fa
Feedback
সমকামী গল্প

সমকামী গল্প

رفتن به کانال در Telegram

গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink

نمایش بیشتر
নতুন বাংলা গল্পشبکه:নতুন বাংলা গল্পکشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
1 596
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
আরো কিছুক্ষন বাদে রুমা আন্টির গাড়ি টা একটা ছিম ছাম বড়ো বাগান ওলা দোতলা বাড়ির লোহার গেটের সামনে এসে থামলো। রুমা আণ্টি আর আমি সিট বেল্ট খুলে গাড়ি থেকে নামলাম। রুমা আণ্টি তার কাধের ভানিটি ব্যাগ খুলে একটা কার্ড বার করে আমার হাতে দিয়ে বলল, আমি আর ভেতরে যাবো না, তুই এই আইডি কার্ড টা ঐ কালো পোশাক পরা সিকিউরিটি গার্ড কে দেখালে ও তোকে ভেতরে যেতে দেবে। আমি দেড় ঘণ্টার মধ্যে একটা কাজ সেরে এসে তোকে পিক আপ করে নিয়ে যাবো। আসলে কি হয়েছে বল তো এখানে কাছেই আমার এক পুরনো ক্লিয়েনট থাকে। তার সঙ্গে মিট করে একটা ছোটো খেপ খেলেই চলে আসবো।। যা তুই আর দেরি করিস না। তোর জন্য এই বাড়ির ভেতরে একজন সুন্দরী নারী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে। তাকে এতক্ষণ অপেক্ষা করে রাখা তোর উচিত হবে না। রুমা আন্টির কথা মেনে আমাকে গেটের দিকে এগিয়ে যেতে হলো। সিকিউরিটি গার্ড আমার হাতের কার্ড টা দেখে আমার দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখলো তারপর হাসি মুখে আমাকে ভেতরে ঢুকবার জন্য গেট খুলে প্রবেশ পথ করে দিল। আমি আর অপেক্ষা না করে দুরু দুরু বুকে ভেতরে আসলাম। আমি ভেতরে প্রবেশ করতেই রুমা আণ্টি ড্রাইভ করে গাড়ি নিয়ে সা করে বেরিয়ে গেলো। আমি বাড়ির মেইন দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করলাম। এক তলার ড্রইং রুমে একজন সুন্দরী নারী অবয়ব দেখতে পেলাম সোফায় বসে ড্রিংক নিচ্ছে। আমি সে দিকে এগিয়ে গেলাম। সামান্য গলা খাকরানি দিতেই উনি আমার পানে চাইলেন। আমি ওনার দিকে তাকিয়ে সাথে সাথে বিস্ময়ে চমকে উঠলাম।। ঐ নারী আমার অচেনা কেউ ছিল না, মিস সোনালী নিজে এক মুখ রহস্যময়ী হাসি নিয়ে আমাকে স্বাগত জানালেন। আমার বিস্ময়ের ঘোর কাটতে বেশ কয়েক মিনিট সময় লেগেছিল। তার মধ্যেই উনি আমার হাত ধরে ডাইনিং টেবিলে নিয়ে গেছিলেন। একসাথে বসে ডিনার সারবার পর সামান্য কথা বার্তা বলবার পর, উনি আমাকে সেই রাত টা পুরো ওর ওখানেই কাটানোর অনুরোধ করলেন। এর জন্য অবশ্য আমাকে উনি যোগ্য আর্থিক মূল্য দিয়ে কম্পেন্সট করবেন এই কথাও দিলেন। মিস সোনালী কে পিঙ্ক কালারের হাউস কোটে এতটাই আকর্ষণীয় লাগছিল সেই রাতে আমি আর ওনাকে না করতে পারলাম না। রুমা আণ্টি কে কল করে মিস সোনালী আমার রাত কাটানোর ব্যাপার টা সাথে সাথে জানিয়ে দিল। ডিনার এর পর উনি আমাকে ওনার সঙ্গে ড্রিংক নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিলেন। আমি এই প্রস্তাবেও আপত্তি করলাম না। মিস সোনালী নিজের হাতে রেড ওয়াইন গ্লাসে ঢেলে আমার কাছে এগিয়ে দিলেন। আমি চোখ বন্ধ করে সেই গ্লাসে চুমুক দিলাম। ড্রিংক নিতে নিতে উনি হটাৎ করে আমার পাশে এসে গায়ে গা লাগিয়ে বসলেন। ওনার শরীরের স্পর্শ পেতেই আমি নার্ভাস হয়ে নড়ে চড়ে বসলাম।সোনালী দেবী এতে বেশ জোরে শব্দ করে হেসে উঠলেন। আমার কানের কাছে নিজের ডান হাতের আঙ্গুল চালাতে চালাতে বললেন, " উফফ সুরো, তুমিও না। এখনো এত ভয়... রুমা তো তোমাকে সব কিছুই দেখিয়ে দিয়েছে, নিজেকে ওপেন করো। তবেই না খেলা জমবে....." এই বলে সোনালী দেবী আমার শার্ট এর বোতাম খুলতে শুরু করলো। আমিও বুঝতে পারলাম এইবার অন্তিম মুহূর্ত উপস্থিত। নিজের নার্ভ কে যথা সম্ভব স্থির করে আস্তে আস্তে নিজেকে সোনালীর হাতে ছেড়ে দিলাম। উনি আমার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খেতে লাগলেন। মিনিট পাঁচেক ঐ সোফায় বসে আদর করবার পর, উনি আমাকে সম্পূর্ণ ভাবে টপলেস করে আমার হাত ধরে টানতে টানতে নিজের বেডরুমে নিয়ে গেলেন। নিজের হাতে আমাকে নগ্ন করলেন , তারপর চকোলেট ফ্লেভারের কনডম পরিয়ে ওনার সঙ্গে শুতে বাধ্য করলেন। প্রথমে জড়তাতে আড়স্ত হয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে আমি একটা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়ে মিস সোনালী কে আমার সাধ্য মত আদর করতে শুরু করলাম। আমি বুঝতে পারছিলাম, মিস সোনালী একটু ডমিনেটিং sex পছন্দ করেন। আমার উপর চড়ে uni পুরো ব্যাপার টা নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। একটা সময় পর সোনালী দেবী আমার দুই হাত বেশ শক্ত বাঁধনে বেঁধে দিয়েছিলেন। আমার গলাতেও একটা টাইট কলার পরিয়ে দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আমার জন্য ঐ রাতে কঠিন থেকে কঠিনতর হচ্ছিল। দারুন গতিতে সেই রাতে একাধিক বার ইন্টারকোর্স করার পর উনি আমার বাধন গুলো সব খুলে দিয়ে হতে ওয়াশরুম গিয়েছিলেন। আমি জোরে জোরে শ্বাস ছাড়ছিলাম। এত গতিতে ইন্টারকোর্স করবার অভ্যাস না থাকায় খুব ক্লান্ত লাগছিল। আমি শার্ট টা ঝটপট তুলে নিয়ে পরে নিতে যাবো এমন সময় মিস সোনালী এসে আমাকে শার্ট পড়া sআটকে দিয়ে বলল, "আরে করো কি রাত তো শেষ হয়ে যায় নি। এখনি শার্ট পড়ছ কেনো?" এই বলে আবারো আমার পাশে বসে আমার কানের কাছে নিজের ঠোঁট আর নাক ঘষতে শুরু করলো। আমি কোনরকম ভাবে সোনালী দেবীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে কাপা কাপা গলায় বললাম, "আমি ভীষন ক্লান্ত plz আজকে ছেড়ে দাও।"

দিয়া আমার কথা শুনে সামনের দিকে ফিরে, আমাকে আবেগে জড়িয়ে ধরলো। ওর স্তন জোড়া আমার বুকে ঘষা খাচ্ছিল। আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। দিয়া কে প্রাণ ভরে আদর করতে শুরু করলাম। সঙ্গে শাওয়ার ও ব্রেকফাস্ট নিয়ে ওকে ওর বাড়িতে ড্রপ করে আমি যখন অফিসে পৌঁছেছিলাম ঠিক তখন আমার ফোনে sms dhuklo। " We will wait for you today 8 pm at china town bar. " অর্থাৎ আটটায় আমাকে চিনা টাউন নামক এক বারে উপস্থিত হতে হবে। অফিসে কাজকর্ম সেরে বেরোতে বেরোতে বেরোতে ৭.৪৫ বেজে গেছিলো। আমি দেখে অবাক হয়ে গেলাম, রুমা আণ্টি গাড়ি নিয়ে আমার অফিসের বাইরে অপেক্ষা করছিল। রুমা আণ্টি নিজেই ড্রাইভ করে এসেছিল। আমি গেট থেকে বেরোতেই সামনে এসে আমাকে চুপ চাপ গাড়িতে উঠবার নির্দেশ দিল। আমিও আর কোনো কথা না বাড়িয়ে দরজা খুলে রুমা আন্টির পাশে গাড়ির সামনের সিটে উঠে পরলাম। আমি উঠে সিট বেল্ট পড়তেই গাড়ি চলতে আরম্ভ করলো। কিছুক্ষন চুপ চাপ চলবার পর , আমি আর থাকতে না পেরে রুমা আণ্টি কে জিজ্ঞেস করলাম, " আমরা কোথায় যাচ্ছি?" রুমা আণ্টি হেসে জবাব দিল, " একজন বড়ো client তোমাকে পার্সোনালি মিট করবার জন্য পাগল হয়ে উঠেছে। তুমি এনাকে ভালো করে চেনো। আমরা এখন তার বাড়িতেই যাচ্ছি। প্রথমে ঐ বারে আসবার প্ল্যান থাকলেও উনি সেটা cancel Kore direct barite aste বলেছেন। বেশিক্ষন না ঘণ্টা দুয়েক মত তোমাকে busy রাখবে। কি কি করতে হবে তুমি তো সব জানো। Let's enjoy, Bhalo payment paabe। " আমি ব্যাপার টা আন্দাজ করতে পেরে রুমা আন্টিকে সরাসরি বলতে বাধ্য হলাম, না না আণ্টি প্লিজ আমাকে এসব ধান্ধায় আর টেনে নামিয় না। তোমার অনেক আবদার আমি রেখেছি আর না। প্লিজ আমার দিক তাও তুমি চিন্তা করে দেখ। এসবে আমার মন সায় দেয় না সেতো তুমি ভালো করেই জানো।" রুমা আন্টি গাড়ির স্টিয়ারিং সামলাতে সামলাতে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, "কম অন সুরো, ভয় পাওয়ার মতন কিচ্ছু হয় নি। তুই কি জানিস তোর বয়সি কত ছেলে এই কাজের জন্য আমার কাছে cv জমা দেয়।। তোকে আমার অনেক টা নিজের কাছের মানুষ মনে হয়। আমার প্রথম সন্তান যাকে আমি অবর্শন করে এই পৃথিবীতে আসতে দি নি। সে আজ জীবিত থাকলে এই তোর মত বয়স এর হতো। আমাকে যতই তোর খারাপ মেয়ে ছেলে মনে হোক।তোকে তোর মার মতন বাজারি বারো ভাতারী বেশ্যা কোনোদিন বানাতে পারবো না। আর সেই সাথে তোকে তোর মার মতন b grade porn ফিল্মের অ্যাক্টর ও বানাবো না। ঈশানি সেদিন তোর সঙ্গে লম্বা চুক্তি করতে চাইছিল আমি ওকে সেদিনই না করে দিয়েছি। এবার থেকে সেফ একটা নির্দিষ্ট সার্কেল এর মধ্যে অপারেট করবি তাও জাস্ট সপ্তাহে মাত্র দুই বার করে কেউ তোর আসল আইডেন্টিটি জানবে না। এতটাই গোপনে হবে। রাত ১০-১১ টার মধ্যে তুই ফ্রী হয়ে যাবি। তোর মধ্যে সব ধরনের নারীদের শারীরিক যৌন সুখ দিয়ে তৃপ্ত করবার অদ্ভুত এক শক্তি আছে সেটা খুব কম পুরুষের কাছে থাকে। প্লিজ তোর এই স্পেশাল ট্যালেন্ট টা কে ওয়েস্ট করিস না। কয়েক দিন এর জন্য প্লিজ কন্টিনিউ কর। ভালো না লাগলে তোকে জোর করবো না।" আমি: এটা ঠিক কাজ হচ্ছে না আণ্টি। দিনের পর দিন এই জীবনযাত্রা আমার মোটেই শুট করছে না। মাঝে মাঝেই শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে। রুমা আণ্টি: শরীরের নাম মহাশয় যা সোয়া বে তাই সয়। কিচ্ছু ভেবো না।। তোমার সবকিছুর অভ্যাস হয়ে যাবে। দেখবি কয়েক দিন বাদে এসব ছাড়া তুই থাকতে পারছিস না। নিজে ফোন করে আমার কাছ থেকে কাজ চাইবি। আমি: এসব তুমি কি বলছ? রুমা আণ্টি: আরে মজা করছি রে, তুই বড্ড নার্ভাস হয়ে আছিস। ওকে সপ্তাহে এক আধ বার কয়েক ঘণ্টা টাইম বার করে আমাকে দিতে পারলেই তোকে আমি আর বিরক্ত করবো না। আমার উপর ভরসা করতে পারিস।

