এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
জিলহজ্ব মাসের ফজিলত ও করণীয়।
✾•┈┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
@MuftiMasudKasemi
দ্বিতীয় বিয়ে করলে মুজাহাদার নিয়তে করবে
হযরত থানভী রহ. বলেন, মানুষ দ্বিতীয় বিয়ে করে সমতা রক্ষা করে না। তারা সমতার কেবল নামই শুনেছে, কখনো তা দেখেনি।
বর্তমানে কেউ দ্বিতীয় বিয়ে করলে মুজাহাদার নিয়তে করবে। কারণ, এখানে যতো বেশী আযাব হবে ওখানে ততো বেশী ছওয়াব হবে। অর্থাৎ, দুই স্ত্রী হওয়ার কারণে যে পরিমাণ কষ্ট হবে, আল্লাহ্ তা'আলার নিকট সে পরিমাণ পুরস্কার লাভ করবে (কারণ, সতীনের ঘরে স্বভাবতই কষ্ট হয়ে থাকে)।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬৬৯
পৃষ্ঠা ৩১১
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৭/০৭/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
নফসের চোর
আজিমুশ্বান বয়ানের কিছু অংশ
★★★★★★★★★★★★★★
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ
হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম
বড় বয়ান।
http://t.me/khankahbd
ছোট বয়ান।
http://t.me/chotoboyan
শরীয় মাসায়েল সম্পর্কে প্রশ্নঃ করুন
http://t.me/mufteesofeebd
বিবাহের পূর্বে মেয়েদেরকে কিছু কাজ শিখায়। আপনার মেয়েকে স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগে আগে কমপ্লিট তাকে ভাত-তরকারী রান্না করা, রুটি বানানো,মাছ কাটা,ডিম ভাঁজি করা, চা-কফি বানানো, বিছানা-ঘর গুছিয়ে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা এগুলো শিখাবেন। এটা তাদের আসল কাজ।
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
#Sort_malfuz_
•┈┈••✾•🌿🌺🌺🌺🌿•✾••┈┈•
⚔⚔সম্পত্তি ঝগড়ার মূল⚔⚔⚔
হযরত থানভী রহ. বলেন, সম্পত্তি ঝগড়ার মূল। হাদীস শরীফে এসেছে যে, 'সম্পত্তি বিক্রি করলে অবিলম্বে ঐ টাকা দিয়ে আরেকটা ক্রয় করবে।'
অপর এক হাদীসে আছে যে, হে আয়েশা! সম্পত্তি ক্রয় করো না। তা হলে তুমি দুনিয়াদার হয়ে যাবে। এ দু'টি হাদীসের সম্মলিত মর্ম হলো, সম্পত্তি থাকলে তা হাতছাড়া করবে না, আর না থাকলে নতুন করে ক্রয় করবে না।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৮৬৪
পৃষ্ঠা ৩৯০
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৫/০৭/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
🔒🔒মুখে তালা মারো🔒🔒🔒
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব দামাত বারাকাতুহুম বলেন, স্ত্রীর ঋতুস্রাব চলাকালীন সময় মুখে তালা মেরে রাখবে। কারণ এ সময় তাদের মেজাজটা খিট খিটে থাকে। সামান্যতেই ক্ষেপে যায়। এসময় তুমিও ক্ষেপে গেলে সংসার ভেঙ্গে যাবে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
বিয়ের আলাপ চলাকালে 'কনে দেখানো'র নীতিমালা -
নিয়মিত পোস্ট পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
বিয়ে কনে
যে গোশত হাড়ের সঙ্গে থাকে ( হাড্ডি ওয়ালা গোশত ) তার দাম বেশি, মান বেশি, স্বাদ বেশি, তেমনি *যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ওয়ালাদের সঙ্গে থাকে* তারও আল্লাহর কাছে দাম বেশি, তার কথায় জনগণের স্বাদ বেশি, ফায়দা বেশি।
http://t.me/MuftiMasudKasemi
9.7.2020
মোবাইলে ছবি তোলার সূচনা থেকে উপসংহার......
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
t.me/alokitojibon
পোষ্ট নং ১৩১৯
বাবা তার মেয়ের গায়ে কত
বছর পর্যন্ত হাত দিতে পারে?
