es
Feedback
যুবায়ের হোসাইন

যুবায়ের হোসাইন

Ir al canal en Telegram
1 466
Suscriptores
+224 horas
+27 días
-330 días
Archivo de publicaciones
ইসলাম ও জীবনের চাইতে খেলা বড়?! মানব সভ্যতা যখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, তখন সকল ধ্বংসলীলার উপর পর্দা দিয়ে, খেলার উম্মাদনাই এখন সমাদৃত। যুদ্ধের ডামাঢোল এখন আর কারো চোখের সামনে নেই। সবার চোখ খেলার পর্দায় সেঁটে দিয়ে ইহুদী খ্রিস্টান গোষ্ঠী তাদের মূল খেলা চালিয়ে যাবে, তাতে মুসলিমদের কোন মাথা ব্যথা নেই। যে ইহুদী-খ্রিস্টানের এক হাত মুসলিম উম্মাহর রক্তে রঞ্জিত সে ইহুদী খ্রিস্টানের আরেক হাতের স্নেহ ও মমতায় আমরা আপ্লুত ও মোহিত। আল্লাহ আমাদের এসকল দুরবস্থার অনুভব আমাদেরকে দান করুন।

পাঠ্যসূচির দুর্বলতা ঢোল তবলা দিয়েই ঢাকতে হবে ঢোল-তবলার আওয়াজ যত বাড়ানো যাবে ততই পাঠ্যসূচির দুর্বলতাগুলো চোখের আড়াল করা সহজ হবে। এদের কাছে মুসলিম শিশুদের ইসলাম রক্ষা ও চর্চা কোন বিষয় নয়। মুসলিম শিশুকে বেহায়াপনার অনুশীলন করিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী হিসাবে গড়ে তোলা তাদের অনেক দরকার। ইলমে ওহির ধারক বাহকগণ ইলমে ওহির শত্রুদের কাছ থেকে সবক শেখার কোর্সগুলো এবার বন্ধ হওয়া দরকার। ইসলামের শত্রু হয়েও যারা ইসলাম ও মুসলিমদের দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যেতে চায়, তাদের বিষয়ে মুসলিমদের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া দরকার।

উস্তাযে মুহতারাম মাওলানা যুবায়ের হাফিযাহুল্লাহ ও উস্তাযে মুহতারাম আবরার সিদ্দীক হাফিযাহুল্লাহ -এর বইগুলো সহজে পেতে- ১. ‘মাকতাবাতুস সিদ্দীক’ ফেইসবুক পেইজ সার্চ করুন। ২. নিচের আইডি সার্চ করুন:   https://www.facebook.com/profile.php?id=61576353938228&mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v ৩. টেলিগ্রাম চ্যানেল: https://t.me/MaktabatusSiddik313 ৪. ওয়াটস এ্যাপ: 01332050302 ৫. টেলিগ্রাম আইডি:  @MaktabatusSiddiq সরাসরি ফোন করুন- ৬. কুরিয়ারে বই পেতে: ০১৩৩২০৫০৩০২, ০১৩৩৩৮২০৭৬৭, ০১৮৩৭৮১৭৬৬৬ ৭. সরাসরি পেতে: (নোয়াখালী): ০১৮৩৭৮১৭৬৬৬  (ঢাকা, উত্তর):  ০১৩১৯৪০০০১৩ (ঢাকা, সেন্টার): ০১৮১৮২৯৫৩২২ (বাংলাবাজার, ঢাকা): ০১৭৬৮৭৫৭৩৭০ ৮. বই বিষয়ক যেকোন তথ্যের জন্য:  ০১৭৫১৯২৫৫১৪ নির্ধারিত খুচরা মূল্য তালিকা, পাইকারী মূল্যে সরবরাহ, কুরিয়ারে হোমডেলিভারী, পয়েন্ট ডেলিভারীসহ যাবতীয় সুবিধা পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন- ০১৩৩২০৫০৩০২

