এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়াজ বলেনঃ
“ কত লোক ক্ষমা চাচ্ছে ঠিক, কিন্তু তার অন্তর অভিশপ্ত।
আরেকজন নিরবে বসে আছে। তবে তার আত্মা জাগ্রত।
এই লোক আস্তগফিরুল্লাহ বলছে মুখে, কিন্তু তার অন্তর পাপে আসক্ত।
ওই লোক নিশ্চুপ,কিন্তু অন্তর যিকরুল্লায় ডুবন্ত। ”
❏ সান্নিধ্যের সৌরভে - ইমাম নববী রহ.
( মাকতাবাতুল আসলাফ থেকে প্রকাশিত)
"কাজী" দের কিছু জঘন্যতম অসৎ আয়
------------------------
‘হিল্লা বিয়া‘ কাকে বলে?
টেলিফোনে বিবাহের স্বঠিক পদ্ধতি কি
দীন যখন বাহ্যিক কিছু আনুষ্ঠানিক লেভেলের নাম হয়ে যায়, তখনই এমন হয়। অথচ কাউকে ধোঁকা না দেওয়াও কিন্তু দীনদারি। একটু খতিয়ে দেখলে আপনার আশেপাশেই এরকম অনেক লোক দেখতে পাবেন। বলা যায় না—আমার এই পোস্ট পড়ুয়া অনেকেই হয়তো এমন আছেন।
collected
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/Cjrl3wEsdXvHj27BxbJgBa
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
*প্রায় বছর তিনেক আগের কথা।*
ইনবক্সে অপরিচিত একজন বোন তার একটা সমস্যার কথা তুলে ধরে এর শরয়ি সমাধান চাইলেন। তিনি বললেন—তার মধ্যে নারীজনিত একটা গোপন সমস্যা আছে; যা বৈবাহিক জীবনের জন্য আসলেই অসুবিধা। তার ওই সমস্যার কথা তার ফ্যামিলির লোকজন জানেন। এমনকী কাছের আত্মীয়স্বজনরাও জানেন।
এমতাবস্থায় তার বিয়ের সম্বন্ধ চলছে। পাকাপোক্ত হবার দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু তিনি চান না—তার এই গোপন সমস্যাকে না জানিয়েই বিয়ে করবেন এবং স্বামীকে অসুবিধায় ফেলবেন। তিনি হবু বরকে এটা অবগত করতে চান। এতে হবু বর রাজি থাকলে তো ভালো; অন্যথায় তিনি বেচারাকে অসুবিধায় ফেলতে চান না।
কিন্তু ওই বোনের ফ্যামিলি এতে বাধ সেধে বসে। তারা মেয়ের গোপন সমস্যা বরকে অবহিত করতে মেয়েকে অনুমতি দেয় না। কারণ, এতে বর এই সমস্যার ব্যাপারটা জেনে পিছিয়ে যাবে; তাদের মেয়েকে সে আর বিয়ে করবে না! কেননা, মেয়ের সমস্যাটাও বাস্তবে এমন ছিল যে, ওই বর কেন; যেকোনো বরই এই সমস্যার কথা শুনলে আর আগাবে না!
ওই বোনের ফ্যামিলি দীনদার ছিল না। কিন্তু বোনটি বেশ দীনদার ছিলেন। তার দীনদারির জায়গা থেকেই তিনি মনে করছিলেন—তার সমস্যাটার কথা বরকে না জানালে অন্যায় হবে৷ পাশাপাশি বোনটি ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষিতা হওয়ায় কোনোভাবেই হবু বরকে ঠকাতে তার মন সায় দিচ্ছিল না। এজন্য এ ব্যাপারে শরয়ি সমাধান জানতে চেয়েছিলেন।
এবার আসুন—এই কেসটা শুধু একা ওই বোনের না; এই কেস আমাদের সমাজের আরও অনেক বোনের আছে। অনেক মেয়েদের মধ্যে অনেক গোপন রোগ ও সমস্যা থাকে। কিন্তু মেয়ের বিয়ে হবে না—এই ভয়ে গার্জিয়ানরা মেয়ের রোগ বা সমস্যাকে গোপন রেখেই বিয়ে দিয়ে দেয়!
