এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ২৬)
🔈🔈অডিও মালফূয ৭০🔈🔈🔈
হযরতওয়ালা করাচী রহ. এর তাকওয়া
একবার হযরতওয়ালা করাচী রহ. (আরেফবিল্লাহ শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার রহ.) কামরাঙ্গীরচর মাদরাসায় আসেন। আমি তখন শরহে জামীতে পড়ি। দাঁড়ি-মোচ কিছুই নাই, ছোট্ট বাচ্চা। কিন্তু হযরতের সাথে দেখা করার খুব আগ্রহ ছিল।
জুমার দিন ছিল। হযরত ১১ টার দিকে গোসল করে কাপড় পরে খাটে বসা ছিলেন। আমি চিন্তা করলাম এই সুযোগে একটু দেখা করে আসি। কারো ধর্না না দিয়ে সরাসরি ঢুকে পড়লাম। সালাম দিয়ে মুসাফাহার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলাম।
তখন...............
-আরেফবিল্লাহ শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
খলিফাঃ হযরতওয়ালা করাচী রহ.
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
9.1.2020 মাসিক ইজতেমা, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকানগর, ঢাকা
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর লেখা কবিতা :
"অমূল্য রতন"
এই হৃদয়ে হে মহিয়ান চাহি গো তোমায়
নিবিড়তম বাঁধনে হে বাঁধো গো আমায়......
প্রশ্নের উত্তরে প্রতীক্ষায় ফেলা উচিত নয়
হযরত থানভী রহ. বলেন, কারো প্রশ্নের ভিত্তিতে আমি উত্তর দেওয়ার পর সে চুপ করে বসে থাকলে আমার খুব কষ্ট হয়। আমার মন চায় যে, তার উত্তর বুঝে না এসে থাকলে সে পুনরায় জিজ্ঞাসা করুক, আর বুঝে এসে থাকলে কমপক্ষে এতোটুকু বলুক যে, বুঝতে পেরেছি। চুপচাপ বসে থাকলে আমার অত্যধিক কষ্ট ও পেরেশানী হয়। এটি আদবের খেলাফ।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৭৬
পৃষ্ঠা ৩৬৩
http://t.me/pathofisla
SHARE it এপ এর ছবিযুক্ত বিশ্রী notification থেকে বাচার উপায়-২
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম)
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
পোষ্ট নং ৪১৪
SHARE it এপ এর ছবিযুক্ত বিশ্রী notification থেকে বাচার উপায়-১
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম)
যোগাযোগ- https://t.me/mmc36 মেসেজ করুন। কল দিবেন না প্লীজ। জাযাকুমুল্লাহ...
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
পোষ্ট নং ৪১২ (গুনাহ)
আয় আল্লাহ্! আপনি আমাদেরকে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকওয়ালা গজল থেকে পরহেজ থাকার তাওফিক দান করেন।
http://t.me/pathofisla
অনর্থক কথাবার্তা কাজকর্ম এবং ছবি উঠানো থেকে দূরে থাকা চাই-
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম)
t.me/alokitojibon
কামেল মোমেনের বিশেষ এক গুন হচ্ছে সে নিজেকে অনর্থক সব কাজ কর্ম থেকে দূরে রাখে-
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য খাদেম)
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
পোষ্ট নং ৪০৭ (ছবি)
দ্রুত সম্পদ বণ্টন জরুরী
কাফন-দাফন শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোন হক্কানী আলিম মুফতীর মাধ্যমে ওয়ারিশদের মাঝে মীরাছ বণ্টন করে প্রত্যেককে তার নির্ধারিত অংশে তার মালিকানা বুঝিয়ে দিবে। নাবালিগ ছেলে বা মেয়ের অংশ-ইয়াতীমের যিনি অভিভাবক বা মুরব্বী হবে এবং ইয়াতীম ও তার ধন-সম্পদ যিনি দেখাশুনা করবেন, তার হাতে বুঝিয়ে দিবে। এটা খুবই জরুরী। (সূরা নিসা, আয়াত-৬/ মাআরিফুল কুরআন, ২/ ৩০৬)
