1 139
Suscriptores
+124 horas
+147 días
+8730 días
Archivo de publicaciones
1 139
Use one of the best PDF Reader. Download free now! http://bit.ly/PDFReader_alldocumentreader
1 139
📙 এখনো কি ফিরে আসার সময় হয়নি?
লেখক : শাইখ খালিদ আর-রাশিদ
অনুবাদ : হাসান মাসরুর
প্রকাশনী : রুহামা পাবলিকেশন
বিষয় : আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
পৃষ্ঠা : 288
তোমাদের বলছি, যারা সারাক্ষণ টিভির সামনে, বিভিন্ন চ্যানেলে, ইন্টারনেটে সময় অতিবাহিত করছ, ডুবে আছ পাপের সাগরে, পরকালে কী হবে তোমাদের? একটি পাপের লেজ ধরে আরেকটি পাপের দিকে পা বাড়াচ্ছ, নামাজের প্রতি অবহেলা করছ! এখনো কি সময় হয়নি তোমাদের তাওবা করার!? পাপগুলো মুছে ফেলার!? পাপের সাগর থেকে উত্তোলন হবার!? এখনো কি সময় হয়নি নিজের সাথে হিসাব করার!? এখনো কি সময় হয়নি নিজেকে এ কথা বলার!?—হে নফস, যেদিন তাওবার সুযোগ থাকবে না, সেদিন আসার আগেই আল্লাহর কাছে তাওবা করো, ক্ষমা প্রার্থনা করো তোমার পাপের জন্য ক্ষমাশীল দয়াময় রবের দরবারে। কারণ, মৃত্যু তোমার দিকে বাতাসের গতিতে ধেয়ে আসছে। তাওবা না করলে আল্লাহর আজাব থেকে কোনোভাবেই রক্ষা পাওয়ার সুযোগ নেই। সুতরাং অবাধ্যতা করে তাঁর সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করো না।…
শোনো, তোমাদের সতর্ক করে তোমাদের পালনকর্তা বলছেন :
أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَن تَخْشَعَ قُلُوبُهُمْ لِذِكْرِ اللَّهِ وَمَا نَزَلَ مِنَ الْحَقِّ وَلَا يَكُونُوا كَالَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلُ فَطَالَ عَلَيْهِمُ الْأَمَدُ فَقَسَتْ قُلُوبُهُمْ وَكَثِيرٌ مِّنْهُمْ فَاسِقُونَ
‘যারা মুমিন, তাদের জন্য কি আল্লাহর স্মরণে এবং (তাঁর কাছ থেকে) যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে, তার কারণে হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি? তারা তাদের মতো যেন না হয়, যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেওয়া হয়েছিল। তাদের ওপর সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হয়েছে, অতঃপর তাদের অন্তঃকরণ কঠিন হয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।’ – সুরা আল-হাদিদ, ৫৭ : ১৬।
1 139
কাফিয়ার অনন্য আরবি শরাহ ‘আন-নাফিয়াহ ফী শারহিল কাফিয়াহ’
আরবি ব্যাকরণ (নাহু) শাস্ত্রের অন্যতম কালজয়ী ও সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ ‘কাফিয়া’। এই কিতাবটি আয়ত্ত করা শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গবেষক—সবার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাফিয়া পাঠকদের এই শিক্ষণসফরকে আরও সহজ, প্রাণবন্ত ও গবেষণাধর্মী করে তুলতে বাজারে এসেছে এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী আরবী ব্যাখ্যাগ্রন্থ “النافعة في شرح الكافية” (আন-নাফিয়াহ ফী শারহিল কাফিয়াহ)।
গ্রন্থটি রচনা করেছেন ঢাকার মিরপুর-১৩ নম্বরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম ঢাকা-এর মুহাদ্দিস এবং ‘উলূমুল হাদীস’ বিভাগের উস্তাদ মুফতি কাওছার আহমাদ।