এতে ভুক্তভোগী হয় বেচারা স্বামী৷ বিয়ের পর সে নববধূর মধ্যে মেজর কোনো প্রবলেম দেখে বুঝতে পারে—তাকে ঠকানো হয়েছে। কোনো কোনো মেয়ের পরিবার তো এতই ছোটলোক হয় যে, স্বামী যদি মেয়ের সমস্যার কথা তুলে ধরে, তাহলে ছোটলোক শ্বশুরকুল সেটা বিলকুল অস্বীকার করে বসে। এমতাবস্থায় কেউ কষ্ট করে জীবন পার করে দেয়। কেউ বা তালাক দিয়ে দেয়!
আমার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর ভাইয়ের ঘটনা জানি। বেচারা বিয়ে করলেন সহজ-সরল দীনদার একটা মেয়েকে। বিয়ের পর দেখা যায়—মেয়েটা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী! স্বামী-সংসার কিছুই বুঝে না! একগ্লাস পানি আনতে বললে, গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে; পানি নিয়ে আসার বিষয়টাও বুঝে না! এমতাবস্থায় তিনি পড়লেন বিপাকে। এই মেয়েকে নিয়ে সংসার করার তো কোনো মানেই হয় না। আবার মেয়েটা অত্যন্ত গরিব। তালাক দিলে আর কেউ বিয়ে করবে না! অনেকদিন পর্যন্ত তিনি এভাবেই কাটিয়ে দিলেন। শেষমেশ তিনি তালাকই দিলেন!
আমার পরিচিত আরেক মাওলানা আছেন। তিনি বিয়ে করেছেন উঁচু খান্দানে। মেয়ের পরিবার প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বিয়ের পর দেখা যায়—মেয়েটার মধ্যে মেন্টালিটি প্রবলেম। পাগলাটে আচরণ করে স্বামীকে অতিষ্ঠ করে তোলে! এমনকী বকবক শুরু করলে আর শেষ করতেই চায় না! এতে করে বেচারার ঘুমনিদ্রা পর্যন্ত উবে গেছে! বেচারা এখন পড়েছেন বিপাকে। তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে ক্ষতিপূরণ চান। মেয়েকে তালাক দিতে চান কিংবা মাসনা করতে চান। কিন্তু শ্বশুরকুলের রক্তচক্ষুর কারণে কোনোটাই পারছেন না!
কোনো কোনো মেয়ের মধ্যে মৃগীরোগ থাকে। কারও মধ্যে অলটাইম ব্লিডিংয়ের সমস্যা থাকে। কারও মধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সার থাকে। কেউ কানে শোনে না। কারও মধ্যে খবিশ জিনের আসর থাকে। বিশেষ করে সুন্দরী মেয়েদের মধ্যে জিনের সমস্যাটাই বেশি হয়৷ আর এটা অনেকটাই মাদরাসা পড়ুয়া মেয়েদের মধ্যেই হয়। কোনো কোনো মেয়ের বিয়ের আগে অবৈধ রিলেশন থাকে; যা শারীরিক সম্পর্কে গিয়ে গড়ায়। ফলে মেয়ে আর কুমারী থাকে না।
এসবকিছুই মেজর প্রবলেম। এগুলো বিয়ের জন্য “আইব” বা “ত্রুটি” হিসেবে অভিহিত। *এগুলো গোপন রেখে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া হারাম। এটা স্পষ্ট ধোঁকা।* এরকম কোনো সমস্যা গোপন রেখে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া মানে বেচারা স্বামীকে ধোঁকা দেওয়া। আর সহিহ হাদিসে আছে, নবিজি বলেছেন, “যে ধোঁকা দেয়, সে আমার দলভুক্ত নয়!” (বুখারী)
