এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
মুহাম্মাদ রাশেদ কায়সার,
বনশ্রী,ঢাকা।
514 নং উত্তর:
ঘরে ছবি রাখা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
একটা উমর (রাঃ) এ যামানায় দাও হে মেহেরবান........ (৪.২ এমবি)
কণ্ঠঃ মশিউর রহমান
http://t.me/pathofisla
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ২ঃ
মাসুম বিল্লাহ - মুন্সিগঞ্জ
৩৮৭১ . প্রশ্ন
আমাদের এলাকায় একটি বড় পুকুর আছে। কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর এক দু বার তাতে মাছ শিকারের জন্য নির্দিষ্ট মূল্যে টিকেট ছেড়ে থাকে। টিকেট সংগ্রহকারীগণ নির্ধারিত দিনে বড়শি দিয়ে ঐ পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন। যে যা শিকার করতে পারে সেটা তার। জানার বিষয় হল, এই পদ্ধতিটি কি শরীয়তসম্মত?
উত্তরঃ
মাছ শিকারের প্রশ্নোক্ত পদ্ধতিটি শরীয়তসম্মত নয়। কেননা এতে কে কতটুকু মাছ পাবে তা সম্পূর্ণ অস্পষ্ট। বরং একেবারে না পাওয়ারও সম্ভাবনা আছে। যা ধোঁকা ও শরীয়ত নিষিদ্ধ ‘আলগারারে’র অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জুয়ার সাথেও এর সাদৃশ্য রয়েছে। কারণ এতে কে কী পরিমাণ মাছ ধরতে পারবে তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। কেউ হয়ত পাবেই না। অথচ টাকা দিয়েছে সবাই। এই টাকা হয়ত পুরোটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। আবার এমনও হতে পারে যে, কেউ অনেক বেশি মাছ পেয়ে যাবে। যেহেতু এই অনিশ্চয়তা মূল লেনদেনের সাথেই জড়িত তাই তা নাজায়েয। মুসলমানদের জন্য তা পরিহার করা কর্তব্য।
-সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৫১৩; মাবসূত, সারাখসী ১২/১৯৪; আদায়েউস সানায়ে ৪/১৭; আননাহরুল ফায়েক ৩/৪১৯; রদ্দুল মুহতার ৬/৬৬
মাসিক আল কাউসার
অক্টোবর ২০১৬
http://t.me/pathofisla
নফ্সকে নিয়ন্ত্রণে আনা আসল জিনিস
হযরত থানভী রহঃ বলেন, খাজা উবাইদুল্লাহ আনসারী রহঃ বলেন,
'তুমি যদি বাতাসে উড়ে বেড়াও, তবে মাছি হলে।
যদি পানির উপর দিয়ে চলতে পারো, তবে খড়কুটা হলে।
(যদি) নিজের অন্তরকে নিয়ন্ত্রণে আনো, তবে মানুষ হলে।'
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ১০০
পৃষ্ঠা ৮৬
বিঃ দ্রঃ মূল শেরটি দেখার জন্য ৮৬ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ মাহমুদ,
ঢাকা।
511 নং উত্তর:
ইমুতে ভিডিও কলে কথা বলা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
মুহিউস সুন্নাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেনঃ
বর্তমানে আলেম উলামা এবং খাছ লোকদের মধ্যে একটি গুনাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। একজন লোক ইশরাক আওয়াবীন ও তাহাজ্জুদ পড়ায় খুব অভ্যস্ত, সমস্ত নফল ইবাদতের ইহতেমাম করে সে। কিন্তু তার ঘরে শর‘ঈ পর্দা নেই। সে ভাবী, শালী, ফুফাত বোন, মামাত বোন, খালাত বোন, কারো সাথে পর্দা করে না। অথচ তার উপর তা ফরয! এখন প্রশ্ন, কেন সে পর্দা করে না? সে কি অজ্ঞ? না! আসলে সে জানে; কিন্তু আল্লাহকে ভয় করে না। এরকম লোকদেরকে সাধারণ লোকেরা মৌলভী সাহেব মনে করে। কোন লোক দ্বীন সম্পর্কে দু’টি কথা জানলেই কি সে মৌলভী হয়ে যায়? মৌলভী হওয়া এত সহজ নয়। আসলে মৌলভীতো বলা হয় তাকে, যে মাওলা ওয়ালা (আল্লাহওয়ালা)। যে শরী‘আতের খেলাফ চলে সে আবার মৌলভী হয় কিভাবে? (মালফূয ১০৮)
মুহিউস হযরত মাওলানা শাহ্ আবরারুল হক্ব রহঃ ইরশাদ করেনঃ
