Diet Falsafa: The Natural Health Club
رفتن به کانال در Telegram
For appointment, please Knock here: https://www.facebook.com/SajalsDietFalsafa/
نمایش بیشتر3 585
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+17 روز
-2430 روز
در حال بارگیری داده...
کانالهای مشابه
ابر برچسبها
هیچ دادهای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
ژوئیه '25
ژوئیه '25
+10
در 0 کانالها
ژوئن '25
+20
در 0 کانالها
Get PRO
مه '25
+17
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '25
+45
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '25
+368
در 2 کانالها
Get PRO
فوریه '25
+65
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '25
+200
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '24
+232
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '24
+37
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '24
+40
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '24
+29
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '24
+52
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '24
+33
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '24
+45
در 0 کانالها
Get PRO
مه '24
+49
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '24
+37
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '24
+91
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '24
+37
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '24
+41
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '23
+56
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '23
+42
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '23
+72
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '23
+51
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '23
+74
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '23
+67
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '23
+64
در 0 کانالها
Get PRO
مه '23
+62
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '23
+36
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '23
+49
در 0 کانالها
Get PRO
فوریه '23
+35
در 0 کانالها
Get PRO
ژانویه '23
+43
در 0 کانالها
Get PRO
دسامبر '22
+34
در 0 کانالها
Get PRO
نوامبر '22
+43
در 0 کانالها
Get PRO
اکتبر '22
+32
در 0 کانالها
Get PRO
سپتامبر '22
+42
در 0 کانالها
Get PRO
اوت '22
+181
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئیه '22
+50
در 0 کانالها
Get PRO
ژوئن '22
+127
در 0 کانالها
Get PRO
مه '22
+33
در 0 کانالها
Get PRO
آوریل '22
+32
در 0 کانالها
Get PRO
مارس '22
+1 990
در 0 کانالها
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 14 ژوئیه | +3 | |||
| 13 ژوئیه | +1 | |||
| 12 ژوئیه | +1 | |||
| 11 ژوئیه | +1 | |||
| 10 ژوئیه | +1 | |||
| 09 ژوئیه | 0 | |||
| 08 ژوئیه | +1 | |||
| 07 ژوئیه | 0 | |||
| 06 ژوئیه | 0 | |||
| 05 ژوئیه | 0 | |||
| 04 ژوئیه | +1 | |||
| 03 ژوئیه | 0 | |||
| 02 ژوئیه | 0 | |||
| 01 ژوئیه | +1 |
پستهای کانال
| 2 | https://www.facebook.com/share/v/1BByoWgTHP/ | 2 |
| 3 | https://www.facebook.com/share/v/1AEDz9HsCj/ | 1 |
| 4 | https://www.vigilantfox.com/p/dr-paul-marik-exposes-the-biggest | 882 |
| 5 | রেজিষ্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/ZU3vaxsAL8ydWX7g9 | 1 058 |
| 6 | ডায়েট ফালসাফা ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ ২০২৫' প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে, অনেকেই জানেন না। এখানে নেতৃত্ব দিচ্ছে আপনাদের সবার পরিচিত নিউট্রিশনিষ্ট Sumya Shila.
৩ মাস ব্যাপী এই প্রোগ্রামে থাকছে আপনার জন্য পারসোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান এবং এক্সারসাইজ রুটিন। শর্টকাট কোন ডায়েট চার্ট কিংবা ম্যাজিকাল কোন ট্রিক্সের বদলে এই জার্নিতে নিজের জন্য নেওয়া প্রতিটি স্টেপ, হেলদি মিল চয়েস আপনাকে আপনার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে ইন শা আল্লাহ ।
কথা হচ্ছে, এই ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ প্রোগ্রামে আপনি কেন রেজিস্ট্রেশন করবেন??
সহজ উত্তর, তিন মাসে ম্যাক্সিমাম ফ্যাট লস করতে।
যারা ডায়েট করেন, ভালো করেই তাদের জানার কথা, লম্বা সময় ডায়েট করাটা খুবই কঠিন, এবং সবসময় নিজের ওপর ব্যাপারটা নির্ভরও করে না। আপনার বাসায় একটা মানুষ অসুস্থ হলেই চাঙ্গে উঠতে পারে আপনার ডায়েটের সমস্ত আয়োজন। এজন্য যাদের ওজন বেশি হওয়া ছাড়া উল্লেখযোগ্য অসুস্থতা নেই তারা লম্বা সময় ডায়েট করার চেয়ে ছোট ছোট কিছু বার্স্টে ওজন কমিয়ে জেনারেলি হেলদি থাকতে চাইলে লং রানে হেলদি থাকাটা সহজ হয়।
পাশাপাশি এধরনের চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহনের সময় অনেকের মধ্যেই একটা কম্পিটিটিভনেস তৈরি হয়, নিজের ও অন্যদের সাথে, যার ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে ভাল করার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
তাই ডেডলাইন শেষ হওয়ার আগেই রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন ডায়েট ফালসাফা ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ ২০২৫ এ। সপ্তাহের সেরা পারফরমারদের জন্য প্রতি সপ্তাহেই থাকছে পুরস্কার।
রেজিষ্ট্রেশন লিংক দেয়া থাকবে। | 999 |
