সজাগ বাংলা - Shojag Bangla
رفتن به کانال در Telegram
379
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+37 روز
+3030 روز
آرشیو پست ها
পাখির উড়ে বেড়ানোকে আমরা সাধারণত খাবার খোঁজা, নিরাপদ স্থান খুঁজে নেওয়া কিংবা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার স্বাভাবিক আচরণ হিসেবেই দেখি। কিন্তু উড়ে বেড়ানো যদি তাদের জন্য আনন্দেরও উৎস হয়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে শুরু হলো গবেষণা। নেদারল্যান্ডসের উট্রেখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জর্গ মাসেন ও তাঁর সহকর্মীরা গালাহ কাকাতুয়াকে নিয়ে এ গবেষণা করেছেন। নেদারল্যান্ডসের আভিফনা বার্ড পার্কে ১৭টি কাকাতুয়াকে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চালানো হয় পরীক্ষাটি।
এল আলামেইন আন্তর্জাতিক এয়ারশো চলাকালীন তুরস্কের ‘টার্কিশ স্টারস’ অ্যারোব্যাটিক দল মিশরের পিরামিডের উপর দিয়ে একটি প্রদর্শনী দেয়।
এলাহাবাদ হাইকোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ের পর আলোচনায় এসেছেন উত্তর প্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেধা রুপম। এক বাঙালি শিক্ষার্থীকে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে (এনএসএ) আটক রাখার ঘটনায় তাঁর প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছে আদালত। মেধা রুপম ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের মেয়ে।২০২৫ সালে ৩৫ বছর বয়সে নয়ডার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পান তিনি।
আজ ফিলিস্তিনে অবস্থিত অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর সাথে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়ে ১২টি দেশ একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে: 🇫🇷 ফ্রান্স 🇬🇧 যুক্তরাজ্য 🇨🇦 কানাডা 🇩🇰 ডেনমার্ক 🇪🇸 স্পেন 🇫🇮 ফিনল্যান্ড 🇮🇪 আয়ারল্যান্ড 🇮🇸 আইসল্যান্ড 🇳🇴 নরওয়ে 🇵🇱 পোল্যান্ড 🇵🇹 পর্তুগাল 🇸🇪 সুইডেন
১ অক্টোবর ২০২৬ এর পর থেকে বাংলাদেশে প্রকাশিত সকল প্রকার বই ভারতে আমদানি, সরবরাহ ও বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ‘অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল ফর লিটারেচার অ্যান্ড কালচার’। এই সময়ের মধ্যে ভারতে মজুত থাকা বাংলাদেশি বইগুলো বিক্রি করে শেষ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এটি ভারত সরকারের কোনো নির্দেশনা নয়। তবে যে সংগঠনটি এই হুলিয়া জারি করেছে তারা হি ন্দু ত্ব বা দী রাজনীতির সাথে জড়িত। এবং সংগঠনটি কলকাতা কেন্দ্রিক নতুন একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন।
সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশের প্রকাশনা বাজার থেকে ভারতবিদ্বেষী ও মৌলবাদী বই ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ভারতীয় লেখকদের বইয়ের পাইরেটেড সংস্করণ ছড়িয়ে পড়ায় ভারতীয় লেখক ও প্রকাশকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তারা বলছে, প্রতিটি বইয়ের বিষয়বস্তু ও লেখকের রাজনৈতিক অবস্থান যাচাই করে আলাদাভাবে বই আটকে দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। তাই নির্দিষ্ট বই নিষিদ্ধ করার বদলে বাংলাদেশি প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত বইয়ের প্রবেশের পথ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে বাংলাদেশি লেখকদের বই ভারতে প্রকাশ বা বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
