fa
Feedback
সপ্তক-Saaptak 🌿

সপ্তক-Saaptak 🌿

رفتن به کانال در Telegram

অব্যক্ত লিখাগুলোর সুপ্ত প্রতিভা শেয়ার করো সপ্তকের সাথে।লেখা মানসম্মত হলে অবশ্যই চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। 🌼 ✅লেখা পাঠানোর ঠিকানাঃ 1. @rajin_the_boss ☘️ 2. @MaxRab ☘️ ✅ ভয়েস পেজ : https://t.me/+38acMoVDu2hlNDg1 ✅মিম পেজ: t.me/castaway_memes2020

نمایش بیشتر
1 368
مشترکین
+224 ساعت
+27 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
Repost from Max Rab
Kids stay away [18+] আড্ডা গল্প ১৪ সিরাজঃ কবীর, তোর নওশিনের প্রতি যে ভালোবাসা, সেটা কাম নাকি প্রেম? ‎ ‎কবীরঃ আই ডোন্ট এন্সার টু স্টুপিড কোশ্চেন্স। ‎ ‎সিরাজঃ আরে, বলই না। নারী পুরুষের মধ্যকার যে ভালোবাসা, যেটা কবি-সাহিত্যিক-আর্টিস্টরা বলেন, সেটা কি আসলেই এক্সিস্ট করে? ‎ ‎কবীরঃ অফ কোর্স এক্সিস্ট করে। শুধু কি সেক্সের কথাই ভাবে নাকি মানুষ সারাদিন? ‎ ‎রাজুঃ If your dick got ripped off, do you think Noushin would still love you, Kabir? ‎ ‎সিরাজঃ Good question, Raju. ‎ ‎ম্যাক্সঃ তখন মোহন একটা সুযোগ পেয়ে যাবে। ‎ ‎মোহনঃ আমাকে টানছিস কেন, ভাই? আমি এসবে নেই। ‎ ‎ম্যাক্সঃ সেকী, রে! নওশিনকে আর শায়েরি পাঠাস না? ‎ ‎মোহনঃ চুপ, বেয়াদব। আই রেসপেক্ট নওশিন। ‎ ‎ম্যাক্সঃ আমি কখন বললাম রেসপেক্ট করিস না? ‎ ‎সিরাজঃ আমার প্রশ্নটা তো চাপা পড়ে গেল। ‎ ‎ম্যাক্সঃ তুই কি বিয়েকে শুধু সেক্স করার উপায় হিসেবেই দেখিস? অবশ্যই ভালোবাসা এক্সিস্ট করে। না করলে শাহজাহান মমতাজের জন্য তাজমহল বানাতো? কাফকা মিলেনাকে নিয়ে সাহিত্য রচনা করতো? কমন সেন্স! ‎ ‎সিরাজঃ আমার কেন জানি মনে হয়, এসব জাস্ট লোক দেখানো। নিজের নাম হওয়ার জন্য। এটেনশন পাওয়ার জন্য লোকে এসব করে বা করতো। আসলে ভালোবাসা টালোবাসা ঐসব কিছু হয় না। বড়জোর Attachment বা Familiarity effect বলা যেতে পারে। ‎ ‎কবীরঃ কেউ সিরাজের বাপের নম্বর থাকলে আমায় দে তো। বেচারা সেক্সের জন্য পাগল হয়ে গেছে। ওর বিয়ে না দিলেই নয়। ‎ ‎সিরাজঃ তোদের সাথে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনাই বৃথা। ‎ ‎কবীরঃ ভালো, কল্যাণমূলক কোনো বিষয় নিয়ে আসিস যাতে সমাজের দশজনের ভালো হয়। তখন আলোচনা করে দেখা যাবে। ‎ ‎সিরাজঃ সেদিন এটাক অফ টাইটান নিয়ে শেখরের সাথে আলোচনা করার সময় সমাজের খুব কল্যাণ হয়েছে, না? ‎ ‎ম্যাক্সঃ আই থিংক সিরাজের খিদে পেয়েছে। ‎ ‎রাজুঃ Well, Kabir ignored my valid and practical question. It explains a lot. ‎ ‎কবীরঃ হ্যাঁ, ভাই। আমি প্রচুর সেক্স চাই জীবনে। হয়েছে? খুশি? এখন মাফ কর তোরা আমায়। ‎ ‎সিরাজঃ জানতাম তো। আমি ঠিকই জানতাম। আমার থিওরিই ঠিক। ‎ ©® Max Rab

Repost from Max Rab
Dhul Hijjah Mubarak to Everyone As the blessed days of Dhul Hijjah begin, I pray that Allah fills your life with peace, mercy, and endless barakah. May He accept our prayers, forgive our sins, strengthen our faith, and guide our hearts toward kindness and righteousness. These sacred days remind us of sacrifice, patience, gratitude, and devotion. Let us use this beautiful time to remember Allah more, help those in need, forgive others, and become better versions of ourselves. May your duas be accepted, your hardships be eased, and your home be filled with happiness and blessings. Wishing you and your family a spiritually uplifting and peaceful Dhul Hijjah. May Allah accept all our good deeds. Ameen.