| 7 | আসছে রোজা। মুসলমানদের জন্য সবথেকে বেশি ইবাদত এবং বন্দেগীর মাস। রমজানে ইফতার সেহেরি তে কি খাবেন না খাবেন এটা নিয়ে কনফিউশন তো থাকেই সাথে কিছু কমন ভুল আমরা করে থাকি।আর এই ভুলের জন্য রোজায় অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ফেইস করেন। বিশেষ করে খুব ই দূর্বলতা আর ক্লান্তির মাধ্যমে রোজা টা কাটাতে হয়। চাইলেও ইবাদতে টাইম দিতে পারেন না। ঘুম ঘুম ভাব নিয়ে সারাদিন বিছানায় পরে থাকতে হয়।
আজকের পোস্টের ছোট ছোট ট্রিকসগুলো ফলো করার মাধ্যমে আপনি রোজা এনার্জেটিক এবং সুন্দর ভাবে কাটাতে পারবেন।
ইফতারের খুটিনাটি:
১) চিনি মিষ্টি বা গুড় দিয়ে শরবত খাওয়া আমাদের ট্রেডিশন। ইফতারে সব ধরনের চিনি বা গুড়ের শরবত-ট্যাং-রুহ আফজা ইত্যাদি নানান নামের, নানান কালারের শরবত থেকে অতি অবশ্যই দূরে থাকবেন। এর বদলে সিম্পলি ডাবের পানি বা এক প্যাকেট স্যালাইন খেয়ে নিতে পারেন। লেবুর শরবত এক্ষেত্রে ভালো অপশন। তবে সেক্ষেত্রে চিনি বা গুড়ের পরিবর্তে স্টেভিয়া ব্যাবহার করতে পারেন।
২) ইফতারের ট্রেডিশনাল আইটেম থেকে বেড়িয়ে আসুন।মুড়ি-জিলাপি-বুরিন্দা-আলুর চপ-বেগুনী-পেয়াজু ইত্যাদি বাদ দিয়ে এর বদলে বেছে নিন কমপ্লেক্স কার্ব। ইফতার শুরু করুন ১-২ পিস খেজুর দিয়ে। এছাড়া সাথে রাখতে পারেন ছোলা। মটর, যবের ছাতু, রোল্ড ওটস। সাথে টকদই।
৩) আপনি কি জানেন ইফতারে বেশ ভালো একটা আইটেম হতে পারে সালাদ।বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য সালাদ একটা চমৎকার অপশন। সালাদের সাথে মিক্স করতে পারেন ছোলা-বাদাম-ডিম। উপর দিয়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন ২ টেবিল চামচ অলিভ ওয়েল-মাস্টার্ড ওয়েল। কমপ্লেক্স কার্ব-প্রোটিন-ফ্যাটের পারফেক্ট কম্বিনেশন।
৪) আমাদের অনেকেরই অভ্যাস থাকে তারাবি পড়ার পরে এসে একগাদা ভাত খাওয়া। এতে রমজান শেষে আপনার ওজন তো বাড়েই বিশাল ভূড়ি যোগ হয় সাথে।যদি ওজন কমাতে চান ইফতারে ভারী মিল নিয়ে রাতের ডিনার স্কিপ করুন। যদি বেশি ক্ষুধা লাগে সেক্ষেত্রে এক বাটি মাইল্ড ভেজিটেবল স্যুপ খেয়ে নিতে পারেন। তবে কর্নফ্লাওয়ার একদমই ব্যাবহার করা যাবে না।
৫) ইফতার টু সেহরি পর্যন্ত নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে কয়েক দফা পিংক সল্ট মেশানো পানি খেতে পারেন। তবে যাদের হাই ব্লাড প্রেশার থাকে তারা এভয়েড করবেন।
৬) ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর আগে খেতে পারেন ক্যামোনাইল চা।।
সাহরিতে যা করনীয় :
১) সারাদিন না খেয়ে থাকতে হবে, তাই সেহরিতে আপনারা অনেকেই কয়েক প্লেট সাদা ভাত খেতে পারলে মনে করেন যাক অনেক খেলাম, সারাদিন বোধহয় আর ক্ষুধা লাগবে না। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, দিনের কিছু ঘন্টা পরেই আপনার পেট ক্ষুধায় ডাকাডাকি করছে। করবেই তো! কারন আপনি তো সিম্পল কার্ব খেয়েছেন, এটা দ্রুত ডাইজেস্ট হয়ে গিয়েছে। তাই সেহরিতে চুজ করবেন কমপ্লেক্স কার্ব। এটি দিনের বেশ অনেকটা সময় ধরে আপনার ব্লাডে অল্প অল্প করে গ্লুকোজ সাপ্লাই দিবে। কমপ্লেক্স কার্বের মধ্যে - ব্রাউন রাইস, ওটস, কিনোয়া, যবের ছাতু ইত্যাদি রাখতে পারেন।
২) সেহরিতে পানি খেলে পিপাসা পাবে না তাই অতিরিক্ত পানি খেয়ে পেট না ভরানো আমাদের একটা বদ অভ্যাস।। এতে করে প্রয়োজনীয় ফুড স্কিপ করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
৩) সেহরিতে যথেষ্ট শাক-সবজি, প্রোটিনের জন্য মাছ-মুরগী-ডিম-গরুর গোশত খেতে পারেন। তবে প্রোটিন ইফতারে বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। সেহরিতে বেশি প্রোটিন আপনার বডিকে ডিহাইড্রেটেড করে দিতে পারে।
৪) কিছু গুড ফ্যাটস সেহরিতে এড করুন। বাদাম, সীডস খেতে পারেন। সাথে অল্প ঘী বা বাটার।।
এছাড়া ইফতার এবং সেহরি শেষে দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস বাদ দেওয়া অবশ্যই, অবশ্যই জরুরি
রোজা সংযমের মাস, নিজেকে পরিবর্তন করার মাস। তাই ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তন এর মাধ্যমে আপনি রোজায় নিজেকে অনেক বেশি ফিট রাখতে পারবেন। এবং ইবাদতেও অনেক বেশি মনোযোগী হতে পারবেন।
সুমাইয়া শিলা
নিউট্রিশনিষ্ট
চাইল্ড এন্ড রিপ্রোডাক্টিভ নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট
থাইরোকেয়ার কন্সালটেশন সেন্টার
বনানী, ঢাকা।
এপয়েন্টমেন্টের জন্য: 01992051548 | 6 153 |
| 8 | আমাদের পরিচিত অনেক হেলথ এডভাইস আসলে আউটডেইটেড হয়ে গেছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যারা ক্লিনিক্যাল প্র্যাক্টিসে থাকেন তাদের এগুলো জানার সুযোগ হয়ে ওঠে না প্রচন্ড কাজের চাপের কারনে।
কিন্তু রোগীদের জন্য এগুলোই হয়ে দাঁড়ায় ক্ষতির কারন।
এরকম কিছু হেলথ এডভাইস মেনশন করছি।
১)কাচা লবন হার্টের জন্য ক্ষতিকর
এই এডভাইসটা এখন আউটডেটেড হয়ে গেছে। বরঞ্চ এটা এখন প্রমানিত যে দিনে ৩ থেকে ৬ গ্রাম পর্যন্ত সোডিয়াম খাওয়া যায়। বরঞ্চ দিনে ৩ গ্রামের কম সোডিয়াম খেলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে যায়। আপনি যদি লবন কম খান, আপনার কিডনি শরীর থেকে বাড়তি লবন শোষন করে রক্তে সোডিয়াম লেভেল স্বাভাবিক রাখে, ফলে আপনার কোষে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
মোটকথা, ৩ গ্রামের চেয়ে কম সোডিয়াম দিনে খাওয়া হেলদি না এবং এটা ডায়বেটিসের সম্ভাবনা বাড়ায়।
২)ফাস্টিং করলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়
এই কুপরামর্শ অনেককে দিতে দেখা যায়। বাস্তবে, এইটা হয় দিনের পর দিন আপনার BMR এর চেয়ে কম খেয়ে থাকলে। সাধারন বাংলাদেশী মেয়েদের BMR ১১০০-১৪০০ এর মধ্যে, ছেলেদের ১৪০০ থেকে ১৮০০ এর মধ্যে BMR থাকতে দেখা যায়।
এর চেয়ে কম খেয়ে ফাস্টিং করলে আপনার মাসল লস হতে পারে এবং আপনি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট হয়ে যাবেন আস্তে আস্তে।
