এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
أَخْبَرَنِيْ سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَوْمَ خَيْبَرَ لَأُعْطِيَنَّ هَذِهِ الرَّايَةَ غَدًا رَجُلًا يَفْتَحُ اللهُ عَلَى يَدَيْهِ يُحِبُّ اللهَ وَرَسُوْلَهُ وَيُحِبُّهُ اللهُ وَرَسُوْلُهُ
সাহ্ল ইব্নু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
খাইবারের যুদ্ধে একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আগামীকাল সকালে আমি এমন এক লোকের হাতে ঝাণ্ডা তুলে দেব যার হাতে আল্লাহ খাইবারে বিজয় দান করবেন যে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলকে ভালবাসে এবং যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল ভালবাসেন।
قَالَ فَبَاتَ النَّاسُ يَدُوْكُوْنَ لَيْلَتَهُمْ أَيُّهُمْ يُعْطَاهَا فَلَمَّا أَصْبَحَ النَّاسُ غَدَوْا عَلَى رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم كُلُّهُمْ يَرْجُوْ أَنْ يُعْطَاهَا
সাহ্ল (রাঃ) বলেন, মুসলিমগণ এ জল্পনায় রাত কাটালো যে, তাদের মধ্যে কাকে দেয়া হবে এ ঝাণ্ডা। সকালে সবাই রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আসলেন, আর প্রত্যেকেই তা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন।
فَقَالَ أَيْنَ عَلِيُّ بْنُ أَبِيْ طَالِبٍ فَقِيْلَ هُوَ يَا رَسُوْلَ اللهِ يَشْتَكِيْ عَيْنَيْهِ قَالَ فَأَرْسَلُوْا إِلَيْهِ فَأُتِيَ بِهِ فَبَصَقَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِيْ عَيْنَيْهِ وَدَعَا لَهُ فَبَرَأَ حَتَّى كَأَنْ لَمْ يَكُنْ بِهِ وَجَعٌ فَأَعْطَاهُ الرَّايَةَ فَقَالَ عَلِيٌّ يَا رَسُوْلَ اللهِ أُقَاتِلُهُمْ حَتَّى يَكُوْنُوْا مِثْلَنَا فَقَالَ انْفُذْ عَلَى رِسْلِكَ حَتَّى تَنْزِلَ بِسَاحَتِهِمْ ثُمَّ ادْعُهُمْ إِلَى الإِسْلَامِ وَأَخْبِرْهُمْ بِمَا يَجِبُ عَلَيْهِمْ مِنْ حَقِّ اللهِ فِيْهِ فَوَاللهِ لَأَنْ يَهْدِيَ اللهُ بِكَ رَجُلًا وَاحِدًا خَيْرٌ لَكَ مِنْ أَنْ يَكُوْنَ لَكَ حُمْرُ النَّعَمِ
তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, 'আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) কোথায়? সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! তিনি তো চক্ষুরোগে আক্রান্ত। তিনি বললেন, তার কাছে লোক পাঠাও। সে মতে তাঁকে আনা হল। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উভয় চোখে থুথু লাগিয়ে তার জন্য দু'আ করলেন। ফলে চোখ এমন ভাল হয়ে গেল যেন কখনো চোখে কোন রোগই ছিল না। এরপর তিনি তার হাতে ঝাণ্ডা প্রদান করলেন। তখন 'আলী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রসূল! তারা আমাদের মতো (মুসলিম) না হওয়া পর্যন্ত আমি তাদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাব। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বর্তমান অবস্থায়ই তাদের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে হাজির হও, এরপর তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের প্রতি আহবান করো, আল্লাহ্র অধিকার প্রদানে তাদের প্রতি যে দায়িত্ব বর্তায় সে সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত কর। কারণ আল্লাহ্র কসম! তোমার দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ যদি মাত্র একজন মানুষকেও হিদায়াত দেন তাহলে তা তোমার জন্য লাল রঙের (মূল্যবান) উটের মালিক হওয়ার চেয়ে উত্তম। সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৪২১০
উদাহরণ-২
عن وائل بن حجر
أُتيَ النَّبيُّ ﷺ بِدَلْوٍ مِن ماءٍ، فشرِبَ منه، ثم مَجَّ في الدَّلْوِ، ثم صَبَّ في البِئرِ، أو شرِبَ مِنَ الدَّلْوِ، ثم مَجَّ في البِئرِ، ففاحَ منها مِثلُ ريحِ المِسكِ
নবিজী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে পানিভর্তি বালতি আনা হলো, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখান থেকে পানি পান করলেন, অতঃপর কুলি করে মুখ থেকে পানি ফেললেন। সেখান থেকে মেশক আম্বরের ঘ্রাণ আসতে লাগল।
وأحمد ١٨٨٣٨
তেরো,
দাড়ি মোবারক,
كَثَّ اللحيةِ
ঘন দাড়ি।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
চৌদ্দ,
গর্দান মোবারক,
كأنَّ عُنُقَهُ جِيدُ دُمْيَةٍ في صَفاءِ الفِضَّةِ
তাঁর গর্দান মোবারক মুতির মত সুন্দর এবং খোলা রুপার মত উজ্জ্বল।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
পনেরো.