কারণ, জরুরী ভিত্তিতে এটা করা না হলে প্রথমত ওয়ারিশদের মধ্যে কেউ নাবালিগ থাকলে তার মাল খাওয়া পড়বে। আর ইয়াতীমের মাল খাওয়া মানে জাহান্নামের আগুন দ্বারা উদর/পেট ভর্তি করা। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই যারা ইয়াতীমের মাল অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করে, তারা তাদের পেটে আগুন ভরে’।
হ্যাঁ, যদি কেউ স্ত্রীকে গর্ভবতী অবস্থায় রেখে মারা যায়, তাহলে তখন বাচ্চা প্রসব হওয়া পর্যন্ত মীরাছ বণ্টনে বিলম্ব করবে। কারণ, পেটে ছেলে কি মেয়ে তা জানা নেই। আর উভয়ের মীরাছ এক সমান নয়, তাই দেরী করার প্রয়োজন রয়েছে। (ইসলাহে ইনকিলাবে উম্মত-সূত্র : আহকামে মায়্যিত-১৯০)
দ্বিতীয়ত ওয়ারিশদের মধ্যে কেউ নাবালিগ না থাকলেও বোনদের অংশ গোটা সম্পদে রয়েছে। আর দ্রুত মীরাস বণ্টন না করা হলে শরঈ অনুমতি ব্যতীত তাদের সম্পদ ভক্ষণ করা হয়, এটাও জুলুমের পর্যায়ভুক্ত এবং অন্যের হক নষ্ট করার শামিল। তাছাড়া এর দ্বারা নিজেরও হারাম খাওয়া হয়, স্ত্রী-সন্তানদেরকেও হারাম খাওয়ানো হয়।
জীবনের শেষ দিন
-মুফতী মনসূরুল হক দা: বা:
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
অহেতুক ছবি না তুলি-
এ ভাই! কেউ ছবি তুলবেন না। ভিডিও করবেন না। এগুলো হারাম কাজ, গুনাহের কাজ। কেন আপনারা ছবি তোলেন, ভিডিও করেন? যেখানেই দ্বীনের মাহফিল হয় সেখানে ছবি তুলতে থাকে। কি বিষয় এটা? এটা কোন সওয়াবের কাজ? এটা তো বিলকুল গুনাহের কাজ? কেউ ছবি তুলবেন না। আল্লাহকে ভয় করুন। আল্লাহর আযাব কে ভয় করুন।
বড় আফসোসের বিষয়! কোন জায়গায় বয়ান করতে গেলে ছবি তুলতে থাকে, ভিডিও করতে থাকে। পাগড়ী দিতে শুরু করলে ছবি তুলতে থাকে। মানুষের কি হয়েছে? দ্বীনী মাহফিলে এসে নষ্টামিতে লিপ্ত। কেউ ছবি তুলবেন না, ভিডিও করবেন না। আর যদি এসব করেন তাহলে আমি এখান থেকে সোজা নেমে চলে যাব।
চরম বিশৃঙ্খলা করতে থাকে মানুষ। পাগড়ী দিতে হলে আগে ছবি তোলার বিষয়ে কঠোরভাবে নিষেধ করতে হবে, তারপরে পাগড়ী দেওয়া। পাগড়ী দেওয়া তো কোন ফরয তো না। ওদিকে পাপ করতে থাকে মানুষ। পহেলা এসেই এদের উল্টাপাল্টা দেখে দিল মুকাদ্দার হয়ে যায়। ছবি তোলার একটা ফেতনা শুরু হয়ে গেছে।
- প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন শাইখুল হাদীস মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা.
(খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ
ঢালকা নগর, ঢাকা।)
বিভিন্ন জায়গায় ওয়াজ মাহফিলের পাশেই বাজার বসে। এটা দেখতে মেলার মত লাগে এবং এটা দৃষ্টিকটু। এটার দ্বারা মাহফিল বা কর্তৃপক্ষের কোনো উপকার নেই। বরং এই দোকানগুলোর দ্বারা ক্ষতি বেশি। যেমন দেখা যায় মাহফিলের থেকেও ঐখানে লোকজন বেশি। এমনকি মহিলারাও আসে। এখানে পর্দা লঙ্গন হয়,আড্ডা হয়,সময় নষ্ট হয়। এজন্য ভবিষ্যতে চেষ্টা করবেন মাহফিলের পাশে যেন কোনো মেলা না বসে।
এই যে ভাই বয়ান শুনতে আসছেন বয়ান শুনেন, ছবি তুলেন কি জন্য ? কি দরকার ছবি তোলার?