Repost from Max Rab
‎আমরা তো ছেলে কবি, ছেলে পেইন্টার অনেক দেখেছি। বাট, থিংক এবাউট এ মেয়ে কবি ওর এ মেয়ে পেইন্টার। যখন কোনো মেয়ে আর্টিস্ট প্রেমে পড়ে, সেই ছেলেটা কী পরিমাণ লাকি হয়! মেয়েটা দিনরাত সেই ছেলেকে নিয়ে ভাবে এবং তার সব লেখাতেই ঐ ছেলেটার কথা ফুটে ওঠে। সেই ছেলেটা পরিণত হয় কবিতায়, ছবিতে। সচরাচর তো তা হয় না। কিন্তু যখন হয়, তখন ব্যাপারটা কী দারুণ হয়। তাই না? ‎

Repost from Max Rab
পাঁচ বছর আগের লেখা। ফেসবুক মেমোরি থেকে এলো।

Repost from Max Rab
ভয়ের স্মৃতির দরকার ছিলো ক্লাস ফাইভ। জুন মাসের সন্ধ্যে। প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এইমাত্র বাসা থেকে একখানা ছাতা ধার নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন স্যার৷ একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালাম। বারান্দা দিয়ে নিচে তাকিয়ে স্যারের চলে যাওয়া দেখতে থাকলাম। মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে। বারান্দা থেকে যে দোকানগুলো দেখা যায় সেগুলোর দিকে তাকালাম। দোকানিরা উদাসভাবে রাস্তার দিকে তাকিয়ে বৃষ্টি পড়া দেখছে। আমার মুখে বৃষ্টির ছাঁট এসে লাগছিলো। যথারীতি, কারেন্ট নেই। বাচ্চাদের দল এ ঘর থেকে ও ঘর ছুটোছুটি করছিলো৷ যদিও আমিও তখন একপ্রকার বাচ্চাই ছিলাম তাও একটা গুরুগম্ভীরতা বজায় রাখার চেষ্টা করতাম ওদের সামনে। মোমবাতি বা চার্জলাইট কোনোটা নিয়েই পড়তে বসার ইচ্ছে নেই এখন। স্যার যেহেতু চলে গেছেন তাই আপাতত আজকে আর হোমওয়ার্ক করার তেমন তাড়া নেই। ও কালকে করা যাবে'খন৷ কিছু করার নেই। তখন ব্যাঙও মাথা চাড়া দেয়নি না হয় ব্যাঙ নিয়ে খানিকটা গবেষণা করে সন্ধ্যেটা কাটিয়ে দেয়া যেতো। তাই অগত্যা একখানা গল্পের বই নিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম৷ বলা বাহুল্য এরকম আবহাওয়ায় গল্পের বইই একমাত্র উপাদেয় বস্তু। তারওপর যদি ভূতের গল্প হয় তবে? নীহাররঞ্জন গুপ্তের আকস্মিক গল্পখানা পড়ছিলাম। গল্পটা পড়ে বেশ একটা রোমাঞ্চ অনুভব করছিলাম। তারওপর মাঝে মাঝে বাজ পড়ার আওয়াজ আসছিলো। হঠাৎ যেন মনে হলো রুমের দরজায় যে পর্দা টাঙানো আছে তার উল্টোপাশে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। ঠিক দাঁড়িয়ে বলবো না ; নড়াচড়া করছিলো। আমি ভয়ে ভয়ে উঠে দাঁড়ালাম। গল্পে যেরকম বিভূতি ফিরে এসেছিলো ঠিক তেমনটি.... নাহ। সে সম্ভাবনা তো নেই। এখানে তো আর শচীন নেই যে ম্যাজিক করে প্রেতাত্মা নিয়ে আসবে৷ আর আমি প্ল্যানচেটও করছিলাম না৷ একা একা অবশ্য করাও যায়না৷ তবে আবহাওয়াটা ঠিক এরকমই ছিলো। লোডশেডিং। বাইরে বৃষ্টিপাত। আর দরজায়ও খটখটানোর শব্দ হয়নি। আমি ব্যাপারটা সুবিধের নয় বুঝতে পারলাম। আবার বিছানায় এসে শুয়ে পড়লাম বইটা নিয়ে৷ তবে এবার কাঁথাটা বুক অব্দি টেনে নিলাম৷ ওদিকে রান্নাঘরে মাকে গিয়ে দৌড়ে ব্যাপারটা বলবো তারও সাহস হচ্ছিলো না৷ পুরো ঘরটায় আমি একা। বাইরে বৃষ্টি পড়ার শব্দ আর বাচ্চাদের চেঁচামেচির আওয়াজ। থেকে থেকে বাজ পড়ছে৷ চার্জ লাইট জ্বলছে। ছায়াটা আর দেখা যাচ্ছে কি? নাহ৷ তবে এবার যেন মনে হলো আমার বিছানার নিচ দিয়ে অদ্ভুত একটা আওয়াজ আসছে। দশ বারোখানা প্লাস্টিকের বোতল একসাথে ফেলে দিলে যেরকম আওয়াজ হয় ঠিক সেরকম। আমি বইখানা পাশে রেখে দিয়ে চার্জ লাইটটা অফ করে দিলাম৷ আর কাঁথাটা একেবারে মাথা পর্যন্ত টেনে নিলাম৷ অন্ধকার ঘর। বাইরে বৃষ্টি আর বাজ পড়ার শব্দ। বাচ্চাদের চেঁচামেচি আর..... না। খাটের নিচ থেকে আাসা আওয়াজটা বন্ধ হয়ে গেছিলো৷ আমি চোখ বুজে শুয়ে রইলাম। বেশ একটা ভয়ে ভয়ে কেটেছিলো সন্ধ্যেটা। সেই ঘটনার বেশ কয়েকবছর কেটে গেছে৷ এখন মাঝেমাঝে অবসরে দুদন্ড সঙ্গ দেবার জন্য হলেও ঐ সময়কার ভয়গুলো র, সেই স্মৃতিগুলোর দরকার পড়ে। আর আজ তা আমার লেখার খোরাকও হয়ে উঠলো। Max Rab