وَرَأَيْتُ الْخَاتَمَ عِنْدَ كَتِفِهِ مِثْلَ بَيْضَةِ الْحَمَامَةِ يُشْبِهُ جَسَدَهُ
আমি তাঁর পিঠের উপরিভাগে কবুতরের ডিম সদৃশ নুবূওয়াতের মোহর দেখেছি।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৭৮
(২৩৪৪ মাদ্রাসা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে)
ষোল.
বুক মোবারক,
عريض الصدر
বুক প্রশস্ত ছিল।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
ولا بِالْمُكَلْثَمِ، وكان في الوجْهِ تَدْوِيرٌ أبيضَ مُشْرَبًا
তাঁর মুখাবয়ব সম্পূর্ণ গোলাকার ছিল না, বরং কিছুটা গোলাকার ছিল।
তিরমিজি-৩৬৩৮
উদাহরণ-৩
أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ سَمُرَةَ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ..وَكَانَ كَثِيرَ شَعْرِ اللِّحْيَةِ فَقَالَ رَجُلٌ وَجْهُهُ مِثْلُ السَّيْفِ قَالَ لاَ بَلْ كَانَ مِثْلَ الشَّمْسِ وَالْقَمَرِ وَكَانَ مُسْتَدِيرًا
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ..তাঁর দাড়ি প্রচুর ঘন ছিল। জনৈক লোক বলল, তাঁর চেহারা ছিল তরবারির ন্যায়। জাবির (রাঃ) বললেন, না, তাঁর চেহারা ছিল সূর্য ও চন্দ্রের ন্যায় (উজ্জ্বল) গোলাকার। এটির রং ছিল তাঁর গায়ের রংয়ের মতো।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৭৮
(২৩৪৪ মাদ্রাসা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে)
উদাহরণ-৪
عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي لَيْلَةٍ إِضْحِيَانٍ فَجَعَلْتُ أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَإِلَى الْقَمَرِ وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ حَمْرَاءُ فَإِذَا هُوَ عِنْدِي أَحْسَنُ مِنَ الْقَمَرِ .
জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেনঃ এক জোছনা রাতে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাকিয়ে দেখলাম। তাঁর পরনে ছিল একজোড়া লাল রং-এর পোশাক। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দিকে এবং চাঁদের দিকে তাকাতে লাগলাম। তিনিই আমার কাছে চাঁদের চাইতে অধিক সুন্দর মনে হল।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৮১১
উদাহরণ-৫
يَتَلَأْلَأُ وجهُه تَلَأْلُؤَ القمرِ ليلةَ البدرِ
তাঁর চেহারা মোবারক পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল ছিল
الجامع الصغير ٦٤٧٥
ছয়.
কপাল মোবারক,
واسِعَ الجَبِينِ
ললাট ছিল প্রশস্ত।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
সাত,
ভ্রু মোবারক,
أَزَجَّ الحواجبِ، سَوابِغَ في غيرِ قَرَنٍ، بينهما عِرْقٌ يُدِرُّهُ الغضبُ
ভ্রুদ্বয় বক্র, সরু ও ঘন ছিল। উভয় ভ্রু পৃথক পৃথক ছিল, একটি অপরটির সাথে সংযোজিত ছিল না। ভ্রুদ্বয়ের মাঝে একটি রগ ছিল, রাগ যাকে স্ফিত করে তুলত।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
আট.