উস্তাযে মুহতারাম মাওলানা যুবায়ের হাফিযাহুল্লাহ ও উস্তাযে মুহতারাম আবরার সিদ্দীক হাফিযাহুল্লাহ -এর বইগুলো সহজে পেতে- ১. ‘মাকতাবাতুস সিদ্দীক’ ফেইসবুক পেইজ সার্চ করুন। ২. নিচের আইডি সার্চ করুন:   https://www.facebook.com/profile.php?id=61576353938228&mibextid=rS40aB7S9Ucbxw6v ৩. টেলিগ্রাম চ্যানেল: https://t.me/MaktabatusSiddik313 ৪. ওয়াটস এ্যাপ: 01332050302 ৫. টেলিগ্রাম আইডি:  @MaktabatusSiddiq সরাসরি ফোন করুন- ৬. কুরিয়ারে বই পেতে: ০১৩৩২০৫০৩০২, ০১৩৩৩৮২০৭৬৭, ০১৮৩৭৮১৭৬৬৬ ৭. সরাসরি পেতে: (নোয়াখালী): ০১৮৩৭৮১৭৬৬৬  (ঢাকা, উত্তর):  ০১৩১৯৪০০০১৩ (ঢাকা, সেন্টার): ০১৮১৮২৯৫৩২২ (বাংলাবাজার, ঢাকা): ০১৭৬৮৭৫৭৩৭০ ৮. বই বিষয়ক যেকোন তথ্যের জন্য:  ০১৭৫১৯২৫৫১৪ নির্ধারিত খুচরা মূল্য তালিকা, পাইকারী মূল্যে সরবরাহ, কুরিয়ারে হোমডেলিভারী, পয়েন্ট ডেলিভারীসহ যাবতীয় সুবিধা পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন- ০১৩৩২০৫০৩০২

ক্ষমতাসীনের ঘাড়ে ভূত চাপেনি সকল অপরাধ অদৃশ্য ভূতের ঘাড়ে চাপিয়ে মূল প্রকাশ্য অপরাধী ভূতগুলোকে আড়াল করার কোন মানে হয় না। যারা কোটি কোটি মুসলিমের সমর্থন চুরি করে, ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করে তারাই মুসলিমদের জীবনের মূলভিত্তি ইসলামী জীবনের উপর আঘাত হানে। ইসলাম নিয়ে তামাশা করে। এরা সাক্ষাৎ ভূত। এরা ইসলামকে পছন্দ করে না। এরা ইসলামের শিক্ষাকে পছন্দ করে না। এরা বুঝে শুনে সচতেনতার সাথে অপকর্মগুলো করে যায়। নির্বাচন নির্বাচন খেলার মাধ্যমে এরা ক্ষমতা গ্রহণ করে। মুসলিমদের মতামত ও রায় নিয়ে তামাশা করে। সরলমনা মুসলিমদেরকে ধোঁকা দেয়ার জন্য কিছু বাক্য তাদের রপ্ত করা আছে। যেসব বাক্যের অনুবাদ তারা নিজেদের মত করে করতে পারে। তাই দৃশ্য ভূতের ঘাড়ে অদৃশ্য ও কাল্পনিক ভূত না চাপিয়ে, দৃশ্য ভূতগুলোর ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করা জরুরী।

দুই বছরের দাওরায়ে হাদীস শিরনামে যে পাঠ্যসূচি সাজানো হয়েছে, তা পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে। প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চতর পর্যন্ত পূর্ণ পাঠ্যসূচি সামনে আসার পর এর মাঝে আরো পরিবর্তন হবে, এমনটি ধরে নেয়া হচ্ছে। উপস্থাপিত পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যসূচির মৌলিক নীতিমালার উপর মন্তব্য ও পর্যালোচনা করতে করতে পাঠ্যসূচি বিষয়ক আরো কিছু খুটিনাটি বিষয় নিয়ে মুযাকারা হতে পারে ইনশাআল্লাহ। চলমান পরিস্থিতি, আমাদের চাহিদা, সামর্থ্য ও প্রতিবন্ধকতা সবকিছু্ আমাদের সামনে থাকা কাম্য। (সাহওয়ার দুই বছরের মানহাজ এখানে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ)

