Da'ee Ilallah
رفتن به کانال در Telegram
https://t.me/+K7Cd76W0SxpjZmFl Who is better in speech than the one who calls people towards Allah, does good deeds and says: "I am a Muslim?" --[Haameem As Sajda:33]
نمایش بیشتر573
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-37 روز
-1030 روز
آرشیو پست ها
কাতারে আমেরিকান সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের কি শেখার আছে?
(১) বাংলাদেশের মাটিতে আমেরিকা সামরিক ঘাঁটি করে চীনকে বিরক্ত করলে চীন বাংলাদেশে পালটা হামলা করতে এক মুহুর্ত ভাববে না। উপরন্তু বানিজ্য বন্ধ করে দেবে।
(২) মানবিক করিডোরের নামে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলালে মিয়ানমারও বাংলাদেশে হামলা চালাবে। পার্বত্য অঞ্চল বিচ্ছিন্ন হবে।
(৩) আমেরিকাকে সামরিক ঘাঁটি করতে না দিয়ে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ও হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
(৪) ইউনুস আর এনসিপির মতো দুই টাকার পাপেটরা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
একটা দূর্বল অর্থনীতির দেশে আরেকটা পরাশক্তি দেশকে সামরিক ঘাঁটি করতে দেওয়ার আদৌ কোনো সুখকর বিষয় নয়। এর দ্বারা উক্ত দূর্বল অর্থনীতির দেশটির ধ্বংস ছাড়া আর কোনো প্রাপ্তি নেই। সুতরাং যত দ্রুত সম্ভব এই পাপেটদেরকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে। দেরি যত, ক্ষতি তত।
(করিম শাওন)
পবিত্র কুরআনুল কারিমের যেই আয়াতগুলো আমাকে প্রচন্ডভাবে নাড়া দেয় আর নিজেকে নিয়ে ভাবতে শেখায়। নিচের এই আয়াত দুটো সেগুলোর অন্যতম।
"আমি প্রত্যেক লোকের ভাগ্য তার কাঁধেই ঝুলিয়ে রেখেছি আর কিয়ামতের দিন তার জন্য আমি এক কিতাব বের করব যাকে সে উন্মুক্ত অবস্থায় পাবে। (তাকে বলা হবে) ‘পাঠ কর তোমার কিতাব, আজ তোমার হিসাব নেওয়ার ব্যাপারে তুমিই যথেষ্ট।’" (সূরা আল ইসরা : আয়াত ১৩-১৪)
(করিম শাওন)
টেলিগ্রামের সিইও পাভেল দূরভের একটি ক্লিপ দেখলাম, যেখানে সে স্বীকার করেছে যে প্রায় এক বছর ধরে সে কোন ফোন ব্যবহার করে না। নিজের সাথে ফোন ক্যারিও করে না। তার ফোন আছে, কিন্তু তাতে সিম নাই। শুধুমাত্র টেলিগ্রাম টেস্ট করার জন্য ফোনটি রাখে। ফোন ব্যবহার না করার মূল কারণ হিসেবে সে মনোযোগ বিচ্যুতি এবং প্রাইভেসি ইস্যুর কথা বলেছে।
অদ্ভুত একটা ব্যাপার দেখেন, লোকটা বিশ্বের অন্যতম বড় টেক্সটিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, অথচ নিজেই ফোন থেকে দূরে থাকে। বর্তমানে উঠতি বয়সী পোলাপান জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় নষ্ট করে টেক্সটিং প্ল্যাটফর্মে।
আমি আগের কোনো লেখায় বলেছিলাম, বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হলে এক্সট্রিমে যাওয়াই একমাত্র উপায়। কারণ প্রোডাক্টিভ মানুষের লাইফস্টাইলে আমি এটাই দেখেছি। পাভেল দূরভ এর একটা জ্বলন্ত প্রমাণ। সেই লেখাটায় আরো কিছু বিখ্যাত লোকের উদাহরণ দিয়েছিলাম।