Repost from Max Rab
তুমি আমি রাগ রাগিণী হয়ে, চলো সুর বাঁধি। হই আমি মালকৌশ, তুমি কৌশিকী। হই আমি মেঘ, তুমি মল্লারী। প্রেমাগ্নির শিখায় হয়ে দগ্ধ, পদ্মলোচনা হরিণীর স্নিগ্ধ রূপাশ্রয়ে হই সিক্ত। শোনো তবে, কারণ অকারণ উচাটন ছাড়ি, বাড়িয়ে দিয়ে কোমল হাতখানি, আজ শুভ লগন জুড়ে সর্বাঙ্গ-মন আন্দোলিত করি হোক সুখনৃত্য। Max Rab

Repost from Max Rab
কাউকে বেশি ভালোবাসতে নেই। কারণ বেশি ভালোবাসতে গেলে উল্টে তার ক্ষতিই করা হয়। মনীষীরা এমনি এমনি Love Is Blind কথাটা বলে যাননি। তাই ভালোবাসার আগে শিখে নিতে হবে, ক্যালকুলেট করে নিতে হবে, কতটা ভালোবাসতে হবে। কোন পর্যায় পর্যন্ত ভালোবাসতে হবে। আমরা নিজেদেরও ভালোবাসি৷ বলা ভালো, সবচেয়ে বেশি আমরা নিজেদেরকেই ভালোবাসি। তারপর অন্য কিছুকে। খেয়াল করলে দেখা যায়, নিজেকে আমরা এতোটাই বেশি ভালোবাসি যে, শেষ অবধি আমরা ক্ষতিটাও নিজেরই করি। তাই নিজেকে এত বেশি ভালোবাসা যাবে না। ঈশ্বর তাই মানুষকে রক্ষা করতে বলেছেন, সবচেয়ে বেশি তাঁকেই ভালোবাসতে। কারণ আমাদের সমস্ত অস্তিত্বের কারণ তিনিই। এতে আমাদের ক্ষতি হয় না, বরং উপকারই হয়। যারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, তারা তাহলে কী করবেন? তারা যেকোনো আর্ট ফর্ম, সাইন্স, দেশ এরকম এবস্ট্রাক্ট কোনো কিছুর ওপর নিজের লাইফকে ডেডিকেট করে দিতে পারেন। কিন্তু ভুল করেও কোনো মানুষের ওপর অতিরিক্ত ভালোবাসা প্রয়োগ করা যাবে না৷ বাঁচতে হবে অন্য কিছুর জন্য। হয় ঈশ্বর, না হয় হিউম্যানিটির জন্য। Max Rab