প্রকাশক সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রচলিত অন্যান্য শরাহ বা ব্যাখ্যাগ্রন্থের তুলনায় এই কিতাবটিতে বেশ কিছু যুগান্তকারী ও অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা কিতাবটিকে পাঠকপ্রিয় করে তুলবে।
কিতাবটির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. ভুল সংশোধন ও বিশুদ্ধ নুসখা: বাজারে প্রচলিত হিন্দুস্তানী নুসখা বা পাণ্ডুলিপিতে বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল রয়ে গেছে, যার কারণে অনেক সময় মাসআলার মূল উদ্দেশ্যই ব্যাহত হয়। এই শরাহটিতে একাধিক বিশুদ্ধ আন্তর্জাতিক নুসখার ওপর ভিত্তি করে সেই ভুলগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সংশোধন করা হয়েছে।
২. কুরআন ও হাদিসনির্ভর বাস্তব উদাহরণ: প্রচলিত কিতাবগুলোর মতো কেবল ‘ضربَ زيدٌ عمروا’ (যায়েদ আমরকে প্রহার করেছে) জাতীয় গৎবাঁধা উদাহরণের মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে, প্রতিটি নিয়মের অধীনে কুরআনুল কারিম, হাদিস শরিফ ও প্রাচীন আরবি সাহিত্য থেকে অসংখ্য বাস্তব ও প্রাণবন্ত উদাহরণ যুক্ত করা হয়েছে।
৩. সহজবোধ্য চিত্রকল্প ও নকশা: জটিল এবং বহুমুখী সম্ভাবনাযুক্ত মাসআলা বা নিয়মগুলোকে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নান্দনিক নকশা বা ‘শাজারা’ আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে এক নজরেই পুরো বিষয়টি মাথায় গেঁথে যায়।
৪. অধ্যায়ভিত্তিক আধুনিক বিন্যাস: প্রতিটি অধ্যায়ের শুরুতে আলোচ্য বিষয়ের একটি সারসংক্ষেপ শিরোনাম আকারে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়গুলোকে ‘المبحث الأول’ (প্রথম পরিচ্ছেদ), ‘المبحث الثاني’ (দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ) এভাবে বিন্যস্ত করে পরিষ্কারভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
৫. গৎবাঁধা ইবারত পরিহার: মূল মতনের আলোচনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতা বা গৎবাঁধা দীর্ঘ ইবারত ব্যবহার না করে, প্রতিটি কায়েদা (নিয়ম) ও ফায়দাকে (উপকারিতা) আলাদাভাবে চিহ্নিত করে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৬. শাস্ত্রীয় ও বিস্তৃত ব্যাখ্যা: শরাহটি কেবল মূল কিতাবের শব্দের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রসঙ্গক্রমে নাহু শাস্ত্রের বহু অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এতে তাত্ত্বিক ধারায় আলোচিত হয়েছে।
৭. শিক্ষণীয় ও রসাত্মক কৌতুক: শিক্ষার্থীদের ক্লান্তি দূর করতে এবং পাঠে মনোযোগ বাড়াতে কিতাবের বিভিন্ন স্থানে প্রাসঙ্গিক ও শিক্ষণীয় ‘নাহবী কৌতুক’ যুক্ত করা হয়েছে। যেমন— ইমাম যামাখশারীর দরজায় উমর নাসাফীর কড়া নাড়ার সেই বিখ্যাত রসাত্মক ও জ্ঞানগর্ভ ঘটনাটি এতে স্থান পেয়েছে।
৮. নির্ভরযোগ্য মূল উৎসের সংমিশ্রণ: শরাহটি রচনায় স্বয়ং কাফিয়ার লেখক ইবনে হাজেব (রহ.)-এর নিজস্ব দুটি শরাহ, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আল-আমালী’ এবং নাহু শাস্ত্রের বড় বড় প্রামাণ্য কিতাবকে উৎস হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে।
৯. সঠিক অভিমত নির্ধারণ: বিভিন্ন মতবিরোধপূর্ণ (ইখতিলাফী) মাসআলায় অন্ধ অনুকরণ না করে, শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য সঠিক অভিমতটি অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