দিয়া কে যত প্রাণ ভোরে আদর করছিলাম, ও আমার শরীরের থেকে সমস্ত আদর শুষে নিচ্ছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম যে দিয়া এই কদিনে কত টা যৌন তৃষ্ণা ওর মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিল। আমি ওকে প্রাণ ভরে তৃপ্ত করবার চেষ্টা করছিলাম। ও নিজেকে আমার কাছে পুরো সমর্পণ করে দিয়েছিল। দিয়ার সুন্দর শরীরের প্রতিটা গোপন স্থান আমি একাধিক বার ছুয়ে গেছিলাম। সেই রাতে আমাদের মধ্যে একাধিক বার যৌন মিলন হল। কোনো রকম প্রটেকশন ছাড়াই আমরা ভরপুর সেক্স করেছিলাম। যতক্ষণ না ক্লান্ত হলাম ততক্ষণ দিয়া কে ছাড়লাম না। কয়েক ঘণ্টা ধরে ধারাবাহিক প্যাশনেট সেক্স করবার পর আমরা দুজনে বিশেষ করে দিয়া ভীষন ক্লান্ত হয়ে গেছিল। আমরা কেউই তারপর উঠে আর জামা কাপড় পড়বার প্রয়োজন বোধ করলাম না। শরীরে অত এনার্জি ও অবস্থিত ছিল না। শেষে আমরা এক পাতলা বিছানার চাদরের তলায় নিজেদের নগ্ন শরীর টা ঢেকে একে অপরের সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় জড়ানো অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরদিন একটু দেরি করে ঘুম ভাঙলো। চোখ খুলে দেখলাম, দিয়া বিছানা ছেড়ে উঠে পড়েছে। ও পাশের স্নানের ঘরে শাওয়ার নিচ্ছিল। শাওয়ার নিতে নিতে ওর মিষ্টি গলায় গানের সুর ভেসে আসছিল। বাথরুমের দরজা দিয়া বোধ হয় ইচ্ছে করে খোলা রেখেছিল আমার জন্য। আমি বাথরুমের খোলা দরজার সামনে এসে দাড়ালাম। দিয়া আপন মনে পিছন দিকে ফিরে শাওয়ার নিচ্ছিল। আমি এসে দাড়িয়েছি ও খেয়াল করলো না। আমি ঐ খানে দাড়িয়ে কিছুক্ষন দিয়ার স্নান করা দেখলাম। অপরূপ সুন্দর দেখাচ্ছিল ওকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে ভেজা গায়ে , চুল গুলো পিঠের চারপাশে ছড়িয়ে চামড়ার সঙ্গে সেটে গেছিল। এমন সময় আমার ফোন টা জোরে বেজে উঠলো। আমি ওটা রিসিভ করতে ঘরের ভিতর ফেরত আসলাম। অফিস থেকে কল এসেছিল। সেটা সেরে রাখতে না রাখতেই আরো একটা কল আসলো। অবাক হয়ে গেলাম স্ক্রিনে মার নাম ফুটে উঠেছে দেখে। আমি কল রিসিভ করলাম, অনেক দিন বাদে চেনা পরিচিত কণ্ঠে মায়ের তিরস্কার কানে ভেসে আসলো ফোনের অপর প্রান্ত থেকে। মান অভিমানের পালা মিটতে, মার কাছ থেকে জরুরি কত গুলো আপডেট পেলাম। মা ফাইনালি শহরে ফিরছিল, সেদিনই রাতের ফ্লাইটে। রাত টুকু এয়ারপর্ট এর কাছে একটা হোটেলে কাটিয়ে পরদিন সকালে বাড়ি আসবে। তবে এটাই হবে বাড়িতে মার শেষ আসা। দুদিনের মধ্যে মা তার জন্য কেনা ঐ নতুন ফ্ল্যাটে শিফট করবে। সেরকম সব ব্যাবস্থা হয়ে আছে। এছাড়া এই উইকএন্ডে মা আর রবি আঙ্কেল ঘটা করে ওখানে একটা গৃহপ্রবেশ এর পার্টি দিচ্ছে। আমাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। ঐ পার্টির পর থেকেই মা রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে অফিসিয়াল লিভ ইন্ শুরু করবে। তারপর থেকে আমি আর দিয়া থাকবো সেটা আমাদের ব্যাক্তিগত পছন্দের উপর নির্ভর করছে। মার ইচ্ছে আমরা ওখানে মার আর আঙ্কেল এর সঙ্গে একসাথে শিফট করে যাই।।তবুও ফাইনাল সিদ্ধান্ত নেবার ভার মা আমাদের উপর ছেড়ে দিয়েছে। মার ঐ ফ্ল্যাটে আমার দরজা সব সময়ের জন্য খোলা আছে। ফোনে মার গলা টা ভীষন শেকী শোনালো। আমার মনে হলো কোনো কিছুতে মা খুব টেন্সড হয়ে আছে। আমি জিজ্ঞেস করতে মা আমাকে আসল কারণ কিছুতেই খুলে বলল না। শুধু বলল, " আরে কিছু হয় নি, তুই আমাকে নিয়ে এরকম টেনশন করবি না। আই অ্যাম অল্ রাইট। লাস্ট কদিন রাতের ঘুম হচ্ছে না ঠিক মতন। শরীর টা ক্লান্ত, এছাড়া পুলে অনেক টা সময় কাটানোর ফলে ঠান্ডাও লেগেছে। তাই এরকম লাগছে গলার voice। ওষুধ খেয়েছি, ঠিক হয়ে যাবে।" এই বলে মা ফোন কেটে দিল। মার যতই বলুক না কিছু হয় নি, আমার মার কথা পুরোপুরি বিশ্বাস হল না। ফোনে তার গলার আওয়াজ শুনে বুঝতে পারছিলাম anything might be wrong। Phone rakhbar por Ami towel niye diyar sange ek bathroom ER bhetore shower nite ঢুকলাম। আমাকে দেখে দিয়া কিছুই ঢাকলো না। উল্টে একটা দুষ্টুমি মার্কা হাসি হেসে খানিকটা সরে এসে আমাকে বাথরুম এর ভেতরে জায়গা করে দিল। আমি বুঝে গেলাম ও কি চাইছে। আমি ওর খোলা পিঠে সাবান মাখাতে লাগলাম। Sedin ruma auntyr sange Amar বেরোনোর appointment chilo। দিয়া যতই বলুক ও রুমা আণ্টি র সঙ্গে দেখা করে আমার ব্যাপারে কথা বলে সেটেল করে আমাকে এসব থেকে মুক্তি দেবে, আমি ওকে ruma auntyr মত মহিলার কাছে একা পাঠানোর রিস্ক কিছুতেই নিতে পারলাম না। ওকে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে অনুরোধ করলাম। দিয়া ও আমাকে বললো, " আমাকে কথা দাও, রুমা আণ্টির প্রস্তাবে তুমি আর মাথা ঝোকাবে না। একবার মাথা নিচু করে সব কিছু মেনে নিলে তোমাকে বার বার মাথা ঝুঁকিয়ে ওদের কথা মেনে নিতে হবে।" আমি ওর হাতে হাত রেখে কথা দিলাম, যে আমি আপ্রান চেষ্টা করবো nijeke শক্ত রাখবার, রুমা auntyr কোনো কু প্রস্তাবে আর রাজি হব না।"

আমি দিয়া কে ধরে শুইয়ে দিয়ে ওর উপর চড়ে কিস করতে করতে বললাম, আমার মাও গেছিল এই মাস দুয়েক আগে রুমা আণ্টি র সঙ্গে বোঝাপড়া করতে কিন্তু লাভের লাভ হয় নি। এই দেখো না। মা আর বেশি ভাবে এসব চক্রে জড়িয়ে গেছে। বাড়ি ফিরতে পারছে না। দিয়া আমার আদর পরম আবেশে নিজের বুকে শুষে নিতে নিতে বলল, " তুমি চিন্তা কর না। আমি সব কিছু সামলে দেব। এবার থেকে তোমাকে শুধু একজনের চাহিদা মেটাতে হবে আর সেটা হলো আমি।" দিয়া আমাকে আর কোনো কিছু বলতে দিল না। নিজে টপলেস হয়ে আমাকে ওর সুন্দর শরীরের আকর্ষণে বেঁধে ফেলল। দিয়ার দিক থেকে জাস্ট চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। "আই লাভ ইউ দিয়া", বলে আমি ওর দুই স্তনের মাঝে নিজের মুখ টা ঢুকিয়ে দিলাম। স্পর্শকাতর স্থানে আমার মুখ পড়তেই দিয়া মৃদু শীৎকার করে উঠলো। তারপর ধীরে ধীরে দুটো শরীর এক হয়ে গেল। নিজেদের জীবনের যাবতীয় টানাপোড়েন সব ভুলে আমরা বিছানায় আদিম খেলায় মেতে উঠলাম ।

দিয়া রাজি হয়ে গেল ওত রাতেও আমার কাছে আসতে। আধ ঘন্টার মধ্যে দিয়া এসে গেলো। কলিং বেল বাজাতেই আমি ছুটে গিয়ে দরজা খুলে ওকে ভেতরে নিয়ে আসলাম। আমি ওকে নিজের ঘরে এনে জড়িয়ে ধরলাম। দিয়া বলল, " কোথায় গেছিলে তুমি?জানো কতবার ফোন করেছি তোমাকে।" আমি ওর কানের কাছে র চুল সরিয়ে ওকে ভালো করে নিজের বুকে জড়িয়ে ধরে বললাম, " সব বলছি। তার আগে একটু আদর করে নি তোমায়।জানি না কে বলতে পারে। সব কিছু শুনবার পর তুমি আর আমার সঙ্গে থাকতে চাইবে না। তোমাকে পেয়েও হারিয়ে ফেলবো।" দিয়া বলল " বুঝেছি রাত ভোর আমাকে নিয়ে দুষ্টুমি করবে এই জন্য ডেকে পাঠিয়েছ। আমাকে অনেক কথা বলবার আছে এসব আমাকে এত রাতে এখানে ডেকে আনবার ফন্দি। তুমিও না পারো। মামনির সাথে কথা বলেছ?" আমি দিয়ার বুকে নিজের মুখ ঘষতে ঘষতে জবাব দিলাম, মা কে text korechi। কাল সকাল বেলা কথা বলে নেবো। এখন ওসব কথা থাক। আমাকে তুমি বল, আমাকে বিশ্বাস করবে তো?. দিয়া: উফফ সুরো, তোমাকে বিশ্বাস না করলে এত রাতে এভাবে তোমার কাছে ছুটে আসতে পারি। আমি এটা বুঝেছি তোমার জীবনে আমার মতই অনেক গুলো অপ্রিয় সত্য আছে। যেগুলো তুমি বলতে ভয় পাচ্ছো। যাই হয়ে থাক আমি সব সময় তোমার পাশে থাকবো। কারণ আমি জানি তুমি মানুষ হিসেবে খুব ভালো। আমি দিয়ার গালে চুমু খেয়ে ওকে বিছানায় বসিয়ে বললাম। তোমাকে সব খুলে বলতেই ডেকেছি। রুমা আন্টি বলে একজন নারী আমার জীবনে অভিশাপ হয়ে নেমে এসেছে। তুমি হয়তো আন্দাজ করেছ আমার মা কে দেখে কিছুটা আজ তোমাকে পুরো সত্যি টা খুলে বলছি। জানো না আমার মা একজন পেশাদার high-class বেশ্যা। সেই সুবাদে মায়ের কিছু এমএমএস ভিডিও আর আপত্তিকর ছবি রুমা আন্টি র কাছে আছে। সেটা রুমা আন্টি বার বার পাবলিক করে দেওয়ার ব্ল্যাকমেল করে আমাকে দিয়ে নিজের প্রয়োজন মিটিয়ে নেওয়ার নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে। রুমা আন্টির কথা তে আমাকে বেশ কয়েক জন আন্টির সঙ্গে শুতে হয়েছে। এখন দিন দিন রুমা আন্টির চাহিদা বেড়ে চলেছে। Ruma auntyr chahida puronei Kal amake Shankar pur ER ekta resort e jete হয়েছিল। ওখানে গিয়ে দেখতে পেলাম ওরা কিসব অ্যাডাল্ট ছবির দৃশ্য শুট করছে। একজন প্রো ফিমেল আর্টিস্ট কেও hire Kara হয়েছিল। আমাকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ঐ কাজে পার্টিসিপেট করতে হয়েছিল। আবার কাল বাদে পরশু ও রুমা আন্টি আসবে আমাকে একটা পার্টি টে নিয়ে যাবে। বিশ্বাস করো দিয়া, মায়ের ভিডিও গুলো যাতে public na hay tai Ami diner por din EI bhabe mulyo chokacchi। Kintu aar parchi naa। Ami ruma auntyr kothay nongra kaj korte korte hafiye উঠেছি। তোমাকে সব খুলে বললাম। তোমার উপরেও ওর নজর আছে। তাই আমার সাথে তুমি আর সম্পর্ক রাখবে কিনা plz bhebe dekhbe। Ami ar tomar kache esab lukiye rakhte parchi naa।" দিয়া: এসব কথা এতদিন বলো নি কেনো? তোমার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ওতো তাও ঠুনকো না যে এই কারণে এটা ভেঙে যাবে। আমার মায়ের ব্যাপারে, আমার আগের লাইফস্টাইল এর সব কিছু জানবার পরেও তো তুমি আমাকে অ্যাকসেপ্ট করেছ। তো আমি কেন তোমাকে ভুল বুঝবো। আন্টি কে আমিও চিনি ভালো করে। ওরকম স্বার্থপর বদ মহিলা আর দুটো হয় না। একটা সময় ও আমার মার কাছেও রেগুলার jet তো, মা এই সব বেশ্যা গিরির ট্রেনিং দিয়ে মার character teo নষ্ট করেছে। আমার ধারণা তোমার মার এই দশার জন্যও এই রুমা aunty onek ongshe dayi তুমি ওর মতন নারীর পাল্লায় পড়েছ জেনে খুব খারাপ লাগছে। ওর কথায় ভয় পেয় না। ভয় পেলে রুমা আন্টি তোমাকে দিয়ে একের পর এক নোংরা নোংরা কাজ করিয়েই যাবে। তোমাকে শেষ করে ছাড়বে। সে যতই ব্ল্যাকমেল করুক তুমি ওর কথায় আর কোনো কাজ করবে না। ওকে আমি সামলে নেব। অনেক হয়েছে এবার একটা quick espar ospar korbar samoy এসেছে। বড্ড বার বেড়েছে এই মহিলা। তাকে থামাতে হবে। আমি কাল কেই ওর সাথে দেখা করছি।" আমি ওর গালে আবারো চুমু খেতে খেতে বললাম এই না ওর সামনে যাওয়ার দরকার নেই। বললাম না ওর তোমার উপর নজর আছে। রুমা আণ্টি নিজে অনেকবার তোমাকে or kache niye jawar kotha boleche। Or kache gele tomar o সর্বনাশ করে ছারবে। তুমি আমার পাশে আছ এটাই অনেক। আমি দেখছি কি করা যায়। দরকার পড়লে আমি আইনের সাহায্য নেব। এখন এসো তো আমরা শুয়ে পরি আমার তোমাকে খুব আদর করতে ইচ্ছে করছে।" এই বলে ওর সালওয়ার এর স্ট্রিপ আমি টান মেরে খুলতে লাগলাম। দিয়া ও আমার আহ্বানে সারা দিল। ও আমার শার্ট এর বাটন খুলতে খুলতে বলল, " তুমি চিন্তা করো না। আমি রুমা আণ্টি কে আগেও হ্যান্ডেল করেছি। এবারেও পারবো। তোমার কি ধারণা রুমা আণ্টি আমার সর্বনাশ করতে কিছু বাকি রেখেছে। তুমি জানো না আমার স্নানের এমএমএস ভিডিও ওর কাছে আছে। তাই নতুন করে কি নিয়েই ভয় দেখাবে? আমি কথা বলে ওকে ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে আসবো আমরা ওর কোনো ব্ল্যাকমেল এর ধার ধারি না।"

