es
Feedback
Operation Huntdown

Operation Huntdown

Ir al canal en Telegram

Unite with us. Stand against violence. Together, we will make a change.

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Operation Huntdown

El canal Operation Huntdown (@ophuntdown) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 14 635 suscriptores, ocupando la posición 3 804 en la categoría Política y el puesto 1 540 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 14 635 suscriptores.

Según los últimos datos del 15 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -415, y en las últimas 24 horas de 0, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 0%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener N/A% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 0 visualizaciones. En el primer día suele acumular 0 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 0.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
Unite with us. Stand against violence. Together, we will make a change.

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 16 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Política.

14 635
Suscriptores
Sin datos24 horas
-627 días
-41530 días
Archivo de publicaciones
হাদিকে গুলি করার পর ভারত থেকে ফোন করে চিকিৎসকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে সঠিক চিকিৎসা ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে, হাদির প
হাদিকে গুলি করার পর ভারত থেকে ফোন করে চিকিৎসকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে সঠিক চিকিৎসা ব্যাহত হয়। একই সঙ্গে, হাদির পক্ষে কথা বলায় অনেকের নম্বর লিক করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে যা অত্যন্ত গুরুতর ও নিন্দনীয়। কিছু আওয়ামী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভারতীয় টিভিতে প্রকাশ্যেসামরিক প্রস্তুতির কথা বলছেন। এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকা সম্ভব নয়। ১৮ জুলাই, আমাদের সাইবার অপারেশনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল Operation Huntdown – Phase 2 আমরা দশ হাজার টপ আওয়ামী লীগ কর্মীর নাম, পদবী, NID, পাসপোর্ট প্রকাশ করব এবং সরকারকে দ্রুততার সঙ্গে সবাইকে এয়ারপোর্টে ব্যান করতে হবে। যদি না করে, তাহলে আমরা আবার জুলাই ১৮-তে ফিরে যাব। এবং আওয়ামী এবং ভারতীয় দোসররা যদি পরবর্তী সময়ে আর একজনও কেউ হুমকি দেয়, তাহলে তোদের সবার বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা, ছবি, পরিবার থেকে শুরু করে সব প্রকাশ করে দেওয়া হবে। আমরা ভায়োলেন্স চাই না, বাট তোদের সোজা করতে হলে যা করা লাগে করব।

photo content

জুলাই শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়… এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস! 🔥 https://www.facebook.com/share/p/1BxKZG967R/

দেখে নেওয়া যাক CIRT-এর তথাকথিত “VAPT সার্ভিস”-এর কিছু বাস্তব নমুনা Fb link - https://www.facebook.com/share/p/1984oVH2gc/
+1
দেখে নেওয়া যাক CIRT-এর তথাকথিত “VAPT সার্ভিস”-এর কিছু বাস্তব নমুনা Fb link - https://www.facebook.com/share/p/1984oVH2gc/

বাংলাদেশের তথ্য চুরি এবং দেশের নাগরিকদের পূর্ণাঙ্গভাবে নজরদারির আওতায় আনতে ভারতের গুপ্তচর সংস্থা RAW দীর্ঘমেয়াদি একটি পরিকল্প
বাংলাদেশের তথ্য চুরি এবং দেশের নাগরিকদের পূর্ণাঙ্গভাবে নজরদারির আওতায় আনতে ভারতের গুপ্তচর সংস্থা RAW দীর্ঘমেয়াদি একটি পরিকল্পনা নেয়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই BGD e-GOV CIRT ও CRI (Centre for Research and Information) গঠন করা হয়—সজীব ওয়াজেদ জয় এবং জুনাইদ আহমেদ পলকের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়। Link - https://www.facebook.com/share/p/16MpFjE3UE/

ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ ও 𝐂𝐓𝐓𝐂-এর ছায়াতলে গঠিত ধর্মীয়-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র FB Link- https://www.facebook.com/share/p/1KrG
ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ ও 𝐂𝐓𝐓𝐂-এর ছায়াতলে গঠিত ধর্মীয়-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র FB Link- https://www.facebook.com/share/p/1KrGjGbRCM/

