এসো সংশোধনের পথে
رفتن به کانال در Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
نمایش بیشتر801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
MUSCLE, NOKIA, POLO, MCDONALD’S, WYETH, REVLON, HEINZ, TOMATO KETCHUP, TESCO, SCOFF, SUNKIST, STARBUCK’S COFFEE, ARMAN, QUAKER, MILO, WORLD DISNEY, NATIONAL GEOGRAPHIC, CARREFOUR, KRAFT, KITKAT, PIZZA HUT, BUM, AW, NESLAC HONEY, NESTEA, HP, GUCCI, MATTEL, CNN, GUESS, NESTUM, DANONE, CITIBANK, CALTEX, LEXMARK, NESCAFE, INTEL INSIDE, NESTLE, FOX’S, IEE, HUGGIES, FORD, DKNY, REVLON, LEVI’S, PARKER, REEBOK, MAGGI, KFC, LAYS, HUGO, KIWI, GILLETTE, GARNIER, GAP, BURGER KING, VASELINE, MOTOROLA, RED BULL, IBM, PAMPERS, DOVE, LIFEBUOY, OREO
https://islamidars.com/news/74795df4-6b8a-4d72-9c8e-9fcf0352a009
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
ইসরাইলী পন্য বর্জন: একটি ঈমানী দায়িত্ব
একটি ঈমানী দায়িত্ব
হামাস যোদ্ধারা যেহেতু মুসলমান। আর ফিলিস্তিনে বহিরাগত দুশমনরা আক্রমণ করেছে। তাই সেখানকার সকলের জন্যই মুসলিম অধ্যুষিত ভূমি রক্ষা করার জিহাদে অংশগ্রহণ করা ফরজে আইন। সেই ফরজে বিধান বাস্তবায়নকারী হামাস যোদ্ধারা অবশ্যই মুজাহিদ। তবে তাদের আদর্শ যদি ইসলাম কায়েম না হয়, তাহলে সেটাকে জুলুমের প্রতিবাদে মজলুমের প্রতিরোধ হিসেবেও সওয়াবের কাজ হিসেবে পরিগণিত। আর এটাও জিহাদের অন্তর্ভূক্ত বিষয়। সুতরাং এক্ষেত্রেও তারা মারা গেলে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। আর যদি ইসলামী খিলাফাত কায়েমের নিয়তে করে থাকে, তাহলে এটি ইসলামের প্রকৃত জিহাদের অন্তর্ভূক্ত হিসেবে তারা প্রকৃত মুজাহিদ হিসেবে গণ্য হবেন।
যেহেতু ইজরাইলী পণ্য ক্রয় করার দ্বারা তাদের এক প্রকার সহযোগিতা করা হয়। যার উপার্জিত অর্থ দিয়ে দ্বারা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, গোলাবারুদ ইত্যাদিতে ব্যবহার করছে। তাই ইজরাইলী পণ্য বয়কট করা ঈমানের দাবী। সেই সাথে মুসলমানদের জন্য এটা আত্মমর্যাদার বিষয়। সুতরাং ইজরাইলী পণ্য নির্দিষ্ট করে তা বয়কট করা প্রতিটি ঈমানদারদের জন্য জরুরী।
أُذِنَ لِلَّذِينَ يُقَاتَلُونَ بِأَنَّهُمْ ظُلِمُوا ۚ وَإِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ نَصْرِهِمْ لَقَدِيرٌ [٢٢:٣٩]
যাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা হচ্ছে, তাদেরকে অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে (তারা নিজেদের প্রতিরক্ষার্থে যুদ্ধ করতে পারে)। যেহেতু তাদের প্রতি জুলুম করা হয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদেরকে জয়যুক্ত করতে পরিপূর্ণ সক্ষম। [সূরা হজ্জ-৩৯]
وَقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ [٢:١٩٠]وَاقْتُلُوهُمْ حَيْثُ ثَقِفْتُمُوهُمْ وَأَخْرِجُوهُم مِّنْ حَيْثُ أَخْرَجُوكُمْ [٢:١٩١]
আর লড়াই কর আল্লাহর ওয়াস্তে তাদের সাথে, যারা লড়াই করে তোমাদের সাথে। অবশ্য কারো প্রতি বাড়াবাড়ি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে পছন্দ করেন না। আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে। [সূরা বাকারা-১৯০-১৯১]
قال بعضهم: الجهاد قبل النفير تطوع وبعد النفير يصير فرض عين، وعامة الماشئخ رحمهم الله تعالى قالوا: الجهاد فرض على كل حال، غير أنه قبل النفير فرض كفاية، وبعد النفير فرض عين، هو الصحيح، ومعنى التفسير أن يخبر أهل مدينة ان العدو قد جاء يريد أنفسكم وذراريكم وأموالكم فإذا أخبروا على هذا الوجه افترض على كل من قدر على الجهاد من أهل تلك البلدة أن يخرج للجهاد (الفتاوى الهندية-2/188، جديد-2/205، رد المحتار، زكريا-6/199، كرتاشى-4/122)
عن سعيد بن زيد عن النبى -صلى الله عليه وسلم- قال : « من قتل دون ماله فهو شهيد ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد
হযরত সাঈদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন-“যে ব্যক্তি নিজ সম্পত্তি রক্ষায় নিহত হয় সে শহীদ। যে ব্যক্তি নিজ পরিবার রক্ষায় নিহত হয় সেও শহীদ। অথবা প্রাণ রক্ষায় কিংবা দ্বীন রক্ষায় নিহত হয় সেও শহীদ। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং-৪৭৭৪, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১৬৫২)
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَىٰ ۖ وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ
সৎকর্ম ও খোদাভীতিতে একে অন্যের সাহায্য কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না। [সুরা মায়েদা-২]
নিচে কিছু ইসরাইলী পন্য ও বিকল্প পণ্যের তালিকা দেয়া হলোঃ
জুতা: ইসরাইলী পণ্য: Bata; বিকল্প পণ্য: Apex/Jenis/Modily/Bay/Orion.
