fa
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

رفتن به کانال در Telegram

📈 تحلیل کانال تلگرام Engineer's Diary

کانال Engineer's Diary (@engineersdiary) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 10 651 مشترک است و جایگاه 18 813 را در دسته آموزش و رتبه 2 172 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 10 651 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 20 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -150 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -6 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 8.19% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 2.28% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 873 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 243 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 3 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
EngineersDiaryBD.com

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 21 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته آموزش تبدیل کرده‌اند.

10 651
مشترکین
-624 ساعت
-327 روز
-15030 روز
آرشیو پست ها
ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র সর্বশেষ পর্ব ধারণ করা হয়েছে নরসিংদীতে। নাগরিক পার্টির ইমামবাড়া গোলাম সরোয়ার তুষার কিছুক্ষণ আগে এ-ব্যাপারে লিখেছে— ‘যে-জেলায় ইত্যাদি হয়, সেই জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরা ইত্যাদির পুরোনো রেওয়াজ। ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব হিশেবে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের শহিদ আসাদ, ভাই গিরীশচন্দ্র সেনের বসতভিটা, সমাধিস্থল, জাদুঘর, লাইব্রেরি দেখানো হলো। তাদের কীর্তি ও সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও বর্ণিত হলো। নরসিংদীর সন্তান হিশেবে অবশ্যই আমরা গর্বিত। বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করলাম হানিফ সংকেতের চৈতন্যে জুলাই নেই, জুলাইয়ের নরসিংদী নেই। জুলাইয়ের নরসিংদীর বীরোচিত কারাবিদ্রোহের ইতিহাস নাই। শহিদ তাহমিদ, শহিদ ইমন বা শহিদ রাব্বি নেই। জুলাইয়ের উত্তাল নরসিংদী হানিফ সংকতের চৈতন্যে নাই। উপস্থিত দর্শকদের জন্য সাজানো কুইজের প্রশ্নে নরসিংদীর সন্তান কবি শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল আজাদ আছেন; নাই সেরেফ জুলাই।’ ইতিহাস একদিনে বা এক-দেড়-দুই বছরে তৈরি হয় না। ইতিহাস তৈরি হতে দশকের পর দশক সময় লাগে। দশকের পর দশক ধরে তর্ক-বিতর্ক চলার পর একটা ইতিহাস মীমাংসিত হয়। এরপর তা সর্বজনশিরোধার্য হয়, পাঠ্যপুস্তকে উঠে আসে, অরাজনৈতিক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানেও নিশ্চিন্তে ঠাঁই পায়। অবশ্য, দশকের পর দশক ধরে তর্ক-বিতর্ক চলার পরও কোনো-কোনো ইতিহাস অমীমাংসিতই থেকে যায়, কালের বিবর্তনে হারিয়ে যায়। অমুসলমান হওয়া সত্ত্বেও নরসিংদীর গিরীশচন্দ্র সেন কোরানের প্রথম বঙ্গানুবাদকারী হিশেবে স্বীকৃত। এই ভদ্রলোক মারা গেছেন একশো ষোলো বছর আগে। এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মারা যাওয়ায় এবং এই ফাঁকে তাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক না-হওয়ায় ইতিহাসে তিনি স্থায়ী আসন পেয়ে বসে আছেন। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি অপছন্দ করলেও শামসুর রাহমান বাংলা কবিতার ইতিহাসে অমরত্ব পেয়ে গেছেন। কোনো ছুঁচো-কেঁচো নিন্দেমন্দ করে শামসুর রাহমানের অমরত্বের কেশাগ্রও নষ্ট করতে পারবে না। মতিউর রহমান নিহত হয়েছেন পঞ্চান্ন বছর আগে। পাকিস্তানের পাইলট অফিসার রশিদ মিনহাজের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিমান ছিনিয়ে বাংলাদেশে আনতে গিয়ে মতিউর রহমান নিহত হয়েছিলেন, মতিউর রহমানকে প্রতিহত করতে গিয়ে নিহত হয়েছিলেন রশিদ মিনহাজও। পাকিস্তান রশিদ মিনহাজকে বীর হিশেবে স্মরণ করে, মতিউর রহমানকে গাদ্দার হিশেবে। বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামিও রশিদকে বীর এবং মতিউর রহমানকে গাদ্দার মনে করে। কিন্তু তাতে মতিউর রহমানের কিছুই যায়-আসেনি। মতিউর রহমান ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছেন ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ হিশেবে। মতিউর রহমানকে নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। তিনি চূড়ান্তভাবে মীমাংসিত। কিন্তু বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি জুলাইয়ের ব্যাপারে ভীষণ অস্থির। জামায়াতে ইসলামি একাত্তরেরও পরাজিত শক্তি, সাতচল্লিশেরও পরাজিত শক্তি। তাই, জামায়াতের তড়িঘড়ি করে একটা নতুন স্বাধীনতা দরকার, নতুন সংবিধান দরকার, নতুন জাতীয় সংগীত দরকার, দেশের জন্য নতুন নাম দরকার, দরকার জাতির নতুন পিতা। ছাত্রদের রক্তাক্ত লাশ দেখে সারাদেশের মানুষ জুলাই আন্দোলনে অংশ নিলেও আন্দোলনের একক মালিকানা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়াত। পেছনে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা বা মার্কিন মেটিকিউলাস ডিজাইন আছে জানলে জুলাইয়ে কাকপক্ষীও রাজপথে নামত না। ফলে, জুলাইকে মীমাংসিত হতে দিতে আরও সময় লাগবে। কিন্তু অমীমাংসিত জুলাইকে মীমাংসিত হতে দিতে বৃহত্তর জামায়াত কোনো সময় দিতে চায় না। টাকায় জামায়াতের জুলাই গ্রাফিতি লাগবে, পাঠ্যপুস্তকে জুলাই লাগবে, সংবিধানে জুলাই লাগবে। বাকি ছিল হানিফ সংকেতের ইত্যাদি। জামায়াতের সেখানেও জুলাই লাগবে, জবরদস্তি করে হলেও লাগবে, মীমাংসিত হওয়ার আগেই লাগবে। এত তাড়াহুড়ো করলে চলবে না। মীমাংসিত হতে জুলাইকে অন্তত দশটা বছর সময় দিতে হবে। দশ বছর পর জুলাই নিজেই নিজের জায়গা খুঁজে নেবে। হানিফ সংকেত যদি তখনও বেঁচে থাকেন এবং তখনও যদি ‘ইত্যাদি’ বানান, তা হলে নিশ্চয়ই তিনি তখন ইত্যাদিতে জুলাই রাখবেন। দর্শকদের জন্য সাজানো প্রশ্নের তালিকায় হানিফ সংকেত নিশ্চয়ই এ-রকম প্রশ্ন রাখবেন— ‘জুলাইযোদ্ধা নীলা ইসরাফিলকে লাগাতে চাওয়া আরেক জুলাইযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার তুষারের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই নরসিংদীতেই। বলতে হবে তার জন্মস্থান নরসিংদীর কোন থানার কোন ইউনিয়নে এবং নীলা ইসরাফিলকে তিনি কবে লাগাতে চেয়েছিলেন, কী বলে লাগাতে চেয়েছিলেন। ওখানে একজন হাত তুলেছেন— লাল শাড়ি, শাদা ব্লাউজ। হ্যাঁ, আপনার উত্তর সঠিক হয়েছে। লাল শাড়ির জন্য করতালি। কী নাম আপনার? কী করেন আপনি? নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী জুলাইকা অরোরা, আপনি চলে আসুন মঞ্চে।’ বিজয়ী দর্শকের হাতে কেয়া কসমেটিকসের পক্ষ থেকে কম্পিউটার ও সবসময়কার মহামূল্যবান পুরস্কার বই তুলে দেওয়ার জন্য হানিফ সংকেত কাকে ডাকবেন, জানি না। তবে, বিজয়ীর হাতে পরিবেশবন্ধু গাছ তুলে দেওয়ার জন্য হানিফ সংকেত তখন যে নরসিংদীর বীরোচিত বাড়াবিদ্রোহের মহানায়ক গোলাম সরোয়ার তুষারকেই ডাকবেন, এ-ব্যাপারে কারও দ্বিমত নেই। বিজয়ীর হাতে গাছ তুলে দিয়ে তুষার বলবে— আমি লাগাতে পারিনি, আপনার