যারা সত্যিই খুব ভালো কিছু করছে, তারা প্রায় এভাবেই সিদ্ধান্ত নেয়। যা লাইফে দরকার নেই এবং লক্ষ্যের থেকে বিচ্যুত করে, সেটা জীবন থেকে সরিয়ে দেয়। এভারেজ মানুষের মতো ‘ম্যানেজ’ করতে যায় না। এভারেজ মানুষ হলে ভাবত, ‘ঠিক আছে, আমার ফোন থাকবে, কিন্তু আমি কাল থেকে সময় নষ্ট করব না।’ কিন্তু সেই ‘কাল’ আর আসে না- প্রোডাক্টিভ মানুষরা তা ভালো করেই জানে।
আমার বাবা এডমিশন টাইমে ফোন আর ট্যাব নিয়ে অনেক ঝামেলা করসিলেন। আমি ফোন জমা দিয়েছিলাম, ট্যাব দিই নাই। সেটা আমার জীবনের অন্যতম ভুল সিদ্ধান্ত ছিল, তখন বুঝি নাই। বর্তমান টেকনোলজি এমন ভাবে ডিজাইন করা যাতে কন্টেন্টগুলো আপনাকে সর্বদা ফেইক এক্সাইটমেন্টে রাখে। আপনি ফেইসবুকে আসবেন তো আপনার মেজাজ হুদাই হাই হয়ে থাকবে। পোলারা দেখবেন মেয়েরা কত ছলনাময়ী, মেয়েরা দেখবেন ছেলেরা কত মিথ্যুক।
রাজনৈতিক ক্যাচাল, উড়ো খবর শুনে আপনি ফেইসবুক থেকে কখনো রাগে গড়গড় করতে করতে থেকে বের হবেন। কখনো ক্রাশের টেক্সট পেয়ে মারাত্নক খুশি হয়ে বা চিপ ডোপামিন নিয়ে বের হবেন। ফেইসবুক থেকে বেরিয়ে গেলেও এসব মাথায় থেকে যাবে, 'Attention Residue' কনসেপ্টটা একটু গুগোল করে দেখেন। এসব গার্বেজ কনজিউম করতে থাকলে 'আসল' কাজ করার আগ্রহ চলে যাবে। মনোযোগ বিক্ষিপ্ত হতে থাকবে।
যদি ট্রিগার দূর না করা যায়, তবে কোনো অভ্যাসও দূর হয় না, সেটা যেকোনো বাজে অভ্যাসই হোক না কেন। আমার সেই লেখাটির লিঙ্ক কমেন্টে দিলাম।
(Omar Bin Mahtab)
চ্যাটজিপিটির মতো এআই টুল ব্যবহার করে রচনা লেখার সময় মস্তিষ্কের উপর কী প্রভাব পড়ে তা নিয়ে MIT এর রিসার্চ সায়েন্টিস্ট নাটালিয়া কসমিনা নতুন একটা পেপার বের করেছেন। পেপারটা এখনো প্রিপ্রিন্ট অবস্থায় আছে পিয়ার রিভিও হয় নাই।
গবেষণার পার্টিসিপেন্টদের একটি রচনা লিখতে দেয়া হয় তিনটা টিমে ভাগ করে- যারা এআই ব্যবহার করেছে (এলএলএম) , যারা গুগলের মত টুলের সাহায্য নিয়েছে (সার্চ ইঞ্জিন), এবং যারা কোনো টুল ছাড়াই শুধু নিজের মস্তিষ্কের জোরে লিখেছে (ব্রেইন-অনলি)।
ফলাফল মোটামুটি অভবিয়াস, তবুও সংক্ষেপে এভাবে লেখা যায়-
এলএলএম গ্রুপের প্রবন্ধগুলো অনেকটা একই রকম ছিল এবং তাদের মস্তিষ্কের সংযোগ সবচেয়ে কম ছিল। সার্চ ইঞ্জিন গ্রুপের মস্তিষ্কের সংযোগ মাঝারি ছিল।
ব্রেইন-অনলি গ্রুপের প্রবন্ধগুলো বেশি বৈচিত্র্যময় ও মৌলিক হয়েছে। তাদের নিউরাল কানেকশন সবথেকে ভালো ছিল। নিউরাল কানেকশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সেটা শেষে ব্যাখা করছি।
চার মাসের চারটি সেশনে এলএলএম গ্রুপ ব্রেইন-অনলি গ্রুপের তুলনায় সব দিকে (নিউরাল, ভাষাগত, স্কোর) পিছিয়ে ছিল। তাছাড়া এলএলএম গ্রুপের অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের রচনাতেই দখল কম ছিল, লেখার পর উদ্ধৃতি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
