fa
Feedback
Bangladesh Awami League

Bangladesh Awami League

رفتن به کانال در Telegram

Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League. Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org Follow us on - 🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949 🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971 🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام Bangladesh Awami League

کانال Bangladesh Awami League (@albd1949) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 99 203 مشترک است و جایگاه 591 را در دسته سیاست و رتبه 97 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 99 203 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 30 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 8 043 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -10 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید شده (به صورت رسمی توسط تلگرام)
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 5.92% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 3.65% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 5 878 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 3 621 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 78 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
“Official Telegram Channel of Bangladesh Awami League. Stay Connceted on Web 👉 www.albd.org Follow us on - 🔴 Insta 👉 https://instagram.com/albd1949 🟣 Tw 👉 https://twitter.com/albd1971 🔵 FB 👉https://www.facebook.com/awamileague.1949”

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 01 اکتبر, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته سیاست تبدیل کرده‌اند.

99 203
مشترکین
-1024 ساعت
-1667 روز
+8 04330 روز
آرشیو پست ها
১ অক্টোবরে কারচুপির নির্বাচনের পর ২০০১-২০০৬; বাংলাদেশের বুকে আজকের মত সেদিনও অন্ধকার নেমে এসেছিল। ভুলে গেছে বাংলাদেশ?
+3
১ অক্টোবরে কারচুপির নির্বাচনের পর ২০০১-২০০৬; বাংলাদেশের বুকে আজকের মত সেদিনও অন্ধকার নেমে এসেছিল। ভুলে গেছে বাংলাদেশ?

photo content

ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টা: বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি বন্ধের নেপথ্য রাজনীতি ​—— মানিক লাল ঘোষ---- ​ইতিহাস কোনো নিছক কালপঞ্জি বা অতীতের মৃত দলিল নয়; ইতিহাস হলো একটি জাতির আত্মপরিচয়ের দর্পণ, অস্তিত্বের মূল শেকড়। সেই শেকড়েই যখন কুঠারাঘাত করা হয়, তখন তা কেবল একটি বই বা একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না—তা হয়ে ওঠে গোটা জাতির মুক্তবুদ্ধি, বাকস্বাধীনতা এবং অস্তিত্বের ওপর সরাসরি আঘাত। সম্প্রতি রাজধানীর বাংলাবাজারে দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) বিক্রয়কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রিকে কেন্দ্র করে যে ন্যাক্কারজনক তাণ্ডব চালানো হয়েছে, তা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবেকের সামনে এক গভীর প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে। ​কোনো ধরনের আইনি নোটিশ, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কিংবা আদালতের নির্দেশ ছাড়াই সংঘবদ্ধ মব বা জনতা কর্তৃক একটি স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনা আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন। শুধু তাই নয়, বিক্রয়কেন্দ্রের দুই কর্মীকে ধরে নিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে রাখা এবং বই বিক্রি না করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা স্বাধীন প্রকাশনা শিল্পের জন্য একটি অশনিসংকেত। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বই বিক্রির অপরাধে প্রকাশনা সংস্থায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া বা পুলিশি হেনস্তার শিকার হওয়া কেবল অনভিপ্রেত নয়, বরং এটি সরাসরি বাকস্বাধীনতা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার টুঁটি চেপে ধরার শামিল। ​রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যখন অন্ধত্বে রূপ নেয়, তখন তা ইতিহাসকে অস্বীকার করার মতো অবাস্তব খেলায় লিপ্ত হয়। ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত জীবনের চালচিত্র নয়; এটি এই জনপদের দীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলন, সংগ্রাম এবং একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গড়ে ওঠার ইতিহাসের প্রামাণ্য দলিল। নতুন প্রজন্মকে তাদের শেকড়ের সন্ধান দিতে এবং সত্য ইতিহাস জানাতে এই গ্রন্থের ভূমিকা অপরিসীম। একটি জাতিকে আদর্শিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করতে হলে সবার আগে তার ইতিহাসকে মুছে ফেলার যে পুরনো কৌশল স্বাধীনতাবিরোধী চক্র যুগে যুগে চালিয়ে এসেছে, সাম্প্রতিক এই হামলা তারই একটি ধারাবাহিক রূপ মাত্র। ​তবে ইতিহাস বড় নিষ্ঠুর এবং সত্য বড় অপ্রতিরোধ্য। শক্তিপ্রয়োগ করে, মব সৃষ্টি করে কিংবা বলপূর্বক কোনো বইয়ের বিপণন বন্ধ করে কখনো সত্যকে দাবিয়ে রাখা যায় না। জাতির পিতার আদর্শ ও তাঁর অমর কীর্তিগুলো কোটি কোটি বাঙালির হৃদয়ে গভীরভাবে প্রোথিত রয়েছে। সাময়িক রাজনৈতিক হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে বা ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে যারা মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে রুদ্ধ করতে চায়, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করে না। ​আজ সময় এসেছে এই ধরনের উগ্র ও সংকীর্ণ অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াবার। বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সচেতন জনগণ যেকোনো মূল্যে এই ধরনের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে—এটাই সময়ের সবচেয়ে জোরালো দাবি।