রইদ, বনলতা সেন বা এক্সপ্রেস হাদী ভাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার একেকটা প্রজেক্ট । শিল্পের নাম করে যদিও ।

photo content

২৪ ঘন্টার মধ্যে ঝুলিয়ে দিতে চাওয়া ইতরেরা এখন কি বলবে? বিচারে যেমন ডিলে করলেও সমস্যা, তেমনি তাড়াহুরোও করা যাবেনা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঝুলিয়ে দিতে চাওয়ার মরিয়া চেষ্টা, আবার শুধু রামিসাকে ধর্ষণ করতে বাড়ি ভাড়া করা! এখন নাম আসলো টাকাওয়ালা "ডলারের"। এগুলো কিন্তু প্রশ্ন তৈরি করে। এটা কি শুধুই ধর্ষণ করে প্রমাণ ডাকতে হত্যা? নাকি পরিকল্পিত হত্যা? এগুলোর তদন্ত হওয়া জরুরি, জনতুষ্টির চার্জশীটের চেয়েও জরুরী সুষ্টি বিচার হওয়া এবং অবশ্যই "গ্রহনযোগ্য দ্রুততার" সাথে। Md Abdus Salam

বাংলাদেশের পাঁচটা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডুয়েট থেকে গ্র‍্যাজুয়েট বিএসসি ইঞ্জিনিয়াররা একচুয়ালি ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে চাকরি করা নিয়ে সবচেয়ে বেশি কনসার্ন থাকে। অধিকাংশই প্রথম বর্ষ থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে জব প্রিপারেশন নিতে থাকে। অবশ্য তাদের উপসহকারী প্রকৌশলী এবং সহকারী প্রকৌশলী উভয় পদে সুযোগ থাকায়, এই দিকে জব করার ঝোঁকটা প্রচন্ড বেশি। অন্যদিকে, বাকি চারটা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন স্বনামধন্য বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল ডিগ্রি প্রদানকারী নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা প্রথম বর্ষ থেকে চিন্তা করে তারা বিদেশে চলে যাবে, অনেক বড় রিসার্চার হবে, সাইন্টিস্ট হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু তৃতীয় বর্ষে এসে অনেকের মোহ ভঙ্গ হয়, আর চতুর্থ বর্ষে এসে বুঝতে পারে যে, এখন দেশে কিছু করতে হলে বিসিএস-ই দিতে হবে। ফলে সবাই বিসিএসের পিছনে ঝুঁকে পড়ে। আবার অনেকেই রিসার্চ অরিয়েন্টেড ফিল্ডেই সময় ব্যয় করে। খুব অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী ভার্সিটি বা ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরের জব প্রিপারেশন নেয়। এটার অবশ্য একটা বড় কারণ হচ্ছে, ৯ম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপার্টমেন্টাল পোস্টের সংখ্যা বছরে ৩০/৪০ টাও আসে না। তাই এই রিলেটেড জব প্রিপারেশন খুবই রিস্কি হয়ে যায়। এজন্য সবাই বিসিএস কেন্দ্রিক প্রিপারেশন নিতে থাকে। এতক্ষণ যা বললাম, এগুলো আসলে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের চিরচেনা পটভূমি। এখন মূল কথায় আসি, ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারদের অস্তিত্ব সংকট যখন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, তখনও আমাদের গ্র‍্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার চাকরিপ্রার্থীরা জেনারেল লাইনের পড়াশোনা তীব্র থেকে তীব্রতর করছে। ডিপ্লোমারা যে আজ সারা দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে, দেশের শত শত সরকারি/আধা-সরকারি /স্বায়ত্তশাসিত /আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারদের পদগুলো দখল করে নিয়েছে এবং বর্তমানেও অনেক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সার্কুলার আটকে রেখে প্রমোশন নিয়ে পদ দখল করছে, এগুলোর মূল ভুক্তভোগী বর্তমান গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা, আর ভবিষ্যত ভুক্তভোগী (আগামী ১-২ বছরের মধ্যে যারা ভুক্তভোগী হবে) হচ্ছে রানিং ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস। তাই ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে রিফর্ম করতে হলে সমস্তকিছু করতে হবে এই ভিক্টিমদেরকেই। তাদের কষ্ট-যন্ত্রণা অন্য কেউ বুঝবে না। আজ তারা যে ভয়াবহ জুলুমের শিকার হচ্ছে, সেটি অন্য কেউ অনুভব করতে পারবে না। কিন্তু এই জায়গায় একটু অভাব রয়েছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা সমাধানের বদলে বরং জেনারেল সেক্টরে ২/৩ বছর প্রিপারেশন নিয়ে অন্যান্য জব নেওয়াকে বেছে নিয়েছে। এদিক দিয়ে ডুয়েটের গ্র‍্যাজুয়েট চাকরিপ্রার্থীরা এগিয়ে আছে। উদাহরণস্বরূপ - ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে সহকারী প্রকৌশলী সিভিলের নিয়োগ পরীক্ষায় রিট করেছে কর্মরত ডিপ্লোমারা। তারা চাকরির নিয়োগের আগে প্রমোশন চায়। আর্থিক লেনদেনও হয়েছে প্রচুর। কিন্তু এটা নিয়ে ৭৫ জন ভাইভাপ্রার্থীর মধ্যে অল্প কয়েকজন দৌড়ঝাঁপ করছে, তন্মধ্যে ডুয়েটের অনেকেই। আজকে ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরকে ডিপ্লোমারা যে ইজরাইলের মতো দখল করে রেখেছে, ক্যান্সারের মতো পুরো সেক্টরে ছড়িয়ে গিয়েছে, সেটি থেকে বাঁচার জন্য, সেটাকে প্রতিরোধের জন্য সকলের সম্মিলিত সময়, শ্রম, মেধা ও অর্থ প্রয়োজন। আর সবার আগে এগুলো প্রয়োজন ভুক্তভোগীদের। অন্যথায় এই ইজরাইল গোষ্ঠীকে কেউ হটাতে পারবে না! - লিপু

