fa
Feedback
Medical & DU(Ban,Eng,Gk)

Medical & DU(Ban,Eng,Gk)

رفتن به کانال در Telegram
1 898
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-17 روز
-630 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
اکتبر '24
اکتبر '24
+4
در 0 کانال‌ها
سپتامبر '24
+51
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '24
+41
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '24
+18
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '24
+26
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '24
+44
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '24
+20
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '24
+33
در 2 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '24
+150
در 1 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+257
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+344
در 2 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+52
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+61
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+42
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+18
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+23
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+51
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+64
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+79
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+57
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+28
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+38
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+48
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+62
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+63
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+70
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+109
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+202
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '22
+129
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '22
+179
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '21
+170
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '21
+106
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '21
+97
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '21
+115
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '21
+110
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '21
+267
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
09 اکتبر0
08 اکتبر+1
07 اکتبر0
06 اکتبر+1
05 اکتبر0
04 اکتبر+2
03 اکتبر0
02 اکتبر0
01 اکتبر0
پست‌های کانال
photo content
+2

2
بدون متن...
211
3
🔰 দক্ষিণ চীন সাগর ও নাইন ড্যাস লাইন 🔰 দক্ষিণ চীন সাগর ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে কারণ দক্ষিণ চীন সাগরকে ঘিরে নয়টি কাল্পনিক রেখার উপস্থিতি (নাইন ড্যাশ লাইন), চীনের একাধিপত্তের বিস্তার এবং চীনের পাশাপাশি ফিলিপাইন, ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের সমুদ্রসীমা থাকার জন্য প্রায় ৩৫ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এই জলভাগ বিশ্ব রাজনীতির আলোচনার অন্যতম বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন অনুযায়ী আমরা জানি, এই জলভাগটি কোন একটি দেশের একক মালিকানা হতে পারে না কিন্তু চীন দক্ষিণ চীন সাগরকে তার একক মালিকানাধীন অঞ্চল হিসেবেই মনে করে এবং সেই অনুযায়ী প্রতিনিয়তই তারা দক্ষিণ চীন সাগর হতে গাস, তেল এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদ আরোহণ করে চলেছে। তাছাড়া চীন সম্প্রতি কৃত্তিম দ্বীপ স্থাপন করছে এই দক্ষিণ চীন সাগরেই যা আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের পরিপন্থি। এই সাগরে অবস্থিত নয়টি কাল্পনিক রেখাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভাষায় নাইন ড্যাশ লাইন হিসেবে অভিহিত করা হয়। দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত প্রবাল দ্বীপ সমূহের অধিকাংশের দখলই এখন চীনের অধীনে এবং তারা নানা ধরনের সামরিক স্থাপনা ও সামরিক অনুশীলনের জন্য এই দ্বীপগুলোকে ব্যবহার করছে। ফিলিপাইনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে দক্ষিণ চীন সাগরে এক সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ সক্রিয় উপস্থিতি ছিল যার উপর চীন সরকার তাদের অবরোধ আরোপ করে এবং চীনের ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল তথা অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমায় মার্কিন রণতরীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ এই দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসী মনোভাবকে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যৎ-এ বড় সংঘাত দেখতে পারে পুরো বিশ্ব।