পাঠ্যতালিকা ও তার বিন্যাস পাঠ্যতালিকা ও তার বিন্যাসের একটি খসড়া তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। সে খসড়া বিজ্ঞজনের সঙ্গে মত বিনিময়ের মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত পর্যায়ে যাবে বলে আমরা আশা করছি। সে খসড়ায় প্রবেশের আগে পাঠ্যসূচি তৈরির কিছু মৌলিক নীতিমালা আলোচনায় আসতে পারে। যাতে পাঠ্যসূচির মৌলিক সমস্যাগুলো এবং পাঠ্যসূচির মৌলিক ফলাফলগুলো আমরা চিহ্নিত ও নির্ধারণ করতে পারি। পাঠ্যসূচির মৌলিক নীতিমালার মধ্যে রয়েছে- ১. আবাসিক ও অনাবাসিক উভয় পদ্ধতির পথ খোলা রাখা ২. মক্তব প্রথম জামাতে ভর্তির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারিত হওয়া ৩. হিফয বিভাগে প্রবেশের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারিত হওয়া ৪. হিফয শেষ করার সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারিত হওয়া ৫. কিতাব বিভাগের প্রথম জামাতে ভর্তির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারিত হওয়া ৬. কিতাব বিভাগের প্রাথমিক স্তর অতিক্রম করার পর মেধা, রুচি ও সামর্থ্যের বিবেচনায় পাঠ্যসূচিকে দু’টি ভাগ করে ফেলা: ফরয আইন বিভাগ ও ফরযে কেফায়া বিভাগ। ৭. শিক্ষার্থীর বিভাগ নির্বাচন শিক্ষানীতির নিয়ন্ত্রণে থাকা, অভিভাবকের রুচি ও আবেগের উপর না রাখা। ৮. একই জামাতের তালিবে ইলমদের পরস্পর বয়স কাছাকাছি হওয়া নিশ্চিত করা। ৯. মানব জীবনের সকল অঙ্গনে ও সকল স্তরে দ্বীন চর্চার জন্য ইলমের যত শাখায় প্রবেশ করা জরুরী সে সকল বিষয়কে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা।

ধরুন, নাহিদ ইসলাম এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছে- “জামাতে ইসলামী একটি ইসলামী রাজনৈতিক দল। একটি ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা তার ভিশন। ফলে তার এ আদর্শের সাথে এনসিপির আদর্শতো মিলবে না। এনসিপি মধ্যমপন্থি উদারপন্থি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ফলে এখানে আদর্শিকভাবে জোট হওয়ার কোন সুযোগ নেই।” নাহিদ ইসলামের এ ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে না চাওয়াটা কী? শরীয়তের বিচারে তার বিধান কী? বাহ্যিকভাবে একটি ইসলামী দলের আদর্শতো ইসলাম। নাহিদ ইসলাম সে আদর্শের পরিপন্থি আদর্শ লালন করে এবং তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জামাতে ইসলাম কোন ইসলাম চায় এবং কতটুকু ইসলাম চায় সে প্রসঙ্গে আমি এখন যেতে চাচ্ছি না, কিন্তু নাহিদ রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম চায় না, এতটুকুতে সে কোন প্রকার অস্পষ্টতা রাখেনি। যারা রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম চায় না, তারা মুসলিম? নাকি অমুসলিম? আপনি যদি একটু ঘাটাঘাটি করেন, তাহলে দেখতে পাবেন, এ দেশের অনৈসলামিক প্রতিটি রাজনৈতিক দলের এ বক্তব্য স্পষ্ট। শব্দের কিছুটা ব্যবধান থাকতে পারে। কিন্তু মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ে তাদের বক্তব্যগুলো এক ও অভিন্ন। আরো দুঃখজন বাস্তবতা হচ্ছে, জামাতে ইসলামীকে যদি নাহিদের বক্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে বলা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়, তাহলে তারা নিজেদের অবস্থান এমনভাবেই তুলে ধরবে যা দেখে আপনি নাহিদের বক্তব্য ও জামাতে ইসলামীর অবস্থানের মাঝে বড় ধরনের কোন ব্যবধান খুঁজে পাবেন না। এমনিভাবে অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোকে যদি এ বিষয়ে তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলেন, তাহলে তারাও তাদের নিজেদের অবস্থানগুলোকে নাহিদের বক্তব্যের কাছাকাছি নিয়ে আসার চেষ্টা করবে। আপনি তখন হয়ত দুয়ের মাঝে অনেক বেশি দূরত্ব খুঁজে পাবেন না। তবে আমরা এতটুকু বিশ্বাস করি, ইসলাম শিরনামের রাজনৈতিক দলগুলো মুখে যাই বলুক, তাদের মনে ইসলামপ্রীতি ও ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন স্বীকৃত। এমতাবস্থায় নাহিদ ইসলামের মত অনৈসলামিক রাজনীতির সকল নীতিনির্ধারকদের বিষয়ে মুসলিমরা কেমন ধারণা পোষণ করবে? তাদের সঙ্গদান, তাদের আনুগত্য ও সম্প্রীতির মাপকাঠি কী হবে? এমন সুস্পষ্ট বক্তব্যপ্রদানকারীদের কাছ থেকে ইসলাম ও মুসলিমরা কী কী আশা করবে?

