এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
ইবাদত করার ক্ষেত্রে শারীরিক সুস্হতার গুরুত্ব এবং সুস্হতা রক্ষায় খাদ্যের ভুমিকা-১
http://t.me/alokitojibon
মুহাক্কিক হওয়ার একটি আলামত
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ৬৭
হযরত থানভী রহঃ বলেন, (কোন ব্যাক্তির) মুহাক্কিক হওয়ার এটিও একটি আলামত যে, তার কথায় ইতমিনান এবং মনের স্থিরতা লাভ হয়।
https://t.me/pathofisla
🚿জুম‘আর দিনের আমল🚿🚿
১. জুম‘আর দিনে ৬টি বিশেষ আমলঃ
ক. জুম‘আর নামাযের উদ্দেশ্যে গোসল করা।
খ. আযানের পূর্বেই মসজিদে রওনা হওয়া।
গ. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া।
ঘ. ঈমাম সাহেবের কাছাকাছি বসা অর্থাৎ, স্থান পেলে ১ম কাতারে নতুবা ২য় কাতারে বসা।
ঙ. উভয় খুতবা মনোযোগ সহকারে শুনা।
চ. খুতবার সময় কোন কথা বা কাজ না করা।
ফায়দাঃ প্রত্যেক কদমে ১ বৎসর পর্যন্ত নফল রোযা রাখার ও ১ বৎসর নফল নামায পড়ার সাওয়াব পাওয়া যাবে। (তিরমিযী হাদীস নং:৪৯২)
জুম‘আর দিনের অন্যান্য আমলঃ
২. সূরা কাহাফ পড়া। (কমপক্ষে ১০ আয়াত) (মুসলিম হাদীস নং ৮০৯; তাফসীরে ইবনে কাসীর-৩/৭৯)
ফায়দাঃ দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
৩. সালাতুত তাসবীহ নামায পড়া।
রাকা‘আতঃ এক সাথে ৪ রাকা‘আত অথবা, ২,২ রাকা‘আত করে পড়া। (আবু দাঊদ হাদীস নং ১২৯৭)
ফায়দাঃ সকল প্রকার গুনাহ থেকে মাফ পাওয়া যায়।
৪. উত্তম পোশাক ও খুশবু লাগিয়ে নামাযে আসা। (বুখারী হাদীস নং ৮৮৩, ৮৮৬)
খুশবু ব্যবহারে নিম্নোক্ত নিয়্যত করবেঃ
১. এটা হুজুর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাত।
২. আমাদের শরীরের ঘামের গন্ধ হতে যাতে অন্যদের কষ্ট না হয়।
৩. মুসলমান ভাইদের অন্তর খুশি করা।
হুজুর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যারা গরীব, খুশবু কেনার টাকা নেই, তাদের জন্য গোসল হচ্ছে খুশবু।”
৫. দুই খুতবার মাঝে যখন ঈমাম সাহেব বসে তখন অন্তরে দু‘আ করা, মুখে নয়। (তিরমিযী হাদীস নং ৫২৮)
ফায়দাঃ এ সময় দু‘আ কবুল হওয়ার ওয়াদা রয়েছে।
৬. আছরের পর ৮০ বার এই দুরূদ শরীফ পড়া-
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍن النَّبِيِّ الأُمَّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسلم تَسْلِيمًا
(আদদুররু মানযুদ ফিন সালাতি ওয়াস সালামি আলা সাহিবিল মাকামিল মাহমুদ-পৃষ্ঠা ১৬০)
ফায়দাঃ আল্লাহপাক ৮০ বৎসরের গুনাহ মাফ করে দিবেন। যদি গুনাহ না থাকে তবে জান্নাতে তার মর্তবা বৃদ্ধি করবেন এবং তার আমল নামায় ৮০ বৎসরের ইবাদতের সাওয়াব লিখে দিবেন।
৭. বেলা ডোবার আগে (মাগরিবের) ১০/১৫ মিনিট আগে মসজিদে এসে দু‘আয় মশগুল হওয়া। (আবু দাউদ-হাদীস নং ১০৪৮)
ফায়দাঃ এ সময়ও দু‘আ কবুল হওয়ার ওয়াদা রয়েছে।
৮. এ দিনে অন্য দিনের তুলনায় বেশী দুরূদ পড়া। (আবু দাউদ হাদীস নং ১০৪৭)