photo content

“বাংলাদেশ দখল করার আগেই ভারতের ৬ টি বড় শহর মাটির নীচে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে” --প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সাল সালের ২০ ডিসেম্বর ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে প্রেসিডেন্টে জিয়ার সফরের দ্বিতীয় দিন। ৭০ বছর বয়স্ক ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন রাষ্ট্রপতি ভবনে। আগের দিন এয়ারপোর্ট থেকে শুরু করে দুদিনে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে এত সন্মান দেওয়া রাম বাবুর একেবারেই সহ্য হয়নি।৮১ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাই, ৬৬ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট নীলম সন্জীভ রেড্ডি এবং ৫৪ বছর বয়সী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী সহ ভারতের সকল সিনিয়র নেতারা বাংলাদেশের ৪১ বছর বয়সী এই ছোকরা প্রেসিডেন্টকে এত সন্মান ও প্রটোকল দেওয়ায় বাহ‍্যত কিছু না বলতে পারলেও মনে মনে খুবই ক্ষুব্ধ। তাছাড়া ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে যে পানিবণ্টন চুক্তি হয় সেটা রীতিমতো নজিরবিহীন এবং বাংলাদেশ কুটনৈতিক ভাবে জয়লাভ করে। তাই প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশিদিন কেবিনেট মন্ত্রী থাকা এই দলিত নেতা সকল প্রটোকল ভেঙে প্রেসিডেন্ট জিয়াকে প্রশ্ন করে বসেন, “Did you ever compare the population and military power of Bangladesh and India? প্রেসিডেন্ট জিয়া উত্তর দিলেন, “Yes I do!” জগজীবন রাম অত্যন্ত তাচ্ছিল্যের সাথে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “Then have you calculated how much time is needed by India to grab your whole country?” (তাহলে বাংলাদেশ দখল করতে ভারতের কত সময় লাগবে সেটা কি হিসাব করে দেখেছেন?”) প্রেসিডেন্ট জিয়া এই বুড়ো শিয়ালকে সানগ্লাসের ফাঁক দিয়ে একটু তীর্যক দৃষ্টিতে দেখে মাথা সোজা করে উত্তর দিলেন, “But you must be careful because before seizure our boys will destroy 6 main cities of India into ruins and also don’t forget we defeated India in 1965!” (তোমরা বাংলাদেশ দখল করার আগেই আমাদের ছেলেরা তোমাদের ৬টি বড় শহর মাটির নীচে গুঁড়িতে দেবে আর ভুলে যেওনা ৬৫ সালে ভারতকে আমরা পরাজিত করেছি”)। জগজীবন রাম আর কোন কথা না বলে সোফা থেকে উঠে হন হন করে চলে যাবার সময় আমাদের বাহাদুর এই প্রেসিডেন্ট আবার জগজীবন রামকে বলতে থাকেন, Won’t you ask which six cities we’d destroy” (কোন ৬টা শহরের আমরা কেয়ামত করে দেব জানতে চাইলেন না যে”?) । জগজীবন রামের সাথে আশা ভারতের সেসময়ের পররাষ্ট্র সচিব জগৎ সিং মেহতা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার কেপিএস মেনন ছিলেন ভারতের ঘাঘু দুই কুটনৈতিক। রামের এই আচরনে তারাও দিশেহারা হয়ে তার পিছু নেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাইকে ঘটনাটি জানিয়ে দেন। প্রেসিডেন্ট জিয়ার পাশে বসা ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল হক,পানি বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টা বিএম আব্বাস এটি,পররাষ্ট্র সচিব তবারক হোসেন এবং ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার শামসুর রহমান খান।তাঁরা ঘটনা দেখে রীতিমতো স্তম্ভিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু আমাদের ইতিহাসের সেরা এই সরকার প্রধান ছিলেন কনফিডেন্ট এবং দৃঢ়। প্রেসিডেন্ট জিয়া ইশারায় তাদের বসতে বলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো ঘটনায় কুটনৈতিক মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেশাই ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজপেয়ী উপস্থিত হন কিছুক্ষণের মধ্যে এবং প্রেসিডেন্ট জিয়ার সাথে দেখা করে তাঁর মনোভাব জানতে চান।আমাদের প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবে বলেন, তেমন কিছুই ঘটেনি। তিনি বলেন, মিষ্টার রাম আমার সাথে ফান করেছেন বলে মনে হলো- আমি তার সাথে ফান করে কিছু কথা বলেছি-এইযা!” সুতরাং প্রেসিডেন্ট জিয়ার মন্ত্র উচ্চারণ যেমন করব,বাস্তবায়নে ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ প্রতিটি বাংলাদেশী নতুন প্রজন্মের বারুদ সন্তানেরা। এই হলো আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। আজ উনারা ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাহাকে হত্যা করে, 😓🇧🇩 প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যাকে নিয়ে গর্ব করতে পারে প্রতিটি বাংলাদেশী। এই রকম মানুষের রাজনীতি আমরা করেছি যিনি ছিলেন সত্যিকারের একজন যোদ্ধা, যোগ্য, সৎ, অকুতোভয়, ডাইনামিক এবং অসীম সাহসী দেশপ্রেমিক। May Allah bless you and keep you in the highest place of Jannah -Collected