দেখেন এআই টুল প্রথম দিকে পার্ফর্ম্যান্স বুস্ট করলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি ব্রেইনকে একটা অযোগ্য বস্তুতে রুপান্তর করে ফেলতে পারে। আমার একটা পুরানো লেখা থেকে কোট করছি-
"আইনস্টাইনের মস্তিষ্ক নিয়ে কাজ করছিলেন মারিয়ান ক্লিভস ডায়মন্ড, যাকে মডার্ন নিউরোসাইন্সের অন্যতম পথপ্রদর্শকদের একজন ধরা হয়। তার কাছে আইনস্টাইনের ব্রেইনের কিছু স্লাইস ছিল।
তিনি মাইক্রোস্কোপ দিয়ে সেখানে প্রচুর প্রচুর গ্লিয়াল কোষের অস্তিত্ব লক্ষ্য করেন, যেটা মস্তিষ্কের নিউরোনের মধ্যে পরস্পর কানেকশনের ক্ষেত্রে গ্লুয়ের মত কাজ করে। বেশী গ্লিয়াল কোষ মানে বেশী নিউরাল কানেকশন। এ থেকে বোঝা যায় আইনস্টাইনের ব্রেইনে প্রচুর নিউরাল কানেকশন তৈরি হয়েছিল।
এটা সম্ভব হয়েছে কারণ আইনস্টাইন অনেক গভীর চিন্তা করতেন, নিয়মিত নতুন জিনিস শিখতেন। এমনকি তিনি শুধু জেনারেল রিলেটিভিটি প্রমান করার জন্য নতুন এক ধরণের জ্যামিতি শিখেছিলেন যাকে বলা হয় রিম্যানিয়ান জিওমেট্রি। এগুলো ছিল তার জন্য মেন্টাল ওয়ার্ক আউটের মতন, মস্তিষ্কের পেশীতে শান দেয়ার সিক্রেট।
আপনি যখন নিয়মিত পড়াশোনার ফ্লোতে থাকেন, তখন আপনার মস্তিষ্ক এই সংযোগগুলি তৈরি করে এবং আপনি যখন বহুদিন পড়াশোনা থেকে দূরে থাকলে, শ্যালো কাজ করতে থাকলে তখন আপনার মস্তিষ্ক অলস ও দূর্বল হয়ে পড়ে।"
(Omar Bin Mahtab)
নিজের ইমোশন আসলে অনেক দামি একটা জিনিস। এইটা বোঝা দরকার। যেখানে সেখানে ইমোশন ইনভেস্ট করতে নেই। যেখানে-সেখানে যার-তার প্রতি ইমোশনাল হয়ে গেলাম, তাহলে অযথা কষ্ট পেতে হয়, যেটার কোন প্রয়োজন ছিল না।
ইমোশন জায়গা মত ধরে না রাখলে ভুল বোঝাবুঝি হয়। দেখা যায় অন্যরা কেউ ইমোশনাল দেখে মানুষ তার সুবিধা নিচ্ছে। না হলে মাঝে মাঝে ইমোশনাল মানুষ নিজের ইমোশন ব্যবহার করে অন্যের সুবিধা নেয়।
আল্লাহ যে আমাদেরকে ইমোশন দিয়েছেন, আবেগ দিয়েছেন এটা অনেক বড় একটা নিয়ামত। অনেক বড় একটা রহমত। এর মাধ্যমে আমরা একজন আরেকজনকে বুঝি, ভালবাসতে পারি, এর মাধ্যমে আমরা নিজেরাও নিজেদের বুঝতে পারি যে, কেন এই বিষয় নিয়ে আমি অতিরিক্ত কেয়ার করি অথচ, আরও দরকারি বিষয়গুলো নিয়ে কম কেয়ার করি? ইমোশনের ব্যাপারে সচেতন হলে আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারব, কোন জায়গায় সংশোধন করতে হবে দুই দিনের দুনিয়ায় ভালো থাকার জন্য। ইমোশন শুধুমাত্র দমিয়ে রাখার জিনিস নয়, সঠিকভাবে ব্যবহার করে এগিয়ে যাওয়ার জিনিস।
প্রিয় রসূলের (সা) জীবনের গল্পগুলো এজন্যই এত ভালো লাগে। উনি আমাদেরকে পদে পদে ইমোশন ম্যানেজ করার টেকনিকগুলো কি সুন্দর শিখিয়ে গিয়েছেন। ছোট ছোট বিষয় নিয়ে পড়ে থাকতে মানা করেছেন, রাগ নিয়ন্ত্রণ করার উপায় শিখিয়েছেন, ওভার থিংকিং করতে নিষেধ করেছেন, মনটাকে বড় করতে শিখিয়েছেন, মনকে আখিরাতমুখী করতে শিখিয়েছেন যাতে দুনিয়ার না পাওয়া গুলোকে খুব তুচ্ছ মনে হয়। তিনিই তো আমাদেরকে আল্লাহকে ভালবাসতে শিখিয়েছেন! আর যে আল্লাহকে পেয়েছে, তার আর কি দরকার পৃথিবীতে?