৩)এনিটাইম দিনে ৮ ঘন্টা ঘুমালেই আপনি হেলদি থাকবেন
পুরোপুরি ভুল ধারনা। সুস্থতার জন্য রাত ৯টা-২টা এর মধ্যে আপনাকে অন্তত ৩ ঘন্টা ঘুমাতেই হবে, মোট ঘুমের পরিমান ৫ থেকে ৯ ঘন্টার মধ্যে যেকোন পরিমান হতে পারে। আমাদের অনেকের মধ্যেই DEC2 নামের একটা জিন আছে যেটা থাকলে কম ঘুমিয়েও হেলদি থাকা যায়। কিন্তু রাত ৯টা-২টা, শরীরের জন্য এটা নন নেগোশিয়েবল।
মাত্র এক সপ্তাহ রাত ২টার পর ঘুমালে আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ৩০% বেড়ে যেতে পারে, মাত্র ২ দিন স্বাভাবিকের অর্ধেক পরিমান ঘুমালে আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ৩০% বেড়ে যেতে পারে। যারা মাসের পর মাস রাত জাগেন তাদের হেলথ কেন খারাপ তা ব্যাখ্যা করতে এটুকুই ইনাফ।
আর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়া মানেই ডায়বেটিস হওয়া থেকে শুরু করে হার্ট ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাওয়া।
আজকে আপাতত এই ক'টাই থাক।
সামনে এমন আরো অনেক ব্যাপারে আমরা গ্রুপে আলাপ করবো ইনশা আল্লাহ।
নিজে জানুন, নিজেকে ও প্রিয়জনদেরকে বাচান। | 5 422 |
| 9 | গতকালের পোস্টে আমি বলেছিলাম, যারা কনসিভ করতে চান এবং কম বয়সে এগ কাউন্ট কমে যাওয়া থেকে বাচতে চান, তাদের অত্যন্ত জরুরী একটা কাজ হচ্ছে চিনি খাওয়া বন্ধ করা।
চিনি মানে শুধুই চিনি না। চিনিযুক্ত এবং চিনি জাতীয় সমস্ত খাবারই বন্ধ রাখা চাই। শুধুমাত্র যারা দিনে ২ ঘন্টা বা তার বেশি কঠোর শারীরিক পরিশ্রম করেন, তারাই দিনে সর্বোচ্চ ৫০-১০০ ক্যালরি সমপরিমান চিনি/মিষ্টি খেতে পারবেন, তবে যাদের ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পিসিওএস আছে অথবা এগ কাউন্ট ২ এর কম অথবা বয়স ৩০ এর বেশি, তাদেরকে এটাও না খেতে অনুরোধ করবো আমি।
চিনির বাইরে, সুক্রালোজ বা এরকম সব সুগার সাবস্টিটিউট এড়িয়ে চলুন, কেবলমাত্র স্টেভিয়া ও জাইলিটল, এরিথ্রাইটল সুগার সাবস্টিটিউট হিসেবে আপনাদের জন্য ব্যবহার যোগ্য।
এখন, দিনে কার্ব কতটুকু খাবেন, এই প্রশ্ন তো চলেই আসে।
এক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পরিমান আলাদা হবে।
আপনার কার্ব খাওয়ার লিমিট কতটুকু হবে তা জানতে হলে বুঝতে হবে আপনার আদৌ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা হাইপারইনসুলিনেমিয়া আছে কিনা।
যদি আপনার পেটের মধ্যভাগের মাপ আপনার উচ্চতার ৪৫% এর বেশি হয়, সম্ভাবনা খুবই বেশি যে আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আছে।
যার পেট যত সমান, তার কার্বোহাইড্রেট টলারেন্স তত বেশি, এইটা রুল অফ থাম্ব। সবার ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য না হলেও বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তবে যাদের বেশি কার্ব খাওয়া ছাড়া উপায় থাকে না, তাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে সব সাদা এড়িয়ে চলুন। সাদা ভাত, সাদা রুটি, সাদা আটা বা ময়দা, পাউরুটিকে বিদায় জানান।
এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো একের পর এক নিজের ওপরে নিয়ে আসুন। ভাল ফলাফল পাবেন ইনশা আল্লাহ।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে গমের বেশিরভাগ খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল হবে, যদিই এব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতের ভিন্নতা আছে।
একটু একটু করে আসুন বদলে যাই। | 1 640 |
| 10 | তিন নম্বর, আপনার ত্বকে ফ্রি র্যাডিক্যাল ড্যামেজ হয়ে থাকলে ভিটামিন এ ও নায়াসিন ব্যবহার করা। ভিটামিন এ সবসময় খাবার থেকে খেতে চেষ্টা করবেন। প্রানীর কলিজা ও মাছের তেল, পনির, গাজর, শালগম শাক এগুলো ভিটামিন এর ভাল সোর্স। তবে, ভিটামিন এ খেলে চেষ্টা করবেন সাথে জিংক খেতে।
চার নম্বর, আপনার হাইপো/হাইপারথাইরয়েডিজম, ওভারিয়ান সিস্ট আছে কিনা, তা দেখতে হবে। এগুলো থেকে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, এবং সঠিক ডায়েট প্ল্যান নিন ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের কাছ থেকে। এখনকার হেয়ারফলের একটা অন্যতম প্রধান কারন পিসিওএস হেয়ার লস।
পাচ. সিজনাল হেয়ার লস হলে সাধারনত হলুদ গুড়া, মেথি ও পেয়াজের রসেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সাথে ভিটামিন সি যোগ করতে পারেন। প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন ল্যাভেন্ডার, রোজমেরি, ক্যামোমিল, লেমনগ্রাস, সিডারউড বা হরিতকির তেল।
পোস্ট প্রেগন্যান্সি হেয়ার ফল মূলত হয় হরমোনাল ইমব্যালেন্স ও নিউট্রিয়েন্ট ডেফিসিয়েন্সির যোগসাজশে। তবে, আমরা হেয়ার লসের ক্ষেত্রে একটা বিষয় অনেক সময়েই খেয়াল করি না, প্যাশেন্টের পেরিমেনোপজাল সিনড্রোম আছে কিনা।
পেরিমেনোপজাল সিন্ড্রোম এখন ২০ বছর পার হবার পরেই অনেক মেয়েদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে।
পেরিমেনোপজাল সিন্ড্রোম নিয়ে সামনে আবার আলাদা পোস্ট করবো ইনশা আল্লাহ।
ততক্ষন পর্যন্ত এই পদ্ধতিগুলো অনুসুরন করুন।
ভিটামিন ই ও সি নিজে নিজে ব্যবহার করতে পারেন নিশ্চিন্তে। তবে ভিটামিন এ সিরাম এবং কোলাজেন-বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহনের ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শ নিন।
অধিকাংশ সাপ্লিমেন্ট সেলিং পেইজ আপনাকে বোঝাতে চাইবে যে এসবের কোন প্রয়োজন নেই, আপনি নিজে নিজেই এগুলি ব্যবহার করতে পারেন। এটা সম্পুর্ন সুস্থ মানুষের জন্য প্রযোজ্য, অসুস্থদের জন্য নয়। | 1 616 |
| 11 | পোস্টের প্রথম অংশ ছেলেদের জন্য, দ্বিতীয়াংশ মেয়েদের জন্য
লো টেস্টোস্টেরন-হাই টেস্টোস্টেরন লেভেল দুটোই চুল পড়ার কারন হতে পারে। এখন কার লো টি লেভেলের জন্য আর কার হাই টি লেভেলের জন্য চুল পড়ছে বুঝবেন কিভাবে??
