es
Feedback
Astagfirullah

Astagfirullah

Ir al canal en Telegram

🚩 Channel was restricted by Telegram

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Astagfirullah

El canal Astagfirullah (@astagfirullah68) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 32 190 suscriptores, ocupando la posición 2 084 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 612 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 32 190 suscriptores.

Según los últimos datos del 30 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -647, y en las últimas 24 horas de -18, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 10.51%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 3.34% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 3 385 visualizaciones. En el primer día suele acumular 1 074 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 106.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
🚩 Channel was restricted by Telegram

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 31 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

32 190
Suscriptores
-1824 horas
-1637 días
-64730 días
Archivo de publicaciones
ক্লিয়ার!
ক্লিয়ার!

ক্লিয়ার!
ক্লিয়ার!

যেন কিয়ামতের সামান্য ঝলক! চোখের পলকে সব তছনছ। খুব বেশি একটা নড়তে দেয় নি পর্যটকদেরকে। এই একটি স্থাপনায় অন্তত দুই শতাধিক মানুষ নিখোঁজ। হতাহতের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, তা এখনো কেউ অনুমান করতে পারছে না। চীন ও নেপাল আক্রান্ত। ঘটনাটি আজ সকাল ১০টার দিকে ঘটেছে। অন্তত ২০টি ক্লিপ দেখা হয়েছে। কারোর কিছু করার নেই। গাড়ি, বাড়ি, ব্রিজ, সড়ক সবকিছুই পানির কাছে অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করেছে। পানি গর্জনতর্জন করে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ আমাদেরকে এমন আকস্মিক আজাব থেকে রক্ষা করুন। আ-মীন! ~ Nazrul Islam

ঈদে মিলাদুন্নবী নামে কোন ঈদ নাই!

মিলাদুন্নবী একটি স্পষ্ট বিদআত!

কি নিয়ে চিন্তা করছেন? — রিযিক? — ক্যারিয়ার? — বিয়ে? — সন্তান? — নাকি জীবনে আসা কোনো উত্থান-পতন? একটু থেমে চিন্তা করুন তো… এসব নিয়ে এত দুচিন্তা করার কি সত্যিই প্রয়োজন আছে? এই জীবন যার দান, তিনি কি আপনার জীবনটাকে আপনার চেয়েও ভালো জানেন না? আপনার জন্মের আগেই আপনার রব আপনার রিযিক, আপনার সময়, আপনার পথ—সবকিছুরই উত্তম পরিকল্পনা করে রেখেছেন। আপনার কাজ শুধু—রবের দেয়া হুকুম-আহকাম গুলো মেনে চলা, নিজের সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাওয়া এবং বাকিটা তাঁর উপর ছেড়ে দেয়া। দুনিয়ার জীবন নিয়ে এত উদ্বিগ্ন হবেন না। জীবন নিয়ে এত চিন্তা-ভাবনা, এত ভয়-আতঙ্ক, এত উদ্বিগ্ন হওয়ার সত্যিই কিছু নেই! যিনি আপনাকে মায়ের পেটে থাকা অবস্থায়ও রিযিক পৌঁছে দিয়েছেন, যিনি আপনাকে এতদিন সামলে এনেছেন, তিনিই সামনেও সামলে নেবেন। — রিযিক আল্লাহ দেবেন। — ক্যারিয়ার আল্লাহ ঠিক করে দেবেন। — বিয়ের ব্যবস্থা আল্লাহ করবেন। — সন্তান আল্লাহই দেবেন। — আর আপনার প্রতিটি সমস্যার সমাধানও আল্লাহই করবেন। আপনি শুধু তাঁর উপর ভরসা রাখুন। চেষ্টা করুন কিন্তু দুশ্চিন্তা না, পরিপূর্ণ ভরসা রেখে তাঁর উপর সবটা ছেড়ে দিন, কারণ— وَمَن يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ ۚ “আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ একাই তার জন্য যথেষ্ট।” —[সূরা আত-তালাক, ৬৫:৩] এই আয়াতের উপর আমল করুন। অস্থিরতার মুহূর্তে এই আয়াত নিজেকে মনে করিয়ে দিন। অশান্ত মনটাকে স্থির করুন, আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে বলুন— حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ “আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।” -Hazera Farhad Sayma