CTTC অফিসার নাজমুল ইসলাম ও এসি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ – ক্ষমতার অপব্যবহারের কালো অধ্যায়! নাজমুল ইসলাম ওরফে সুমনের বিরুদ্ধে দুর
+1
CTTC অফিসার নাজমুল ইসলাম ও এসি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ – ক্ষমতার অপব্যবহারের কালো অধ্যায়! নাজমুল ইসলাম ওরফে সুমনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নতুন কিছু না। তবে এবার প্রকাশ্যে এসেছে তার বিকৃত চরিত্র ও যৌন হয়রানির ভয়াবহ চিত্র। তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সঙ্গী ছিল আরেকজন প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তা — এসি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ। Full Post: https://www.facebook.com/share/p/1Xb89VJQKj/

জুলাই ২০২৪ এর আন্দোলনের সময়, THE R3SISTANC3 টেলিগ্রামে সক্রিয় ছিল, সরকারের দুর্নীতি, সাইবার অপারেশন এবং ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন উন্মোচন করেছিল। আমরা ভেবেছিলাম যে সরকার পরিবর্তনের পর, সবকিছু ভালো হবে এবং ফ্যাসিবাদী আওয়ামী-ভারতীয় শাসকদের শাস্তি দেওয়া হবে। কিন্তু এখন আমরা দেখছি, তারাই আবার নতুন সরকারের অধীনে কাজ করছে! দেশদ্রোহীরা এখনো ক্ষমতায়! আমরা আমাদের অপারেশন পুনরায় শুরু করতে বাধ্য হয়েছি! আমরা থামবো না যতক্ষণ না যারা বাংলাদেশ এবং জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের উপযুক্ত শাস্তি হয়! 1. Tanvir Hasan Zoha – (Involved with CRI, Works for RAW) 2. Minhar – (Works for PRMC, manipulates narratives for the regime) 3. Nazmul Sumon & ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপ – (CTTC & India-linked operations) 4. Rakib – (Works for RAB, helped suppress the protest) 5. BGD e-GOV CIRT (Full Team) – (Selling data to Indian government, working against protestors) সবাইকে নিয়ে তদন্ত আমাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে! , এবং তদন্ত প্রকাশের পর যারা ওদের পক্ষ নেবে তাদেরও টার্গেট করা হবে  Facebook Page: https://www.facebook.com/R3sistanc3Official

If you have any information about him, please let us know. Email: huntdown@tuta.io যদি তার সম্পর্কে কোনো তথ্য আপনার জানা থাকে
+3
If you have any information about him, please let us know. Email: huntdown@tuta.io যদি তার সম্পর্কে কোনো তথ্য আপনার জানা থাকে, আমাদের জানান। ইমেইল: huntdown@tuta.io

