fa
Feedback
Mohammad Abid Azam

Mohammad Abid Azam

رفتن به کانال در Telegram

লোক || ডায়েরি || অতিসাধারণ .

نمایش بیشتر
کشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
656
مشترکین
+224 ساعت
+167 روز
+14530 روز
آرشیو پست ها
Repost from N/a
চারটি বিষয় মাথায় রেখে দুরুদ পড়ুন, আপনার দুরুদের প্রতি আকর্ষণ বাড়তেই থাকবে ইনশাআল্লাহ্! ১। আপনি যখনি রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর দুরুদ পড়েন, সাথে সাথে একজন ফেরেশতা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে গিয়ে আপনার নাম বলে। হ্যাঁ, স্বয়ং রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে আপনার "নাম" বলে। ২। রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি একবার সালাম পাঠালে, স্বয়ং আল্লাহ, হ্যাঁ স্বয়ং আল্লাহ, আপনার উপর ১০ বার সালাম পাঠান। ৩। অবিরত দুরুদ পড়লে আপনার সমস্ত সমস্যার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ নিয়ে নেন। এমনকি যদি আপনি ঐসব সমস্যার জন্য আলাদা করে দুআ না ও করেন। ৪। আপনি তার প্রতি সালাম পাঠাচ্ছেন, যিনি শুধুমাত্র আপনাকে আমাকে জা*হান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য বারবার র*ক্তাত্ত হয়েছিলেন। যার সামনে তার প্রিয় সাহাবীদের (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) পি*টিয়ে হ*ত্যা করা হয়েছিল। সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লেখা : সংগৃহীত ©IOM Ruqyah Consultancy

Yemen 🇾🇪
Yemen 🇾🇪

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ভারতীয় চ্যানেল এনডিটিভিকে নিশ্চিত করেছেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর আলোচনায় ডা. জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠানো নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। আল্লাহ ওনাকে হেফাজত রাখুন।

Dal lake, Srinagar, Kashmir
Dal lake, Srinagar, Kashmir

একটা সুন্দর ভিডিও সামনে চলে আসলো। বৃদ্ধ মা যুবক ছেলেকে গালে ঠাস ঠাস করে দুটো চড় মারলেন। ছেলে রাগান্বিত হলোনা, চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে আসলো আর যুবক তিলাওয়াত করতে লাগলো — وَاعْبُدُوا اللهَ وَلَا تُشْرِكُوْا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا আর তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না। তোমরা পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। (সূরা নিসা; আয়াত ৩৬) ছেলের তিলাওয়াত শুনে বৃদ্ধা আনন্দে কান্না করে দিলেন আর ছেলেকে জড়িয়ে ধরলেন।

আল্লাহ নেকিতে পরিবর্তন করবেন - জামশেদ মজুমদার

𝗠𝗲𝗺𝗯𝗲𝗿𝘀 𝗼𝗳 𝘁𝗵𝗲 𝗦𝘆𝗿𝗶𝗮𝗻 𝗦𝗲𝗰𝘂𝗿𝗶𝘁𝘆 𝗙𝗼𝗿𝗰𝗲𝘀 𝗮𝘁𝘁𝗲𝗻𝗱𝗲𝗱 𝗮 𝗹𝗲𝘀𝘀𝗼𝗻 𝗼𝗻 𝗜𝗺𝗮𝗺 𝗮𝗹-𝗡�
𝗠𝗲𝗺𝗯𝗲𝗿𝘀 𝗼𝗳 𝘁𝗵𝗲 𝗦𝘆𝗿𝗶𝗮𝗻 𝗦𝗲𝗰𝘂𝗿𝗶𝘁𝘆 𝗙𝗼𝗿𝗰𝗲𝘀 𝗮𝘁𝘁𝗲𝗻𝗱𝗲𝗱 𝗮 𝗹𝗲𝘀𝘀𝗼𝗻 𝗼𝗻 𝗜𝗺𝗮𝗺 𝗮𝗹-𝗡𝗮𝘄𝗮𝘄𝗶’𝘀 𝗙𝗼𝗿𝘁𝘆 𝗛𝗮𝗱𝗶𝘁𝗵.