যে আল্লাহর উপর নিজের ইমোশন ইনভেস্ট করেছে, that person's a winner indeed!
That win never leaves you. For the believer when you taste the sweetness of faith, with that sweetness ...
Once a winner, always a winner.
#রাইটিং_থেরাপি
©️ শারিন
Muslim Day Planner
কিছু পরামর্শ ফলো করতে পারেন
১| বেশির থেকে বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন পছন্দ কোন ক্বারীর কুরআন তিলাওয়াত শুনুন
২| সালাতুত হাজত ও তাওয়াজ্জুদের সলাত আদায় করুন । নফল সালাতে দীর্ঘ সিজদায় রবের কাছে সব কিছু বলুন
৩| ইসলামিক বইয়ের সাথে সম্পর্ক করুন ।
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে রিসার্চ করুন এলেম অর্জনে সময় ব্যয় করুন
৪| রুটিনমাফিক নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করুন সময় কে কাজে লাগান রবের স্মরণে নিজকে নিমগ্ন রাখুন
বিঃদ্রঃ সোশ্যাল মিডিয়া অনেক সময় অনেকের মন খারাপের একটা বড় কারণ হয় ।
সোশ্যাল মিডিয়ার নেশা আসক্তি কিন্তু প|র্ণগ্রাফি অথবা মা|দকের নেশার চাইতে ভয়ঙ্কর হাই ডোপামিন রিলিজ করে ।
So Be careful....
লেখক: Yahiya Ibn Abdullah
সমগ্র পৃথিবী আজ প্রভুপূজায় ব্যস্ত।
আজ শুধু একজন ইবরাহীমের দরকার।প্রভুমূর্তিদের বুকে কুড়াল মারার অসীম সাহস। অগাধ আল্লাহ ভরসা। (আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক) #daeeilallah@D_ilallah
আমরা খুব সম্ভবত যুগের হুবাল, বিশ্ব মোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদের পতন দেখতে যাচ্ছি কয়েক বছরের ব্যবধানেই। It's a big statement, I know.
ইরান-ই*জ*রা*ই*লের চলমান সংঘাত আর কেবল মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সংকট নয়, এটা এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী মসনদ টিকিয়ে রাখার অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
'গ্রেটার ই*জ*রা*ই*ল' প্রতিষ্ঠায় জায়োনিস্টদের মন রক্ষার্থে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া কিংবা যুদ্ধের উত্তাপ থেকে গা বাঁচিয়ে চলা— ওয়াশিংটনের জন্য দুটোরই চূড়ান্ত পরিণতি একটাই।
(আবু উসামা)
#daeeilallah@D_ilallah
মোসাদের হেডকোয়ার্টারে ইরানের সফল হামলা!
