fa
Feedback
রুকইয়াহ শারইয়্যাহ - Ruqyah Support BD

রুকইয়াহ শারইয়্যাহ - Ruqyah Support BD

رفتن به کانال در Telegram

রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডির টেলিগ্রাম চ্যানেল এটি। ------ টেলিগ্রাম বট: t.me/ruqyahbdbot ওয়েবসাইট: ruqyahbd.org সাপোর্ট গ্রুপ: facebook.com/groups/ruqyahbd

نمایش بیشتر
7 106
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+137 روز
+8830 روز
آرشیو پست ها
ঘোষণা আমাদের কোর্সে পেইড ট্র্যাকের রেজিঃ আজকে রাতে ক্লোজ হয়ে যেতে পারে। এগুলো চেক করে কনফার্ম করা ও গুছিয়ে নেয়ার জন্য সময় দরকার। সুতরাং যারা পেইড ট্র্যাকে রেজিঃ করবেন ভাবছেন, ক্লাস শুরুর আগেই করে ফেলেন।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম, "রুকইয়াহ : প্রি থেকে প্রো" শিরোনামে আমরা খুব শীঘ্রই একটি সংক্ষিপ্ত কোর্স শুরু করতে যাচ্ছি। হাতে সময় আছে মাত্র ৫দিন, তাই আগ্রহীরা দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন। 📌 কোর্সে যা থাকছে: * রুকইয়াহ কী, কেন প্রয়োজন, এবং কীভাবে করতে হয়? * জিন, জাদু, বদনজর ও শারীরিক সমস্যায় রুকইয়ার ভূমিকা * নিরাপদে থাকতে ইসলামি দিকনির্দেশনা * রুকইয়াহ ও কবিরাজির মাঝে পার্থক্য, সতর্কতা এগুলো অনেক দীর্ঘ টপিক হলেও একদম সংক্ষেপে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ। এক্সট্রা ক্লাস: যারা রুকইয়াহ নিয়ে কাজ করতে চান, রাক্বি হতে চান বা অন্যদের সহায়তা করতে আগ্রহী—তাদের জন্য থাকবে অতিরিক্ত ক্লাস ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। --- 📌 কোর্স ট্র্যাক: ১. ফ্রি ট্র্যাক: ফ্রিতে রেজিস্ট্রেশনকারীরা নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারবেন। লাইভ ক্লাস মিস করলে পরবর্তী কয়েকদিনের মাঝে রেকর্ড দেখে নিতে পারবেন। ২. পেইড ট্র্যাক (ফি: ১০০ টাকা): অতিরিক্ত ক্লাস (রাক্বি/দাঈ/ভলেন্টিয়ারদের জন্য) কোর্স শেষে কুইজ এবং ২ মাসের এক্সট্রা সাপোর্ট ক্লাস রেকর্ড থাকবে দীর্ঘ সময়ের জন্য সংরক্ষিত --- 📌 কোর্স শিডিউল: সময়: ৮ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার থেকে, প্রতিদিন রাত ৯:১৫তে। ক্লাস চলবে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা, সাথে প্রশ্নোত্তর পর্ব। মোট ক্লাস সংখ্যা: ৩ থেকে ৫টি (সম্ভাব্য) শিডিউলে কোনো পরিবর্তন হলে তা টেলিগ্রাম গ্রুপে এবং ক্লাসে জানিয়ে দেওয়া হবে। --- কোর্স ইনস্ট্রাক্টর: মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (ফাউন্ডার, রুকইয়াহ সাপোর্ট বিডি) নোট: পূর্বে যারা ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসা (IOM)-তে একই শিক্ষকের বিস্তারিত রুকইয়াহ কোর্স শেষ করেছেন, তাদের এনরোল করার প্রয়োজন নেই। --- 📌 রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম: ১. এই লিংকে গিয়ে ফরম পূরণ করুন – https://ruqyahbd.org/rqc325 ২. ফরম সাবমিট করার পর একটি টেলিগ্রাম গ্রুপের লিংক পাবেন—সেখানে জয়েন করুন। ৩. পেইড ট্র্যাকের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পেজে প্রদত্ত নম্বরে Send Money করুন এবং তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করুন। --- ℹ️ অন্যান্য নির্দেশনা: ক্লাস বা টেলিগ্রাম গ্রুপে ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হবে না। নারী-পুরুষ উভয়েই অংশ নিতে পারবেন। আলেম বা মাদরাসাপড়ুয়া হওয়া শর্ত নয়। ক্লাস হবে FCC, Zoom বা টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্মে। মোবাইল ও পিসি—দুটো থেকেই যোগ দেওয়া যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য (রোল, লিংক, নোটস) সংরক্ষণ করে রাখুন, বাহিরে শেয়ার করবেন না। পেইড ট্র্যাক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। -- রেজিস্ট্রেশন অথবা কোর্সের ব্যাপার আরও কিছু জানার থাকলে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে প্রশ্ন করতে পারেন। (অনুগ্রহ করে অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলবেন না)। গ্রুপের লিংক - https://t.me/ruqyahbdorg জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

Ruqyah Comic 1 - how destroy a taweez or magical things.