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
#Photo_video_
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
ভিডিও করা যাবে না। অডিও রেকর্ড করা যাবে। ভিডিও করা গুনাহ।
ভিডিও করলে বরকত হবে না,আছর হবে না, কারণ এটা গুনাহের কাজ তো। গুনাহের কাজে বরকত নাই।
http://t.me/videoharam
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ১২
আবীদ হাসান - মণিরামপুর, যশোর
৫০০৫. প্রশ্ন
কুরবানীতে আমরা অনেক সময় গরু জবাই করার আগে অথবা গরু জবাই করার পর চামড়া ছাড়ানোর পূর্বেই চামড়া বিক্রি করে দিই। জানার বিষয় হল, এভাবে চামড়া বিক্রি করা শুদ্ধ কি না? জানিয়ে কৃতার্থ করবেন।
উত্তরঃ
পশুর চামড়া ছিলার আগে ক্রয়-বিক্রয় জায়েয নয়। তাই চামড়া ছিলার পরেই ক্রয়-বিক্রয় করবে। তবে চামড়া ছিলার আগে ক্রেতাদের সাথে বিক্রি সংক্রান্ত আলোচনা বা ওয়াদা করা যেতে পারে। তাতে সম্ভাব্য দাম নিয়েও কথা হতে পারে। কিন্তু প্রকৃত ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন হবে পশু জবাইয়ের পরে তার শরীর থেকে চামড়া পৃথক করার পর।
-সুনানে কুবরা, বাইহাকী ৫/৩৪০; কিতাবুল আছল ২/৪৩৮; ফাতহুল কাদীর ৬/৫১; তাবয়ীনু হাকায়েক ৪/৩৬৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৩/১২৮
মাসিক আল কাউসার
জুমাদাল উলা ১৪৪১ || জানুয়ারি ২০২০
প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3179/
http://t.me/pathofisla
প্রশংসা ও নিন্দা সমান হওয়া অহঙ্কার না থাকার আলামত
হযরত থানভী রহ. বলেন, যার মধ্যে অহঙ্কার নেই, তার কাছে প্রশংসা ও দুর্নাম উভয়টি সমান। তার উপর কোনোটারই প্রভাব পড়ে না।
হযরত মাওলানা ইয়াকুব ছাহেব রহ. এর অবস্থা এমনই ছিলো। তাঁর উপর সুনাম ও দুর্নাম কোনোটারই প্রভাব পড়তো না। কেউ তাঁর প্রশংসা করলেও তিনি তাঁর কাজে মগ্ন থাকতেন। প্রশংসাকারী ব্যর্থমনোরথ হয়ে ফিরে যেতো। তাঁর এগুলোর সাথে কোনো সম্পর্কই ছিলো না। তাঁর দৃষ্টি ছিলো হাকীকতের উপর।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৫৮৯
পৃষ্ঠা ২৬১
http://t.me/pathofisla
খতমে বুখারীর দরস শেষে সংক্ষিপ্ত দু'আ
-শাইখুল হাদীস হযরত মাওলানা আবদুল হক দা. বা.
খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. এবং হযরত মাওলানা ফয়জুর রহমান রহ.
প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম ও শাইখুল হাদীসঃ জামি'আ ফয়জুর রহমান রহ., মোমেনশাহী
পেশ ইমাম ও খতিবঃ বড় মসজিদ, মোমেনশাহী
স্থানঃ জামি'আ নূরে হেরা মহিলা মাদরাসা, চান্দের বাজার, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী
তারিখঃ ২১/০৩/১৯ ঈসায়ী, বৃহস্পতিবার
http://t.me/pathofisla
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ১১
আবদুর রহমান - ঢাকা
৪৯৭৬. প্রশ্ন
আমাদের বাসার পাশে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। তাতে এক বাবুর্চি অপর আরেকজনের সহযোগিতায় সব মুরগি জবাই করে। কিন্তু সে প্রত্যেকটি মুরগি জবাই করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলেনি। শুরুতে কিছুক্ষণ বিসমিল্লাহ বলেছে, এরপর মাঝে মাঝে বলেছে। এমনটি দেখে আমি আপত্তি করলে সে বিষয়টি হালকাভাবে নেয় এবং উল্টা যুক্তি দিয়ে আমাকে বলে, ‘একজনই তো সব জবাই করছে, আর একজন সব জবাই করলে প্রতিবার ‘বিসমিল্লাহ’ না বললেও চলে।’ আমার প্রশ্ন হল, তার যুক্তিটি কি ঠিক, এক ব্যক্তি অনেক মুরগি জবাই করলে কি প্রত্যেক মুরগির জন্য বিসমিল্লাহ বলা আবশ্যক নয়, এতে কি কোনো ছাড় আছে? নতুবা যেসমস্ত মুরগি জবাই করার সময় বিসমিল্লাহ বলা হয়নি, তা খাওয়ার হুকুম কী? সঠিক বিষয়টি জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
উত্তরঃ
প্রশ্নোক্ত কথাটি সম্পূর্ণ ভুল। একাধিক মুরগি বা পশু জবাই করলে প্রত্যেকটির জন্য পৃথক পৃথকভাবে বিসমিল্লাহ বলা জরুরি। নতুবা যে প্রাণীর জবাইয়ের সময় বিসমিল্লাহ বলা হবে না তার জবাই সহীহ হবে না এবং তা খাওয়া হালাল হবে না।