যে ব্যক্তি বিদ্যমান আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার মাথায় লেখা 'কাফ' 'ফা' 'র' (কাফের) বুঝতে সক্ষম নয়, বিশ্বাস করুন, সে দাজ্জালের মাথায় লেখা কাফের শব্দটিও চিনতে পারবে না। - ড. মুহাম্মদ রশিদ আরশাদ এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, দর্শন বিভাগ, পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি, লাহোর

When Adam felt lonely, Allah created Eve for him, not four women or a group of friends. One woman is enough for a man when she is his Eve, and he is her Adam. Because when you find the right one, you don’t need many. You just need one who feels like home. — Hasibul Azim

ছবিটা সুন্দর, লেখাটা আপাতত ইগনোর। আলিফ ভাইয়ের জন্য খারাপ লাগে, তার খুনীরা বিচারের সম্মুখীন হবে কিনা কে জানে! হবেনা হয়তো। ভাই
ছবিটা সুন্দর, লেখাটা আপাতত ইগনোর। আলিফ ভাইয়ের জন্য খারাপ লাগে, তার খুনীরা বিচারের সম্মুখীন হবে কিনা কে জানে! হবেনা হয়তো। ভাইয়ের ছোট একটা বাচ্চা মেয়ে ছিল, এতীম হয়ে রইলো। আমার এখনো ভাইয়ের রক্তাক্ত মাথাটা মনে আছে।

ইমাম মুসলিম ছিলেন ইমাম বুখারীর ছাত্র, ইমাম বুখারী ছিলেন ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের ছাত্র, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল ছিলেন ইমাম শাফীঈ'র ছাত্র, ইমাম শাফীঈ ছিলেন ইমাম শায়বানীর ছাত্র, ইমাম শায়আনী ছিলেন ইমাম আবু হানিফার ছাত্র, ইমাম আবু হানিফা ছিলেন ইমাম ইমাম হাম্মাদের ছাত্র, ইমাম হাম্মাদ ছিলেন ইমাম ইব্রাহীম নাখাঈ'র ছাত্র, ইমাম ইব্রাহীম নাখাঈ ছিলেন তাবেঈ আলকামা ইবনে কায়েসের ছাত্র, তাবেঈ আলকামা ছিলেন সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের ছাত্র, সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বিশিষ্ট সাহাবী। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বাল্যকাল থেকে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর খিদমতে ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে কুরআনুল কারীমের শ্রেষ্ঠ তাফসিরকারক হয়ে উঠেন। তিনি সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মুখ থেকে ৭০টিরও বেশি সূরা শিখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ ওনার সুন্দর কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পছন্দ করতেন। খলিফা উমর রা. ওনাকে কুফার গভর্নর, প্রধান বিচারক হিসাবে প্রেরণ করেছিলেন। কুফাতে তিনি ইলমের ব্যাপক প্রসার করেন। ফলে কুফা হয়ে উঠে মুসলিমদের জ্ঞানচর্চার গুরুত্বপূর্ণ শহর। বিখ্যাত হানাফী ফিকহের ভিত্তি ওনার ইলমী খিদমতের ফসল। ওনার ছাত্রদের হাতেই এই ফিকহের প্রাথমিক ভিত্তিমূলক কাজগুলো এসেছিল। যা পরবর্তীতে ইমাম আবু হানিফার হাতে কাঠামোবদ্ধ হয়। উল্লেখ্য, এই ইলমী ধারাটি আরো একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমেও রাসূলুল্লাহ ﷺ পর্যন্ত সংযুক্ত।

