fa
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

رفتن به کانال در Telegram

📈 تحلیل کانال تلگرام Engineer's Diary

کانال Engineer's Diary (@engineersdiary) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 10 271 مشترک است و جایگاه 18 965 را در دسته آموزش و رتبه 2 285 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 10 271 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 26 سپتامبر, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -129 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -4 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 4.80% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 1.97% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 493 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 203 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 7 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
“EngineersDiaryBD.com”

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 27 سپتامبر, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته آموزش تبدیل کرده‌اند.

10 271
مشترکین
-424 ساعت
-277 روز
-12930 روز
آرشیو پست ها
Shakib Khan এর একটা অজানা ইতিহাস জানলাম আজকে Purnima র কারনে! রিসেন্ট যতগুলো মুভি বের হয়েছে আমি তার একটাও দেখি নি,সাকিব খানের ৯০'স মুভি গুলোই ভালো ছিল,নরমালি এত সময় ধরে পডকাস্ট দেখার সময় পাইনা। আজকে দেখলাম। অপু বিশ্বাস,বুবলি আসার অনেক আগেই শাকিব খান একজন কে ভালোবাসতেন,এমন কি তাকে বিয়ে করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন। এমন হয়না? আমরা যাকে খুউউউব বেশি ভালোবেসে ফেলি, তার কথা আশেপাশের সবাই কে জানাই? শাকিব খান ও এই ব্যাপার টা আশেপাশের মানুষ কে জানিয়েছিলেন, এমনকি পুর্ণিমা কেও। পূর্ণিমা ওই মেয়েটার সাথে কথাও বলেছিলো। অপু বিশ্বাস,বুবলীর ব্যাপারে শাকিব যেভাবে সবার থেকে লুকিয়েছিলো,ওই মেয়ের ব্যাপারে লুকায় নাই৷ বিয়ে করবে ভেবে আগেই জানিয়েছিলো অনেক কেই। আজকে সেই মেয়ের টপিক উঠায় শাকিব যেনো নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলো! শাকিব আরো একটা কথা বলেছিলো, ''ভালোবাসলাম কাকে, আর গেলাম কোথায়?'' এই কথাটা খুব হিট করলো! এইটা আসলে অনেকের ই লাইফ স্টোরি! তারা বিশেষ একটা মানুষ কে তীব্র ভাবে ভালোবেসেছিলো, ভেবেছিলো ওই মানুষ টা কেই বিয়ে করবে!পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুমহলে সবখানে জানানোও ছিল " একজন আছে " শেষে তাদের সম্পর্ক আর পূর্ণতা পায় নাই। তারা হয়তো এখন অন্য একজনের সাথে সংসার করে, নয়ত নতুন কারো সাথে হাত ধরে সুখের স্বপ্ন বুনছে কিন্তু যে ভালোবেসেছিল তার মনে সেও "না পাওয়া'' মানুষটার জন্য হাহাকার থেকেই যায়! একটা কথা আছেনা? বিরহ দেয়না ভুলিতে! ব্যাক্তি শাকিব খানের উর্ধে তার আজকের বিষয়টা গভীর ভাবে নাড়া দিল। সম্পর্কের পিক মোমেন্টে থাকলে,সম্পর্ক স্ট্যাবল থাকলে বিয়ে করে সারাজীবন একসাথে থাকার প্রতিজ্ঞা করুন।হারিয়ে গেলে হয়ত আরো বেটার পাবেন,ভালোও পাবেন কিন্ত সেই মানুষটিকে হয়ত আর পাবেন না। অনেকেই আছে এমন! দিব্যি সংসার করতেছে আবার একটা হাহাকার চলেই আসে মনে! সেই মানুষ টার কথা মনে পড়ে, যার সাথে স্বপ্নে একটা সুন্দর সংসার সাজিয়ে ফেলেছিলো❤️

photo content

ককরোচ পার্টি বিশ তারিখে যেদিন সংসদ অভিমুখে লংমার্চ করেছিল, ঠিক সেদিনই ভারতের সংসদে FCRA বা Foreign Contribution Regulation Amendment প্রস্তাবনা উত্থাপনের কথা ছিল। এই প্রস্তাবনার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি অনুদান (Foreign Contribution) ও বিদেশি আতিথেয়তা (Foreign Hospitality) গ্রহণ ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা, যাতে বিদেশি অর্থের মাধ্যমে ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থে প্রভাব বিস্তার করা না যায়। প্রতিটি এনজিও— যারা বিদেশি অনুদান গ্রহণ করতে চায়, তাদের জন্য বাধ্যতামূলকভাবে FCRA রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এর ফলে ভারতে প্রবেশ করা সকল বৈদশিক আর্থিক অনুদান ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কিন্তু ককরোচ পার্টি যখন খুব মীরাকেলি সেদিনই সংসদ অভিমুখে মুভ করে, তখন ভারতীয় সরকার ও সরকারপন্থী লোকজন স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই অরগানিক মুভমেন্টকে ফরেইন ফান্ডেড হিসেবে গণ্য করে। ভারত সরকার আরো স্পষ্টভাবে সমীকরণ মেলাতে পারে ২১ তারিখ রাতে, যখন দিল্লীর ক্যাথলিক চার্চের ফাদাররা যন্তরমন্তর অভিমুখে যাত্রা করে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে। ভারতীয় সরকার তখন একপ্রকার নিশ্চিত হয় যে এই মুভমেন্টের চালিকাশক্তি বাইরে থেকে আসছে। কারণ একদিকে বিশ তারিখে ককরোচ পার্টি সংসদ অধিবেশন বসতে দেয়নি, অন্যদিকে ভারতে আসা বৈদশিক অনুদানের অধিকাংশ খরচ হওয়া চার্চগুলো যখন শিক্ষার্থীদের সংহতি জানিয়েছে..! ভারতীয় সরকার তখন ফাইনাল অ্যাসেসমেন্ট করে ফেলে যে, এই মুভমেন্ট অরগানিক না। কিন্তু তাড়িয়ে বেড়ানো অজানা ভয়ের বশবর্তী হয়ে অবচেতন মনের তৈরীকৃত এই অ্যাসেসমেন্ট ছিল সম্পূর্ণ ভুল। একদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসি, আরেকদিকে ভুল অ্যাসেসমেন্ট— দুটোর যোগফল ছিল ‘লিমিটেড মাসল পাওয়ার’ একজন বাংলাদেশি হিসেবে আন্দোলনে পুলিশের লাঠিপেটা, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান আমাদের কাছে ডালভাত। কিন্তু এই একই পানিশমেন্ট ভারতের মত দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ফাংশনাল ডেমোক্রেটিক কান্ট্রিতে বেশ বেমানান। ছেলেপেলেদের যখন পেটানো হলো, টিয়ার গ্যাস, জলকামান মারা হলো— তারা ক্ষেত্রবিশেষে এঞ্জয়'ও করলো আবার মেন্টালি এমন একটা প্রিপারেশনও নিলো যাতে ইন ফিউচারে তারা এসবে ‘ইউজড টু’ হতে পারে। দিল্লীতে ছেলেমেয়েরা মার খাচ্ছে তো বিহারে ছেলেমেয়েরা পুলিশকে পিটিয়ে দিচ্ছে। বিহারে মার খাচ্ছে তো কলকাতায় পিটিয়ে দিচ্ছে। ধীরে ধীরে একটা সফট এন্ড ইন্টালেকচ্যুয়াল রেজিস্ট্যান্স গড়ে উঠতে থাকলো। এই প্যাটার্নটা নিশ্চয়ই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারকেরা অনুসরণ করেছে। একদিকে সরকারের মনে ‘ফরেইন ফান্ডেড’ নামক অজানা ভয়, আরেকদিকে ফাংশনাল ডেমোক্রেসির দেশে ধীরে ধীরে গড়ে উঠতে থাকা রেজিস্ট্যান্স— মোদিকে চিন্তিত করে ফেলে। প্রথমদিকে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ না করানোর সিদ্ধান্তে অনড় থাকা মোদি শেষ মুহূর্তে ঠিকই পদত্যাগ করিয়েছে। অর্থাৎ মোদি অবশ্যই অবশ্যই ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু ভীতসন্ত্রস্ত মোদি তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে। আন্দোলনকে স্ফুলিঙ্গ থেকে জ্বলতে থাকা লাভার মাঝেই সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে, যাতে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত না হয়। সাদা চোখে দেখলে, মোদির কৌশলগত বিজয় হয়েছে কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে। অন্যদিকে ককরোচদের কৌশলগত পরাজয় হয়েছে কিন্তু মূখ্য দাবিগুলি মেনে নেওয়ার মাধ্যমে তাদের দীর্ঘমেয়াদী জয় হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে জয় এজন্য বললাম, কারণ— এই ছেলেমেয়েগুলির সরকারের একজন মন্ত্রীকে পদত্যাগ করানোর প্রাক্টিস হয়ে গেলো। এই প্রাক্টিস তাদের কনফিডেন্স লেভেলকে যোজন যোজন বাড়িয়ে দিবে। ভারতের প্রচুর ভালনারিবিলিটিস আছে এবং প্রতিটি ভালনারিবিলিটি প্রচণ্ড পরিমাণ অরগানিক। শুধু শিক্ষাখাত না, রেলওয়ে করাপশন থেকে শুরু করে এনার্জি, এনভায়রনমেন্টাল রিস্ক ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রব্লেম যখন অরগানিক, প্রটেস্টও হবে অরগানিক। আর প্রতিটা অরগানিক প্রটেস্টেই ভারত সরকার ’ফরেইন ফান্ড’ নামক অজানা ভয়কে খুজে বেড়াবে এবং ভুল অ্যাসেসমেন্ট করবে। ভারতের এই ভালনারিবিলিটিস'ই কন্টিনিয়াস প্রটেস্টকে গ্লোরিফাই করে। তাই এই আন্দোলন কোনো একক আন্দোলন না। এটা একটা চলমান ধারা। এই ধারা অব্যাহত থাকবে এবং হটাত একদিন কোনো এক অরগানিক প্রটেস্টেই ফাংশনাল ডেমোক্রেসির ভারতে গণঅভ্যুত্থান ঘটে যাবে। - শাফিন রহমান