দেশের জন্যই জীবন, দেশের জন্যই মরণ! জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মৃত্যুকে তিনি ভয় পান না। ফাঁসির সাজা মাথায় নিয়েই তিনি দেশে ফিরবেন। দলের এক সভায় তিনি জানিয়েছেন, দেশের স্বার্থেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। https://youtu.be/GIqUyqqM8B4?si=Ab4HM4UOx0zesInK

photo content

গ্রেপ্তার ও হয়রানির নোংরা রাজনীতিতে বিএনপি:সারাদেশে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ওপর অবাধ্য গ্রেপ্তার আতঙ্কের তাণ্ডব গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক অধিকারকে উপেক্ষা করে সারাদেশে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর সাজানো মামলা ও অন্যায্য গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে চলেছে। তৃণমূলের বিভিন্ন পর্যায়ের ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ প্রতিনিধিদের গ্রেপ্তার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক পথরুদ্ধ করে মিথ্যা মামলায় গণগ্রেপ্তার চালিয়ে রাজপথের আওয়াজ স্তব্ধ করা যাবে না। নেতাকর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি! অন্যায্য গ্রেপ্তার ও হয়রানির শিকার নেতাকর্মীদের তালিকা: ✦ শামীম আহমেদ — সভাপতি, ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগ, ময়মনসিংহ। ✦ আ স ম মহিউদ্দিন মুমেন — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, চকরিয়া, কক্সবাজার। ✦ শহিদুল ইসলাম আরাফাত — যুগ্ম আহ্বায়ক, সুবর্ণচর উপজেলা ছাত্রলীগ, নোয়াখালী (সাবেক ভিপি, হাজী মোশারেফ হোসেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ)। ✦ মোঃ সোহরাব হোসেন — সাধারণ সম্পাদক, শার্শা উপজেলা যুবলীগ এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, শার্শা, যশোর। ✦ মহিম — যুগ্ম সম্পাদক, পরশুরাম উপজেলা আওয়ামী লীগ, ফেনী। ✦ ওয়াজ্জেল হোসেন — সভাপতি, গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগ, মেহেরপুর। ✦ সাদমান সাকিব বাবুনি — বরিশাল মহানগর যুবলীগ। ✦ আতিকুর রহমান শামিম — নেতা, বরিশাল মহানগর যুবলীগ। ✦ শহিদুল ইসলাম মুন্না — নেতা, ১৮ নং ওয়ার্ড যুবলীগ, বরিশাল মহানগর। ✦ মোঃ কাউসার হোসেন শিপন — শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ (সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতি)। ✦ মিজান — বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ। #Bangladesh #BangladeshCrisis

কেউ যদি মনে করে শক্তির উৎস বন্দুকের নল, তাহলে আমি তা স্বীকার করিনা। আমি স্বীকার করি, আমার দল স্বীকার করে শক্তির উৎস জনগণ। - ব
কেউ যদি মনে করে শক্তির উৎস বন্দুকের নল, তাহলে আমি তা স্বীকার করিনা। আমি স্বীকার করি, আমার দল স্বীকার করে শক্তির উৎস জনগণ। - বঙ্গবন্ধু #Bangabandhu #Bangladesh