ঈমান ও আমলের আয়োজন মুমিন ও মুমিনের কর্ণধারগণ ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, দেশ ও পৃথিবীর প্রতিটি পর্বে ও স্তরে ঈমান ও আমলের পরিবেশ বাড়ানোর প্রতি মনোযোগ দেবেন। ব্যক্তির আকীদা বিশ্বাসকে আল্লাহ প্রদত্ত আইন ও বিধান প্রতিষ্ঠার প্রতি আগ্রহী করে তোলার পেছনে সময় ও মেধা ব্যয় করবেন। পরিবারের প্রতিটি আচার, আচরণ, আয়োজন ও অনুষ্ঠান সীরাতে রাসূলের মাপকাঠিতে চলছে কিনা, তার প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। একটি মুসলিম পরিবারের শতকরা কতভাগ আল্লাহর বিধানের নিয়ন্ত্রণে চলছে, কতভাগ মানবরচিত গায়রুল্লাহর আইনের নিয়ন্ত্রণে চলছে, আর কতভাগ শুধু প্রথাগত নিয়মে চলছে, তার সঠিক হিসাব সংরক্ষন করবেন, সচেতনতার সাথে তা পর্যবেক্ষণ করবেন। সমাজে আল্লাহর বিধানগুলো চর্চা করার জন্য পরিবেশ তৈরি করার পেছনে মেধা ও সময় ব্যয় করবেন। দ্বীন ও ইলমে দ্বীন চর্চার প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের মূলনীতির অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, নাকি এমন কিছু মানুষের ইচ্ছা ও মনোষ্কামনার নিয়ন্ত্রণে চলছে যারা দ্বীনকে পছন্দ করে না, ইলমে দ্বীনকে পছন্দ করে না, ওলামায়ে কেরামের প্রতি বিদ্বেষ রাখে, ওলামায়ে কেরামের আকার আকৃতি, পোষাক পরিচ্ছদ, আমল আখলাক ইত্যাদিকে ঘৃণা করে -এ বিষয়গুলোর প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। দেশ ও পৃথিবী আল্লাহর আইনের অধীনে পরিচালিত হওয়ার জন্য এবং সে পরিবেশ তৈরি করার জন্য সাধ্যের সবটুকু ব্যয় করবেন। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, দেশ ও পৃথিবীতে আমলের পরিবেশ তৈরি হওয়ার জন্য যারা চেষ্টা সাধনা করে যাচ্ছেন তাদের প্রতি আন্তরিক হবেন। তাদেরকে সহযোগিতা করবেন। তাদের ভুলগুলোকে আন্তরিকতার সাথে শুধরে দেবেন। স্থিরচিত্তে তাদের অস্পষ্টতাগুলোকে দূর করে দেবেন। যে যতটুকু বোঝার যোগ্যতা রাখে তাকে ততটুকু দলিলের মাধ্যমে করণীয়গুলো বুঝিয়ে দেবেন। তাদের অনুসন্ধিৎসু মানসিকতাগুলোকে উৎসাহিত করবেন। তাদের উৎসাহ উদ্দীপনাকে প্রশ্রয় দেবেন। সঠিক গতিপথ দেখিয়ে দেবেন। গন্তব্যে পৌঁছার পথের সকল বাঁধা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে দেয়ার প্রতি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার পরিচয় দেবেন। সকল ক্ষেত্রে বড়রা ছোটদেরকে স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে নিজেদের প্রাপ্য শ্রদ্ধা আদায় করে নেবেন, আর ছোটরা বড়দের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে নিজেদের প্রাপ্য স্নেহ ও ভালোবাসাটুকু আদায় করে নেয়ার চেষ্টা করবে। এতে করে আমরা সবাই লাভবান হব। কারো কোন প্রকার লোকসান হবে না ইনশাআল্লাহ।