সিম্পল। ডাক্তারের কাছে যান, টেস্ট করালেই জানা যাবে। বাট টি লেভেল ইজ নট দ্যা সোল রিজন ফর মোস্ট অফ দ্যা কেইসেস।
হাই টেস্টোস্টেরন যাদের, তাদের হেয়ার লসের প্রধান কারন ডিএইচটি। ডিএইচটি টেস্টোস্টেরনের সবচেয়ে শক্তিশালী ফর্মগুলোর একটা, যাকে অনেকক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয় "ম্যান মেইকার" হিসাবে।
চুল পড়া ছাড়াও হাই বা লো টি লেভেলের আরো অনেক সিম্পটম থাকে, যা থেকে আমরা এজিউম করতে পারি তার টি লেভেল হাই হওয়ার সম্ভাবনা আছে(গ্যারান্টি দেয়া যাবে না, অনলি ল্যাবরেটরিতে করা টেস্টই গ্যারান্টি দিতে পারে)। যেমনঃ
১)মাসকুলার স্ট্রেংথ-যাদের মাসকুলার স্ট্রেংথ বেশি, ধরেন ৬৫ কেজির একজন পুরুষ দেখা যাচ্ছে একই ওজনের অন্যদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী
২)বডি কম্পোজিশন-সাধারনত হাই টি লেভেলে হাড়ের কাঠামো ও মাংসপেশীর ঘনত্ব বেশি হয়
৩)বডি হেয়ারঃ হাই টি লেভেলে মাথায় চুল কম কিন্তু গায়ে, বিশেষভাবে বুকে, পিঠে ও হাতে যথেষ্ট লোম থাকে।
৪)লিবিডোঃ হাই টি লেভেলে শক্তিশালী ইরেকশান হবে, লিবিডো বা সেক্সুয়াল ডিজায়ার বেশি থাকবে।
৫)এটিটিউডঃ তাদের সাধারনত জীবন সম্পর্কে ইতিবাচক, আত্মবিশ্বাসী মনে হয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে উদ্যম ও অধ্যবসায়ের পরিচয় তারা দিয়ে থাকেন।
৬)ঘুমঃ হাই টি লেভেল যাদের তারা সাধারনত রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন এবং প্রায়ই বেশ কড়া ঘুম হয়।
লো টি লেভেলের ক্ষেত্রে এই বিষয়টা হবে ঠিক বিপরীত।
টেস্টোস্টেরন হেয়ার লস আসলে খুবই জটিল বিষয়, আমাদের ধারনার চেয়ে অনেক জটিল।
কিন্তু, ব্যাপারটা সবসময় এমন নাও হতে পারে যে শুধু ডিএইচটি লেভেল বেশি দেখেই চুল পড়ছে।
এমনও হতে পারে, পুরুষটির সেলুলার এইজিং বা কোষের বয়স বেশি হয়ে গেছে টক্সিনের কারনে, যে কারনে তার শরীর সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুল কমিয়ে দেয়ার। অথবা, হতে পারে তার ৫-আলফা রিডাকটেজ নামের এনজাইমটা হাইপারএক্টিভ, যেজন্য যতটুকু টেস্টোস্টেরন আছে ততটুকুতেই চুল খুব দ্রুত পড়ছে। আবার এমনও হয়, জেনেটিক কারনে রোগীর স্ক্যাল্পের ডিএইচটি রিসেপ্টর সহজে ডিএইচটিকে গ্রহন করছে, অমনি দমাদম চুল পড়ছে।
মানে, বিষয়টা জটিল।
এখন, যাদের হাই ডিএইচটি লেভেলের জন্য চুল পড়ে, তাদের করনীয় কি??
বেশি বেশি এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান, জিংক-বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন, ডাক্তারের কাছে গিয়ে আলফা রিডাকটেজ ইনহিবিটর টাইপ ড্রাগ নিতে পারেন, কিন্তু সম্ভাবনা খুবই বেশি, এগুলোর কোনটাই কাজ করবে না।
হাই টেস্টোস্টেরন-ডিএইচটি লেভেলের এগেইন্সটে পিআরপি ছাড়া আর কোনকিছুই লং রানে কাজ করে না। ওয়েট তুললে বা এক্সারসাইজ বাড়ালে উলটো চুল পড়া বাড়ার সম্ভাবনা আছে।
লো টেস্টোস্টেরনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। এক্সারসাইজ করুন, বাড়তি প্রোটিন ইনটেইক করুন এবং জিংক-নায়াসিন সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন, ভিটামিন ডি নিতে পারেন এবং সঠিক সময়ে ঘুমাতে পারেন।
চুল পড়লে অনেক পুরুষই চিন্তা করেন ফিনাস্টেরাইড জাতীয় ওষুধ খেয়ে তা কমাবেন এবং এর ফলে তাদের টেস্টোস্টেরন লেভেল কমে গিয়ে তারা প্রায়ই দুশ্চিন্তা, হতাশা, ইরেক্টাইল ডিজফাংশন জাতীয় সমস্যায় ভুগে থাকেন, ফলে কিছুদিন পর ওষুধ অফ করে দিতে বাধ্য হন।
যাদের হাই ডিএইচটি লেভেলের জন্য চুল পড়ে, তাদের টি লেভেল কমিয়ে চুল বাড়ানোর প্রয়োজন নেই আনলেস ইট ইজ ক্লিনিক্যালি হার্মফুল।
এজন্যই আমি মাঝে মাঝে বলি, মেয়েদের চুল পড়ার সহজ সমাধান আছে, ছেলেদের চুল পড়ার সমাধান আমার জানা নেই।
এখন, মেয়েদের চুল পড়া নিয়ে কি করতে হবে??
প্রথম কাজটাই কেউ করতে চান না, বেশিরভাগ মেয়েদের চুল পড়ে সাধারনত প্রোটিন ডেফিসিয়েন্সি থেকে। চুলের পুরোটাই প্রোটিন। শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকলে শরীর চুলকে কম প্রায়োরিটি দেয় এবং তখন চুল ঝরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত শরীর আপনার অনুমতি ছাড়াই নিয়ে নেয়। কম প্রোটিন খেয়ে সুন্দর চুল পাওয়া খুবই কঠিন। নট নেসেসারিলি আপনাকে হাই কোয়ালিটি এনিম্যাল প্রোটিনই খেতে হবে, বাট, শরীরের ওজন যতকেজি, দিনে অন্তত ততগ্রাম প্রোটিন খাবেন। সেটা কিভাবে??