✾•┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
@MuftiMasudKasemi
হাফেজ হযরত মাওলানা মুফতী
শফী সাহেব দামাত বারকাতুহুম।
বয়ানের বিষয়:
আমরা একটু ফিকির করি আলেম-ওলামা হযরত দের জন্য,
আল্লাহ আমাদের তৌফিক দান করেন আমিন।
https://t.me/khankahbd
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ১৮
সাইফুল ইসলাম - কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
৫১২৬. প্রশ্ন
গত কুরবানীর ঈদে আমার বড় ভাই দুটি গরু কুরবানী দেন। একটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে। অপরটি নিজের পক্ষ থেকে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে দেওয়া কুরবানীর গোস্ত পুরোটা গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন,মৃত ব্যক্তির নামে দেওয়া কুরবানীর গোস্ত নিজেরা খাওয়া যায় না। গরীবদেরকে দিয়ে দিতে হয়। জানার বিষয় হল, আমার বড় ভাইয়ের কথা কি ঠিক? অন্যথায় সঠিক মাসআলা কী?
উত্তর
আপনার ভাইয়ের কথা ঠিক নয়। মৃত ব্যক্তিকে সওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে দেওয়া কুরবানীর গোস্ত নিজেরাও খাওয়া যায় এবং অন্যদেরকেও দান করা যায়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে কুরবানী দিলে সে কুরবানীর গোস্তের একই হুকুম। সে গোস্ত গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া জরুরি নয়; বরং নিজেরাও তা থেকে খেতে পারবে।
-ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৩৫১; আলমুহীতুল বুরহানী ৮/৪৭৩;তাবয়ীনুল হাকায়েক ৬/৮; আদ্দুররুল মুখতার ৬/৩২৬
মাসিক আল কাউসার
শাওয়াল ১৪৪১ || জুন ২০২০
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/3300/
http://t.me/pathofisla
মাসবুক দ্বিতীয় সালামের পর দাঁড়াবে
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, অধিকাংশ লোক এমনকি অনেক আলেমকেও দেখা যায় মাসবুক হলে ইমামের দ্বিতীয় সালাম শুরু হতে না হতেই দাঁড়িয়ে যায়। অথচ মাসআলা হচ্ছে দ্বিতীয় সালাম শেষ হলে যখন বুঝতে পারবে যে ইমাম সাহেব এখন সিজদা সাহু করবেন না, তখন মাসবুক দাঁড়াবে। কিন্তু এই ভুলটি প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। সকলের সতর্ক হওয়া দরকার।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
কারামতের চেয়ে 'ইস্তিকামাত' শ্রেষ্ঠ
হযরত থানভী রহ. বলেন, 'মা'মুলাত' (معمولات) অব্যাহত থাকা এমন এক উঁচু অবস্থা, যার বর্তমানে অন্য কোনো নতুন বিষয় না থাকা ক্ষতিকর নয়। কারণ, আমল অব্যাহত থাকাকে 'ইস্তিকামাত' (استقامت) বলা হয়, যা আকাবিরদের ভাষ্যমতে 'কারামতে'র চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬৬৩
পৃষ্ঠা ৩০৯
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
৩০/০৫/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
"নাড়ির টানে মানুষ ছুটে আপন নিবাস পানে
প্রেমের টানে প্রেমিক ছুটে মহান আল্লাহ্ পানে"।
-শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
http://t.me/pathofisla
যারা ছবি তোলে ও ভিডিও করে তাদের ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল অভিশাপ দিয়েছেন। কেয়ামতের দিন অত্যন্ত ভয়ংঙ্কর আযাবে তাদেরকে পাকরাও করা হবে।
হ্জ করতে যায় একটা তামাশা, বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করে একটা তামাশা শুধু ছবি আর ছবি, ভিডিও আর ভিডিও।
জীবনে অনেক ভিডিও বয়ান শুনেছেন। এখন একটা অডিও বয়ান শুনেন। যিনি আল্লাহওয়ালা খালেছ,মোখলেছ আল্লাহওয়ালা,যিনি শুধুই আল্লাহর জন্য ওয়াজ-নছিহত করেন তার বয়ান শুনেন এবং নিজে পার্থক্য করেন কার বয়ানের দ্বারা আমার প্রকৃত ফায়দা হলো অন্তর শীতল হলো, আর কার বয়ান আমার অন্তর পর্যন্ত পৌছঁলো না।
http://t.me/videoharam
স্মৃতির পাতা থেকে- পর্ব ৪
(মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ.