মাহাদুল ই'তিসাম বিল কিতাবি ওয়াসসুন্নাহ #ভর্তিপরীক্ষা ১ম পর্ব: ১৬ ও ১৭ রমযান লিখিত পরীক্ষা: ১৬ রমযান সকাল ০৯টা-১২টা মৌখিক পরীক্ষা: ১৭ রমযান সকাল ০৯টা থেকে। ২য় পর্ব: ০৫ ও ০৬ শাওয়াল লিখিত পরীক্ষা: ০৫ শাওয়াল সকাল ০৯টা-১২টা মৌখিক পরীক্ষা: ০৬ শাওয়াল সকাল ০৯টা থেকে।

ইসলামী রাজনীতির মুশরিক আমীর ইসলামী রাজনীতির মহাপুরুষরা লক্ষ লক্ষ মুসলিমের নীতিনির্ধারক, পথপ্রদর্শক ও আমীর হিসাবে পছন্দ করছেন মুশরিক হিন্দু অমুসলিমকে। বলাবাহুল্য, নির্দিষ্ট সে এলাকায় মুসলিমদের আমীর হওয়ার জন্য উপযুক্ত কোন মুসলিম আমীর পাওয়া যায়নি। এমনই হওয়ার কথা। অবশ্য তারা একথাও হয়ত বলবেন যে, আল্লাহর দুশমন কাফের মুশরিক আল্লাহর মুমিন মুসলিমের নীতিনির্ধারক-পথপ্রদর্শক ও আমীর হওয়ার সম্ভাব্যতা রাজনীতির মাঠ থেকেই শুরু হয়নি। প্রচলিত বাতেনী বিভাগেও  এমন রীতিনীতি দূর অতীত থেকেই খুব আলোচিত বিষয়। বাতেনী রাষ্ট্রে কুতুবদের নীতিনির্ধারক, পথপ্রদর্শক ও আমীর হওয়ার জন্য কখনো কখনো আল্লাহর দুশমন অমুসলিম কাফের মুশরিককে নির্বাচন করতে দেখা গেছে। এসব কথা বাতেনি রাষ্ট্রের কিতাবে লেখা আছে। আর রাজনীতির কিতাবের প্রতি পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় আমরা তা দেখে চলেছি। রাজনীতির যাহের তাসাওউফের বাতেন দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে, আর তাসাউফের বাতেন রাজনীতির যাহের দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে। মাঝে শরীয়তের অনুসারীদের কাছে কুরআন সুন্নাহ ছাড়া আর কিছু নেই। তাই তারা রাজনীতি ও প্রচলিত ইসলামী রাজনীতির হেকমতগুলোও বুঝে উঠতে পারছে না, আবার বাতেনের গভীর সে রহস্যও অনুধাবন করতে পারছে না। ফলে যাহেরী রাষ্ট্রচিন্তা হোক বা বাতেনী রাষ্ট্রচিন্তা হোক শরীয়তের অনুসারীদের নাগালে তা কোনভাবেই আসছে না। তবে, শরীয়তের ধারক বাহক ও অনুসারীরা এ কথা মনে রাখতে হবে যে, তাদের কাছে কুরআন সুন্নাহর মাপকাঠি ছাড়া আর কোন মাপকাঠি নেই। বাতেনের রহস্যময় গভীরে ও যাহেরের লাগামহীন কূটকৌশলে শরীয়তের অনুসারী মুসলিমদের মুক্তি নেই। মুসলিমরা বেলাশেষে কুরআন সুন্নাহর রশি হাবলুল্লাহিল মাতীনের বাঁধনে আবদ্ধ। আমাদের মুক্তির জন্য এছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই।