আমালুস সুন্নাহ্
মুফতী মনসূরুল হক্ব ছাহেব দাঃ বাঃ
খলিফায়ে হযরতওয়ালা হরদুঈ রহঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
🍏বয়ান থেকে নেয়া- ০২🍏🍏
বিষয়ঃ বেগরজভাবে মানুষকে দ্বীনের কথা শোনানো।
হযরত প্রফেসর হামিদুর রহমান ছাহেব দাঃ বাঃ
খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ
এবং হযরতওয়ালা হরদুঈ রহঃ
http://t.me/pathofisla
বিনা প্রয়োজনে মসজিদের ছাদে আরোহন করা নিষেধ
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ৮১৪
হযরত থানভী রহঃ বলেন, ফুকাহায়ে কেরাম লিখেছেন, বিনা প্রয়োজনে মসজিদের ছাদে আরোহন করা বেয়াদবী।
http://t.me/pathofisla
আ. তাঁর কন্যাদের কাছ থেকে হযরত মূসা আ. এর দীনদারীর এ বর্ণনা শুনলেন যে, আসার সময় কন্যারা যখন তার আগে আগে চলে তাকে রাস্তা দেখাচ্ছিল তখন মূসা আ. তাদেরকে বলেছেন যে, তোমরা আমার পেছন পেছন আসো এবং পেছন থেকেই রাস্তা বাতলে দাও। এতে হযরত শুআইব আ. বুঝতে পারলেন, এই ব্যক্তি ভবিষ্যতে বড় কিছু হবেন। তখন তিনি হযরত মূসা আ. কে প্রস্তাব পেশ করলেন- দেখ, আমার দুই মেয়ের মধ্যে যাকে তোমার পছন্দ হয় তাকে তোমার সাথে বিয়ে দিব। (সূরা কাসাস, ২৭)। দেখুন, তিনি বলেছেন- احدى ابنتيَّ هتين ‘আমার এই দুই মেয়ের কোন একজন’। একথা বলেননি, বড়জন কে বিয়ে দিব, বরং বলেছেন, দু’জনের যাকেই তোমার পছন্দ হয়...। অথচ আমাদের দেশে সিরিয়াল রক্ষা করাকে জরুরী মনে করা হয়। ফলে সিরিয়াল ভেঙ্গে কেউই ছেলেমেয়ের বিয়ে দিতে চায় না।
এভাবে সময়মত বিয়ে-শাদী না দেওয়ার কারণে আজ আমাদের ছেলে-মেয়েরা বখে যাচ্ছে, ইন্টারনেটে যত পাপাচার আছে সেগুলো দেখে দেহ-মন সব নষ্ট করে ফেলছে। কাজেই সচেতন অভিভাবকদেরকে বলছি, আপনারা আপনাদের ছেলে-মেয়েকে গুনাহ থেকে বাঁচান, মোবাইল, কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের অপব্যবহার থেকেও বাঁচান এবং সময়মতো বিবাহ দিয়ে তাদেরকে গুনাহমুক্ত ইসলামী যিন্দেগী যাপনের সুযোগ করে দিন। আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে সহজ সরল ও পাপমুক্ত জীবন যাপন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
ইকমালুস সুন্নাহ্
মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
https://t.me/pathofisla
সন্তানের আখলাক-চরিত্র হিফাজত
আপনার সন্তানের প্রতি লক্ষ্য রাখুনঃ তাদের আখলাক-চরিত্র হিফাজতে সহায়ক হোনঃ
সচেতন পিতা-মাতার পরিচয় হল, সন্তানের সার্বিক বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, পিতা-মাতার অসচেতনতা, অদূরদর্শীতা এবং দীন সম্পর্কে অজ্ঞতার দরুন সন্তানদের দুনিয়া-আখেরাত সব বরবাদ হয়ে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম ক্রমশ দীন-ইসলাম থেকে দূরে সরে যাচ্ছে এবং প্রযুক্তির সয়লাবে গা ভাসিয়ে দিয়ে আখলাক-চরিত্র সব খোয়াতে বসেছে। এসব