Dawah Official
رفتن به کانال در Telegram
نمایش بیشتر
کشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
272
مشترکین
-124 ساعت
+47 روز
+1330 روز
آرشیو پست ها
সবুজ খামে সফেদ দুরুদ 'সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 💚"
ফটোগ্রাফি কোর্সে ভর্তি চলছে... ইতিমধ্যে ৩০ জন বোন যুক্ত হয়েছেন মাশা আল্লাহ 🤍
বিস্তারিত এখানে
@dawaahofficial
শাইখুল হাদীস হযরত যাকারিয়া (রহ.) বলতেন, এক ব্যক্তির মৃ*ত্যুর সময় লোকেরা তাকে কালিমার তালকীন করতে লাগল। সে উত্তর দিল, (কালিমা পাঠের সময়) আমার জিহ্বা নড়ছে না। জিজ্ঞাসা করা হলো, কী কারণে এমন হচ্ছে? সে বলল, এক মহিলা আমার কাছে তোয়ালে ক্রয়ের জন্য এসেছিল। আমার তাকে ভালো লেগে গিয়েছিল। তাই লালসার দৃষ্টিতে তাকে দেখেছিলাম।
[বই : এখন যৌবন যার, পৃ. ৬৮]
গ্রীষ্মকালের আনন্দের বিষয় এই যে রাব্বুল আলামীনের অশেষ নিয়ামাহ আমরা গ্রহণ করে থাকি যার একটি হলো "ফল"। কারও পছন্দের কারও বা অপন্দের। সে যাই হোক,কাঁঠাল (Jack fruit), যার বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus, একটি গ্রীষ্মকালীয় ফল হওয়ায় শীতকালীন দেশগুলোয় এটা হয়না। কাঁঠালের সুমিষ্ট স্বাদ খেতে দারুণ লাগে। শুধু কোষ, কিংবা মুড়ি সহযগে মেখা খেতে খুব মজা। অনেকে ছাতুতে মিশিয়েই খেয়ে থাকেন, অনেক অঞ্চলের মানুষ তৈরি করেন কাঁঠালের নিরামিষ। দারুণ বটে।
এই ছবিতে ব্যবহৃত উপকরণ গুলো :
১) মুড়ি
২) কাঁঠাল
৩) মাটির পাত্র
৪) ফুলসহ ডালা
৫) চাটাই
৬) একটা ডাল
আর রয়েছে এডিটিং এপ্সের কামাল। তবে ফটোগ্রাফি কোর্সেরর মেন্টর সারা আপু কিন্তু শুধু কাঁঠালের ছবি তোলা নিয়ে আলোচনা করবেন না। থাকছে বিশেষ কিছু, টেকনিক, টিপস ও ট্রিক্স। তো ভর্তি ক্লোজ হয়ে যাবে শীঘ্রই, আসন নিশ্চিত করেছেন তো? বিস্তারিত
#dawaah
মোবাইল ফটোগ্রাফি ওয়ার্কশপে ভর্তি চলছে!
নিচের ছবিটি মেন্টর বোনের তোলা। আলহামদুলিল্লাহ ইতিমধ্যে অনেকেই ভর্তি হয়েছে গিয়েছেন,বিভিন্ন টিপস ট্রিক্স শেখায় আপনি দেরী করছেন কেন?