ছোখ মোবারক,
كانَ رسولُ اللهِ ﷺ ..عَظيمَ العَينيْنِ
ডাগর চোখ বিশিষ্ট,
صحيح الأدب المفرد ٩٨٨
أدْعَجَ العيْنَيْنِ
চোখের মনি কালো ছিল,
তিরমিজি-৩৬৩৮
أَشْكَلَ الْعَيْنَيْنِ
চোখ দু’টি ছিল লাল (চোখের কিনারা ছিল দীর্ঘ)।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৪৬
عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ..وَكُنْتُ إِذَا نَظَرْتُ إِلَيْهِ قُلْتُ أَكْحَلَ الْعَيْنَيْنِ وَلَيْسَ بِأَكْحَلَ
জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেনঃ
আমি তাঁর দিকে তাকালে মনে হত তিনি উভয় চোখে সুরমা লাগিয়েছেন। অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চোখে সুরমা লাগানো থাকত না। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৪৫
নয়.
নাক মোবারক,
أَقْنى العِرْنِينِ، له نورٌ يَعْلُوهُ يَحْسَبُهُ مَن لم يَتَأَمَّلْهُ أَشَمَّ
তাঁর নাক মোবারক কিছুটা উচুঁ ছিল, তাতে একটা নুর চমকাত।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
দশ.
গাল মোবারক,
سَهْلَ الخَدَّيْنِ
গাল মোবারক সমান ছিল
الجامع الصغير ٦٤٧٥
এগারো.
দাত মোবারক,
مُفَلَّجَ الأسنانِ
সামনের দন্তরাজিতে কিছুটা ফাকা ছিল।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
বারো,
থুথু মোবারক,
উদাহরণ-১
*গর্ভবতী মাকে/বিবিকে/বোনকে নাটক সিনেমা নিয়ে চিন্তার পরিবর্তে হাবীবুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাথা মোবারক থেকে পা মোবারক পর্যন্ত ভাবনার ব্যবস্থা করে দেন। সন্তানের উপর প্রভাব পড়বে ইন শা আল্লাহ।*
ভুমিকা,
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দেহ মোবারক,
كان رسولُ اللهِ أبيضَ ، كأنما صِيغَ من فضةٍ
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এত সৌন্দর্যময় ছিলেন, মনে হত তার দেহ রুপা দ্বারা গঠিত।
الجامع الصغير ٦٤٥٢
এক.
মাথা মোবারক,
عليٍّ رضي الله عنه قال: كان النبي صلى الله عليه وسلم ضخم االرأس
মাথা মোবারক তুলনামূলক বড় ছিল। দেখতে খুব সুন্দর লাগত।
তিরমিজি-৩৬৩৭
দুই.
চুল মোবারক,
كانَ رَسولُ اللهِ ﷺ كَثيرَ شَعَرَ الرَّأسِ
চুল ঘন ছিল,
«زوائد المسند» (٩٤٤)
তিন.
চুল কেমন দেখতে?
عن أنس
وَلَا بِالْجَعْدِ الْقَطَطِ وَلَا بِالسَّبِطِ
অধিক কোকড়ানো না, আবার একবারে লম্বা ছিলনা।
মুসলিম-২৩৪৭
তাহলে কেমন ছিল?
عن أبي هريرة رضي الله عنه
كان رسول الله صلى الله عليه وسلم رَجِلَ الشَّعْرِ
তার চুল মোবারক ঈষৎ ঢেউ খেলানো ছিল।
الجامع الصغير ٦٤٥٢
إنِ انْفَرَقَتْ عَقِيقَتُه فَرَقَ، وإلا فلا
যদি অনায়েসে সিথি এসে যেত তাহলে সিথি কাটতেন, অন্যথায় ইচ্ছে করে সিথি কাটতেন না,
الجامع الصغير ٦٤٧٥
قَدْ شَمِطَ مُقَدَّمُ رَأْسِهِ وَلِحْيَتِهِ وَكَانَ إِذَا ادَّهَنَ لَمْ يَتَبَيَّنْ وَإِذَا شَعِثَ رَأْسُهُ تَبَيَّنَ
চুল এবং দাড়ির সামনের অংশ সাদা হয়ে গিয়েছিল। তিনি যখন তেল দিতেন (সাদা) চুল তখন দেখা যেত না, আর যখন চুল অগোছালো হত তখন (সাদা) দেখা যেত।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৭৮
(২৩৪৪ মাদ্রাসা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে)
চার.