জনৈক ছাত্র মামার বাড়ীতে গিয়ে তার মামীদেরকে লক্ষ্য করে বলল, মামী! আমি এতদিন ছোট ছিলাম, আপনাদের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ জায়িয ছিল। কিন্তু আমি এখন বড় হয়েছি, আমার উপর পর্দা ফরয। আপনারা আমাকে মুহাব্বত করেন ভালো কথা, কিন্তু শরী‘আতের বিধান হলো আমার সামনে আপনাদের আসা নিষেধ। এরপরও যদি আপনারা আমার সামনে আসেন তাহলে আমি আপনাদের বাড়ী আসা ছেড়ে দেব। (মালফূয ১০৯)
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
ওয়াজ মাহফিলে ছবি তোলা ও ভিডিও করা সম্পর্কে কঠিন হুশিয়ারী। আশা করি ভালো লাগবে। (১২.৫ এমবি)
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুছাইন দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
যিকিরের একটি আদব
এক যিকিরকারীকে হযরত থানভী রহঃ বলেন, বারবার ঘুমের প্রাবল্য হলে ঘুমিয়ে পড়া উচিত। ঘুম পুরা হলে তখন উঠে যিকিরের সংখ্যা পুরা করবে। কারণ, প্রফুল্লতার সঙ্গে যিকির করা হলে তার মধ্যে আবেগ-উদ্দীপনা থাকে। অন্যথায় শুধু সংখ্যাই পুরা করা হয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৯৭১
পৃষ্ঠা ৪৩০
http://t.me/pathofisla
প্রশ্ন : বর্তমানে মোবাইলে সরাসরি কথা বার্তা বলার সময়, সরাসরি দেখাও যায়। এ বিষয়ে শরিয়তের বিধান কি?
উত্তর : এ বিষয়ে আমাদের রহমানিয়া থেকে কোন ফতোয়া দেওয়া হয় নাই।তবে দেওবন্দ থেকে ফতোয়া দেয়া হয়েছে- এটা জায়েয নাই।
কারণ ঐটা আগে ফিল্ম হয়ে যায়, প্রথম যে ছবিটি দেখা যায় তা ফিল্ম হয়ে যায়, দেওবন্দের ফতোয়া এটা বলতেছে।
প্রথমে যে ছবিটা দেখা যায় তা আগে ফিল্ম হয়ে যায়। খুব দ্রুত এটা পৌছে দেওয়া হয় অপর প্রান্তে।
যে ছবির কোন অস্তিত্ব থাকে না, সে ছবিকে জায়েয বলা হয়। যদি ফিল্ম হয়ে যায়,আমার কাছে নাই, তো কোম্পানির কাছে তো আছে।
- মাজালিসে মানসূর (১০/১১/২০১৭)
মুফতী মনসূরুল হক দা. বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া, মুহাম্মাদপুর,ঢাকা
- রবিউল আকরাম গুফিরালাহু
t.me/dinimazlis
ক্বুরআনে পাক বেকারত্বের সমাধান। যারা ক্বুরআন পড়ে আমল করবে আল্লাহ্ পাক তাদের হালাল এবং গুণাহমুক্ত জীবিকার ব্যবস্থা করে দিবেন। (১.১ এমবি)
-শাইখুল হাদীছ হযরত মাওলানা আবদুল হক্ব দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
ইচ্ছাকৃত ছবি দেখা সম্পর্কে হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহঃ এর অভিমতঃ
মনের খুশির উদ্দেশ্যে ছবি দেখা হারাম
যদি কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মন খুশি করার উদ্দেশ্যে (ছবি) দেখে, তাহলে হারাম হবে। আর যদি ইচ্ছা ছাড়া দৃষ্টি পড়ে যায়, তাহলে কোন সমস্যা নেই। আমাকে এক লোক জিজ্ঞেস করলো, যদি শিল্প হিসেবে দেখা হয়? আমি বললাম, আর্টিস্টের শিল্প তো দূর কোন ছাই? মহান স্রষ্টার অনেক সৃষ্টিও তো দেখা হারাম। যেমন, অপ্রাপ্তবয়স্ক শশ্রুবিহীন বালক ও নারী-মহিলাদেরকে যদি কেউ আল্লাহ্র সৃষ্টিসৌন্দর্য হিসেবে দেখে। তাদের এই ছলচাতুর্য ফুকাহায়ে কেরাম ধরে ফেলেছেন। তারা লিখেছেন, যদি কোন ব্যক্তি মদের দিকে আনন্দের জন্যে তাকায়, তাহলে হারাম হবে। কেননা কায়েদা হল, ভালো জিনিস দেখলে তার প্রতি লোভ সৃষ্টি হয়।
(এরপর হযরত মুচকি হেসে বললেন) একবার এক ভাড় এসে বললো, আজ আমি সাহারানপুরের শিক্ষক মাওলানা মাযহার সাহেবকে নিরুত্তর করবো। সে মাওলানা সাহেবের কাছে এসে প্রশ্ন করলো, যদি কোন ব্যক্তি দেহপসারিণীকে (বেশ্যা) এই নিয়্যতে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে যে, আল্লাহ্ তা'আলা কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন, তাহলে কেমন হবে?