বাংলাদেশে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং সার্বিকভাবে চিকিৎসা সেবার বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ঘটনায় গভীর
বাংলাদেশে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং সার্বিকভাবে চিকিৎসা সেবার বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (WMA)। সংগঠনটি বলেছে, শারীরিক হামলা, হুমকি ও হাসপাতাল-চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি বিস্তৃত ও উদ্বেগজনক প্রবণতার অংশ। WMA বাংলাদেশ সরকারকে স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামলার দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং এ ধরনের সহিংসতার অন্তর্নিহিত কারণগুলো মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বাংলাদেশে গত দুই বছর ধরে চলা নৈরাজ্য, দঙ্গলবাজি, মব-শাসন, সন্ত্রাস, জঙ্গিপনার অপশাসন থেকে মুক্ত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটি।

🔴 #LiveNow ২০০১–২০০৬-এর পুনরাবৃত্তি: ২০২৬-এ কি ফিরেছে সেই অন্ধকার অধ্যায়? ➡️ https://www.youtube.com/live/XVIFrNVYk4I?si=w5G0CEBajMLgE4uX ➡️ https://www.facebook.com/share/v/19gw1xsA1Z/

চট্টগ্রামে শুধু সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গু আক্রান্তের নজিরবিহীন সংখ্যা ২২১৫ জন, মশক নিধনের পয়সা পকেটে গুঁজে মশাকেই দোষ দিয়ে অথর্ব বিএনপি সরকার দায় এড়াতে পারবে তো? ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো ৯৩৫ জন, অথচ এবছর দ্বিগুণেরও বেশি হারে বেড়ে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন ২২১৫ জন। একই মাসে গত বছর ৪ জন মারা গেলেও এবছর মারা গিয়েছে ১৫ জন। মহামারির মত ছড়াচ্ছে ডেঙ্গু, তাই সেপ্টেম্বর মাসকে ডেঙ্গুর জন্যে 'ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর' হিসেবে আখ্যায়িত করছেন নেটিজেনরা। ইউনূস গংয়ের পর স্বাস্থ্যখাতে বিএনপির ব্যর্থতা স্পষ্ট। মশা নিধন না করে দায় এড়াতে বিএনপি সরকার মশাকেই বেয়াদব বলে জনস্বাস্থ্য নিয়ে যে তামাশা শুরু করেছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। অথচ, প্রতি অর্থবছরে মশক নিধনে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির ব্যয় শত শত কোটি টাকা। নাগরিকদের মতে, যেদিন এক এলাকায় মশার ওষুধ দেওয়া হয়, এরপর অন্তত ১৫ থেকে ২০ দিন ওষুধ প্রয়োগকারীদের আর দেখা মেলে না। তাহলে টাকাগুলো কার পকেটে ঢুকছে? সত্যি বলতে বাংলাদশে চাঁদাবাজ সরকারের শোষণ জনগণের সহ্যের সীমা অতিক্রম করে গেছে। সরকারের কাছে জনগণের জীবনের মূল্য একেবারেই নেই। যারা লাশ ফেলে ক্ষমতায় আসে তাদের কাছে জননিরাপত্তার আশা করাটাও হয়তো দুঃস্বপ্ন। https://youtube.com/watch?v=cEm3AptFkVE https://youtube.com/watch?v=cEm3AptFkVE

চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর ‘ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর’, এক মাসেই আক্রান্ত ২,২১৫ | Dengue | Chattogram 24 https://youtube.com/watch?v=cEm3AptFkVE

আহারে! কত মা হয়তো আজও সন্তানের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছেন। কত সন্তান হয়তো অপেক্ষা করছে প্রিয় মা-বাবার ফিরে আসার আশায়। কোথাও খালে,
আহারে! কত মা হয়তো আজও সন্তানের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছেন। কত সন্তান হয়তো অপেক্ষা করছে প্রিয় মা-বাবার ফিরে আসার আশায়। কোথাও খালে, কোথাও ঝিলে; কখনো ফুটপাতে, কখনো হাসপাতালের পাশে। আবার কোনো পরিত্যক্ত ভবন কিংবা নির্জন স্থানে পড়ে থাকছে মরদেহ। কারও শরীরে আঘাতের চিহ্ন, কারও পরিচয়ও মিলছে না। চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে যেন দেশজুড়ে চলছে মৃত্যুর মিছিল। এভাবেই কি চলবে দেশ? এভাবেই কি নিরাপদ থাকবে মানুষের জীবন? https://www.ittefaq.com.bd/812337