শ্যাম্পু: ইসরাইলী পণ্য: Clear/Sunsilk/Dove; বিকল্প পণ্য: Meril/Codomo.
ওয়াশিং পাউডার: ইসরাইলী পণ্য: Surf Excel/Wheel/Rin; বিকল্প পণ্য: Fast wash/Chaka/Tibbet/Keya.
ক্রিম/বডি লোশন: ইসরাইলী পণ্য: Vaseline/Dove/Pond’s/Glow & Lovely; বিকল্প পণ্য: Nivea/Meril/Cute.
বেবি লোশন: ইসরাইলী পণ্য: Johnson & Johnson; বিকল্প পণ্য: Meril/Tibbet.
নুডলস: ইসরাইলী পণ্য: Meggi; বিকল্প পণ্য: Cocola/Sojib.
কোল্ড ড্রিংকস: ইসরাইলী পণ্য: CocaCola/Pepsi/Sprite/Fanta/7up/Atom/Acquafina; বিকল্প পণ্য: Fresh up/RC/Paran up.
টয়লেট্রিজ: ইসরাইলী পণ্য: L’Oreal/Boss/Garnier; বিকল্প পণ্য: Revive/Lakme/Nivea/Jordan.
চা-পাতা: ইসরাইলী পণ্য: Tazza; বিকল্প পণ্য: Ispahani/Silon/Kazi Tea/Fresh.
সাবান: ইসরাইলী পণ্য: Lux/Dove/Lifbuoy; বিকল্প পণ্য: Keya/Meril/Cosco/Tibbet.
বডি স্প্রে: ইসরাইলী পণ্য: Axe; বিকল্প পণ্য: Cool.
এন্টি পারসপিরেন্ট: ইসরাইলী পণ্য: Rexona; বিকল্প পণ্য: Nivea/Fa.
পাউডার: ইসরাইলী পণ্য: Pond’s; বিকল্প পণ্য: Meril/Tibbet.
টুথপেষ্ট: ইসরাইলী পণ্য: Pepsodent/Close up; বিকল্প পণ্য: White Plus/Fresh Gel.
গাড়ি: ইসরাইলী পণ্য: Ford; বিকল্প পণ্য: Mitshubishi/Nissan/Toyota.
ইসরাইলী পণ্যের ব্রান্ড:
ORAL-B, SCHICK, HYDRO, UNILEVER, TBM, SCOFF, COLGET, NIKE, MR.