১০. বেফাক পরীক্ষার বিশেষ প্রস্তুতি: কিতাবটি বোঝার পাশাপাশি জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক)-এর পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার সুবিধার্থে প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে যুক্ত করা হয়েছে বেফাকের প্রশ্নপদ্ধতির আলোকে চমৎকার ‘তামরীন’ বা অনুশীলনীবলি।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কিতাবটির ভূমিকায় এর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলির আরও বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে, যা পাঠককে কিতাবটির গভীরতা বুঝতে সাহায্য করবে।
কিতাবটি দেশের প্রধান প্রধান মাকতাবা বা লাইব্রেরিতে পাওয়া যাচ্ছে।
কিতাবটি সংগ্রহের প্রধান ঠিকানাসমূহ:
১. মাকতাবাতুল কাওছারী
দারুল উলুম ঢাকা, মিরপুর-১৩, ঢাকা।
যোগাযোগ: ০১৯৯২-৮৫৫৫৬০, ০১৯৮২-৬২৭৮০৮
২. দারুত তিবইয়ান
১১/১ ইসলামী টাওয়ার (আন্ডারগ্রাউন্ড, দোকান নং-২), বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০।
যোগাযোগ: +৮৮০ ১৭২২-৭৩০১৩১
৩. মাকতাবাতুল হিজায
ইসলামী টাওয়ার (আন্ডারগ্রাউন্ড), বাংলাবাজার, ঢাকা।
যোগাযোগ: ০১৯১০-৯১১০৪৬
কপি : ourislam24.com
1 139
আলহামদুলিল্লাহ
আমাদের চ্যানেলে ১১০০ সাবস্ক্রাইবার পূর্ণ হয়েছে।
আপনাদের আন্তরিক ভালবাসায় এই অনন্য অর্জন !
অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।
1 139
📙 মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
লেখক : সৈয়দ আবুল মকসুদ
প্রকাশনী : আগামী প্রকাশনী
বিষয় : ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, ইতিহাস ও ঐতিহ্য
পৃষ্ঠা : 848
1 139
📙 মুকাশাফাতুল ক্বুলূব
লেখক : হুজ্জাতুল ইসলাম ইমাম গাযযালী রহ.
অনুবাদক : মুফতী মুহাম্মদ উবায়দুল্লাহ্
বিষয় : আধ্যাত্মিকতা ও সুফিবাদ
পৃষ্ঠা : ১ম খণ্ড : ৪১৬, ২য় খণ্ড : ৪০৮
1 139
Use one of the best PDF Reader. Download free now! http://bit.ly/PDFReader_alldocumentreader
1 139
📙 ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ (নববী যুগ থেকে বর্তমান)
লেখক : সাদিক ফারহান
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আসলাফ
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য
সম্পাদক : ইমরান রাইহান
পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৬৮
যুদ্ধ। বিশ্ব ভূখণ্ডের এক অনিবার্য বাস্তবতার নাম। যে ভিতে দাঁড়িয়ে আছে পৃথিবীর সভ্যতা, শৃঙ্খলা ও তাবৎ ব্যবস্থাপনা। মানুষ যতই শান্তিকামী আর সহনশীলই হোক না কেন—এক সময় তাকে যুদ্ধের পতাকা হস্তে ধারণ করতেই হবে; এতে তার সামান্য আগ্রহ থাকুক, বা না-থাকুক। যদি প্রতিপক্ষ শত্রু তার ও তার দীনের সম্মান বিনষ্ট করে, তার বিশ্বাসের অনিষ্ট সাধনে সচেষ্ট হয় বা তার মর্যাদা হরণের অপচেষ্টায় রত হয়—তাহলে হাত গুটিয়ে বসে থাকা বা প্রতিপক্ষের এমন অযাচিত কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলা, কোনভাবেই কারো জন্য উত্তম ও উন্নত চরিত্রের নিদর্শন হতে পারে না।