photo content

সেমিকন্ডাক্টর সামিট: প্রধানমন্ত্রীর সামনে বুয়েটের প্রসেসর ‘প্রগতি ভি-১’ উপস্থাপন "তৈরি পোশাক শিল্পের পর সেমিকন্ডাক্টর হতে পারে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধান রপ্তানি খাত" - রাজধানীর নভোথিয়েটারে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিয়ার সামিট-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। আজ সকালে অনুষ্ঠিত এই সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সামনে নিজেদের তৈরি ওপেন-সোর্স ৩২-বিটের রিস্ক-ভি (RISC-V) প্রসেসর ‘প্রগতি ভি-১’ উপস্থাপন করে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর একটি প্রতিনিধি দল। বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম হারুন-উর রশীদের তত্ত্বাবধানে এবং ‘নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড’ এর কারিগরি সহায়তায় প্রসেসরটির নকশা করেছেন স্নাতক শিক্ষার্থী খালিদ হোসেন ও শেখ তারিফুল ইসলাম। গবেষক দল জানায়, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্স (যেমন: এসি, ফ্রিজ) এবং বিভিন্ন ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসে ব্যবহারের উপযোগী করে এই সিস্টেম-অন-চিপটি (SoC) তৈরি করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজাইন করা এই চিপটি বিনামূল্যে তৈরি (ফ্যাব্রিকেট) করে দিয়েছে জার্মানির গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘আইএইচপি’। দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বিকাশে এই প্রসেসর তৈরিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামিটে উপস্থাপনের আগে চিপটির একটি স্মারক বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইইই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শরীফ মোহাম্মদ মোমিনুজ্জামান, ড. আনিসুজ্জামান তালুকদার, নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর এর সিইও মো. শাখাওয়াত হোসেন, আইটেস্ট ইনকর্পোরেট এর পরিচালক সৈয়দ মুনির প্রমুখ। Md. Habib Nazzar Ratin 2406135 Design: Mahdi Hasan(2406170) #BUET

photo content

২০২৪ সালের মে মাসে গুলশান ডিপ্লোমেটিক জোনে একটি গাড়ি রঙ সাইডে বেপরোয়া ড্রাইভ করা অবস্থায় একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে ধাক্কা মারে। আহত চালক প্রতিবাদ করলে গাড়ি থেকে তিন চারজন বের হয়ে তাকে মারধর করে। পাশেই কুটনৈতিক পাড়ার ডিউটিরত এক পুলিশ ঘটনা দেখে এগিয়ে আসে এবং সেই গাড়ির আরোহীদের থামানোর চেষ্টা করলে একজন সেই পুলিশের উপর চড়াও হয়। সে সেই পুলিশকে মারধর করে এবং তার ইউনিফর্ম ছিঁড়ে ফেলে। আর এই ছেলেই সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নাতি, আরশাদ আদনানের ছেলে। সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ছিলেন বাংলাদেশের ২২ তম প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে চুপ্পু ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর ও পরবর্তীতে ২০২২ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিল। আর এই সময়েই ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০% শেয়ার-সীমা লঙ্ঘন করে বেনামি শেয়ার ক্রয় করে এস আলম ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেয়, এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক অপসারণ করে নিজেদের লোক বসায়। পুরো এস আলম সিন্ডিকেট সময়েই চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এস আলমের লক্ষ কোটি টাকা লুটপাটের অনুমোদনকারী হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিল। ২০২৪ সালের এক ইনভেস্টিগেটিভ প্রতিবেদনে উঠে আসে মালেশিয়াতে চুপ্পুর দেড় লক্ষ রিংগিত অর্থাৎ ৪৫ লক্ষ টাকা সেকেন্ড হোম প্রোগ্রামে ইনভেস্টমেন্ট আছে। দুবাইয়ের একাধিক ব্যাংক একাউন্ট ও ওয়ারাদ জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক বিনিয়োগের বিনিময়ে সেখানে রেসিডেন্স ভিসা নেয়ার তথ্যও উঠে এসেছে। এছাড়া চুপ্পুর তৃতীয় আরেক দেশের পাসপোর্ট আছে বলেও অনুসন্ধানে বলা হয়েছে। এর আগের ২১ জনের মধ্যে কেবল স্বৈরাচার এরশাদই কৃতকর্মের জন্যে গ্রেফতার হয়েছিল এবং বিচারের সম্মুখীন হয়েছিল। চুপ্পু এবং তার পরিবারের সদস্যরা অপকর্ম এবং অনিয়ম দুর্নীতির দায়ে আইনের সম্মুখীন হবে কি না তা সময় হলে দেখা যাবে। তবে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির যে আইনি ধারা আছে তা কেবল দাপ্তরিক কাজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আমরা চাই আইন তার শক্তি প্রদর্শন পূর্বক ইসলামী ব্যাংক লুটপাটের অন্যতম এই সহযোগীকে বিচারের সম্মুখীন করুক। - মোতাহার হোসেন

