নতুন বাংলাদেশ-NEW BANGLADESH 🇧🇩
Ir al canal en Telegram
দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর পারাবার লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!
Mostrar más2 008
Suscriptores
-224 horas
-187 días
-5030 días
Archivo de publicaciones
- নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত ৪৬, তিব্বতে ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা।
- গুম প্রতিরোধে ৩০ আগস্ট শাহবাগ থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ১১ দলের।
আমরা যারা বিভিন্ন পাপে জড়িত বিশেষ করে সেক্সুয়ালি নানান পাপে জড়িত তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রিমাইন্ডার!
আন্দোলনের মূলে ছিল কিশোর-তরুণরা, আর দেশটারে খাবে চর্বিওয়ালারা। এই জায়গা থেকে বের হতে হবে।
🗣আসিফ আকবর
ডাকসু পরাজিত ছাত্রদল নেতা আবিদ ও হামিমের নেতৃত্বে ঢাবিতে চলছে চাঁদাবাজী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সময়ে চাঁদাবাজী করত ছাত্রলীগ। ৫ আগষ্টের পরে সে কালচার বিলুপ্ত হয়। শুরু হয় ডাকসুর পথচলা। ডাকসুর কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ তৎপর থাকায় নতুন করে কোনো চাঁদাবাজ ঢাবিতে সুবিধা করতে পারেনি।
তবে নির্বাচনের পরে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে না খেয়ে থাকা ছাত্রদল অপতৎপরতা চালায় বিশ্ববিদ্যালয়ে।
এর তিনটি কারন হতে পারে।
১। চাঁদাবাজী করে নিজেদের পকেট ভারি করা। কারন অনেক বছরের না খাওয়া তারা।
২। শিবির সমর্থিত ডাকসু নেতাদের বিতর্কিত করা।
৩। ম্যানার শিখানোর নামে নির্যাতনের কালচার পুনরায় শুরু করা। কারন তাদেরকে ভয় না পেলে তারা গাড়ীর পিছনে দৌড়ানোর রাজনীতিটা করবেন কাদেরকে নিয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতের ঐতিহাসিক অবদান। বিএনপির ভাই-ব্রাদাররা আগেই ভয় পাইয়েন না। ডা. তাহের সাহেব বলছেন, আরও কিছুদিন দেখবেন এরপর আন্দোলনে যাবেন। ততদিন নিশ্চিন্তে থাকতেই পারেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্যাতনকারী বিএনপিপন্থী প্রভোস্টকে সুরক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এফএইচ হল ছাত্রদল।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতক প্রভোস্ট ইলিয়াস আল মামুনকে বহাল তবিয়তে রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে অবস্থান নিয়েছে এফএইচ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবিদ হাসনাত।
আজকে আমার হল এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন আমাকে তার রুম এ অবরুদ্ধ করে তার অনুগত স্টাফ দের নিয়ে রুম এ আমার সাথে যা করলো আমার লাইফে এমন ট্রমা কখনো ফেইস করি নাই।
আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার কারণে (যেটা আমার টাইমলাইনে আছে এবং এই গ্রুপ এ ও আছে) উনি আমাকে হল অফিসে ওনার রুম এ ডাকলো, উনি এর আগেও ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক জুনিয়রকে রুম এ ডেকে এইভাবে অনেক্ষন চিল্লাফাল্লা/ভয় ভীতি দেখিয়েছিলো পরে ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বের হয়েছিলো। আমার ওই জিনিস টা মাথায় ছিলো এইজন্য আমি রুম এ ঢুকার আগে ফোন এ অডিও রেকর্ড অন করে, ফোন পকেটে নিয়ে তারপরে রুম এ ঢুকসিলাম যাতে আমাকে যা ভয় ভীতি দেখাবে তা রেকর্ড করতে পারি।