যে বই নিষিদ্ধই নয়, সেই বই বিক্রির দায়ে কর্মীদের তুলে নিল কারা? আর পুলিশ কার হুকুম তামিল করছে? —— সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায়
যে বই নিষিদ্ধই নয়, সেই বই বিক্রির দায়ে কর্মীদের তুলে নিল কারা? আর পুলিশ কার হুকুম তামিল করছে? —— সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দুই যুবক বাংলাবাজারে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ চাইলেন। বই হাতে পেয়ে বললেন, এটা নিষিদ্ধ। তারপর লোক জড়ো করে শাটার নামিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিলেন। কর্মী আমিনুল ইসলাম ও হুমায়ূন কবীরকে তুলে নিয়ে সদরঘাটের লালকুঠি ঘাটে আটকে রাখলেন। বইটি নিষিদ্ধ হলে ইউপিএল সেটা জানত। প্রকাশক ফিরোজ আহমেদ স্পষ্ট বলেছেন, সরকার নিষিদ্ধ করলে বই সরানো হবে, তার আগে নয়। অর্থাৎ আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। তাহলে তালা লাগানোর, মানুষ তুলে নেওয়ার এখতিয়ার এই লোকগুলো পেল কোথায়? সূত্রাপুরের ওসি বলছেন, কর্মীদের থানায় আনাই হয়নি, নেওয়া হয়েছিল ফরিদাবাদ ফাঁড়িতে। ছাড়া হয়েছে বই আর বিক্রি না করার শর্তে। থানায় রেকর্ড নেই, অভিযোগ নেই, মামলা নেই। যারা তুলে নিয়েছিল তাদের পরিচয় জানা যায়নি, তাদের কেউ ধরাও হয়নি। উল্টো শাস্তি পেল যারা আইন মেনে বই বিক্রি করছিল। ওসি আবার মনে করিয়ে দিলেন, বইটি ২০২৪ সালের পর ছাপা হয়নি, যেন ছাপা বন্ধ থাকলে বিক্রিও অপরাধ! #Bangladesh #BangladeshCrisis

শেখ হাসিনা ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসন : ঢাকা-দিল্লিতে টানা বৈঠক ! https://youtu.be/gY3575pzdsA

🇧🇩বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট @albd1949 ফলো করুন। ➡️ https://www.instagram.com/albd1949

photo content

বিএনপির ফ্যাসিবাদের নগ্ন রূপ: এবার শারীরিক প্রতিবন্ধীকেও রেহাই দিচ্ছে না প্রশাসন! রাজনীতিতে দেউলিয়া বিএনপি সরকার তাদের মদদপুষ্ট প্রশাসন এখন শেষপর্যন্ত প্রতিবন্ধী মানুষদের ওপরও নিজেদের নগ্ন থাবা বসাতে শুরু করেছে। বরিশাল সদর উপজেলার চরকোয়া গ্রামের মো. মিজান (৪২) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষকে গভীর রাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। অপরাধ? তার নাকি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততা থাকার "সন্দেহ" রয়েছে! এমনকি থানার ওসি মো. ইসমাঈল হোসেন নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন—মিজানের বাবা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন বলেই নাকি তাকে এই সন্দেহের তালিকায় আনা হয়েছে! কোনো প্রমাণ নেই, কোনো নির্দিষ্ট মামলা নেই, কেবল বাবার পরিচয়ের ওপর ভিত্তি করে একজন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে গভীর রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া—এটাই কি বিএনপির তথাকথিত "গণতন্ত্র" আর "প্রশাসনের নিরপেক্ষতা"? কোনো ক্রাইম নেই, কোনো অ্যাক্টিভিটি নেই—শুধুমাত্র পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর ভিত্তি করে একজন শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষকে হেনস্তা করা ফ্যাসিবাদের নিকৃষ্টতম উদাহরণ তুলে ধরল তারেক রহমানের সরকার। #Bangladesh #BangladeshCrisis #BNP