photo content

বর্তমান সরকারের বিদ‍্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রী ২০০১-০৬ এও ছিলেন একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত। ২০০১-০৬ পর্যন্ত বিএনপির সমর্থকেরা পর্যন্ত বিএনপিকে যে সেক্টরে ব‍্যর্থ বলবেন, সেটি হলো বিদ‍্যুৎ সেক্টর। আওয়ামী লীগ যে কুইক রেন্টাল+IPP করে দেশের টাকা লুটপাট, ব‍্যাংক লোন + ক‍্যাপাসিটি দেশকে ২০ বছর পিছিয়ে দিয়ে গেলো, এর পটভূমি তৈরীতে বিএনপির ০১-০৬ এ বিদ‍্যুৎ খাতে তুমুল ব‍্যর্থতাও কিছুটা দায়ী। একই ব‍্যক্তি এবার আবারো একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায়, আশংকায় ছিলাম এবার কি করেন তিনি। বিদ‍্যুৎমন্ত্রী চার মাসের মাথায় বিদ‍্যুৎ বিতরণ খাতকে বেসরকারী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পিডিবির ঋণ আকাশছোঁয়া। মূলত বেশিদামে বিদ‍্যুৎ কিনে কমদামে বিতরণ, সিস্টেম লস, চোরাই লাইন, ক‍্যাপাসিটি চার্জ ইত‍্যাদি কারণে পিডিবির ঋণ এমণ আকাশছোঁয়া হয়েছে। বিদ‍্যুত উৎপাদনে ২০০৯ এর পর যে বেসরকারী খাতে যাওয়া হলো, তার অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। বেসরকারী খাতে বিদ‍্যুৎ বিতরণ করা হলে নিশ্চিতভাবে বিদ‍্যুৎ খরচ আরো বহুগুণে বাড়বে, মূল‍্যস্ফীতি বাড়বে, আবারো এক বিদ‍্যুৎ খাতের জন‍্য, বিএনপি সরকারের সামনের সব সম্ভাব‍্য অর্জন ধুলোয় মিশে যাবে। হাসিনা পতনের পর ২ বছর পার হলেও আদানির ক‍্যাপাসিটি চার্জ বন্ধ হয়নি। মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, আদানির বিদ‍্যুৎ তিনগুণ দামে কিনে এই দামের বোঝা কেন এখনো জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে ? আদানিকে কেন আন্তর্জাতিক আদালতে নেয়া এখনো সম্ভব হচ্ছে না ? কিছুদিন আগে বিদ‍্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত‍্যুর মতো হৃদয়বিদারক ঘটনা নিয়ে সংসদে হাস‍্যরস করেছেন শেখ সেলিমের এই বেয়াই। তিনি ভারতেরও অত‍্যন্ত ঘনিষ্ট, আবার শেখ কামালের বিশ্বস্ত সহচর ছিলেন। এসব কিছু তার অযোগ‍্যতা না হলেও, বিএনপি ক্ষমতায় আসার ৩ মাসের মধ‍্যে বিদ‍্যুতের দাম বাড়ানোটা তার জনআকাঙ্খার প্রতি ignorant হবার একটা লক্ষণ। বিদ‍্যুৎ খাতকে এমন apathetic ব‍্যক্তির হাতে দিয়ে রাখলে, বিএনপি খাল কেটে কুমির আনবে। - আসলাম বেগ সায়েম