এ নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন আফগানের সমরবিদরাও
#breakingnews@D_ilallah
ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অভিজাত শ্রেণির মধ্যে ঢুকে পড়া এক ইউরোপীয় ইহুদি নারী—যিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, নিজেকে শিয়া রূপে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রীয় মিডিয়াতে নিয়মিত জায়গা করে নিয়েছিলেন—তিনি কি শুধুই একজন গবেষক, না কি মোসাদের দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের অংশ? ফরাসি নাগরিক কাথরিন পেরেজ শাকদামকে ঘিরে এ প্রশ্ন এখন গোটা মধ্যপ্রাচ্যে তীব্রভাবে আলোচিত।
প্রথমে তাকে দেখা গিয়েছিল প্রেস টিভির বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষক হিসেবে। তিনি ইয়েমেন যুদ্ধ, সৌদি নীতিমালা ও ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রবন্ধ লিখতেন, যা তাসনিম, মেহর এবং এমনকি সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই পরিচালিত ওয়েবসাইটেও প্রকাশ পেত। কিন্তু সম্প্রতি আরব গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ছবি।
স্কাই নিউজ আরবিয়া এবং মিশরি আল-ইয়োমসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, শাকদাম ইরানে প্রবেশ করেন ফরাসি পাসপোর্টে। তিনি নিজেকে এক মুসলিম নারী এবং একজন ইয়েমেনি পুরুষের স্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করেন। তার শিয়া ধর্মীয় আনুগত্য এবং ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সহানুভূতি তাকে ইরানি অভিজাত মহলের ভেতরে প্রবেশে সহায়তা করে। এমনকি ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগও গড়ে তোলেন তিনি। আর এভাবেই, অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি অন্তত ১০০ জন ইরানি কর্মকর্তা, রাজনীতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করেন।
স্কাই নিউজ আরবিতে বলা হয়, “তাকে একজন ধর্মভীরু পর্দানশীন মুসলিম নারীর ছদ্মবেশে দেখা গেলেও বাস্তবে সে ছিল উচ্চ-প্রশিক্ষিত একজন এজেন্ট, যিনি সুনির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে এসেছিলেন।”
যদিও প্রথম দিকে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি, পরে জানা যায় যে আলোচিত ব্যক্তিটি হলেন ক্যাথরিন পেরেজ-শাকদাম। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি, তেহরান টাইমস সহ একাধিক সংবাদমাধ্যম তড়িঘড়ি করে তার লেখা সকল প্রতিবেদন সরিয়ে ফেলে। এমনকি খামেনেই ডট আইআর ওয়েবসাইট থেকেও তার সব লেখা মুছে দেওয়া হয়।
ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া পেরেজ-শাকদাম নিজেকে পরিচয় দিতেন একজন সাংবাদিক ও বিশ্লেষক, যিনি একজন ইয়েমেনি নাগরিককে বিয়ে করে শিয়া ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং হিজাব পরতেন। তার লেখায় তিনি ইসরায়েল ও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখতেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধকে সমর্থন করতেন এবং ইরান সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন।
তিনি MintPress News সহ একাধিক স্বাধীন সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত লিখতেন।
কিন্তু ২০২২ সালে "দ্য টাইমস অব ইসরায়েল"-এ প্রকাশিত নিজের লেখা কয়েকটি নিবন্ধে পেরেজ-শাকদাম জানান, কিভাবে তিনি "দানবের পেটের ভেতরে" — অর্থাৎ তেহরানে — প্রবেশ করেছিলেন।
তিনি লেখেন, “আমি আমার প্রকৃত পরিচয় বা উদ্দেশ্য প্রকাশ না করেই ভেতরে ঢুকে পড়ি। আমি খুব তাড়াতাড়ি বুঝে যাই, যদি আমি বাস্তবতা দেখতে চাই, তাহলে মিশে যেতে হবে এবং শুধু শুনতে হবে।”
এই বক্তব্যে অনেকেই তাকে ইসরায়েলের berüchtigt গুপ্তচর ইউনিট "মিস্তারাভিম"–এর আদলে একজন এজেন্ট হিসেবে সন্দেহ করতে শুরু করেন।
নিজের মুখেই স্বীকার
পরবর্তীতে, তিনি লেখেন, “আমি বছরের পর বছর ইরানের প্রচারণা চালিয়েছি,” এবং ইরানকে ১৯৩০–এর দশকের নাৎসি জার্মানির সঙ্গে তুলনা করেন।
ইরানের “আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ”, “সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা” এবং “আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা” করার প্রবণতা তাকে ইসরায়েলপ্রীতি ও উগ্র জায়নবাদী করে তোলে — এমন দাবিও করেন তিনি।
তিনি আরো জানান, তিনি তার ইহুদি পরিচয় গোপন করে স্বামীর পদবী "শাকদাম" ব্যবহার করতেন। আজ তিনি খোলাখুলি ইসরায়েলের পক্ষে কথা বলেন এবং জানান, তার সন্তান আইডিএফ–এ (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) যোগ দিতে চায়।
গুপ্তচর না হলেও যুক্ত ছিলেন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে
যদিও তিনি নিজেকে ইসরায়েলি গুপ্তচর দাবি করেন না, তিনি স্বীকার করেন যে তিনি আগে Wikistrat নামে একটি ইসরায়েল-আমেরিকান গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতেন।
Wikistrat, ২০১০ সালে ইসরায়েলে প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত এবং এর নেতৃত্বে আছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখার সাবেক কর্মকর্তারা। ধারণা করা হয় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে berüchtigt ইউনিট ৮২০০–এর সম্পৃক্ততা রয়েছে।
এই Wikistrat প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন জায়গায় ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের জন্য পেরেজ-শাকদাম মোটা অংকের অর্থের প্রস্তাব দিয়েছিলেন — এমন দাবিও তুলেছেন কয়েকজন নির্ভরযোগ্য সূত্র।
কীভাবে পৌঁছালেন ইরানের কেন্দ্রে?