চুলের পরিমাপ,
অফরাহ
১- কানের অর্ধেক পর্যন্ত ঝুলানো ছিল।
عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ شَعَرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চুল তাঁর দু’ কানের অর্ধেক পর্যন্ত ঝুলানো ছিল।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৬৩
(২৩৩৮ মাদ্রাসা পাঠ্যপুস্তক অনুসারে)
২-দু’কান ও দু’কাঁধের মাঝ পর্যন্ত।
লিম্মা,
عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ ـ رضى الله عنه ـ عَنْ شَعَرِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ شَعَرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجِلاً، لَيْسَ بِالسَّبِطِ، وَلاَ الْجَعْدِ، بَيْنَ أُذُنَيْهِ وَعَاتِقِهِ
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চুল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চুল মধ্যম ধরনের ছিল- না একেবারে সোজা, না বেশী কোঁকড়ানো। আর তা ছিল দু’কান ও দু’কাঁধের মাঝ পর্যন্ত।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৯০৫
৩-কাঁধ পর্যন্ত লম্বা হতো।
জুম্মা,
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، كَانَ يَضْرِبُ شَعَرُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَنْكِبَيْهِ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চুল (কখনও) কাঁধ পর্যন্ত লম্বা হতো।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৯০৪
পাচ.
চেহারা মোবারক,
উদাহরণ-১
عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْسَنَ النَّاسِ وَجْهًا وَأَحْسَنَهُ خَلْقًا، لَيْسَ بِالطَّوِيلِ الْبَائِنِ وَلاَ بِالْقَصِيرِ.
বারাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারা ছিল মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সুন্দর এবং তিনি ছিলেন সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী। তিনি বেশি লম্বাও ছিলেন না এবং বেঁটেও ছিলেন না।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩৫৪৯
উদাহরণ-২
Repost from 🌍ইসলামী প্রশ্নের উত্তর চ্যানেল🌍
উত্তাল নদীতে মাঝি ছাড়া নৌকা যেমন,প্রবাসী স্বামীদের স্ত্রীদের হালাত তেমন।
-----তবে ভালো মানুষ ও আছে।
থার্টিফার্স্ট নাইটের বিষাক্ত ছোবল থেকে নিজেকে বাঁচাই এবং নিজের অধীনস্থদেরকে বাঁচাই-
১
"থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন" এই কাজটিকে খারাপ মনে করা চাই। আফসোসের বিষয় বহু মুসলমান এই কাজটাকে খারাপ তো মনে করেই না। বরং তারা এই রাতটাকে উল্লাসের সাথে উদযাপন করে। নাউজুবিল্লাহ
২
আমরা নিজেরা এতে অংশগ্রহণ করব না। নিজের অধীনস্থ স্ত্রী-সন্তান যাতে এরকম অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
৩
আমরা অনলাইনে হেপি নিউ ইয়ার অথবা শুভ নববর্ষ ইত্যাদি কোনো রকম পোস্ট দিব না।
৪
একে অপরকে শুভ নববর্ষ বা হ্যাপি নিউ ইয়ার এর শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকব। নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে কাউকে মেসেজ পাঠাবো না।
৫
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে কেউ যদি আমার নিকট মেসেজ পাঠায় তাহলে আমি সেটাকে লাইক দিব না বরং তাকে আমি দুই কথা বুঝিয়ে বলব, এমন কাজ না করা উচিত।
৬