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা তার উপজাত। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা তার উপজাত। কোন উপজাতই পুরোপুরি জাতের না।

photo content

শিক্ষামন্ত্রীর কথাটা আমি অনেক আগে থেকেই বলে আসতেছি। আমি বরং এটাও বলি, একাডেমি ক্লাস না করায়া ক্লাসে বিসিএসের পড়া পড়াইলে বুয়েটের চেয়ে আমরা ভালো করব ইনশাআল্লাহ। বিসিএসে ঢাবি বুয়েটের কাছে পিছিয়ে যাচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের স্ট্র্যাটেজিক মুভ নিতে হবে। স্কুলগুলা যেমন বৃত্তির জন্য সিলেক্ট করে, ওই রকম করা উচিত। ফার্স্ট ইয়ারেই বলে দেওয়া হবে, তোমাদের ফলাফলের ভিত্তিতে সেকেন্ড ইয়ারে ক্যাডার ভাগ হবে। ফলে ফার্স্ট ইয়ারে টিএসসি, চানখাঁরপুল কম ঘোরো। সেকেন্ড ইয়ার থেকে ঠিক হবে কারা কোন ক্যাডার। ওই অনুযায়ী বিসিএসের সিলেবাস ধরে পড়ানো শুরু। ফাইনাল ইয়ারে হবে একের পর এক মক টেস্ট উইথ ভাইভা। বাকিদের অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ও গ্রেডের সরকারী চাকরির জন্য রেডি করতে হবে। প্রাইমারি শিক্ষকও ছাড়া হবে না। যারা এসবের মধ্যে থাকবে না তারা সোজা পলিটিকস। দেখায় দিব আমরা 👊✊💪 - রাজিব হাসান

আপনি গরুর নাম রাখবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই গরু নিয়ে রয়টার্সে রিপোর্ট হবে। সেই গরু দিবেন আবার কোরবান। সব মোজো সাংবাদিক, মোবাইল সাংবাদিক কোরবানীর দিন জবাইর ভিডিও করবে। সেই ভিডিও হবে ভাইরাল। সেই জবাইর ছবি আবার পত্রিকায় যাবে। ইসলামফোবরা ক্লিপ ব্যবহার করে আবার ক্যাপশন দিবে "ইসলামপন্থীরা ট্রাম্পের নামে গরু জবাই দিয়ে উল্লাস করে"। এই পুরো ঘটনার বলি ঐসব বলদরা হবেনা। বলি হবেন মেধাবী শিক্ষার্থীরা। স্কলারশীপ পাওয়া শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত অ্যাম্বাসিতে গেলে লাত্থি মেরে বের করে দেয়। ভিসা দেয়না। আপনাদের দুবাই পর্যন্ত ভিসা দেয়না। আপনাদের টুরিস্ট ভিসা দেয়না। কেনো দেয়না সেটা তো জানতে চান না। এসব বলদামী, গান্ডুগিরি, চুতিয়াগিরির কারনে দেশের ভালো ভালো মানুষ ভিসা পায় না। লিগ্যাল ডকুমেন্টেস থাকার পরও ভিসা দেয়না। কিন্তু আপনি যদি এসব বলদের এক হাতে আফগানিস্তানের ভিসা, অন্য হাতে আমেরিকার ভিসা দেন। দেখবেন সবার আগে আমেরিকার ভিসা পকেটে ডুকাবে। বলদরা ভিক্ষা করতে পছন্দ করে। ইচ্ছা করে নিজে নিজের কপালে লাথি মেরে আবার নিজেই চায় দেশ কেনো চেঞ্জ হয় না। দুই চারটা অ্যাম্বাসিতে গেলেই বুঝবেন আপনাদের কিভাবে ট্রিট করে। কাছ থেকে এসব দেখছি। - রিয়াদ

১৯৭১ সালে ইসলামি ছাত্র সংঘ (বর্তমান বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির) শিক্ষিত ছেলেদের নিয়ে আল বদর আল শামস নামে বাহিনী গঠন করেছিল। ছবিতে তৎকালীন প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়, রাজশাহী (বর্তমান রুয়েট) এর একজন শিক্ষিত আল বদর। তাকে ধরার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়েছে। লেখা ও ছবি সূত্র: Dulok Ahmed

photo content

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, Ministry of Home Affairs, Bangladesh, আপনার বিজিবিকে থামান। আপনি দায়িত্বে আসার পর সীমান্তে বিজিবি বাঘ হয়ে গেছে। :) বিজিবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনস্থ । আর সরকার আসার পর থেকেই বিজেবি ২০ বছর পর চোখে চোখ রেখে কথা বলছে। দেশের প্রতি ইঞ্চি ভুমিকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। ভারতের দালাল জামাত-শিবির ও এনসিপি সালাহ উদ্দিন আহমেদ নিয়ে জ্বালার কারণ কি এটাই? পাশের দেশ চাইবেনা বাংলাদেশ শান্ত থাকুক। তারা উস্কানী দিবে। গত কয়েক মাসের জামাত শিবির ও তাদের দোকানগুলোর অস্থিরতা তৈরীর চেষ্টা দেখে বুঝা যাচ্ছে তারা ক্ষমতার লোভে পাশের দেশের হয়ে খেলতেছে। ©Md Abdus Salam