আবার আমাদের চাদর বুক অব্ধি টেনে নিয়ে একসাথে জোরাজুরি ভাবে শুতে হলো, আমাদের হাঁটুর নিচ থেকে পা খোলা ছিল, ওখানে চাদরের আবরণ ছিল না। আমাদের আপার বডি টে একটু জেল স্প্রে করে ঘামে ভেজার মতন লুক সেট করা হলো। ঈশানি আণ্টি অ্যাকশন বলতেই, মিস সোনালী আমার মুখের কাছে নিজের মুখ নিয়ে এসে একটা চুমু খেল, তারপর দুলাইন রোমান্টিক সংলাপ বলে আমার শরীরের সাথে নিজের শরীর অ্যাটাচ করে ডান হাত বাড়িয়ে আমার চুলে বিলি কেটে দিতে লাগলো। পাঁচ মিনিটে এই শট শেষ হলো। মিস সোনালী আমাকে ছেড়ে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ে নিজের হাউস কোট টা পরে নিল। ওদের হাত থেকে সাময়িক ভাবে মুক্তি পেলাম। আমার মাথা তখনও নেশার ঘোরে ঘুরছিল, আমি ড্রেস পরে কিছুক্ষন একটা চেয়ারে বসেছিলাম। সেই সময় আমার দশ হাত দূরে দাড়িয়ে মিস সোনালী আর রুমা আণ্টির মধ্যে কি একটা আলোচনা হচ্ছিল চাপা গলায় সেটা আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না। কয়েক মিনিট ওদের মধ্যে কথা চলবার পর দেখলাম, রুমা আণ্টি কি একটা প্রসঙ্গে সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল। তাতে মিস সোনালী আপ্লুত হয়ে নিজের পার্স থেকে একটা কার্ড বার করে রুমা আন্টির হাতে দিল। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে রহস্যময় ভাবে হাসলো। মিনিট খানেক পর মিস সোনালী আমার দিকে একটা ফ্লাইং কিস ছুড়ে দিয়ে ঐ রুম ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন। পরে জেনেছিলাম ওনার কলকাতা ফেরার তাড়া ছিল, পর পর সব সিরিয়াল web সিরিজ, অ্যাড ফিল্ম শুটিং এর ডেট দেওয়া ছিল। রুমা আন্টি এরপর আমাকে হাত ধরে আমাদের রুমে নিয়ে আসলো। শুটিং প্যাক আপ করে ঈশানি আন্টিও আমাদের কে join করল। সেদিন আমাদের লাঞ্চ করতে করতে চারটে বেজে গেছিলো। চমৎকার মাছ আর ভাত দিয়ে লাঞ্চ করে, আমরা আধ ঘণ্টা মতন সময় সিবিচে ঘুরে কাটিয়েছিলাম। তারপর বিকেল পাঁচটা নাগাদ গাড়ি করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। আমি খুব ক্লান্ত ছিলাম, গাড়িতে ওঠার মিনিট খানেক এর মধ্যে, রুমা আন্টির কাধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রুমা আন্টির গা থেকে একটা মিষ্টি বডি পারফিউম এর সুবাস ভেসে আসছিল। যা আমার ইন্দ্রিয় গুলোকে কেমন যেন অবশ করে দিয়েছিল। চলন্ত গাড়ির মধ্যে আমার সঙ্গে কি হলো জানা নেই, আমি যখন আমাদের বাড়ির সামনে পৌঁছলাম বেশ রাত হয়ে গেছিল। রুমা আন্টি আমাকে জাগিয়ে দিল। দেখলাম আমার জামার বোতাম সব খোলা, চুল অবিন্যস্ত। সব থেকে আশ্চর্য্যের বিষয় সারা রাস্তা ঘুমিয়ে আসার পরেও ক্লান্তি বোধ হচ্ছিল। আমি শার্ট টা ঠিক করে নামতেই আমার পেছন পেছন রুমা আন্টিও নামলো, সে আমাকে একটা হাগ করে কাধের কাছে একটা চুমু খেয়ে বলল, " সুরো তুমি যে ভাবে আমাদের কথা শুনে চলেছ লক্ষ্মী ছেলের মত কাজ করেছ। আমি আর ঈশানি দুজনেই তোমার উপর খুব ইমপ্রেস হয়েছি। এই নাও তোমার পারিশ্রমিক।" আমার হাতে একটা টাকা ভর্তি সাদা এনভেলাপ ধরিয়ে দিল। আমি অবাক হয়ে ওটার দিকে তাকিয়ে রইলাম। রুমা আন্টি আমার গাল টিপে আদর করে বলল, কি ভাবছো হ্যান্ডসম, এটা তো কিছুই না, আগে আগে দেখো হোতা হে ক্যা। তুমি লাখ লাখ টাকা নিয়ে খেলা করবে। তোমার মধ্যে সব কিছুই আছে। সেগুলোকে সময় মতন কাজে লাগাতে হবে। আমি আছি চিন্তা কর না। সব কিছু আস্তে আস্তে শিখে যাবে আমার সঙ্গে চলতে চলতে। নাও একদিন রেস্ট নিয়ে নাও। পরশু সন্ধ্যেবেলা আমি আবার আসবো তোমাকে নিতে। একটা বিশেষ পার্টির নেমন্তন্ন আছে। তোমাকে সেখানে যেতেই হবে। উহু কোনো কথা শুনবো না। চলো bye পরে দেখা হচ্ছে।" রুমা আন্টিরা চলে যাওয়ার পর আমি বাড়ির ভেতর আসলাম। আমার চোখে মুখে বুকে ওদের লিপ্স মার্ক ছিল সেগুলো পরিষ্কার করে আমি যখন ফাইনালি বিছানায় শুয়ে পরলাম। আমার হটাৎ খেঁয়াল হলো গতকাল রাত থেকে ফোন টা সুইচ অফ রয়েছে। মা বা দিয়া কেউ কল করে থাকলে আমাকে পায় নি। তাই প্রথমেই ফোন টা র পাওয়ার অন করলাম। ফোন টা খুলে যা ভেবেছিলাম তাই নজরে পড়লো, টোটাল ৫৬ টা মিস কল এসেছে। যার মধ্যে বেশির ভাগ এসেছে দিয়ার কাছ থেকে। আমি সঙ্গে সঙ্গে দিয়া কে কল করলাম। দিয়া কল রিসিভ করেই বেশ উষ্মা প্রকাশ করে আমাকে বলল, " কি ব্যাপার কি তোমার? কোথায় গায়েব হয়ে গেছিলে? তোমার বাড়িতে গেছিলাম আজ সকালে তালা বন্ধ ছিল। এখন কি ফিরেছ?" আমি বললাম, এই দশ মিনিট হল ফিরলাম। দিয়া: কোথায় চলে গেছিলে? ফোন টা সুইচ অফ বলছিল। আমি চিন্তায় পড়ে গেছিলাম। আমি তোমার মামনি কেও কল করেছিলাম। একটা অন্য লোক ফোন ধরেছিল। বিশেষ দরকার বলতে তোমাকে পাওয়া যাচ্ছে না বল তে তোমার মা কে লাইন টা দিলেন। উনিও কিছু বলতে পারলেন না। তোমার মামনি চিন্তায় আছে। কল করে কথা বলে নিও। কোথায় গেছিলে তুমি? যেখানেই যাও, একবার বলে তো যাবে। আমি: সে মার সাথে কথা বলছি। কিন্তু তোমাকে আমার অনেক কথা জমে আছে। একবার আসবে আজ রাতে আমার কাছে? তোমার সব প্রশ্নের উত্তর আমি দেব। সব কিছু খুলে বলবো। Plz chole eso naa একটি বার আমার কাছে।

উনি আমার হাত ধরে সিনের মধ্যে প্রবেশ করলেন। ঈশানি আন্টির দেওয়া কিছু রোমান্টিক সংলাপ বলে আমাকে আবার রিহার্সালের মতন করে জড়িয়ে ধরলেন। ঈশানি আন্টি কাট বললেন। First scene প্রথম চেষ্টা টেই ভালো ভাবে উৎরে গেল। সমস্যা টা শুরু হল দ্বিতীয় দৃশ্য থেকে। ঐ দৃশ্যে আমার আর সোনালী দেবীর একটা রগরগে কিসিং scene ছিল। সম্পূর্ণ অচেনা একজন নারী যার সঙ্গে মাত্র কয়েক মিনিট এর আলাপ তার সামনে ইজি হতে আমার ভীষন অসুবিধা হচ্ছিল। সোনালী দেবীর দেখলাম লাজ লজ্জা শরমের কোনো বালাই নেই। উনি দিব্যি আমাকে জড়িয়ে ধরে অন ক্যামেরা কিস করতে আরম্ভ করলেন। আর সিন তাকে আরো রগ রগে করে তুলতে ঈশানি আন্টির কথায় এসে মিস সোনালী নিজের জিভ আমার মুখের ভিতর ঢুকিয়ে ছাড়লেন। দশ মিনিট ধরে কিসিং সীন চলবার পরে আমাদের কে পরিপাটি ভাবে সাজানো বিছানার উপর যেতে নির্দেশ দেওয়া হলো। ঈশানি আন্টি অ্যাকশন বলতেই, মিস সোনালী আমার শার্ট এর বোতাম একটু একটু করে খুলতে আরম্ভ করলো। আমার শার্ট টা পুরো গা থেকে আলাদা করে বিছানার এক পাশে ছুড়ে ফেললো। তারপর ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কামড়ে নিজের হাউস কোট টাও খুলে সেমি নুড হয়ে আমাকে বিছানায় পুশ করলো। আমার কোলের উপর চড়ে সত্যিকারের প্রেমিকার মতন আদর করা শুরু করলো। ড্রিংক টা খাওয়ার পর থেকে ভীষন টিপসি লাগছিল, কাজেই মিস সোনালী র সঙ্গে পেরে উঠলাম না। মিনিট পনেরো ধরে উত্তেজক কিসিং আর স্মুচিং করবার পর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ মুহুর্ত উপস্থিত হল। ঘরের লাইট কমিয়ে দিয়ে আমাদের কে বিছানায় শুয়ে পড়তে ইনস্ট্রাকশন আসলো। দুজন কে দুটো আলাদা চাদর দেওয়া হলো নিজেদের নগ্নতা ঢাকবার জন্য, আর তার উপর দিয়ে আরেকটা বড়ো সাদা চাদর আমাদের শরীরের উপর বিছিয়ে দেওয়া হলো। তারপর ঈশানি আন্টি সবকিছু রেডি করে নিয়ে আমাদের কে আরো ইন্টিমেট হওয়ার নির্দেশ দিলেন। আমি একটা ঘোরের মধ্যে বিচরণ করছিলাম। মিস সোনালীই আমার জড়তা কাটানোর উত্তর দায়িত্ব যেন নিজের কাধে তুলে নিয়েছেন। জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে খেতে হটাত করে আমার কোমরের উপর চড়ে ইন্টারকোর্স স্ট্রোক নেবার পোজ করে উনি নিজের শরীর উপর আর নিচে ঝাকাতে লাগলেন। আমার পুরুষ অঙ্গ টা উত্তেজনায় নারী দেহর ছোওয়া পেয়ে ফুলে ফেঁপে উচিয়ে উঠেছিল। সেটা মিস সোনালীর কোমরের নিচে বিশেষ স্থানে ধাক্কা খাচ্ছিল। আর তাতেই উনি মুখ দিয়ে নানা moaning sound bar Kore scene ta biswas jogyo korbar apran chesta চালাচ্ছিলেন। সোনালী দেবী এক হাত দিয়ে আমার বুকের উপর রেখে নিজের শরীরের ভারসাম্য রাখছিলেন আর অন্য হাত দিয়ে বুকের কাছের চাদর টা চেপে ধরে নিজের স্তন ঢাকছিলেন। মিনিট দশেক এই পজিশনে শট দেওয়ার পর ঈশানি আন্টি কাট বললেন। শট টা এক বারের প্রচেষ্টায় ভালো ভাবে উৎরে গেছিলো। ঈশানি আন্টি কাট বলতেই সেটে উপস্থিত সকলে হাততালি দিয়ে উঠলো। ঈশানি আণ্টি এগিয়ে এসে বলল "সুরো, তুমি তো আজ সিম্পলি ফাটিয়ে দিয়েছ। এক্সাক্টলি যা চেয়েছি তুমি সেটাই করে দেখালে। এই ভাবে চললে তুমি অনেক উন্নতি করবে.... আর মিস সোনালী, আপনাকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলবার নেই। এক কথায় এক্সিলেন্ট। আমি খুব লাকি এই প্রজেক্ট টায় আপনার সাথে কাজ করতে পেরে। আচ্ছা যদি কিছু মাইন্ড না করেন, একটা কথা বলবো, আমি ভাবছিলাম যদি আপনি নিজের শরীর টা আরেকটু এক্সপোজ করতেন, আই থিঙ্ক ইট উইল বি মোর বেটার। " মিস সোনালী একটা সিগারেট ধরিয়ে, চোখ বন্ধ করে ধোওয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল, " এই পেমেন্টে এই টুকুই দেখানো যাবে, আপনি আমার ভাগের টাকাটা বাড়ান, পেমেন্ট ডবল করে দিন। যা যা দেখাতে বলবেন সব কিছু খুলে দেখিয়ে দেবো। এই যে এতক্ষন ধরে আমার Backless parts tullen, ota ki যথেষ্ট নয়? " ঈশানি আণ্টি বলল, " ওকে আই আন্ডার স্ট্যান্ড, এবারের মতন ঠিক আছে, নেক্ট প্রজেক্টে আপনি থাকছেন সেটা আমরা হিউজ ভাবে শুট করবো। সেখানে বাকিটা দেখানো যাবে হা হা হা... এখন একটা আফটার সেক্স bed romance scene shlot korbo, যেখানে আপনারা সেক্স এর পর জোরে জোরে শ্বাস ছাড়বেন। আর সুরো র গালে চুমু খেয়ে ওর চুলে বিলি কেটে দেবেন। ঠিক আছে??"