পৃথিবীর আবহমানকালের ইতিহাসের ভেতর শির উঁচু করে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে মুসলমানদের গৌরবের অতীত; গর্বময় ঐতিহ্য। আমরা মুসলমানদের যুদ্ধের ইতিহাসে আলো ফেললে দেখতে পাই, রণক্ষেত্রে তাদের ইস্পাতকঠিন চিন্তা, নিপুণ কৌশল, সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, নব্য আবিস্কৃত অস্ত্র ও যুদ্ধসরঞ্জাম কতোটা সর্বজনবিদিত। মুসলিম অমুসলিম নির্বিশেষে, সকলের জন্য ইসলামের সুমহান অতীত ইতিহাস জানা প্রয়োজন।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, যুগের পালাবদলে বর্তমান মুসলমানরা ধর্মীয় অন্যান্য অনুষঙ্গের পাশাপাশি ইতিহাসের প্রতি ঔদাসীন্য দেখিয়েছে অনেক বেশি। যে উদাসীনতার সময়কাল নির্ধারণ করতে ‘কয়েক বছর’ বলেও ক্ষ্যান্ত দেয়া যায় না, বরং বলতে হয়—’কয়েক শতাব্দি’। হ্যাঁ, বিগত কয়েক শতাব্দিকাল ধরেই ইসলামি ইতিহাসের প্রতি আমাদের সীমাহীন অমনোযোগ পরিলক্ষিত হয়েছে।
অনিবার্য ফলাফল হিসেবে, আমাদের ঐতিহ্যের অলি-গলিতে ঢুকে গেছে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের বহু ‘ইতিহাস-চোর’। ইসলামের শাশ্বত সুন্দর ইতিহাসকে তারা খেলার বস্তু বানিয়ে ছেড়েছে। নিজেদের মনমতো মুসলমানদের চিরন্তন অতীতের বাস্তবতা বদলে চিরসুন্দর গোলপগুলোকে পাল্টে দিয়েছে কষ্টদায়ক কাঁটায়।
‘ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ : নববী যুগ থেকে বর্তমান’ গ্রন্থটি, উম্মাহর এই প্রয়োজনীয়তা পূরণে একজন দুর্বল তবে সচেতন মুমিন পুরুষের প্রজন্মরক্ষার দরদী প্রয়াস। গ্রন্থটি মূল্যবান এ-জন্য যে, এটি ইসলামি ইতিহাসের অনন্য জ্বলজ্বলে কর্মময় অধ্যায়গুলোর মলাটবদ্ধ অনিন্দ্য সমন্বিত রূপ।
1 139
Use one of the best PDF Reader. Download free now! http://bit.ly/PDFReader_alldocumentreader
1 139
📙 বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রুসেড
লেখক : ইসমাঈল রায়হান
অনুবাদক : আবদুল্লাহ আল ফারুক
প্রকাশনী : মাকতাবাতুল আযহার
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য
কিছু বই থাকে, যা স্পর্শ করে পাঠকের বোধ ও অনুভূতি।
যার একেকটা বাক্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে অজস্র পৃষ্ঠার অধ্যয়ন।
তেমনই একটি বই ‘বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রুসেড’।
.
আমাদের সরলতাকে উপজীব্য করে কীভাবে একের পর এক বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণ রচনা করে চলছে আমাদের প্রতিপক্ষ, তার অসামান্য খতিয়ান উঠে এসেছে এ বইয়ে।
সাম্রাজ্যবাদ কীভাবে প্রাচ্যবাদের কাঁধে ভর করে চষে বেড়াচ্ছে আমাদের মনোজগত…
গ্লোবলাইজেশন কীভাবে অন্তসারশূন্য করে ফেলছে আমাদের চেতনা…
সেক্যুলারিজমের বিষবাষ্পে কীভাবে নীল হচ্ছে আমাদের কোমল বোধ…
ইয়াহুদিদের গুপ্ত সংগঠন আর প্রকাশ্য সংস্থাগুলো কীভাবে কেটে দিচ্ছে আমাদের প্রতিরোধব্যুহের একেকটি শেকড়…
জায়নবাদের অক্টোপাশ কীভাবে জেঁকে বসছে মুসলিমবিশ্বের মানচিত্রে…
গ্রিকদর্শন, যুক্তিবাদ, মুক্তচিন্তা, হিউমেনিজম, ইনলিগটেনম্যান্ট মুভমেন্ট, রোমান্টিজম, কমিউনিট্রিনিজম কীভাবে সরাসরি ইসলামের প্রতিপক্ষ হয়ে ধর্মহীন পৃথিবী গড়ার খোয়াব বুনছে…
সচেতন পাঠকের এমন কিছু কৌতূহল পুরণ করতেই এসেছে ‘বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রুসেড’।
.