কিছুর পেছনে যে বিষয়টি রয়েছে তা হল, সন্তানদেরকে সময় মত বিবাহ না দেয়া। ছেলে-মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেলে পিতা-মাতার দায়িত্ব হল দীনদার পাত্র-পাত্রী দেখে বিয়ে দিয়ে দেওয়া। ছেলেদের দাড়ি গজানোর দ্বারা আর মেয়েদের ঋতু শুরু হওয়ার দ্বারা পিতা-মাতাকে এ কথা বুঝানো হয় যে, তাদের বিয়ের বয়স হয়ে গেছে, আর দেরি করা যাবে না। অতএব প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দু’এক বছরের মধ্যেই তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দেয়া পিতা-মাতার কর্তব্য।
এরপরও যদি বিয়ে না দেয়া হয়, আর একারণে ছেলে-মেয়ে কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, অন্য কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যায়, ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি দেখে, তাহলে এ গুনাহের দায়দায়িত্ব পিতা-মাতার উপর বর্তাবে। হাদীস শরীফে আছে,
﴿ من ولد له ولد فليحسن اسمه وأدبه، فإذا بلغ فليزوجه فإن بلغ ولم يزوجه فأصاب إثما، فإنما إثمه على أبيه ﴾
সন্তান জন্মগ্রহণের পর পিতা-মাতার দায়িত্ব হল তার সুন্দর নাম রাখা এবং দীন শিক্ষা দেয়া, আর বালেগ হয়ে গেলে বিবাহ করিয়ে দেয়া। যদি বালেগ হওয়ার পরও বিবাহ না করায়, আর সন্তান কোন গুনাহে লিপ্ত হয়, তাহলে এর দায়ভার পিতার উপরই বর্তাবে। (বায়হাকী, হাদীস নং ৮২৯৯)
অন্য একটি হাদীসে আছে, পিতা-মাতার উপর সন্তানের হক হল, সুন্দর নাম রাখা, আকীকা করা, দীন শিক্ষা দেওয়া, বালেগ হওয়ার পর বিয়ে দেওয়া। (কিতাবুল বিররি ওয়াস্ সিলাহ, হাদীস নং ১৫৫)। কাজেই পিতা মাতার দায়িত্ব শেষ হবে সন্তানকে বিয়ে দেওয়ার পর। (আওলাদ কো মুসলমান বানানে কা তরীকা, ২৭৩)
অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, আজ মুসলিম উম্মাহ ইহুদী-খ্রিষ্টানদের নানামুখি ষড়যন্ত্রের শিকার। এদেশে যত এন.জি.ও আছে, এর অধিকাংশই ইহুদী-খ্রিষ্টানদের অর্থে পরিচালিত। তারা সমন্বিত প্রচেষ্টায় সরকারকে দিয়ে এ আইন পাশ করিয়েছে যে, ১৮ বছরের আগে কোন মেয়ের বিয়ে দেওয়া যাবে না। তাদের ভাষায় এটা হল “বাল্যবিবাহ”। অথচ মেয়েরা সাধারণত আরো চার/পাঁচ বছর আগেই বালেগা হয়ে থাকে। কিছুদিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একবার বলেছিলেন, এই আইনটা ১৬ বছরে করা হোক, কারণ মেয়েরা এতটা সময় (১৮ বছর) বসে থাকে না। পারিপার্শিকতাসহ বিভিন্ন কারণে তাদের পক্ষে চারিত্রিক পবিত্রতা ধরে রাখা সম্ভবপর হয়না। বন্ধু-বান্ধবের হাত ধরে চলে যায়, নানা অঘটন ঘটায়। কিন্তু এনজিওদের হৈচৈয়ের কারণে সেটা আর সম্ভবপর হয়নি। এনজিওরা এই আইনটি পাশ করিয়েছে মূলত যিনা-ব্যভিচারকে ব্যাপক করার জন্য। এর জন্য তারা মুড়ি-মুড়কির মতো দেদারসে জন্মবিরতিকরণ ট্যাবলেট ও বিভিন্ন উপকরণ সাপ্লাই দেয়। এরপরও কোন মেয়ে যদি বিপদে পড়ে যায়, পেটে অবৈধ সন্তান চলে আসে- এর জন্য তারা ‘মেরী স্টোপস’ প্রতিষ্ঠা করেছে, যার কাজ হল-মাতৃসেবার ছদ্মনামে অবৈধ গর্ভপাতের নিরাপদ আলয় তৈরি করা। আর মুসলমানরা মনে করছে, আমাদের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সরকার কত রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। (হামারে আয়েলী মাসায়েল, ১৬০)