সপ্তকে দেওয়া আমার প্রথম লেখা৷

Repost from Max Rab
ছবির ভদ্রলোকের আমি সরাসরি বংশধর নই। উনি আমার বাবার নানার চাচাতো ভাই ছিলেন। সে হিসেবে সরাসরি ব্লাডলাইনের না হলেও সামান্য হলেও ওনার রক্ত আমার শরীরেও বইছে তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ভদ্রলোকের জীবনের ইতিহাস জেনে তাই একটু গর্ব হয়ই বটে। কিছু না হোক, অন্তত কোনো না কোনোভাবে এমন ব্যক্তিত্ব তো আমার আত্মীয় ছিলেন সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়। ‎ ‎ ‎ভদ্রলোকের নাম আবু নসর মুহাম্মদ ওহীদ। জীবনে অনেক বড় বড় অর্জন ছিল তাঁর। তিনি ১৮৭৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ভারতের আসাম প্রদেশের সিলেট শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার কালারুকা গ্রামে। ‎ ‎তিনি ১৮৯২ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে  এন্ট্র্যান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৮৯৫ সালে মুরারিচাঁদ কলেজ থেকে এফএ এবং ১৮৯৭ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে আরবিতে বি.এ. (সম্মান) ও এম.এ. পাশ করেন। তিনি ছিলেন আরবিতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিধারী প্রথম বাঙালি মুসলিম। ‎ ‎ ‎স্নাতক পরীক্ষা শেষে তিনি কিছুদিন সিলেট সরকারি স্কুল ও কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। ১৯০১ সালে তিনি কটন কলেজের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। চার বছর পর, ১৯০৫ সালে তিনি ঢাকা মাদ্রাসার সুপারিনটেন্ডেন্টের দায়িত্ব পান। ১৯১৯ সালে মাদ্রাসাটি ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং তিনি কলেজটির অধ্যক্ষ হন। ১৯২৭ সালে তিনি এ পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ‎ ‎১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে তিনি আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ও প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এখন অবশ্য বিভাগটি ভেঙে দুটো বিভাগ হয়েছে। তখন একটা বিভাগ হিসেবেই প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। আরবি বিভাগের এক শিক্ষক হাসান মাহমুদ চৌধুরী ফুলতলীর সাথে এ বিষয় নিয়ে কথাও বলেছিলাম একবার। ‎ ‎আবু নসর তার কর্মজীবনে বেশ কিছু উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। চল্লিশের দশকে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি আসামের বিধান সভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৩৭ সালে তিনি আসাম প্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন এবং প্রায় নয় মাস এ দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯০৯ সালে ভারত সরকার তাকে শামসুল উলামা খেতাবে ভূষিত করে। ‎ ‎ ‎তিনি মারা যান ১৯৫৩ সালের ২৯ মে। তাঁকে শাহ আহসানুল্লাহর পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সবই উইকিপিডিয়া থেকে জানতে পারা। অনেকদিন ধরে ইচ্ছা ওনার কবর জিয়ারত করতে যাব। অথচ বিভিন্ন কাজে ও ব্যস্ততায় যাওয়া হয়ে ওঠেনি।

Repost from Max Rab
photo content

শরীরটা বেশ অসুস্থ, বলতে গেলে দীর্ঘ ১২ বছর পর আমার জ্বর জ্বর বোধ হচ্ছে। সামনে ঈদ,হেঁয়ালি করলে হয় না। তাছাড়া শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ভালোই ব্যাথা অনুভূত হচ্ছে। ইফতারির পর গেলাম এক সিনিয়র সিটিজেন ফার্মেসি ওয়ালার কাছে। ৪৫ বছরের নিচে যেই ফার্মেসি ওয়ালারা আছেন আমার মতে তারা ঔষধ দেন বেশি কাজ করে কম। সেই মতেই আমি বেঁচে বেঁচে ৭০ দশকের কাছে গেলাম। লোকটা কপালে হাত দিয়েই বলল শতের উপরে। চার বেলার ঔষধ দিয়ে দিচ্ছি সেহরির আগে ইফতারির পর খাবে। ইনশাআল্লাহ, ডেঙ্গু হলেও ভালো হয়ে যাবে। ভাল লাগল এই জিনিসটা যে অগনিত জণগণের মুখে নেয়া থার্মোমিটারটা মুখে নেয়া লাগেনি এবং এখনো পর্যন্ত আমার মত এগিয়ে আছে বাঁকিটা রাত দুটোর পর দেখা যাবে।কারণ এই সময়ে রোগের নদীতে জোয়ার আসে। এরপর ফার্মেসিতে বসেই এক বেলার ঔষধ খেয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম। চলার গতি ছিল ঘন্টায় ২.৫ এর আশেপাশে। বগুড়ার পরিচিত এক চাচায় পথ আটকিয়ে বলল, কিও ভাইজতা ভালো মতোন বাতাস আইসলে তো এহনি পইড়া যাইবা। মুচকি হাসির চেষ্টা করে বললাম চাচা একটু জ্বরে ধরছে। চাচায় বলে, বেটা ছেলেগ আবার জ্বর হয় কেবা কইরে! এরপর দু- পা ফেলতেই চোখ আটকালো ৮-৯ বছরের দুটো শিশুর দিকে। এক টুকরো ইট নিয়ে ওদেরই পরিচিত একটি কুকুরকে দাওয়া দিচ্ছে।কুকুর হাতে ইট দেখেই ওর মালিকের বিল্ডিংয়ের দিকে দৌড় দিচ্ছে আবার ইট ফুরিয়ে গেলে গলি থেকে বেরিয়ে প্রতিবাদ স্বরূপ এসে ব্রু কুচকিয়ে বলছে ব্রোহ্, ব্রোহ্। মানে আমি তোদের কি ক্ষতি করলাম, তোরা আমাকে মারতেছিস কেন? আমার নৈতিক শ্রেণীর (ক) মন তখন বলল যাই ছেলে গুলোকে বুঝিয়ে আসি যে "যে আল্লায় আমাদের তৈরি করেছেন সে আল্লায় কুকুরদের ও তৈরি করেছেন। আমরা অসুস্থ হলে ঔষধ খাই পরিবারের লোকজন আমাদের সেবা করে। কিন্তু ওর তো কেউ নেই এবং সে কাউকে বলতেও পারবে না"। হঠাৎ করে ইতর শ্রেণীর (খ) মন তিরস্কার সূচক বাক্যে বলল, "কবে থেকে তুমি আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করলে?" শুশীল শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী (গ) মন বলল "এখানে ছেলেগুলোর কোন দোষ নেই ওরা অবুঝ, দোষ কুত্তার সে কেন বাংলাদেশে জন্মাইতে গেল? যেখানে ১০/২০ টাকার লাগি পিটাইয়া মানুষ মারা হয় সেখানে কুত্তা কি এমন হয়ে গেল যে তাকে বাচ্চারা খেলার ছলে দু-একটি ঢিলা ছুঁড়তে পারবে না"। সভা সদস্যের প্রায় সকল সদস্য কড়জোরে হাততালি দিয়ে উঠলো। বিশিষ্ট শ্রেণীর সদস্য (ঘ) মন (ক) মনকে উদ্দেশ্য করে বলল "তুমি সামনে থেকে আর একটা কথাও বলবা না, মিয়া ফাউল একটা"। এরপর টঙ দোকানে রঙ চা হাতে নিয়ে দু চুমুক দিতেই আমার শিল্পী শ্রেণীর (ঙ) মন গুনগুনিয়ে গান ধরিল "তোমার ঘরে বসত করে কয় জনা মন জানো না, তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা।"