মিস সোনালী আমার মুখের দিকে তাকিয়ে একটা ইঙ্গিত পূর্ণ হাসি হেসে বলল, " ওকে লেট সি, মিস্টার সুরো আমার সঙ্গে কিভাবে সিন তাকে জবরদস্ত করে তোলে।" " আই নো ইটস ইউর ফার্স্ট টাইম। কম অন হ্যান্ডসম, লেটস ডু সাম রিহার্সাল। আমাকে নিজের গার্ল ফ্রেন্ড হিসেবে কল্পনা কর। অ্যান্ড সেই ভাবে আমাকে ইমোশন দিয়ে জড়িয়ে ধরে হাগ কর।" এই বলে মিস সোনালী চেয়ার ছেড়ে উঠে দাড়ালেন। হাত দিয়ে আমাকে ওর দিকে এগিয়ে আসতে ইশারা করলেন। আমি ওনার মতন একজন জনপ্রিয় টিভি অ্যাকট্রেস কে টাচ করতে ইতস্তত বোধ করছিলাম। আমি ঈশানি আন্টির দিকে তাকালাম, উনিও আমাকে মিস সোনালীর কথা শুনে রিহার্স করতে বলল। আমি একটু একটু করে মিস সোনালীর দিকে এগিয়ে গেলাম। ওর সামনে যেতে আমাকে বিশেষ কিছুই করতে হল না। মিস সোনালী আমাকে নিজের শরীরের দিকে টেনে নিয়ে জড়িয়ে ধরলেন। এমন ভাবে জড়িয়ে ধরেছিলেন, ওনার স্তনের উপরের অংশ আমার বুকে ঘষা খাচ্ছিল। এই জড়িয়ে ধরার পর, আমার খুব অস্বস্তি লাগছিল সেই সঙ্গে সোনালী দেবীর মতন এক সুন্দরী সেক্সী অভিনেত্রীর আবেদনে আমার শরীর এর প্রতিটি রোম যেন উত্তেজিত হয়ে উঠেছিল। বেশ কয়েক মিনিট জড়িয়ে থাকবার পর যখন উনি ফাইনালি আমাকে ছাড়লেন আমার মুখ লজ্জায় লাল হয়ে গেছে। এরপর সোনালী দেবী ওর সামনে রাখা মদের পেয়ালা টা আমার মুখের সামনে ধরলো, আমাকে উদ্দেশ্য করে বললো, " সুরো এটা তো প্রথম বার, তাই এটা খেয়ে নাও, এটা নিলে তোমার নার্ভ টা ঠান্ডা হবে, ব্যাপার টা খুব ইজি হয়ে যাবে।।" আমি না না করছিলাম কিন্তু মিস সোনালী আমার কথা শুনলেন না। সে নিজের হাতে করে ঐ গ্লাসের পানীয় টা আমার মুখে একটু একটু করে ঢেলে গ্লাস টা খালি করে দিল। এমনিতে র ড্রিংক খাওয়ার আমার খুব একটা অভ্যাস ছিল না। ওটা খাওয়ার সাথে সাথে ড্রিংকের ঝাঁঝ সামলাতে না পেরে আমার বেশ কাশি হলো। কাশি সামলে লক্ষ্য করলাম মাথা টা ঝিম ঝিম করতে শুরু করেছে শুধু তাই না চোখের দৃষ্টি ও ঝাপসা হয়ে এসেছে। ঈশানি আন্টির নির্দেশ কানে ভেসে আসলো যে ফার্স্ট শট নেওয়ার জন্য রেডি, আমরা যেন তাড়াতাড়ি পজিশনে চলে আসি। মিস সোনালীর পার্সোনাল অ্যাসিস্টেন্ট যিনি ছিলেন, উনি এগিয়ে এসে ওনার গা থেকে হাউস কোট টা খুলে নিলেন, পর মুহূর্তে মিস সোনালীর পিঙ্ক কালারের হাউস কোট এর নিচে পড়া সেক্সী ওয়েস্টার্ণ বেবিডল আউটফিট টা দৃশ্যমান হল। বেবিডল আউটফিট এর নিচ থেকে লাল রঙের ব্রার স্ট্রিপ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। এছাড়া হালকা লাল লিপস্টিক আর চোখে লাগানো মাসকারা তে তাকে সেই মুহূর্তে স্বপ্নের সুন্দরী রহস্যময়ী নারী মনে হচ্ছিল। যে ভাবে ওকে সাজানো হয়েছিল তাতে সোনালী দেবীর যৌন আবেদন যেন আরো কয়েক শো গুন বেড়ে গেল।

রুমা আন্টি: তুমি পারবে না তো কে পারবে। তুমি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছো। কিছু প্রব্লেম হবে না। তোমার মা জানতে পারবে না। আর যদিও জানে তার তোমাকে কিছু বলবার মুখ আর নেই, যদি ইন্দ্রানী এই বিষয়ে কিছু বলে তখন তার নিজের দিকে আঙ্গুল উঠবে। তোমার মায়ের এরকম অনেক ফিল্ম ফটো album বিদেশে বিক্রি করা হয়েছে, ভবিষ্যতেও হবে। আর একটা ব্যাপারে নিচ্ছিত থাকো। এটা এই দেশে পাবলিশ করা হবে না। Malysia সিঙ্গাপুর এর একটা web Portal kichu bisesh members jara taka diye ৩ বছরের subscription kine রেখেছে তারাই দেখতে পারবে। কম অন সুরো তুমি এটা করে অনেক অনেক টাকা পাবে। সামনে অনেক বড়ো বড়ো কাজ পাবে। এই প্রজেক্ট tar pasapasi ঈশানি তোমার portfolio baniye debe।" ঈশানি আণ্টি আমার সামনে এসে বললো, " চিয়ার আপ মাই বয়, দেখো প্রথম প্রথম একটু নার্ভাসনেস থাকে। এটা সময়ের সাথে কেটে যাবে। তুমি ঠিক পারবে। আমরা আছি তো। এসো তোমাকে তোমার কো স্টার এর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দি। দেখো তো চিনতে পারো কিনা। ইনি কিন্তু টেলিভিশনে অভিনয় করে রীতিমত নাম করেছেন।" ঐ রুমের একটা কর্নারে একজন সুন্দরী লাস্যময়ী মধ্য তিরিশের এক নারী হাউসকোট পরে মেক আপ আর্টিস্ট এর কাছে মেক আপ নিচ্ছিলেন, তার এক হাতে একটা সিগারেট জ্বলছিল। সামনে টেবিলে হার্ড ড্রিংক ভরা গ্লাস ও রাখা ছিল। আমি ঈশানি আন্টির সঙ্গে তার সামনে যেতেই, উনি সিগারেট টায় একটা লম্বা টান দিয়ে অনেক খানি ধোওয়া ছেড়ে আমার দিকে কৌতূহল সহকারে তাকালো। আমার ওনাকে চিনতে কোনো অসুবিধা হল না। উনি অনেক বছর ধরে টেলিভিশনে বিভিন্ন সিরিয়ালে অভিনয় করে রীতিমত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তবে উনি সতী সাবিত্রী মার্কা বউ বা শাশুড়ি মায়ের চরিত্র তেই সাবলীল অভিনয় করতেন। আমার মা একটা সময় ওনার অভিনীত টিভি সিরিয়াল নিয়মিত দেখতো। ওনার ঐ সতী সাবিত্রী ইমেজের বাইরে যে এরকম একটা সিক্রেট অবতার আছে জেনে শকড হলাম। ঈশানি আণ্টি আমার সাথে ঐ অভিনেত্রীর আলাপ করিয়ে দিল। ঈশানি আণ্টি বলল, " মিস সোনালী , মিট ইউর কো অ্যাক্টর, ইনি সুরো। Debutant artist, inexperienced, apnake Ektu মানিয়ে গুছিয়ে নিতে হবে।" মিস সোনালী আমার দিকে তাকিয়ে ভালো করে জরিপ করে নিয়ে বলল, " নট ব্যাড, দেখতে তো ভালই মনে হচ্ছে। বাকিটা আমাদের সঙ্গে থাকতে থাকতে automatic হয়ে যাবে। তুমি কিচ্ছু ভেবো না। আমি শিখিয়ে পড়িয়ে নেবো। Now tell me, তোমার first শট এর জন্য রেডি হতে আর কত সময় লাগবে?" ঈশানি আণ্টি: আর পাঁচ মিনিট সময় লাগবে...

দশ মিনিটের ও বেশি সময় ধরে আমাকে শাওয়ারের মধ্যে আদর করে আমার অর্গানিজম বার করে ছাড়লো। রুমা আণ্টি আমার ঠোঁটে একটা গভীর চুমু খেয়ে ছেড়ে ওয়্যাশ রুম থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মিনিট কয়েক পর ঈশানি আন্টিও তার জায়গায় এসে আমাকে ব্যাস্ত করে তুললো। একই ভাবে আমাকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। আমার প্রাইভেট পার্টস হাতে নিয়ে খেলল, মাথা নিচু করে আমার টা মুখেও নিল। তারপর আমাকে গরম করে দিয়ে ঈশানি আণ্টিও সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে আমার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভাবে হট শাওয়ার নিল। আর শুধু আমাকে প্যাশনেট ভাবে আদরই করে গেল না, আমার বুকের মাঝে কামড়ে আচড়ে রীতিমত লাল দাগ করে ছাড়লো। আমার ইচ্ছে না হলেও ঈশানি আণ্টির গোপন অঙ্গে শাওয়ার নিতে নিতেই বাড়া ঢোকাতে হয়েছিল। ওয়াশ্ রুমের এক দিকের দেওয়ালে হাত দিয়ে সাপোর্ট রেখে ঈশানি আণ্টি আমার সঙ্গে দাড়িয়ে দাড়িয়েই যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিল। তার আদর সহ্য করে আরো মিনিট পনেরো পর আমি যখন ছাড়া পেলাম উত্তেজনায় আমার সর্বাঙ্গ থর থর করে কাপছে আর বাড়া টা ব্যাথায় রীতিমত টন টন করছে। দুজন সমত্ত নারীর সঙ্গে অল্প সময়ের ব্যাবধানে রতি ক্রিয়ার ফলে শরীর ক্লান্ত হয়ে গেছিল। ব্রেক ফাস্ট করেই ঈশানি আণ্টি একটা অ্যাট্রেক্টিভ স্লিভলেস টপ আর স্কার্ট পরে রেডি হয়ে আমাদের রুম ছেড়ে বেরিয়ে গেল। রুমা আন্টির সঙ্গে আমি ঐ রুমেই থেকে গেলাম। আমি একটু বিছানায় শুয়ে রেস্ট নেব ভাবছিলাম। রুমা আন্টিদের আদরের ঠেলায় রাতেও সেভাবে ঘুম হয় নি। কিন্তু আমার রেস্ট নেওয়া হলো না। রুমা আণ্টি আমাকে জোর করে উঠিয়ে, মুখে সামান্য মেক আপ করিয়ে, গলায় দুটো ভারী সোনার হাড় পড়িয়ে, তার সঙ্গে সাদা রঙের ইমপোর্টেড শর্ট ট্রাউজার আর সাদা স্লিভলেস t-shirt পড়িয়ে রেডি করিয়ে পাশের রুমে নিয়ে গেল। রুমা আণ্টির হাত ধরে পাশের রুমে গিয়ে সমস্ত আয়োজন দেখে চমকে উঠলাম। ওখানে আরো ৪-৫ জন লোক উপস্থিত ছিল, সেই সাথে শুটিং এর সব লাইট ক্যামেরা উইংস রেডি হয়ে ছিল। ঈশানি আণ্টি সবাইকে ডিরেকশন দিচ্ছিল। আমি ওখানে গিয়ে পৌঁছতেই ঈশানি আণ্টি আমাকে গলা জড়িয়ে একটা হাগ করলো। তারপর আমাকে একটা চেয়ারে বসিয়ে নিজের ল্যাপটপ টা এগিয়ে দিল। ঈশানি আন্টির ল্যাপটপে একটা বিশেষ ফাইল ওপেন ছিল, সেখান থেকে একটা ভিডিও ক্লিপ ঈশানি আণ্টি প্লে করলো। ভিডিও টা দেখে আমি চমকে উঠলাম। ওটা আমার মায়ের ই একটা এমএমএস ভিডিও।ওখানে আমার মা শহরের এক ধনী শিল্পপতির কম বয়সী টিন এজার ছেলের সঙ্গে প্রাইভেসি মোমেন্ট এনঞ্জোয় করছে। ছেলেটি জবু থবু হয়ে বসে আছে, কেমন যেন একটু ভীত সন্ত্রস্ত, আমার মা তার কোলের উপর চড়ে একটু একটু করে তার virginity নিচ্ছে। আর ছেলেটিকে জোর করেই তার সঙ্গে অন্তরঙ্গ হতে বাধ্য করছে। ভিডিও টা দেখতে দেখতে মার পোশাকের দিকেও নজর গেল। একটা পাতলা সতিন স্লিভলেস নাইটি পরে মা কে পুরো sex godness dekkhacche। ভিডিও তে পড়া মার Nighty ta এতটাই ট্রান্সপারেন্ট ছিল যে তার নিচে পড়া প্যানটি টা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। ঐ ধরনের সেক্সী নাইট ড্রেস পরে কোনোদিন নিজের মা কে দেখতে পারবো স্বপ্নেও ভাবিনি। এছাড়া ঐ ভিডিও ক্লিপের background ta dekhe Amar haat paa thanda Haye গেছিলো। কারণ আমার বুঝতে বাকি ছিল না যে ঐ ভিডিও টা রবি আঙ্কেল এর উদ্যোগে আমাদের বাড়িতেই মায়ের বেডরুমের ভিতরে শুট করা হয়েছে। আর মা কে না জানিয়েই হয়তো কিছুটা দূর থেকে ভিডিও টা রেকর্ড করা হয়েছে। ভিডিও টা দেখে আমার অস্বস্তি লাগছিল। আমি ওটা বন্ধ করতে অনুরোধ করলাম। রুমা আণ্টি আমার মুখ দেখে মনের কথা আন্দাজ করে নিয়েছিল। সে সাথে সাথে ভিডিও টা বন্ধ করে দিল। সেই সঙ্গে আমার সামনে নির্লজ্জের মতন হাসি হাসতে লাগলো। যেটা দেখে আমার ভিতর টা জ্বলে পুড়ে যাচ্ছিল অসহ্য মানষিক যন্ত্রণায়। ঈশানি আন্টিরা ভিডিও টা দেখিয়ে আমাকে পরিষ্কার বুঝিয়ে দিল যে আমাকেও ঐ শিল্পপতির ছেলেটির মতন সেক্সুয়াল harassment ER victim চরিত্রে অভিনয় করতে হবে। মায়ের সাথে ছেলেটির ব্যাপার টা আসল ছিল। আমাকে সেই ক্ষেত্রে পুরোটা না হলেও অনেক টা অভিনয় এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হবে। ঈশানি আণ্টি এও বলল যে আজ কুড়ি মিনিট এর একটা বেড সিন শুট করা হবে। আমি এই প্রস্তাবের জন্য মানষিক ভাবে প্রস্তুত ছিল না। আমাকে যখন এটা করতে বলা হল, আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমি অবাক হয়ে রুমা আন্টির মুখের দিকে চাইলাম। রুমা আন্টি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন, দেখো সুরো এই এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি তে সাকসেস পেতে গেলে কেরিয়ার এর প্রথম দিকে অনেক কম্প্রোমাইজ করতে হয়। সবাই এটা করে। তোমাকেও এখন করতে হবে। যখন সাফল্যের সিড়ি দিয়ে চট পট উপরে উঠে যাবে এসব কথা তোমার মনেই থাকবে না। আর কেউ জানতেও পারবে না কিসের বিনিময়ে তুমি সাফল্য পেয়েছো। কারণ তোমার মুখ আর আইডেন্টিটি প্রকাশ করা হবে না। আমি বললাম, " এটা হয় না। ছি ছি এসব আমি করতে পারবো না। মা জানতে পারলে আমাকে মেরে ফেলবে...।"