Repost from N/a
ঈমান নবায়নের দু‘আ ۞ اَللّٰهُمَّ جَدِّدِ الْإِيْمَانَ فِيْ قُلُوْبِنَا উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা জাদ্দিদিল ঈমানা ফি কুলুবিনা। অর্থঃ হে আল্লাহ, তুমি আমাদের হৃদয়ে ইমানকে নবায়ন করে দাও। সূত্রঃ তাবারানী, হাদীস নং: ১৪৬৬৮; হাকেম: ০৫

আতর ও সুগন্ধি ব্যবহারের আদব ১. তীব্র গন্ধের আতর বা সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত না। এতে অন্যদের কষ্ট হতে পারে। বিশেষ করে মসজিদে মৃদ্যু ঘ্রাণের আতর ব্যবহার করা উচিত। ২. পুরুষের জন্য জুমার দিন নামাজের আগে আতর ব্যবহার করা উত্তম। হাদীসে বর্ণিত আমল। এছাড়াও অন্যান্য সময়েও আতর ব্যবহার করা উচিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ আতর (খুশবু) পছন্দ করতেন। ৩. নারীদের জন্য ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহারের অনুমতি নেই। হাদীসে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। ঘরে ব্যবহার করা উচিত। ৪. নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির ইত্যাদি ইবাদাতের আগে সুগন্ধি ব্যবহার ও উত্তম পোশাক পরিধানের তাগিদ রয়েছে। ৫. অতিরিক্ত কড়া গন্ধের সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত না। প্রচুর পরিমাণ সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত না। অপরের পছন্দের দিকে খেয়াল করতে হবে। ৬. স্বামী-স্ত্রীর জন্য পরস্পরের পছন্দের প্রতি খেয়াল রেখে সুগন্ধি ব্যবহারের তাগিদ করা হয়েছে। বিশেষ সময়ের আগে সুগন্ধি ব্যবহারের তাগিদ করা হয়েছে। অপরের পছন্দের উপর গুরুত্ব আরোপের তাগিদ রয়েছে। ৭. পুরুষদের জন্য কোনো বিশেষ কাজে যাবার আগে, বাইরে যাওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহারের পরামর্শ রয়েছে। ৮. পরিচ্ছন্নতার পর সুগন্ধি ব্যবহারের পরামর্শ রয়েছে। অবলম্বন: (ক) হাদীস: https://www.hadithbd.com/books/islami-jibon-dhara/section/7 (খ) বই: আখলাক শিষ্টাচার; শায়খ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ (গ) মুসলিম বাংলার প্রবন্ধ (লিঙ্ক) (ঘ) মাসিক আল ইতিছামের প্রশ্নোত্তর https://al-itisam.com/view_question_answer/2953

হাত ও পায়ের নখ সংক্রান্ত আদব ১. প্রতি জুমাবারে (শুক্রবার) নখ কাটার চেষ্টা করবো। রাসূলুল্লাহ ﷺ এসম্পর্কে নির্দিষ্ট দিন, নিয়ম বলে যাননি। তবে সাহাবী ও তাবেঈদের মাঝে জুমার দিন নামাজে যাবার আগে গোসল ও নখ কাটার আমল দেখা গিয়েছে। এজন্য আলিমগণ এদিন নখ কাটাকে উৎসাহিত করে থাকেন। ২. কোন হাতের নখ আগে কাটতে হবে, কোন আঙুল থেকে শুরু করতে হবে, শেষ করতে হবে — এমন কোনো বর্ণনা হাদীসে আসেনি। আলিমগণ ভালো কাজ ডান দিক থেকে শুরু করার সাথে মিলিয়ে ডান হাতের ডান দিক থেকে শুরু করার জন্য উৎসাহিত করে থাকেন। ৩. নখ যেনো বেশি বড় না হয় এজন্য প্রতি সপ্তাহে নখ কাটার জন্য বলা হয়ে থাকে। আর সর্বোচ্চ ৪০ দিনের বেশি দিন নখ না কাটা গুনাহ। হাদীসে এবিষয়ে বর্ণনা রয়েছে। ৫. নখ কাটার পর সেগুলো মাটির নিচে দাফন করে ফেলা উত্তম। দাফন করা সম্ভব না হলে পচনশীল কাগজে মুড়িয়ে এমনস্থানে ফেলা উচিত যেখান থেকে মন্দ উদ্দেশ্যে (সিহর/জাদু) সেগুলো সংগ্রহ করা না যায়। ৬. দাঁত দিয়ে নখ কাটা উচিত নয়। ব্লেড/ নেইলকাটার ব্যবহার করে সুন্দরভাবে নখ কাটা উচিত। সৌন্দর্য একটি গুণ। ৭. নিয়মিত নখ পরিষ্কার রাখা উচিত। নখের নিচে ময়লা যেনো না জমে। নখ বেশি বড় হলে ওজু ও গোসলের পানি ঢুকতে অসুবিধা হতে পারে। ৮. নেইলপলিশ বা এধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করলে নখে পানি লাগেনা। ফলে ওজু ও গোসল হবে না। শখের জন্য এসব ব্যবহার করা হলে, ওজু ও গোসলের সময় এগুলো তুলে ফেলতে হবে। অবলম্বন: (ক) হাদীস: সহিহ মুসলিম; তাহারাত – ২৫৮ ও অন্যান্য (খ) বই: আখলাক শিষ্টাচার; শায়খ মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ

Repost from N/a
স্ত্রী: তোমাকে বিয়ে না করে বরং ইবলিশকে বিয়ে করলেই ভালো থাকতাম। স্বামী: ভাইকে বিয়ে করা হারাম। .

কোনদিন নখ কাটা সুন্নত?
Anonymous voting

শাইখুল হাদীস হযরত যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. এর নাম তো শুনেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মশহুর শাইখুল হাদীস ছিলেন তিনি, দাওয়াত ও তাবলীগের বড় মুরুব্বী ছিলেন। ওনার বাবার ঘটনা তিনি লিখেছেন, ওনার আব্বাজান যখন মাদরাসার খিদমতে (শিক্ষকতা) ছিলেন তখন খাবার বাইরে থেকে নিয়ে আসতেন। সেখান থেকে খাবার আসতে আসতে খাবার একেবারে ঠান্ডা হয়ে যেতো। খাবার খাওয়ার আগে সেই খাবারের বাটি মাদরাসার চুলার পাশে রাখা হতো। চুলার উপরে না, পাশে। অল্প গরম হলে ওনার আব্বাজান সেটা খেতেন। এই চুলার পাশে রাখার কারণে মাস শেষে মাদরাসার ফান্ডে তিনি তখনকার দিনে দুই রূপী সাদাকাহ করে দিতেন। সামান্য চুলার তাপ ব্যবহার করছেন, তাও সেই মাদরাসার উস্তাদ এবং সরাসরি চুলাতেও উঠাচ্ছেন না তবুও মাস শেষে কিছু অর্থ মাদরাসার ফান্ডে দিয়ে দিচ্ছেন। এই পরহেজগার ব্যক্তির ঔরশে যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. এর মতো মানুষের জন্ম হয়েছিল। এটা শুধু ওনার আব্বাজানের ঘটনা নয়, তখন মাদরাসাগুলোর উস্তাদগণ এভাবেই চলতেন। শাইখের আত্মজীবনী আপবীতীতে এমন আরো ঘটনা তিনি লিখেছেন। বই: আপবীতী (আত্মজীবনী) লেখক: শাইখুল হাদীস যাকারিয়া কান্ধলভী রহ.