বড়র প্রতি আস্থা ও প্রচলিত রাজনীতি ইসলামী রাজনীতি শিরনামে এমন কোন পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি করা বৈধ নয়, যে পরিবেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবিদার দুটি পক্ষ একে অপরকে প্রকাশ্যে গালাগালি করবে আবার বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিক মনে করবে। একে অপরের ইজ্জত নিয়ে ছিনি মিনি খেলতে কোন প্রকার দ্বিধাবোধ করবে না। ইলমের তত্ত্বাবধানে ইলমের মূলনীতির আলোকে জারহ-নাকদ আর ইলমের মূলনীতি বিবর্জিত ব্যক্তিগত আক্রোশ ও মনের ঝাল মিটানোর জন্য বক্তৃতার মঞ্চে দাঁড়িয়ে গালমন্দ ও সমালোচনা এক কথা নয়। একটি হচ্ছে দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের আমানত রক্ষা, আর অপরটি হচ্ছে গীবত, সমালোচনা ও অপবাদ। দুটি বিপরীত বিষয়কে যারা একপাত্রে গুলিয়ে অপবাদ ও সমালোচনার বাজার গরম করে চলছে তারা জ্ঞানপাপী। ইলমী জারহ ও নাকদ ওয়াজিব। আক্রোশের সমালোচনা ও অপবাদ হারাম। ইলমী ও দ্বীনি আমানত রক্ষায় আস্থা রক্ষার প্রশ্ন অবান্তর। আর ব্যক্তিগত আক্রোশ নিবারণ করার জন্য 'হক-বাতিলের যুদ্ধ' শিরনাম গ্রহণ করা উদ্দেশ্য প্রনোদিত। রাজনৈতিক গালমন্দ বড়দের প্রতি ছোটদের আস্থাকে নষ্ট করে দেয়। আর ইলমের আলোকে জারহ ও নাকদ তথা ইলমী পর্যালোচনা ইলম-আকীদা-বিশ্বাস ও আমলে স্বচ্ছতা সৃষ্টি করে।

কুফর ও তাকফীর কুফরী রাজত্বের এ পৃথিবীতে প্রকাশ্যে কুফর চলছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কুফর চলছে। সচেতন ওলামায়ে কেরাম কুফরের কারণে তাকফীরও করছেন। দলগতভাবেও তাকফীর করছেন, সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিকেও তাকফীর করছেন। আর তা করতেই হবে; কারণ কুফর ও ঈমানকে আলাদা করা নাহলে, তাওহীদ ও শিরককে আলাদা করা নাহলে মুমিনের ঈমান বাঁচানো মুশকিল। কাফের কাফের হিসাবে চিহ্নিত হওয়া জরুরী। আর সে কারণে কাদিয়ানীদেরকে কাফের ঘোষণা দেয়ার জন্য সম্মিলিত আন্দোলন চলছে। কাফের যদি কাফের হিসাবে চিহ্নিত না হয়, তাহলে সাধারণ মুসলিমরা ধোঁকা খাবে। তারা কুফর ও ঈমানের সীমারেখা চিহ্নিত করতে ভুল করবে। দায়িত্বশীলগণ কাদিয়ানীদেরকে তাকফীর করছেন, বাউল ফাউলদেরকে তাকফীর করছেন, নবীর অবমাননাকারীদেরকে তাকফীর করছেন, আল্লাহর সঙ্গে যারা বেয়াদবী করছে তাদের তাকফীর করছেন, নূরা পাগলাকেও তাকফীর করেছেন, মওদূদী পন্থীদেরকেও কেউ কেউ তাকফীর করছেন, কাফের নাস্তিকের চাইতেও খারাপ কিছু বলছেন। এসকল তাকফীরের কারণে কাউকে তাকফীরী দল হিসাবে চিহ্নিত করার কোন সুযোগ নেই। কারণ কুফরী কথা ও কাজে লিপ্ত ব্যক্তি কাফের। আর কাফেরকে কাফের বলে চিহ্নিত করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। কর্ণধার ওলামায়ে কেরামের দায়িত্বতো অবশ্যই। কারণ, কাফেরকে কাফের হিসাবে চিহ্নিত করার সাথে মুসলমানদের দৈনন্দিন আদান প্রদানের অনেক কিছু জড়িত। কুফরের কারণে তাকফীর করলে যদি কেউ তাকে তাকফীরী দল হিসাবে বদনাম রটাতে চায়, তাহলে বুঝতে হবে তারা মুরজিয়া, বা মুরজিয়াদের আকীদা দ্বারা প্রভাবিত। তবে কাউকে কাফের বলার ক্ষেত্রে দেখার বিষয় থাকবে, তাকফীরের মূলনীতি। যাকে কাফের বলা হবে, তার মাঝে কুফর থাকতে হবে। শুধু বিদআতগত ভ্রষ্টতার কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না। গোষ্ঠীগত বিভেদের কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না। কারো প্ররোচণায় পড়ে কাউকে তাকফীর করা যাবে না। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে কাউকে কাফের বলা যাবে না, প্রকাশ্য কুফরে লিপ্ত ব্যক্তিদের পাশে বসে কোন মুসলিম জামাতকে তাকফীর করা যাবে না। ইসলামী শরীয়াকে অস্বীকারকারীর পাশে বসে, শরীয়া প্রতিষ্ঠার স্বপ্নচারীদেরকে তাকফীর করা যাবে না। মূলনীতি উপেক্ষা করা যাবে না। জযবার অপব্যবহার করা যাবে না। ইলমের মূলনীতির আলোকে বিচার নাকরে শুধু বক্তৃতার মঞ্চে মাঠ গরম করার জন্য তাকফীর করা যাবে না। যে কুফর ও যে মানের কুফরের কারণে কাদিয়ানীদেরকে কাফের বলা জরুরী, দেওয়ানবাগীদেরকে কাফের বলা জরুরী, বাউলদেরকে কাফের বলা জরুরী, লালনের অনুসারীদেরকে কাফের বলা জরুরী, সে কুফর ও সে মানের কুফর যে কোন ব্যক্তি বা দলের মাঝে পাওয়া যাবে সে ব্যক্তি ও দলকেই কাফের হিসাবে চিহ্নিত করা জরুরী। আর যারা কুফরের কারণে কোন ব্যক্তি বা দলকে কাফের বলবে তারা তাকফীরী দল নয়, তারা ইসলামের প্রহরী এবং ঈমানের সীমারেখা রক্ষাকারী।