এরপর আমাকে বিব্রত করে, রুমা আণ্টি আমার শার্ট এর বাটন খুলতে আরম্ভ করলো। আমি অবাক হয়ে রুমা আণ্টির দিকে তাকালাম। রুমা আণ্টি আমার শার্টের সব বোতাম একে একে খুলে শার্ট টা আমার শরীর থেকে খুলে আলাদা করে দিয়ে বলল, " কি বলেছিলাম না সুরো, একদম লজ্জা পাবে না। এখন থেকে তোমাকে সুন্দরী মহিলা দের সামনে শার্ট খুলতে হবে। তবেই তো আরো বেশি করে করে কাজ পাবে। হি হি হি..." । আমি কিছু বলে উঠবার আগেই রুমা আণ্টি আমাকে বেসামাল করার জন্য একটা বিয়ার কান খুলে বিয়ার আমার মুখের ভিতর ঢালতে শুরু করলো। বিয়ার খাওয়ার পর আমার শরীর আপনা থেকেই গরম হয়ে গেছিল। তারপর কয়েক মুহুর্ত পর দুজনে দুই পাশ দিয়ে চেপে ধরে আমাকে পাগলের মত কিস করতে শুরু করলো আমি আর ওদের কে আটকাতে পারলাম না। আস্তে আস্তে আমার প্যান্টের জিপেও ওদের হাত পড়ল। রুমা আণ্টি রা প্যান্টের বেল্ট খুলে জিপ নামিয়ে ধীরে ধীরে আমাকে নগ্ন হতে উৎসাহ দেওয়া শুরু করলো। ঈশানি আণ্টি আমাকে ওর দিকে টেনে এনে ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে লিপ কিস করতে বাধ্য করলো। আমি যখন ছাড়তে গেলাম ঈশানি আণ্টি কিছু টা জোর করেই আমাকে ওর শরীরের সঙ্গে জড়িয়ে রাখলো। আমি যখন চোখ বন্ধ করে ঈশানি আণ্টি র আদর সহ্য করছি রুমা আণ্টি আমার প্যান্ট খুলে নামাতে নামাতে বলল, " কি সুরো কেমন লাগছে। Lets enjoy! তোর মা কে রবি আঙ্কেল ভালো মতন তৈরি করে নিয়েছে। এবার তোকে আমরা ঘশে মেজে তৈরি করে নেবো। প্রথম প্রথম তোর একটু অপরাধবোধ লাগবে। তারপর ইন্দ্রানীর মতন তুই নিজের থেকেই সব কিছু করবি... আর কিছু না পাস মোটা টাকা compensation pabi হা হা হা হা..." নেশার ঘোরে আমি আর বেশিক্ষন নিজের মাথা সোজা করে রাখতে পারলাম না। রুমা আণ্টির কাধের উপর ঢলে পড়লাম। সাথে সাথে দুজন সমত্ত mature nari amake Bina বাধায় ইচ্ছে মতন ভোগ করতে শুরু করলো। ওদের সাথে খেলতে খেলতে আমি চলন্ত গাড়ির মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমার ঘুম যখন ভাঙলো, আমি দেখলাম একটা হোটেল অথবা রিসোর্ট এর ফার্স্ট ক্লাস ডবল বেড ওলা রুমে আমি শুয়ে আছি। আমার পরনে কেবল মাত্র একটা আন্ডার ওয়্যার। শুধু তাই না রুমের জানলা খোলা সেখান থেকে সমুদ্রর ভেজা হাওয়া আর ঢেউ এর গর্জন ভেসে আসছে। রাতের হাং ওভার কিছুটা কাটতে, আমি বিছানায় পাস ফিরলাম, আর তারপরেই ঈশানি আণ্টি কে নগ্ন অবস্থায় আমার সঙ্গে কোমরে হাত দিয়ে জড়িয়ে এক চাদরের নিচে শুয়ে থাকতে দেখে রীতিমত চমকে উঠেছিলাম। আগের রাতের ঘটনা একটু একটু করে মনে পড়ে যাচ্ছিল। আমি ঈশানি আণ্টির হাত ছাড়িয়ে বিছানায় সোজা হয়ে বসলাম। কয়েক মুহুর্ত পর পাশের ওয়াষ রুমের দরজা টা খুলে গেল। আরেকটা চমকপ্রদ দৃশ্য রুমের ভেতরে আমার চোখের সামনে উপস্থাপিত হল। রুমা আণ্টি স্নান করে একটা টাওয়েল গায়ে জড়িয়ে নিয়ে রুমে এসে নিজের হ্যান্ড ব্যাগ খুলে হেয়ার ড্রায়ার বের করে চুল শোকাতে আরম্ভ করলো। কিছুক্ষন ধরে চুল শোকানোর পর রুমা আণ্টির নজর আমার উপর পড়লো। রুমা আণ্টি আমার মুখের সামনে এসে আমার গালে চুমু খেয়ে আদর করে বলল, " গুড মর্নিং সুরো। তুমি উঠে পড়েছ। যাও সোনা স্নান টান সেরে ফ্রেশ হয়ে নাও। তারপর আমরা ব্রেকফাস্ট করব একসাথে তারপর শুরু হবে আসল কাজ।" আমি জিগ্যেস করলাম, " আমি এখন কোথায়? কি কাজ করতে হবে? আমি বাড়ি ফিরবো।" রুমা আণ্টি: ওহ কম অন সুরো। আমরা এখানে অনির্দিষ্ট কালের জন্য আসি নি। কালকেই ফিরে যাবো। তার আগে কাজ টা সারতে হবে। আমরা এখন শংকরপুরে। এই রিসোর্ট টা নতুন হয়েছে। আমাদের কাজের জন্য একেবারে অর্ডার দিয়ে বানানো। বেশ নিরিবিলিতে সব কাজ সেরে আমরা কালকেই ফিরে যাবো। Pls ar obujh naa Haye amader sathe co operate Koro, tahole dekhbe Kono অসুবিধা হচ্ছে না। আর তোমার জন্য সারপ্রাইজ তো আছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম " কি সারপ্রাইজ? আর কি কাজ করতে হবে? রুমা আণ্টি: আরো একটু wait Koro। Sab kichu dekhte pabe। Ekhon Amar sathe Chalo toh wash রুমে তোমাকে সাবান দিয়ে clean Kore di। এই বলে আমার হাত ধরে টানতে টানতে সোজা ওয়াশ রুমে নিয়ে গেল। আন্ডার ওয়্যার জোর করে টেনে খুলে শাওয়ার চালিয়ে দিল। তারপর আমাকে শাওয়ার এর মাঝখানে দাড় করিয়ে আমার পিঠে সাবান ঘষতে লাগলো। আমার কাঁধে কানের কাছে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিচ্ছিল।সাবান মাখাতে মাখাতে নিজের টাওয়েল সরিয়ে আমাকে পিছন থেকে জাপটে আবেগ ঘন ভাবে জড়িয়ে ধরল। আমি চেষ্টা করেও রুমা আণ্টি কে ছাড়াতে পারলাম না। আমার খুব লজ্জা করছিল, রুমা আণ্টি কে বললাম " আণ্টি প্লিজ লিভ মি, কি করছ তুমি? দরজা খোলা আছে। ঈশানি আণ্টি সব দেখে নেবে।" রুমা আণ্টি আমাকে চুপ করিয়ে দিয়ে বলল," উফফ সুরো তুই না একটা বেশ্যার ছেলে, এসব দেখে দেখে তো তোর অভ্যাস হয়ে গেছে। আমার সঙ্গে ফার্স্ট টাইম করছিস তা তো নয়, এখনো তোর কিসের এত লজ্জা কিসের এত ভয় বল তো। আমার পর ঈশানি ও এখানে আসবে তোর সাথে করবে। একদম লজ্জা করবি না, সব কিছু একদম ইজি ভাবে করবি। ঈশানি খুশি হয়ে তোকে ভালো রকম ভাবে কম্পেন্সেট করবে।"

রুমা আণ্টি: হ্যা জানি। কিন্তু আজ থেকে তুই সব কিছু করবি। কম অন সুরো ইটস নট এ বিগ ডিল। তোর মাও এটা করে। এই দেখ আমিও টানছি। এই বলে আমার হাতে হুকার পাইপের নল টা মুখের সামনে ধরলো। আমিও আন্টির কথা শুনে ঐ নলে মুখ লাগিয়ে বেশ জোরে শো শো করে ধোওয়া টানলাম। অভ্যাস না থাকায় স্ট্রোক টা একটু বেশি হয়ে গেছিল। ধোওয়া গলায় আটকে বেশ কাশি হলো। কাশির চোট সামলে উঠে আমি আসল ব্যাপার টা বুঝতে পারলাম। মাথা টা একটু ঝিম ঝিম করছিল। আণ্টি এরই মধ্যে আমাকে দ্বিতীয় বার হুকাঃ থেকে ধোওয়া টানতে বাধ্য করলো। এর পর আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। আমার চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এলো। রুমা আণ্টির পাশে একজন অসম্ভব রূপসী আণ্টি এসে বসেছে এতক্ষন ঠিক করে খেয়াল করি নি। আণ্টি টা একটা স্লিভলেস টপ আর লেগিংস পরে বেশ সেক্সী অবতার নিয়ে এসেছিল। দুই কানে ঝোলা কানের দুল আর ঠোঁটে গ্লসি পিঙ্ক কালারের লিপস্টিক মেখে আণ্টি কে বেশ মোহময়ী দেখাচ্ছিল। রুমা আণ্টি আমার সাথে ওনার আলাপ করিয়ে দিয়ে বলল, "সুরো এর কথা তোকে সেদিন বলেছিলাম, আমার বন্ধু ঈশানি। গত পরশু দেশে ফিরেছে। ওর অনেক গুণ আছে। যার মধ্যে সব থেকে বড় গুন হল ঈশানি একজন প্রথম সারির ফ্যাশন ফটোগ্রাফার। আমার কাছে তোমার কথা শুনে ও তোকে মিট করতে একেবারে পাগল হয়ে উঠেছিল। ওর পরবর্তী প্রোজেক্ট টায় তোর মতন একজন যুবক কে ওর বিশেষ প্রয়োজন। কম অন ঈশানি, হি ইজ অল ইউরস... আর সুরো তোকে বলছি, ওর সামনে না একদম লজ্জা করবে না কেমন! ও যেমন টি বলবে next duidin tui Tai tai shune cholbI। Ar ishanir থেকে ভালো পর্টফলিও তোর আর কেউ বানাতে পারবে না।" আমি নেশায় চোখ পর্যন্ত ঠিক মতন করে খুলতে পারছিলাম না। এরই মধ্যে রুমা আণ্টি আর ঈশানি আণ্টি মিলে আমাকে ধরা ধরি করে ক্লাবের বাইরে গাড়ির পার্কিং লটে নিয়ে আসলো। তারপর ঈশানি আণ্টি তার গাড়ির ব্যাক সিটে আমাকে জোর করে তুলে দিল, আমি কিছু বুঝবার আগেই রুমা আণ্টি আর ঈশানি আণ্টি আমার দুই পাশে এসে বসলো। ড্রাইভার কে নির্দেশ দিতেই গাড়ি চলতে শুরু করল। আমি একবার জিজ্ঞেস করলাম, কোথায় যাচ্ছি আমরা?? রুমা আণ্টি শুনে হেসে উঠলো। আমার ঠোঁটে আঙ্গুল দিয়ে চুপ করিয়ে দিল। তারপর বলল আর তো মাত্র কয়েক টা ঘণ্টা, তার মধ্যে সব কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমরা একটা কাজে যাচ্ছি। যেটা তুই ঠিক থাক করতে পারলে ইউ উইল বি এ স্টার ইন আপকামিং ফিউচার। জাস্ট চলো আমাদের সঙ্গে দেখবি তোর জন্য অনেক সারপ্রাইজ অপেক্ষা করে আছে। ঈশানি আণ্টি অন্য পাশে থেকে নিজের ডান হাতের আঙ্গুল গুলো আমার গালে আর কাধের উপর বোলাতে বোলাতে বলল, " রুমা আমাদের পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা লাগবে, আমরা এই মূল্যবান সময় টা কি শুধু কথা বলেই ওয়েস্ট করবো, যেখানে আমাদের সঙ্গে এরকম ইউং হ্যান্ডসম একজন বয় যাচ্ছে।" রুমা আণ্টি ঈশানি আণ্টির কথার ইশারা বেশ ভালো ভাবে বুঝতে পারল। রুমা আণ্টি বলল," আমি তো সেটাই বলছি। কিন্তু সুরো ই তো একটার পর আরেকটা প্রশ্ন করে কথা বাড়াচ্ছে। কম অন ঈশানি চলো আমরা দুজন মিলে সুরো বাবু কে একটু গরম করে দি। আর সেই সাথে নিজেদের ও শরীর টা চাগিয়ে দি। তাতে ও ব্যাস্ত থাকবে আর কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না।" ঈশানি খুশিতে উত্তেজিত হয়ে রুমা আণ্টি কে সমর্থন করে বলল, " let's start, Tumi or somporke ja ja বলেছ না। উফফ ওকে চোখের সামনে দেখে ami না aar নিজেকে সামলাতে পারছি না।"