রুকইয়াহ কমিক ১ জাদুর জিনিস বা তাবিজ কিভাবে নষ্ট করবেন। - (পরীক্ষামূলক রিলিজ।)

ruqyahbd.org (Ruqyah Support BD Homepage) Offline Browser. captured @ 01.May.2025. you can browse the zim file with kiwix software (lite v. included), read more details in readme.txt.

আগস্টে ব্ল্যাকআউটের সময় এটার প্রথম রিলিজ দেয়া হয়েছিল, এখন আপডেট ভার্শন রিলিজ করা হয়েছে। ইদানীং ইন্টারনেট খুব ডিস্টার্ব দিচ্ছে আমাদের দিকে, এজন্য কাজে সুবিধার্থে একটা ব্যাকআপ রাখা ভালো মনে হলো।

ruqyahbd.org (Ruqyah Support BD Homepage) Offline Browser. captured @ 01.May.2025. you can browse the zim file with kiwix software (lite v. included), read more details in readme.txt.

ফেরেশতা হাজির করার আমল? নাকি শয়তান পুঁজা? ------------------ [ক] আল্লাহ তা'আলা শিরকের ব্যাপারে অনেক কঠোর। স্বাভাবিক! একজন মানুষই তো তার ভালোবাসা, তার প্রভাব প্রতিপত্তিতে অন্যের ভাগ বসানো পছন্দ করবে না, আর আল্লাহর সুবহানাহু তা'আলা তো রাজাধিরাজ। আমাদের কল্পনাও যার নাগাল পেতে অক্ষম, কিভাবে সেই রাব্বুল আলামিনের ব্যপারে অংশিদারিত্ব সহ্য করা যায়? “নিশ্চয় শিরক বিরাট বড় জুলুম” [সুরা লুকমান:১২] [খ] শিরকের ক্ষেত্রে এজন্য আল্লাহ তা’আলার শাস্তি অনেক ভয়াবহ। “নিশ্চয় যে আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করে দেন।” [সুরা নিসা:১১৬] আমরা জানি ঈসা আ.কে যখন মানুষেরা কিয়ামত দিবসে আল্লাহর নিকট সুপারিশের জন্য বলবে, তিনি চিন্তাগ্রস্ত থাকবেন। কারণ, মানুষ তার সাথে আল্লাহকে সাজদা করেছিল। মুর্তিপুজারিদের সাথে মুর্তিও জাহান্নামে পুড়ানো হবে মর্মে কোথাও পড়েছিলাম। মোটকথা, আল্লাহ শিরকের ব্যাপারে কোন ছাড় দিবেন না। [গ] আমরা সেদিন একটি তাবিজের পোস্টমর্টেম দেখলাম, যেখানে সুরা ইখালাসের সাথে শিরক মিশিয়ে ভয়াবহতম শিরক করা হয়েছে। আচ্ছা সেসব কবিরাজ বা যাদুকররা “ইয়া জিবরাইল ইয়া মিকাইল” তাবিজ লেখে, তারাও তো শিরক করছে। তাইনা? ফিরিশতাদের সাথে শিরক। নিজে তো করছে, অন্যকেও শিরকি কালাম বিতরণ করছে! মূলতঃ শয়তানকে সন্তষ্ট করার জন্য তাঁরা ফেরেশতাদের নাম নিয়ে আল্লাহর সাথে শিরক করে। কোন এক শয়তানি কবিরাজির বইয়ে সুরা ইখলাসের ওঁই শিরকি এডিশন লিখা ছিল, এরপর কিছু নিয়মকানুন বলা ছিল। এভাবে এভাবে এত হাজার বার লিখবেন পড়বেন এতদিন, এরপর “তিনজন মক্কেল আসবে আপনার খেদমতে!!!” এই তিনজনের মধ্যে একজনের ব্যাপারে লিখেছে – সে বলবে আমার নাম আব্দুর রহমান, "সুরা ইখলাস পাঠ করিয়া আমাকে ডাকিলে" আমি হাজির হইব। আমি আপনাকে “বহুবিধ জ্ঞান ও আশ্চর্য বিদ্যা” শিক্ষা দিব। এরপর তাহারা সিজদা করিতে বলিলে আল্লাহর নামে সিজদা করিবে! এবার আমি ব্যাখ্যা করি শোনেন – “সুরা ইখলাসের সাথে কয়েক হাজার বার জঘন্যভাবে শিরক মিশ্রিত করে বড় শয়তান সন্তুষ্ট করতে পারলে, সে তিনটা চামচা পাঠাবে। এই তিনজনের মধ্যে এক শয়তান এসে যাদু শিখাবে, আর এসব স্যাটানিক রিচ্যুয়াল পালন শেষে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, যখন শয়তানকে সিজদা করতে হবে।” এই কবিরাজদেরকেই মানুষ বিরাট বুজুর্গ মনে করে, তাই না? [ঘ] দেখুন আমাদের প্রভু আল্লাহ তা'আলা কি বলছেন - “যেদিন তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন এবং ফেরেশতাদেরকে বলবেন, এরা কি তোমাদেরই পূজা করত? ফেরেশতারা বলবে, আপনি পবিত্র, আমরা আপনার পক্ষে, তাদের পক্ষে নই, বরং তারা জিনদের পূজা করত। তাদের অধিকাংশই শয়তানে বিশ্বাসী।” [সুরা সাবা:৪০-৪১] #ruqyahbd #ruqyah #ruqyah_in_bangladesh