আর একারণেই প্রতিটা বাংলাদেশির মোদির বিজয় চাওয়া উচিত। M Hassan

আজকের ভারত কে বুঝতে হলে আপনাকে তাদের কালচারাল ডাইন্যামিক্স গুলা বুঝতে হবে। এনআথ্রোপলজি বুঝতে হবে। ইতিহাস বুঝতে হবে। ধর্ম বুঝতে হবে। মানুষ বুঝতে হবে। আজ থেকে ৩০০ বছর আগেও যদি ফেরত যান...ভারত নানে আলাদা কোন দেশ ছিলো না। এমন কি ১৯৪৭ এর আগেও ভারতে অনেক গুলা ছোট ছোট প্রিন্সলি স্টেট ছিলো। তো...স্বাভাবিক যুক্তিবিদ্যা যদি ধরেন...ভারত-পাকিস্তান নামক দুইটা আলাদা দেশ হবার কোন কারণ নাই। এখানে অসং্খ্য ছোট ছোট দেশ হতে পারতো। বাংলা ভাষাভাষি দুইটা, সেভেন সিস্টার্সে, সাউথ ইন্ডিয়ায়, শিখদের...এরকম সুযোগ ছিলো। কিন্ত ব্রিটিশরা সেটা দিলো না। হাজার বছরের বিচিত্র ইতিহাদ পায়ে মাড়িয়ে তারা জন্মদিলো কৃত্রিম দুই রাষ্ট্র: ভারত এবং পাকিস্তান। মানে ভারত একক ভাবে কোন দেশ না। অসং্খ্য ছোট ছোট দেশ মিলাইয়া বড়একটা দেশ। ____ ভারতের ফাউন্ডিং ফাদারস রা বিষয়টা বুঝতো।তাই তারা সিদ্ধান্ত নিলো এই বিচিত্র ছোট ছোট জনপদকে বাঁধতে হলে দুইটা জিনিস নিশ্চিত করতে হবে: ১। গণতন্ত্র ২। সেক্যুলারিজম। তারা চেষ্টা করলো তাদের প্রতিষ্ঠান গুলাকে সেক্যুলার চেহারা দেবার। ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস, জুডিসিয়াল সার্ভিস, পুলিশ সার্ভিস , সেনা সার্ভিস এগুলার চরিত্র তারা সেক্যুলার রাখার চেষ্টা করলো। আর আপনি যদি ভারতীয় সংবিধানে যান...এমন অনেক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে...যাতে রিপাব্লিক ভেংগে না পরে। ___ ভারতের জনপদ/জনমত কতোটা বিচিত্র। আপনি যদি দক্ষিণ ভারতের দিকে তাকান...তাইলে এক্টা সম্পূর্ণ ভিন্ন সভ্যতা দেখতে পাবেন। সাউথ ইন্ডিয়ানরা দ্রাবিরিয়ান সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করে। এবং দে আর প্রাউড অফ ইট। তাদের ভাষা এবং তাদের সংস্কৃতি নিয়ে তারা কতোটা গর্বিত...এইটা জাস্ট তাদের মুভি দেখলেই বুঝা যায়। দ্রাবিড়িয়ান সভ্যতা এর সাথে ইন্দো-আরিয়ান সভ্যতার সংঘাতটা কোথায় এটা নিয়ে অনেক বড় পোস্ট লিখা লাগবে। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হচ্ছে এই সংঘাতে আমাদের অবস্থান। যাই হোক। আপ্নি সেভেন সিস্টার্সে যান। এখানের অবস্থা আরো বিচিত্র। এখানের প্রদেশ গুলা দুইটা দুনিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে। এক্টা গ্রুপ হচ্ছে তিব্বতীয়/হিমালয়ান গ্রুপ। আরেকটা হচ্ছে সাউথ ইস্ট এশিয়ান গ্রুপ। এটা নিয়েও অদূর ভবিষ্যতে বিস্তারিত পোস্ট দেওয়া লাগবে। এর বাইরে শিখরা আছে। আরো বিচিত্র সব জাতিগোষ্ঠী আছে। কিন্ত...এদের সবাইকে ডমিনেট করে...হিন্দি বেল্ট। এরা ইন্দো-আরিয়ান সভ্যতার সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করে। ___ এখন আপ্নি যদি দেখেন...ভারতের ইকোনোমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে সাউথ ইন্ডিয়ার। শিক্ষায় ওরা আগাইয়া। শিল্পে অবদান আছে। তারা জনসং্খ্যা কমাইয়া আনছে। অন্যদিকে হিন্দি বেল্টের লোকজন খালি খায় আর বাচ্চা পয়দা করে (মেক্সিমাম)। যার ফলে হিন্দি বেল্টের জনসং্খ্যা লাফাইয়া বাড়ছে। মোদি চেষ্টা করছিলো...জনসং্খ্যার অনুপাতে প্রদেশ গুলার মাঝে আসন ভাগ করতে। এইটা করলে..মোদির আজীবন ক্ষমতায় থাকার রাস্তা ক্লিয়ার হয়ে যাইতো। কারণ হিন্দি বেল্ট জনসং্খ্যার হিসেবে অনেক বেশি আসন পাইতো এইখানে বাদ সাধছে সাউথ ইন্ডিয়ানরা। তাদের বক্তব্য...আমরা কষ্ট করে জনসং্খ্যা কমাইলাম..সেইটা কি আমাদের ডিস্ক্রেডিট? মোদি এবার পিছাইয়া গেছে। কিন্ত সামনে আর পিছাবে না। একই খেলা আরো অনেক জায়গায় চলতেছে। মোদি সিস্টেমেটিক্যালি প্রতিষ্ঠান গুলা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। নষ্ট করতেছে। এক সময় হিন্দি বেল্ট ছিলো কংগ্রেসের ঠিকানা। সেখানে কংগ্রেস এখন নিজেই উদ্বাস্ত। আর মোদি হিন্দি বেল্টের বাইরে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে ডেস্পারেটলি। এজন্য যা করা লাগতেছে করতেছে ____ তাইলে...আমরা কেন চাচ্ছি...যে মোদি ক্ষমতায় টিকে থাকুক? কারণ..মোদি আসলে সাধারণ হিন্দুদের প্রতিনিধিত্ব করে না। সে প্রতিনিধিত্ব করে...উগ্র হিন্দুত্ববাদের। মোদি এখানে ইন্সট্রুমেন্ট মাত্র। তাকে সামনে রেখে ব্রাক্ষণ শ্রেষ্ঠত্বের আড়ালে আর্য শ্রেষ্ঠত্বের। মানে এখানে হিন্দি বেল্টের নিম্নবর্ণের হিন্দুরাও ইউজড হচ্ছে। দক্ষিণ ভারতের হিন্দু ধর্মের চর্চা বা নিম্ন বর্ণের হিন্দুদের ধর্ম চর্চা আর হিন্দি বেল্টের হিন্দুত্বের ভার্সন সেম না। মোদি যতো বেশি দিন ক্ষমতায় থাকবে...এই বিষয় গুলা আরো স্পষ্ট হবে। একই সাথে দক্ষিণ ভারত, সেভেন সিস্টার্স সহ ভারতের অন্যান্য অংশ নিজেদের হিস্যা বুঝে নিতে সোচ্চার হবে। যার ফলে...দাপট কমবে হিন্দি বেল্টের। _____ মনে রাখবেন...আমাদের মূল শত্রু সাধারণ ভারতের জনগ্ণ না। আমাদের দুশমন হিন্দি বেল্টের আগ্রাসী সাম্প্রদায়িক নেতারা। দক্ষিণ এশিয়ার শান্তির জন্য তাই ভারত ভাগ হওয়া আবশ্যিক না। ভারতে প্রকৃত ফেডারেল ব্যবস্থা কায়েম হওয়া জরুরি। এইটা নিয়ে আলাপ উঠছে। এবং মোদি আরো দুই/তিন টার্ন ক্ষমতায় থাকলে এটা হবেই। কারণ ভারতকে এক সূতায় বাঁধার সূত্র...অসাম্প্রদিক ইন্সটিটিউশন এবং গণতন্ত্র...মোদি দুইটাই ধ্বংস ক রছে ( খুব সংক্্ষিপ্ত পোস্ট। ভবিষ্যতে বিস্তারিত লিখার ইচ্ছা আছে। আপাতত এটা বেসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এর জন্য।)

পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
পরীক্ষার ভেতর চাকরি করতে হবে না ইকনকে, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

লাস্ট বাট নট, দ্যা লিস্ট ৫ আগস্টের পর আপনারা অনলাইনকে যে চূড়ান্ত রকমের টক্সিক আর নোংরা বানায় ফেলছিলেন সেখান থেকে বের হোন। ৫ আগস্টের পর অন্তত অনলাইনে সকল দল-মতের একটা কো-এক্সিসস্টেন্স আমরা এক্সপেক্ট করছিলাম সেটা আপনারা হতে দেন নাই। আশা করবো এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিবেন। অন্যদের জন্য ব্রিডিং স্পেস ক্রিয়েট করবেন। - সাদিব