আমার মন খারাপ দেখে রুমা আণ্টি আমার মাথা তে হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করলো," কি ব্যাপার সুরো? তোর এরকম মুড অফ কেনো? কি হয়েছে? আমাকে এর মধ্যে মিস করছিস নাকি? হুম.." আমি: আমার না কিছু ভালো লাগছে না। রুমা আণ্টি: "হ্যা, সে তো বুঝতেই পারছি। তা না হলে এভাবে একা একা বসে কেউ ড্রিংক করে। কি হয়েছে বল না। আমাকে মনের কথা শেয়ার করে দেখ, ইউ ফিল বেটার। তোমার প্রব্লেম সলভ ও করে দিতে পারি।" আমি গ্লাসে আরেকটা চুমুক দিয়ে নার্ভ টা কিছুটা সেটেল করে বললাম, " যা হতে চলেছে, লোকে এবার আমাকে দেখে হাসবে...!" রুমা আণ্টি: কি হয়েছে? তোর মা ফিরেছে? ওহ ফেরে নি। সব কিছু ঠিক থাক আছে তো? আমি: মা বহাল তবিয়েতে আছে। সমস্যা টা অন্য জায়গায়। তোমাকে বলতেই পারি কিন্তু এই কথা টা প্লিজ পাঁচ কান করো না। রুমা আণ্টি: প্রমিজ। কেউ কিছু জানবে না। তুই মনের মধ্যে রেখে আর কষ্ট পাস না। বলেই ফেল। আমি: আজ আমার বাবা ফোন করেছিল। ফোন করে যা যা বলল,আমার তো মাথা খারাপ হয়ে যাবার জোগাড়। মা নাকি বাবাকে ডিভোর্সের জন্য নোটিশ পাঠিয়েছে। বাবা এটে খুব খচে গেছে মার উপর। ডিভোর্স দিয়ে দেবে..তবে এলিমনি হিসেবে একটা টাকাও দেবে না। বাড়িটা আমার নামে লিখে দেবে। এটা শুনে আমার নিজেকে ভীষন অসহায় লাগছে। খালি মনে হচ্ছে, ছেলে হয়ে বাবা মার সংসার টা আর বাঁচাতে পারলাম না। জানি না মা কেন এটা করলো? আর ঐ রবি আঙ্কেল কে এত গুরুত্বই মা কেন দিচ্ছে। রুমা আণ্টি: উফফ তুই না সুরো একেবারে বোকা। আমি ভাবলাম কি না কি হয়েছে। এটা কোনো সমস্যাই না। তোর মা ঠিক কাজ করছে। একটা ব্যার্থ নাম ক্যা ওয়াস্তে বিয়েকে এভাবে টিকিয়ে রাখার কোনো মানে আছে? এর থেকে আলাদা হয়ে গেলে পছন্দের মানুষের সঙ্গে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবে। তুই চাস না যে তোর মা সুখী হোক? রবি আঙ্কেলই তোর মায়ের সেই মনের মানুষ আশা করি বুঝতেই পারছিস। যার কথায় ইন্দ্রানী নিজেকে এভাবে পাল্টে ফেলেছে, দেহ ব্যাবসায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমি: হ্যা তোমার কথা সব সত্যি মানলাম। তা বলে এত তাড়াহুড়ো করে ডিভোর্স কেনো? আর কি কোনো উপায় ছিল না। রুমা আণ্টি: দেখ সুরো তোর মা এখন যে লাইফ স্টাইল এ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, যে পেশা নিজের থেকে বেছে নিয়েছে। তোর বাবা কখনও অ্যাকসেপ্ট করতে পারতো না। ডিভোর্স হতই কদিন বাদে ....তুই এসব নিয়ে বেশি ভাবিস না। তুই তো তোর মা বাবা দুজনেরই একমাত্র ছেলে। সে তাদের থেকে যতই আলাদা থাক, দুজনের সঙ্গেই তোর সম্পর্ক চিরকাল অটুট থাকবে। আর ড্রিংক করো না। চলে আয় আমার সাথে...। আমি: কোথায় যাবো? আমার ভালো লাগছে না প্লিজ আজকে জোর কর না। রুমা আণ্টি: আরে চল না। তোর ভাল লাগবে। একটা নতুন জায়গায় নিয়ে যাবো। একটা নাইট ক্লাব ওপেন হয়েছে নতুন। সেখানেই যাবো। লেটস গো..! যেমন কথা তেমনি কাজ। আমার ইচ্ছে না করলেও রুমা আণ্টি কিছুটা জোর করেই টানতে টানতে ওর সঙ্গে নিয়ে নাইট ক্লাবে নিয়ে গেল। ওখানে গিয়ে পরিবেশ দেখে জাস্ট চমকে উঠেছিলাম। অনেক ভদ্র ঘরের বধূরা ওখানে উপস্থিত ছিল নিজ নিজ পার্টনার দের সঙ্গে। বেশির ভাগ নারীরা ওখানে ওয়েস্টার্ন ড্রেস পরে এসেছিল। তারা লজ্জা ছেড়ে মিউজিক এর তালে তালে উদ্দাম নাচ নাচছিল। রুমা আণ্টি আমাকে ক্লাবে নিয়ে এসেই একটি কর্নারে নিয়ে গেলো যেখানে ভিড় তুলনা মূলক ভাবে কম। হুকা স্ট্যান্ড সুসজ্জিত করে রাখা ছিল। আশে পাশে অনেকেই দেখলাম সারি সারি হুকাহ্ স্ট্যান্ড থেকে সাদা রঙের ধোওয়া টেনে বার করছিল। রুমা আণ্টি আমার হাতেও হুকার পাইপ ধরিয়ে দিয়ে বলল, " কম অন সুরো, কয়েক রাউন্ড ধোয়া ছেড়ে দেখো। সব চিন্তা নিমেষে দূর হয়ে গেছে, মাথা হালকা হয়ে গেছে। " আমি: তুমি তো জানো আমি স্মোকিং করা পছন্দ করি না।

হ্যান্ডেল মারতে আরম্ভ করলাম। এই ভাবে পাঁচ মিনিট খুব যৌন উত্তেজনাকর ভাবে কাটলো। আমার অর্গানিজম বের হবার মুহূর্তে আমার ফোনে একটা কল ঢুকলো, ফোনের রিংটোন বাজছে শুনে কিছুটা বিরক্ত ই হয়েছিলাম। ভিডিও টা pause করে ফোন কল টা রিসিভ করলাম। বাবা কল করেছিল, রিসিভ করতেই হতো। হ্যালো বলে কল রিসিভ করার পর, ফোনের অপর প্রান্তে বাবা যা যা বলল টা শুনে আমার খুব অবাক লাগলো। ভবিষ্যতে এটা হওয়ারই ছিল কিন্তু আর যাই হোক এত তাড়াতাড়ি এত কিছু ফাইনাল হয়ে যাবে এটা কল্পনাও করতে পারি নি। বাবার ফোনে বলা কথা গুলো।শুনে মন টা খারাপ হয়ে গেল। মন খারাপ কাটাতে ক্যাব ডেকে বেরিয়ে পরলাম। একটা পাবে গিয়ে হার্ড ড্রিংক অর্ডার দিলাম। ভদকার গ্লাসে সবে মাত্র প্রথম চুমুক দিয়েছি, পাশের টেবিল থেকে একটা চেনা মহিলা কণ্ঠ ভেসে আসলো আমাকে লক্ষ্য করে। সেই ডাক শুনে চেয়ে দেখি রুমা আণ্টি হাসি মুখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমিও জবাবে হাত নাড়লাম। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে নিজের টেবিলে বসা পুরুষ গেস্ট বিদায় করে দিয়ে, রুমা আণ্টি আমার টেবিলে আমার মুখোমুখি এসে বসলো।

আরো এক দিন কেটে গেল, রবি আঙ্কেল এর চেনা ব্রোকার এসে আমার সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছিল। সে আমাদের নতুন ফ্ল্যাটের ব্যাবস্থা করে ফেলেছিল। আমি ওনার সঙ্গে অফিস ছুটির পর, নতুন ফ্ল্যাট টা দেখেও আসলাম। ৪ bhk ফ্ল্যাট আলাদা ফ্লোর সমেত ,অর্থাৎ পাশা পাশি থাকলেও, ড্রইং কিচেন সমেত তিনটে রুম নিচে আর দুটি রুম upstair thakay, পাশাপাশি থাকলেও যথেষ্ট প্রাইভেসি বজায় রাখা সম্ভব। অ্যাডভান্স মানি সাবমিট করার সাথে সাথে বুকিং এর রিসিভ কপি, ফ্ল্যাটের চাবি আমার হাতে চলে এসেছিল। এ্যাপার্টমেন্ট প্রস্তুতকারক সংস্থার সাইট ম্যানাজার জানালো, দুদিনের মধ্যে ফ্ল্যাট এর পেপারস আমাদের হাতে চলে আসবে। আমরা তারপর যখন খুশি এই ফ্ল্যাটে শিফট করে যেতেই পারি। আমি রবি আঙ্কেল এর পরিচিত সেই ব্রোকার কে কমিশন দিয়ে , ফ্ল্যাট বুকিং এর খবর টা সাথে সাথে রবি আঙ্কেল কে জানিয়ে দিয়েছিলাম। আমার হয়ে উনি মাকে এই খবর টা জানানোর ভার নিয়েছিলেন। দু তিন দের ভেতরে মা দের ফেরার কথা থাকলেও, দেখতে দেখতে আরো একটা উইকএন্ড এসে গেল, মা নিজের শহরে ফিরতে পারলো না। তাকে ফিরতে দেওয়া হলো না। টাকার লোভে রবি আঙ্কেল আরো একজন হাই ক্লাস ভি আই পি ক্লায়েন্ট এর কাছে মা কে তিন রাতের জন্য বেঁচে দিয়েছিল। নতুন ফ্ল্যাটের জন্য টাকার বন্দোবস্ত করতে এর থেকে আর কোনো সহজ উপায় মায়ের হাতে ছিল না। এই সময় রবি আঙ্কেল এর সৌজন্যে আমার হাতে নিজের মায়ের আরো একটা xx video chole এসেছিল। এই ভিডিও টা আমার মতে মায়ের আগের ভিডিও গুলোর মতই বোল্ড আর আকর্ষণীয় ছিল। ভিডিও টায় দেখা গেছিল, মা একটা সুদৃশ্য কাচ ঘেরা বাথরুমের মধ্যে মা প্রবেশ করলো। পরনের ওয়ান পিস সুইম স্যুট টা খুলল। তারপর নিচ্ছিন্তে নগ্ন হয়ে শাওয়ার নেওয়া আরম্ভ করল। মার ভেজা শরীর থেকে সেই সময় চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। শাওয়ার নেবার সময় মার কোমরে আর কাধের কাছে করানো ট্যাটু গুলো জল লেগে চক চক করছিল। এছাড়া দুই কানে পড়া ডায়মণ্ড বসানো কানের দুল একটা আলাদা আভা ছড়াচ্ছিল। কুড়ি সেকেন্ড একই ভাবে শাওয়ার নেবার পর, মার পিছনের কাচের দরজা ঠেলে একজন লম্বা চওরা ফর্সা সুপুরুষ ব্যাক্তি ওয়াস রুমের ভেতরে প্রবেশ করলেন। ঐ ব্যক্তি টপলেস অবস্থায় ছিলেন। আর ওয়াস রুমের ভেতরে এসে শর্ট প্যান্ট টাও খুলে ফেললেন। মার অভিব্যক্তি দেখে মনে হল, সে আদৌ ঐ ব্যাক্তির ওখানে আগমনের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। একটা টাওয়েল দিয়ে নিজের বুক আর গোপন অঙ্গ কোনরকমে ঢেকে, ঐ ব্যক্তি কে উদ্দেশ্য করে কি সব বললেন, সেটা অবশ্য শোনা গেল না। কয়েক মুহূর্ত পর, ঐ ব্যক্তি কিছুটা জোর করেই মাকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে কাধে আর কানের পাশে ঠোঁট ঠেকিয়ে আদর করতে করতে কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে কি যেন একটা বলল। তারপরে দেখলাম মার যাবতীয় প্রতিরোধ ম্যাজিকের মতো বন্ধ হয়ে গেল। মা নিজেকে ঐ সুপুরুষ ব্যাক্তির সামনে সমর্পণ করে দিল। মিনিট পাঁচেক ধরে পিছন দিক থেকে আদর করার পর, ঐ ব্যক্তি মা কে সামনের দিক ফেরালো। আর ফিরিয়েই , মা কে সামনে ঝুঁকিয়ে মাথা নিচু করিয়ে নিজের লম্বা মোটা বাড়াটা মুখের সামনে ধরলো। সেই মুহূর্তে কি করণীয় সেটা বুঝতে মায়ের খুব বেশি সময় লাগলো না। সে বাধ্য মেয়ের মত ঐ অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তির পুরুষ অঙ্গ মুখে পুরে নিল। তারপর এক অভিজ্ঞ স্লাট এর মতন ব্লজব দেওয়া আরম্ভ করলো। সেই ব্লজব এর শব্দ কানে আসতেই আমার কান গরম হয়ে যাচ্ছিল। উত্তেজনায় সারা শরীরে কাটা দিচ্ছিল। যাই হোক, ব্লজব দেওয়ার গ্লম গ্লম গ্লম শব্দ টা আমার অসহ্য লাগছিল, একটা সময় পর, আমি সাউন্ড টা মিউট করে দিতে বাধ্য হলাম। মিনিট দশেক ধরে একটানা ঐ ব্লজব দেওয়ার পর্ব চলেছিল। তারপরেই মার মুখের ভেতর সাদা ফেনা র মতন অর্গানিজম ঢেলে মুখ ঠোঁট সব ভর্তি করে দিল ঐ ব্যক্তি। মা নিজের মুখ টা জল দিয়ে পরিষ্কার করার পরেই ঐ ব্যক্তি মার পাছায় হাত দিয়ে জোরে একটা চাপড় দিল। চাপড় টা যথেষ্ট জোরে ছিল, মা যন্ত্রণায় ককিয়ে উঠলো। তাকে পিছন দিকে জাপটে ধরে পাগলের মত আদর করতে করতে ঐ ব্যক্তি মা কে হটাৎ করেই নিজের কোলে তুলে নিল। ঠোঁটে ঠোঁট ঠেকিয়ে ডিপ লিপ কিস দিতে দিতে মা কে ওয়াস রুমের বাইরে নিজের কোলে করে তুলে নিয়ে আসলো, আর সুদৃশ্য নরম বিছানায় শুয়ে দিল। ভেজা চুল গুলো মায়ের গাল আর কাধে র দু পাশে ছড়িয়ে ত্বকের সঙ্গে লেপ্টে ছিল। সেই অবস্থায় চুল শোকানোর কোনো সুযোগ না দিয়েই, ঐ বিশাল বাড়া মায়ের যোনি দেশে গেথে দারুন গতিতে চোদাচূদি আরম্ভ হল। মার মতন খানদানি বেশ্যা র ঐ ব্যাক্তির আদরের ঢেউ সামলাতে বিশেষ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে দেখে রীতিমত অবাক লাগছিল। মা প্রতি ঠাপে উচ্চস্বরে শীৎকার করে উঠছিল। মার সেই চিৎকার ঐ ব্যাক্তির বেশিক্ষন পছন্দ হল না। সে এক হাত দিয়ে মার মুখ চেপে ধরে মার মুখ পুরো বন্ধ করে দিয়ে নির্মম ভাবে চোদাতে শুরু করল। ঐ চোদানো দেখে আমিও স্থির হয়ে বসে থাকতে পারলাম না। নিজের পাজামা খুলে, ঠাটানো বাড়া বের করে,