এই রাতে বেশি বেশি ইস্তেগফার করা চাই। কারণ এই রাত্রে সারা দুনিয়া জুড়ে গোনাহর সয়লাব হয়ে যায়। এক রাতেই এত বেশি গুনাহ হয়, যেটা অন্যান্য সাধারণ রাত্রির চাইতে অনেক বেশি।
৭
অনেক অফিসের অফিস প্রধান অতি উৎসাহী হয়ে থাকে। তাই সে নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে এই ধরনের প্রোগ্রামের আয়োজন করে থাকে। সেখানে গান-বাজনা ফুর্তি খাওয়া-দাওয়া হাসি তামসার পরিবেশ কায়েম করে। এই ধরনের শরীয়ত গর্হিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সব লোক যে পরিমাণ গুনাহ কামাই করে, অফিসের প্রধান কর্মকর্তা নিজে একা সেই পরিমান গুনাহ কামাই করে; যেহেতু সে উদ্যোক্তা এবং আয়োজক।
এ ধরনের প্রোগ্রাম থেকে নিজেকে বাঁচাতে হবে। প্রয়োজনে কোনো কৌশল অবলম্বন করা চাই।
29.12.2020
রবিউল আকরাম
Whatsapp এ
"ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে জয়েন হোন নিচের লিংকে https://chat.whatsapp.com/DtaWMZGNhlQGpu4OYZhuyr
#আলোকিত_জীবন পোষ্ট নং ২২৮/৪৫১ অডিও নং ১৪৭৩
"যারা আল্লাহ ছাড়া বহু অভিভাবক গ্রহণ করে, তাদের দৃষ্টান্ত মাকড়সার ন্যায়, যে ঘর বানায়। আর ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই তো দু্র্বলতম, যদি তারা জানত ।"
সূরা আনকাবুত
আয়াত ৪১
একটি ভয়ঙ্কর বাস্তবতা-০১
আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরেই বেশীরভাগ গ্রামের মসজিদে ফজরের নামাযের পরে মুসলিম বাচ্চাদের জন্য মক্তব ভিত্তিক কুরআন শিক্ষার ধারা চলে আসছে। যা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই মক্তবগুলোতে আমাদের ছোট্ট বাচ্চারা কুরআন শিখতে আসে। শহরে যদিও এই ধরণের মক্তব কম তবুও বিভিন্ন মসজিদে দিনের অন্য সময়ে (যেমন-জোহর বা আসরের নামাযের পরে) আমাদের ছেলে মেয়েরা কুরআন পড়তে আসে। কখনো বা দল বেঁধে আবার কখনো বা একা। যারা এসকল মসজিদের দায়িত্বে থাকেন তারাই তাদেরকে পড়ান। কখনো বা মসজিদের ভেতরে কখনো বারান্দায় আর কখনো বা নিজের নির্জন কক্ষে।
দু:খজনক হলেও সত্য যে, যেসকল বাচ্চারা এ ধরণের মক্তবে পড়তে আসে তাদের বড় একটা অংশ হচ্ছে আমাদের কোমলমতি মেয়েরা। একটু সন্ধানী দৃষ্টি দিলেই দেখা যায় যে, এই মেয়েদের অনেকেই অনেকটা বড় হয়ে পরে পড়তে আসে। যদিও বা অনেকের উপর পর্দা তখনো ফরজ হয় না কিন্তু তাদের দৈহিক গঠন দ্রুত পরিবর্তন হওয়ার কারণে তাদের থেকেও দূরত্ব বজায় রাখা জরুরী হয়ে যায়। এই সাবধান দূরত্ব বজায় না রাখার ফলশ্রুতিতে অনেক মক্তবের দায়িত্বশীল নানা গুণাহে জড়িয়ে পড়ে।
আর যদি এসব মেয়েদেরকে নির্জন কক্ষে পড়ানো হয় তাহলে তো ভয়ঙ্কর অবস্থা! এমনকি অনেক বালেগা মেয়েও মক্তবে পড়তে আসে যা আরোও ভয়ঙ্কর!
এক্ষেত্রে আমরা যারা দায়িত্বশীল তাদের কর্তব্য হচ্ছে এবিষয়ে অবিভাবকদেরকে বুঝিয়ে বলা। আর অভিবাবকদের দায়িত্ব হচ্ছে এধরণের মেয়ে বাচ্চাদেরকে নিজেরা তা'লীমের ব্যবস্থা করা। আর নিজেরা সক্ষম না হলে কোন দ্বীনদার মহিলার মাধ্যমে তা'লীমের ব্যবস্থা করা।
যারা বুদ্ধিমান তাদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট...
আল্লাহ তাআলা আমদেরকে হিফাজত করেন।
ক্ষণিকের মেহমান🕯
২১/১২/২৩ ঈসায়ী বৃহ:স্পতিবার
https://t.me/pathofisla
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
দরুদ শরীফ লেখার ব্যাপারে আর কত কৃপণতা করবো আমরা? আফসোস আমাদের আকল এর উপর।
সন্তান আমার, সিদ্ধান্ত আমাকেই নিতে হবে...