⚠️যাদুকরের শাস্তি : (মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ হুজুরের বই থেকে উনার অনুমতি নিয়ে এখানে দিলাম) ব্ল্যাক ম্যাজিক ইক্বরা টিভি। সরাসরি ফোনালাপের অনুষ্ঠান চলছে। উপস্থাপনায় আছেন শায়খ আব্দুল্লাহ শাহাদাত। এক মহিলা কল করলো। -আসসালামু আলাইকুম। -ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম। -শায়খ! আমি অনেক বড় গুনাহ করে ফেলেছি। আল্লাহ তা'আলা কি আমাকে ক্ষমা করবেন? -কেনো ক্ষমা করবেন না, অবশ্যই ক্ষমা করবেন। নিশ্চই তিনি অতি ক্ষমাশীল অতি দয়ালু। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, (আপনি বলে দিন, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর বাড়াবাড়ি করেছো! আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ মাফ করে দেন। নিশ্চয় তিনি পরম ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু(যুমারঃ ৫৩)। - কিন্তু আমার গুনাহটা অনেক বড় আর গুরুতর। আল্লাহ কিছুতেই আমাকে ক্ষমা করবেন না। - না বোন! আপনি এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, (নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া আর (সব) পাপ তিনি যাক ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরক করে সে ঘোরতর ভ্রান্তিতে পতিত হয়। (নিসাঃ১১৬) -আমি সাত-সাতবার হজ করেছি। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও কা'বাঘর নিজ চোখে দেখতে পাইনি। শায়খঃ ইয়াল্লাহ! ইয়া রাব! মহিলাঃ আমি হেরেমে প্রবেশ করার পর তাওয়াফ কারীদেরকে দেখি, কিন্তু কা'বাঘর দেখতে পাই না। এমনকি একজন আমার হাত ধরে কা'বা শরী ছুঁইয়েও দেখিয়েছি। আমি হাত দিয়ে কা'বা ধরতে পেরেছি। কিন্তু কা'বা আমার সামনে দৃশ্যমান হয়নি। শায়খঃ তাহলে তো দেখা যাচ্ছে আপনার পাপটা সত্যিই গুরুতর। বলুনতো কি এমন পাপ করেছেন? নিশ্চিত হয়ে বলুন, যাতে আমার বুঝতে সুবিধা নয়। মহিলাঃ আমি অশ্লীল কাজে লিপ্ত ছিলাম। বিয়ের পরও অনেকবার হয়েছে। আমি ঠিক বলতে পারছি না, কোন পাপের কারনে আমার এই অবস্থা হয়েছে। শায়খঃ অসম্ভব! এটা ছাড়াও অন্য কোনো পাপ আছে। শুধু অশ্লীলতার জন্য এমনটা ঘটতে পারে না। আপনি ভেঙে বলুন। আপনি কী করেছেন? মহিলাঃ সত্যি কথা বলতে কি, আমি একজন নার্স। আমার গোপনে সম্পর্ক ছিলো একদল ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোজাদু) চর্চাকারীদের সাথে। তারা নানাভাবে জাদুচর্চা করতো। তারা শবসাধনা করতো। জাদুকরের শিখিয়ে দেয়া নিয়মানুযায়ী, হাসপাতালের হিমাগারে চুরি করে প্রবেশ করতাম। শবগুলো মুখে 'বিশেষ কাজ" করে মুখগুলো সেলাই করে দিতাম। শবগুলোকে এই অবস্থাতেই দাফন করা হতো। এই ন্যাক্কারজনক কাজ অসংখ্যবার করেছি। শায়খঃ এমন কাজ কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাদুবিদ্যা