photo content

মুক্তিযোদ্ধা টেপরী রাণী চলে গেলেন। কে এই নারী জানবেন না?? জানতে ইচ্ছা করে না??? ...যুদ্ধ চলছে। টেপরী রাণীর বয়স তখন মাত্র ১৭। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার। তখনই পরিবারকে বাঁচানোর নাম করে এগিয়ে এল এক রাজাকার। সে টেপরীর বাবাকে বলল— “তোমার মেয়েকে যদি পাকিস্তানি ক্যাম্পে দাও, তাহলে পুরো পরিবার বেঁচে যাবে।” পরিবারকে রক্ষা করতে টেপরীকে ‘বিসর্জন’ দেওয়ার কথা ভাবল তার অসহায় বাবা। বাবার কথা শুনে কিশোরী টেপরীও আর বাধা দিল না। সে জানত ক্যাম্পে গেলে কি হবে তার সঙ্গে। তবু পরিবারকে বাঁচাতে হবে। নিজের বাবা তার মেয়ের হাত ধরে পৌঁছে দিলো ক্যাম্পে, জমের মুখে। সেদিন সারাটা পথ বাবা-মেয়ে একটিও কথা বলেনি। মেয়েকে তুলে দেওয়া হচ্ছে পাকিস্তানি ক্যাম্পে। পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করবে, ধ*র্ষণের পর মেরেও ফেলতে পারে। এই যখন হবিতব্য, কি কথা বলবে বাবা মেয়েকে? সেদিন টেপরিকে ক্যাম্পে তুলে দিয়ে মাথা নিচু করে ফিরে আসেন নির্বাক বাবা। এই নিরবতার অর্থ বোঝেন? নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে (নিজেকে বাবা বা মেয়ের স্থানে বসিয়ে) কল্পনা করেন তো!! টেপরী আর পাঁচটা মেয়ের মতো মরে যেত পারত। কিন্তু কপাল খারাপ তার, সে মরেনি। দীর্ঘ ছয় মাসের নরকযন্ত্রণা ভোগ করে ফিরে আসে সে। এমন কোনো রাত যায়নি, পাকসেনারা তাকে ধ*র্ষণ করেনি। আজ শুনতে ‘বাড়াবাড়ি’ মনে হচ্ছে না? ইয়েস, একাত্তর মিথ না, এই ‘বাড়াবাড়ির’ নামই একাত্তর! মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বাড়ি ফেরেন টেপরী। শুরু হয় আরেক যন্ত্রণা। অনাগত সন্তানকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত না সমাজ। সন্তানকে ‘নষ্ট’ করে ফেলার জন্য নানা আসে চারদিক থেকে। তখন মেয়ের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ান তার বাবা। তিনি বলেছিলেন, “না মা, রাখ। এ-ই হবে তোর সম্বল। তোকে তো আর কেউ গ্রহণ করবে না। শেষ বয়সে এই সন্তানই হবে তোর বেঁচে থাকার অবলম্বন হবে।” হয়েছেও তাই। ছেলে সুধীর বর্মনের আশ্রয়েই তার বাকি জীবনটা কেটেছে। কিন্তু সমাজের কটূক্তি সুধীরেরও পিছু ছাড়েনি। সুধীরকে ‘পাঞ্জাবির বাচ্চা’ বলে অপমান করা হয়েছে নিয়ত। একবার তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সে প্রতিবাদ করে না কেনো? সুধীরের উত্তর—“ঝগড়া করতে তো লোক লাগে, কিন্তু আমার কে আছে?” না, সুধীরের পাশে কেউ নেই। তখনও ছিল না, এখনও নেই। কিন্তু এরপরও সুধীর বেঁচে আছে মাথা উঁচু করে। তার একটা মেয়ে আছে, নাম—‘জনতা’। জনতা কি ভাবে জানেন? তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তার দাদিকে নিয়ে। সে দৃঢ় কণ্ঠে বলেছিল— “দেশে যদি আবার যুদ্ধ হয়, দাদীর মতো আমিও দেশের জন্য নিজের সব কিছু বিসর্জন দিতে দ্বিতীয়বার ভাববো না।” এই আমাদের ‘জনতা’, একাত্তরের উত্তরসূরি। দীর্ঘ অবহেলার পর ২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয়ভাবে বীরাঙ্গনা (হওয়ার উচিত ‘মুক্তিযোদ্ধার’) স্বীকৃতি পান টেপরী রাণী। তাকে তখন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কি চান তিনি। বৃদ্ধবয়সী টেপরী রানী বলেছিলেন: মৃত্যুর পর তাঁর দেহটাকে লাল-সবুজের পতাকায় মুড়িয়ে জাতি বিদায় জানাবে। এর চেয়ে আর বেশি কিছু তার চাওয়া নেই। তার সেই চাওয়া পূরণ হয়েছে। আসেন আমরা অন্তর থেকে তাঁকে স্যালুট জানাই। তাঁর স্মরণে একা একা এক মিনিট নিরবতা পালন করি। একশো থেকে এক হাজার, এক হাজার থেকে এক লক্ষ, লক্ষ থেকে কোটি মানুষ নিরবতা পালন করুন এই মায়ের জন্য। সুধীর ও জনতার জন্য। [এই রাজাকারের আব্বা এবং বাচ্চারা শুনে রাখ, তোদের কারণেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা আরো বেশি কঠিন, আরো বেশি ক্ষয় ও যন্ত্রণার হয়ে উঠেছিল। শেষ কথা, এই দেশটার উপর তোদের চেয়ে টেপরী রাণী, সুধীর ও জনতার অধিকার ও হক শতগুণ বেশি।] You may share this post (usually i don’t request, but this is something we all need to know)