আগেকার আলিমগণ মাদরাসার প্রতিটি পয়সার বিষয়ে খুব সতর্ক থাকতেন। শাইখুল হাদীস যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. তার আত্মজীবনী আপবীতীতে লিখেছেন, মাওলানা জহরুল হক মাযাহিরুল উলুম সাহারানপুরের বোর্ডিং এর দায়িত্বে ছিলেন। চব্বিশ ঘন্টা বোর্ডিং-এ থাকতেন। তবুও কখনো তরকারিতে লবণের পরিমাণ নিজে পরীক্ষা করতেন না। বোর্ডিং-এর কোনো ছাত্রকে দিয়ে পরীক্ষা করাতেন। সময় করে নিজের ঘর থেকে খাবার খেয়ে আসতেন। অনুরূপভাবে, মাদরাসার অন্যান্য উস্তাদগণকেও দেখেছি তারা কোনো সময় মাদরাসার খাবার খেতেন না। বই: আপবীতী (আত্মজীবনী) লেখক: শাইখুল হাদীস যাকারিয়া কান্ধলভী রহ.

ইতিহাসের নিয়মগুলো কীভাবে কাজ করে আল্লাহর যে সুন্নাহ বা নিয়মগুলো জাতি ও সভ্যতার উত্থান ও পতনে কার্যকর হয়, সেগুলো কখনো একা কাজ করে না। একটি জাতির জীবনে একই সময়ে একাধিক সুন্নাহ কার্যকর থাকতে পারে। কোনো সুন্নাহ হয়তো তাকে পতনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, আবার অন্য কোনো সুন্নাহ তাকে টিকিয়ে রাখছে। ফলে একটি জাতি কতদিন টিকে থাকবে, তা কোনো একটি নিয়মের ওপর নির্ভর করে না। বরং তার মধ্যে কোন কোন সুন্নাহ একসঙ্গে কাজ করছে এবং সেগুলোর প্রভাব কতটা প্রবল, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।ধরা যাক, কোনো জাতির মধ্যে বিলাসিতা ও ভোগপ্রবণতা বেড়ে গেছে। এটি তাকে পতনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে যদি সেখানে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত থাকে এবং মানুষের অধিকার রক্ষা করা হয়, তাহলে ন্যায়বিচারের সুন্নাহ সেই পতনকে পিছিয়ে দিতে পারে। আবার কোনো জাতির মধ্যে নৈতিক অবক্ষয়, অশ্লীলতা ও পাপাচার ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু তারা যদি সামরিক শক্তি ধরে রাখে এবং বিপদ সম্পর্কে সতর্ক থাকে, তাহলে তাদের পতন বিলম্বিত হতে পারে। কোনো জাতির মধ্যে জুলুম ছড়িয়ে পড়লেও বিপুল জনসংখ্যা ও প্রচুর সম্পদ তাকে দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, একটি জাতিকে দুর্বল করে দেওয়ার মতো অনেক কারণই তার মধ্যে তৈরি হয়েছে। কিন্তু আশপাশে এমন কোনো শক্তিশালী শত্রু নেই, যে তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আক্রমণ করবে। ফলে ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়লেও জাতিটি দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে।একই ঘটনা কোনো রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে। কোনো দুর্বল রাষ্ট্র যদি দুই শক্তিশালী প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মাঝখানে অবস্থান করে এবং তাদের পারস্পরিক ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় তার অস্তিত্ব উভয়ের স্বার্থের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তাহলে রাষ্ট্রটি নিজের দুর্বলতা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে। তখন তার টিকে থাকার কারণ নিজের শক্তি নয়, বরং তার চারপাশে কাজ করা অন্য বাস্তবতা ও সুন্নাহ। এভাবেই ইতিহাসের বিভিন্ন সুন্নাহ পরস্পরের সঙ্গে মিলেই কাজ করে। একটি জাতির উত্থান, শক্তি, দুর্বলতা ও পতনের পেছনে একই সময়ে একাধিক সুন্নাহ সক্রিয় থাকতে পারে। তাই ইতিহাস বুঝতে হলে কোনো জাতির একটি বৈশিষ্ট্য বা একটি কারণের দিকে তাকালেই হবে না। দেখতে হবে, তার মধ্যে একই সময়ে কোন কোন সুন্নাহ কাজ করছে এবং সেগুলো পরস্পরের ওপর কী প্রভাব ফেলছে। ইতিহাস কেন জরুরি লেখা: ইমরান রাইহান