তো শিরক। নিশ্চয়ই শিরক বড় পাপ (লুকমানঃ১৩) দুই সপ্তাহ পরে, ইক্বরা অনুষ্ঠানে একটা ফোন আসলো। -আসসালামু আলাইকুম - ওয়া 'আলাইকুমুস সালাম। - হ্যালো শায়খ! দু' সপ্তাহ আগে একজন মহিলা ফোন করেছিলেন, আমি তার সন্তান। শায়খঃ জি, বাবা! চিনতে পেরেছি। বলো কি খবর। ছেলেঃ শায়খ! আমার আম্মু ইন্তিকাল করেছেন। তার মৃত্যুটা স্বাভাবিকভাবেই হয়েছে। কিন্তু দাফনের সময় এমন একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা কেউ ধারণাও করতে পারি নি এমনটা কখনো ঘটতে পারে। শায়খঃ কী ঘটনা? ছেলেঃ জানাযার পর আমরা কবরস্থানে গেলাম। লাশ কবরে নামাতে গিয়েই বিপত্তি বাঁধলো। আমরা কবরে নামলেই কবরটা সংকুচিত হয়ে আসে। লাশ বের করলে কবরটা আবার ঠিক হয়ে যায়। আবার লাশ নামালে কবরটা সংকুচিত হয়ে যায়। এমনকি আমাদের পক্ষে ভেতরে দাঁড়ানোও অসম্ভবত হয়ে দাড়িয়েছিলো। এ ঘটনা দেখে, সাথে যারা ছিলো ভয়ে পারলিয়ে গেলো। তারা বললো, তোমার মা হয়তো এমন কোনও কাজ করেছে যে, কবর তাকে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। আমি বসে বসে কাঁদতে লাগলাম। এমন সময় দেখলাম একজন বৃদ্ধ লোক আসলে। তার পোশাক ছিলো অত্যন্ত উজ্জ্বল আর শুভ্র। দেখলেই মন ভালো হয়ে যায় এমন একজন মানুষ। তাকে দেখেই আমার মনে হলো, আমার আমনে এজন ফিরিশতা দাঁড়িয়ে আছেন। বিশেষ করে তার সাথে কথা বলে বিশ্বাসটা আরও বদ্ধমূল হলো। তিনি বললেন, তোমার আম্মুকে যেভাবে আছে রেখে চলে যাও। পেছনে ফিরে তাকাবে না। আমি কোনও কথা না বলে চলে আসলাম। কিছুদূর আসার পর আমি আর কৌতূহল দমন করতে পারলাম না। আমার মায়ের কী হলো সেটা না দেখে বাড়ি যেতে মন টানছিলো না। পেছন ফিরে তাকালাম। দেখলাম, আকাশ থেকে প্রকাণ্ড এক অগ্নিগোলক ছুটে আসলো। চোখের নিমিষেই আম্মার লাশটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দিলো। খাটিয়াসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। আগুনের উত্তাপ এত প্রবল ছিল যে, এতদূর থেকেও আমার মুখটা ঝলসে গেল। শুধু দুচোখ অক্ষত রইলো। আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম, আমার চেহারা কেনো ঝলসে গেলো? আল্লাহ কি আমার প্রতি নারাজ? শায়খঃ প্রিয় বৎস! সম্ভবত আল্লাহ তা'আল মায়ের পাপ থেকে তোমাকে পবিত্র করতে চেয়েছেন। তুমি তো তোমার মায়ের হারাম উপার্জনেই বড় হয়েছো। আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর কাছেই ক্ষমা চাও। আল্লাহ আ'আলা তোমার জন্য যা দিয়েছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। [যারা যাদুকর/কবিরাজ/কুফরী হুজুরদের কাছে যান তারা নিজেদের পরিনতি সম্পর্কে সচেতন হোন। তওবা করে ফিরে আসুন। মৃত্যু অতি সন্নিকটে।] Courtesy: Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহ।