উত্তরে হযরত বললেন, তুমি যেখান থেকে বেরিয়ে এসেছো সেটি গিয়ে দেখো। এখানে আল্লাহ্ তা'আলার সৃষ্টিকুশলতা আরো বেশী প্রকাশ পেয়েছে। এতো ছোট স্থান থেকে এতো বড় তুমি কিভাবে বের হয়েছো।
(জাদীদ মালফুযাতঃ ২২৯)
ডিজিটাল ছবি ও ইলেকট্রিক মিডিয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান
পৃষ্ঠা ১০৫
মূলঃ মাওলানা মুফতী ইহসানুল্লাহ শায়েক
মুফতীঃ জামিয়াতুর রশীদ আহসানাবাদ, করাচী, পাকিস্তান
অনুবাদঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারূক
উসতাযুল হাদীছ, দারুল উলূম রামপুরা, ঢাকা
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আযহার
আদর্শনগর,মধ্যবাড্ডা, ঢাকা
প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর লেখা কবিতা: আমি বিস্মিত হোই
http://t.me/KhanqahBDKobita
হযরত মাওলানা আতহার আলী রহঃ এর মূল্যবান নসীহত যা তিনি হযরত মাওলানা ইসমাঈল ছাহেব দাঃ বাঃ কে করেছিলেন। আল্লাহ্ তা'আলাকে পাওয়ার জন্য এই নসীহত খুবই গুরুত্বপূর্ণ! (১.৬ এমবি)
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
বাচ্চাদের মক্তবে (মাদরাসায়) না পাঠিয়ে বাসায় উস্তায রেখে পড়ানোর ক্ষতি। (১১.২ এমবি)
-হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ১ঃ
সফর বা জরুরতের অবস্থায় আলহামদুর (সূরা ফাতিহা) পর যে কোন সূরা পড়া যাইতে পারে তাহাতে বাঁধা নাই। কিন্তু সফর বা জরুরতের হালাত যদি না হয় তবে ফজরে এবং জোহরে তেওয়ালে মুফাসসাল, আসরে ও ইশায় আওসাতে মুফাসসাল এবং মাগরিবে ক্বেসারে মুফাসসাল পরিমাণ সূরা পড়া সুন্নাত।
তেওয়ালে মুফাসসালঃ সূরা হুজুরাত হইতে সূরা বুরুজ পর্যন্ত।
আওসাতে মুফাসসালঃ সূরা তারেক হইতে সূরা বায়্যিনাহ পর্যন্ত।
ক্বেসারে মুফাসসালঃ সূরা যিলযাল হইতে সূরা নাস পর্যন্ত।
ফজরের প্রথম রাকা'আতকে দ্বিতীয় রাকা'আত অপেক্ষা অধিক লম্বা সূরা পাঠ করা উচিত। এতদ্ব্যতীত অন্যান্য নামাযে প্রথম এবং দ্বিতীয় উভয় রাকা'আত সমান হওয়া উচিত। দুই এক আয়াত বেশী-কম হইলে ধর্তব্য নহে। (আলমগীরী)
বেজেশতী জেওর
ফরয নামাযের বিভিন্ন মাসায়েল অধ্যায় দ্রষ্টব্য।
http://t.me/pathofisla
জুতা ধরার সুন্নাত তরীকার খেলাফ হওয়ায় হযরত মাওলানা আহমাদ আলী খান ছাহেব রহঃ এর শাসনের ঘটনা। আল্লাহ্ওয়ালাদের কাছে এক একটি সুন্নাতের গুরুত্ব কত বেশী ! (১.৫ এমবি)
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ
বিঃ দ্রঃ এখানে 'হযরত রহঃ' বলতে হযরত থানভী রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা হযরত মাওলানা আতহার আলী রহঃ কে বুঝানো হয়েছে।
http://t.me/pathofisla