এরকম সমস্যার ক্ষেত্রে নিয়ম হলো পাত্রপক্ষকে আগে মেয়ের সমস্যার ব্যাপারে অবহিত করা৷ এতে জেনে-বুঝে পাত্রপক্ষ রাজি থাকলে তো কথাই নেই। আর পাত্রপক্ষ না আগালে করার কিছু নেই। তবুও সমস্যা গোপন রেখে বিয়ে দেওয়া যাবে না। এই ধোঁকার কারণে পাত্রপক্ষ চাইলে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। এমনকী মোহরানাও ফিরিয়ে নিতে পারে। এই সুযোগ শরিয়তই পাত্রকে দিয়েছে।
আফসোস আমাদের সমাজের জন্য৷ বদদীনদের কথা না হয় বাদই দিলাম; সমাজের লেবাসধারী অনেক দীনদার লোক পর্যন্ত এভাবে ধোঁকা দিয়ে থাকে। মেয়ের বিয়ে না হবার ভয়ে অথবা সমাজে চক্ষুলজ্জার ভয়ে নিজেদের বড় কোনো সমস্যাগ্রস্ত মেয়েকে অন্যের হাতে তুলে দেন। তারা সমস্যার কথা একেবারেই চেপে যান! পরে স্বামী সমস্যার ব্যাপারে অবহিত করলে, এইসব কথিত দীনদারদের কেউ কেউ আবার সিনক্রিয়েট করেন। থানা-পুলিশের ভয় দেখান!
_*ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় ও সুন্দর করতে এ ২০টি নিয়ম মেনে চলুন*_
১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন। দুঃখ কষ্ট চেপে রেখে মুখের হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করবেন।
৩। বেশি শুনবেন, কম বলবেন।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চেয়ে নিন বা দুঃখ প্রকাশ করুন।
৬। অকারণে বেশি হাসি বা ঠাট্টা মশকরা করবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন, তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না। মনে রাখবেন, তর্কে জিতা নয় বরং তর্কে না জড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।
১০। কারো কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
১১। ধৈর্য ধরে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেউ ভুল করলে ক্ষমা করুন। অন্যের দোষ ঢেকে রাখুন। মানুষের প্রতি সুধারণা রাখুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে প্রাপ্য সম্মান দিন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, সম্ভব হলে সুবাসিত রাখতে চেষ্টা করবেন।
১৬। পারলে খাওয়ান, জোর করে খাবেন না। অন্যের জিনিসে লোভ করবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন। সুযোগ সুবিধা নিজে না নিয়ে অন্যদের দিয়ে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর দুর্গন্ধমুক্ত রাখুন। আপনার যা কিছুই আছে, পরিচ্ছন্ন পরিপাটি রাখুুন।
১৯। চরিত্র ও নৈতিকতা উন্নত রাখুন। নিজের অপারগতার কথা কাউকে জানাবেন না। প্রার্থনায়, সাজদায় পড়ে শুধু আল্লাহকেই বলুন।
২০। আচার ব্যবহারে বিনয়, ভদ্রতা ও নম্রতা বজায় রাখুন।
ইনশাআল্লাহ, ব্যক্তিত্ববান বলে গণ্য হবেন। মানুষের শ্রদ্ধা সম্মান সমীহ ও ভালোবাসা লাভ করবেন
Collected
*হঠাৎ করে কু-দৃষ্টিতে লিপ্ত ব্যক্তির ব্যাপারে ইন্টারনেট ব্যবহারের হুকুম প্রসংগে*
======
প্রশ্নঃ