আমাদের গ্রুপে "স্বস্তায় প্রোটিন" নামে একটা সিরিজ আছে, সেটা ফলো করুন।
অবস্থা বেশি খারাপ যাদের, তারা ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট দেখিয়ে সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করবেন।
দ্বিতীয় কাজ হল স্ট্রেস ও ওভারথিংকিং কমানো। স্ট্রেস না কমলে চুল পড়া বন্ধ করা বেশ কঠিন। আর কেউ যদি অতিরিক্ত স্ট্রেসড থাকেনও, সেক্ষেত্রে তার উচিত হবে যথেষ্ট পরিমান ভিটামিন সি ও ই প্রতিদিন গ্রহন করা, পাশাপাশি চুলের গোড়ায় নিয়মিত আমলকির রস দেয়া, সপ্তাহে অন্তত দুদিন ভিটামিন এ, সি ও ই উইথ হায়ারুলোনিক এসিডের সিরাম চুলে ব্যবহার করা। এক্ষেত্রে হলুদের গুড়া সরিষার তেলের সাথে ১ঃ৮ অনুপাত্র ব্যবহার করে নিয়মিত মাখলেও ভাল ফল পাওয়া যায়।
মেথির গুডাও পানির সাথে দিয়ে অনেকেই ভাল ফল লাভ করেন। | 1 571 |
| 12 | https://youtu.be/4jRFcmSHCPg?si=Hpdd33l7xGl52-ms | 859 |
| 13 | আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি নিউট্রিশনিষ্ট সুমাইয়া শীলা। আপনাদের কে আমাদের নতুন পেইজে স্বাগতম জানাচ্ছি। আমাদের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ শুরু হবার কথা ছিলো জানুয়ারি এর ৫ তারিখে। কিন্তু ইতিমধ্যে আমাদের পূর্ববর্তী ফেইসবুক পেইজটি রিমুভ হয়ে যায় এবং আমাদের গ্রুপেও কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যার জন্য সবাইকে কনফার্মেশন মেসেজ পাঠানো এবং তাদেরকে গ্রুপে এড করা আমাদের জন্য একটু চ্যালেঞ্জিং হয়েছে। আমার টিম দিন রাত এটা নিয়ে কাজ করছে।
আর এই কারনেই প্রোগ্রাম টা শুরু করতে একটু দেরি হয়ে গেছে। আমরা আন্তরিক ভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা এই ডিলে টা পুষিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ। আপনারা ২ মাস সময়ই পাবেন। আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ। ❤️
যারা এখনো কনফার্মেশন কল/মেসেজ পাননি, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ লিংক পাননি দয়াকরে কমেন্ট করবেন। | 1 157 |
| 14 | যারা বিভিন্ন কারনে চেম্বারে এসে কনসাল্টেশন নিতে পারেন না তাদের জন্য আমরা নভেম্বরে শুরু করেছিলাম ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ ২০২৪।
দেখতে দেখতে প্রায় শেষের দিকে ডায়েট ফালসাফা 'ওয়েট লস প্রোগ্রাম ২০২৪'।
আমাদের এই ওয়েট লস প্রোগ্রাম যখন আমরা শুরু করি তখন পার্টিসিপেন্ট ছিলো ৬৮ জন।
এই পুরো ওয়েট লস প্রোগ্রামে কিন্তু প্রত্যেককে কাস্টমাইজড ডায়েট চার্ট দেয়া হয়েছে তাদের সমস্যা গুলো আইডেন্টিফাই করে। ৮ সপ্তাহে ডায়েট চার্ট দেয়া হয়েছে ৩ টা। ১ম ২ সপ্তাহে ১ টা ২য় ২ সপ্তাহে ১ টা এবং শেষ ৪ সপ্তাহের জন্য ১ টা প্লান। প্রোগ্রামের দিকে এক নজরে চোখ ফেললে - মাত্র ২ জন বাদে সবারই কম বেশি ওজন কমেছে।
এখন পর্যন্ত ৬ সপ্তাহে ৬ কেজি+ ওয়েট লস করেছেন প্রায় ৪০ %, ৩ কেজি + ওয়েট লস করেছেন ৩০%।
এই প্রোগ্রামে ৬ সপ্তাহে এভারেজ ওয়েট লস হিসাব করলে তা গিয়ে দাড়ায় ৩.৭৫ কেজিতে অর্থাৎ গড়ে আমাদের পারটিসিপ্যান্টরা প্রত্যেকে ৬ সপ্তাহে পৌনে চার কেজি করে ওজন কমিয়েছেন।
আমাদের ওয়েট লস প্রোগ্রামে এখন পর্যন্ত মানে ৬ সপ্তাহ+ সময় পর্যন্ত সর্বোচ্চ ওয়েট লসের রেকর্ড ছিলো ১০ কেজি! ৪ জন মানুষ এচিভ করতে পেরেছেন এটা। যেটা ছিলো একেবারেই আমাদের টার্গেটেড ওয়েট লস গোল।
তবে এই প্রোগ্রামে সব থেকে পজিটিভ দিক হলো, সবাই একটা ভালো ইটিং হ্যাবিট তৈরি করতে পেরেছেন। ক্ষুধা এবং ক্রেভিং কমে গেছে, সেই সাথে পেয়েছেন চমৎকার মুড।
প্রোগ্রাম শেষ হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ইনশাআল্লাহ প্রোগ্রাম শেষে ছোট টিপস এন্ড ট্রীকস শিখিয়ে দেয়া হবে কীভাবে তারা তাদের ওয়েট ধরে রাখবেন + একটু ওজন বাড়লে কীভাবে কমাবেন।
জানুয়ারী তে সেইম ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ শুরু হতে যাচ্ছে। আপনারাও চাইলে জয়েন করতে পারেন৷ ওয়েট লস চ্যালেঞ্জটিতে যোগ দিতে রেজিস্ট্রেশন লিংক পেয়ে যাবেন আমাদের এই পোস্টের প্রথম কমেন্টে। | 1 452 |
| 15 | ১ মাসে ৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন আমাদের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ এর এক আপু!!
কি শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও একদম সত্যি কথা। আমাদের নভেম্বরে শুরু হওয়া ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ এ জয়েন করে তানজীলা আপু ৪ সপ্তাহে ৭ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছেন। চ্যালেঞ্জ শুরু করার সময়ে আপুর ওজন ছিলো ৭২ কেজি এবং ৪ সপ্তাহ শেষ করে আপুর ওজন ৬৫!!
আচ্ছা আপু কি তবে না খেয়ে থেকেছে?? নাহ মোটেও না। পেট ভরে অনেক খাবার খেয়েছেন। সাথে নিয়েছেন কিছু সাপ্লিমেন্টস। ওজন কমার সাথে সাথে আপু আগের থেকে অনেক বেশি এনার্জেটিক ফীল করেন এখন!!!
আপনিও কি আপুর মত এমন ওজন কমাতে চান। তাহলে ৮ সপ্তাহের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ শুরু হচ্ছে জানুয়ারি তে। কি কি থাকবে এই ৮ সপ্তাহের চ্যালেঞ্জে??
১) কাস্টমাইজড চার্ট ( আপনার শরীরে বর্তমান সমস্যা এবং কোন রোগ থাকলে সেই অনুযায়ী)
২) এক্সারসাইজ প্লান ( বাধ্যতামূলক না)
৩) ২৪ ঘন্টা মনিটরিং।
৪) ফ্রী কাউন্সেলিং।
এই ৮ সপ্তাহে হেসে খেলে আপনার ওজন কমে যাবে ৮-১০ কেজি!! স্কিন গ্লো করবে, এনার্জেটিক ফীল করবেন, ক্ষুধা কমবে, ক্রেভিংস কমে যাবে।
ফী থাকবে -২৫০০ টাকা।
রেজিষ্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে থাকছে। দেরী না করে আমাদের সাথে জয়েন করে ফেলুন।
কারন বেটার লেইট, দ্যান নেভার!!! ❤️
সুমাইয়া শিলা
চাইল্ড এন্ড রিপ্রোডাক্টিভ নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট
থাইরোকেয়ার কন্সালটেশন সেন্টার
বনানী, ঢাকা। | 1 408 |
| 16 | আপনার (নারী) বয়স যদি ৩০+ হয় এবং আপনার প্রায়ই রাতে ঘুম হয়না, হলেও হঠাৎ জেগে উঠেন, কোয়ালিটি স্লীপ হয়না?