*তাবলীগ এবং কোরআন সহীহ করা-*
দাওয়াত ও তাবলীগের প্রচলিত মেহনত বড় মোবারক মেহনত মাশাআল্লাহ। এর দ্বারা লাখো লাখো মানুষ দ্বীনের আলো পেয়েছে। এখনো পাচ্ছে আরও পাইতে থাকবে ইনশাআল্লাহ।
*খাঁটি আলেমে দ্বীন হচ্ছে দ্বীনের খুঁটি। তাদের মহব্বত করা, তাদের সঙ্গে জুড়ে থাকা।*
অনেকের আবেগ বেশি থাকে। দ্বীনের কি চাহিদা, সেদিকে খেয়াল থাকে না ।
যেমন কেউ চাচ্ছে নামাজে যে পরিমাণ তেলাওয়াত করা লাগে, সে সেটা সহিহ শুদ্ধ করবে। কোন আলেমে দ্বীনের নিকট গিয়ে বা হাফেজে কুরআনের নিকট গিয়ে সে সহিহ শুদ্ধ করবে।
কিন্তু তাকে বারবার তশকিল করা হইতেছে, চলেন আমাদের সাথে। চিল্লার জামাত বের হইতেছে। ওইখানেও কুরআন শেখার ব্যবস্থা আছে।
বাহ্যিকভাবে এটা সুন্দর মনে হয় যে, চিল্লায় গেলে তাবলীগের কাজও হইবে এবং কুরআন শেখাও হইবে।
কিন্তু বাস্তবতা হলো তাবলীগে গেলে তার সময়টা বিভিন্নভাবে ভাগ হয়ে যায়। কুরআনে কারীম সহীহ করার সুযোগ অতটা পাবে না।
সে চাচ্ছে বাড়িতে থেকে কুরআন তেলাওয়াত সহিহ করবে। তো তাকে সুযোগ দেয়া উচিত।
*নামাজে যে পরিমাণ কুরআন তেলাওয়াত প্রয়োজন, তা সহীহ করা, কমপক্ষে পাঁচটা সূরা সহীহ শুদ্ধ করা তো ফরজ। নামাজে অন্যান্য যা কিছু লাগে সেগুলো সহীহ শুদ্ধ হওয়া তো জরুরি।*
বেচারা তো ভালো ফিকির করতেছে। তাকে তো উৎসাহ দেয়া উচিত যে, হ্যাঁ ঠিক আছে। আপনি কুরআন সহি শুদ্ধ করেন। পরে আপনি বের হবেন।
প্রচলিত দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনত একটি মুবাহ পদ্ধতি, বৈধ পদ্ধতি, উপকারী পদ্ধতি। কিন্তু এইভাবেই তাবলীগ করতে হবে, এই চিন্তাধারা গলদ। তাবলীগ করার বহু রাস্তা আছে। এই একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতেই তাবলীগ করতে হবে, এটা জরুরী না।
27 January 2024
দিনাজপুর
জোহরের আগে
মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
সহযোগিতায়: মুহাম্মাদ নিহাল ইসমাইল এবং মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রশিদ
সম্মানিত সদস্যবৃন্দ,
গ্রুপে যারা অধিক সংখ্যক পোস্ট পেয়ে কষ্ট বোধ করছেন, তাঁরা নিচের গ্রুপে এড হতে পারেন।
*রহমত* 🌹🌺🌼 https://chat.whatsapp.com/FV5mzXNuCC22BUBM1ILDrR
এ গ্রুপে *প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩/৪টি পোস্ট stay করে/বহাল থাকে* আলহামদুলিল্লাহ।
whatsapp গ্রুপে
*নিয়মিত পোস্ট পেতে যুক্ত হওয়ার জন্য* 01780 290 291 নাম্বারে "পুরুষ/মহিলা গ্রুপে এড হতে চাই" লিখে *আপনার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে* মেসেজ করতে পারেন। কল দিবেন না দয়াকরে।
#আলোকিত_জীবন পোস্ট নং ৪৭০
Repost from প্রানীর ছবি এবং ভিডিও করা হারাম
*প্রাণীর ডিজিটাল ছবি-*
শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম বলেন,
প্রিন্ট করা ছবি হারাম হওয়ার বিষয়ে সব ওলামায়ে কেরাম একমত। প্রিন্ট করা ছবির গ্লেজিং তো আস্তে আস্তে নষ্ট হয়।গ্লেজিংটা থাকে না। ধীরে ধীরে এটা নিস্তেজ ও ম্রিয়মাণ হয়ে যায়। কিন্তু মোবাইলের ছবির যে সতেজ ভাব সেটা তো সব সময় বহাল থাকে। তাহলে ঐটা যদি নাজায়েজ হয় এটা কেন নাজায়েজ হবে না?
*আসলাফ ও আকাবিরের সামনে যে মাথা ঝুকায় না, সে সহিহ আলেম না।* সে ভুল পথে চলছে। *সেই আলেম উম্মতের সঠিক দ্বীনি রাহবর না।* তার এক হাতে আলোকবর্তিকা আর *অন্য হাতে অন্ধকারের সামান।* দুইটা একসঙ্গে বিলাইতেছে সে। দুই হাতে দুই পথে দুই দিকে ডাকছে। তো মানুষ কোন দিকে যাবে?