প্রাক্তন শাইখুল হাদীস, দারুল উলুম দেওবন্দ)
♥♥♥
হায়াতে পালনপূরী-৯
সাহারানপুর পড়়াকালীন সময়ের ঘটনা। এক পরীক্ষায় তিনি ১০০ তে ১০০ই পেলেন। কেননা কিতাবের সাথে তাঁর উত্তরের কোন পার্থক্য ছিলনা। যে কারণে তাঁর যে উস্তায পরীক্ষা নিয়েছিলেন তিনি খুব রাগান্বিতভাবে তাঁকে ডেকে নিয়ে এই মর্মে শাসালেন যে, এই গুজরাতী! এত কঠিন কিতাব যেখানে কেউ তেমন বোঝেনা, সেখানে হুবহু কিতাবের ইবারতের সাথে তো তোমার উত্তরের কোন পার্থক্য দেখছিনা। নিশ্চয় তুমি চুরি করে লিখেছো। নতুবা এত অবিকল কিভাবে সম্ভব? তিনি তাৎক্ষনিক উত্তর দিলেন। হযরত! এটিতো আমি এ টু জেড মুখস্থ করেছি। তাঁর উস্তায বললেন, মিথ্যা বলতেছো, তাহলে শুনাও। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই পুরা কিতাব মুখস্থ শুনানো শুরু করলে তাঁর উস্তায বিস্মিত হয়ে গেলেন এবং তাঁর জন্য মনভরে দুআ করলেন।
হায়াতে পালনপূরী-১০
দারুল উলূমে তিনি বুখারী পড়়াতেন,এই উপমহাদেশে তিনি এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, যার প্রথমদিন যেমন ছিল শেষ দিন হুবহু একই রকম ছিল। প্রতিটি হাদীস বুঝিয়ে বুঝিয়ে শেষ করতেন।এ পদ্ধতির পাঠদান বর্তমান বিশ্বে বিরল। কেননা অধিকাংশ স্থানেই এমন যে, বৎসরের প্রথম কয় মাস খুব তাকরীর চলে। এরপর খুব দ্রুত সব শেষ করা হয়। কিন্তু না, তিনি প্রথম দিনের মত শেষ দিন আলোচনা করেই শেষ করতেন।
হায়াতে পালনপূরী-১১
একদিন সন্ধ্যার পর এক লোক এসে বললো, আব্বাজান! (উনাকে তাঁর এলাকার মানুষ সম্মান করে এ নামে ডাকতো)আমার ছেলেটা এক্সিডেন্ট করে পা ভেঙ্গে গিয়েছে। ২৭ হাজার টাকার মত লাগবে, আমার কোন সামর্থ নেই।তিনি আমাকে বললেন, হাসান কে ডাক(হযরতের ছেলে)। তাঁকে ডেকে এনে বললেন, ঐ ফান্ডে যা টাকা আছে তাঁকে সব দিয়া দাও। এ্যামাউন্টটির নির্দিষ্ট পরিমাণ আমার জানা নেই, তবে অনেক টাকা ছিল সেখানে। তিনি মানুষদের ঠিক এভাবেই দান করতেন, কোন প্রকার ঢাকঢোল তিনি করতেন না। এমনভাবে দিতেন শুধু কাছের লোকগুলোই দেখতো। এলাকায় যাঁরা অস্বচ্ছল, তাঁদের একটা আস্থা ছিল যে, আব্বার কাছে গেলে এর সমাধান পাওয়া যাবে। তাই যে কেউ সমস্যায় পড়়লে তাঁর কাছে ছুটে আসতেন। তিনিও পর্যাপ্ত সহযোগীতা করতেন। প্রতিনিয়ত এভাবে পাড়়া-প্রতিবেশীদের আপদ-বিপদে তিনি থাকতেন।তাঁদের সাহায্য-সহযোগীতায় কোন প্রকার কার্পণ্য করতেননা।
হায়াতে পালনপূরী-১২