একদিন আমার একজন দ্বীনী সাথী ভাই কথা প্রসঙ্গে তার একটি ঘটনা শোনালেন। উনি বলেন, একদিন আমার বড় মেয়েকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন তার বয়স দুই/আড়াই বছর ছিলো। আমি তখন আমার কর্মস্থলে ছিলাম। অনেকক্ষণ খোঁজার পরে আমার স্ত্রী দেখল আশেপাশের কোন এক খালি ঘরে আমার এক নিকটাত্মীয় ছোট ভাই আমার মেয়ের পায়জামা খোলার চেষ্টা করছে। পরে আমার স্ত্রী তাড়াতাড়ি করে তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসে।
এই হলো মূল ঘটনা। এই ঘটনা থেকে কিছু শিক্ষণীয় বিষয় আছে।
০১. নিজের সন্তানের ব্যাপারে সর্বদা সজাগ থাকা
০২. নিজের সন্তানকে চোখের সামনে রাখা
০৩. অন্য কারো কুনজর লাগার আশংকা হলে তার থেকে দূরে রাখা যদিও সে কাছের বিশ্বস্ত আপনজন হয়
০৪. বিশেষ করে মেয়ে সন্তানের ব্যাপারে অধিক সতর্ক থাকা
০৫. পর্দা ফরজ না হলেও মেয়ে সন্তানকে এমন পোশাক না পড়ানো যাতে অন্য কেউ খারাপ চিন্তা করার সুযোগ পায়
০৬. হাদীসে পাকের সেই পবিত্র শিক্ষার কথা মনে রাখা যে, ছোট্ট বাচ্চা তথা দাঁড়ি মোচ বিহীন ছেলে বা মেয়েদের থেকে যেমন নিজেরা দূরে থাকা তেমনি অন্য কেউ যেনো এই ফেতনায় না জড়িয়ে পড়ে সেদিকেও তীক্ষ্ণ নজর রাখা।
০৭. নিজের সন্তানকে তার কল্যাণের জন্য মাঝে মাঝে বিভিন্নভাবে যাচাই করা
এছাড়াও আরো অনেক শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। যারা বুদ্ধিমান তাদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।
আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সন্তানদেরকে আমাদের নাজাতের উসিলা বানান। আমিন।
ক্ষণিকের মেহমান🕯
১৮/১২/২৩ ঈসায়ী সোমবার
এসো সংশোধনের পথে...
একটি মারাত্মক গলদ কথা
অনেকেই কোন কথা বা কাজ প্রসঙ্গে বলে ফেলে যে, এটা কি বাইবেল নাকি! অর্থাৎ এই কথার অর্থ যেনো এমন যে, বাইবেল যেমন অপরিবর্তনীয় (অথচ খ্রিস্টানরা এখন তা পরিবর্তন করে ফেলেছে ফলে তা আর আসল আসমানী কিতাব নয়) এই কথা বা কাজ কি তেমনি অপরিবর্তনীয় যে এটাই করতে হবে?
এটা একটা মারাত্মক গলদ কথা।
আয় আল্লাহ্! আমাদেরকে সঠিক পথের দিশা দিন এবং এর উপর আমৃত্যু কায়েম রাখেন।
ক্ষণিকের মেহমান
০৮/১২/২৩ ঈসায়ী
https://t.me/pathofisla
Repost from আপনার প্রশ্ন ও আমাদের জবাব( মহিলা গ্রুপ )
ফাসেক প্রকৃতির মহিলারা ইন্টারনেটে ঘুরে ঘুরে পুরুষ বক্তাদের ওয়াজ শুনে।
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
একবার নবীকন্যা রুকাইয়া রা. স্বামী উসমানের সাথে রাগ করে নবীজি ﷺ এর কাছে চলে আসেন। স্বামীর নামে অভিযোগ জানাতে। নবীজি ﷺ তার চেহারা দেখেই কিছু একটা অনুমান করেন। বললেন,
: তুমি কি স্বামীর সাথে রাগ করে এসেছ?