- ইনসমনিয়া বা ঘুমের সমস্যা এবং লো এস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন লেভেল হাতে হাত ধরে আসে, একই সাথে এটি ঘুমের সমস্যার রুট কজ হিসাবেও কাজ করে। কিভাবে কাজ করে সেটাই আজকের আলোচনার বিষয়।
এস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন সরাসরি আপনার ঘুমের কোয়ালিটি, বডি টেম্পারেচার, মুড, এপেটাইট, সেক্স ড্রাইভের সাথে সম্পর্কযুক্ত। দেহে এস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোন কমে গেলে শুধু ঘুমের কোয়ালিটি ই না, এর সাথে অন্যান্য ডেইলি অ্যাক্টিভিটিস যেমন বাজে মুড সুইং দেখা দিবে, এংজাইটি-ডিপ্রেশন ঘিরে ধরবে, সেক্সুয়াল লাইফ ভালো হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি।
এখন এস্ট্রোজেন কিভাবে কোয়ালিটি স্লীপে ভূমিকা রাখে?
- আপনার ঠিক কতটুকু কোয়ালিটি স্লীপ হয়েছে সেটা মাপার জন্য সাধারণত REM নামক এক ধরনের স্লীপ প্যাটার্ন ব্যাবহার করা হয়। এস্ট্রোজেন লেভেল এই REM স্লীপ প্যাটার্নকে ইনফ্লুয়েন্স করতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেন হরমোনের ফ্ল্যাকচুয়েটের কারনে এই ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
প্রজেস্টেরন কিভাবে কোয়ালিটি স্লীপে ভূমিকা রাখে?
- প্রজেস্টেরন GABA প্রোডাকশনকে স্টিমুলেট করে। এই GABA ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করে। প্রোজেস্টেরন লেভেল ড্রপ করলে GABA লেভেল ও ড্রপ করে এভং স্লীপ ডিস্টার্বনেস দেখা দেয়।
- লুটিয়াল ফেজে প্রজেস্টেরনকে বলে হয় রিলাক্সিং হরমোন। এই সময় এটি ডীপ স্লীপ আনতে সাহায্য করে। ফলে এই ফেইজে ঘুম গভীর হয়। লো-প্রজেস্টেরন লেভেলের কারনে ডীপ স্লীপ ডিস্ট্রার্বড হয়।
এছাড়াও এস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন লেভেল আমাদের নিউরোট্রান্সমিটার রেগুলেট করতে সাহায্য করে যা Sleep-wake সাইকেলকে নিয়ন্ত্রন করে।
একজন স্বাভাবিক নারীর মেন্সট্রুয়াল সাইকেলে হরমোনাল ফ্ল্যাকচুয়েটের কারনে মাসের কয়েকটা দিন ঘুমের সমস্যা হলে সেটাতে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু যাদের আর্লি এস্ট্রোজেন - প্রজেস্টোরন লেভেল ড্রপ করে, এতে করে পেরিমেনোপজ কিংবা মেনোপোজের দিকে যাচ্ছেন এমন নারীদের জন্য বিষয় টা মোটেও স্বাভাবিক নয়।
লো এস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন এবং স্লীপ ডিস্টার্বনেস ইগনোর করার মতো কোন বিষয় না। ভালো একটা ঘুম আপনাকে কোয়ালিটি লাইফ দিবে যেটার কোন অল্টারনেটিভ নেই।।
সামনের পর্বে এস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন বাড়াতে উল্লেখযোগ্য করনীয় এবং ফুড সোর্স নিয়ে আলাপ করবো ইন শা আল্লাহ। | 1 580 |
| 17 | ওজন বাড়ার সাথে সাথে অনেকেই খেয়াল করবেন যে আপনার পিরিয়ড স্বাভাবিক সময়ে হচ্ছে না। কারো মাসের মধ্যে দু-তিনবার হচ্ছে, কারো তিন মাসেও পিল ছাড়া হচ্ছে না। এর কারনটা কি তা বোঝা প্রয়োজন।
আমার জানামতে, এসময় দুইটা প্রক্রিয়া চালু হয় যা পিরিয়ডের স্বাভাবিক সময়কালকে পিছিয়ে দেয়।
মূলত আপনার ওভুলেশনের পরের ১০-১৪ দিন সময়কে বলে লুটিয়াল ফেইজ, এই সময়ে রক্তে লুটিনাইজিং হরমোনের মাত্রা প্রথমে বাড়ে এবং পরে বাড়া থেমে যায়। প্রজেস্টেরন প্রথমে বাড়ে এবং পরে হ্রাস পায় এবং ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে এস্ট্রোজেন।
এই সময়েই দেখা যায় মেয়েদের মন মেজাজ খারাপ, মুড সুইং, ডিপ্রেশান, ব্লোটিং, মাসল ক্র্যাম্প শুরু হতে থাকে, কারন এই সময় বডি ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম ওভার ইউজ করে।
এখন, ওজন বাড়ার সময় সাধারনত এস্ট্রোজেন, ইনসুলিন এই দুটো হরমোন হাই লেভেলে থাকে। এখন লুটিয়াল ফেইজের চালক হরমোন হচ্ছে এস্ট্রোজেন, এই হরমোন আপনার যত বেশি থাকবে, আলটিমেটলি আপনার লুটিয়াল ফেইজ তত লম্বা হবে। কারন আমাদের লিভার এই হরমোনকে রক্ত থেকে শুষে নিয়ে স্বাভাবিক না করা পর্যন্ত পিরিয়ড শুরু হবে না। ফলে মাসের পর মাস চলে গেলেও আপনার পিরিয়ড শুরু হবে না। এটাকে এস্ট্রোজেন ডমিন্যান্স বলা হয়।
পক্ষান্তরে, অনেকের দেখা যায় প্রজেস্টেরন লেভেল কম থাকে, দ্রুতই শেষ হয়ে যায় লুটিয়াল ফেইজ।
প্রথম গ্রুপ, যাদের এস্ট্রোজেন ডমিন্যান্স থাকে তারা সাধারনত সহজে গর্ভধারন করেন না, অনেকেরই আছে প্রকৃতপক্ষে এগই তৈরি হয় না।
পক্ষান্তরে, লো প্রজেস্টেরন (দ্বিতীয়) গ্রুপের ক্ষেত্রে রিস্ক বেশি মিসক্যারেজের।
আমার চেম্বারে কেউ যদি এসে একদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত থাকে সে দেখতে পাবে অন্তত ২-৩ জন রোগী থাকবেই যাদের কয়েকটা মিসক্যারেজ হয়েছে।
এই প্রবলেম থেকে মুক্তির উপায় কি??
ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং, থেরাপিউটিক ডায়েট, ফিজিক্যাল এক্সারসাইজ এবং প্রয়োজনে ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট অনুমোদিত সাপ্লিমেন্ট।
আমাদের ভিডিও সেকশনে গিয়ে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংকে জানুন এবং নিজে নিজেই ঠিক করে ফেলুন আপনার মেন্সট্রুয়াল সাইকেল। যাদের সমস্যা পুরানো ও জটিল তাদের ক্ষেত্রে হয়তো প্রফেশনাল কনসাল্টেশন প্রয়োজন হবে। তবে আমার ভিডিও বানানোর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে যারা চেম্বারে আসার সুযোগ বা সামর্থ্য রাখেন না তাদের জন্য সুস্থতার সুযোগ বের করে দেয়া।
আপনারা ভাল থাকুন, নিজের মেন্সট্রুয়াল সাইকেলকে ট্র্যাক করুন এবং লুটিয়াল ফেইজকে করুন স্বাভাবিক | 1 492 |
| 18 | আমার কাছে অনেক খালাম্মারা আসেন, দেখলে বুঝি, এরা মাত্র বিশ পচিশ বছর আগে তাদের জেনারেশানের হার্টথ্রব নারী ছিলেন। তাদের নিয়ন্ত্রনে ছিল অনেক কিছু, শিক্ষা, সম্পদ, সৌন্দর্য আর স্বামীর হৃদয়ও।
সময়ের ফেরে তারা এখন ভাল করে চলতে পারেন না, চুল পেকে গেছে, চামড়া কুচকে গেছে অনেকটাই, কোমর-হাটুতে ব্যথা, মুড বেশিরভাগ সময়ই অফ থাকে। অনেকেরই মেন্টাল হেলথ ইস্যুজ আছে, অনেকেই হারিয়ে ফেলেছেন জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ, স্বামীকে। হয়তো সব দিন একসাথে ভাল কাটে নাই, ঝগড়া ঝাটি ছিল, কিন্তু তারা পরস্পরের প্রিয় মানুষ ছিলেন।
যাদের নাতি নাতনী আছে, স্বামী হারানোর পরেও সাধারনত তারা একটু ভাল থাকেন। যাদের নাতি নাতনী নাই, ছেলেমেয়েও বেশির ভাগ দেশের বাইরে এবং স্বামীও মারা গেছেন, তাদেরকে মোটিভেট করা অনেক বেশি কঠিন।
আমার পেশা আমাকে তারুন্য ঝলমলে শক্তিতে উজ্জ্বল মানুষ থেকে শুরু করে বার্ধক্যের চাপে জর্জরিত সব ধরনের মানুষের সাথেই বসার সুযোগ দেয়। আমি অবাক হয়ে খেয়াল করি, মাত্র কয়েকটা বছরে একটা মানুষের পৃথিবীটা কত বেশি বদলে যায়।
যে মানুষটা ত্রিশ বা চল্লিশের কোঠায় দুনিয়া দাপিয়ে বেড়িয়েছে, ষাটের কোঠায় গিয়ে সে কত অসহায় হয়ে মেনে নেয়, তার শরীরটা আর আগের মত হবে না, একদিন তাকে চলে যেতে হবে সবকিছু রেখে, সেই সব কিছু, যার জন্য সে ব্যয় করেছে নিজের সমস্ত জীবন!!
এই পৃথিবী, এই জীবন আসলে কতটা পরাবাস্তব!! | 1 347 |
| 19 | টেস্টোস্টেরনকে মানুষ শুধুই সেক্স হরমোন ভাবে, যা আসলে ঠিক না। মজার ব্যাপার হল, যে এস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরনকে ফার্টিলিটি হরমোন বলে ভাবা হয়, তারাও শুধু ফার্টিলিটি হরমোন না, তাদের আরো অনেক ভুমিকা আছে।
উদাহরন দেই, এস্ট্রোজেন কার্বোহাইড্রেট মেটাবলিজমে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। ব্যায়ামের সময় আমাদের মাসল যে গ্লাইকোজেন ভাঙ্গে, এবং ব্লাড থেকে মাসল সেলের ভেতরে যে গ্লুকোজ ঢোকে, দুইটা প্রক্রিয়াকেই এস্ট্রোজেন যথেষ্ট স্লো করে দেয়। আবার, এস্ট্রোজেনের প্রভাবে, গ্লুকোজ ব্লাডে আসার পরে স্বাভাবিকের চেয়ে ধীরে ভাঙ্গে।
পুরুষেরা প্রায়ই মেয়েদের ধীরগতির ফিজিক্যাল রিফ্লেক্সের ব্যাপারে অভিযোগ করেন, এর অন্যতম কারন হল এস্ট্রোজেন। তাদেরকে বানানোই এভাবে যে তারা ছেলেদের মত কুইক ফিজিক্যাল রিফ্লেক্স দিতে পারবে না।
আবার, এই এস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরনই কিন্তু আমাদের হাড়গুলোতে ক্যালসিয়াম বাইন্ডিং করতে সাহায্য করে। এজন্য মেনোপজের পর নারীরা দ্রুত হাড়ক্ষয়ের সমস্যায় আক্রান্ত হন।
টেস্টোস্টেরনের কাজ বোন মেটাবলিজমে একটু অন্যরকম, টেস্টোস্টেরন মূলত হাড়কে ভারী হয়ে উঠতে সাহায্য করে মানে ঘনত্ব ও পুরুত্ব বাড়ায়, এস্ট্রোজেনের সাথে মিলে।
যাই হোক, বিষয়টা আর জটিল না করে মূল আলাপে আসি।
প্রতিটা হরমোনেরই অনেক ধরনের একশন আছে, কোন কোন একশন একটু বেশি হাইপড, কোন কোনটা কম হাইপড। হাইপ কোনটা বেশি খাবে তার অনেকটাই নির্ভর করে মিডিয়া এবং রিসার্চ ইন্ডাস্ট্রির ওপরে। সায়েন্সকে কমার্স থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবার কোন কারন নাই। আধুনিক বিজ্ঞান দাড়িয়েই আছে ব্যবসায়িক সাফল্য নির্ভরতার ওপরে।
টেস্টোস্টেরন আমাদের শরীরের অন্যতম প্রধান এনাবোলিক স্টেরয়েড হরমোন। এটা এমন একটা এনাবোলিক হরমোন, যার কাজের মিল আছে গ্রোথ হরমোনের সাথে। টেস্টোস্টেরন আমাদের মাসলকে বড় করতে এবং ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।
ব্যাপারটা এটুকুতে সীমাবদ্ধ হলেও হয়েছিল।
টেস্টোস্টেরনের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা হল এটা অনেকাংশেই নির্ধারন করে, আপনার শরীরের কোথায় কোথায় ফ্যাট জমবে। একটা ছেলের সাথে একটা মেয়ের সবচে বড় খালি চোখে ধরার মত তফাত হচ্ছে, ছেলেদের ও মেয়েদের শরীরে ফ্যাট জমাবার জায়গা সম্পুর্ন আলাদা।
তো কে কোথায় ফ্যাট জমাবে, এইটার অধিকাংশই নির্ভর করে আসলে তার সেক্স হরমোনের ওপরে।
এই জায়গায় চলে আসে আরেকটা ব্যাপার। সত্যি বলতে, আপনার শরীরে কোথায় ফ্যাট জমার প্রবনতা বেশি থাকবে, এইটা অনেকটাই আসলে নির্ধারিত হয়ে গেছিল মায়ের গর্ভে ৪-৬ মাস সময়ের ভেতরে।
বাবার সেক্স ক্রোমোজোম আর মায়ের সেক্স ক্রোমোজোম মিলে আপনি প্রিন্যাটাল স্টেজে যতটা টেস্টোস্টেরন, এস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন পেয়েছেন, তার ওপর শৈশবে আপনার ব্রেইন কতটা পুরুষালী বা মেয়েলি হবে তা নির্ভর করে এবং এই ব্রেইনই পরবর্তীতে সিগন্যাল দেয় শরীরের কোথায় আপনার কি ধরনের ফ্যাট জমবে।
এতবড় জটিল হরমোনাল রচনা লেখার কারন কি??