ছোটদের তারবিয়াত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নসীহত। হযরতওয়ালার ছোট মেয়ের একটি শিক্ষণীয় ঘটনা যাতে আমাদের জন্য শিক্ষার খোরাক রয়েছে। (৩.১ এমবি)
-হযরত মাওলানা শাহ্ ইসমাঈল কিশোরগঞ্জী দাঃ বাঃ
খলিফাঃ আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ
http://t.me/pathofisla
হাজীদের গুনাহ
হযরতওয়ালা (মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ) বলেন, আল্লাহর আশেক হওয়ার সবচেয়ে বড় স্তর/মাধ্যম হলো হাজ্জ। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, বর্তমানে হজ্জের সফরে হাজীরা যে পরিমান গুনাহ করে তা সারা যিন্দেগীতে করে না। কিছু মূর্খ, বেকুব লোক তাদের বিবি, মা, বোনদেরকে নিয়ে মক্কায় পুরুষদের সাথে নামায পড়ে, পর্দা করেনা, যা স্পষ্ট গুনাহ। হজ্জের সফরে যে সকল মারাত্মক গুনাহ বেশী হচ্ছে অথচ একে গুনাহ হিসেবে গণ্য করছে না তা হলোঃ
১. বদ নিগাহী অর্থাৎ চোখের হেফাজত না করা।
২. মোবাইলে বাদ্যযন্ত্র মিউজিক রিংটোন।
৩. ছবি তোলা।
৪. বে-পর্দার গুনাহ।
http://t.me/pathofisla
'জাযাকাল্লাহ' বলার নতুন পদ্ধতি পরিহার করা চাই-
http://t.me/dinimazlis
http://t.me/alokitojibon
সূক্ষ্ম শিরোনাম ব্যবহারের শিক্ষা
হযরত থানভী রহঃ বলেন, আমাদের মধ্যে যে, 'দেবর' শব্দের ব্যবহার রয়েছে তা খুব খারাপ। হিন্দী ভাষায় 'বর' বলা হয় স্বামীকে, আর 'দে' অর্থ দ্বিতীয়। তাই 'দেবর' অর্থ দ্বিতীয় স্বামী। কতক মূর্খ লোক দেবরকে স্বামীর স্থলাভিষিক্ত মনে করে। তাই শব্দটি পরিবর্তনযোগ্য।
এমনিভাবে 'শালা' শব্দের ব্যবহারও আমার কাছে খারাপ লাগে। পূর্ব দেশে 'নিসবতী ভাই' বলে। এ শব্দটি ভালো।
কতক শব্দ অনুপযুক্ত ক্ষেত্রে ব্যবহার করার কারণে অনেক বেশী খারাপ হয়ে যায়। যেমন এক লোকের ছেলে মারা গেলে এক ব্যক্তি তাকে বলে যে, আল্লাহ্ তা'আলা তাকে এর উত্তম বদলা দান করুন। এক ব্যক্তি এ কথা শুনছিলো, সে মনে মনে বললো, কেউ মারা গেলে এই শব্দ বলা হয়ে থাকে। ঘটনাচক্রে এক ব্যক্তির বাপ মারা যায়। ঐ ব্যক্তি সেখানে সমবেদনা জানানোর জন্যে এসে বললো, আল্লাহ্ তা'আলা এর উত্তম বদলা দান করুন। যার বাপ মারা গেছে সে তো খুবই অসন্তুষ্ট হলো যে, আমার মায়ের জন্যে (সেই ব্যক্তি) স্বামী কামনা করছে।
কামালতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬০৮
পৃষ্ঠা ২৭০
বিঃ দ্রঃ মালফূযটি বড় বিধায় মাঝখান থেকে কিছু অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। পুরোটা দেখতে ২৭০ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য।
http://t.me/pathofisla