:: জী হ্যা।
: *এক্ষুনি ফিরে যাও। এক্ষুনি!*
এরপর রুকাইয়া রা. ফিরে যান। আর কখনো স্বামীর সাথে রাগ করে ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস হয়নি।
[ সীরাতে খাতামুল আম্বিয়াঃ১৪]
মেয়ে যদি কখনো স্বামীর সাথে রাগ করে চলে আসে, বাবা-মায়ের উচিৎ তাকে তৎক্ষনাৎ স্বামীর ঘরে ফেরত পাঠানো। আশ্রয় কিংবা প্রশ্রয় না দেয়া। হ্যা, তবে যদি সেই ছেলের সাথে নিজের মেয়েকে চূড়ান্ত ভাবে রাখতে না চান, তাহলে ভিন্ন কথা। আমি তো বলি- বিয়ের পর মেয়েকে বেশিদিন নিজের বাড়িতে বেড়াতে না দেয়া। যত মায়াই থাকুক। মেয়ে থাকতে চাইলে কৌশল অবলম্বনার্থ্যে কটু আচরণ করা, যেন সে স্বামীর ঘরটাই অধিক আপন ভাবে!
collected
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*🌺🌼🌹 https://chat.whatsapp.com/DqWgu4ZW8a75zt0yzmq8yp
whatsapp গ্রুপে
*নিয়মিত পোস্ট পেতে যুক্ত হওয়ার জন্য 01780 290 291 নাম্বারে "পুরুষ/মহিলা গ্রুপে এড হতে চাই" লিখে মেসেজ করতে পারেন। কল দিবেন না দয়া করে।*
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
কোনো ব্যক্তির জন্য তার কোনো মুসলিম ভাইকে হেয় ও ক্ষুদ্র জ্ঞান করার মত অপকৰ্ম আর নাই। [মুসনাদে আহমাদ: ১৬/২৯৭, ৭৭৫৬]
পুরানা যে মহান বুযুর্গানে দ্বীন ছিলেন, ওলামায়ে দ্বীন ছিলেন, ঐ সকল মানুষরা দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পর বর্তমান সময়ে এমন ভয়ংকর শূন্যতা বিরাজমান যার মধ্যে একটু কিছু এলেম থাকলেই, একটু কোরআন শরীফের ব্যাখ্যা শিখলেই, একটু আরবীতে ভাষণ দিতে পারলেই, আরবীতে দুই তিনটা বই লিখতে পারলেই, কয়েকটা ইসলামী বই-পুস্তক পড়তে পারলেই এক একজনের সম্পর্কে এরকম মনে করা হয় যে, ইনি এমন এক মহান চিন্তাবিদ উনার প্রত্যেকটা হরফ সঠিক, উনার প্রত্যেকটা আচরণ সঠিক, প্রত্যেকটা পদক্ষেপ সঠিক, একদম এটা ইসলামের নমুনা।
এটা কখনোই হতে পারে না। যদি সেটা কোরআনের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম এর আদর্শের বিপরীত হয় তাহলে নির্দ্বিধায় সেটা প্রত্যাখ্যান করে দিতে হবে। সেটা যার বিষয়েই হোক না কেন, যার কর্মকাণ্ডই হোক না কেন। দ্বীন উপরে, ইসলাম উপরে। আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম এর সুন্নাহ সবকিছুর ঊর্ধ্বে। কোরআন সবকিছুর ঊর্ধ্বে। সেটা আমাদেরকে মনে রাখতে হবে।
কোরআন সুন্নাহ নিজে বুঝা এবং সেই মোতাবেক চলা এতটুকু আল্লাহপাক গ্রহণ করেন না। বরং তুমি কোরআন সুন্নাহ, দ্বীন এবং ইসলাম যে বুঝলে, মানলে এবং জীবনে তা বাস্তবায়িত করলে সেটা সাদেকীনের নমুনার সাথে মিলে কি না? সেটারও আল্লাহ হুকুম করেছেন যে,
اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
বড় কঠিন সময় এখন চলছে। এই সময় এমন সব আলেম মানুষ বের হয়েছে যে, যে আলেম মানুষদের কথাবার্তা আমাদের আকাবিরে দ্বীনের সঙ্গে মিলে না। ...
11-11-2022 Before Juma, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম
#KhanqahBD #ShahAbdulMatinBinHusain