শত বছরের পথপরিক্রমায় অন্যসব ধর্ম যখন নিজেদের অস্তিত্ব খুইয়ে বসেছে, তখন কীভাবে অবাক বিস্ময়ে টিকে আছে ইসলাম!
ইউরোপের চোরবালিতে যেখানে ইয়াহুদিজম পথ হারিয়েছে…
পশ্চিমাবিশ্বকে আদর্শিক পথ দেখাতে যেখানে খ্রিস্টধর্ম ব্যর্থ হয়েছে…
বৌদ্ধধর্ম যেখানে নিজ আতুড়ঘর ভারতবর্ষ থেকে অস্তিত্ব খুইয়ে বসেছে…
আর্য আর দ্রাবিড় সম্প্রদায়ের মোহনায় এসে হিন্দুধর্ম যেখানে জট পাকিয়ে ফেলেছে…
সেখানে কীভাবে মুহুর্মুহু আক্রমণ, অস্তিত্ববিনাশী ষড়যন্ত্র আর ভেতর-বাইরের শত্রুদের প্রবল বিপর্যয় কাটিয়েও সমুজ্জ্বল মহিমায় টিকে আছে ইসলামের চিরন্তন আদর্শ!
এমন কিছু শক্তিময় প্রেরণা নিয়ে পাঠকের খোরাক জোগাতে এসেছে ‘বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রুসেড’।
.
অন্ধকার, হতাশা ও অন্যায় দু’পায়ে পিষে একবিংশ শতাব্দীতে রচিত হবে ইসলামের বিজয় দাস্তান, দিগন্তে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে নতুন সূর্যের রূপালি বিভা, তা জানাতেই আপনার দোরগোড়ায় এসেছে ‘বুদ্ধিবৃত্তিক ক্রুসেড’।
1 139
Use one of the best PDF Reader. Download free now! http://bit.ly/PDFReader_alldocumentreader
1 139
📙 ক্রুসেড প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে
লেখক : মুহাম্মাদ আল আরুসি
অনুবাদক : হাবিব উল্লাহ বাহার
সম্পাদক : আব্দুল্লাহিল বাকি, ইমরান রাইহান
প্রকাশনী : সঞ্চালন প্রকাশনী
বিষয় : ইসলামি ইতিহাস ও ঐতিহ্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্য
পৃষ্ঠা : 224
ক্রুসেড যুদ্ধ মানব ইতিহাসের সর্বাধিক চর্চিত ঘটনাগুলোর একটি। প্রাচ্য-পাশ্চাত্য ও ইসলাম বনাম খ্রিস্টবাদের সংঘাতে বড় একটি স্থান দখল করে আছে এই ক্রুসেড।
মূলত মাঝারি আকারের একটি বই এটি। যেটি পাঠ্যবই ও সাধারণ বইয়ের মাঝামাঝি ধরনের হবে। উপযোগী হবে সর্বস্তরের ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ পাঠকের। তথ্যসূত্রগুলো অত্যন্ত সংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে যাতে অসহিষ্ণু পাঠক বিরক্ত না হন। বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক পাঠকের কথা বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স বুকগুলোর একটা তালিকা বইয়ের শেষে যুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ের মূল্যায়নে উদ্ধৃত করা হয়েছে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিজ্ঞ মনীষীদের। বিভ্রান্তি এড়াতে বিদেশি নামগুলো হুবহু ইংরেজিতে দেয়া হয়েছে। আশা করছি, পাঠক এই বই পড়ে ক্রুসেড সম্পর্কে সামগ্রিক একটা ধারণা পাবেন।
¡Ya disponible! Investigación de Telegram 2025 — los principales insights del año 