কারন প্রচুর মানুষ আমাদের চারপাশে আছেন, যারা হরমোনাল ইমব্যালেন্সে ভুগছেন বা ভীষনভাবে আনফিট এবং নিজেদের লাইফস্টাইল নিয়ে তাদের আসলে কোন হেডেকও নাই।
এই মানুষগুলা যে সন্তানদের দুনিয়াতে আনতে যাচ্ছেন, তাদের একটা বড় অংশ হরমোনালি ইমব্যালেন্সড অবস্থায় দুনিয়াতে আসবে এবং নানা শারীরিক-মানসিক সমস্যায় ভুগে জীবন পার করবে।
এর সাথে যেসব পুরুষ ২৫% এর বেশি বডি ফ্যাট এবং যেসব মেয়ে ৩৫% এর বেশি বডি ফ্যাট ক্যারি করছেন, তাদের সন্তানদের একটা জিনেটিক্যালি ইনহেরিটেড ওবিসিটিতে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আমাদের ব্রেইনের হাইপোথ্যালামাসের এক্রুয়েট নিউক্লাই নামে একটা জায়গা আছে, ওখান থেকে POMC নামে একটা হরমোন নিসৃত হয়, যেটা MCR-4 নামে আরেকটা রিসেপ্টরে যুক্ত হয়।
এই হরমোন ও রিসেপ্টরকে বলা হয় জিনেটিক ওবিসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের জন্য সরাসরি দায়ী। আপনাদের সন্তানদের আপনারা চাইলেও ভাল খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস করতে পারবেন না কারন তার জিন তাকে বলবে আনহেলদি ফুড খেতে। সে আনহেলদি ফুড খেয়ে মোটা হওয়ার মত ব্রেইন প্রোগ্রামিং নিয়েই দুনিয়ায় আসবে।
তাহলে, আপনি কি করবেন??
সিম্পল, নিজেকে হেলদি লাইফস্টাইলে নিয়ে আসতে চেষ্টা করবেন।
নিয়মিত স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং করবেন, কার্ব ইনটেক ৩০% এর মধ্যে রাখবেন। সম্ভব হলে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করবেন।
ভিটামিন ডি ডেফিসিয়েন্সি থেকে একশো হাত দূরে থাকবেন। ওপরে যতকিছু বলেছি সবকিছুর মধ্যে ভিটামিন ডির ভুমিকা আছে।
এই কথাগুলি মানেন, এগুলি মানলে ৯৯% মানুষেরই আর চেম্বারে আসতে হবে না ইনশা আল্লাহ। | 1 506 |
| 20 | ঢাকায় যত চেষ্টাই করি না কেন, স্লিপ সাইকেল ঠিক হয় না। এই সমস্যা চলতেসে সেই জুলাই মাস থেকে। ১১টায় ঘুমাতে যাওয়ার কথা কিন্তু নানা ঝামেলায় ঘুমাতে যাই ২টার পর, কখনো ৩টারও পরে। আপনাদের ভাবীকে বুঝাই, পরে দেখি আমার নিজেরই দেরি হয়। সে ঠিকই পরে ঘুমিয়ে ৮-৯ ঘন্টা কাভার করে কিন্তু আমার ৫ ঘন্টা
এবার নেপাল গিয়ে পড়লাম চক্করে, কাঠমান্ডু টু পোখারা বাস ছাড়ে ৭টায়, আমাদের জন্য গাড়ি এসে ওয়েট করছিলো সাড়ে ৬টায়, কোন মতেই দেরি করা যাবে না কারন সময় ও বাসের চাকা নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করবে না। বাস মিস করলে পোখারার ফ্লাইট ধরতে হবে, যার ভাড়া দিতে গেলে ট্যুর চাঙ্গে উঠবে।
এই প্যারা খেয়েও প্রথম রাতে ঘুম আসলো দেরিতে, এরপর ৪ ঘন্টা ঘুমায়ে ১০ ঘন্টা জার্নি করে পোখারায় পৌছুলাম।
পোখারায় গিয়ে ৩ ঘন্টা ঘুরে এরপর আরো ১ ঘন্টা রেস্ট নিয়ে পেট ভরে ভাত-ডাল-গোশত খাবার পর মনে হল, দুনিয়ার সমস্ত ঘুম আমার চোখে। কয়টা বাজে?? মাত্র ১০টায়।
ঘুম থেকে উঠে দেখি চারটা বাজে। ভাবলাম পিথিবী গোল্লায় যাক, আরো ঘুমাতে হবে। অথচ ভোরে বেলুনে চড়ার কথা।
শেষমেশ ৮টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে এরপর ঘুরতে বেরোলাম। দুপুর পর্যন্ত ঘুরে বিকেলে দুজন দেড় ঘন্টা র্যাফটিং করলাম উত্তাল ঢেউয়ের ভেতরে, এরপর বাসায় ফিরে মরার মত ঘুমালাম রাত ৯টায়। উঠলাম ভোর সাড়ে চারটায়।
এরপর দিন সারাদিন ঘুরলাম। সারাদিন মানে পুরাটা দিনই, নো স্টপ, নো পজ, বিশ্ব শান্তি স্তুপায় প্রায় ২৫০ মিটারের মত সিড়ি বেয়ে উঠলাম। রোদে পুড়লাম, সন্ধ্যার পর নৌকায় চড়লাম, এরপর পোখারায় হাটলাম প্রায় ৭ কিলো।
হোটেলে ফিরে আবার ঘুম, রাত ১০টায়। যে গুলবাহার রাত ২টার আগে ঘুমাতেই চায় না, সে ঘুমালো আমার আরো এক ঘন্টা আগে, মানে রাত ৯টায়।
পরদিন সকালে বাস, আমি উঠলাম ৫টায়, গুলবাহার সাড়ে ৩টায়। হো মাই ঘাড!! 😱😧😮😯
পাক্কা ১১ ঘন্টা জার্নি করে এরপর দিন পৌছুলাম নাগরকোট। কাঠমান্ডু স্টে ক্যান্সেল করলাম কারন কাঠমান্ডুর পরিবেশ ভাল্লাগছিল না।
এরপর আবার ঘুমালাম রাত ১০টায়, উঠলাম ৫টায়।
নাগরকোটে লাস্ট নাইটে ঘুমালাম রাত ১১টায়, উঠলাম ৫টায়।
ঘুমাচ্ছি আগের চেয়ে কম, কিন্তু এনার্জি আগের চেয়ে অনেক বেশি।
এবং ঢাকায় ফিরে আমরা প্রতিদিন ১১টার ভেতরে ঘুমাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ। সেদিন রাতে এক ছোটভাই ইমারজেন্সি প্রবলেমে ফোন দিয়ে ঘুম থেকে তুললো রাত দেড়টা বাজে।
এরপর থেকে সে আমার ফোন কেড়ে নিয়ে রেখে দিচ্ছে নিজের কাছে রাত ১১টার মধ্যেই।
প্রতিদিন ১১টা-৫টার শিডিউল ধরে ফেলেছি আমরা, এখন চেষ্টা করবো ব্যাপারটা কিভাবে ১০টা-৫টা করা যায় সেদিকে যাওয়ার।
আপনি কয় ঘন্টা ঘুমাচ্ছেন তার চেয়ে বেশি জরুরী, ঠিক কখন ঘুমাচ্ছেন।
রাত ৯টা-২টার যে ডেল্টা স্লিপ, এই স্লিপ মিস করে আমরা কেউই সুস্থ থাকতে পারবো না। | 1 261 |