• ────── ✾ ────── • Whatsapp এ
*গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* https://chat.whatsapp.com/JSzruFiTYLYKi1UxFVWDT8
11.1.2024 Mashik Ijtema, Baitul Haq Jame Masjid, Dhalkanagar, Dhaka
কেউ কেউ এরকম বলতে চেষ্টা করে যে, আমি হাকীমুল উম্মতের পোস্টে এসে গিয়েছি, আমি আরেক আল্লামা কাশ্মিরী, আমি আরেক আল্লামা শাব্বীর আহমদ উসমানী, আমি আরেক শায়খুল ইসলাম হূসাঈন আহমদ মাদানী। এরকম ভাবনা আমাদের জন্য ধ্বংসাত্মক। অনেক বড় ক্ষতিকর। নিজেকে মিটানোর মধ্যে কামিয়াবী। হাজারো এলেম, হাজারো আমল, হাজারো ইবাদত সত্বেও এক মুহূর্তের জন্য নিজের ওপর কোন নজর না থাকে। বরং আপাদমস্তক নিজেকে অপরাধের ডিপো মনে করা যে, আমি তো পুরা আপাদমস্তক অপরাধের ডিপো।
Repost from 🌍ইসলামী প্রশ্নের উত্তর চ্যানেল🌍
কিছু মহিলারা বলে মনের পর্দায় বড় পর্দা, নিজে ঠিক থাকলেই সব কিছু ঠিক থাকে, খাস পর্দা করতে হয় না, হাত পা মোজা পড়ে বাহিরে যেতে হয় না। বাড়িতে দেবর ভাসরের সামনে গেলে গুনাহ হয় না।
এদের সম্পর্কে যদি কিছু বলতেন উপকৃত হতাম
*প্রচলিত জমি বন্ধক পদ্ধতি শরীয়তসম্মত নয়। এভাবে কাউকে টাকা দিয়ে বন্ধকী জমি ভোগ করা এক প্রকারের সুদ।*
৬০৬৩. প্রশ্ন
দেশে প্রচলিত প্রথা হিসেবে এক ব্যক্তি এক বিঘা জমি এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে বন্ধক নিল। ২/৩ বছর কিংবা আরো বেশি বছর পর অর্থাৎ যখন জমিওয়ালা পূর্ণ এক লক্ষ টাকা ফেরত দেবে তখন বন্ধকওয়ালা জমি ছেড়ে দেবে। উল্লেখ্য, যতদিন বন্ধকওয়ালা টাকা ফেরত না পাবে ততদিন সে জমি চাষাবাদ করে ফসল ভোগ করবে। তবে সে প্রতি বছর খাজনার টাকা জমিওয়ালাকে দিয়ে দেবে। জানার বিষয় হল, এ নিয়মে জমি বন্ধক রাখা বা দেয়া শরীয়তে জায়েয হবে কি না। বিশেষত জমি বন্ধক রেখে পারিবারিক সমস্যা সমাধানের উপায় কী?
উত্তর
প্রচলিত জমি বন্ধক পদ্ধতি শরীয়তসম্মত নয়। এভাবে কাউকে টাকা দিয়ে বন্ধকী জমি ভোগ করা এক প্রকারের সুদ। তাই এধরনের লেনদেন করা যাবে না। এমনকি জমি ভোগ করা বাবদ খাজনার টাকা দিলেও প্রশ্নোক্ত চুক্তি বৈধ হবে না। অতএব উক্ত চুক্তি বাতিল করে দিতে হবে।
উল্লেখ্য, জায়েয পন্থায় অন্যের জমি ভোগ করতে চাইলে ঋণ প্রদান ও বিনিময়ে বন্ধক হিসাবে জমি গ্রহণের চুক্তি না করে শুরু থেকেই পত্তন বা ভাড়া চুক্তি করতে হবে। এক্ষেত্রে জমির মালিকের একত্রে বেশি টাকার প্রয়োজন হলে জমির ভাড়া ধার্য করে একসঙ্গে কয়েক বছরের জন্য জমি ভাড়া দেবে এবং অগ্রিম ভাড়া নিয়ে নেবে। যেমন কারো এক লক্ষ টাকার প্রয়োজন, এক বিঘা জমির বার্ষিক ভাড়া হয় দশ হাজার টাকা। তখন সে দশ বছরের জন্য জমিটি ভাড়া দিয়ে অগ্রিম এক লক্ষ টাকা ভাড়া হিসাবে নিতে পারবে। এরপর যে কয় বছর অর্থদাতা জমি ভোগ করবে সে কয় বছরের ভাড়া ঐ টাকা থেকে কর্তিত হবে। দশ বছরের আগে জমি ফেরত দিলে আনুপাতিক হারে অবশিষ্ট টাকা জমিওয়ালা ভাড়া গ্রহিতাকে ফেরত দিয়ে দেবে। আর কেউ যদি আগে থেকে ভাড়াচুক্তি না করে বন্ধকী চুক্তি করে, তবে সেক্ষেত্রে অর্থদাতা বন্ধকী জমি থেকে উপকৃত হতে চাইলে, পূর্বের বন্ধকী চুক্তি বাতিল করে নতুনভাবে ভাড়াচুক্তিতে আবদ্ধ হতে হবে। তবে এক্ষেত্রে জমির ভাড়া যুক্তিযুক্ত হতে হবে। এলাকার এই মানের জমির ভাড়া সাধারণত যে পরিমাণ, তার সমান বা কাছাকাছি হতে হবে। অর্থাৎ নামেমাত্র ভাড়া ধরা চলবে না; বরং তা বাস্তবসম্মত হতে হবে।
-শরহু মুখতাসারিত তাহাবী ৩/১৪৯; আহকামুল কুরআন, জাসসাস ১/৫৩১; মাজমাউল আনহুর ৪/২৭৩; জাওয়াহিরুল ফাতাওয়া, কিরমানী, পৃ. ৫০৭; রদ্দুল মুহতার ৬/৪৮২
আলকাউসার ২০২৩ জানুয়ারি
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/4672/
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♦♦♦ https://chat.whatsapp.com/KflD8zUmmBFJ2HWSNS001Z
*আপনি যাকে এড করতে চান, তার নিকট এই লিংকটি শেয়ার করুন।*🌹
একটি ভয়ঙ্কর বাস্তবতা-০২
তারতীলের সাথে কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত করা এখন শুধু ফরজ নামাযের প্রথম দুই রাকা'আতে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে ইল্লা মাশাআল্লাহ ব্যতিক্রমও আছে...