১। অনলাইনে শিবিরের অত্যন্ত এগ্রেসিভ আর নোংরা আচরণ। শিবিরের এগেইন্সটে কেউ পোস্ট দিলে সে আর কমেন্ট বক্স খোলা রাখতে পারে না। সেই স্ট্যাটাস বা সেই ব্যাক্তির প্রোফাইল তাদের বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দিয়ে সেই লোককে নাস্তানাবুদ করে ফেলা হয়। ২। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শিবিরের ভয়ংকর লেভেলের নোংরা আর মিথ্যা ক্যাম্পেইন। শিবিরের নোংরা রাজনীতির অন্যতম ছিল ফটোকার্ডের অত্যন্ত জঘন্য ব্যবহার। যাকে ডিফেইম করা হবে তার নামে মিথ্যা ফটোকার্ড বানিয়ে এমনভাবে সেটা ছড়িয়ে দেয়া হয় যে সেই লোকের মান ইজ্জৎ বলে কিছু থাকে না। ৩। শত্রুতা মিটানোর জন্য শিবির সেই ব্যাক্তির চরিত্র, পরিবার-মেয়েদেরকে ধরে টান দেয়। আমার খেয়াল আছে আম জনতার তারেকের বউয়ের ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়ে কি জঘন্য রকমের বডি শেমিং করা হয়েছিল। জায়মা রহমান-জোবায়দা রহমান থেকে শুরু করে কেউ তাদের এই এগ্রেসন থেকে পার পায়নি। তারেক রহমানকে নিয়েও সর্ব প্রথম নোংরা পলিটিক্যাল স্লোগান সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে শিবির শুরু করে। ৪। মতের অমিল হলে খিলাফতপন্থী-কওমি-চরমোনাই গ্রুপ কাউকে তারা ছাড় দেয় না । অনলাইনে নিজেদের ইনফ্লুয়েন্স এবং রিচের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তিদেরকে চূড়ান্ত রকমের বেইজ্জত করা হয়। ৫। এক্সট্রিম সুওপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভুগে বাকীদেরকে হিউমিলিয়েট করা। গতকালও নামকাওয়াস্তে এনসিপি কিন্তু অন্তর-জান-প্রান থেকে জামাতি ডাঃ মিতু বলেছে বাংলাদেশে সৎ লোকের শাসন কায়েম একমাত্র জামায়তে ইসলামীর দ্বারা সম্ভব। 🤣 🤣 🤣 মানে জামাত ছাড়া বাংলাদশের বাকী সব চোর চোট্টা বদমাইশ । তো এত বড় বুজুর্গদের দল যখন এত বড় আকাম কুকাম করে কত খাবে সেটা মানুষ খুশিতে সেলিব্রেটই করবে। আমি লিস্ট আরও লম্বা করতে পারতাম বাট এই ৬টা তেই থামলাম। এখন ৬ নাম্বারটা বলে শেষ করবো ৬। জামাতের লাস্ট ইলেকশন ক্যাম্পেইন খুবই ইফেক্টিভ ছিল একই সাথে এটা লং টার্মে একটা ডেঞ্জারাস প্লয়। জামাতের লাস্ট ইলেকশন ক্যাম্পেইনের মূল ইউএসপি কি ছিল ? তোমরা নৌকা-ধানের শীষ-লাংগল সব দেখছো। এখন আমারে দেখো । আমি ভালো, আমি সৎ। আমি নামাজ পড়ি, আল্লাহ্‌ বিল্লাহ করি। এতএব আমি ভুলেও কোন পাপ করবো না। একচুয়ালী ইট ওয়ার্কড। জামাত প্রচুর নিউট্রাল ভোট টানতে পেরেছে। অনেক বিএনপির ভোটার জামাতকে ভোট দিয়েছে। এটা ট্রু। আমার পরিচিত এমন সব মানুষজন লাস্ট টাইম জামাতকে ভোট দিয়েছে যারা জামাতকে ভোট দিতে পারে এটা মার কল্পনারও বাইরে ছিল। তারা এটা বিশ্বাস করেই ভোট দিয়েছে যে জামাত আসলেই ভালো কিছু করবে। গতকাল এদের কয়েকজনের সাথে দেখা হয়েছে। ধুমায় জামাতকে গালি দিচ্ছে। জামাত এন্টায়ার পলিটিক্যাল কারেন্সী একটা হাইপের উপর দাঁড়ানো ছিল যে তারা পরহেজগার-ফেরেশতার মত মানুষ। এখন যখন মানুষ দেখবে তাদের মধ্যেও ইবলিশ শয়তানে ভরপুর তখন কিন্তু এই হাইপের বেলুন পুরাটাই ফুটা হয়ে যাবে এবং যাচ্ছে। আপনি তো পলিসি সেল করেন নাই । নিজের পরহেজগারিত্ব সেল করেছেন। সেই মালে যখন লোকজন ভেজাল দেখবে তখন কাস্টমার তো রিয়েক্ট করবেই এটা স্বাভাবিক। ফাইনালী জামাত শিবিরের প্রতি আমার ফ্রেন্ডলি কিছু পরামর্শ। ১। আপনারা ইতিমধ্যে শত্রু অনেক বাড়ায় ফেলছেন। এর মূল কারন আপনাদের অত্যন্ত এগ্রেসিভ আচরণ। সো অনলাইনে নিজেদের আচরনকে সংযত করেন। মানুষের সাথে ঝগড়ঝাটি এড়ায় চলেন। ২। শিবিরের লোকজন কোন সমালোচনা- ভিন্ন মত নিতে পারে না। তারা অনলাইনে এতটাই ভায়োলেন্ট হয়ে যায় যে অনলাইনে কাউরে খুন করার সিস্টেম থাকলে তারা সেটাই করতো। আপনারা ভিন্নমত এক্সসেপট করতে শিখেন। সমালোচনা হজম করতে শিখেন। নইলে সামনে আরও চিপায় পরবেন। ৩। নিজেরা সুপিরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগা বন্ধ করেন। আমরাই বাংলাদেশে একমাত্র সৎ মানুষ। এই মাত্র জান্নাত থেকে সবাই আসলাম এই ডিলিউসন থেকে বের হোন। মানুষের কাছে বলেন ভাই আমরা ফেরেশতা টেরেশতা কেউ না। আমরা মানুষ। আমাদের মধ্যে ভালো মানুষ আছে, আবার চোর-চোট্টা, লুইচ্চা বদমাইশও আছে। তাইলে কেউ আকাম কুকাম করে ধরা খাইলে ব্যাকলাশ কম খাবেন। ৪। নেক্সট ইলেকশনের আগে পলিসি কেন্দ্রিক পলিটিকসে যান। এই জান্নাত কার্ড, ধর্ম কার্ড থেকে বের হোন। আগামী ৫ বছর আপনাদের অনেকেই অনেক ইস্যুতে এক্সপোজ খাবে এটা কনফার্ম। সো বাংলাদেশে আমরাই একমাত্র সৎ মানুষের দল এগুলা যারা বলে তাদের হাতে পায়ে ধরে অথবা মুখ চেপে ধরে থামান। নইলে আরও বিপদে পরবেন। লাস্ট একটা কথা বলি। আপনারা এতদিন তেমন কোন পলিটিক্যাল এটেনশনে ছিলেন না। এখন আপনারা কাইন্ড অফ বাংলাদেশের ২য় দল হয়ে গেছেন। সো আপনাদের কথা-বার্তা আচার-আচরন আরও সংযত হতে হবে। কারন সব কিছু নিয়েই এখন স্ক্রুটিনি হবে।