MintPress–এর প্রধান সম্পাদক মনার আদলি জানান, পেরেজ-শাকদাম নিজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে লেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তার উগ্র মার্ক্সবাদী ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লেখাগুলো তাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
২০১৭ সালে তিনি ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ইব্রাহিম রাইসির প্রচারণা দলে সরাসরি যোগ দেন এবং একচেটিয়া সাক্ষাৎকারও গ্রহণ করেন।
তিনি মাশরেক নিউজ, তাসনিম নিউজ ও মেহর নিউজে নিয়মিত লিখতেন। সর্বোপরি, খামেনেই ডট আইআর–এ তার ১৮টির বেশি প্রতিবেদন এখনো Wayback Machine–এ সংরক্ষিত রয়েছে।
অ্যাকুরিয়ামে মাছ পালার তেমন অভিজ্ঞতা না থাকায় একজনের থেকে পরামর্শ নিচ্ছিলাম।যেসব মাছ দিয়ে ব্রিডিং করা যায় সেগুলোর ক্ষেত্রে ইন্টারেস্টিং একটা বিষয় জেনেছিলাম।
মাছ বাচ্চা দেয়ার সময় মা মাছকে আলাদা করে রাখা লাগে। নাহয় অন্য মাছগুলো বাচ্চা খেয়ে ফেলতে পারে। আবার বাচ্চা দেয়ার পর বাচ্চাকে আলাদা রেখে, মা মাছকে সরিয়ে নিলে ভালো কারণ পরবর্তীতে এই মা মাছটাও বাচ্চাদেরকে খেয়ে ফেলতে পারে।
এই যে আপনি দ্বীনের পথে যাত্রা শুরু করলেন, আপনার স্পিরিচুয়াল গ্রোথের জন্য আল্লাহ সুবহান ওয়া তা’আলা আপনাকে আপনার পরিবার, আত্মীয়স্বজন, সমাজ থেকে আইসোলেট করে দিতে পারেন।
এই আইসোলেশন আপনার কল্যাণের জন্যই। দ্বীনের বুঝ পাওয়ার আগে আপনার অনেক বন্ধু থাকবে, আপনার বড় বড় সার্কেল থাকবে, আত্মীয়স্বজন আপনাকে নিয়ে গর্ব করবে।
যখনই দ্বীন মেনে চলবেন, সবার সাথে দূরত্ব তৈরি হবে। এই অবস্থা কাটিয়ে উঠতে অনেক বছর লাগতে পারে। আপনার পরিস্থিতি এমন হলে, মাছের বাচ্চাগুলো যেভাবে একা একা বেড়ে উঠে, আপনাকেও একা একা চলতে শিখতে হবে। আপনার একাকিত্ব, অসহায়ত্ব সবকিছুসহ আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করেই আপনি সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে অবিচল থাকার শক্তি পাবেন।
সব একাকিত্ব বেদনার না, কিছু একাকিত্ব আনন্দের। সংক্ষিপ্ত সময়ের এই সফরকে যতটা দীর্ঘ মনে করছি, পথ কিন্তু ততটাও দীর্ঘ না। কত আয়োজন আপনাকে ছাড়াই হবে, তা দেখে হতাশ হবেন না। আপনাকে স্বয়ং আল্লাহ সুবহান ওয়া তা’আলা কাছে টেনে নিয়েছেন। আপনার চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কে আছে?
(মেরাজ হোসেন)
#daeeilallah@D_ilallah
আমেরিকাকে রিপ্লেস করে ইস্রাইলের শেষ বারের মত রুলিং স্টেইট হবার চুড়ান্ত অধ্যায়ের প্রথম পৃষ্ঠা হল
ইরানের উপর ইস্রাইলের এই জানানদেয়া আক্রমণ!
পরবর্তী গন্তব্য পাকিস্তান! যার প্রক্সি হিসেবে ভারতই যায়নদের ট্রামকার্ড! সে হিসেবেও হিন্দে গাজওয়া শুধুই সময়ের ব্যাপার মাত্র!