প্রথম রাকা'আতদ্বয় ছাড়া পরের রাকা'আতগুলো এতোটাই অবহেলিত যেনো কোন রকম উঠা বসা করেই দায় সারা! এতো দ্রুত পরের রাকা'আতগুলো আদায় করা হয় যে, বুঝাই যায় কতো দ্রুত সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করা হয়েছে। অথচ প্রথম দুই রাকা'আতে সূরা ফাতিহা এতো আস্তে আস্তে সুন্দর করে তিলাওয়াত করা হয় মনে হয় কেমন যেন আসমান থেকে নাজিল হচ্ছে... পরীক্ষামূলকভাবে যাচাই করে দেখেছি কোন কোন ইমাম সাহেব শেষ দুই রাকা'আতে যখন চুপে চুপে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করেন তখন সাথে সাথে নামাযের বাইরে থেকে নিজেও তা তিলাওয়াত করেছি কিন্তু তিলাওয়াত শেষ হতে হতে ইমাম সাহেব সিজদায় চলে গেছেন! আহ! কি নামায!!!
আর নি:শব্দের নামাযগুলোর (জোহর এবং আসর) কথা বাদই দিলাম।
উচিত ছিলো প্রথম দুই রাকা'আতে যতোটুকু তারতিলের সাথে সময় নিয়ে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করা হয় শেষ নি:শব্দের রাকা'আতে ততোটুকু না হলেও কিছুটা ধীরগতিতে আদায় করা। আর জোহর ও আসরের নামাজেও ধীরতা অবলম্বন করা। অত্যন্ত দু:খজনক হলেও সত্য যে, কোন এক মসজিদে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করলাম মাত্র সাড়ে চার থেকে পাঁচ মিনিটে!!! 10 G গতির তুফানী নামাজ!
আর তারবিহ নামাজ তো এক চরম অবহেলিত নামাজে পরিণত হয়েছে। যখন ফরজ নামাজের এই অবস্থা তাহলে তারাবিহ নামাজের অবস্থা আর কি হবে তা বলাই বাহুল্য!
আরো দু:খজন কথা হলো, বহু জায়গায় তাকবিরে তাহরীমার পরেই সূরা ফাতিহা শুরু করা হয় মাঝখানে মুসুল্লীদের সানাটাও আদায় করতে বেগ পেতে হয়। অথচ সানা পড়া সুন্নাতে মুআক্বাদাহ। আর শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ আর দরূদ পাঠ করাটা অনেকটা শ্বাস:রুদ্ধকর বাস্তবতা! মনে হয় দৌড় প্রতিযোগিতা হচ্ছে!!!
সালাম ফেরানোর আগে দু'আ মাসূরা শেষ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আর তারাবীহ নামাজে যেন দরূদ আর দু'আ মাসূরা মাফ!!! ছোট্ট জীবনে খুবই কম সংখ্যকবার তারাবিহতে দু'আ মাসূরা শেষ করে সালাম ফিরাতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ ! যদিও ইমামের সাথে সালাম ফেরানো যায় সব পাঠ করা শেষ না হলেও। কিন্তু কতো কাল এভাবে অতৃপ্তি নিয়ে নামাজ শেষ করবো তার কোন সদুত্তর জানা নাই! আহহা!
