প্রানীর ছবি এবং ভিডিও করা হারাম
رفتن به کانال در Telegram
হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ পাক বলেন, তার চেয়ে বড় জালিম কে হতে পারে, যে আমার সৃষ্টির ন্যায় সৃষ্টি করে? বুখারী হাদীস ৫৬০৯ নিশ্চয়ই ক্বিয়ামতের দিন (প্রানীর) ছবি নির্মাতাদের কঠিন আযাব হবে। বুখারী হাদীস ৫৬০৬ https://t.me/videoharam/164
نمایش بیشتر304
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
11....14-11-2023 Photo In Tilnachak Madrasa, Daftaripara Madrasa, Darga Shah Makhdum Jame Masjid,
তরজুমানে আকাবির হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব প্রাণীর ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে বলেন,
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
4.11.2023 Photo আজীবন সদস্য সম্মেলন কেন্দ্র, শাহ আখতার ভবনের আন্ডার গ্রাউন্ড, জামেআ হাকীমুল উম্মত, মোজাদ্দেদ নগর, আড়াকুল, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম প্রাণীর ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয় বলেন,
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
নিজের ছবি উঠিয়ে পোস্ট করার মধ্যে কোনো দীনি ফায়দা আছে কি? নাই। এটা শুধুই নফসের খায়েশাত পুরা করার উদ্দেশ্যে করা হয়ে থাকে। আল্লাহ পাক আমাদের সকলকে হেফাজত করেন।
*নেক সুরতে শয়তানের ধোঁকা:-*
এক লোক দীন প্রচার করে। ফেসবুকে তার হাজার হাজার ফলোয়ার। দ্বীনি বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে। সে তার মেয়ের ছবি উঠিয়ে পোস্ট করে দিছে। শুধুমাত্র পিছনের সাইট, আকর্ষণীয় ঘাড়ের অংশটুকু, চেহারা উঠায়নি। শুধু ঘাড় উঠিয়ে পোস্ট করে দিয়েছে।
চেহারাসহ ছবি পোস্ট না করার মাধ্যমে আপনি বুঝালেন যে, আপনি সতর্ক-সাবধান বিচক্ষণ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে শয়তান আপনাকে নেক সুরাতে ধোঁকা দিয়েছে। শয়তান তার কাজ কিছুটা এগিয়ে নিয়ে গেছে। আশঙ্কা আছে ভবিষ্যতে আপনি আপনার মেয়ের চেহারা সহ ছবি পোস্ট করবেন।
এই ছবি পোস্ট করা কি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়েছে? নাকি নফসের খায়েশাত পুরা করার জন্য হয়েছে? এটা বোঝা দরকার।
যদি পোস্টদাতা মনে করে যে, তার মেয়ের শরীর কুৎসিত হলে সে এ ছবি পোস্ট করতো না; তাহলে বুঝতে হবে, এ কাজটি তার নফসের খায়েশাত পুরা করার জন্য হয়েছে।
যিনি দীনি খেদমতের সাথে সম্পৃক্ত এবং যাকে হাজার হাজার লোক ফলো করে, তার ডিজিটাল ছবি পোস্ট করার আগে চিন্তা করা উচিত- আমি এ কাজটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করছি? নাকি আমার নফসের খায়েশাত পুরা করছি?
নোট- প্রানীর ছবি কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পোস্ট করে না। এখানে বিষয়টি বলা হয়েছে শুধুমাত্র যুক্তির আলোকে বক্তব্যটি স্পষ্ট করার জন্য।
collected
আপনি যদি মনে করেন যে, দ্বীনি খেদমতের স্বার্থে বাধ্য হয়ে আপনি প্রাণীর ছবি পোস্ট করে থাকেন এবং প্রাণীর ছবি পোস্ট করা ছাড়া ইসলামের খেদমত করা সম্ভব না; তাহলে অন্ততপক্ষে দিলের ভিতরে ব্যথা নিয়ে তারপর ডিজিটাল ছবি পোস্ট করেন; যেরকম নাকি কোনো মুমিন যখন বিপদে পড়ে বাধ্য হয়ে জালেমের ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য ফাসেককে সম্মান করে দিলের ভিতরে ব্যথা নিয়ে। তখন সে দিলে ব্যথা নিয়ে কষ্ট নিয়ে সম্মানের ভাব দেখায়, আসলে তো সম্মান করে না।
*ফেসবুকে সেলফি আপলোড ও তাতে কমেন্ট করার শরয়ী বিধান; একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণিক ফতোয়া।*
" বিসমিহী তাআলা "
প্রশ্ন :
মুহতারাম মুফতী সাহেব,
জামিয়া বিন্নুরী টাউন করাচী।
আসসালামু আলাইকুমুস...