Repost from Max Rab
কথা বলে ফেললে অনেক কিছুরই সমাধান হয়ে যায়। শুধু বলে ফেলতে হয়। আমি আমার কাছের লোকজনকে বলি, কেউ যদি আমার নামে কিছু বলে, যেটা তাদের আপসেট করে, সেটা আমাকে জানাতে। কারো আমার কোনো বিহেভিয়ার যদি খারাপ লাগে সেটা আমাকে জানাতে। কেউ আমার ওপর রেগে গেলে সেটাও আমাকে জানাতে বলি। আমাকে গালি দিয়ে দাও দুটো। তাও রাগ ঝেড়ে ফেলো। কী দরকার ভেতরে ভেতরে রাগ পুষে? আমি কিন্তু মোটেই কিছু মনে করবো না। বলে ফেললেই সমাধান হয়ে যায়। আমি না হয় নিজেকে শুধরে নেবো একটু। তোমার ঔ কটমট করে আমার দিকে তাকানো, বা অন্যের সামনে গিয়ে আমার নামে নিন্দে করে, আমাকে নিচু দেখিয়ে তো কোনো লাভ হবে না তোমার। আমি সারাদিন নিজেকে নিয়েই পড়ে থাকি। তুমি আমার ওপর মনে মনে রেগে থেকে বসে থাকলে আমি সেটা জীবনেও বুঝতে পারবো না আর রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করা তো দূর। আর আমি রাগ ভাঙাতে যাবো কোন দুঃখে? অন্তত মুখের ওপর যদি বলে দিতে, তাহলে না হয় ভাবতাম।