@dawaahofficial
আর তাদের মধ্যে এমন কতক রয়েছে, যারা তোমার প্রতি মনোযোগ দিয়ে শুনে। অবশেষে যখন তারা তোমার কাছ থেকে বের হয়ে যায় তখন তারা যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদের উদ্দেশ্যে বলে, ‘এই মাত্র সে কী বলল?’ এরাই তারা, যাদের অন্তরসমূহে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেছে।
@dawaahofficial
নাজিয়া সামন্ত ড্রামস বাজায়, হিজাব পরে। ২০২৫ সালে হজ করে এসেছে। এখন বলে, আত্মসম্মান বজায় রেখেই ড্রামস বাজাচ্ছি। শুনতে ভালো লাগে। গল্পটাও বিক্রি হয়। পাবলিসিয়ান শর্ট স্টোরিজ ক্যাপশন দেয়, মানুষ শেয়ার দেয়, কমেন্টে তর্ক হয়।
কিন্তু একটু দাঁড়ান। ড্রামস নিয়ে আমার কোনো চুলকানি নাই। যে যার শখ পূরণ করবে, ইসলামের নাম বাদ দিয়ে সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সমস্যাটা হলো যখন দুটো সাংঘর্ষিক জিনিস মিলিয়ে একটা যুগলবন্দী বানানো হয়, আর সেটাকে ট্যাবু ভাঙার গল্প বলে চালানো হয়।
প্রথম কথা, হিজাব পরলেই সব জায়েজ হয়ে যায় না। নামাজ পড়ি বলে মিথ্যা বলা হালাল হয় না। রোজা রাখি বলে সুদ খাওয়া বৈধ হয় না। একইভাবে হিজাব একটা ইবাদত। আর বাদ্যযন্ত্র নিয়ে ইসলামে যে সতর্কতা আছে, সেটা আরেকটা বিধান। একটা মানছি বলে আরেকটা নিজের মতো ব্যাখ্যা করে নেব, এই লজিক কোথা থেকে আসে? আমি যদি এক হাতে কুরআন ধরে অন্য হাতে শরিয়তে আপত্তি আছে এমন কাজ করি, তাহলে কুরআন আমার কাজকে বৈধতা দেবে না। বরং আমার কাজই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
দ্বিতীয় কথা, আত্মসম্মানের সংজ্ঞা কে ঠিক করবে? আমি না আল্লাহ? আপনি বলছেন হজ করে এসে আত্মসম্মান বজায় রেখে ড্রামস বাজাচ্ছি! ভালো। কিন্তু ইসলামে সম্মানের মাপকাঠি হলো তাকওয়া। বাদ্যযন্ত্র নিয়ে অধিকাংশ স্কলারের যে মত, সেটাকে পাশ কাটিয়ে নিজের মতো সম্মানের সংজ্ঞা বানালে সেটা আর ধর্মীয় সম্মান থাকে না, সেটা হয় ব্যক্তিগত সুবিধার সম্মান।
তৃতীয় কথা, সবচেয়ে বড় মশলাটা হলো ভাইরাল হতে চাইনি কথাটা। আপনি ভাইরাল হতে চাননি অথচ আপনি ঠিক সেই কম্বিনেশনটাই বেছে নিয়েছেন যেটা ভাইরাল হয়। হিজাব আলাদা করলে কেউ তাকায় না। ড্রামস আলাদা করলে কেউ তাকায় না। কিন্তু হিজাবি ড্রামার ট্যাগটা ইউনিক। এটা সেল হয়। হজ থেকে ফিরে কথাটা না জুড়লে নিউজ হতো না। আত্মসম্মান বজায় রেখে শব্দটা না বললে ক্যাপশন ক্লিকবেট হতো না।
এটা এখন একটা ফর্মুলা হয়ে গেছে। ধর্মের একটা শক্ত সিম্বল নাও। হিজাব, দাড়ি, হজ, টুপি। এর সাথে সমাজে বিতর্ক আছে এমন একটা জিনিস মেশাও। মিউজিক, নাচ, মডেলিং। তারপর বলো দেখেন আমি কত ব্যালেন্সড। ব্যস, মানুষ দুই ভাগ হয়ে যাবে। একদল বাহবা দেবে, আরেকদল গালি দেবে। আর মাঝখান দিয়ে আপনার রিচ বাড়বে, ফলোয়ার বাড়বে, ইন্টারভিউ আসবে।
এখানে ধর্মটা আর ইবাদত নাই। ধর্মটা হয়ে গেছে টুলস, মার্কেটিং টুলস। আপনার আইডেন্টিটির হুক। হিজাব না পরে ড্রামস বাজালে নাজিয়া সামন্তকে কেউ চিনত না। কারণ হিজাব ছাড়া
c
ড্রাম বাজানো হারাম। প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের জন্য সেটা আরও বড় হারাম। হিজাব পরে ড্রাম বাজানোটা দীনের সঙ্গে মস্করাও বটে। একটা কমন বয়ান সবাই শিখে গেছে। হিজাব বা পর্দা করেও সব করা যায়। পর্দা নারী উন্নতির পথে বাধা না। ফলে সবাই এখন পর্দা করেও একলা একলা ব্যবসা করছে। মাহরাম পুরুষ ছাড়া দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে। কতকিছু করছে। এগুলো পাপ।