টিপসঃ যাদের কুর'আন তিলাওয়াত সহীহ না, তারা আগে কুর'আন তিলাওয়াত সহীহ করে নেন, একটা খেজুরের বিনিময়ে হলেও তিলাওয়াত সহীহ করে নেন। তিলাওয়াত সহীহ না করে রুকইয়া করতেছেন অডিও শুনে শুনে, আর ওদিকে আপনার ফরজ নামাজ গুলা একের পর এক বরবাদ হয়ে যাচ্ছে জাস্ট এই কারণে যে আপনার তিলাওয়াত সহীহ না। এতে আপনি রুকইয়া করে কতটুকু ফায়দা হাসিল করতে পারবেন তার জবাব আপনার কাছেই ছেড়ে দিলাম। - Raziuddin Ahmed

কিছুদিন পূর্বে গত হওয়া কালীপূজার পর থেকে অনেকের জিন-জাদুর সমস্যা বেড়েছে। আপনাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে - এটা সকালে ১০০ বার পড়
কিছুদিন পূর্বে গত হওয়া কালীপূজার পর থেকে অনেকের জিন-জাদুর সমস্যা বেড়েছে। আপনাদের জন্য পরামর্শ হচ্ছে - এটা সকালে ১০০ বার পড়বেন হেফাজতের আমল হিসেবে। বিকেলে বা সন্ধ্যায় ১০০ বার পড়বেন রুকইয়াহ হিসেবে। --- * অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। ** যদি ১০০ বারের বেশি পড়তে পারেন তাহলে আরো বেশি ভালো। *** অন্যরা প্রতিদিনের নিরাপত্তার আমল হিসেবে সকাল সন্ধ্যায় ১০ বার করে পড়তে পারেন। - আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

লিখেছেনঃ আহমাদ রবিন ভাই। . [ আমার অজ্ঞতা প্রসূত কিছু ধারনা, জীবনের কিছু অভিজ্ঞতার সমষ্টি এই পোস্ট। কাজেই কোনো রেফারেন্স হবে না। যারা রেফারেন্স ছাড়া কিছু গ্রহণ করেন না, তারা এখানেই ক্ষান্ত দিতে পারেন। ] . অনেকদিন ধরে কোনো আমল ......... পড়ুন বিস্তারিত - ক্লিক

শেষকথা, ওয়াসওয়াসা রোগীর করণীয় কী? * এই চিন্তাগুলোকে কোনো গুরুত্ব না দিয়ে শয়তানের ক্ষতি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা এবং দোয়া পড়া। * নিজেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত রাখা, যেন চিন্তা করার সময় না থাকে। * আশেপাশের মানুষের সাহায্য নেওয়া। * জীবনে যতটা সম্ভব নমনীয়তা আনা। * যদি কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা কাজ এই রোগের কারণ হয়ে থাকে, তবে তা পরিবর্তন করার চেষ্টা করা। * মানসিক চাপ কমানোর জন্য শান্ত থাকার চেষ্টা করা। * আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখা, তিনিই একমাত্র আরোগ্যদানকারী। আল্লাহ্‌ যেন সব রোগীদের আরোগ্য দান করেন এবং তাদের কষ্টের বদলায় সওয়াবের ব্যবস্থা করেন। আমিন। > অনূদিত ও পরিমার্জিত। মূল: শায়খ হাসান মুহাম্মাদ ইলিয়াস, ইয়েমেন।