যে নামাজ মনে প্রশান্তি জোগায় সেই নামাজ আদায় করার পরে মনে হয় যেন হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। নাজানি কতো ভারী একটা বোঝা থেকে মুক্ত হলাম আসতাগফিরুল্লাহ!
এই পৃথিবীতে এখনো এমন অনেক আল্লাহর বান্দা আছেন যাদের পিছনে নামাজ আদায় করলে দিল আল্লাহর ভয়ে কম্পিত হয়, খাঁটি তওবা পর্যন্ত নসীব হয়। কিন্তু এই সংখ্যাটা একেবারেই কম।
যদি কখনো কোন শরঈ ওজর থাকে তবে একটু দ্রুত আদায় করতে সমস্যা নাই। কিন্তু দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর এই ধারাবাহিকতা চলতে থাকাটা কতোটা সঠিক তা যাচাই করতে কোন দাওরায়ে হাদীস বা ইফতা ডিগ্রী অর্জন করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
হয়তো আমি ইমাম। আমাকে কেউ কোন দিন এই ব্যাপারে কিছু বলার সাহস করেনি আর মুসুল্লীগণও এভাবে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন তাহলে তো আরো ভয়ঙ্কর অবস্থা। কারণ যে রোগের কখনো চিকিৎসা হয় না সে রোগ যখন চরম পর্যায়ে ধরা পড়ে তখন আর কিছুই করার থাকে না।
আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে সবাইকে ঈমানী মওত নসীব করেন। আমিন।
ক্ষণিকের মেহমান
১৫/০১/২৪ ঈসায়ী
সোমবার
https://t.me/pathofisla/1334
Repost from মদিনা🌹ইসলামী জীবন
অঞ্চল ও আঞ্চলিকতাঃ অজান্তে যে গোনাহে জড়িয়ে যাই!
গ্রাম থেকে যখন ছাত্ররা ঢাকায় পড়তে যায় সর্বপ্রথম আঞ্চলিকতার ধোঁয়া নাকে লাগতে থাকে। ‘
দেশের বাড়ি কোথায়?’ গ্রাম থেকে ঢাকায় পড়তে এসে প্রশ্নটা শুনে বোকা বনে যেতাম। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতাম। মানে কি? দেশতো বাংলাদেশ। কিন্তু দেশের বাড়ি কোথায় এটা কী ধরণের প্রশ্ন?
আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। দেশের বাড়ি বলতে গ্রামের বাড়ি উদ্দেশ্য। এটাও বুঝলাম একেক জেলার মানুষের প্রতি অন্য জেলার নানা অভিযোগ ও অপবাদ আছে।
কুমিল্লা বাড়ি শুনলেই কেউ ভ্রু কুচকে বলতো: ই......। নোয়াখালী হলেতো কথাই নেই। এক বাক্যে ভেংচি কাটতো “নোয়াখাইল্যা” বলে। আর মোমেনশাহীর মানুষকে ‘মমিসিঙ্গা ভূত’ বলতেও অনেকে স্বাচ্ছন্দবোধ করতো। বরিশালের মানুষ মানে স্বার্থপর। উত্তরবঙ্গের লোক মানে ‘বোধাই’। আর সিলেটী মানে লন্ডনী।
কিন্তু জীবন যতো বড় হলো। যতো বেশি বাংলার আনাচে কানাচে ঘুরতে লাগলাম। যতো বেশি মানুষের সাথে মিশেছি। ততোই উপলব্ধি হয়েছে যে, এলাকা আসলে কোনটাই খারাপ বা ভালো নয়। এলাকার মানুষও সবাই খারাপ বা সবাই ভালো নয়।
ভালো ও খারাপ মানুষ সব এলাকায়, সব জেলায়ই কমবেশি আছে। সুতরাং এক দুইজনের কারণে পুরো এলাকাকে। পুরো জেলাকে নিয়ে ঢালাও মন্তব্য করা শুধু অন্যায়ই নয়, ঘোরতর অন্যায়।
আশ্চর্য হলো: আমি আমার ছোট জীবনে কোন নোয়াখালীর মানুষকে খারাপ পাইনি। কোন কুমিল্লার মানুষকেও ই.... দেখিনি। আমি এখনো জানতে পারিনি, কেন বরিশালের অধিবাসীদের কেউ কেউ স্বার্থপর বলে! আমার এখনো বুঝে আসে না, কেন মানুষ এ জেলাগুলোর মানুষকে খারাপ বিশেষণে বিশেষায়িত করে।
উত্তরবঙ্গের অনেক বুদ্ধিমান এবং জ্ঞানী মানুষের সোহবতেও আমার যাওয়া হয়েছে।
আর সিলেট। এতো এক ভালোবাসার নগরী। পীর মাশায়েখ আর উলামাদের স্মৃতিধন্য এক ভূমি। বীর চট্টলাতো আমার কলিজার এক অংশ বিশেষ। ময়মনসিংহ, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগ সর্বত্রই আমি ভালোবাসার অনুপম নিদর্শন খুঁজে পেয়েছি।
পুরো বাংলাদেশ আমাদের। পৃথিবীর যে প্রান্তে ঈমানদার বসবাস করে প্রতিটি আঞ্চল আমার। যেহেতু সবই আমার। তাই এর কোন এক অঞ্চলের বদনাম মানে আমারই বদনাম। নিজের বদনাম বাজারে বলে বেড়ানো কোন ভদ্র আত্মমর্যাদাবান মানুষের কাজ হয় না।
তাই আসুন আঞ্চলিকতার ভূত মাথা থেকে বের করে দেই। অঞ্চলভিত্তিক কাউকে ছোট ও হেয় করার ঘৃণ্য পাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখি।
দুই একজন মানুষের কোন দোষের কারণে পুরো অঞ্চলের মানুষকে দোষারোপ করা মারাত্মক পর্যায়ের গোনাহের কাজ।
আল্লাহ তাআলা আমাদের এ গোনাহ থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।
collected
Repost from 🌍ইসলামী প্রশ্নের উত্তর চ্যানেল🌍
♦ টার্গেট এখন মুসলিম মেয়েরা...!!