Repost from Max Rab
পুরনো লেখা।

Repost from Max Rab
এবার তবে চলি ‎ ‎ ‎সূর্যের অস্তাচলের সাথে একটা সুস্পষ্ট ডাক। ‎সেই কবে থেকে অপেক্ষায় ছিলাম ৷ ঠিক অপেক্ষায় ছিলাম বললে ভুল হবে। মানে ব্যাপারটা জানতাম৷ ‎ আমরা যে দ্বীপটায় থাকি সেখানে সময়ে সময়ে জাহাজ আসে৷ আর কাপ্তান এখানকার অধিবাসীদের নিয়ে সমুদ্রে পাড়ি দেয়। দ্বীপটায় যতোজন আছি কেউই স্থানীয় নই৷ সবাইই সমুদ্রের ওপাড় থেকে এসেছে৷ কীভাবে এসেছে সেটা কেউ বলতে পারে না। স্মৃতিভ্রম। ‎ কয়েকজন লোককে বলাবলি করতে শুনেছি কাপ্তানই নাকি আমাদের এখানে নিয়ে এসেছিলো। তারপর জাদুবলে আমাদের আগের সব কথা ভুলিয়ে দিয়েছে। এখানে কিছুদিন থাকা হয়ে গেলে পরে নিয়ে যাবে। তারপর নিয়ে গিয়ে কী করবে সেটা নিয়ে লোকেদের ভিন্নমত আছে৷ কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে না৷ কেউ বলে আবার ফিরিয়ে দিয়ে যাবে তো কেউ বলে ওপাড়ের ভালো মন্দ যেকোনো জায়গায় ফেলে দেবে। ‎ এখানে জাদুবিদ্যায় আবার কিছু লোক বিশ্বাস করে না৷ সমুদ্রের ওপাড়ের কথা বললেই হেসে উড়িয়ে দেয়। কাপ্তানকে গালমন্দ করে। কিন্তু তাও কাপ্তান বললে বাক্যব্যয় না করে জাহাজে চড়ে বসে৷ এই ইস্তক কাপ্তানের মুখ কেউ দেখতে পায়নি৷ কাপড় দিয়ে ঢাকা থাকে। ‎ ‎ "এক্ষুণি নাকি ভায়া?" ‎ ‎বালুতট থেকে সূর্যাস্ত দেখতাম। রোমাঞ্চ। জীবনটাই রোমাঞ্চ। ঠিক বলিনি? জাহাজটা এসে পড়ার সাথে সাথে একটা বিকট আওয়াজ হয়েছিলো৷ চড়ে বসার পর আর তটে ঢেউয়ের আছড়ে পড়ার শব্দ পাইনি। সমুদ্রের গভীরতা যদি মেপে দেখা যেতো! যাবে না? কেউ চেষ্টা করে না? ‎ ‎"চাঁদ আকাশ থেকে হাসছে মনে হলো না? একবার দেখো তো।" ‎"হাসলেই বা কী?" ‎সেটাইতো৷ হাসলেই বা কী আর কাঁদলেই বা কী৷ কিচ্ছু যেতে আসতে যাবে কেন। ‎ ‎ একটা লোক সুর করে অন্য একটা ভাষায় কীসব বলছে৷ এটা রোজকার ব্যাপার। সন্ধ্যে হবো হবো করলেই ওরকম করে৷ দিন রাত মিলিয়ে আরও অনেকবার এরকম করে বটে কিন্তু এই সময়টায় লোকটার গলার আওয়াজ একটু বেশি কানে বাজে। সূর্য আর চাঁদের সাথে লোকটার ঘনিষ্ঠতা আছে কোনোভাবে। সুর শুনে কিছু লোক জড়োও হয় ৷ কিছু লোক পাত্তা দেয় না৷ ‎ এখানকার সবাইকেই জাহাজে চড়তে হবে একদিন৷ যার যখন ইচ্ছা হবে সে কিন্তু চাইলেই পারে না ৷ জাহাজের কাপ্তানের যেদিন যাকে মনে ধরে তাকে নিয়েই সমুদ্র পাড়ি দেয়৷ যাকে নিয়ে পাড়ি দেয় তাকে আর কখনো এদিকটায় ফিরতে দেখিনি । কাপ্তানের কথাই শেষ কথা৷ ‎ ‎ জাহাজে চড়ার পর তীরের দিকে তাকাতে দেখতে পেলাম সমুদ্রতটে পাথরের ওপর কিছু লোকজন মন খারাপ করে বসে আছে। দুজনকে কাঁদতেও দেখলাম। ওরকম হয়৷ একসাথে অনেকদিন থাকলে মায়া পড়ে যায়৷ কাপ্তান লোকটাকে দেখে ভয় টয় পেলাম না। মুখটা কি দেখা যায়? জিজ্ঞেস করবো? ‎ ‎"ভায়া মুখটা কি দেখা যাবে তোমার?" ‎ ‎"যাবে। তবে দ্বীপটায় বসে বসে কী করেছো তার একটা ফিরিস্তি দেখে নিই৷ শাগরেদরা অ্যাদ্দিন বসে বসে বানিয়েছে৷" ‎ ‎"কারা শাগরেদ?" ‎ ‎"ছিলো ছিলো। চিনবে না। ওরা সবার ওপর নজর রাখে৷ লুকিয়ে লুকিয়ে। এদের কথা শোনো নি কখনো?" ‎ ‎"শুনেছি বৈকি। লোকজন বলাবলি করতো।" ‎ ‎"ওরাও কিন্তু আমার লোক। তবে হ্যাঁ। আমার নিন্দে মন্দে করে থাকলে কিন্তু বাপু তোমাকে আমার মুখ দেখাবো না৷" ‎ ‎"দাঁড়াও দাঁড়াও। তোমাকে যেনো খুব করে চিনি বলে মনে হচ্ছে।" ‎ ‎"আমি তো তোমার আসল বাড়ির লোকই। ওখানেই নিয়ে যাচ্ছি।" ‎ ‎মুহূর্তেই চিনতে পারলাম কাপ্তানকে৷ কোনো এক অনন্ত সীমাহীন প্রসন্নতা যেনো ঘিরে ধরলো আমায়৷ ‎ ‎©® Max Rab

Repost from Max Rab
ছবিতে থাকা গাড়িটি উদ্ভাবিত হয় গত শতাব্দীর বিশের দশকে। গাড়িটির নাম Rolls Royce Phantom I, যা ১৯২৫ সালে নিজের যাত্রা শুরু করে।
ছবিতে থাকা গাড়িটি উদ্ভাবিত হয় গত শতাব্দীর বিশের দশকে। গাড়িটির নাম Rolls Royce Phantom I, যা ১৯২৫ সালে নিজের যাত্রা শুরু করে। ইংল্যান্ডের ডার্বিতে প্রথম এটি চলতে শুরু করেছিল। মোটর গাড়ির ইতিহাস নিয়ে একটু পড়ছি। সেই সূত্রে, বিভিন্ন গাড়ির ব্যাপারে জানতে পারছি আর সেসবের ছবিও দেখার সুযোগ হচ্ছে। এই গাড়িতে গিয়ে চোখ আটকে গেল, তার কারণ, এই ধরনের গাড়ি বিভিন্ন সিনেমায় বেশ কয়েকবার দেখেছি। পুরুষ মানুষের একটু গাড়ির দিকে আকর্ষণ থাকেই। সেজন্যই গাড়ি নিয়ে একটু পড়াশোনা আরকি। Max Rab