ওয়াল্লাহু আ'লাম বিস সাওয়াব।
(উস্তাদ আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান)
#daeeilallah@D_ilallah
“পাশের বাসার আন্টির মেয়ে ফ্ল্যাট কিনেছে, ব্যাংকে চাকরি করে। অমুকের ছেলে গাড়ি কিনেছে, তমুকের মেয়ে আমেরিকা যাচ্ছে। আর তুমি কী করছো?” — এমন তুলনামূলক কথা শোনেনি, এমন মানুষ এই সমাজে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমি কার জীবনের দিকে তাকিয়ে নিজেকে পরিমাপ করব? কোন মানদণ্ডে সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করব? কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে আমি এই দুনিয়াকে দেখব?
উত্তর: কুরআন
চলুন, সুরা কাহাফের ১০৩-১০৪ নং আয়াত দুটি পড়ে দেখি—
বলুন (হে মুহাম্মদ), আমি কি তোমাদেরকে সে সব লোক সম্পর্কে জানাবো, যারা কর্মের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত?
তারা সেই সব লোক, দুনিয়ার জীবনে যাদের সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, অথচ তারা মনে করত তারা খুব ভালো কাজ করছে।
যারা কুরআনিক আরবি বোঝেন, তারা জানেন এই আয়াতের অনুবাদের বাইরেও অনেক সূক্ষ্মতা আছে। উদাহরণস্বরূপ, ১০৪ নং আয়াতে ব্যবহৃত শব্দ صُنْعًا এর অর্থ শুধু কাজ নয়—বরং দক্ষতার সঙ্গে করা কাজ, পরিকল্পিত ও নিখুঁতভাবে সম্পাদিত শ্রম, যেগুলো মানুষ দুনিয়ায় করে গর্ব করে।
অর্থাৎ, আমাদের দৃষ্টিতে সফলতা মানে যে সব অর্জন—গাড়ি, বাড়ি, ব্যাংক ব্যালান্স, বিদেশ সফর, উচ্চ ডিগ্রি—সবই এই শব্দের আওতাভুক্ত।
ভাবুন তো, যদি দুনিয়ার বিচারে আমার সব কিছুই থাকে, কিন্তু আখিরাতে গিয়ে শুনি—"তুমি ব্যর্থ", তখন আসল ক্ষতিটা কাদের হবে? আমারই তো! আর যাদের ‘ইমপ্রেস’ করতে গিয়ে আমি আল্লাহর অবাধ্য হলাম, তারা কি কিয়ামতের দিনে আমার পাশে দাঁড়াবে? আমার কর্মফলের দায়ভার নেবে?
চলুন, একটু থেমে ভাবি। সতর্ক হই। আমি সত্যিই সফলতার পথে হাঁটছি তো? নাকি বাহ্যিক মোহে ব্যর্থতার দিকে ধাবিত হচ্ছি? নিজের অবস্থানটা যাচাই করি কুরআনের আলোয়, ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে।
সবাই এক পথে হাঁটছে বলে, আমাকেও সেই পথে হাঁটতে হবে—এমন তো কোনো কথা নেই। সত্যিকার সফলতা কখনো সংখ্যাগরিষ্ঠের পথে লুকিয়ে থাকে না।
হয়তো আমি একা, হয়তো পথটা কঠিন—তবু এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির পথ।শেষ হাসিটা যেন আমাদেরই হয়—ইন শা আল্লাহ। (শমীমা আক্তার নিম্মি) #daeeilallah@D_ilallah
+2
এরকম দৃশ্য দেখলেই এতদিন বুক ধড়পড় করে উঠত। মনের মধ্যে অজানা এক বেদনা উথলে উঠত। কষ্ট চেপে রেখে কিবোর্ডে লিখতে হত গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে স্বজনদের খুঁজছেন হতভাগা ফিলিস্তিনিরা।
তবে এবারের এই দৃশ্য গাজার নয়। তেল আবিবের।
(সাংবাদিক সরোওয়ার আলম)
আমরা যতবেশি আধুনিক হচ্ছি,
ততো বেশি আসলে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি!
যতবেশি আমরা মনে করছি যে আমরা সামনের দিকে যাচ্ছি,
আসলে আমরা ততো বেশি আস্তে আস্তে পিছনের দিকে চলে যাচ্ছি!
(উস্তাদ আব্দুল্লাহ আল মাসউদ)
#daeeilallah@D_ilallah