জামাতে ইসলামী সাতক্ষীরার সেই এমপিকে বহিষ্কার করেছে। না করে উপায় ছিল না। তাদের অনলাইন টিম সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে ঘটনা অন্য দিকে নিয়ে লোকটাকে সেভ করার জন্য। ফেইক কাবিননামা বানানো থেকে শুরু করে সেই এমপির স্ত্রীকে দিয়ে স্বামীর এই লুইচ্চামিকে ডিফেন্ড করার ভিডিও বানানো পর্যন্ত সবই করা হয়েছে। বাট একে একে এমন সব প্রমাণ আর ভিডিও আসছিল যে জামাতের পক্ষে আর এই লোকের পক্ষে দাঁড়ানোর কোন সুযোগ ছিল না। তারা শুরুতে ঘটনা স্বীকার করে নিয়ে ব্যবস্থা নিলে এত কিছু হত না। তারপরও সাধুবাদ এই সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য। বাট জামাতে ইসলামীর জন্য এই রকম চারিত্রিক স্খলন নতুন না। তাদের অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এই অপরাধে জামাত থেকে বাদ পড়েছে। জামাতে ইসলামী বাংলাদেশে এর আগে পলিটিক্যালি এত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না বলে সেই ঘটনাগুলো আলোড়িত হয়নি। ৯০ এর দশকে জামাতের সবচেয়ে ইনফ্লুয়েন্সিয়াল আলেম বলা হত কামাল উদ্দিন জাফরিকে। কেউ কেউ তাকে মরহুম দেলোয়ার হোসেন সাইদির চেয়েও বড় স্কলার বলতেন। উনি আবার সম্পর্কে দেলোয়ার হোসেন সাইদির বেয়াই। এই লোক বিভিন্ন টিভিতে অনেকে প্রোগ্রামও করেছে। আওয়ামী লীগের আমলেও করেছে। এই লোকের এগেইন্সটে অভিযোগ ছিল তার পিএসের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করার । তার পিএস এটা নিয়ে বেশ হাঙ্গামা করেছিল। পরে জামাত সাম হাউ ঘটনাকে ট্যাকেল করে। জাফরি সাহেব জামাতের লিডিং পলিসি মেকারদের একজন ছিলেন। এই ইস্যুতে জাফরি সাহেবকে জামাত থেকে বাদ দেয়া হয়। এনটিভিতে একটা প্রোগ্রাম হত আপনার জিজ্ঞাসা নামে। এই প্রোগ্রামের বক্তা ছিলেন আবুল কালাম আজাদ যাকে আওয়ামী লীগের লোকজন বাচ্চু রাজাকার ডাকতো। উনি বেশ পরিচিত বক্তা ছিলেন। আপনার জিজ্ঞাসা প্রোগ্রামও বেশ জনপ্রিয় ছিল। আমি নিজেও সেই প্রোগ্রাম দেখতাম। কারন তার উত্তর দেয়ার প্যাটার্ন বেশ ভালো ছিল। একবার এক মহিলা এই প্রোগ্রামে আজাদ সাহেবের সাথে পার্সোনালী দেখা করে কিছু মাসলা মাসায়েল জানতে চায়। এরপর থেকে সেই মহিলার সাথে আজাদ সাহেবের যোগাযোগ শুরু হয়। তাকে সে গোপনে বিয়ে করে খেলাধুলা করতে থাকে। কিন্তু কোন স্বীকৃতি দেয় না। শেষমেষ মহিলা বাধ্য হয়ে জামাতে হাই কমান্ডের কাছে কমপ্লেইন করে। তাড়া তদন্ত করে দেখতে পায় ঘটনা সহীহ। এরপর আজাদ সাহেবকে বহিষ্কার করা হয়। আওয়ামী লীগ আমলে আজাদ সাহেবের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়। উনি পাকিস্তান পালিয়ে যান। ইন্তেরিমের সময়ে দেখলাম উনি ফেরত এসেছেন। জামাতের ফ্রান্স শাখার নায়েবে আমীর ইলিয়াসের চ্যানেলে একটা সাক্ষাৎকারও দিয়েছে। ২০১৩-১৪ সালের দিকে বাংলাদেশের কোন বিভাগের খুব প্রভাবশালী একজন আমীর ছিলেন। জামাতের প্রথম এবং ২য় সারির সকল নেতৃবৃন্দ তখন জেলে। বলা হচ্ছিল উনি জামাতের নেক্সট আমীর হবেন। জামাতের বর্তমান আমীর শফিক সাহেব সে সময়ে কিন্তু তেমন গুরুত্বপূর্ন কোন নেতা ছিলেন না। সেই আমীর পুরো পরিবার জামাতে পলিটিক্যালি বেশ প্রভাবশালী। তার পরিবারের সদস্যদের কেউ কেউ এখন এমপি। আমি সঙ্গত কিছু কারনে তার নাম প্রকাশ করলাম না। যাই হোক সেই আমীর অনেক দিন জেল খেটে বের হয়েছেন। সে সময় সকল বিরোধী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে নিয়মিত কোর্টে হাজিরা আবার নিয়মিত পুলিশি হয়রানির স্বীকার হতে হত। পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতে সেই আমীর বিভিন্ন মানুষের বাসায় থাকতে থাকতে একদিন এক বিধবা মহিলার বাসায় রাতে উঠেন। সেই বিধবা মহিলা একাই বাসায় থাকতো। নিয়মিত যাতায়তের সুবাদে সেই মহিলার সাথে এই লোকের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারা বিয়ে করে ফেলেন। কিন্তু সেই মহিলাকে আর স্বীকৃতি দেন না। কিন্তু বাসায় ঠিকই নিয়মিত যাতায়ত করেন। একদিন সেই আমীর সেই মহিলার বাসায় আসলে মহিলা আশেপাশের সব লোকজনকে ডেকে জড়ো করে সেই আমীরকে এক্সপোজ করে দেন। পরে পরিবারের চাপে সেই মহিলাকে ডিভোর্স দেন। এই ঘটনার পড় জামাত তাকে বহিষ্কার করেন। এরা প্রত্যেকে জামাতের হাই প্রোফাইল নেতা ছিলেন। অর্থাৎ, জামাতের হাই প্রোফাইল নেতাদের মধ্যে এই রকম ঘটনা নতুন না। বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দলের একেবারে শীর্ষ পর্যায়ে রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই পরিমাণে নৈতিক স্খলনের ঘটনা ঘটে কিনা আমার জানা নাই। এখন কিছু কথায় আসি । গতকাল যে জামাত কটটা খেল এতে করে তারা মোটামুটি সব দিক থেকে সিরিয়াস ব্যাশিং খেয়েছে। বিএনপি-কওমি-চরমোনাই-খিলাফতপন্থী গ্রুপ এমন কেউ নাই যে জামাতের এই ডাউনফলে সেলিব্রেট না করছে। এনসিপির কিছু পাতি নেতা আর জামাতেরই আরেক দোকান এবি পার্টির ফুয়াদ ছাড়া আর কেউ মনে হয় না জামাতের পক্ষে একটা কথা বলছে। জামাত-শিবির আপনার কি ভেবে দেখছেন আপনারা হঠাৎ কেন বন্ধুহীন হয়ে গেলেন ? কেন সবাই আপনাদের এই জিল্লাতি সেলিব্রেট করতেছে ? আমি কয়েকটা কারন বলি । আপনারা মিলায় নিয়েন ।