কল্যাণরাষ্ট্র ও সাম্য প্রতিষ্ঠার শ্লোগান এখন দেশের আনাচ কানাচ মুখোরিত করে তুলছে। নতুন আরেক স্বপ্ন দেখানোর মহড়া চলছে। এমনসব কৌশলপূর্ণ ভাষা ও পরিভাষার উদ্ভাবন চলছে যা দিয়ে অনায়াসে দু'দিক রক্ষা করা যায়। গণতন্ত্র-ধর্মনিরপেক্ষতার গায়ে কোন প্রকার আঁচড় না দিয়ে ইসলামবান্ধব ভাষা ও পরিভাষাগুলোর ব্যবহারকে ব্যাপক করার চেষ্টা চলছে। শরীয়া প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট ঘোষণায় গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা মনে কষ্ট পায়। আবার ইসলামবান্ধব ভাষা ও পরিভাষাগুলো প্রচারে না আনলে গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতিকে ইসলামী রাজনীতির রূপ দেয়া যায় না। ফলাফল হচ্ছে, ইসলামী শরীয়াহ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়া যাচ্ছে না। গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার এঁকে দেয়া ছকের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। এ বাস্তবতার অনুভূতি ও স্বীকৃতি থাকলে আমাদের কর্মপন্থায় অনেক পরিবর্তন দেখা যেত।

ভূপৃষ্ঠের সবচাইতে ভয়ংকর অসভ্য ও অমানুষদের কাছ থেকে মানবতার সবক নেয়া হচ্ছে। অসভ্য মানুষদের কিতাবে মানবতার নতুন সংজ্ঞা তালাশ করা হচ্ছে। নির্লজ্জতার চূড়ান্ত পর্ব অতিক্রম করে সেসব উদ্ধৃতিও আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। মনবতার মূল পরিচয় নিয়ে পৃথিবীতে এসেছেন মানবজাতির আদি পিতা আদম আলাইহিস সালাম। সে মানবতার পূর্ণাঙ্গ রূপ অনুশীলন করিয়ে গেছেন সেরা মানবসন্তান রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আজকের এ সময়ে কুরআন ও হাদীসের ধারক বাহকরা, নবীগণের ওয়ারিসরা মানবতার সঠিক পরিচয় ও মাপকাঠি নির্ধারণের জন্য কুরআন হাদীসের পৃষ্ঠা উল্টানোর সময়ও পাচ্ছে না, হিম্মতও পাচ্ছে না। সবচাইতে অসভ্য ও অমানুষদের শেখানো পরিভাষা, সংজ্ঞা এবং তাদের আঁকা ছবিগুলো পরিবেশন করে তৃপ্তি বোধ করছেন। নিজেদের সচেতনতার জানান দিচ্ছেন। মুক্ত ও স্বাধীনতার সুখ অনুভব করছেন। কিন্তু কুরআন ও হাদীসের নির্দেশনা তাদেরকে কত দিন এভাবে চলতে দিতে থাকবে! আর আমরা কত দিন এভাবে চোখ বন্ধ করে তাদের ছড়ির ইশারায় চলতে থাকব!