photo content

ধরেন, স্বামী এক্সিডেন্ট করে বিছানায় পড়ে গেছে ১০ মাসের জন্য। বৌ এর সাথে সেক্স করার শক্তি নাই। এই পরিস্থিতিতে বৌ যদি স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে "হালাল সেক্স করার জন্য" আরেকটা বিবাহ করে, সেইটা কি হারাম হবে? না। হারাম হবে না। ইসলামে যে কোন সময়ই যে কাউকে ডিভোর্স দেওয়া যায়। কিন্তু কাজটা কি মানবিক হবে? উত্তরটা হলো, না, হবে না। এবার চিন্তা করেন, একজন নারী প্রেগনেন্ট। এক সপ্তাহ পর তার ডেলিভারি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আছেন। এই পরিস্থিতিতে স্বামী আরেকটা বিবাহ করে আনতেসেন। লজিক কী? "গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য", পরকীয়া না করে হালাল উপায়ে সেক্স করার জন্য। সেইটা আবার ফেসবুকে প্রকাশ করতেসেন। হাজার হাজার মানুষকে এনকারেজ করতেসেন, যেহেতু তিনি একজন সেলিব্রিটি আলেম। এইসবে সমাজে কী মেসেজ যায়? মেসেজ যায় যে বৌ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকুক, সেক্স এর ব্যবস্থা করতেই হবে। সেক্স থামানো যাবে না। কারণ একটাই, বিষয়টা "হালাল", "হারাম" না। অথচ একটা সম্পর্ক কি হালাল হারাম দিয়ে টিকে থাকে? এই যে আমার জ্বর হইলে আমার মা না ঘুমাইয়া সেবা যত্ন করে, এই যে ঘরের সবার ভালো মন্দ হিসেব করে গোটা সংসারটা চালানো, এসবের একটাও ধর্মে নাই। আই রিপিট, ধর্মে নাই। মানে আমার মা আমার খাবার দাবার তো দূরের কথা, আমার জন্মের পর যদি আমাকে বুকের দুধ না খাওয়ায়, ধর্ম অনুযায়ী তিনি কোন "হারাম" কাজ করতেন না। বৌদের উপর সংসারের কোন কাজ তো না ই, ইভেন বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোও ফরজ না। ফাঁক খুজলে এইটা খুঁজতেই পারত। কিন্তু কয়টা মা এইটা খুজে? কয়টা মা বলে যে বাচ্চার জন্য রানতে পারব না? বাচ্চাকে খাওয়াইতে পারব না? একটা মাও বলে না। বলে না, কারণ, হালাল হারামের বাইরেও সংসারে একটা জিনিস আছে, তার নাম ভালোবাসা, মায়া। আপনি হাসপাতালে ভর্তি থাকলে কোন ধর্মেই বলা নাই যে আপনার বৌ কে আপনার সেবা করতে হবে। কোথাও লেখা নাই। বৌরে করে না সেবা? হালাল হারাম মেনে করে? নাকি ভালোবাসা থেকে করে? বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুরুষের জীবনই গরিবি জীবন। এদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। অথচ আর্থিক স্ট্রাগল করার কোন বাধ্যবাধকতা কি ইসলাম বৌদের উপর দিয়েছে? দেয়নি। ইভেন, বৌদের চাহিদা পূরণ করা স্বামীদের উপর ফরজ। অথচ কয়টা বৌ স্বামীদের কাছে মুখ ফুটে কিছু চায়? শুধু সংসারের দিকে তাকাইয়া কত মেয়ে তাদের "হালাল" স্বর্ণ, বিলাসিতা, শৌখিনতা এমনকি দেনমোহর পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে দেয়। জাস্ট স্বামীর মুখের দিকে তাকাইয়া এরা এদের ধর্মীয় অধিকার পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে। কেন? ভালোবাসা, মায়া। তো এই ভালোবাসা আর মায়া দিয়ে দিয়ে একটা মেয়ে সেইটা কেন এক্সপেক্ট করবে না? প্রেগনেন্ট হইলে কেন একটা মেয়েকে দেখতে হবে সেক্স করার জন্য তার স্বামী "হালাল" "হারামের" খাতা খুলে আরেকটা বিবাহ করে আনসে? বহুদিন আগে লিখেছিলাম, ধর্ম আর ধার্মিকতা বিবাহের কোন ক্রাইটেরিয়া হইতে পারে না। কেন বলসিলাম, এখন বুঝতেসেন? কে কত ধার্মিক, কে কত বড় আলেম, কে কত নামাজ রোজা করে, এইগুলা কোনদিনই মানুষের ক্রাইটেরিয়া না। একজন মানুষ তখনই মানুষ যখন তার মধ্যে মায়া থাকে, ভালোবাসা থাকে। যারা করে ফেলেছেন, তারা তো করেই ফেলেছেন, বাট যারা বিবাহ করেন নাই, ছেলে হোন বা মেয়েই হোন, লেবাস দেখে, জোব্বা দেখে, বোরকা দেখে বা হিজাব দেখে বিয়ে কইরেন না, কে কত ভালো ফতোয়া দিতে পারে তা দেখে পার্টনার চুজ কইরেন না, করলে দেখবেন, আপনি অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন, আর আপনার স্বামী সেই অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে দ্বিতীয় বৌ এর ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়ে গেছে। মায়াহীন আর ভালোবাসাহীন মানুষ, পশুরও অধম, তা সে যত ফতোয়াই দিক না কেন!! - সাদিক খান