ককরোচ পার্টির বিপ্লব দমনে লুটিয়েন্সে কন্ট্রোল রুম স্থাপিত হয়। বিজিত দোভাল একটা সিগ্রেট ধরিয়ে লনে পায়চারী করতে থাকেন; পেছনে পেছনে হাঁটছে ভীতি অগ্নিহোত্রী। হাসিনার এটেনডেন্ট রোদেলা সিং এসে বলে, হার এক্সেলেন্সি সালাম দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনটি স্ক্রিনে যন্তর মন্তর-এর বিক্ষোভ এর লাইভ স্ক্রিনিং চলছে। একটি তরুণীকে দাখলি বাজিয়ে ইনকিলাব জিন্দাবাদ গাইতে দেখে হাসিনা বলেন, এই মেয়েটা সংস্কৃত না বলে উর্দু বলছে কেন! দিল্লিতে এতো পাকিস্তানি এলো কোত্থেকে! বিজিত দোভাল উত্তর দেন, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকেই এই শ্লোগান চলছে। --আমাকে ইতিহাসের কথা বলবেন না। ইতিহাস নিজেরা লিখতে হয়। আপনাদের কি কোন মুনতাসির মামুন নাই! আপনাদের বামগুলোই বা কেমন! ইনকিলাব জিন্দাবাদকে উর্দু শ্লোগান হবার দায়ে অভিযুক্ত করে পেঁচাচ্ছে না কেন! আপনাদের জাফর ইকবাল কোথায়! ককরোচ পার্টির প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে আপনাদের একটা সাদা চুল আর গোঁফের বুদ্ধিজীবী লাগবে। বিজিত বিনয়ের সঙ্গে উত্তর দেন, আপনি যেমন ৮১ সাল থেকে ঢাকায় একটা কালচারাল উইং বানিয়েছিলেন; অমন কিছু দিল্লিতে গড়ে ওঠেনি। --কঙ্গনা রানাওতকে বলেন ফেসবুকে আলো আসবেই গ্রুপ খুলতে। দরকার হলে সে অরুণা বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলুক। জেনে নিক, কিভাবে বিক্ষোভ দমনে গরম পানি ছেটাতে হয়। ভীতি অগ্নিহোত্রী এসে জানায়, আপনার কথা অনুযায়ী ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে। --ওভাবে বলছেন কেন! বলবেন, ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি; তা আপনা আপনি বন্ধ হয়ে গেছে। স্ক্রিনে শাবানা আজমীকে দেখে হাসিনা রেগে যান, একে এখনো পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেননি কেন! সাংবাদিক ভুতুম লাহিড়ী এসে জানতে চান, আমরা কি করবো দিদি? --আপনারা পিএম মোদির সঙ্গে বসে টিভিতে লাইভ বৈঠক করুন। সেখানে অর্ণব গোস্বামী এসে বলুক; ককরোচ পার্টির সঙ্গে ইসলামি জঙ্গিদের সম্পর্ক আছে। ভুতুম লাহিড়ী চলে যাবার ভঙ্গি করলে হাসিনা ধমক দিয়ে বলেন, পুরো কথা শুনে যান। আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনে নিন কিভাবে বিক্ষোভকারীদের ড্রাগড বলতে হয়। বলতে হবে, পানির সঙ্গে মিশিয়ে ওদের মাদক পান করিয়েছে চীনের গুপ্তচরেরা। লাইভ স্ক্রিনে পুলিশি একশানে বিক্ষোভকারীর রক্তাক্ত মুখমণ্ডল দেখে হাসিনা বলেন, দিল্লি ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের হিন্দুত্ববাদী সিনিয়র অধ্যাপক খুঁজে বের করুন; যে সবসময় প্রগতিশীলের ভং ধরে থাকে। তাকে দিয়ে ফেসবুকে লেখান, বিক্ষোভকারীরা টমেটো সস মেখে রক্তাক্ত দেখাচ্ছে নিজেদের। অক্ত নয় অক্ত নয়; ওগুলো অং। বিজিত দোভাল বলেন, ওই তো একটা অসুবিধা ম্যাডাম। আমাদের যে কটা বামপন্থী রামপন্থী হয়েছে তারা প্রকাশ্যেই হয়েছে। প্রগতিশীলের ভং ধরে থাকেনি। ককরোচ পার্টির প্রধান অভিজিত দীপকে গ্রেফতার হয়েছে শুনেই হাসিনা বলেন, আমাদের হারুনটাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে ওকে দিয়ে অভিজিতকে নুডলস খাওয়ান। তারপর বন্দুক তাক করে ধরে ওকে দিয়ে বিক্ষোভ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ান। লাইভ স্ক্রিনে সোনাম ওয়াকচুকের ফটো নিয়ে বিক্ষোভকারীদের শ্লোগান দিতে দেখে হাসিনা বিরক্ত হয়ে বলেন, এই লোকটাকে ধরে শহিদুল আলমের মতো কারাগারে রাখুন ১০০ দিন। এমন একটা ঘুষি দিতে হবে, যেন শার্টে ছোপ ছোপ রক্ত লেগে থাকে। তারপর ওটাকেও টমেটোর সস বলতে হবে। ভীতি অগ্নিহোত্রী বলেন, ম্যাডাম বিজেপির সাইবার গ্যাং আওয়ামী লীগের সাইবার গ্যাং-এর মতো এতো প্রশিক্ষিত নয়। ফলে ওরা কার্যকর কোন প্রোপাগান্ডা করতে পারছে না। --কলকাতায় ফোন করে আমাদের ধাপ্পাদিত্য পশুটিকে এক্টিভ করুন; ওর একটা মাথায় যত প্যাঁচ আছে; অতো প্যাঁচ স্ক্রুতেও নেই। আমাদের কাজল দেয়া নাইস এন্ড এট্রাক্টটিভ মেয়েটির কাছে পরামর্শ নিন। বিজিত দোভাল মুচকি হেসে বলেন, হে বঙ্গ ভান্ডারে তব বিবিধ রতন। - অবাক হিস্টোরি ! - নুসায়ের নিটোল

photo content

photo content

রাখুক, ইনিয়েস্তার নামের সাথে তার নাম, নর্থ গ্রানাডা থেকে সেভিয়া কোস্ট পর্যন্ত সমুচ্চরে উচ্চারিত হবে। ফুটবল কম্যুউনের খেলা। কারণ, এত গুলো স্ববিরোধী গুণাবলী নিয়ে ফুটবল খেলতে হয়। এত এত স্ববিরোধ নিয়েও ফুটবলটা টিকে যায় কারণ এটা সামষ্টিক খেলা। ব্যক্তি মানবের স্ববিরোধীতা ই ব্যক্তির সীমানা। সেই স্ববিরোধীতাগুলো সমষ্টির মাঝে হারিয়ে যায়। ফুটবল হয়ে ওঠে একটি সূর্য, যাকে ঘিরে একটা কম্যুউন নক্ষত্রের মতো সৌরজাগতিক রীতিতে আবর্তিত হতে থাকে। ফুটবল দলের ই খেলা। এই স্পেন নতুনভাবে নিজেদের জাহির করলো। টিকিটাকার মতো একটা খেলা যেটা নিজেদের রক্তে মিশে ছিলো, সেটাকে রিডিউস করে, গোটা স্পেনীয় খেলার ধরণকে বদলিয়ে তারা আজ এই নতুন ঢং এর খেলা এনেছে। প্রাইস পে করা লাগছে সেজন্য অনেক। ২০১৪ থেকে ২০২২। মিড রাউন্ড থেকে নিঃশব্দে বিদায়। অথচ, আজ স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। এবং সেটা দে লা ফুয়েন্তের স্পেন, যিনি খেলোয়াড়দের খেলোয়াড় হিসাবে নয়, নিজের সন্তানের মতো লালন করেন। সেই খেলোয়াড়রা আজ ফুয়েন্তের ম্যাচিউরড্ পিপল'। স্পেনের গর্ব তারা। ইতিহাস বলবে, এটা লুইজ দে লা ফুয়েন্তের স্পেন, যারা ফুটবলকে তার প্রাপ্য মর্যাদা দিয়েছে। Spain, Literally, you saved 'the Football' with your Iberian feet, Catalonian courage, Andalusian will and Guernican Art 🌿 Obrigado, Los Espanoles! 🌿 - মিনহাজুল ইসলাম