এরপর উনি কথাবার্তা শুরু করতেসিলো এর মাঝেই হঠাৎ বলে আমার পকেট এ কোনো ফোন থাকলে সেইটা বের করতে। আমি ফোন বের করতে চাইসিলাম না এরপর উনি চিল্লায় উঠে উনার চেয়ার থেকে উঠে আসে, সাথে উনার অনুগত স্টাফ গুলা (ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ, প্রধান সহকারি আরিফ হোসেন সহ আরো ৪-৫ জন, বিশেষ করে মারুফ আমার ফোন চেক করেছে) এসে আমার থেকে আমার ফোন জোর করে কেড়ে নেয়। এমনভাবে কেড়ে নেয় যে মনে হইতেসে কয়েকটা গুন্ডা আমাকে ধরে ফেলসে, আমি লিটারেলি রুম থেকে বের হইতে চাইসিলাম আর ওই স্টাফ গুলা আমাকে ধরে রাখে আর একজন দরজা বন্ধ করে দেয়।
এরপর আমি যখন এইসব দেখে ভয় পেয়ে গেসি তখন এরপর যা হইসে তা লিখতে গিয়েও আমার কান্না আসতেছে। পুরা ১.৫ ঘন্টা আমার উপর যে মেন্টাল টর্চার করা হইসে সেইটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। প্রোভোস্ট রুম এর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই সবার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। হল এর সিট বাতিল করে দিবে এইটা তো শুরু থেকেই বলসে,,তারপর "ছাত্রত্ব বাতিল করা কোনো বিষয় না। “ভিসি স্যার কে একটা এপ্লিকেশন লিখলেই ছাত্রত্ব বাতিল করে দিতে পারবে" , সামান্য এই পোস্ট লিখার কারণে আমার বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করবে বলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে, এমন সিচুয়েশনে কি করবো কিছু বুঝতে পারতেসিলাম না। নিজেকে এতো অসহায় লাগতেসিলো।
চারপাশ থেকে সব দরজা বন্ধ করে দিয়ে এরপর সে আরেকটা যে ক্রাইম করসে সেইটা হলো তার স্টাফ দের নিয়ে একটা নিজেদের মতো স্ক্রিপ্ট বানিয়ে জোর করে ওইটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে পুরা জিনিস আমাকে দিয়ে লিখালো, এরপর আমার সাইন নিলো (আমাকে দিয়ে জোর করে যেই স্টেটমেন্ট নিয়েছে সেখানে লেখা ছিল আমি হল সংসদ এর ভিপি , জিএস, এজিএস সহ বাকিদের প্ররোচনায় পড়ে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছি)। ওই স্ক্রিপ্ট প্রভোস্ট স্যার আবার পড়ে দেখে যখন দেখলো তার মন মতো হয় নাই তখন তিনি সেইটা নিজ হাতে আরেকটু ইডিট করে আবার আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে লিখতে বললো। এরপর আমার আম্মুকে ফোন দিলো। এইভাবে ক্রমাগত মেন্টাল ট্রমা না নিতে পেরে আমি চিল্লাইয়া কান্না করতেসিলাম অনেক্ষন।
আমার কান্না দেখে তারপর সে একটু নরম হলো, এরপর আমি ওইখান থেকে বের হইতে পারলে বাঁচি। এইজন্য বার বার ক্ষমা চাচ্ছিলাম স্যার ভুল হয়ে গেসে আর এইধরনের পোস্ট করবো না, তারপর সে একটু নরম হইসে। এরপর আমাকে পানি /ফ্রুটস ইত্যাদি খেতে দিলো, পানি খাবার সময়ও আমার হাত কাঁপতে ছিল। আমিও খেয়ে স্যারকে বলতেসিলাম আমাকে যেন ক্ষমা করে দেয়। কারণ আমাকে এইখান থেকে বের হওয়া লাগবে,এরপর আমাকে বলে এই ঘটনা যাতে কারো সাথে শেয়ার না করি।
সে বললো বাহিরে গিয়ে সবাইকে যেন বলি ঝামেলা মিটে গেসে। কিন্তু আমার সাথে এমন একটা ঘটনা ঘটছে আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি জানি না এই পোস্ট দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে কি করবে? হয়তো আমার অনেক বড়ো ক্ষতি করে ফেলবে। কিন্তু তারপর ও আমি বলতে চাই, আমার সাথে একজন জঘন্য প্রোভোস্ট ঠিক কি করলো। সে আমাকে লাস্ট এ এইটা বুঝানোর ট্রাই করলো হল সংসদ কে শেয়ার করলে কোনো লাভ হবে না তার পাওয়ার ই সর্বোচ্চ পাওয়ার।
যে ছেলেটা পিয়াস (EEE ২০-২১) এই মুল পোস্ট দিসিলো তাকেও নাকি স্যার খুজছিলো কিন্তু সে অনাবাসিক হবার কারণে তাকে পায় নাই এইজন্য আমাকে হাতের কাছে পেয়ে এমন টা করসে, প্রোভোস্ট স্যার এইটা উনি নিজের মুখে বলসে। অথচ আমি পোস্ট শেয়ার করে তেমন কিছুই লিখি নাই। উনি এরপর বললো পিয়াস কে খুজে বের করে ওকে শায়েস্তা করবে।