Repost from Max Rab
পুরনো লেখা।

Repost from Max Rab
সাইবেরিয়ান হাঁস "আর বোলো না গিন্নি। আজ কতোগুলো বিলিতি সারস দেখলুম। এক ঝাঁক। ঐ যে নায়েবদের বিল্ডিং আছে না? ওখান থেকে এক্কেবারে বাচ্চাদের ইস্কুল অব্দি কী বেগে উড়ে গেলো! আমি তো তাদের নাগালই পেলুম না। পিছু করতে করতে হাঁপিয়ে গেছি।" "বলো কী গা! বিলিতি?" "তবে আর বলছি কী! আমাদের ও পাড়ার পাতিহাঁসটার মতো দেখতে একেবারে। সবগুলো। আমি তো প্রথমটায় ধরতেই পারিনি। পাতিহাঁস মনে করে এড়িয়ে গেছিলুম৷ পরে দেখলাম একজন ইঞ্জিরিতে কীসব বলছিলো।" এতক্ষণ ধরে গাছতলায় বসে ওদের কথা আমার কানে আসছিলো।  চেঁচিয়ে উঠলাম, "কী বকবক করছিস তোরা তখন থেকে? একটু চোখ লেগেছিলো। তোদের জ্বালায় ঘুমোনোটা আর হলো না আমার।"  কর্তা টুনটুনিটা আমার পাশে এসে বসলো। বললো, "এমা ছিঃ ছিঃ। মাপ করবেন কত্তা৷ আপনাকে দেখতে পাইনি। আজ আরকি...।" আমি ওর কথা থামিয়ে দিয়ে বললাম, "শুনেছি। ওরে ওরা খাস সাইবেরিয়ান। আর কথাটা ইঞ্জিরি নয়। ইংরেজি বা ইংলিশ। বুঝলি?" টুনটুনি কর্তা একটু লজ্জা পেয়ে বললো, "তা কত্তা এতো পড়াশুনা কি আর করিচি। আমার পড়াশুনা ঐ যাকে বলে তিন কেলাশ অব্দি।" আমি বেশ তাচ্ছিল্যের সুরে ওদের বললাম, "তোদের আর কীইবা বলবো, বল। ওদের সাথে আমার কিন্তু বেশ জানাশোনা আছে। একবার তো ওরা আমাকে সাইবেরিয়াতে ওদের ডেরায় অব্দি যেতে ইনভাইট করেছিলো। আমি নানা ব্যস্ততায় আর গিয়ে উঠতে পারিনি৷" একথায় টুনটুনি গিন্নিও বেশ উৎসাহ পেয়ে নিচে নেমে আমার পাশে বসলো৷  বললো, "তাই নাকি কত্তা? তাদের সাথে কী কথা হলো?" "আর বলিস না। সে এক বিচিত্র কথা। একটা লোক বন্দুক নিয়ে গেছিলো ওদের শিকার করতে। আমাকে তো তোরা জানিসই। কোনো অন্যায় সহ্য করতে পারি না। খ্যাপে গেলাম লোকটার ওপর। লোকটাকে গালমন্দ করতেই আমার দিকে তেড়ে এলো। প্রথমে মুখে মুখে তর্ক হচ্ছিলো পরে হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেলো। কিন্তু ঐ হতভাগাটাতো আমাকে চিনতো না৷ দিলাম কষে একটা জুজুৎসুর প্যাঁচ। অমনি মাটিতে চিৎপটাং। শেষমেশ পায়ে ধরে নাকি কান্না কেঁদে আমার হাত থেকে রক্ষা পেলো। ভাবছিলাম পুলিশে দেবো। আমার তো আবার দয়ার শরীর। তাই আরকি মাফ করে দিলাম। তো এখানে একটা ব্যাপার ঘটেছে। ঐ সাইবেরিয়ান হাঁসেদের একটা কনিষ্ঠ সদস্য আমার কথা গিয়ে ওদের দলের সর্দারকে বলে দেয়। আর সর্দার নিজে এসে আমার সাথে আলাপ জমায়।" কর্তা গিন্নী দুজনেই হা করে আমার কথা শুনছিলো। বললো, "বলেন কী কত্তা? সর্দার নিজে এসে আলাপ জমায়?" "তবে আর বলছি কী? তো পরে কী হলো শোন। সর্দারটা প্রথমেই আমার সামনে এসে বললো, 'থ্যাংক ইউ সো মাচ, মিস্টার জেন্টলম্যান। উই আর সো মাচ গ্রেটফুল টু ইউ।' আমি বিনয়ের হাসি হেসে 'এ আর এমন কি' গোছের  একটা ভাব ধরলাম। তারপর সর্দার বললো, ' আপনাখে আম্রা এইভার আমাডের শাইবেরিয়াঠে ইনভাইট করছি। এখবার ঘুড়েই আসুন।' আমি বললাম, 'সে যাওয়াই যায়। কিন্তু ওখানে খুব ঠান্ডা তো। যাওয়াটা ঠিক হবে?' সর্দার বললো, 'ডেখো ভায়া। ঠোমরা মানুষেরা এট্টো সব গরম খাপড় খোন খাজে বানিয়েছৌ? নিজেডের শ্রেষ্ঠ প্রাণী বলো খোন আকখেলে?' আমি একটু লজ্জা পেয়ে বললাম, 'না না। ঠিকই তো। ঠিকই তো। গরম কাপড় তো আছেই৷ যাবো একদিন।' আমার মনে তখন থেকেই একটা প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছিলো। সংকোচ না করে বলেই ফেললাম, 'আচ্ছা স্যার। আপনারা প্রতিবছর এই একবারই এখানে আসেন কেন? অন্য কখনো কি সময় পান না?' সর্দার মুখ গোমড়া করে বললো, 'এটা কি তোমাদের প্রাইমারি স্কুলের চাকরি পেয়েছো নাকি? গরমের ছুটি, রমজানের ছুটি, দুই ঈদের ছুটি, পুজোর ছুটি আর অকেশনালি অন্য ছুটি তো অনায়াসেই পেয়ে যাও। আমরা এই একবারই শীতের ছুটি পাই। অফিসের বস খুব কড়া। কী আর বলবো!' 'আরিব্বাস! আপনি তো দিব্যি বাংলা বলেন। এতোক্ষণ তাহলে ওরকম ভাষায় বললেন কেন?' 'শোনো ভাই। আমরা বিলিতি। তারওপর আবার খাস রাশিয়ান। ওভাবে বাংলা বলতে গেলে আমাদের ক্লাসিনেসটা থাকতো না। তোমাকে নিজের লোক মনে করে বলেই ফেললাম। ঠিক করিনি?' 'আলবাত ঠিক করেছেন। একশোবার৷' তো তারপর থেকে প্রায়ই আমাদের কথাবার্তা হতো যখন আসতো৷ বুঝলি?" কর্তা গিন্নী তাদের ডানাদুটো জোড়হাতের মতো করে আমাকে বললো, "আপনি মহান, কত্তা। আপনি মহান।" "আচ্ছা। হয়েছে, হয়েছে। যা এবার। আমি একটু ঘুমিয়ে নিই।" কোথা থেকে যে বব মার্লের "হো হো, গাঞ্জা গাঞ্জা" গানটা ভেসে আসছে কে জানে। মরুক গে ।  আমি ঘুমোই৷  ©® Max Rab

