এলাকায় আরও দুইটা মিশাইল মেরেছে।
আল মুখা এলাকায় আরো একটা মিশাইল মেরেছে।
মানে হুতিরা খুব ভাল ভাবেই ধরে বসেছে সৌদিকে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউজ হচ্ছে
ইসরায়েলের টিভি চ্যানেল ১৩ থেকে বলা হয়েছে
ইসরায়েল একাই ইরানের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুতি নিতেছে।
এদিকে ইরান ইসরায়েলের সবচেয়ে দামী একটা ড্রোন গোয়েন্দাগিরি চালানোর সময় ইরান শ্যুড ডাউন করেছে।
বারাকাল্লাহ ফি ইরান। | 1 129 |
| 17 | বাবরি মসজিদ ঢাকা ও জামিয়াতুত তারবিয়াহ আলইসলামিয়ার নির্মাণ কাজে অনুদান দিয়ে সাদকায়ে জারিয়ায় অংশ নিন আপনিও!
🔹 মসজিদের ১ স্কয়ার ফিট নির্মাণ ব্যয় ৩,০০০ টাকা।
🔹 একটি জায়নামাজের সমপরিমাণ (৮ স্কয়ার ফিট) জায়গা নির্মাণে খরচ ২৪,০০০ টাকা।
🔹 অথবা যে কোনো পরিমাণ অর্থ দিয়েও সহযোগিতা করতে পারেন।
দেশ-বিদেশের যেকোনো পেমেন্ট মেথড থেকে সহজে অনুদান পাঠাতে ভিজিট করুন-
https://tagleebedin.com/babri-masjid/
বিকাশ ও নগদে অনুদান পাঠাতে- 01737241621
ব্যাংকে অনুদান পাঠাতে-
Bank Name: Islami Bank Bangladesh Limited
Branch: Kalatia Bazar Sub-Branch, Dhaka
Account Name: Babri Masjid Dhaka
Account Number: 20506640200295607
বার্ষিক ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করে আজীবনদাতা সদস্য হতে যোগাযোগ করুন:
01339-491061 (WhatsApp) | 1 214 |
| 18 | ১। বসুন্ধরাকে সারাদেশে জ্বালানি আমদানি ও সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এর চেয়ারম্যান এটাতে আপত্তি জানালে তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঠিক কত পার্সেন্টে ডিল হয়েছে এইটা জনগণ জানতে চায়। টেন পার্সেন্টের কমে তো ডিল হওয়ার কথা না। বিপিসি আটচল্লিশ হাজার কোটি টাকা লাভ পাওয়া প্রতিষ্ঠান। সেখানে বসুন্ধরাকে ঢোকানোর জন্যে যে ডিল হয় তা হাজার কোটি টাকার নিচে হওয়ার কথা না।
২৷ ইন্টেরিমের সময় ২৯৫ টা ঔষধের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিলো। যেগুলোর দাম কোম্পানিগুলো চাইলেই বাড়াতে পারতো না। ইন্টেরিমের সময় স্বাস্থ্য খাতে এই সংস্কার নিয়ে বিএনপিরও কোন আপত্তি ছিলো না।
এখন ঔষধ কোম্পানির থেকে কত পার্সেন্ট খেয়ে সালাউদ্দিন তারেকের সরকার কোম্পানিগুলোকে দাম নির্ধারণের সুযোগ দিচ্ছে তা জানা নাই। তবে এখানেও টেন পার্সেন্টের বেশি কমিশন খাচ্ছে এতটুকু নিশ্চিত।
৩। একশো বাস নামানো হচ্ছে কোন টেন্ডার ছাড়া। সম্পুর্ন গোপনে এইটা করা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকিউরমেন্ট নীতিমালার বাইরে এসে। এখানেও টেন পার্সেন্টের কম নেওয়ার কথা।
৪। সালাউদ্দিন আহমেদের ছেলেকে পার্টনার বানিয়ে জাপানি প্রজেক্ট আসছে যেখানে সালাউদ্দিন আহমেদের ছেলে দুই হাজার কোটি টাকার বেশি পাবে। সালাউদ্দিন আহমেদের সংবিধান রক্ষার আড়ালে ঠিকই পার্সেন্টেজ পাচ্ছে।
আর সালাউদ্দিন আহমেদকে যারা সাপোর্ট দিচ্ছে আমাদের ছাত্রদল যুবদলের ভাই বেরাদারদের টেম্পু স্ট্যান্ডে চান্দা তোলা ছাড়া আর কোন আয়ের উৎস নাই।
আমরা সম্ভবত টেন পার্সেন্টের যুগ পার হয়ে এসেছি। এখন আর টেন পার্সেন্টে হচ্ছে না। কত পার্সেন্টে হচ্ছে এইটাই জনগণ আসলে জানতে চায়। | 1 066 |
| 19 | ১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৯৫ টি ঔষদের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল ইউনুস সরকার।
সহজ করে বললে ২৯৫ টি ঔষদের দাম কম্পানিগুলো চাইলেও বাড়াতে পারতো না সেই নীতি করে গিয়েছিলেন ইউনুস।
অথচ সেই নীতি বাতিল করে আবারো আগের জায়গায় ফিয়ে যাওয়া হয়েছে যেখানে ১৭৮ টি ঔষদের মধ্যে উচ্চরক্তচাপ, ডায়বেটিস ও ক্যান্সার সহ নানা জটিল রোগের ঔষধ রয়েছে।
আচ্ছা এই যে পরিবর্তন টা করতেছেন তা কার স্বার্থে?
ছাত্রদলের স্বার্থে?
যুবলের?
তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের স্বার্থে?
সাধারণ মানুষের স্বার্থে?
মানে কার স্বার্থে আবারো ১৭৮ টি ঔষদের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা কম্পানিগুলোর হাতে দিয়ে দিচ্ছেন?
কত টাকার বিনিময়ে এরা রিকশা চালক বি এন পির সমর্থকটার ঔষধের দাম বাড়িয়ে দিলো?
২/১ জন এমপি মন্ত্রীর এত ক্ষমতা যারা পুরো দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে!!!
আমরা এতটাই কপালপোড়া জাতি যে, আমাদের বিষমুক্ত কোনো খাবার নেই এমনকি শিশু খাদ্যতেও বিষ রয়েছে।
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাবেন সেখানেও নিস্তার নেই, আপনার পকেট কাটার জন্য ঔষধ কম্পানিগুলো সরকারের ক্ষমতাধর ২/১ জনের পকেট ভরে দিয়েছে।
আমি রাজনীতি করি না, তাই আমি চুপ।
আমি বিএনপির কর্মী/সমর্থক আমি কথা বললে নেতা শাসাবেন।
আমি বিএনপির পাতি নেতা, লিডারের কাছে কিছুদিন ঘুরলেই ঔষধের দাম ম্যানেজ হয়ে যাবে।
আমি মাঝারি নেতা, আমার এসবে কথা বলা মানায় না, বড় নেতারা না খাইলে আমরা চলমু কেম্নে!
আমি বিরোধী দল, সংসদে আমাদের বেশ সুনাম আছে, সরকারি দলের সাথে বোঝাপড়া বেশ, লোকে যাকে কুসুম কুসুম বিরোধিতা বলে, যা বলবো সংসদেই বলবো।
বাইরে যা গরম! চাইলেই কি রাজপথে নামা যায়!
PUSAB | 1 172 |
| 20 | ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমকামী বিয়ের ঘটনায় শাস্তির দাবি ১২৩০ নাগরিকের
https://www.dailyamardesh.com/national/amdfv236bh4ej | 1 444 |
