fa
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

رفتن به کانال در Telegram

نمایش بیشتر
کشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
1 099
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+227 روز
+2630 روز
آرشیو پست ها
“আমাদের তালাশ করার কথা ছিল রাজ্জাককে, অথচ আমরা তালাশ করে চললাম রিজিক; তাই না পেলাম রিজিকের বরকত আর না পেলাম রাজ্জাকের হরকত৷”

যার পরামর্শে পড়াশোনা-জীবন চালাবেন।
যার পরামর্শে পড়াশোনা-জীবন চালাবেন।

প্রথমে মানুষকে চিন্তা করতে হবে যে, কার কিতাব পড়ছে? কারণ লেখকের প্রভাব পাঠকের উপর সরাসরি পড়ে থাকে। তার দৃষ্টিভঙ্গি ও মতবাদ তার
প্রথমে মানুষকে চিন্তা করতে হবে যে, কার কিতাব পড়ছে? কারণ লেখকের প্রভাব পাঠকের উপর সরাসরি পড়ে থাকে। তার দৃষ্টিভঙ্গি ও মতবাদ তার মধ্যে স্থানান্তরিত হতে থাকে। যদিও ওই গ্রন্থে সে কথা পুরোপুরি স্পষ্ট না হয়। আর যদি লেখকের নিয়ত ভালো হয়, ইখলাস থাকে, তাহলে এর প্রভাবও পাঠকের উপর পড়ে। সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [মাজালিসে হাসানাহ : ২/৩৫৭]

বাধ্যতামূলক এমন না। তবে মাদরাসায় পড়া, ছাত্রজীবনে তালীমী (শিক্ষা) মুরুব্বী, পরে ইসলাহী মুরুব্বী মেনে জীবন চালাতে পারলে দ্বীনের
বাধ্যতামূলক এমন না। তবে মাদরাসায় পড়া, ছাত্রজীবনে তালীমী (শিক্ষা) মুরুব্বী, পরে ইসলাহী মুরুব্বী মেনে জীবন চালাতে পারলে দ্বীনের ওপর চলা সহজ হয়, জীবনও সুন্দর হয়। মাদরাসায় না পড়েও অনেক বড় বড় আলেমদের মুরুব্বী ছিলেন ডাক্তার আব্দুল হাই আরেফী রহ. ও প্রফেসর হযরত রহ.। মুরুব্বী মেনে জীবন চালাতে হবে। একা একা তাকওয়া অর্জন করা টাফ বিষয়।

photo content
+1

photo content

মানুষের জন্য কোনো আমল করবে না। তাদের জন্য কোনো আমল ছেড়ে দেবে না। তাদের জন্য কোনো কিছু ঢেকে রাখবে না। তাদের জন্য কোনো কিছু উন্মোচনও করবে না। হযরত সারী আস-সাকতী (রহ.) বই : আত তিবইয়ান, ইমাম নববী রহ. উমেদ প্রকাশ থেকে প্রকাশিত।

এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ অলরেডি বের হয়েছে। আরেকটা সামনে আসবে। তিনটার মধ্যে একটা মাকতাবাতুল আশরাফের, একটা নাশাতের। অনুবাদ দুটোই ভ
এই বইয়ের তিনটা অনুবাদ অলরেডি বের হয়েছে। আরেকটা সামনে আসবে। তিনটার মধ্যে একটা মাকতাবাতুল আশরাফের, একটা নাশাতের। অনুবাদ দুটোই ভালো লেগেছে। তৃতীয়টা দেখার সুযোগ হয়নি। চতুর্থ যেটা আসবে, আশা করি সেটাও সুন্দর হবে।

photo content

photo content

photo content

মাকতাবাতুল ফুরকানের একটা আছে, ১ খণ্ডে। ওটা নিতে পারেন। তাদের পেজে নক দিলেই নাম পেয়ে যাবেন। আলাদা আলাদা চাইলে পড়প্রকাশেরটা নিন
মাকতাবাতুল ফুরকানের একটা আছে, ১ খণ্ডে। ওটা নিতে পারেন। তাদের পেজে নক দিলেই নাম পেয়ে যাবেন। আলাদা আলাদা চাইলে পড়প্রকাশেরটা নিন।