Repost from Max Rab
Sometimes we miss Salah. It can happen for many reasons. Here are a few practical ways to help you stay consistent: - ‎Cut off the company of those who don’t pray. Environment matters. Avoid gatherings where there’s no space or consideration for prayer. - ‎Fix your sleep schedule. Many people miss prayers simply because of poor sleep habits. - ‎Attach prayer times to your daily routine. For example: Fajr when you wake up, Zuhr around lunch. You know your schedule best.. Use it. - ‎Try to stay in wudu as much as possible. When you’re outside, it can be difficult to make wudu, so do it whenever you get the chance...even if it’s not prayer time. - ‎Pray as soon as the time comes in. If you delay thinking "I’ll pray later", you might end up missing it. Even if you can’t go to the mosque, pray wherever you are home, office, or outside. - ‎Most importantly, stay spiritually awake. Without sincerity and awareness, even praying five times a day won’t truly benefit you. ‎

Repost from Max Rab
এই যে কয়েকজন মিলে একসাথে খেতে বসা, ঘড়ি দেখে খাওয়ার সময় ঠিক করা, সারা দিন-রাত মসজিদ খোলা থাকা, প্রতিদিন নানা ধরনের খাবারের আয়োজন করা, এক প্রতিবেশী আরেক প্রতিবেশীর কাছে খাবার পাঠানো, দল বেঁধে নামাজ পড়তে যাওয়া, লোকজনকে খেতে নেমন্তন্ন করা, গুরুজনদের থেকে ভালো মন্দ যা কিছু একটা হোক উপহার আদায় করা সবকিছুর চর্চা আর ক'দিন পরেই শেষ হয়ে যাবে। রমজান শেষ হয়ে যাচ্ছে। উৎসবমুখর পুরো মাসটা শেষ হতেই লোকজন আবার আইসোলেটেড হয়ে পড়বে। এই মাসে যা-ই লোক একটু স্বার্থপরতা ত্যাগ করার চেষ্টা করে, এই মাস চলে যাওয়ার পরে পুনরায় স্বার্থ মানুষের অন্তরকে হানা দেবে। শান্তি ও সম্প্রীতির চর্চা শেষ হয়ে যাবে। মিস করবো রমজানকে। প্রতিবারের মতো আবারও মিস করবো।