তবে এই নিষেধাজ্ঞার মূল বিষয় বুঝতে হলে আপনাকে আরেকটু গভীরে প্রবেশ করতে হবে। ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গে বাংলায় ইসলামী বই তেমন প্রকাশ হয় না। মূলত সেখানকার মুসলমানরা বাংলাদেশে প্রকাশিত ইসলামি বইগুলো পড়ে থাকেন।
এখন সেখানকার হি ন্দু ত্ব বা দী স ন্ত্রা সীরা চাচ্ছে মুসলিমরা যেন ইসলামী বই না পড়তে পারে। এ কারণে তারা বাংলাদেশে প্রকাশিত বইয়ের উপর ভারতে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে।
এ কারণেই ভা র ত বিদ্বেষী ও মৌলবাদী বইয়ের কথা বলেছে। আগামীতে তারা মুসলমানদের কাছে বাংলাদেশের কোনো লেখকের ইসলামী বই পেলে উ গ্র বা দী বই হিসেবে ট্যাগ দিয়ে আটক করবে৷
আরেকটি বিষয় হচ্ছে তারা বাংলাদেশী লেখকদের নিষিদ্ধ করছে না, করছে মূলত প্রকাশনীকে। আপনি চাইলে ভা র ত থেকে বই প্রকাশ করতে পারবেন। এখন কথা হচ্ছে আপনি তো আর পশ্চিমবঙ্গ থেকে চাইলেই নিজের মতো করে ইসলামী বই প্রকাশ করতে পারবেন না। এসবই হচ্ছে তাদের প্লান। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের ইসলামি বই থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা। যদিও এই ডিজিটাল যুগে এসব চিন্তাভাবনা কিছুটা উদ্ভট, এরপরও গুরুত্বপূর্ণ।
💥 ইন্ডিয়ান টেকনিকাল এন্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন এর আওয়ায় ভারত প্রতিবছর আমাদের প্রশাসন, অর্থনীতি, আইটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের ট্রেনিং দেন। প্রতিবছর বিভন্ন সেক্টর থেকে ২০ বা ২৫ জনের একটি ব্যাচ (সব মিলিয়ে ২০০ থেকে ৪০০ অফিসার) ভারতে যেয়ে ট্রেনিং নিয়ে আসেন। ইতিমধ্যে, আমরা জেনেছি যে, ভারত কর্তৃক আমাদের কমান্ডোদের শেখানো একটি কৌশল হচ্ছে কিভাবে পেট কেটে লাশ পানিতে লুকাতে হয়।
💥 ভারতে ট্রেনিং নিয়ে গত সতেরো বছর আমাদের ক্ষতি হয়েছে, লাভ নয়। যে ট্রেনিং গুম, খুন কিংবা টাকা পাচারের কৌশল শিখায় সেই ট্রেনিং আমাদের দরকার নেই।
⭕ ভারত ছাড়া আর কোনও দেশ নেই ট্রেনিং এর জন্য?
💥 ৭১ এ আমরা পাকিস্তানি শোষণের থেকে মুক্ত হয়েছি ঠিক ই কিন্তু ভারতের অদৃশ্য জালে এখনও আটকে আছি!
#highlight
💥 পেট কেটে লাশ গায়েব করতে হয়
ইস্কন মন্দিরে প্রতিমা ভে*ঙে ধর্মীয় দা*ঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা, পাবনায় হিন্দু শিক্ষার্থী আটক
কোনো পণ্য রপ্তানি না করেই কাগজে-কলমে ১২১ টন পণ্য রপ্তানি দেখানোর চেষ্টা আটকে দিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ভ্যালমন্ট ফ্যাশনস লিমিটেড নামের এক কোম্পানির রপ্তানি চালান ‘সন্দেহজনক’ মনে হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোতে খোঁজ নেন শুল্ক গোয়েন্দারা। কিন্তু সেখানে পণ্যের কোনো অস্তিত্ব মেলেনি।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ঢুকে গ্রেপ্তার, কাঁ'দ'তে কাঁ'দ'তে গেলেন রি'মা'ন্ডে 😢
দেশের মালিক নাকি জনগণ!