যেকোনো বুকশপেই পাবেন। এ ছাড়া মারকাযুদ দাওয়াহর প্রকাশনা বিভাগ থেকে কুরিয়ার কিংবা ডাকেও নিতে পারবেন। অনেক বিলম্বে উত্তর দেওয়ার
যেকোনো বুকশপেই পাবেন। এ ছাড়া মারকাযুদ দাওয়াহর প্রকাশনা বিভাগ থেকে কুরিয়ার কিংবা ডাকেও নিতে পারবেন। অনেক বিলম্বে উত্তর দেওয়ার জন্য আফওয়ান।

ফরয আমলই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নৈকট্য অর্জনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও কার্যকর উপায়। কারণ, কোনো কিছুই বান্দাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নৈকট্যের এত কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে না, যতটা ফরয আমল নিয়ে যায়। ফরযের অন্তর্ভুক্ত হলো প্রতিটি বাধ্যতামূলক বিধান, তা হোক করণীয় বা বর্জনীয়। -শায়খুল হাদীস মাওলানা সালীম ধোরাত হাফি. [আল্লাহর প্রিয় হওয়ার উপায় : ৩]

দ্বীন প্রচার ও শিক্ষা দেয়ার চিন্তায় লিপ্ত হয়ে নিজের আত্মশুদ্ধির কথা ভুলে যেয়ো না। -শায়খুল হাদীস মাওলানা সালীম ধোরাত হাফি. [চল্লিশ নাসীহাহ : ৬]

জাফর বলেন, আমি মালিক ইবনু দিনারকে বলতে শুনেছি, দুনিয়ার জন্য যত চিন্তা করবে, অন্তর থেকে পরকালের চিন্তা ততো কমে যাবে। আর পরকালের জন্য যে পরিমাণ চিন্তা করবে, অন্তর থেকে দুনিয়ার চিন্তাই সে পরিমাণ দূর হয়ে যাবে। [শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা : ৯৯]

বন্ধু কখনো আক্ষরিক অর্থে দুঃখের ভাগিদার হতে পারে না। হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থামিয়ে দেবার ক্ষমতা ভালোবাসার মানুষটিরও নেই। নির্ঘুম রাতগুলো কেউ কারো হয়ে জেগে থাকে না। নিজেকে নিজেরই দেখে রাখতে হয়। সামলে রাখতে হয়। জীবনের ঘটনাগুলো যতখানি গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে, ততটাই দেওয়া চাই, না বেশি, না কম। এটুকু জেনে রেখো, যদি তুমি ভেঙে পড়ো উঠে দাঁড়াতে হবে তোমাকেই—তোমাকে টেনে তোলার কেউ নেই। যদি তুমি হেরে যাও, তোমাকে জেতাতে পারে শুধুই তোমার জিদ। হোঁচট খেয়ে উঠে দাঁড়ানো, আবার চলতে শেখা—তোমারই কাজ। নিজের কদর লোকের চোখে খুঁজতে যেয়ো না; তুমি নিজেই জানবে তোমার মর্যাদা আসলে কতখানি। তুমি ওপরে উঠবে তখনই, যখন তুমি বিবেকের সাথে সৎ হতে পারবে। আর নিজেকে যদি সত্যিই চিনে থাকো, তবে কে কী বলল তাতে কিছু যায়-আসে না। জীবন নিয়ে দুশ্চিন্তার বোঝা বয়ে বেড়িয়ো না, সে বোঝা আল্লাহই নিয়ে নিয়েছেন। আয়-রোজগার নিয়ে ভেবো না, সেটাও আল্লাহ আগে থেকেই লিখে রেখেছেন। ভবিষ্যতের জন্যেও উদ্বিগ্ন হোয়ো না, ওটাও আল্লাহ তাআলা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। তোমার চিন্তা করা বা না করাতে কিছুই বদলাবে না। একটা চিন্তাই মাথায় গেঁথে নাও: কীভাবে আল্লাহকে খুশি করা যায়। যদি তুমি তাকে খুশি করতে পারো, তিনি তোমাকে খুশি রাখবেন, তোমার ইচ্ছা পূরণ করবেন, তোমাকে দেবেন প্রয়োজনের চাইতেও অধিক। যে জীবন তোমায় কাঁদিয়েছে, তার জন্য কেঁদো না, শুধু বলো, হে আমার রব, আমাকে এই জীবন ও আখিরাতের জীবনে উত্তম বিনিময় দান করো। বান্দা যখন রবের কাছে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, সেই একটি সিজদাহ এক পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ বেদনাকে বিদায় জানায়। আনন্দ ফিরে আসে অন্তর-চিঁড়ে-বেরোনো একটি দুআয়। আল্লাহ তোমার কাজের কথা ভোলেন না। তিনি সে অন্তরের কথা জানেন, যার ব্যথা তুমি দূর করেছ; সে চোখের কথাও জানেন, যে চোখ কাঁদতে গিয়ে তোমার কথায় হেসে উঠেছে। জীবনে চলার পথে একটি কথাই মাথায় রেখো—ভালো কাজ করে যাও, কারও কাছে বিনিময়ের আশা রেখো না। কারণ, তুমি কোনো মানুষের জন্য ভালো কাজ করছ না, তুমি ভালো কাজ করছ আল্লাহর জন্য। কেননা আল্লাহ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন ... —ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ

আমাদের তৈরী এসব মাদরাসা ও খানকাসমূহ উচ্চ চিন্তাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব তৈরী করছিল, যারা ফকিরের চাঁটাই এর উপর বসেও রাজা বাদশাদেরকে খাতির করেননি। যারা নিজের পোশাকে তালি লাগিয়ে পরেছেন তথাপি শাহী শেরওয়ানীতে হাত লাগাননি। এ ধরনের ব্যক্তিত্বের আজও প্রয়োজন, প্রয়োজন খোদার প্রেমে মত্ত এ জাতীয় দরবেশের। আর তাদের জন্মের আশা করা যায় কেবল খড়কুটা নির্মিত নিকেতন এবং সাদাসিধা স্থানে। আপনারা ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ করে সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে যাদের নাম শুনে থাকেন এবং পড়ে থাকেন তারা হচ্ছেন সেসব ব্যক্তিত্ব, যারা নিম্নবিত্তদের ঘরে জন্ম নিয়েছেন, সাদাসিধে পরিবেশে গড়ে উঠেছেন, যাদের জীবনে এমনও একটি মুহূর্ত গিয়েছে, যখন তাদের উদরপুরে আহার জোটেনি এবং মাতাপিতাও তাদের সন্তানদের আহার যোগাতে পারেননি। এক সময় সেই ঝুঁপড়ি হতে আত্মপ্রকাশ করেছে এমন উজ্জ্বল প্রদীপ, যা আলোকিত করেছে গোটা বিশ্বকে। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [ঈমানের দাবী : ২৪]

আজকে মাদরাসায় ইফতিতাহি মজলিসে (উদ্বোধনী বৈঠক) ছাত্রদের জন্য বলা কথাগুলোর সারসংক্ষেপ ছিল এই : সারাবছর ৪টি কাজ যেন করে সবাই। সেগুলো হলো : ১. জামাতের সাথেই না শুধু; বরং তাকবিরে উলার সাথে প্রতিদিন নামাজ পড়া। ২. নামাজের আগে পরে ৫ পৃষ্ঠা করে তিলাওয়াত করা৷ যেন দৈনিক কমপক্ষে মোট ১ পারা তিলাওয়াত করা হয় এবং মাসে ১ খতম। এতে সময়ে বরকত হবে। ৩. সবসময় ওজুর সাথে থাকা। ওজু ছাড়া দারসে না বসা। এতে ইলমে নূর পয়দা হবে৷ ৪. একটা আলাদা নোটখাতা/ডাইরি রাখা। সেখানে দারসের বাইরেও বিভিন্ন মজলিসে নানান বিষয়ে উস্তাদদের থেকে শোনা উপদেশ ও ইলমী কথামালা/ফাওয়ায়েদ গুরুত্ব সহকারে নোট রাখা। বছর শেষে দেখা যাবে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অনেক বড় একটা জ্ঞানভন্ডার জমা হয়েছে তার কাছে৷ © মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ

photo content