# ওয়াসওয়াসা রোগ বা ওসিডির চিকিৎসা পদ্ধতি প্রথমেই প্রশ্ন ওঠে, এই রোগের কি কোনো কার্যকরী চিকিৎসা আছে? নাকি রোগীকে সারাজীবন এই কষ্ট নিয়ে থাকতে হবে? সময়ের সাথে রোগ আরও খারাপ হয় নাকি উন্নতি সম্ভব? ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত কেউ কি কখনো মানসিক ভারসাম্য হারাতে পারে? আরো নির্দিষ্ট করে বললে, এই রোগ কি তাকে মানসিক রোগীতে পরিণত করে দিতে পারে? এই সব প্রশ্নই রোগীদের মনের আকুতি থেকে বের হয়। তবে যাদের ঈমান ও ইয়াক্বিন মজবুত তারা নিশ্চিতভাবেই জানেন যে, প্রতিটি রোগের কোনো না কোনো প্রতিকার আছে, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিকার হল ঈমান। এরপরে আসে আল্লাহর দানকৃত জ্ঞান, যার মাধ্যমে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। এতে কিছু রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন, যদিও একদম নিখুঁত সুস্থ জীবন এমনিতেও কারো জন্য থাকে না, সবারই কিছু না কিছু রোগব্যধি থাকে। একইভাবে, একদম দুঃখহীন জীবনও কেউ পায় না। # চিকিৎসার ধরণ: চিকিৎসার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে, যার মধ্যে প্রধানগুলি হলো: ১. ধর্মীয় চিকিৎসা: কুরআন, হাদিস এবং বৈধ জিকিরের মাধ্যমে চিকিৎসা OCD এর প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকরী এবং সঠিক পদ্ধতিগুলোর একটি হিসাবে গণ্য হয়। ইবনে আব্বাস রা. বর্ণিত হাদিসে আছে, এক ব্যক্তি নবী সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি নিজের মধ্যে কিছু চিন্তা করি যা থেকে আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া আমার কাছে প্রিয়।” তখন নবীজি ﷺ বললেন: “আল্লাহ্‌ সবচেয়ে মহান, যিনি এই চক্রান্তকে শুধুমাত্র কুমন্ত্রণা পর্যন্ত সীমিত রেখেছেন।” (আহমাদ ১/২৩৫) আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত আছে, নবী ﷺ বলেছেন: “শয়তান তোমাদের মনে মধ্যে প্রশ্ন তৈরি করবে, এটা কে সৃষ্টি করেছে, ওটা কে সৃষ্টি করেছে? এক পর্যায়ে সে বলবে, তোমার প্রভুকে কে সৃষ্টি করেছে? এমন অবস্থায় আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও (আউযুবিল্লাহ... পড়ো) এবং থেমে যাও।” (বুখারি ৩২৭৬) আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ রা. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী ﷺ-এর কাছে অভিযোগ করলেন যে তিনি প্রায়ই নামাজে দাড়া (ওযু ভেঙ্গে যাওয়ার মত) কিছু অনুভব করেন। নবীজি ﷺ বললেন, “যতক্ষণ না শব্দ শোনেন বা গন্ধ পান ততক্ষণ নামাজ ছাড়বেন না।” (নাসায়ি ৩৬) এ থেকে বোঝা যায় যে, রোগীরা নিয়মিত কুরআন-হাদিস তিলাওয়াত করবে, সকাল-সন্ধ্যার দোয়া নিয়মিত পাঠ করবে এবং শয়তানকে (পাত্তা না দিয়ে) এই অসুস্থ চিন্তাগুলো মাথাচাড়া দিতে দিবেন না, তাহলে তারা মানসিক শান্তি লাভ করতে পারবেন। সংযুক্তি: ওয়াসওয়াসা রোগের কয়েকটি প্রকারকেই ডাক্তাররা OCD (অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার) বলে থাকেন। এটার রুকইয়াহ নিয়ে আমাদের বেশ কিছু প্রবন্ধ আছে, কমেন্টে লিংক দেয়া থাকবে, দেখতে পারেন। ২. মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা: * সহায়ক চিকিৎসা: রোগীকে সহানুভূতি ও উৎসাহ প্রদান করা, যেন সে বোঝে কেউ তার সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে এবং তাকে সাহস ও আশ্বাস দিচ্ছে। * মনোবিশ্লেষণ: OCD-তে মনোবিশ্লেষণ একটি সাধারণ পদ্ধতি, যেখানে রোগীর উপসর্গের প্রতীকী অর্থ খোঁজা হয়। এটি আসলে অতিরিক্ত আত্মনিয়ন্ত্রণের কারণে সৃষ্ট হয় এবং রোগী বিভিন্ন গাইডেড পদ্ধতির মাধ্যমে এই এনজাইটি মোকাবিলা করতে চেষ্টা করেন। ৩. আচরণগত চিকিৎসা (CBT): * এক্সপোজার ও রেসপন্স প্রিভেনশন (ইআরপি): যেমন, ময়লা বা দূষণ নিয়ে অতিরিক্ত ভয় থাকলে রোগীকে এমন পরিবেশে রাখা হয় যেখানে সে ময়লার সংস্পর্শে আসে, কিন্তু হাত ধোয়ার অনুমতি দেয়া হয় না। * মডেলিং বা অনুকরণ: ওয়াসওয়াসার জন্য রোগী যা করতে ভয় পায়, চিকিৎসক এমন কিছু কাজ করেন, যাতে রোগী তার আচরণ অনুকরণ করে ভয় কাটাতে পারে। ৪. ওষুধ: * ট্র্যাঙ্কুইলাইজার বা মৃদু সেডেটিভস: সংকটজনক অবস্থায় রোগীকে শান্ত রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। * অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস: যদি রোগীর মধ্যে হতাশাজনিত লক্ষণ থাকে তবে এটি ব্যবহৃত হয়। ৫. সার্জিক্যাল চিকিৎসা: – OCD এর গুরুতর এবং বিরল ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা ব্যবহার করা হয়। মস্তিষ্কের সামনের অংশ ও থ্যালামাসের মধ্যে স্নায়ুতন্তু কেটে দেয়া হয়। এই সার্জারি শুধুমাত্র তখনই প্রয়োগ করা হয় যখন: * রোগীর দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলেছে এবং কোনো উন্নতি হয়নি। * রোগী সমাজের সাথে মানিয়ে নিতে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে অপারগ। * নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে রোগটি পারিবারিক ইতিহাসের অংশ, অর্থাৎ বংশগত। তবে এই অপারেশন OCD সম্পূর্ণ নির্মূল করে না, তবে রোগীর মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মাত্রা কমিয়ে দেয়।