সাম্প্রদায়িক উস্কানী নয়; বরং উম্মাহর মেয়েদের সতর্ক করাই আমাদের লক্ষ্য। বর্তমান জেনারেশনের মাঝে ফ্রি মিক্সিং বেড়েছে। বেড়েছে হারাম রিলেশন থেকে শুরু করে যি*না, ব্যভি*চার এবং প*রকীয়া।
এখন এসব সম্পর্ক কেবল নিজ ধর্মীয় লোকদের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই৷ উদার মনমানসিকতার নামে বর্তমান সময়ে তরুন প্রজন্ম সম্পর্ক জড়িয়ে পড়ছে ভিন্ন ধর্মের লোকদের সাথে।
মেয়েটার সহপাঠী অমুসলিম। শুরুটা বন্ধত্ব দিয়ে। ধীরে ধীরে বহুদূর সম্পর্ক গড়ায়। একসময় অমুসলিম বন্ধুটির হাতে হয়তো হচ্ছে সংঘবদ্ধ ধ*র্ষণ কিংবা মুসলিম হয়ে যাবার নামে বিয়ে করে হচ্ছে প্রতারণার শিকার।
হে উম্মাহর মেয়েরা! ইসলাম অন্য ধর্মের লোকদের বিয়ে করা জায়েয করেনি। কোনো ছেলে আপনাকে ভালোবেসে দ্বীনে ফিরতে চাই৷ আপনি ভাবছেন এতে মন্দ কী? একজন মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসবে!
- কী নির্বোধ বোকা আপনি! বান্দা তার রবের কাছে আসবে৷ তার জন্য আপনাকেই তাকে বিয়ে করতে হবে কেন? আপনি কি নিশ্চিত পরবর্তীতে তার ধোঁকা খাবেন না? আপনি নিশ্চিত সে আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে না? ইসলামে আপনার জন্য পরপুরুষের সাথে কথা বলা জায়েয করেনি। আপনার শুরুটাই তো অবৈধ।
আপনার বন্ধুটির কাছে তার ধর্ম ভালে লাগে না৷ সে আপনাকে বলে আপনার ধর্ম শ্রেষ্ঠ, সে যদি প্রকৃত পক্ষে ইসলাম গ্রহণ করতেই চায়; তবে তাকে আপনি নয়; বরং কোনো পুরুষের সাথে কথা বলতে বলুন। আপনার ভার্সিটি কিংবা আপনি যে পরিবেশে বাস করেন; সেখানে অনেক পুরুষ আছে। অনেক আলেম আছে, সে সবাইকে ফেলে কেবল আপনাকেই কেন বেছে নিয়েছে? বুঝে নিন নিশ্চিত এখানেও কোনো ষ*ড়যন্ত্র আছে, তাহলে চলুন বলি সে ষ*ড়যন্ত্রের কথা।
বর্তমানে এমন একটি চক্র আছে। যারা মুসলিম মেয়েদের বিভিন্নভাবে ফাঁদে ফেলে, তাদের নোংরা উদ্দেশ্য পূরণ করে। তাদের টার্গেট মুসলিম মেয়েরা এবং মুসলিম মেয়েদের জীবন নরক বানানো৷ মুসলিম মেয়েরা ধর্ম পরিবর্তন করবে না, তারা সেটা জানে৷ তাই তারাই ধর্ম পরিবর্তনের নাটক করে আপনাকে করবে সর্বশান্ত। এদের টার্গেট যেমন নিম্ন পরিবারের মেয়েরা কিংবা শ্রমজীবী নারী। তেমন করেই টার্গেটে রয়েছে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটির মেয়েরা।
হে উম্মাহর মেয়েরা! আপনার জন্য অন্য পুরুষের সাথে বন্ধুত্ব করা জায়েয নেই। হোক সে মুসলিম কিংবা অমুসলিম। তাই নিজেকে হেফাজত করুন এবং শরীয়তের বিধান মেনে চলুন। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদেরও সতর্ক করুন।
[অন্যদের সতর্ক করার উদ্দেশ্যে পোস্টটি শেয়ার/রিপোষ্ট করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন, ইনশাআল্লাহ্!]