এগুলা দ্বীনের অবমাননা করার শামিল এগুলার কারণে দ্বীন থেকে ও বের হয়ে মুর্তাদ হয়ে যায়
ইসলামের বিধিবিধান নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করার ভয়াবহতা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন,
قُلْ أَبِاللَّـهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ - لَا تَعْتَذِرُوا قَدْ كَفَرْتُم بَعْدَ إِيمَانِكُمْ ۚ
“আপনি বলুন, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তার আয়াত (নিদর্শন ও বিধিবিধান) এর সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে হাসি-ঠাট্টা করছিলে? ওজর পেশ করো না, নিশ্চিতভাবে তোমরা যে কাফের হয়ে গেছো ঈমান আনার পর।” [সূরা তওবা: ৬৫-৬৬]
আল্লাহ আমাদের দ্বীনের সঠিক বুঝ দিন সাহাবিদের মত আমিন।
© (লেখকের নামটা জানা থাকলে জানাবেন ইন শ আল্লাহ)
উসামা ইবনু শারীক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
বেদুইন আরবরা একবার বলল, হে আল্লাহর রাসূল ! আমরা কি চিকিৎসা করব না? তিনি বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা চিকিৎসা কর। আল্লাহ তা‘আলা এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার কোনো প্রতিষেধক তিনি রাখেননি। কিন্তু একটি রোগের কোন প্রতিষেধক নেই। সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল ! সে রোগটি কি? তিনি বললেনঃ বার্ধক্য।
জামে আত-তিরমিযী, হাদীস ২০৩৮ (আহমাদ শাকের তাহকীককৃত) ২০৪৫
(ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ)
@dawaahofficial
কুরবানী ফটোগ্রাফি ২য় বিজয়ীর হাদিয়া পাঠানো হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ 💙 ১ম বিজয়ীর উপহার কুরিয়ার করে হবে ইন শ আল্লাহ।
@dawaahofficial
+4
ফ্রি ফটোগ্রাফি কোর্স চলমান জানেন তো?
আপনাদের মেন্টর বোনের ফটোগ্রাফি এগুলা,
ক্লাস শুরু হয়ে গেলে ভর্তি হতে না পেরে কান্নাকাটি করবেন না প্লিজ! কোর্স সম্পর্কে বিস্তারিত এখানে
@dawaahofficial
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন)
হাদিস নম্বরঃ ৪৮
ইবরাহীম তায়মীয়ূ (রহ.) বলেনঃ আমার ‘আমলের সাথে যখন আমার কথা তুলনা করি, তখন আশঙ্কা হয়, আমি না মিথ্যাবাদী হই। ইবনু আবূ মুলায়কাহ (রহ.) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এমন ত্রিশজন সাহাবীকে পেয়েছি, যাঁরা সকলেই নিজেদের সম্পর্কে নিফাকের ভয় করতেন। তাঁরা কেউ এ কথা বলতেন না যে, তিনি জিবরীল (আ) ও মীকাঈল (আ)-এর তুল্য ঈমানের অধিকারী। হাসান (বসরী) (রহ.) হতে বর্ণিত। নিফাকের ভয় মু’মিনই করে থাকে। আর কেবল মুনাফিকই তা থেকে নিশ্চিত থাকে। তওবা না করে পরস্পর লড়াই করা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে সতর্ক থাকা। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেনঃ ‘‘এবং তারা (মুত্তাকীরা) যা করে ফেলে, জেনে শুনে তার পুনরাবৃত্তি করে না।’’ (সূরাহ্ আলে ‘ইমরান ৩/১৩৫)
Courtesy @dawaahofficial
اکنون در دسترس! پژوهش تلگرام ۲۰۲۵ — مهمترین بینشهای سال 