এক ব্যক্তি নামাজী। এবং সে সুন্নতের অনুসারী। বিভিন্ন কারণে তার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয়। যেমন একাডেমিক, প্রফেসনাল প্রয়োজন। চাকরী খোঁজা, তথ্যমূলক বিষয়াদি খোঁজা ইত্যাদি। সে ইন্টারনেটে হকপন্থী বিভিন্ন সাইট থেকে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করে। এগুলো শেয়ার করে মানুষকে অবগত করে। এবং বাতিলপন্থীদের বিভিন্ন বক্তব্যের শিক্ষণীয় জবাবও প্রদান করে থাকে। এতে তার নিজের ও অন্যদের বেশ উপকার হয় বলে বাহ্যিকভাবে মনে হয়। কিন্তু সমস্যা হলো,হঠাৎ হঠাৎ অল্প সময়ের জন্য তার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এবং সে ইচ্ছকৃতভাবে চোখের খিযানত বা কু-দৃষ্টিতে লিপ্ত হয়। কিছুক্ষণ পর আবার তার চেতন ফিরে আসে। সে তাওবা করে এবং লজ্জিত হয়। আর কু-দৃষ্টি করবো না বলে প্রতিজ্ঞা করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ইচ্ছকৃতভাবে সেই গুনাহে লিপ্ত হয়।
উল্লেখ্য : ইন্টারনেট ব্যবহার করে বৈধ ও প্রয়োজনীয় উদ্দেশ্যে। কিন্তু হঠাৎ করে তা অন্যদিকে মোড় নেয়। সে নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং এরকম কু-দৃষ্টি ও অনুতপ্ত হওয়ার ঘটনা কিছুদিন পরপরই সংঘটিত হয়। গড়ে আনুমানিক সপ্তাহে বা মাসে দুই /তিনবার বা তার কম বেশি। এঅবস্থায় সে মাঝেমাঝে ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে একেবারে বিরত হতে চায়। কিন্তু তার উপকারী ও প্রয়োজনীয় দিকগুলোর কারনে আবার বিরত হয় না। আলোচ্য ব্যক্তির জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের হুকুম কি? যদি না জায়েজ হয়,তাহলে তা কত দিন কত মাস পর্যন্ত বহাল থাকবে।
بسم الله الرحمن الرحيم
উত্তরঃ
কু-দৃষ্টি একটি জঘন্য ও ভয়ংকর অপরাধ। এর থেকে বহু গোনাহের সূচনা হয় ৷হাদীসে এই কু -দৃষ্টি সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে ” কু- দৃষ্টি শয়তানের একটি বিষাক্ত তীর। যে আল্লাহর ভয়ে তা থেকে বিরত থাকবে আল্লাহ তাকে এমন ঈমান দান করবেন যার মিষ্টতা সে অনুভব করবে’ (তারগীব ৩/৯২পৃষ্ঠা) এ বিষয়ে আরো বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং এমন জঘন্য অপরাধ থেকে বেচে থাকা সকলের জন্যই আবশ্যক। অতএব, প্রশ্নে আলোচ্চ্য ব্যক্তির যদিও ইন্টারনেট ব্যবহার করার কিছু যৌক্তিক প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এই প্রয়োজন অবশ্যই অন্যভাবে পূরণ করা সম্ভব। অপরদিকে যেহেতু তিনি কু -দৃষ্টির মত একটি ভয়ংকর অপরাধ থেকে বিরত থাকতে সক্ষম হচ্ছেনা তাই আত্মনিয়ন্ত্রণ অর্জন করা পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহার না করাই তার জন্য সঙ্গত।
উল্লেখ্য, কু-দৃষ্টি থেকে বাচাঁর জন্য বা আত্মনিয়ন্ত্র অর্জনের জন্য অপরিহার্য হল আল্লাহ ওয়ালা কোন আলেমের সোহবত গ্রহণ করে দীর্ঘ সাধনা করা। আর এসব কিছুর জন্যই সর্বপ্রথম সদিচ্ছার প্রয়োজন।
উৎসঃ https://www.jamiatulasad.com/?p=4650&
