এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
5.7.2019 25 Before Juma, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকানগর, ঢাকা
আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম বলেন, দুনিয়ায় যার ঈমান নাই, আখেরাতে তার নাগরিকত্ব নাই।
http://t.me/pathofisla
মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ ইরশাদ করেন, হযরত থানভী রহ. বলতেন, যদি দশটি জায়িয খাহেশ থাকে, তাহলে ছয়টি উপর আমল করা আর বাকী চারটির উপর আমল না করা। কেননা যদি সব জায়িয খাহেশ পূর্ণ করা হয় তাহলে নাজায়িয খাহেশের প্রতিও দূর্বলতা সৃষ্টি হবে।
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
মালফূয ৩৫৬
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ কাউসার,
মোমেনশাহী।
412 নং উত্তর:
(দ্বীনী মাহফিলে) ভিডিও করা সংক্রান্ত।
উত্তর প্রদানেঃ
মুফতী শফি ছাহেব দাঃ বাঃ
খলিফাঃ আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ, করাচী, পাকিস্তান
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
(যারা বলে যে, ওয়াজ মাহফিলে ছবি তোলা এবং ভিডিও করাতে সমস্যা নেই তারা একটু চিন্তা করি.....)
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ মাহমুদুল হাসান,
মুন্সীগঞ্জ।
692 নং উত্তর:
আ:সুবাহান নাম রাখা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
http://t.me/pathofisla
খাজা মুঈনুদ্দীন মাদ্রাসায় বয়ানের শুরুতে বলেন,
যার ছবি তোলার শখ আছে সে মাহফিল থেকে বের হয়ে যাও। টুপি পাগড়ী মাথায় দিয়ে দ্বীনের মাহফিল, নেকী কামানোর মাহফিলে পাপের কাজ বেপরোয়াভাবে কেন করো! তোমাদেরকে এগুলো শিখিয়েছে কে! ছবি তোলা তো গুনাহের কাজ! দলবেঁধে মোল্লার দল তোমরা এখন ছবি তুলতে থাকো! হায়া-শরম নেই বেপরোয়াভাবে ছবি তুলতে থাকে হাসতে হাসতে! গুনাহের কাজকে উল্লাসের কাজ মনে করে বসে আছে! কি চরম সীমালংঘন! দেড় হাজার বছর ধরে যেটা ডাইরেক্ট পাপের কাজ ছিল এখন কিভাবে সেটা সুন্নত হয়ে গেল! দিনের মাহফিলের বসে বসে ছবি তুলতে থাকে যেন এইটা দেখিয়ে জান্নাতের গেট পার হবে যে, আমি একটা নেক আমল নিয়ে এসেছি।
(যারা বলে যে, ওয়াজ মাহফিলে ছবি তোলা এবং ভিডিও করাতে সমস্যা নেই তারা একটু চিন্তা করি.....)
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ ইলিয়াস,
মোমেনশাহী।
676 নং উত্তর:
তাবলিগে গিয়ে মসজিদে মোবাইল চার্জ দেওয়া সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
আফসোস! শত আফসোস!! কুরআন-সুন্নাহ ও সঠিক দ্বীনী ইলমের জন্য পিপাসার্ত গ্রামগুলোতে অশ্লীলতা ও পথভ্রষ্টতার উপায়-উপকরণ ও এর ধারক-বাহকরা তো পৌঁছে গেছে, কিন্তু নববী মিরাসের উত্তরাধিকারী ও সত্যের প্রকৃত ধারক-বাহকগণ এখনো সেখানে পৌঁছেননি।
হায়! তারা যদি অনুভব করতেন, প্রকৃতির সে সবুজ পিপাসার্ত ভূমি কত অধির আগ্রহে তাদের আগমনের অপেক্ষা করছে!..............
মাসিক আল কাউসার
জুন ২০১৯ ঈসায়ী
(হায়! এই প্রবন্ধটি যদি সবার নজরে আসতো....)
লেখাটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/2400/
http://t.me/pathofisla
আমার মা
মাসিক আল কাউসার
জুন ২০১৯ ঈসায়ী
লেখাটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/2409/
http://t.me/pathofisla
মুহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম,
কাতার প্রবাসী।
650 নং উত্তর:
বিবাহ সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ০৬ঃ
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক -সাভার, ঢাকা
৪৭৯৩. প্রশ্ন
সম্মানিত মুফতী সাহেব! প্রায় দশ বছর আগে আমি এক এলাকায় ঘুরতে গিয়ে সেখানকার মসজিদের গাছের ফল চুরি করে খেয়েছি। পরে খাওয়ার জন্য কিছু ফল সাথে করে নিয়েও এসেছিলাম। তখন অনেক ছোট ছিলাম বিধায় এর ভয়াবহতা বুঝতে পারিনি। এখন আমি বিষয়টি নিয়ে খুবই চিন্তিত। এর দায়মুক্তির জন্য আমাকে কি কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হবে?
একবার ভাবি অন্যায় হয়নি। আবার মনে হয় তখন তো আমি ছোট ছিলাম তাই এর কোনো হিসাব হবে না। তবে এর বিপরীতে ভিন্ন ভাবনাও কাজ করে।
তাই জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে হলে কোথায় কীভাবে দিতে হবে? সে মসজিদ ছাড়া অন্য মসজিদে দিলে আদায় হবে কি না? কেননা আমরা এখন সে মসজিদ থেকে অনেক দূরে থাকি। সেখানে কোনো কিছু পাঠানো খুবই কষ্টসাধ্য। উপরোক্ত বিষয়গুলো বিস্তারিত জানানোর অনুরোধ রইল।
উত্তরঃ
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে মসজিদের গাছ থেকে আপনি যে ফলগুলো খেয়েছেন তার ন্যায্যমূল্য ঐ মসজিদের ফান্ডেই পৌঁছে দিতে হবে। কেননা তা ঐ মসজিদের হক। অন্য মসজিদে দিলে তা আদায় হবে না। কিছু কষ্ট হলেও নির্ধারিত মসজিদেই টাকা পৌঁছে দিবেন।
প্রকাশ থাকে যে, মসজিদের গাছের ফলমূল মসজিদেরই সম্পদ। এগুলোর বিক্রিলব্ধ অর্থ মসজিদের প্রয়োজনে ব্যয় করতে হয়। মুসল্লীদের জন্য তা বিনামূল্যে খাওয়া বৈধ নয়। আর ছোট অবস্থায় কারো সম্পদ চুরি বা নষ্ট করলে বুঝ হওয়ার পর তারও ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। বড় হওয়ার পর এ অজুহাত দাঁড় করানো যাবে না যে, আমি তো তখন ছোট ছিলাম।
-ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৩১০; আলইসআফ ফী আহকামিল আওকাফ পৃ. ২২; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৭৭; আদ্দুররুল মুখতার ৪/৪৩২
প্রশ্নটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2972/
মাসিক আল কাউসার
জুন ২০১৯ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
সোহবত প্রাপ্ত ও সোহবতহীনের জিন্দেগীর ব্যবধান
হযরত মাওলানা থানভী রহঃ বলেন, তোমরা এমন দুইজন আলেমকে আমার নিকট পেশ কর যাহাদের মধ্যে একজন কোন আল্লাহ্ওয়ালার জুতা বহন করিয়াছে, তাঁহার সোহবত ও তরবিয়ত পাইয়াছে। অন্যজন কোন ওলী আল্লাহর সোহবত ও তরবিয়ত পায় নাই। আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে, এই দুইজনের মধ্যে কে সোহবতপ্রাপ্ত, আর কে সোহবতপ্রাপ্ত নয়? তবে মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে আমি বলিয়া দিব যে, ইনি সোহবতপ্রাপ্ত, আর ইনি অপ্রাপ্ত।
তা'আল্লুক মা'আল্লাহ
-হযরতওয়ালা করাচী রহঃ
অনুবাদঃ মাওলানা আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
বড়দের শুকরিয়া
একবার উপস্থাপক বয়ান শুরুর আগে হযরতের (মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ) নাম সরাসরি বলাতে হযরত বাঁধা দিয়ে হযরতওয়ালার শায়েখ হারদুই হুযুর শাহ সাইয়্যিদ আবরারুল হক রহ. এর নাম বলতে বললেন। আর উপস্থাপককে বললেন, আমাদের পরিচয় দেয়ার আগে আমাদের মুরুব্বিদের কথা বলা জরুরী মনে করি তা না হলে কেমন যেন গাদ্দারী মনে হয়। যাদের কুরবানীর কারণে আজকে আমরা এখানে,তাদের নাম মিটিয়ে দেয়া গাদ্দারী। আজকে আমাদেরকে যদি কেউ সম্মান করে তো তাদের কুরবানীর বরকতে। তাঁরা আমাদের কত চিঠির উত্তর দিয়েছেন। তাঁদের মেহনতের বরকতে আল্লাহ এই পর্যন্ত এনেছেন।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
ডিজিটাল গেমিং রোগ : কোন্ অতলে হারিয়ে যাচ্ছে নতুন প্রজন্ম!
মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম
লেখাটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/2403/
আল কাউসার
শাওয়াল ১৪৪০ হিঃ
জুন ২০১৯ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
প্রচলিত ভুলঃ একটি অসতর্কতা-
আকীকার দিন গুনতে ভুল করা
( মাসিক আল কাউসার পত্রিকা,
শাওয়াল ১৪৪০, জুন ২০১৯)
---
আকীকার ব্যাপারে হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে-
تُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ السّابِعِ.
নবজাতকের পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে জবেহ করা হবে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৮৩৭; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫২২; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস ৩১৬৫)
শরীয়তের যেসমস্ত মাসআলা দিন-তারিখ, মাস-বছরের সাথে সম্পৃক্ত সেগুলো চাঁদের হিসাবে গণনা করতে হয়। সুতরাং এ সাত দিন গণনা করতে হবে চাঁদের হিসাবে। আর আমাদের জানা আছে যে, চাঁদের ক্ষেত্রে দিন/তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্তের পর থেকে। এখন কোনো সন্তান যদি শনিবার সূর্যাস্তের পর জন্ম নিল তার অর্থ সে রবিবারে জন্ম নিল। সেক্ষেত্রে তার সাত দিন গণনা শুরু হবে রবিবার থেকে, শনিবার থেকে নয়। সে হিসাবে সপ্তম দিন হবে পরের শনিবার। কিন্তু যদি সাধারণ ধারণার ভিত্তিতে শনিবারকে প্রথম দিন ধরে গণনা করা হয় তাহলে সপ্তম দিন হবে জুমাবার; যা ভুল।
হাঁ, যদি শনিবার সূর্যাস্তের আগে জন্ম নেয় তখন দিন গণনা শুরু হবে শনিবার থেকে। আল্লাহ আমাদের সব বিষয়ে সঠিক বিষয়টি জানার ও আমল করার তাওফীক দান করুন। সাথে সাথে হিজরী তারিখের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার তাওফিক দান করুন।
লেখাটির লিংক- https://www.alkawsar.com/bn/article/2405/
http://t.me/islamejebon
15-6-2018
জু'মার পূর্বের বয়ানে ২৭ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের পর
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর
মালফুজ
ঢাকা মিরপুর ১২ ও ময়মনসিংহের দারুল উলুম নিযামিয়া এই দুই মাদরাসার এক নিয়ম হল: যে নিজের ছেলেকে ওখানে ভর্তি করবে সে আগে নিজের ঘর থেকে টিভি বের করবে। তারপর ছেলের ভর্তি।
t.me/qaumimalfuzat
http://t.me/malfuzateakabir
http://t.me/pathofisla
যেটা অসত্য, যেটা সুন্নাত থেকে প্রতিষ্ঠিত না; সেগুলোই আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমাদের দ্বীন সম্পর্কে পরিচিতি কম হওয়ার কারণে বাড়তে বাড়তে এমন পর্যায়ে চলে যায় যে, ওটাকে রোখার জন্য কে দাঁড়াবে?
-হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
খলিফাঃ হাফেজ্জী হুজুর রহ. এবং হযরতওয়ালা হারদুঈ রহ.
http://t.me/pathofisla
শাওয়ালের নফল রোযাকে কাযা রোযার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে কি না?
হযরত থানভী রহ. বলেন, কোনো কোনো কিতাবে লেখা আছে যে, যার দায়িত্বে কাযা রোযা রয়েছে, সে যদি শাওয়াল মাসে ঐ ছয়টি নফল রোযা রাখে তাহলে তা দ্বিগুণ বলে গণ্য হয়। যেমন ওযু করার পর ফরয বা সুন্নাত নামায আদায় করলে 'তাহিয়্যাতুল ওযু' আদায় হয়ে যায়।
কিন্তু রোযা সম্পর্কিত এ মাসআলাটি ভুল। তাহিয়্যাতুল ওযু'র উপর এটাকে কিয়াস করা যাবে না। কারণ, 'তাহিয়্যাতুল ওযু' এবং 'তাহিয়্যাতুল মসজিদে'র ভিত্তি হলো কোনো ওযু এবং মসজিদে গমন যেন নামায শুন্য না হয়। আর ফরয বা সুন্নাত নামায পড়ার দ্বারা সে উদ্দেশ্য অর্জিত হয়ে যায়। যে কারণে পৃথকভাবে 'তাহিয়্যাতুল ওযু' বা 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' পড়ার আর আবশ্যকতা থাকে না। ফরয ও সুন্নাতের মধ্যে তা অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। যদিও তা পৃথকভাবে পড়া উত্তম।
কিন্তু শাওয়ালের ছয় রোযা এর বিপরীত। কারণ, এর ফযীলতের ভিত্তি হলো, এটা রাখার দ্বারা এ হিসেবে সারা বছর রোযা রাখার সমান হয় যে, একটি নেক আমল করলে আল্লাহ তা'আলার দরবারে দশটি নেকী পাওয়া যায়। আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন,
مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهٗ عَشْرُ أَمْثَالِهَا
'যে ব্যক্তি কোনো নেক আমল করবে, তাকে তার দশ গুণ নেকী দান করা হবে'। -সূরা আনআম, আয়াত- ১৬০
তাই যখন কোনো মানুষ রমযান শরীফের রোযা রাখে, তখন তা দশ মাস রোযা রাখার সমান হয়। আর শাওয়াল মাসের ছয় রোযা হয় আরো দুই মাসের সমান। এভাবে পুরো এক বছরের সমান হয়ে যায়। তাই এক বছরের হিসাব পুরা করতে হলে কাযা রোযা এবং শাওয়াল মাসের ছয় রোযা পৃথক পৃথকভাবে রাখতে হবে। এক নামায অন্য নামাযের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার দ্বারা এক রোযা অন্য রোযার অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে আবশ্যক করে না।
কারো যদি প্রশ্ন জাগে যে, এ রোযার জন্যে শাওয়াল মাসকে কেন নির্ধারিত করা হলো? কারণ, দশ গুণ নেকী দেওয়ার বিষয়টি তো ব্যাপক। তাই যে কোনী মাসে রোযা রাখলেই তো একই পরিমাণ ছওয়াব পাওয়া যাবে।
এ প্রশ্নের উত্তরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো, শাওয়াল মাসকে এ জন্যে নির্ধারিত করা হয়েছে যে, এ মাসে এ ছয় রোযা রাখলে এর বিনিময়ে যে দুই মাসের ছওয়াব হবে তা রমযানের সমকক্ষ গণ্য হবে। অর্থাৎ, রমযান শরীফের রোযা রাখলে যে পরিমাণ ছওয়াব হয় এ রোযাগুলোরও একই পরিমাণ ছওয়াব হবে। পক্ষান্তরে কেউ যদি যিলকদ মাসে বা অন্য কোনো মাসে এ রোযা রাখে তাহলে তার ফযীলত রমযানের রোযার সমান হবে না। শুধু দুই মাসের সমান হবে।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬৩২
পৃষ্ঠা ২৮৭-২৮৮
http://t.me/pathofisla