চুল পড়ার সমস্যা আমাদের সবারই কম বেশি আছে। কিছু ক্ষেত্রে এটা একান্ত শারীরিক সমস্যা; কিছু ক্ষেত্রে রুকাইয়াহ সংক্রান্ত। চুল পড়ার সমস্যার উভয় দিক নিয়ে বিস্তারিত জানতে এ লেখাটা ঝটপট পড়ে ফেলুন ইন শা আল্লাহ: https://ruqyahbd.org/blog/1004/hairfall

✅জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, জুমার দিনে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর ক‍াছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাস করো। (আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস : ১৩৮৯) ✅আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—  জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সেই সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসুল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০) ✅আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আছরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আছরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (যাদুল মাআ’দ : ২/৩৯৪) ✅শুক্রবারের দুআ কবুলের উত্তম সময়টি কাজে লাগাব, এ সময়ে নিজের সমস্যা গুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরব ইন শা আল্লাহ।

আলহামদুলিল্লাহ, রুকইয়াহ প্লেয়ার অ্যাপে খুবই উপকারী কিছু বিষয় আপডেট হয়েছে। এন্ড্রয়েড এবং আইফোন ইউজাররা চাইলে এখন আপডেট করে নিত
আলহামদুলিল্লাহ, রুকইয়াহ প্লেয়ার অ্যাপে খুবই উপকারী কিছু বিষয় আপডেট হয়েছে। এন্ড্রয়েড এবং আইফোন ইউজাররা চাইলে এখন আপডেট করে নিতে পারেন। যদি নতুন ভার্সনে সমস্যা ফেস করেন, তাহলে সম্পূর্ণ আনইন্সটল করে এরপর ইন্সটল দিলে ভালো হবে। এছাড়া মাসনুন আমল অ্যাপেও ছোটখাটো কিছু বিষয় আপডেট হয়েছে। -- Ruqyah player app v4.0 changelog: ১. আইফোনে অফলাইন সেভ করার অপশন যুক্ত হয়েছে। ২. এন্ড্রয়েডে এখন প্লেলিস্ট থেকেও অফলাইনে প্লে হচ্ছে। একসাথে পুরো প্লেলিস্ট ডাউনলোড করা যাচ্ছে। ৩. Playlist management ইম্প্রুভ হয়েছে। প্লেলিস্টে অডিও যোগ-বিয়োগ-ডাউনলোড করা এখন আরও সহজ হয়েছে। ৪. প্লেলিস্ট এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট অপশন এসেছে। আপনি লিস্ট বানিয়ে কাউকে সেন্ড করলে সে ইম্পোর্ট করে অডিওগুলো শুনতে পারবে। ৫. কিছু সমস্যার জন্য রেডিও প্লেয়ার সেকশন সাময়িকভাবে রিমুভ করা হয়েছে। ৬. এছাড়া আরও কিছু বাগ ফিক্স করা হয়েছে। অ্যাপ আরও স্ট্যাবল হয়েছে। --- আল্লাহ যেন এপের ডেভেলপার ভাইসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উত্তম জাযা দান করেন। আমিন। - Abdullah Almahmud এপ লিংক: (এন্ড্রয়েড) https://play.google.com/store/apps/details?id=org.ruqyahbd.player https://play.google.com/store/apps/dev?id=7191007666363670758 অন্য প্লাটফর্ম ও অন্য এপ: আমাদের সবগুলো অ্যাপ দেখুন - https://ruqyahbd.org/apps থেকে।