158
4
بدون متن...
119
5
👉সাক্ষরতার হারে দেশের শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৯০.৮১%) 👉সাক্ষরতার হারে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা বরগুনা (৮৮.৩৩%) 👉সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ বরিশাল (৮২.১৯%)
116
6
নিজের টাকায় পদ্মাসেতু! তাহলে ঋণ শোধ করলো কাকে? উত্তর: সরকারের 'সেতু বিভাগ' ঋণ শোধ করলো 'অর্থ বিভাগের।'
116
7
৪) "Anti Money Laundering Act 2012" এর প্রয়োগ বাড়াতে হবে। Bangladesh Financial Intelligence Unit (BFIU) এর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ৫) প্রবাসীদের অভিবাসন ব্যয় হ্রাস ও বিদেশে অভিবাসনের প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে হবে। কারণ অনেকের দালাল চক্রের কারণে অভিবাসন ব্যয় বেশি হয় বলে, তারা অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ক্ষতিটি পুষিয়ে নিতে চায়। ৬) ২.৫% প্রণোদনাকে ৩%-৫% করা যেতে পারে। কারণ, সরকার প্রণোদনা বাড়ালেও, প্রবাসী আয় যখন বাড়বে, তা রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে এবং অর্থনীতির কাঠামোগুলোতে, শিল্পায়নে, কর্মসংস্থানে সুফল আসবে। ৭) বর্তমানে মালয়েশিয়া, ওমান, কাতারের মত বৃহৎ গন্তব্যে, শ্রমিক নেয়া বন্ধ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে শ্রমবাজার open করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। ৮) গ্রীসের মতো পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ায় শ্রমিক রপ্তানির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা জোড়দার করতে হবে। অর্থাৎ নতুন শ্রমবাজার খুঁজতে হবে। ৯) বিশ্বব্যাংকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের গবেষণায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে Remittance পাঠাতে খরচ বেশি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। এরকম পোস্ট বাজারের কোন গাইডে পাবেন না। কিন্তু তবুও অনেকে কমেন্ট, শেয়ারে কার্পণ্য করে। এটি নিরুৎসাহিত করে আমাকে। আসলে আপনারা হাজার টাকা দিয়ে কোর্স কিনে মূল্যটা দেন। কিন্তু ফ্রি সবকিছুই যেন মূল্যহীন! (Collected )
110
8
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহের চিত্রঃ ২০২৩-২৪ - ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার ২০২২-২৩ - ২১.৬১ বিলিয়ন ডলার ২০২১-২২ - ২১.০৩ বিলিয়ন ডলার ২০২০-২১ - ২৪.৭৮ বিলিয়ন ডলার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শ্রমিক গিয়েছেন প্রায় ১২ লাখ (১১ লাখ ৯৭ হাজার)। এর মধ্যে সৌদি আরবেই ৫.২৬ লাখ । দ্বিতীয় গন্তব্য মালয়েশিয়া। রেমিট্যান্স আয়ে শীর্ষ দেশ UAE, ২য় USA, ৩য় UK এবং KSA চতুর্থ। বিদেশে শ্রমিক রপ্তানিতে বাংলাদেশ ৬ষ্ঠ হলেও, প্রবাসী আয়ে ৭ম। 🟥 রেমিট্যান্স বাড়াতে সরকারের বিশেষ পদক্ষেপসমূহঃ ১) ডলার রেট বাজারভিত্তিক করায় প্রবাসীরা বৈধ পথে প্রবাসী আয় পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। ২) সরকার বৈধ উপায়ে প্রবাসী আয় পাঠানোর জন্য ২.৫% প্রণোদনা দিচ্ছে। এছাড়া ব্যাংকগুলো নিজ উদ্যোগে আরো ২.৫% দিতে পারতো। (অর্থাৎ কেউ ১০০ টাকা সমপরিমাণ পাঠালে পেতো ১০৫ টাকা।) তবে জুনে ক্রল পেগিং পদ্ধতির কারণে ডলার এর বিনিময়মূল্য বাড়ায়, এখন ২.৫% প্রণোদনা দিচ্ছে না ব্যাংকগুলো। ৩) অফসোর ব্যাংকিং এর মাধ্যমে প্রবাসীরা বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংকগুলোতে আমানত রাখতে পারছেন। ৪) প্রবাসী আয় প্রেরণে কাগজপত্র, আয়ের উৎস খোঁজা ইত্যাদি বিভিন্ন শর্তের আধিক্য কমানো হয়েছে। ফলে প্রবাসীরা এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। ৫) প্রবাস আয় সম্পূর্ণ Tax Free ৬) প্রবাসীদের Social Safety Net বৃদ্ধির জন্য সরকার Universal Pension Scheme এর একটি প্যাকেজ - "প্রবাস" চালু করেছে। যেখানে প্রবাসীরা বিদেশি বা দেশি মুদ্রায় টাকা জমা রাখতে পারছেন। ৭) সরকার অভিবাসন ব্যয় হ্রাস ও প্রবাসীদের হয়রানি কমাতে ডিজিটালাইজেশন, স্মার্ট আইডি, e-passport ইত্যাদিতে জোড় দিচ্ছে। ৮) সরকার পূর্ব-ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজার গবেষণা করছে ও এ বাজারগুলোতে জনশক্তি রপ্তানির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। 🟥 আরো বেশি বাড়াতে কী কী করণীয়? ১) হুন্ডি বা অবৈধ পথে প্রবাসী আয় একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। তাই হুন্ডি প্রতিরোধ করে বৈধ পথে প্রবাস আয় বাড়াতে হবে। সাবেক অর্থমন্ত্রী আহম মোস্তফা কামাল সংসদে বলেন, ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয় অবৈধ পথে বা হুন্ডির মাধ্যমে আসে। ভাবুন, দেশের রিজার্ভে অন্তত ২০ বিলিয়ন ডলার আসলেও কতো শক্তিশালী হতো অর্থনীতি! হুন্ডি বলতে বোঝায়, প্রবাসীদের আয় অবৈধ পথে বিদেশ থেকে দেশে পাঠানো। যেমন ধরুন, USA এর একজন নাগরিক Tom. সে ডলার পাঠাবে বাংলাদেশে। এতে সরকার ডলার পেলে রিজার্ভে ডলার জমা হবে। সরকার ডলারের বিনিময়ে নির্ধারিত যে টাকা থাকবে, তা প্রবাসীর পরিবারকে দেবে। কিন্তু যদি এমন হয় যে, USA এর