রুমা আণ্টি আমার কাছে এসে নিজের যাবতীয় অভিজ্ঞতা ব্যাবহার করে আমাকে বশ করে ফেলেছিল। ও আমার ভিতরের দুর্বলতা কে দারুন ভাবে কাজে লাগিয়েছিল, আমাকে একা বাড়িতে পেয়ে ওর আরও সুবিধা হয়ে গেছিল। আমাকে ওর সব কথা মানতে বাধ্য করেছিল। পর পর দুদিন রুমা আণ্টি আমার সাথে আমার বাড়িতেই থেকে গেল, আমার মায়ের দামী সব পোশাক কসমেটিক নির্দ্বিধায় ব্যাবহার করল, আমার সঙ্গে এক বিছানা শেয়ার করলো। আমি রুমা আণ্টি কে বারণ পর্যন্ত করতে পারলাম না। রুমা আণ্টি আমাকে এমন ভাবে উত্তেজিত করে তুলেছিল, যে একটা সময়ে এসে মা কে নিয়ে আমার মনের যাবতীয় হতাশা ডিপ্রেশন আমি রুমা আন্টির উপর বিছানায় ঝারছিলাম। প্রথমে কনডম নিয়ে করলেও শেষ মেষ কোনো প্রটেকশন ছাড়া আমরা একে অপরের সঙ্গে অবাধ যৌনতায় মেতে উঠেছিলাম। আর এই দুদিনের ভেতর, মিষ্টি কথায় ভুলিয়ে আমাকে মডেলিং এর ব্যাপারে প্রায় রাজি করিয়ে ফেলেছিল। অন্য দিকে দিয়া নিজের বাড়িতে ওর মায়ের সঙ্গে ভালই কোয়ালীটি সময় কাটাচ্ছিল। রুমা আন্টির বিষয়ে ওকে কিছু বলতে পারলাম না। আমার বিবেক দিয়া কে রুমা আন্টির বিষয়ে সব কথা খুলে বলবার জন্য allow করল না। এছাড়া রুমা আন্টির দিয়া কে জানাতে বারণ করেছিল। আমি জানালে হয়তো ব্যাপার টা সহজ ভাবে নিতে পারত না। আর রুমা আণ্টি আমার প্রেমিকা দিয়ার জন্য কোনো আলাদা সারপ্রাইজ ভেবে রেখেছিল। আমার সঙ্গে ফোনে রেগুলার কথা হচ্ছিল। সব কিছু স্মুথলি এগোচ্ছিল শুধু মায়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। মা কে ফোন লাইনে না পেয়ে বাধ্য হয়ে আঙ্কেল এর সঙ্গে আরও বার দুয়েক কথা বলতে হয়েছিল। মাকে না পেয়ে বাধ্য হয়ে রবি আঙ্কেল এর কাছ থেকেই মার যাবতীয় খবর নিতে হচ্ছিল। মা কোনো অজ্ঞাত কারণে আমার সঙ্গে কথা বলতে পারছিল না, কিন্তু রবি আঙ্কেল এর থেকে আমার সব খবর পাচ্ছিল, প্রয়োজন মত আমার জন্য নির্দেশ ও ফরওয়ার্ড করছিল। মায়ের ইচ্ছাতেই রবি আঙ্কেল আরো একবার টাকা আমার অ্যাকাউন্ট এ ট্রান্সফার করেছিল, নতুন ফ্ল্যাট কিনবার বিষয়ে আমাকে আবারো আপডেট দিল। মা তার এতদিনের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে অন্য কোথাও চলে যাবে এটা কিছুতেই মন থেকে মানতে পারছিলাম না। আমি এই নতুন ফ্ল্যাট কেনার বিষয় টা রবি আঙ্কেল এর উপরে ছেড়ে দিলাম। রবি আঙ্কেল বললেন, যে ওর একজন চেনা ব্রোকার আছে ঐ সব ব্যাবস্থা করে আমাকে ফ্ল্যাটের লোকেশন টা ফোন করে জানিয়ে দেবে। আমাকে একটা সই করতে হবে , ফ্ল্যাটের অ্যাডভান্স এর টাকা আজকের মধ্যে আমার একাউন্টে চলে আসবে। আর এই ফ্ল্যাট টা কাগজে কলমে এটা এখন আমার নামেই কেনা হবে। রবি আঙ্কেল ফোন রাখবার আগে, আমি থাকতে না পেরে একটা অপ্রিয় প্রশ্ন করেই ফেললাম। " আচ্ছা মা এত অল্প সময়ে এত টাকা কি ভাবে আর্ন করছে আঙ্কেল, মা কোনো খারাপ চক্রে জড়িয়ে পরে নি তো?" রবি আঙ্কেল আমার কথা হেসে উড়িয়ে দিয়ে বলল, " তুমিও না ইউং মেন, তোমার মার নতুন করে হারানোর কি আছে? বেকার চিন্তা করছো। আমি তো আছি ওর ম্যানেজার হয়ে। আসলে তোমার মা ফাইনালি আমার কথা শুনে নিজের সৌন্দর্য কে মাথা খাটিয়ে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করছে, আর তার ফলে সঠিক মূল্য পাচ্ছে। আমি যা ভেবেছিলাম তার থেকে অনেক বেশি কাজের চাপ এখন তার হয়েছে। আগামী এক মাসের অল ডেট বুক হয়ে গেছে। তার উপর অ্যাডাল্ট ফিল্মে অভিনয়, সপ্তাহে দুদিন করে একঘন্টা web cam live, Tomar mar ekhon dom felbar furshot nei।" আমি: মা কাজের চাপে আবার অনিয়ম করছে না তো। রবি আঙ্কেল: আরে আমি তো আছি, ইন্দ্রানী যাতে সময় মত সাত ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিতে পারে তার জন্য আমি ওকে রেগুলার খাওয়ার পর স্লিপিং পিল দিচ্ছি। ঠিক মতন না ঘুমালে কাজ করবে কি ভাবে বলো? আমি: মা কবে ফিরবে? অনেক দিন তো হয়ে গেল বেরিয়েছে। রবি আঙ্কেল: তোমার মায়ের হাতে যা শিডিউল আছে। আরো দু তিন দিন টাইম লাগবে সব কমপ্লিট করতে। তারপর আমি ফিরবার ফ্লাইটের টিকিট কাটবো, বুঝলে। এখনকার মত আমরা ফিরে আসলেও, যা বুঝছি আরো এক মাস পর আবার এখানে আসতে হবে। একজন বিরাট বড়ো ক্লায়েন্ট পাওয়া গেছে, দুদিন হল তোমার মা তাকেই সার্ভ করছে। উনি ইন্দ্রানীর সার্ভিসে হাইলি স্যাটিসফাই। আমাকে জানিয়েছেন যে, তিন জন অন্তরঙ্গ বন্ধু কে নিয়ে আজ থেকে ঠিক এক মাস পর উনি আবার গোয়া আসবেন। তার জন্য এখন থেকেই ইন্দ্রানী কে ফুল এক সপ্তাহর জন্য রিজার্ভ করে নিয়েছেন। আমি: অনেক দিন হল মায়ের গলার আওয়াজ শুনতে পারছি না। একটিবার কয়েক সেকেন্ড এর মার সাথে কি কথা বলা যায় না? যখন ফোন করলে সুবিধা হবে তখন না হয় আমি কল করবো। রবি আঙ্কেল: কি বলি বলো তো তোমায়। তোমার মনের অবস্থা টা বুঝতে পারছি। But Ami helpless। আসলে তোমার মা যখন কাজ সেরে রুমে ফেরত আসে, তখন এতটাই tired aar exhausted thake, kotha bolbar moton obostha te thake naa। Room e ferot esei onek samoy toh change na korei bichanay শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। আমি তাও চেষ্টা করে দেখবো। তাছাড়া আর তো দুটো দিন। তোমার মায়ের সাথে দেখা তো হবেই।

রুমা আণ্টি: উফ সুরো, এরকম বোকামি করে না .... বছর খানেক এর মধ্যে তুমি নিজের business reform করতে পারবে আমার কথা শুনে চললে। টপ মডেল বনে যাবে। আর তারপরেও এই সামান্য জব নিয়ে পরে থাকবি... তোর গার্ল ফ্রেন্ড কিভাবে এটা নেবে সেই নিয়ে চিন্তা করিস না। আমার কথা শুনে চললে, কেউ তোর সাকসেস এর পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে না। ওকে একদিন আমার কাছে নিয়ে আয়। তারপর দেখ আমি ওকেও ঠিক মতন ট্রেনিং দিয়ে তোর লাইফের উপযুক্ত বানিয়ে দেব। আমি এর জবাবে কিছু বলতে যাচ্ছিলাম, রুমা আণ্টি আমাকে ঠোঁটে আঙ্গুল রেখে থামিয়ে দিয়ে বলল, " উহু আর কোনো কথা না। এখন শুধু কাজ..." এই বলে আমাকে আবারো বিছানার উপরে চেপে ধরে আদর করতে শুরু করলো। রুমা আণ্টি র রসালো মাই গুলো দেখে আমি আবারও দেখতে দেখতে গরম হয়ে গেলাম। রুমা আণ্টি বলল, " চেয়ে দেখ কি নেই আমার মধ্যে যা তোমার মামনির মধ্যে ache। Amar Sab acche Tau tui amake kosto dis, Amar dike firei takas na। Erokom aar cholbe na।। Tomake Ami Amar moner moton Kore gorbo, Ebar theke every weekend amra meet korbo" এই বলে রুমা আন্টি আমার পেনিস টা জোরে একটা হাত দিয়ে চেপে ধরে অন্য হাত দিয়ে নিজের বড় বড় দুধের ভাজে আমার মুখ খানা ঢুকিয়ে দিল। আমি আস্তে আস্তে রুমা আন্টির রূপের মায়াজালে নিজেকে হারিয়ে ফেলছিলাম।

আমি কিছু বলবার আগেই রুমা আণ্টি ফোনটা কেটে দিল। রুমা আন্টির কল টা আসার পরে দিয়া ফোন করেছিল। ওর কাছে খবর পেলাম যে ওর মা নন্দিনী অনেক টা সুস্থ। ওর মা একদিন আমাকে লাঞ্চ করতে ডেকেছে। আমি দিয়ার সাথে কথা বলে ফোনটা রাখতে না রাখতেই আমাদের বাড়ির কলিং বেল টা বেজে ওঠে। দরজা খুলে রুমা আণ্টি কে হাসি মুখে দাড়িয়ে থাকতে দেখে অবাক হয়ে যাই। স্লিভলেস স্ট্রাপ ওলা কালো spaghetti dress e ruma aunty ke darun hot aar seductive লাগছিল। তার বুকের বিভাজিকা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। তার সাথে চোখের মাসকারা কাজল আর ঠোঁটের লাল লিপস্টিক একটা অন্য মাদকতা সৃষ্টি করেছিল। আমি দরজা খুলে দিতেই রুমা আণ্টি বাড়ির ভেতরে আসলো , আর এসেই আমাকে জড়িয়ে ধরলো। তার গায়ের সুন্দর বডি পারফিউমের গন্ধ আমাকে মাতোয়ারা করে দিচ্ছিল। কোনো রকমে দিয়া আণ্টি কে ছাড়িয়ে মেইন ডোর লক করে ওকে নিয়ে নিজের বেডরুমে আসলাম । রুমা আণ্টি আমার মিউজিক সিস্টেমে একটা সফট মেলোডি টিউন চালিয়ে আমার কোমর জড়িয়ে নাচতে শুরু করলো। আমার ইচ্ছে না করলেও বাধা দিতে পারছিলাম না। নাচতে নাচতে আমার শার্টের বোতাম গুলো খুলতে শুরু করলো। তারপর নিজের চুলের ক্লিপ টা খুলে চুল টা কাধের কাছে নামিয়ে নিয়ে, রুমা আণ্টি আমার ঠোঁটে ঠোঁট চেপে কিস করতে করতে বিছানায় নিয়ে গেল। আমাকে ঠেলে বিছানায় শুয়ে দিয়ে আমার পাজামা টা খুলে হাঁটুর নিচে নামিয়ে রুমা আণ্টি আমার উপর চড়ে কোমরের উপর বসে পড়ল। তারপর কোনো রকম প্রটেকশন ছাড়াই আমার পেনিস ওর গুদে র মুখে সেট করে নির্দিষ্ট ছন্দে রাইড করা শুরু করলো। কোনো প্রটেকশন ছাড়া করতে আমার ভীষন ব্যাথা অনুভব হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল আমার ওটা ছিড়ে যাবে। রুমা আণ্টি কে বার বার অনুরোধ করলেও আণ্টি আমার কথায় কান দিল না, উল্টে বলল, তোমার মাও আজকাল প্রটেকশন ছাড়াই লাগায়। এত বড়ো হাই ক্লাস বেশ্যার ছেলে হয়ে তোমার তো এত অসুবিধা হবার কথা না। কম অন সুরো। Let's enjoy!" এই বলে জোরে জোরে আমার পেনিসের উপর চড়ে ইন্টারকোর্স করা শুরু করলো। আমার ব্যাথা আর উত্তেজনায় চোখ থেকে জল বেরিয়ে এলো। আধ ঘন্টা চরম উত্তেজক মুহূর্ত কাটানোর পর রুমা আণ্টি নিজের পজিশন চেঞ্জ করল। আমি ওপরে গেলাম আর রুমা আণ্টি এইবার আমার শরীরের নিচে এসে শুলো। এই পজিশনে পরবর্তী পনেরো মিনিট সময়ে আমার আরো দুবার অর্গানিজম বেরিয়ে গেলো। কিন্তু তারপরেও রুমা আণ্টি র স্বাদ মিটল না। আমি হাপিয়ে উঠেছি দেখে আমাকে চাগাতে রুমা আণ্টি নোংরা একটা খেলার আশ্রয় নিল। মিনিট খানেক এর মধ্যে উঠে গিয়ে আমাকে সঙ্গে নিয়ে মার রুমে গেল। আমাকে দিয়ে জোর করে মার ওয়ার্ড্রব খোলালো। তারপর হ্যাঙারে ঝোলানো মার একটা নাইট ড্রেস নামালো। দুই মিনিটের মধ্যে নিজের ড্রেস ছেড়ে মার ঐ ড্রেস টা পরে আমার চোখের সামনে হাজির হলো। তারপর রুমা আণ্টি মায়ের বিছানায় বালিশে মাথা রেখে আমাকে শোয়ালো, আর আমার পাশে শুয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে শুরু করলো মায়ের মতন করে। রুমা আন্টি আমার গালে চুমু খেয়ে বলল, কি সুরো আমাকে এবার তোর মার মতন লাগছে তো। এবার তো তোর আর আমাকে আপন মনে করে আদর করতে আপত্তি নেই? আমি বললাম, " কেনো এরকম ভাবে আমার সঙ্গে খেলছো। প্লিজ এসব বন্ধ করো। ভালো লাগছে না।" রুমা আণ্টি: তোর মধ্যে একটা চুম্বক আছে বুঝলে যারা একবার তোর কাছে আসবার স্বাদ পেয়েছে তারা তোকে ছেড়ে বেশিদিন থাকতে পারবে না এটাই স্বাভাবিক। তোর মায়ের থেকেই তুই এই চার্ম অ্যাট্রেকশন পাওয়ার পেয়েছিস। কাজেই তোদের আমাদের হাত থেকে সহজে মুক্তি নেই। তোদের কাজ তো এখন পয়সা ওলা রিচ পার্সন দের আনন্দ দেওয়া। আমি তোকে গ্রুম করছি। দেখবি তোর জন্য কত জনের লাইন লেগে যায়। আমি: এসব তুমি কি বলছ? আমার এত বড়ো সর্বনাশ কর না। আমি আমার মা কে কথা দিয়েছি। এসব ব্যাপারে নিজেকে আর জড়াবো না। রুমা আণ্টি: ছেড়ে দে মায়ের কথা। ইটস ইউর লাইফ সুরো। তুই চাইলেই সব রকম জাগতিক সুখ স্বাচ্ছন্দ্য সব কিনতে পারবে। তোমার মা এখন নিজের জীবন টা নিজের মতন করে গুছিয়ে নিয়েছে, আর তোকে স্ট্রাগল এর রাস্তা দেখাচ্ছে, এটা আমি সমর্থন করতে পারছি না। তোর মা এখন যে রকম ব্যাস্ত। সে আর তোর জীবনে ইন্টারফেয়ার করতে আসবে না। তোকে সৎ উপদেশ দেওয়ার মুখ আর তার নেই হি হি হি... এখন থেকে তোর লাইফ টা শুধু তুই একাই নিয়ন্ত্রণ করবি। সব রকম সুখ স্বাচ্ছন্দ্য উপভোগ করার অধিকার তোমার আছে। আর সেই সুযোগ ও আছে। আমি আছি দেখবি তুই খুব তাড়াতাড়ি অনেক বড় জায়গায় পৌঁছে যাবি। তোকে মডেলিং করতে হবে। তার সাথে আমাদের মতন স্পয়েল্ড লেডি দের entertain ...." আমি: না না এটা হতে পারে না। আমি একজনের প্রতি commited। আমার একটা জব acche। আমি এসব কাজ মোটেই করতে পারবো না। আমাকে প্লিজ ছেড়ে দাও। আমি সাধারণ হয়েই ভালো আছি।