'স্পেন ১- ০ আর্জেন্টিনা' এই প্রেডিকশন দিয়ে গতকালকে খেলা দেখা শুরু করছিলাম। ফলাফল তাই ই হলো কিন্তু খেলার মধ্যে দিয়ে ইতিহাসের যেমন পুনরাবৃত্তি ঘটলো, ঘটলো বেশ কিছু নতুন ইতিহাসের উত্থান। স্পেন ২০০৮ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়েই ২০১০ এ বিশ্বকাপ নিয়েছিলো। এবারো তাই হলো। স্পেন আবারো ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপ জিতে নিলো। সেবার ও ১০৮ মিনিটে ইনিয়েস্তার একটা গোল থেকে স্পেনে জয় পায়, এবার সেটা ঘটলো ১০৬ মিনিটে ফেরান টোরেসের পা থেকে। সেবার ও স্পেন সেমিফাইনালে দুর্ধর্ষ জার্মানিকে হারায়ে ফাইনালে উঠছিলো এবং নেদারল্যান্ডসের ডার্টি প্লের মুখে পড়েও বিশ্বকাপ জেতা তার থেমে থাকেনি। এবারো একই ঘটনা। সেমিফাইনালে 'কে থামাবে এই ফ্রান্সকে' হারিয়ে, ফাইনালে আর্জেন্টিনার সুপার-ক্লাসিকাল হারামবল ও আলট্রা ফিজিকাল ডিফেন্সিভ ট্যাকটিক্সকে হারায়ে বিশ্বকাপ জিতলো। আর্জেন্টিনা ২০১৪ সালের মতোই ফাইনাল হারলো। পার্থক্য একটাই, সেবার এটেম্পট ছিলো ১০ টা কিন্তু অন টার্গেট শট শূণ্য। এবার এটেম্পট ৩ টা এবং অন টার্গেট শূণ্য ই। What an ironic repetition! নতুন ঘটনা কি ঘটলো? স্পেন একদম সলিড স্ট্রাইকার ছাড়া বিশ্বকাপ জিতে নিলো। বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো রুদ্ধশ্বাস ও উত্তেজনাপূর্ন ম্যাচে, আর্জেন্টিনার হারামবলের বিরুদ্ধে একটা কার্ড না খেয়ে ম্যাচ শেষ করলো (১২৫ মিনিট)। স্পেন তাদের ইতিহাসে দুই বার ফাইনালে উঠে, দুই বার ই জিতে নিলো বিশ্বকাপ। লামিন ইয়ামাল প্রথম অনূর্ধ্ব বিশ হিসাবে ইউরো ও বিশ্বকাপ জিতে নিলো। রদ্রি (ট্রায়াঙ্গুলেশন মাস্টার) একজন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসাবে সব ব্যক্তিগত অর্জন পেয়ে গেলো(জিদান, রোনালদিনহোদের নামের পাশে তার নাম থাকবে যদিও সে ডিফেন্সিভ মিড)। আর্জেন্টিনা প্রথম দল হিসাবে ফাইনাল ম্যাচ শেষ করলো শূণ্য শট অন টার্গেট দিয়ে। অনেকে এটাকে ফুটবলের ডিসগ্রেস বলতেছেন। আমিও উত্তেজনার বশে বলছি কিন্তু এটা আসলে ডিসগ্রেস না বরং একটা টিমের ফুটবলিং ফিলসফির যে কতোটা ভয়ংকর অভাব সেটার ই রুক্ষ প্রকাশ। হারামবল খেলে একটা দল আর যাই করুক বিশ্বকাপ জিততে পারে না। স্কালোনি অসামান্য চেষ্টা করছে। এই রকম একটা মিডিয়োকর দল উইথ নো ক্রিয়েটিভিটি এন্ড ফরওয়ার্ড মেকানিজম, কে এতদূর টেনে আনা। স্কালোনি এই দলের শক্তির জায়গা যেটা সেটাকেই মবিলাইজ করছে কিন্তু দুর্বল জায়গা গুলোতে কিছু করতে পারে নাই। পারবেও না। কারণ ওটা তার আয়ত্তের বাইরে। সেই জায়গাটার অভাব পূরণ করে আসছে ঐ সাধু লিও। কিন্তু সব সাধনার সমাপ্তি আছে। আছে মার্জিন। ফলে, যা হওয়ার তাই হয়েছে। সামনে কি অস্বাভাবিক সময় আসতেছে আলবিসেলেস্তেদে, সেটা নিয়ে ভাবার সাহস ও করতে চাই না। অন্যদিকে, দে লা ফুয়েন্তের কথা অল্পশব্দে বিবৃত করা না-মুমকিন। অন্য একদিন, অন্য কোনো সময়ে লিখবো। এটুক বলি, এই লোক নতুন ফুটবল ইন্ট্রুডিউস করাইছে এই স্পেন দলের ফুটবল বিশ্বকাপ জেতানোর মধ্যে দিয়ে। ফুটবলের নিউ-কনভেনশনের আবির্ভাব হইছে। এই কথা যারা ফুটবল নিয়ে সারাবছর পড়ে থাকেন তারা বুঝবেন, যে দে লা ফুয়েন্তে খোদ ফুটবল খেলায় কি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দানবীয় দলকে যেদিন এই লোকের শিষ্যরা চোর-চোর স্টাইলে খেলে বেইজ্জতি করছে, ঐদিন ই বুঝছি এই দলের কাবিলিয়ত কি। সেই সাথে সবচেয়ে হাই প্রেসিং-হারামবল খেলা একটা দল (সাথে চ্যাম্পিয়ন মেন্টালিটি ও ভয়ানক রকমের টাইট শিফ্টের দল) এর সাথে কাম এন্ড কুল হেডে খেলা শেষ করার মধ্যে দিয়ে স্পেন ফুটবলকে আসলে রক্ষা করছে। একদিকে অতি-আক্রমনাত্মক দানবীয় খেলা এবং আরেকদিকের অতি-রক্ষণাত্মক হারামবল-বেইজড্ খেলার, চাপাচাপি থেকে স্পেন ফুটবলকে রক্ষা করলো এক নতুন উদ্ভাবনী রীতির খেলা ইন্ট্রুডিউস করে। অর্থাৎ, গোলকিপার ও একজন সেন্টার ব্যাক বাদে দলের প্রতিটা খেলোয়াড়ের পজিশন ফলস্। ফ্রিকোয়েন্ট ফলস্ পজিশনিং উইথ ওয়ান টাচ ফুটবলের চেয়ে ভয়াবহ আর কি হতে পারে! সেই সাথে দে লা ফুয়েন্তের শক্ত ট্রেনিং, অর্থাৎ যত কিছুই হয়ে যাক ম্যাচের টেম্পো লুজ করা যাবে না। স্কালোনি সবসময়ই ঐ সুযোগেই থাকতেন। ইংল্যান্ডের সাথে তাই করছে। ৬৫ মিনিট পর, অটোমেটিক বল আর্জেন্টিনার পায়ে যাবেই। ফুয়েন্তে এই গণিত করেই মাঠে নামছেন। যার প্রমাণ, ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটে স্পেন যে মেজাজ ও গতিতে খেলছে, ম্যাচের ১০০ মিনিটেও স্পেন একই মেজাজ ও গতিতে খেলছে। কি সেই মেজাজ? দা বিজিয়েস্ট মিডফিল্ডিং! আর সেখানে মায়েস্ত্রো রদ্রির সাথে কুকুয়েরা, রুইজ/পেদ্রি, পেদ্রো পরো'৷ স্কালোনির যে মেন্টাল চান্স, সেটাও ফুয়েন্তে জাস্ট কেড়ে নিছে। ফলাফল - 'কিংকর্তব্যবিমূঢ় ডিফেন্সিভ আর্জেন্টিনা'। কথায় আছে একটা বিশ্বকাপ জেতার জন্য দলের এগারো জনের ই সময়ে সময়ে জ্বলে উঠতে হয়। স্পেনের সবাই জ্বলে উঠছিলো। একজন বাদে। সেটা হলো ফেরান টোরেস। আমি সবসময়ই বলতাম যে ওর মডেলিং করা উচিৎ। ফুটবল কেন খেলে সে৷ ফুটবল যায় ই না ওর সাথে। অথচ, স্পেনের উইনিং গোলটা করে ফুটবলের ইতিহাসে সারাজীবনের জন্য নাম লেখায়ে নিলো সে। এখন সে মডেলিং করুক কিংবা খেলা চালু