অপর দিকে এন.জি.ও রা জনসাধারণের মস্তিষ্কে বিভ্রান্তির এক ভূত ঢুকিয়ে দিয়েছে যে, ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া যাবে না। আর বাপ-মা খাড়া করেছে দুই ভূত।
ক. এক হল, পড়াশুনা শেষ করা, চাকরী ঠিক হওয়া। অনেক সময় দেখা যায় তাদের প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেটি বন্ধু-বান্ধবদের মাধ্যমে প্রস্তাব দেয়, আব্বা! আমি গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করার প্রয়োজন মনে করছি। আর বাপ মা বলে, তোর এখনো লেখা-পড়াই শেষ হয়নি, বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কোত্থেকে? (এর উত্তরে আমরা বলবো,) কেন, সে কি পড়াশুনার পাশাপাশি দু’একটা টিউশনি করে কিছু রোজগার করতে পারবে না? যদি না-ও পারে তাহলে আপনার প্রিয় রাসূল তো বলেই গেছেন, طعام الواحد يكفي الإثنين একজনের খাবার দু’জনের জন্য যথেষ্ট। দু’জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট। (মুসলিম শরীফ, হাদীস নং ২০৫৯) আপনার ফ্যামিলিতে দু’চারজন সদস্য অবশ্যই আছে, আরেক জন আসলে কি তার জন্য ব্যবস্থা হবে না? অবশ্যই হবে। তো পড়া লেখা শেষ হওয়ার দরকার নেই। বালেগ হলেই বিয়ে দিয়ে দেন। রিযিকের মালিক আল্লাহ।
খ. দ্বিতীয় ভূত হল সিরিয়াল রক্ষা করা। যেমন, এক ছেলে দীনদার, আল্লাহওয়ালাদের সুহবাতে যায়। সে গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য বিয়ে করতে চায়, কিন্তু সিরিয়ালে তিন নম্বরে। অর্থাৎ তার আগে আরো দু’জন রয়ে গেছে। তখন বাবা মা বলে, আরে! তোর আগে তো আরও দুইজন রয়ে গেছে। তাদেরকে বাদ দিয়ে তোকে বিয়ে করাব কিভাবে?
প্রিয় পাঠক! শরী‘আতে কোন সিরিয়াল নেই। যার যখন পাত্র/পাত্রী পাওয়া যাবে, বিয়ে দিয়ে দিতে হবে। এর বড় দলীল হল, হযরত মূসা আ. যখন ফেরাউনের রাজত্ব থেকে সঙ্গোপনে হযরত শুআইব আ. এর দেশে হিজরত করলেন। আর শুআইব
বুজুর্গদের প্রতি সুধারণা রাখা উচিত
কামালাতে আশরাফিয়া থেকে
মালফূয নং ৮৮৪
হযরত থানভী রহঃ বলেন আল্লাহ্ওয়ালাদের সম্পর্কে কে বড়ো আর কে ছোট এরূপ চিন্তা করা বেয়াদবী। আল্লাহ্ জানেন তাঁর নিকট কে মকবুল। সবার প্রতি সুধারণা রাখা উচিত।
http://t.me/pathofisla
🍌🍌🍌🍌ছিলা কলা🍌🍌🍌🍌
হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, বাজারে কেউ যদি কলা ছিলে বিক্রি করে তাহলে কোন বুদ্ধিমান ব্যক্তি ঐ কলা কিনতে চাইবে না কারণ হাজারো মাছি, পোকা সহ ধুলাবালি পড়বে তাই ঐ কলা খাওয়ার উপযোগী হবে না বরং খেলে অসুস্থ হওয়ার আশংকা বেশী। ঠিক তেমনি মেয়ে-লোক যখন বে-পর্দা হয়ে চলাফেরা করে তখন তার অবস্থাও ঐ ছিলা কলার মত হয়। হাজারো লোকের নজরে পরে, কেউ তাকে বিয়ে করতে চাইবে না আর যদি এই ধরনের মেয়েকে কেউ বিয়ে করে তাহলে পরবর্তীতে তার জীবনে অনেক অশান্তি চলে আসে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
পুরোটা শুনলে চোখের পানি ধরে রাখা যায় না ! আয় আল্লাহ্ ! আমরা বড় অসহায়।
http://t.me/pathofisla
হযরত মুফতী আব্দুল কাদির কাসেমী ছাহেব দাঃ বাঃ একবার বয়ান করতে গিয়ে একটি ঘটনা বলেন। তিনি বলেন, হযরত মাওলানা আতহার আলী রহঃ যিনি হযরত হাকীমুল উম্মতের খাস খলিফা ছিলেন। তিনি নেজামে ইসলামী পার্টি করতেন। রাজনীতিক প্রেক্ষাপট যেহেতু তাই শত্রু মিত্র থাকা স্বাভাবিক। তো হযরতেরও শত্রু ছিলো। একবার তারা হযরতকে হত্যা করার পরিকল্পনা করলো। তারা জানতো যে হযরত শহীদী মসজিদের উপরের ছোট একটি কামরাতে শেষ রাতে জিকির করেন। সেই মতে তারা শেষ রাতে দল বেধে সেখানে উপস্থিত হলো। তো তারা কামরার ফাক দিয়ে উকি দিল যে হযরত কি করেন। তখন তারা যা দেখলো তা দেখে তারা হতভম্ব হয়ে গেলো। দেখলো যে হযরতের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো শরীর থেকে আলাদা হয়ে গেছে আর সকল অঙ্গ থেকে আল্লাহ্ আল্লাহ্ জিকির শোনা যাচ্ছে। এ অবস্থা দেখে অত্যন্ত ভয় পেয়ে সেখান থেকে দ্রুত নামতে গিয়ে কারো হাত কারো পা ভেঙ্গে গেলো। পরে তারা হযরতের কাছে মাফ চেয়েছিল। হযরত মাফও করে দিয়েছিলেন। তারপরও মৃত্যু পর্যন্ত এদের অনেক কষ্ট করতে হয়েছিলো। এদের একজন মৃত্যুর আগে বলেছিলো আমি ভালো হবো না কারণ আমি হযরতের মতো একজন আল্লাহ্ওয়ালাকে কষ্ট দিয়েছি। এজন্যই আমাদের উচিত আল্লাহ্ওয়ালাদের কদর করার।
হযরত মুফতী ছাহেব বলেন, এ ঘটনা আমি জামেয়া ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ পড়ার সময় সেখানে শুনেছি।
http://t.me/pathofisla
🍏বয়ান থেকে নেয়া- ০১🍏
বিষয়ঃ ক্বুরআনুল কারীম পাঠ করার আদব।
হযরত প্রফেসর হামিদুর রহমান ছাহেব দাঃ বাঃ
খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ
এবং হযরতওয়ালা হরদুঈ রহঃ
http://t.me/pathofisla
আল্লাহ্ওয়ালাদের সঙ্গে সাদৃশ্যও মূল্যায়নযোগ্য
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয নং ২৪৫
হযরত থানভী রহঃ বলেন, আল্লাহ্র ওলীগণ মূল্যায়নযোগ্য তো বটেই, যারা তাদের বেশ ধরে তারাও মূল্যায়নযোগ্য। যদিও তার নিয়্যত হয় মানুষকে দেখানো। আল্লাহ্ওয়ালাদের বেশ ধরা এমনিতে যদিও ভালো নয়, কিন্তু এর দ্বারা এ কথা তো জানা গেলো যে, তার অন্তরে আল্লাহ্ওয়ালাদের মর্যাদা আছে।
https://t.me/pathofisla
এই চ্যানেলে এখন থেকে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ্।
https://t.me/pathofisla