বর্তমান সময়ে ফেসবুক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। লোকেরা সেখানে নিজেদের ছবি আপলোড করে। অত:পর ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুরা এতে 'মাশাআল্লাহ' 'খুব ভালো লাগছে'- জাতীয় কমেন্ট করে। প্রশ্ন হলো, এরকম কমেন্ট করা কি কবীরা গুনাহ নয়?
বিনীত : সিদ্দীক্বুল্লাহ।
উত্তর :
হামদ ও সালাতের পর...
প্রকাশ থাকে যে, খুব প্রয়োজন ছাড়া প্রাণীর ছবি তোলা হারাম। ফেসবুকে দেওয়ার জন্য নিজের ছবি তোলা 'শরঈ প্রয়োজন' এর পর্যায়ে পড়ে না। অতএব ফেসবুকে নিজের ছবি আপলোড করা নাজায়েয, হারাম। আর সে ছবিতে কমেন্ট করে 'মাশাআল্লাহ' ইত্যাদি বলাও নাজায়েয ও গুনাহের কাজ।
সুতরাং প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ছবি পোস্ট করা এক গুনাহ। আর ছবিতে লাইক করা, কমেন্টে 'মাশাআল্লাহ' লেখা অন্য গুনাহ।
হাদীসের গ্রন্থসমূহে ছবি হারাম হওয়ার বিষয়ে কঠোর কথা বলা হয়েছে।
বুখারী শরীফে আছে:
أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يضاهون بخلق الله.
( পৃষ্ঠা:৮৮০, খণ্ড : ২, প্রাচীন সংস্করণ)
অর্থাৎ : কেয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠিন শাস্তি তাদের হবে, যারা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করে।
(মাজাহেরে হক জাদীদ অবলম্বনে, ২৪৭/৪, প্রকাশক : দারুল ইশাআত)
এবিষয়ে মুসলিম শরীফের একটি হাদীস:
إن من أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يشبهون بخلق الله .
( পৃষ্ঠা:২০০, খণ্ড:২, অধ্যায় : تحريم تصوير صورة الحيوان )
অর্থাৎ : কেয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠোর শাস্তি তাদের হবে, যারা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে আল্লাহর
সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করে।
(মাজাহেরে হক জাদীদ অবলম্বনে, ২৪৭/৪)
শরহুন নূরী কিতাবে আছে যে, "আমাদের ইমামগণ ও অন্যান্য আলেমগণ বলেন, প্রাণীর ছবি তৈরি করা খুবই হারাম। এটি একটি কবীরা গুনাহ। কেননা, এটির উপরই হাদীসে উল্লেখিত ধমকি বর্ণিত হয়েছে।
ছবি যেভাবেই বানানো হোক না কেন, সর্বাবস্থায় তা হারাম। যেহেতু তাতে আল্লাহর সৃৃষ্টি করার সাথে সাদৃশ্য আছে। ছবির ছায়া থাক বা না থাক তার হুকুমে পরিবর্তন আসবে না। এবিষয়ে আমাদের মাজহাবের সারকথা এতটুকুই।
আর জুমহুর সাহাবা, তাবিঈন ও পরবর্তীদের ভাষ্যও এটি। ইমাম সাওরী, ইমাম মালেক, ইমাম আবু হানিফা প্রমুখ ইমামের মাজহাবও তাই।
রচনায় : সাইয়িদ নূর তাজ শাহ,
মুতাখাসসিস: ফিকহে ইসলামী, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরী টাউন, করাচী।
রচনাকাল :২০. ০৮. ১৪৩৬ হিজরী। ০৮.০৬.২০১৫ ঈসায়ী।
সত্যায়নে : মুফতী আব্দুল কাদির সাহেব দা.বা.।
মুফতী, জামিয়া বিন্নুরী টাউন, করাচী।
ভাষান্তরঃ মাওলানা জামিল দা.বা; বাংলাদেশ।
এক হুযুর, যিনি হাজারো মানুষের নিকট দ্বীন পৌছাচ্ছেন মাশাআল্লাহ। কিন্তু ওই একই হুজুর আবার ৭-৮ বছর বয়সী মেয়ের ভিডিও শেয়ার করছেন নাতে রাসুলের নামে। নাউজুবিল্লাহ। এই ছবি/ভিডিও প্রচারের মধ্যে কি ফায়দা?
সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
28.7.2023 After Juma, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম
প্রাণীর ফটো তোলা থেকে বিরত থাকার বিষয়ে বলেন.....
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
14-7-2023 Photo, After Juma Dhalkanagar, Dhaka
আপনাদের কি মনে হয় যে, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম থাকলে এভাবে ছবি তুলতেন আর ভিডিও করতেন! যন্ত্রপাতি নিয়ে এভাবে সফর করতেন যে, সব জায়গায় আমার ছবি তুলে প্রচার করি! এটা কী মনে হয় আপনাদের? তাদের কাছে আমার এই জিজ্ঞাসা যারা ফটো তোলেন।
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
13-7-2023 Photo Mashik Ijtema, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর-
মাসিক ইজতেমায় ফটো তোলাতুলি থেকে বিরত থাকার বিষয়ে অংশটুকু আলাদাভাবে পেশ করা হলো।
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
3-5-2023 Eftetahi Dars, Jamea Hakimul Ummat, Mojadded Nagar, Arakul, South Keranigonj, Dhaka
তরজুমানে আকাবির হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব এর আল্লামূখী জীবন গড়ার বিষয়ে আযীমুশশান বয়ান।
আমাদের এই জামেআ আকাবিরে-দ্বীনের রাস্তার উপর চলার এক প্রতিষ্ঠান। যারা মনে করে ছবি তোলা জায়েয, ভিডিও করা জায়েয, মানুষের ছবি হোক বা পীর সাহেবের ছবি, কোন মুফতিয়ে আযমের ছবি বা কোন বুযুর্গের ছবি বা অন্য কারো ছবি এরকম কোন তালেবেএলেম যেন আমাদের প্রতিষ্ঠানে একজনও না থাকে। আর এরকম শিক্ষকও এখানে থাকবে না। এই ছবিওয়ালা প্রতিষ্ঠান আমাদের না। একশতভাগ ছবি মুক্ত প্রতিষ্ঠান। শুধু এইটা না যে ছবি মুক্ত; যারা অন্তর থেকে ছবিকে হারাম মনে করে, গুনাহে কবিরা মনে করে তারা এখানে পড়বেন তারা এখানে পড়াবেন। অন্য কারোই এখানে থাকার কোনই অবকাশ নেই। যারা ছবিকে জায়েজ মনে করেন, ভিডিওকে জায়েজ মনে করেন এরকম কোন ছাত্র থাকলে আপনি ঐখানে যান যেখানে এগুলো আছে, এরকম কোন শিক্ষক থাকলে সেখানে যান যেখানে এগুলো আছে। আমাদের এখানে এগুলো চলবে না।
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
*প্রাণীর ছবি দ্বারা ঘর সাজানো হারাম -*
টাঙ্গাইলের সখিপুরে এক লোকের বাসার ডাইনিং রুমে হযরত(মাওলানা সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দা. বা. খলিফাঃ মাওলানা হাকীম আখতার ছাহেব রহ.) কে বসতে দেয়া হলো। বাড়িওয়ালা খানার এন্তেজাম করার জন্য ভিতরে গেল। সফর সঙ্গীদের একজন ডাইনিং রুমে রাখা বিড়ালের ছবি হযরতকে দেখালো যা হযরত খেয়াল করেননি। তখন হযরত সেই ছবিটি নিয়ে ভিন্ন এক জায়গায় রাখলেন। সাথীরা বলল যে, আরো ছবি আছে এই রুমে। হযরত তাদেরকে বললেন, সব ছবি আমার সামনে আন। তো সাথীরা আরো দু’টি ছবি যেগুলোতে পাখিসহ অন্যান্য প্রাণীর ছবি ছিল সেগুলোও আনলো। বাড়িওয়ালা আসলে হযরত বললেন, আমি এই ছবিগুলো নিয়ে যাবো। শেষ পর্যন্ত সবগুলো ছবি গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে আসলেন। বাড়িওয়ালা টু শব্দটিও করার সাহস পেল না। পরে সবগুলো ছবি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।
bin sultan
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/HQirE4ARBb54RFwWeLK1MK
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