⭐️রাতের জন্য কিছু আমল: ঘুমের আগের আমল ক. ওযু করে ঘুমানো, তাহলে ফিরিশতারা হিফাজতের জন্য দুয়া করতে থাকে। ডান কাত হয়ে ঘুমানো। এমনিতেও সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা সুন্নাত। (আল-মু’জামুল আওসাত) খ. শোয়ার পূর্বে কোন কাপড় বা ঝাড়ু দিয়ে বিছানা ঝেড়ে নেয়া। (মুসলিম) গ. আয়াতুল কুরসি পড়া। (বুখারী) সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া। (বুখারী) ঘ. সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফু দেয়া, এরপর পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নেয়া। (বুখারী) ✅একটি দুআ: ঘুমের মাঝে ভয় পেলে বা অন্যসময় খারাপ অনুভূতি হলে পড়া: (রাতে ভয় পান যারা তারা ঘুমের আগে দশবার পড়ে নিবেন ইন শা আল্লাহ, সাথে বাচ্চাদেরও পড়ে দিবেন) أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وشَرّ عِبَادِهِ ، ومِنْ هَمَزَاتِ الشّيَاطِينِ وأَنْ يَحْضُرُونِ আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন্ গাদ্বাবিহি ওয়া ইক্বা-বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা-দিহি ওয়ামিন হামাযা-তিশ্শায়া-ত্বীনি ওয়া আন ইয়াহ্দুরূন। 🔗সব মাসনূন আমল: https://ruqyahbd.org/blog/387/protection-from-evils-magic-jinn

বাতের ব্যথা আর হাড়ক্ষয় রোগ এখন ঘরে ঘরে। অথচ এসবের চিকিৎসায় আয়াতুল ইযাম খুবই উপকারী। আয়াতুল ইযাম মানে কোরআনুল কারিমের যেসব আয়া
বাতের ব্যথা আর হাড়ক্ষয় রোগ এখন ঘরে ঘরে। অথচ এসবের চিকিৎসায় আয়াতুল ইযাম খুবই উপকারী। আয়াতুল ইযাম মানে কোরআনুল কারিমের যেসব আয়াতে "عظام" (অর্থাৎ হাড়) শব্দটি এসেছে, সেই আয়াতগুলো। আমরা এরকম অনেকগুলো আয়াত একত্র করে একটা পিডিএফ বানিয়েছি। (ভবিষ্যতে কখনো হ্যান্ডবুক প্রকাশ হলে সেখানে ছাপার অক্ষরেও পাবেন ইনশাআল্লাহ)। প্রতিদিন এসব আয়াত তিলাওয়াত করার পর হাতে ফুঁ দিয়ে আপনার সমস্যার যায়গাগুলোতে হালকাভাবে হাত বুলিয়ে নিন। কারও জন্য প্রতিদিন পড়া খুব কষ্টকর হলে এসব পড়ার পর অলিভ অয়েলে ফুঁক দিয়ে রাখুন, নিজে পড়ুন কিংবা শুদ্ধভাবে কোরআন পড়তে পারে কারও থেকে পড়ে নিন। বেশি ব্যাথা করলে এর সাথে ব্যাথার দোয়াটাও পড়ে ফেলতে পারেন। (ব্যাথার দোয়া হিসনুল মুসলিম বা আমাদের ওয়েবসাইটে পাবেন।) পড়ুন এবং মাঝেমধ্যে ফুঁ দিন। যাহোক, তেল পড়া হয়ে গেলে প্রতি রাতে এই তেলটা সমস্যার যায়গায় মালিশ করুন। ইনশাআল্লাহ কয়েকদিনের মাঝেই উপকার বুঝতে পারবেন। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া অব্দি প্রতিদিন তেলটা ব্যবহার করতে থাকুন। অন্তত দেড়-দুই মাস তো করুন! আমি বেশ কয়েকজন মুরব্বির অভিজ্ঞতা জেনেছি, এই আয়াতগুলো পড়ে তেল ব্যবহার করার পর তারা বেশ ভালো আছেন। অনেকের এতটা উন্নতি হয়েছে যে, হাড়ক্ষয়ের জন্য এখন আর কোনো প্রকার ঔষধ খাওয়ারই প্রয়োজন হয় না। আলহামদুলিল্লাহ। আপনাদের অভিজ্ঞতা জানাতে ভুলবেন না। ------ 🔗আয়াতুল ইযাম পিডিএফ ডাউনলোড- https://ruqyahbd.org/ayat (নিচের দিকে পাবেন)