photo content

photo content

বাংলাদেশ সাইবার নিরাপত্তা: দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অজানা অধ্যায় ২০১৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্বব্যাংকের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি ইন্সিডেন্ট রেসপন্স টিম (CIRT) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়। এই প্রকল্পটি এলআইসিটি প্রকল্পের অধীনে শুরু হয়, যেখানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের পরিচালক তারেক বরকতউল্লাহর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি তার প্রভাব ব্যবহার করে প্রকল্পের বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন এবং তার স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অযোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন করেন। প্রকল্প পরিচালক রেজাউল করিমও তার প্রভাব থেকে মুক্ত ছিলেন না, এবং তারেক বরকতউল্লাহর একনায়কতন্ত্রের অধীনে ছিলেন। প্রথমে নিয়োগ দেয়া হয় তৎকালীন ডিজিএফআই-এর এক বেসরকারী কর্মচারী তৌহিদুর রহমানকে, যিনি সাইবার নিরাপত্তায় কোন ডিগ্রী বা ন্যূনতম ধারণা ছাড়াই গোপালগঞ্জের কার্ড এবং সুবিধার বিনিময়ে এই পদে আসেন। এই পদের জন্য ন্যূনতম মাস্টার্স ডিগ্রী প্রয়োজন হলেও, তৌহিদুর রহমানের সর্বোচ্চ ডিগ্রী ছিল বিএসসি। তাকে ২৮০০০ টাকা বেতন থেকে ৩৩৬০০০ টাকা বেতনের পদে নিয়োগ দেয়া হয়, যা পরবর্তীতে আরও প্রভাব বিস্তার করে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি, এবং পরবর্তীতে তৌহিদুর রহমান তার নিকটতম ব্যক্তিদের বিভিন্ন উচ্চপদে নিয়োগ দেন। এর মধ্যে অন্যতম ছিল তার ছাত্র রুবাইয়াত বিন মোদাসসের, যিনি দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট কিনে বিএসসি ডিগ্রী অর্জন করেছিলেন। রুবাইয়াত বাংলাদেশের ফেসবুক মনিটরিং এবং বিরোধীদের বিভিন্ন পোস্ট খুঁজে বের করে তা প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পাঠানোর কাজে নিয়োজিত ছিলেন। তার সহযোগী ছিল ব্রিগেডিয়ার জিয়াউর রহমানের এনটিএমসি। তৌহিদুর রহমানের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্যান্য ব্যক্তিরা হলেন: নাবিল আহমেদ (আইসিটি সচিবের জামাতা), নাহিদুর রহমান, নাজমুল করিম, সুমিত কুমার (সচিবপুত্র), তাসনিম মাহমুদ, সিদ্দিকুর রহমান সহ আরও অন্তত দুই ডজন কনসাল্টেন্ট। তাদের বেতন কাঠামোও অত্যন্ত উচ্চ, যেখানে বেশিরভাগের বেতন তিন লক্ষ টাকার ঘরে। প্রকল্পের শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রজেক্ট নিয়ে চলে লুকোছাপা এবং অভিযোগ আছে যে নির্দিষ্ট ৩-৪ টি কোম্পানিকে ১০০% প্রজেক্ট দিয়ে দেওয়া হয় শুধুমাত্র সম্পর্কের খাতিরে। বিনিময়ে প্রকল্প কর্মকর্তারা যেতেন ইউরোপ আমেরিকা সফরে, কেউ যেতেন বিভিন্ন প্রশিক্ষনে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের নাম ভাঙ্গিয়েও চলতো ব্যপক দূর্নীতি। তারেক-তৌহিদ গং নিজেদের একটি সাইবার প্রশিক্ষন কোম্পানি করেন এবং সেটাকে বিভিন্নসময়ে “উপদেষ্টার কোম্পানী” বলে পরিচয় দিয়ে বাগিয়ে নেন প্রায় দুই মিলিয়ন ডলারের ট্রেনিং কন্ট্রাক্ট। যার বেশিরভাগ ট্রেইনার আনা হতো ভারত থেকে আর দেয়া হতো অতি নিম্নমানের প্রশিক্ষন। এই কোম্পানীর ট্রেনিং এর টাকায় তৌহিদুর রহমান ঢাকায় বিলাসবহুল ফ্ল্যাট ক্রয় করেন এবং বিলাসবহুল জীবনযাপন শুরু করেন। তার পরিবার ইউএসএ তে থাকেন, এবং তিনি বছরে অন্তত ৩-৪ বার পরিবারের সাথে দেখা করতে যেতেন নিউইয়র্ক যার টিকিট আসতো বিভিন্ন ভেন্ডরের কাছ থেকেই। এক বছরে সর্বোচ্চ ১৬০ দিন কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থেকে ২২ টি দেশে যাওয়ার রেকর্ড আছে তার, যার পুরোটাই পেইড এবং কোন সরকারী আদেশ/অনুমতি ছাড়াই। এই সমস্ত দূর্নীতি এবং স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পকে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, যা দেশের সাইবার নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে এবং জনগণের বিশ্বাস নষ্ট করেছে। সরকারের উচিত অবিলম্বে এই বিষয়ে তদন্ত করা এবং দেশের প্রতিভাবান ও যোগ্য ব্যক্তিদের এই পদগুলোতে বসানো। #ProtectBangladesh #EndCorruption #CyberSecurityScandal #Accountability

বাংলাদেশ সাইবার নিরাপত্তা: দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অজানা অধ্যায়
বাংলাদেশ সাইবার নিরাপত্তা: দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অজানা অধ্যায়