- We don’t need any advice from T*rump. ( অর্থাৎ ট্রাম্পের কাছ থেকে আমাদের কোনো উপদেশের প্রয়োজন নেই) এত বছর ধরে ভূ-রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করছি, পড়েছি এখন পড়াই। আমি কোন দিন ভাবতে পারি নাই - দ্বিতীয় বিশ্বযদ্ধ পরবর্তী জার্মানি কখনো অ্যামেরিকান কোন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন বক্তব্য দিবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি- কন্টিনেন্টাল ইউরোপে (মানে ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড বাদে মূল ইউরোপীয় ভূখণ্ডে) জার্মানিই শেষ কথা। ২২ বছর ইউরোপে থাকার অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। কন্টিনেন্টাল ইউরোপের দেশগুলো জার্মানিকে আলাদা চোখে দেখে। এরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে এতটাই এগিয়ে যে, দুটো বিশ্ব যুদ্ধের ধ্বংস স্তুপ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে ওরা এখনো পৃথিবীর সব চাইতে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশগুলোর একটি। চাইলেই ওরা আবারও পৃথিবীর সব চাইতে শক্তিশালী সামরিক শক্তির দেশ হয়ে যেতে পারে। পড়াশুনা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের জন্য যদি আপনার কখনো পড়তে ইচ্ছা করে। জার্মানি যাবেন। ওদের জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা অন্য লেভেলের। যা হোক, সেই জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হেরে যাবার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিজেদের বাজেটের দুই পার্সেন্টের বেশি কখনো সামরিক খাতে ব্যয় করবে না। নইলে জার্মানি আবার মনস্টার হয়ে যেতে পারে। সেই জার্মানির চ্যান্সেলর আজ বলেছেন - ইউরোপের আর উচিত হবে না অ্যামেরিকার উপর নির্ভরশীল থাকা। এই যুদ্ধের পর নিশ্চিত ভাবেই ইউরোপ চেষ্টা করবে অ্যামেরিকার বলয় থেকে আস্তে আস্তে বের হয়ে আসার । এদিকে যুদ্ধের প্রভাবে আরব দেশগুলোর মাঝেও বিভক্তি দেখা দিয়েছে। আরব আমিরাতের সাথে সৌদি আরব, কাতারের সম্পর্কে ফাটল দেখা দিয়েছে। তবে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক পেপ আজ একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় বলেছেন। তিনি বলেছেন - আরব-আমিরাতের মাঝে যেই সাতটা স্টেট আছে; এর মাঝে শারজাহ আরব-আমিরাত থেকে বের হয়ে যাবার চেষ্টা করছে। তিনি এরপর বলেছেন - দুবাই এবং আবুধাবি এই যুদ্ধে ইরানের বিপক্ষে যে সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছে; শারজাহ এর অনেক কিছুই সাপোর্ট করে না। তাই তাঁরা বের হয়ে যেতে চাইছে । তিনি এটাও বলেছে- আমরা হয়ত নতুন একটা রাষ্ট্র- রিপাবলিক অব শারজাহ দেখতে পাবো খুব কাছাকাছি ভবিষ্যতে। অর্থাৎ এই যুদ্ধের ফলে ওয়ার্ল্ড অর্ডারের (বিশ্ব ব্যবস্থায়) পরিবর্তন এখন অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে। অ্যামেরিকার পাশে এই মুহূর্তে ই*জরাইল আর দুই-একটা আরব রাষ্ট্র ছাড়া কেউ নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - এই অবস্থায় অ্যামেরিকা কি ইরানে আরেকবার হামলা করবে? যদি হামলা নাই করে, তাহলে বিলিয়ন ডলার খরচ করে এত এত জাহাজ , সৈন্য আর বো*ম কেন আনা হয়েছে? আমার তো ধারণা ট্রাম্প আরেকবার ইরানে বড় রকম হামলা করে জুনের ১২ দিনের ওই যুদ্ধের মত ঘোষণা দেবে - Iran’s nuclear facilities have been completely and totally obliterated ( ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ এবং পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।) ধ্বংস তো আর করতে পারবে না। স্রেফ এটা বলার জন্য হলেও আমার ধারণা সে আবার ইরানে হামলা করবে। তবে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি কিছুক্ষণ আগে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন - ইরানে আরেকবার হামলা হলে ই*জরাইলের কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আর থাকবে না। শুধু ই*জরাইল না আরবের দেশগুলোর সকল তেল-গ্যাস ক্ষেত্র ধ্বংস হয়ে যাবে এবং অ্যামেরিকার জাহাজগুলোও ইরান এইবার ধ্বংস করে দেবে। সিএনএন আজ একটা কলাম প্রকাশ করেছে। বিখ্যাত কলামিস্ট ইভানা কতাসোভার লেখা এই কলামের শিরোনাম হচ্ছে - Two months into the Iran war, almost everybody is a loser (ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার দুই মাস পর দেখা যাচ্ছে, প্রায় সবাইই পরাজিত!) তিনি এই কলামে বলেছেন পৃথিবীর সব দেশ কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রাশিয়া এবং চীন এই মুহূর্তে লাভবান হচ্ছে। কিন্তু তিনি যেটা বলতে ভুলে গেছেন। সেটা হচ্ছে - পৃথিবীর দেশগুলো হয়ত আলাদা আলাদা ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যবাদ এক সাথে পৃথিবী জুড়ে ধ্বসে পড়ছে! এবং সবাই সেটা দেখতেও পাচ্ছে। এই লেখা শেষ করছি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডির বলা আজকের একটা উক্তি দিয়ে। তিনি বলেছেন - Iran will win this war, either on the battlefield or through diplomacy ( ইরান এই যুদ্ধে জিতবে, হয় যুদ্ধক্ষেত্রে অথবা কূটনৈতিকভাবে।) ইরান আমাদের সবাইকে ভুল প্রমাণ করেছে। কয়েক যুগ ধরে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় থাকার পরও ওরা কীভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে এত এগিয়ে গেল। এটি নিয়ে নিশ্চিত ভাবেই ভবিষ্যতে অনেক গবেষণা হবে। ইরান এখন পৃথিবীর বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে। - আমিনুল ইসলাম