বলা বাহুল্য ক্যামেরার সামনে নিজের শরীর এক্সিবিট করার জন্য মোট ৭ লাখ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিল। ঐ রিসোর্ট টায় ভিআইপি কাস্টমার দের জন্য বিশেষ সুইট ছিল। সেখানে কাস্টমার দের জন্য স্পেশাল হট মডেল দের দিয়ে হট সব পিকচার্স তুলিয়ে special photo album ক্যালেন্ডার গিফট করা হতো। মা কে ঐ বিশেষ ক্যালেন্ডার এর জন্য নুড ফটোশুট করবার লোভনীয় প্রস্তাব পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমার মা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পেরেছিল। অবশ্য যে কটা রাত মা ওখানে কাটিয়েছিল প্রতি রাতে তাকে রীতিমত নিংরে নেওয়া হয়েছিল। মিস্টার দুবের বিজনেস ডেলিগেন্টস দের মনোরঞ্জন করার পাশাপাশি ঐ রিসর্টের বেশ কয়েকজন বাছাই করা ভিআইপি কাস্টমার দের সার্ভ মা কে করতে হয়েছিল। এর জন্য মা কে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ অবশ্য ভালো পারিশ্রমিক দিচ্ছিল। যার অর্ধেক টা সরাসরি আমার একাউন্টে ট্রান্সফার হচ্ছিল রবি আঙ্কেল এর মাধ্যমে। গোয়া সফরে থাকাকালীন রবি আঙ্কেল এর উদ্যোগে মা নতুন করে নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল আপলোড করেছিল। আর সেই প্রোফাইল এ একের পর এক হট সব আকর্ষণীয় ফটো পোস্ট করে যাচ্ছিল। আমাকে অবাক করে বেশ কয়েকটি swimsuit pora pics Post করেছিল, যেগুলো দেখে প্রথমে আমি মা কে চিন্তে পর্যন্ত পারি নি। আরো দুদিন দেখতে দেখতে কেটে গেলো। দিয়া কিছু দিনের জন্য ওর বাড়িতে ফিরে গেছিল। আসলে ওর মা বাবা দিয়া কে ভীষন রকম মিস করছিল । নন্দিনী কে দেখতে দিয়া বাড়িতে ফিরেছিল। তারপর যখন নন্দিনী দিয়া কে দেখে ইমোশনাল হয়ে দুদিন বাড়িতে থেকে যেতে request করলো দিয়া কিছুতেই না করতে পারল না। দিয়া দুদিনের জন্য বাড়ি যাওয়ার ফলে আমি আমাদের এত বড়ো বাড়িতে সম্পূর্ণ একা হয়ে গেছিলাম। যাই হোক অফিস থেকে ফিরে, একা একা ডিনার সেরে রবি আঙ্কেল এর পাঠানো, মার একটা স্ট্রিপ টিজ এর ভিডিও ক্লিপ সবে মাত্র চালিয়েছি এমন সময় রুমা আন্টির ফোন এল। " হ্যালো কেমন আছো সুরো, আমাকে তো ভুলেই গেছ।" আমি মা কে প্রমিজ করেছিলাম রুমা আন্টির সঙ্গে যোগাযোগ রাখব না। তাই সরা সরি ওকে বলতে বাধ্য হলাম। " "আমার সঙ্গে এভাবে যোগাযোগ কর না। আমাকে ছেড়ে দাও।" রুমা আন্টি: কেনো সোনা মা বারণ করেছে বুঝি আমার সঙ্গে কথা বলতে যোগাযোগ রাখতে। হা হা হা.... তোমার মা তো শুনলাম goa গিয়ে যাকে টাকে লাগিয়ে বেড়াচ্ছে। তার কথা তুমি এখনও সেরিয়াসলি মেনে চলবে। আমি: তুমি কি বলতে চাইছো। মার বিষয়ে আমি তোমার থেকে কিছু শুনতে চাই না। রুমা আন্টি: রাগ করে না সুরো। তোমার মা একটা হাই ক্লাস এসকর্ট ছাড়া অন্য কিছু নয়। টাকার জন্য এখন তো b grade adult film eu kaj করছে। আমার সঙ্গে তার কি তফাত আছে বলো তো... আমি ভাবলাম মা চলে গেছে ট্রিপে, গার্ল ফ্রেন্ড ও বাড়ি গেছে দুই তিন দিন একাই থাকবে তাই তুমি হয়তো আমার কোম্পানি চাইবে। এই উইকএন্ড টা নিরামিষ ভাবে কাটাবে সুরো? তার থেকে চলো না দুজনে মিলে দুটো দিন একসাথে থাকি। আমিও ফ্রী আছি। তোমাকে ভালো কোম্পানি দিতে পারবো। তোমার বাড়ি চলে আসছি জাস্ট কুড়ি মিনিটের মধ্যে... We have lots of fun tonight ha ha ha... আমি: এসব তুমি কি বলছ। না না এটা হয় না। আমি একজনের প্রতি commited। আমি পারবো না। রুমা আন্টি: আরে বাইরের কেউ জানবে না। যা যা হবে কেবল তোমার আমার মধ্যে থাকবে হা হা হা..... তুমি ভয় পাচ্ছো কেন? তুমি কি এসব আমার প্রথম বার করবে নাকি... আমি চলে আসছি... আমি: এটা ঠিক হচ্ছে না ... বুঝবার চেষ্টা কর। রুমা আন্টি: এটা তোমার জীবন সুরো। নিজের মত করে এনজয় কর। যাকে প্রমিজ করেছো সে কি তোমার কথা মতন চলছে। সে বাইরে যাকে টাকে লাগিয়ে বেড়াচ্ছে... তুমি কেনো এত ভদ্র ছেলে বনে থাকবে বলতো। আগল খুলে দাও। আমি আর পারছি না। কত দিন তোমার সঙ্গে করি না বলো তো। We shall have fun..."

পরদিন সকালে, অফিসের জন্য সবে মাত্র বেড়িয়েছি, এমন সময় একটা আননোন নম্বর থেকে আমার কাছে একটা ফোন আসলো। আমি ওটা মায়ের নতুন সিম ভেবে রিসিভ করলাম, হেলো বলতেই অপর প্রান্ত থেকে রবি আঙ্কেল এর কণ্ঠস্বর ভেসে আসলো। রবি আঙ্কেল বললো, " কেমন এঞ্জয় করলে ভিডিও টা ইউং মেন, বলেছিলাম না, তোমার মার কোনো জবাব নেই। দেখেছো ওকে কি থেকে কি বানিয়ে দিয়েছি, হা হা হা...." আমি বললাম," আমি এখন অফিসে যাচ্ছি। এ বিষয়ে কথা বলতে আমার ভালো লাগছে না। আমার সঙ্গে কোনো দরকার থাকলে pls pore call korben। আমি অফিসের জন্য অলরেডি লেট হয়ে গেছি। Rabi আঙ্কেল: ওকে ইউং মেন, আই আন্ডারস্ট্যান্ড। তুমি এখন প্র্যাক্টিকাল মজার মুডে নেই। ঠিক আছে কাজের কথাই হোক। আমি জাস্ট তিরিশ সেকেন্ড সময় নেব। তোমার মা আমাকে তোমার সাভিংস একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করার জন্য ইনস্ট্রাকশন দিয়েছে। কারণ এই ট্রিপে শেষ কয়েক দিনে ও এত টাকা কামিয়েছে, যে কল্পনার অতীত। এত টাকা ইন্দ্রানীর অ্যাকাউন্টে রাখা মোটেই সেফ না। তাই আজ বিকেল থেকেই তোমার একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার হওয়া শুরু হবে। এই টাকা তোমার মায়ের হলেও, তোমার মা জানিয়েছে, এ টাকা তুমি যখন খুশি ইচ্ছে মতন খরচ করতে পারবে। আর তোমার মার ইচ্ছে তুমি তাড়াতাড়ি একটা ৪bhk ফ্ল্যাট বুক করে নাও। তাহলে তোমার মা শহরে ফিরলে সেখানে তোমরা একসাথে কিছুদিন অন্তত থাকতে পারবে। কারণ ইন্দ্রানী অলরেডি একটা ইম্পর্ট্যান্ট ডিসিশন নিয়েছে, যে তোমার বাবার বাড়িতে সে আর কখনো ফিরবে না। সে নিজের আলাদা বাড়িতে থাকবে। Actually tomar maa ekhon je profession e nijeke involved koreche, tomader ওখানে থেকে তার কাজের কোনো সুবিধা হবে না। কোনো হাই ক্লাস ক্লায়েনট কে তো ওখানে ইনভাইট করে আনা পসিবেল না। সেই জন্য নতুন ফ্ল্যাটের একান্ত প্রয়োজন। তিন দিনের মধ্যে তুমি যদি নতুন ফ্ল্যাট বুক না কর। তাহলে আমাকে তোমার মায়ের হয়ে ফ্ল্যাট বুক করতে হবে। বুঝেছ ,?? এখন রাখছি , আবার পরে কথা হবে।" এই বলে রবি আঙ্কেল ফোন রেখে দিল। আমি ওর কথার মানে কিছুই বুঝতে পারলাম না। আঙ্কেল এর কথা বিশ্বাস হচ্ছিল না। মা কি করে আমাকে একটি বারের জন্য না কথা বলে এত বড় ডিসিশন নিতে পারে আমার মাথায় ঢুকছিল না। আঙ্কেল এর কথা মতন বিকেলে সত্যি যখন একাউন্টে টাকা ঢুকবার confirmation মেসেজ ঢুকলো, আমি হতবাক হয়ে গেলাম। একবারে বেশ কয়েক লাখ টাকা একবারে আমার একাউন্টে এই প্রথম ঢুকলো। এতগুলো টাকা পেয়েও মনে আনন্দ হল না। কারণ আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারছিলাম কোন কোন কাজের বিনিময়ে আমার মা ঐ টাকা গুলো উপার্জন করেছে। মার আসে পাশে থাকা লোক গুলো তাকে দিয়ে একের পর এক বাজে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। শুধু তাই না মাকে অপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করছে। আমি কিচ্ছু করতে পারছি না। এটা ভেবে আমার নিজের উপর ভীষন রাগ হচ্ছিল। সেদিন রাতেও আঙ্কেল এর পাঠানো একটা নতুন লিংক থেকে মায়ের লেটেস্ট এমএমএস ভিডিও টা দেখা থেকে নিজেকে আটকাতে পারলাম না। এবারের ভিডিও টা আরো অনেক বেশি দু সাহসিক ছিল আগের ভিডিওর তুলনায়। এখানে মা কে একটা জাকুজির সাদা ফেনা ভর্তি জলের মধ্যে দুজন সমত্ত পুরুষের সঙ্গে রোমান্স করতে হচ্ছিল সম্পূর্ণ সেমি নুড অবস্থায়। ওদের সাথে জলের মধ্যে ফুর্তি করতে করতে মা অনায়াস ভাবে সুদৃশ্য গ্লাসে রেড ওয়াইন ঢেলে খাচ্ছিল আর ওর পুরুষ সঙ্গীদের ও খাওয়াচ্ছিল। মার হেয়ার স্টাইল টা একটু অন্যরকম দেখাচ্ছিল। মা চুলের গোড়ার দিকে হালকা বাদামি কালার করিয়েছিল। যার ফলে মা কে দেখতে একেবারে অন্যরকম লাগছিল। ভিডিওতে দেখে আমার যতটুকু মনে হলো, মার সঙ্গীর মধ্যে দুজনই ছিল বিদেশি, তারা যে বাইরের দেশের নাগরিক তাদের ইংরেজি উচ্চারণ শুনে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। তারা দুজনেই মা কে জলের মধ্যেই লাভার এর মতো আদর করছিল। মার ঠোঁটে বুকে কাধের উপর প্যাশনেট ভাবে কিস করছিল। ওদের দুজনকে একসাথে সামলাতে মা কে রীতিমত বেগ পেতে হচ্ছিল। ওয়াইন খেয়ে খেয়ে মার দুই চোখ নেশায় লাল হয়ে উঠেছিল, মা ওদের বাধা সেক্স স্লেভ এর মতন আচরণ করছিল। আমি পরে রবি আঙ্কেল এর থেকে জেনেছিলাম, গোয়ার যে থ্রি স্টার রিসোর্টে মা মিস্টার দুবের উদ্যোগে গিয়ে উঠেছিল, সেই থ্রি স্টার রিসর্টের প্রমোশনাল অ্যাডভাটাইজমেন্ট এর জন্যই ঐ special video shoot Kora হয়েছিল। যেটা শুধুমাত্র ঐ রিসর্টের কোম্পানির ওয়েবসাইট এ স্পেশাল ধনী ভিআইপি কাস্টমার দের জন্য দেখানো হবে। আর এই ভিডিও দেখে দেশ বিদেশের ধনী ভিআইপি customer ra oi resorts e chuti কাটানোর জন্য বুকিং করাতে ইন্টারেস্টেড হবে। মুম্বাই এর এক নামী কমার্শিয়াল অ্যাড প্রস্তুতকারক কে দিয়ে ঐ অ্যাড ক্লিপ টা বানানো হয়েছিল। আর মা এই সেনসেশনাল অ্যাড ভিডিও ক্লিপ শুট করবার জন্য,