BGD e-GOV CIRT, বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সরকারী সংস্থা, সন্দেহজনক কার্যকলাপের জন্য এখন সমালোচনার মুখে রয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন পরিচালক তারিক বারকতুল্লাহ এবং টিম লিডার তৌহিদুর রহমান। জানা গেছে, তারা ভারতের সরকারের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছেন, যা আমাদের জাতীয় ডেটা সেন্টার থেকে সংবেদনশীল ডেটা ভাগ করার সম্ভাবনা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ভারতের হাইকমিশনার পলকের সাথে একাধিকবার CIRT পরিদর্শন করেছেন, এবং এখন, CIRT ভারত সরকারের সাথে স্বাক্ষরিত MoU-এর সমস্ত অনলাইন প্রমাণ সরিয়ে ফেলেছে। তবে, এই MoU-এর বিবরণ এখনও প্রধানমন্ত্রী মোদির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে: https://www.pmindia.gov.in/en/news_updates/cabinet-apprised-of-mou-between-india-and-bangladesh-for-cyber-security-cooperation/ প্রতিবাদের সময়, CIRT-এর কিছু সদস্য শিক্ষার্থীদের প্রোফাইলিং করে সেই তথ্য পলকের কাছে পাঠিয়েছিল। এছাড়াও, অতীতে CIRT বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রোফাইলিং করেছিল যারা নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করেছিলেন, তাদের সামাজিক মিডিয়া কার্যক্রম ট্র্যাক করে। অনেকে আমাদের জিজ্ঞাসা করছেন কেন আমরা এখন নীরব, বিশেষত যখন বাংলাদেশ সাইবার আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। আসল কথা হল, আমরা অবদান রাখতে চাই, কিন্তু CIRT-এর বর্তমান নেতৃত্বের কারণে আমাদের প্রচেষ্টা শেয়ার করার জন্য কোনও স্থান নেই। আমরা চাই দেশের সাইবার নিরাপত্তা ক্ষেত্রে দেশপ্রেমিক এবং আমাদের দেশের প্রতিভাবানদের নেতৃত্ব দেখতে। সরকারের উচিত অবিলম্বে CIRT-এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং তারা ভারত সরকার এবং ভারতীয় কোম্পানিগুলোর সাথে কী শেয়ার করেছে তার তদন্ত শুরু করা।

photo content
+2

🚨 BGD e-GOV CIRT, the government organization responsible for cybersecurity in Bangladesh, is under scrutiny for questionable activities. Key individuals involved include former director Tarique Barkatullah and Team Leader Tawhidur Rahman. It's been discovered that they signed an MoU (Memorandum of Understanding) with the Indian government, which raises serious concerns about the potential sharing of sensitive data from our national data centers. The Indian High Commissioner has visited CIRT multiple times alongside Palak, and now, CIRT has removed all online evidence of the MoU with the Indian government. However, the details of this MoU are still available on Prime Minister Modi's website: https://www.pmindia.gov.in/en/news_updates/cabinet-apprised-of-mou-between-india-and-bangladesh-for-cyber-security-cooperation/ During the student protests, some CIRT members were involved in profiling students and sending the information to Palak. Additionally, in the past, CIRT profiled Bangladeshi citizens who opposed Narendra Modi's visit to Bangladesh, tracking their social media activities. People are asking us why we are silent now, especially when Bangladesh faces cyber attacks. The truth is, we want to contribute, but we don't have a place to share our efforts because of CIRT's current leadership. We want to see patriots and our country's talents leading the cybersecurity field. The government should take immediate action against CIRT and launch an investigation into what they have shared with the Indian government and Indian companies.

🚨 Some classified files suggest that the Indian government warned former Prime Minister Sheikh Hasina not to appoint the cur
🚨 Some classified files suggest that the Indian government warned former Prime Minister Sheikh Hasina not to appoint the current Chief of Army Staff, Waker-uz-Zaman, as General of Bangladesh Army. Recently, India allegedly plotted to remove Waker-uz-Zaman in various ways but ultimately failed. Citizens and concerned individuals should be aware of this. 🚨 কিছু গোপনীয় ফাইল থেকে জানা যাচ্ছে যে, আগের সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামানকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জেনারেল হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছিলেন ভারত। সম্প্রতি ভারত নানাভাবে ওয়াকার-উজ-জামানকে অপসারণের ষড়যন্ত্র করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে, তবে শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়েছে। এ বিষয়ে নাগরিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সচেতন থাকা উচিত।

পুলিশ, RAB এবং সরকারের কুকর্মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নিয়ে তালিকা করা হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকে ছাত্র ধরপাকড়, আইডি ডিসেবল এব
+4
পুলিশ, RAB এবং সরকারের কুকর্মের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের নিয়ে তালিকা করা হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকে ছাত্র ধরপাকড়, আইডি ডিসেবল এবং হ্যাক নিয়ে সহায়তা করেছেন। যাদের সংখ্যা ১০০+ এবং আমরা যাদেরটা নিশ্চিত হয়েছি তাদেরই বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করব। আপনাদের কাছে এরকম কোনো ব্যক্তি জানা থাকলে আমাদের ইমেইল করুন। তারা গুম খুনের সাথে পরোক্ষভাবে জড়িত। Email: huntdown@tuta.io