প্রাথমিক জীবনে তিনি তেমন কোনো ভাল ছাত্র ছিলেননা, পড়়াশুনা বেশী একটা করতেননা এবং পারতেনও না তেমন । তার ভাষ্য মতে, "সাহারানপূরের এমন কোন অলিগলি বাকী নেই যে, আমি সাইকেল দিয়ে চক্কর দেইনি। প্রচুর পরিমাণে তখন ঘুরাঘুরি করতাম। আমার এ অবস্থা দেখে আমার বাবা এ সিদ্ধান্ত নিলেন যে, আমাকে আর মাদ্রাসায় পড়়াবেননা। যেহেতু আমি তেমন কিছু পারতামনা। তাঁর এই সিদ্ধান্তের পর আমি নিজেকে পুরোপুরিভাবে স্থির করলাম যে, আজ থেকে আমি পুরোদমে নিজেকে গড়়ব ইন শা আল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ সেই যে আমি পড়়াশুনা শুরু করেছি, আজ ৬০ বৎসর অবধি আমি পড়়ার টেবিলে। আলহামদুলিল্লাহ, ছুম্মালহামদুলিল্লাহ এর ভিতরে কোনদিনই আমি মুতক্বতিউদ দিরাসাহ (পড়়াশুনার ব্যাপারে উদাসীন) হইনি। এমনকি পড়়াশুনা নষ্ট করে একটা ম্যাচ কিনতেও আমি কোনো দোকানে যাইনি।
হায়াতে পালনপূরী-১৩
তাঁর মধ্যে দু'টি জিনিস সবচেয়ে কম ছিল
১, আবেগ। এটি ছিলনা বললেই চলে। মানুষের প্রতি ভালবাসা ভীষণ ছিল। কিন্তু যত নিকটেরই হোক না কেন, তিনি বিন্দু পরিমাণও আবেগ প্রকাশ করতেননা।
২, রোড-ঘাটে কারো সাথে কথা বলা। তিনি এটি মোটেও করতেননা। হ্যাঁ যদি কখনো বলতেন তাহলে সেটি এমন ব্যক্তিদের সাথেই হতো, যারা ছোটখাট কোন মানুষ নন, দারুল উলুমের বড়় কোন পদে রয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের সাথেই হতো। তাও দু-চার মিনিট।
(মুহতারাম আহমাদ আবদুল কাহহার)
এ বিষয়ে ৩ নং পোষ্ট ♥♥♥
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1304265426439338&id=100005676781271
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/Cjrl3wEsdXvHj27BxbJgBa
ছবি তোলা কি হারাম!
নাকি ছোয়াবের কাজ!
যদি সওয়াবের কাজ না হয়!
তাহলে মানুষ এভাবে ছবি তুলে!
ডিজিটাল ক্যামেরায় ছবি তোলা
ও হাতে অংকন কৃত ছবির হুকুম সম্পর্কে,সৌদি আরবের বিখ্যাত ফতোয়া বিভাগ এর ফতোয়া পড়ে শোনানো হল।
✾•┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
•┈┈•✾🌿🌺🌺🌺🌿✾•┈┈•
#Mufti_Masudur_Rahman Kasemi_DB
•┈┈•✾🌿🌺🌺🌺🌿✾•┈┈•
অনেক সময় (আলেমদের) প্রোফাইলে নিজের ছবি রাখেন,
অথচ আমরা দেখতে পাই যে হক্কানি ওলামায়ে কেরাম তা নিষেধ করেন।
শরীয়তের দৃষ্টিতে কোনটা সহি?
ছবিতো জনমভর হারাম ছিলো। ৩/৪ বছর যাবৎ হালাল (!) হয়ে গেছে কিছু কিছু নেটপ্রেমীদের জন্য!!! আগে সবার কাছেই হারাম ছিলো। এখন সবার কাছে মনে হয় সুন্নত কাজ হয়ে গেছে।
http://t.me/MuftiMasudKasemi