প্রবাসী Tom, তার আয়ের ডলার ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠালো না। এ ডলার USA তে বসে হুন্ডিচক্রের একজনকে দিয়ে দিলো। এখন হুন্ডিচক্রের যাকে, USA তে বসে ডলার দিলো, সে বাংলাদেশে ঐ প্রবাসীর পরিবারকে টাকা পৌঁছে দিলো তার agent এর মাধ্যমে। মূল কথা হলো, USA তে উপার্জিত Tom এর ডলারগুলো, ব্যাংকিং চ্যানেল এঁড়িয়ে বাংলাদেশে টাকায় রূপান্তর হয়ে গেলো। এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে আসলে সরকার ডলার পেতো। কিন্তু অবৈধ বা হুন্ডির কারণে তো ডলার পেলো না। ফলে রিজার্ভ সংকটসহ অর্থনীতির নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। রিজার্ভ কম থাকলে তো আমরা Import Cost ডলারে মেটাতে পারবো না। ✅ হুন্ডি কেন হয়? For Example, ধরুন ব্যাংকিং চ্যানেলে ১ ডলারের বিনিময়মূল্য ১০০ টাকা + প্রণোদনা ৫ টাকা = ১০৫ টাকা দেয়া হচ্ছে। হুন্ডিচক্র দেবে ১০৮/১১০/ তারও বেশি টাকা করে। সুতরাং হুন্ডিতে প্রবাসীরা বেশি বিনিময়মূল্য পাচ্ছে। আবার হুন্ডিচক্র খুব দ্রুত টাকা তার পরিবারকে পৌঁছে দেয়। অনেক সময় Advanceও টাকা দেয়। কাগজপত্রের বা শর্তেরও কোন বিধান নেই। কিন্তু এটি অবৈধ ও দেশের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর। তাহলে হুন্ডিচক্র এই যে বেশি করে টাকা দেয়। এটা তারা কেন দেয়? এখানেই আসে Money Laundering বা অর্থপাচার। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান GFI, ২০১৫ সালে বলে - বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রতিবছর ৬৪০০০ কোটি টাকা পাচার হয়। ✅ অর্থপাচার কী? ধরুন, বাংলাদেশের একজন নাগরিক Jerry বিদেশে অর্থপাচার করবে। সে কিভাবে করবে? সে তার টাকা বিদেশে নিলে তো টাকা সেদেশে কাজ করবে না। তার নিতে হবে ডলারে। সুতরাং Jerry তার কাছে থাকা টাকাগুলো এই হুন্ডিচক্রকে দিবে। হুন্ডিচক্র সে টাকা দিয়ে ঐ যে তার USA এর Client Tom এর পরিবারকে (যারা বাংলাদেশেই রয়েছে) টাকা দেবে। আর USA এর ঐ Client Tom তো, হুন্ডিচক্রকে তার ডলার দিয়েছিলো। তো এ ডলারটা সে, এই মুদ্রা পাচারকারী Jerry এর জন্য USA তে রেখে দিবে। এভাবে তারা একটি অবৈধ ব্যবসা করে। ২) বাংলাদেশের শ্রমিকদের প্রায় ৫০% হলো অদক্ষ শ্রমিক। ফলে তাদের মজুরি বা বেতন কম। কিন্তু দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা বাড়লে Remittance অনেক বেশি বাড়বে। ৩) Skilled Manpower, Human Asset Development এর জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কারিগরি শিক্ষায় বরাদ্দ, বিনিয়োগ ও সুযোগ বাড়াতে হবে।
113
9
بدون متن...
118
10
শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন নেক।
শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন নেক।
226
11
+3
بدون متن...
291
12
+3
بدون متن...
223
13
প্রত্যয় স্কিম নিয়ে বিস্তারিত link https://www.google.com/amp/s/www.prothomalo.com/amp/story/business/economics/p6b4x0f61t
196
14
بدون متن...
178
15
بدون متن...
211
16
https://www.banglanews24.com/national/news/bd/1353853.details?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAAR3SJa1GQwqGW6AUQC8ptThkkzG5cR6wLecDOe9zaVEteegokVvPU5wmwUg_aem_lr-D61a3-Aa0txsuyHgqBg
177
17
Gk(recent) ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার' - ২০২৪ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (FAO) প্রতি দুই বছর পরপর বিশ্বের মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন 'ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার' প্রকাশ করে। ২০২৪ সালের প্রতিবেদনের কিছু তথ্য দেওয়া হলো- ২০২৩ সালে মিঠাপানির মাছ আহরণে- বিশ্বে প্রথম- ভারত। বাংলাদেশ বিশ্বে-দ্বিতীয়। বিশ্বে তৃতীয়- চীন। মোট মাছের উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে- পঞ্চম। শুধু কাঁকড়া চাষে বাংলাদেশের অবস্থান- নবম। সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- ১৪তম। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ স্বাদুপানির মাছ উৎপাদন করে ১৩ লাখ ২২ হাজার টন, যা বিশ্বের মোট মাছের ১১ দশমিক ৭ শতাংশ।
187
18
بدون متن...
169
19
Gk
Gk
198
20
একনজরে এবারের বাজেট দেশের ৫৩তম ও আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম বাজেট। জাতীয় সংসদে 'সুখী সমৃদ্ধ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার' শীর্ষক বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। প্রস্তাবিত এ বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) চেয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটের আকার বাড়লেও ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, আগামী অর্থবছর ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণ নেয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি, যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি ঋণ। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। আর কর ছাড়া প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।
324