যৌক্তিক সমালোচনা করার কারণে হলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে একজন শিক্ষার্থীর উপরে এমনভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এর বিচার চাই। ছাত্রলীগের আমলে শিক্ষার্থীদের উপরে যেভাবে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নামক ভয়াবহ কালচার ছিল আমার কাছে আজকের ঘটনা তার চেয়েও বেশি ভয়াবহ মনে হয়েছে। সত্যি বলতে ছাত্রলীগের আমলে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নিলেও আমার কখনো এমন ভয় হইতো না,,,
-মো: ইব্রাহীম (ভিক্টিম)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে হেনস্তা ও গেস্টরুম নেওয়ার প্রতিবাদে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি।
ঢাবির সাদা দলের বিএনপিপন্থী এই শিক্ষক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সিটি ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের উপদেষ্টার পদেও আছেন। সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও দুর্নীতিসহ নানান অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে এই মাসের শুরুতে।
দুই নম্বর নেতার কাছে দেশ কোনোদিন এক নম্বর হতে পারে না : ফয়জুল করীম
হত্যার উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতের এমপি মুফতি আমীর হামজার গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশে মুফতি আমীর হামজার বক্তব্য।
হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম। নাহলে ডিসি অফিস ঘেরাওয়ের ঘোষণা। এছাড়াও কুষ্টিয়ায় চাঁদাবাজি নিষিদ্ধ করেছে এমপি মুফতি আমীর হামজা।
তারেক রহমানকে তেল দিতে গিয়ে তানজিদ তামিমকে বগুড়ার ছেলে হিসেবে পরিচিত করাতে যাচ্ছিলো ৩ আগস্টের দালাল তামিম ইকবাল। তারেক রহমানকে ধন্যবাদ, দালালকে থামিয়ে দেওয়ার জন্য। বেশি চাটার সুযোগ না দেওয়াই ভালো। এটা বিএনপির জন্যই লাভ।
এরা যদি হয় জাতির ভবিষ্যৎ, তবে কারেন্ট থাকলেও দেশ অন্ধকারে যেতে খুব বেশি টাইম নিবে না।
পঞ্চসার আইডিয়েল ইনস্টিটিউট
মুক্তারপুর, মুন্সীগঞ্জ।
আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: এনডিটিভি
এ সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
+1
বৈদ্যুতিক রিকশায় হিমশিম খাওয়ার সরকার নামাচ্ছে বৈদ্যুতিক বাস!
বিএনপির “ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি’ বলার সময় হয়ে এলো বলে।
ঢাকা নিউমার্কেট এলাকায় চাঁ-দা-বাজির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে যুবদল vs ছাত্রলের টি টুয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে। এই ম্যাচে ছাত্রদল রাকিব চাচার দল মাইরটা বেশি খাইয়া ফেলছে।
১৫ জনকে যুবদল নেতা নয়নের অনুসারীরা কুপাইছে। আর ছাত্রদল মাইর খাইয়া যুবদলের অফিস ভাংচুর করে তাদের নেতা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবিকেও ছাড় দেয় নাই।
ছাত্রদলের উচিৎ নয়নকে একটা উচিৎ শিক্ষা দেয়া। এশিয়া মহাদেশের এত বড় একটি স্বনামধ্য শ্রেষ্ঠ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর হামলা কেন করলো এর জন্য গুলশানে মানববন্ধন করা উচিৎ।
আর যুবদলের উচিৎ ছাত্রদল কেন জিয়া পরিবারের প্রধান তিন জনের ছবি কেন ভাঙচুর করলো এর বিচার করা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতা টানছেন ওসি!
এরা আসলে খেটে নয়, চেটেই বড় হতে চায়।
এনটিআরসিএর বদলে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণ, তারেক সরকারের গণবিরোধী এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।