আল-জাজিরার এই মুহূর্তের শিরোনাম হচ্ছে - US-Iran diplomacy in danger ( অর্থাৎ অ্যামেরিকা-ইরান কূটনীতি হুমকির মুখে।) এর আগে শুক্রবার ইরান জানিয়েছিলো যুদ্ধ বন্ধ করার নতুন প্রস্তাব পাকিস্তানের কাছে পাঠিয়েছে। গতকাল রাতে ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছে - এই প্রস্তাব আমার পছন্দ হয় নাই। এরপর থেকে অ্যামেরিকা-ইরানের মাঝে আলোচনা কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে বলে রিপোর্ট করেছে রয়েটার্স। এদিকে ই*জরাইলের টেলিভিশনগুলো রিপোর্ট প্রকাশ করেছে- এই শুক্র-শনিবার হাজার হাজার টন বো*ম এসেছে অ্যামেরিকা থেকে। অর্থাৎ অ্যামেরিকা ই*জরাইলের কথা শুনে ইরানে হয়ত আরেক দফা হামলা চালাতে পারে। এদিকে ট্রাম্পের এক সময়ের খুব কাছের বন্ধু, সাবেক কংগ্রেস সদস্য মারজারি টেলর গ্রিন; আজ ট্রাম্পের আরেক কাছের বন্ধু 'টাকার কার্লসনের' শোতে গিয়ে বলেছেন - The American Congress and Senate are now under I*sraeli control ( অর্থাৎ অ্যামেরিকান কংগ্রেস এবং সিনেট এখন ই*জ*রাইলিদের দখলে।) এর পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন - আমি যখন কংগ্রেসের সদস্য ছিলাম। ই*জরাইলে প্রতি বছর অ্যামেরিকা যে অর্থ সাহায্য পাঠায়। সেটা কমানোর জন্য বিল এনেছিলাম। ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান দল মিলিয়ে চারশরও বেশি সদস্যের মাঝে মাত্র ৫ জন এর পক্ষে ভোট দিয়েছে। তিনি এরপর বলেছেন - অ্যামেরিকায় যারা নির্বাচন করে। সে ডেমোক্রেট হোক কিংবা রিপাবলিকান; সবাই ই*জ*রাইলের লবিস্টদের কাছ থেকে টাকা নেয়। এই জন্য অ্যামেরিকান হাউজ (সংসদ) এক অর্থে ই*জ*রাইলেরই দখলে। চিন্তা করে দেখেন- একটা রাষ্ট্র চলছে বিদেশি লবিস্টদের টাকায়। এতদিন পৃথিবীর মানুষের কাছে বিষয়গুলো পরিষ্কার ছিল না। কিন্তু নে*তানিয়াহুর বুদ্ধিতে ট্রাম্প যখন ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পুরো অ্যামেরিকার সাম্রাজ্যই হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। তখন কিছু কিছু অ্যামেরিকান এখন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলছে। গতকালই লিখেছিলাম সিএনএন এবং নিউইয়র্ক টাইমস রিপোর্ট করেছে- মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ১৬টা অ্যামেরিকান সামরিক ইন্সটলেশন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এগুলো আর ব্যাবহার করাও সম্ভব না। তো, এই রিপোর্ট মনে হয় ট্রাম্পের চোখে পড়েছে। এরপর সে নিজের সামাজিক মাধ্যমে লিখেছে - CNN is foolish, and the New York Times report is treasonous in nature. ( মানে সে বলতে চাইছে সিএনএন হচ্ছে নির্বোধ আর নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক!) এখন প্রশ্ন হচ্ছে - ট্রাম্প এভাবে চটলো কেন? কারনটা খুব সহজ। সে বিষয়গুলো লুকাতে চেয়েছিলো। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি আজ বলেছেন - এতদিন স্বীকার পর্যন্ত করে নাই- কী পরিমাণ ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। অথচ ইরান খুব ভালো করেই জানে, ওদের ঘাঁটিগুলো সব ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। এখন যখন সংবাদ মাধ্যমগুলো রিপোর্ট করছে । তখন ট্রাম্প সহ্য করতে পারছে না। কারণ এতে অ্যামেরিকার দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে গেছে। শুধু অ্যামেরিকা না। লে*বাননের দক্ষিণ অঞ্চলে ই*জরাইলও সুবিধা করতে পারছে না। ই*জরাইলের এক টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানে এক রাজনীতিবিদ বলেছেন - লে*বাননে আমাদের সৈন্যরা মারা পড়ছে। না হয় আহত হয়ে ফিরে আসছে। ওদের নতুন প্রযুক্তির ড্রোনের সাথে আমরা পেরে উঠছি না। এই আলোচনা অনুষ্ঠানটা আমি দেখেছি জার্মান টেলিভিশন ডয়েচে ভেলেতে। এরপর আল-জাজিরার রিপোর্টটা পড়লাম। সেখানে শিরোনাম করা হয়েছে - H*ezbollah’s use of drones proving effective against I*sraeli forces in southern L*ebanon ( দক্ষিণ লে*বাননে ই*সরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হি*জবুল্লাহর ড্রোনের ব্যবহার কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।) এই ড্রোন নাকি ফাইবার অপটিক দিয়ে বানানো। যেটা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি কিংবা জিপিএস কোন কিছুই ব্যাবহার করে না। যার কারণে ই*জরাইলের রাডারে এটি ধরা পড়ছে না। এতে করে লে*বাননের ভেতরে ঢুকা পড়া ই*জরাইলি সৈন্যরা এখন মরন ফাঁদে পড়েছে। আমি আলোচনা অনুষ্ঠানটা দেখছিলাম। মানে ই*জরাইলি টেলিভিশনের। সেখানে আলোচকরা বলছিল - আমাদের সৈন্যদের সরিয়ে নিয়ে আসা হোক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে - এই প্রযুক্তি হে*জবুল্লাহ পেলো কোথা থেকে? উত্তরটা খুব সহজ। ইরানের কাছ থেকে। আপনাদের জানিয়ে রাখি সিএনএন গতকাল যে রিপোর্ট করেছে। সেই রিপোর্টেই ছিল- ইরানের ব্যালিস্টিক মি*সাইলগুলো অ্যামেরিকান ইন্টারসেপ্টরগুলো কিছুটা ঠেকাতে পারলেও ড্রোনগুলোি নাকি বেশি ক্ষতি করেছে। অর্থাৎ অ্যামেরিকা এইগুলো ঠেকাতে পারেনি। তাহলে চিন্তা করেন - অ্যামেরিকা যদি ইরানে স্থল অভিযান করবে। তখন অ্যামেরিকান সৈন্যদের কপালে কী লেখা আছে! দখল করতে পারবে একটা/দুটো দ্বীপ হয়ত। কিন্তু কয় দিন দখলে রাখতে পারবে? এদিকে অ্যামেরিকার সাথে ইউরোপের সম্পর্ক দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ট্রাম্প আজ সকালে ইউরোপের উপর আরও ২৫ পারসেন্ট ট্যরিফ (শুল্ক) বাড়িয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে! মূলত জার্মানির উপর ক্ষিপ্ত হয়ে সে এই ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর আজ আবারও বলেছে