Online Edu.360📚 পরিবার
رفتن به کانال در Telegram
1 071
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-730 روز
آرشیو پست ها
উচ্চ মাধ্যমিক ২০২৬ : তৃতীয় সেমিস্টার ২০২৫ এর স্যাম্পেল ও.এম.আর প্রকাশ করল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ
*UGC NET JRF 2025-এ অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক ১ কাটোয়ার গর্ব নিলুফা ইয়াসমিন*
সাফল্যের শিখরে উঠে গোটা কাটোয়া শহরকে গর্বিত করলেন নিলুফা ইয়াসমিন। সর্ব ভারতীয় স্তরের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতা UGC NET JRF 2025 পরীক্ষায় ১০০ পার্সেন্টাইল নম্বর পেয়ে অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক ১ অর্জন করেছেন তিনি। কাটোয়ার পালিটা রোড এলাকার বাসিন্দা নিলুফার এই কৃতিত্বে উৎসবে মেতেছে তার পরিবার, পাড়া, এমনকি গোটা শহর।
এই চূড়ান্ত সাফল্যের পেছনে রয়েছে এক অবিচল মনোযোগ, কঠোর অধ্যবসায় আর অদম্য জেদ। নিলুফা জানিয়েছেন, এর আগেও দু’বার তিনি এই পরীক্ষায় বসেছিলেন, কিন্তু ফল আশানুরূপ হয়নি। অনেকেই হয়তো সেখানেই থেমে যেতেন কিন্তু নিলুফা থামেননি। বরং প্রতিবার ব্যর্থতার পর নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন, নিজের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে এগিয়ে গেছেন।
তিনি বলেন,প্রথম দু’বার ব্যর্থ হই। মন খারাপ হয়েছিল, কিন্তু ভেঙে পড়িনি। জানতাম আমি পারব। এবারের প্রস্তুতিতে ছিল দৃঢ় লক্ষ্য শুধুই পাশ নয়, শীর্ষে পৌঁছানোর।
ফলাফল প্রকাশের দিন
ফল প্রকাশের পর প্রথমে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি নিলুফা। তাঁর অল ইন্ডিয়া র্যাঙ্ক ১ দেখে আনন্দে চোখে জল আসে পরিবারের সদস্যদের। মা-বাবা, শিক্ষক, প্রতিবেশী সবাই উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন। ছোট শহর থেকে উঠে এসে সর্বোচ্চ র্যাংক অর্জন করা যেন স্বপ্নের মতো।
নিলুফা শুরু থেকেই পড়াশোনার প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন। স্কুল জীবন থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী। পরবর্তীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরেও তিনি বরাবরই অসাধারণ ফল করেন। শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার আগ্রহ থেকেই তিনি UGC NET ও JRF-এর প্রস্তুতি শুরু করেন।
ভবিষ্যতের পরিকল্পনা
এই সাফল্যের পর কী পরিকল্পনা? উত্তরে নিলুফা বলেন,দেশের একজন শিক্ষিকা হিসেবে গবেষণায় অবদান রাখতে চাই। উচ্চশিক্ষার জগতে কিছু অর্থবহ কাজ করতে চাই। ভবিষ্যতে পিএইচ.ডি-তে ভর্তি হয়ে গবেষণার মাধ্যমে সমাজে কিছু ফিরিয়ে দেওয়াই এখন লক্ষ্য।
নিলুফার এই কৃতিত্ব কাটোয়ার মতো শহরের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা। প্রমাণ করে দিলেন প্রতিভা,পরিশ্রম ও সাহস থাকলে সীমাবদ্ধতা কোন বাধা হতে পারে না। তাঁর এই সাফল্যে আজ শুধু তাঁর পরিবার নয়, গোটা কাটোয়া গর্ব অনুভব করছে।
নিলুফার গল্প হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য এক উদাহরণ বারবার ব্যর্থ হলেও হাল না ছেড়ে চেষ্টা চালিয়ে গেলে সাফল্য ধরা দিতেই পারে। তাঁর এই অধ্যবসায় ও অর্জন ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।
বাঙালির মেধা আর লড়াইয়ের জয়গাথায় লেখা থাকুক নিলুফা ইয়াসমিনের নাম স্বর্ণাক্ষরে।
🔹2ND SLST ফর্ম ফিলাপের লাস্ট ডেট: আজ (21.07.2025)
যারা বাকি আছেন দ্রুত অ্যাপ্লাই করুন।।
🔥🔥🔥🔥D.El.Ed. Regular 2025-2027 Online Application Date Extended up to 31st July 2025
⭕নতুন নিয়মে ২০২৫ সালের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা যেন এক বিশাল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
নতুন নিয়ম বলছে — অভিজ্ঞ শিক্ষকরা ইন্টারভিউর আগেই ১০ নম্বর এক্সট্রা পেয়ে যাবেন।
অর্থাৎ,
অভিজ্ঞ শিক্ষক = ৬০ + ১০ = ৭০ নম্বর
ফ্রেশ ক্যান্ডিডেট = মাত্র ৬০ নম্বরেই আটকে
প্রশ্ন হচ্ছে, কারা এই ১০ নম্বর পাবে?
✅ ২০১৬ সাল থেকে যারা শিক্ষক হিসেবে কর্মরত
✅ নবোদয় বিদ্যালয়ের টিচার আইডি যুক্ত শিক্ষক
✅ চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক, যাদের ডিআই অফিস রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে
👉 সংখ্যা? গড়ে প্রতি স্কুলে ২ জন ধরলে ৫০,০০০+
এখন যদি PSC মোট পদের ১.৬ গুণ পরীক্ষার্থীকে ইন্টারভিউর জন্য ডাকে (35700×1.6 = 57,000), তাহলে প্রায় পুরোটা জায়গাই অভিজ্ঞদের দখলে চলে যাবে।
ফলাফল —
যে সমস্ত ফ্রেশ ক্যান্ডিডেটরা রক্ত-ঘাম এক করে বছরের পর বছর প্রস্তুতি নিচ্ছে, তারা ইন্টারভিউতেই পৌঁছাতে পারবে না!
এ যেন প্রতিযোগিতার নামে এক ভয়ংকর খেলা,
যেখানে মাঠে নামার আগেই এক পক্ষকে জয়ী ঘোষণা করে দেওয়া হচ্ছে।
এই নিয়ম শুধু বৈষম্য নয়, এটা স্ব প্ন হ ত্যা।
এইভাবে যদি ‘অভিজ্ঞতা’ নামে অন্যায় প্রাধান্য চলে, তাহলে আগামী প্রজন্ম আর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখবে কীভাবে?
পুনর্বিবেচনা হোক এই নিয়মের।
স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সমান সুযোগ চাই —
সব পরীক্ষার্থীর জন্য। ✅
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