সৃষ্টিকর্তা এক আল্লাহর দাসত্বের স্বীকৃতির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইসলামী ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার বিপ্লব সাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদের যে বীজকে মূল থেকে উৎপাটন করে দিয়েছে। ভূখণ্ড, ভাষা, বর্ণ, পেশা ও দলমত নির্ভর সকল হঠকারিতা ও বিভাজনকে মুছে দিয়ে ন্যায় ইনসাফের প্রবাহ চালু করেছে, সে সাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয়তাবাদ মুসলিম কর্ণধারদের চশমার আয়নায় এখন আবার আত্মমর্যাদার প্রতীক হিসাবে উদ্ভাসিত হয়ে উঠছে। প্রাচ্যবিদদের তৈরি করে দেয়া পথ ও পন্থায় গবেষণা করতে গিয়ে গবেষকদের বার বারই মনে হচ্ছে, ভূখণ্ড, ভাষা ও বর্ণভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতাকে জাগিয়ে তোলাই মুসলমানদের মৌলিক দায়িত্বগুলোর একটি। তাদের বার বারই মনে হচ্ছে, ইসলামী ভ্রাতৃত্ব মানব সম্প্রদায়কে বিভক্ত করে ফেলছে।(والعياذ بالله)। الأخوة الإسلامية প্রতিষ্ঠা তাদের কাছে সীমাবদ্ধতার শৃংখল বলে অনুভব হচ্ছে, আর الحمية مالجاهلية -এর প্রতিষ্ঠা তাদের জীবনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবাক করার বিষয় হচ্ছে, সে الحمية الجاهلية জাহিলিয়্যাতের সে সাম্প্রদায়িক  ও হঠকারিতার অস্তিত্ব ও প্রমাণ তাঁরা রাব্বে কারীমের কুরআনে এবং রাসূলে আরবীর হাদীসে খুঁজে বেড়াচ্ছে। ইলমে ওহির ধারক বাহক ও প্রচারকরাও প্রাচ্যবিদদের সে মিথ্যাগুলোকে সত্য বলে বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। অধপতনের এ স্তর উম্মতের জন্য খুবই ভয়ংকর।

ইউরোপে ধর্মহীনতা চর্চার যে বীজ থেকে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্ম, ইসলামের সুস্পষ্ট সীমারেখাকে মুছে দেয়ার জন্য যে ধর্মনিরপেক্ষতার উদ্ভব, সে ধর্মনিরপক্ষতার অস্তিত্ব আমরা মদীনার সনদে খুঁজে বেড়াচ্ছি! প্রাচ্যবিদদের দেয়া উপহারের চশমা আমাদেরকে এতটাই বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়েছে যে, ‘আল্লাহর কাছে একমাত্র মনোনিত ধর্ম ইসলাম’ এ বিশ্বাসের উপর মুসলিম জাতি এমনকি মুসলিম কর্ণধাররাও অটল থাকতে পারছে না। তাওহীদ ও শিরকের সমন্বিত রূপই যেন দিন দিন দেশ ও সমাজের শোভা বাড়িয়ে তুলছে। ঈমান ও কুফরের সহাবস্থানই যেন উম্মতের চোখের শীতলতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে চলেছে। বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীর গলাগলি ও অন্তরঙ্গ অবস্থান গর্ব ও উদারতার প্রতীক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। কিন্তু ইসলামের কর্ণধারগণের চশমা এতটা ঘোলা হয়ে গেছে যে, ধর্মনিরপেক্ষতার কোন সমস্যাই যেন চোখে পড়ছে না। সুস্পষ্ট কোন কুফর এভাবে অস্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কি কোন বৈধতা আছে? একজন তাওহীদের বিশ্বাসী কিভাবে শিরক ও মুশরিককে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করে নিতে পারে। ঈমান ও কুফর সহাবস্থানের বৈধতা কীভাবে প্রমণিত হয়েছে। বিষয়গুলো এখন দৃষ্টিসীমার অনেক দূরে অবস্থান করছে। সুস্পষ্ট বিষয়গুলোকেও আমরা যেন কোনভাবেই দৃষ্টির আওতায় আনতে পারছি না।

যুবায়ের হোসাইন - Estadísticas y analítica del canal de Telegram @jobayerhossain123