উল্লেখ্য, হালাল-হারামের মত এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে অহেতুক যুক্তির আশ্রয় না নিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য আলেম থেকে সঠিক মাসআলা জেনে নেওয়া জরুরি।
-কিতাবুল আছল ৫/৩৯৮; আলমাবসূত, সারাখসী ১২/৪; ফাতাওয়া ওয়ালওয়ালিজিয়া ৩/৭২; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩০৮; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৫২; তাবয়ীনুল হাকায়েক ৬/৪৫৩
প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3150/
মাসিক আল কাউসার
রবিউস সানী ১৪৪১ || ডিসেম্বর ২০১৯
http://t.me/pathofisla
হযরত মাওলানা শাহ সৈয়দ আবরারুল হক রহ. ইরশাদ করেনঃ
যেমন উর্দুর এক বাক্য ركومت جانى دو (রুকো মাত জানে দো)- এর অর্থ বক্তার বলার ভাব-ভঙ্গির ওপর নির্ভর করে। সে যদি ‘রুকো’ পর্যন্ত বলে বিরতি দেয়ার পর ‘মাত জানে দো’ বলে, তাহলে অর্থ হবে ‘বাধা দাও’। আর যদি ‘রুকো মাত’ পর্যন্ত বলে বিরতি দেয়ার পর ‘জানে দো’ বলে, তাহলে অর্থ দাঁড়াবে ‘যেতে দাও’।
এরকম সাহাবায়ে কিরামই (রাযি) কেবল রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বলার ভাব-ভঙ্গি প্রত্যক্ষ করেছেন- অন্য কেউ নয়। এ কারণেই তাদের মাধ্যম ছাড়া রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের সঠিক অর্থ বুঝা সম্ভব নয়।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, অনেকেই আজ পবিত্র হাদীসের বিষয়বস্তু বুঝতে জ্ঞান ও অভিধানের গুলামী এবং সাহাবায়ে কিরামের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না, একারণে নিজেরাও গুমরাহ্ হচ্ছে, অন্যদেরকেও গুমরাহ্ বানাচ্ছে।
মালফূয ১৯১
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
-মুফতী মনসূরুল হক দা. বা.
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকওয়ালা গজলে সবজায়গা ভরে গেছে।
আয় আল্লাহ্! আপনি আমাদেরকে এই কঠিন ফিতনা থেকে হেফাজত করেন। আমিন।
বয়ান শুনতে আসছেন কিছু দ্বীনি কথা শুনেন। এটা কি নাটকের মঞ্চ যে এখানে ক্যামেরা ভিডিও লাগবে?এখানে কি শুটিং হবে যে ক্যামেরা ভিডিও লাগবে? একটা হারাম কাজ ওয়াজ মাহফিলে আনার কি দরকার?
http://t.me/videoharam
ইলমে যাহেরী ও ইলমে বাতেনীর দৃষ্টান্ত
এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো যে, মওলবীদের কি হলো যে, তারা হাজী (হযরত হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজেরে মক্কী রহ.) ছাহেবের কাছে যায়? অথচ তারা নিজেরা পড়ালেখা শেখা মানুষ। ওখানে কি জিনিস আছে, যার জন্যে তারা সেখানে যায়? এমন কি জিনিস আছে, যা কিতাবের মধ্যে নেই?
হযরত থানভী রহ. বললেন, আমি একটি উদাহরণ দিচ্ছি। মনে করো, এক ব্যক্তির নিকট সব মিষ্টির নামের তালিকা রয়েছে, কিন্তু সে কোনো মিষ্টির স্বাদ চাখেনি। আরেক ব্যক্তি কোনো মিষ্টিরই নাম জানে না। কিন্তু সে মিষ্টি হাতে নিয়ে খাচ্ছে। এবার বলো, মিষ্টির উপকারিতা লাভের জন্যে যার মিষ্টির নাম মুখস্থ আছে, সে তার হাকীকত সম্পর্কে অবগত ব্যক্তির মুখাপেক্ষী, নাকি হাকীকত সম্পর্কে অবগত ব্যক্তি যে নাম জানে তার মুখাপেক্ষী? বলা বাহুল্য যে, প্রথমজনই দ্বিতীয়জনের মুখাপেক্ষী। দ্বিতীয়জন প্রথমজনের মুখাপেক্ষী নয়।
এমনিভাবে আমরা শব্দ জানি, আর হযরত হাজী ছাহেব জানেন অর্থ। অর্থওয়ালা শব্দওয়ালার মুখাপেক্ষী হয় না, বরং শব্দওয়ালাই অর্থওয়ালার মুখাপেক্ষী হয়। বাস্তবিকই বিষয়টির স্বরূপ পরিষ্কার হয়ে গেলো, যার দ্বারা আলেম ও আরেফের পার্থক্য বুঝে এসেছে।
ফায়দাঃ এর দ্বারা হযরতের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, তত্ত্বজ্ঞান ও অন্তর্দৃষ্টি প্রমাণিত হয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৩২
পৃষ্ঠা ৫৪৩
http://t.me/pathofisla