মানি ইজ দ্যা সেকেন্ড গড বলা
যদি কোন ব্যক্তি টাকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বির্তক করার সময় এমন কথা বলে যে, “রাখেন আপনি! অমুক দিন অমুক বলেছে, মানি ইজ দ্যা সেকেন্ড গড” তবে তার হুকুম কী? সেকি মুরতাদ হয়ে যাবে?
উক্তিকারীর এই উক্তি “মানি ইজ দ্যা সেকেন্ড গড বলা” এটি কুফুরী বাক্য সমূহের অন্তর্ভুক্ত। কেননা, খোদা একজনই। তিনি সমস্ত গুনাবলীর অধিকারী এবং তিনি বান্দাকে রিযিক দান করেন। সুতরাং টাকা-পয়সাকে দ্বিতীয় খোদা বলার কোন অবকাশ নাই। অতএব, অমুকের এই উক্তির সমর্থন বা উক্ত বাক্যকে সঠিক মনে করে তা বললে তা কুফুরী কালাম হয়ে যাবে। এবং সে ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির জন্য সতর্কতা হিসেবে ইস্তিগফার করে, নতুনভাবে কালেমা পড়ে স্ত্রী থাকলে বিবাহ দুহরিয়ে নেয়া উচিৎ। [প্রমাণঃ আযীযুল ফাতাওয়া ১:৭৩# আল-বাহরুর রায়িক ২:৫২০# খায়রুল ফাতাওয়া ১:২০২]
ومنهاانظنانالميتيتصرففىالاموردوناللهتعالىواعتقادهذلككفر....الخ[البحرالراءق:2/520]
https://islamidars.com/masail/24b7cef1-85ee-4df5-9ba5-c37f973562c9
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
রক্তে ভেসে যায় কতো নাবলুস
কতো খুন শহীদ হাজার.
কতোকাল এ জুলুম দেখবে পৃথিবী
কতোটা আর...
কতো ফুল ঝরে গেল ফিলিস্তিনে
সেই ব্যাথা বাড়ছে প্রতিদিনে...
কেউ কি দেখার নেই কেউ কি শোনার নেই???
একি অবিচার!
https://t.me/pathofisla
সতেরো,
دقيق المسربة
বক্ষদেশ থেকে নাভি পর্যন্ত লোমের সরু রেখা ছিল।
الجامع الصغير ٦٤٧٥
আঠারো.
سَواءَ البَطْنِ والصَّدْرِ
পেট বুক সমান ছিল,
الجامع الصغير ٦٤٧٥
উনিশ.
আলী রাঃ এর বক্তব্য।
عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالطَّوِيلِ وَلاَ بِالْقَصِيرِ شَثْنَ الْكَفَّيْنِ وَالْقَدَمَيْنِ ضَخْمَ الرَّأْسِ ضَخْمَ الْكَرَادِيسِ طَوِيلَ الْمَسْرُبَةِ إِذَا مَشَى تَكَفَّأَ تَكَفُّؤًا كَأَنَّمَا انْحَطَّ مِنْ صَبَبٍ لَمْ أَرَ قَبْلَهُ وَلاَ بَعْدَهُ مِثْلَهُ
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) না অতি লম্বা ছিলেন আর না (অতি) বেঁটে ছিলেন। তাঁর দু’হাত ও দু’পা ছিল মাংসল, মাথা ছিল আকারে বৃহৎ এবং হাড়ের গ্রন্থিসমূহ ছিল স্থূল ও শক্তিশালী। তাঁর বুক হতে নাভি অবধি প্রলম্বিত ফুরফুরে পশমের একটি রেখা ছিল। চলার সময় তিনি সম্মুখের দিকে ঝুঁকে হাঁটতেন, যেন তিনি ঢালবিশিষ্ট জায়গা দিয়ে হেঁটে চলছেন। আমি তাঁর পূর্বে কিংবা তাঁর পরে আর কাউকে তাঁর মতো দেখিনি। জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬৩৭
collected
#আলোকিত_জীবন