ফিলিস্তিনের ১২ বছর বয়সী ফাতেমা রাদি পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য। ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের সদস্যদের হারানোর পাশাপাশি নিজেও গু
ফিলিস্তিনের ১২ বছর বয়সী ফাতেমা রাদি পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য। ইসরায়েলি হামলায় পরিবারের সদস্যদের হারানোর পাশাপাশি নিজেও গুরুতর আহত হয়েছে সে। গোলার আঘাতে ফাতেমার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, হারায় দৃষ্টিশক্তিও। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও রয়েছে পোড়া চিহ্ন। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও পবিত্র কোরআন মুখস্থ করার সংকল্প থেকে সরে যায়নি ফাতেমা। সম্প্রতি সে সম্পূর্ণ কোরআন মুখস্থ করা শেষ করেছে। পরিবার হারানোর শোক ও নিজের শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যেও এই অর্জনকে সে তার বাবার জন্য ‘সম্মানের মুকুট’ হিসেবে উৎসর্গ করেছে।

ঘটনাটি পড়ছিলাম আর কাঁদছিলাম। মানুষের হিসাবে অসম্ভব মনে হলেও এমন দুয়া কবুলের ঘটনাগুলি সত্যই কাঁদিয়ে দেয়। আমাদের অনেকের জীবনে এমন ছোট বড় নানা ঘটনা আছে দু’আ কবুলের। ... মক্কার একজন আলেম ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘর থেকে বের হলেন। রাস্তায় খুঁজে পেলেন একটি ব্যাগ। ব্যাগটা নিয়ে ঘরে আসলেন। খুলে দেখলেন সেটাতে একটি হীরার নেকলেস! তিনি বলেন, এমন নেকলেস আমি আমার জীবনে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি কয়েকশো কোটি টাকার মালিক! কিছুক্ষণ পর দরজায় একজন নক করলো। তিনি দরজা খুললেন। একজন বৃদ্ধ বললো, “আমি আমার একটি ব্যাগ হারিয়ে ফেলছি। সম্ভবত আশেপাশের কোথাও পড়েছে। কেউ যদি ব্যাগটি পেয়ে থাকেন, তাকে আমি ৫০০ দিনার দেবো।” ৫০০ দিনার মানে কয়েক কোটি টাকা! যে ব্যক্তি ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাস্তায় বের হলেন, তিনি হীরা পেলেন, হীরা ফেরত দেবার বিনিময়ে কোটি টাকার অফার পেলেন, সেই ব্যক্তি আমাদের কাছে অনেক সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে না? কিন্তু, তিনি ভাবলেন অন্য কিছু। তিনি ভাবলেন, এই হীরার মালিক আমি নই, এগুলোর বিনিময়ে ৫০০ দিনার গ্রহণ করা আমার জন্য ঠিক হবে না। ফলে, বৃদ্ধকে হীরার থলেটি ফিরিয়ে দিলেন। মক্কায় জ্ঞানার্জন করতে লাগলেন। এভাবেই কয়েক বছর কেটে গেলো। একবার তিনি কয়েকজনের সাথে ভ্রমণে বের হলেন। নৌকায় ভ্রমণ করছিলেন। মাঝপথে ঝড় ওঠে। নৌকা ডুবে যায়, প্রায় সবাই মৃত্যুবরণ করে। সেই আলেম কোনোরকম একটা তীরে ফিরেন। অপরিচিত দ্বীপে গিয়ে কয়েকজনের সাথে কথাবার্তা বললেন। তখন নামাজের সময় হলো। একজন তার পোশাক দেখে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি নামাজ পড়াতে পারবেন?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ, পারবো।” তার তেলাওয়াত শুনে সবাই মুগ্ধ। তাকে তারা ইমাম হিশেবে রেখে দিলো। তিনি কুরআন পড়তে পারতেন। সেখানকার বাচ্চাদের কুরআন শেখাতে লাগলেন। প্রতিদিন নানান উপহার-উপঢৌকন আসতে থাকে। দ্বীপের লোকেরা ইমাম সাহেবকে ছাড়তে রাজি না। এমন ইমাম পেয়ে তারা খুব খুশি। তিনিও ভাবতে লাগলেন, কই থেকে কই আসলেন? একেবারে অপরিচিত এলাকার মানুষ তাকে আপন করে নিলো। আল্লাহ তার রিযিকের কী সুন্দর ব্যবস্থা করেছেন! ইমাম সাহেব যেন তাদেরকে ছেড়ে যেতে না পারেন, সেজন্য তারা একজন ইয়াতিম মেয়ের সাথে ইমামের বিয়ে দিতে চাইলো। অনেকটা জোর করেই বিয়ে দিলো! ইমাম সাহেব বাসর রাতে স্ত্রীকে দেখে অবাক। তিনি দেখতে পেলেন স্ত্রীর গলায় সেই হীরার নেকলেস, যেটা তিনি মক্কায় ফেরত দিয়েছিলেন বৃদ্ধকে! পরদিন লোকজনকে জিজ্ঞেস করলেন, এটা কীভাবে সম্ভব? লোকজন চিৎকার করে বললো, “আল্লাহু আকবর!” এমন চিৎকারে ইমাম সাহেব ভয় পেয়ে গেলেন। লোকজন বললো, “কয়েকবছর আগে আমাদের এলাকার সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মক্কা থেকে ফিরে একটি ঘটনা শুনান। সেখানে এক যুবক তার হারিয়ে যাওয়া হীরের নেকলেস ফেরত দিয়েছে, যা তিনি নিজের মেয়ের জন্য কিনেছিলেন। এলাকায় ফিরে তিনি আফসোস করতে থাকেন সেই যুবকের জন্য। তিনি ইচ্ছাপোষণ করেন সেই যুবকের সাথে মেয়ের বিয়ে দেবেন। কিন্তু, তার আগেই তিনি ইন্তেকাল করেন! দেখুন, আপনার তাকদীর, সেই সম্ভ্রান্ত লোকের দু'আ আপনাকে এখানে নিয়ে আসলো। আপনি সেই মেয়েকেই বিয়ে করেন, যার জন্য সেই মেয়ের বাবা দু'আ করে যান। যেই হীরার নেকলেস আপনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, এখন সেই নেকলেস আপনার ঘরে!” সেই মহান আলেমের নাম ছিলো কাদিল মারিস্তান। তার মনে পড়লো কুরআনের একটি আয়াত: “ধৈর্যধারণ করো। আল্লাহ পুণ্যবানদের প্রতিদান নষ্ট করেন না!” [সূরা হুদ: ১১৫] . ~ আরিফুল ইসলাম

চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক সিয়ন সেমিনার- ৫ “শরিয়াহ- অপপ্রচারের আড়ালে চাপা পড়া বাস্তবতা” নিয়ে আজকের সেমিনারের দৃশ্য।
+8
চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক সিয়ন সেমিনার- ৫ “শরিয়াহ- অপপ্রচারের আড়ালে চাপা পড়া বাস্তবতা” নিয়ে আজকের সেমিনারের দৃশ্য।

Alhamdulillah! Finally Tuaha Ibn Jalil is here! অনেক লম্বা সময় নানা আলোচনা, নেগোসিয়েশন, দুশ্চিন্তার পরে আল্লাহর অশেষ রহমতে ত্
Alhamdulillah! Finally Tuaha Ibn Jalil is here! অনেক লম্বা সময় নানা আলোচনা, নেগোসিয়েশন, দুশ্চিন্তার পরে আল্লাহর অশেষ রহমতে ত্বোহা ইবনে জলিল ভাই বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহর।

মুফতি শামায়েল নদভী হাফি. আমার পছন্দের একজন মানুষ। তিনি বাংলাদেশে এসেছেন, আলহামদুলিল্লাহ
মুফতি শামায়েল নদভী হাফি. আমার পছন্দের একজন মানুষ। তিনি বাংলাদেশে এসেছেন, আলহামদুলিল্লাহ

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় "রবার্তো কার্লোস" ঘোষণা করেছেন যে, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আহলান সাহলান আমাদের ভাই
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় "রবার্তো কার্লোস" ঘোষণা করেছেন যে, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। আহলান সাহলান আমাদের ভাইকে।

ক্লিয়ার! 🔥
ক্লিয়ার! 🔥

একদম! 🔥
একদম! 🔥

মাশাআল্লাহ! 🔥
মাশাআল্লাহ! 🔥

রহিমাহুল্লাহ!
রহিমাহুল্লাহ!

গুরুত্বপূর্ণ!
গুরুত্বপূর্ণ!

PSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি পরে বুঝতে পারলো হুদায় এটা কিছুই ছিলনা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র! . JSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি জানতে পারলো, JSC রেজাল্ট নাম মাত্র, সত্যিকারের খেলা হবে SSC তে! . SSC তে ভালো রেজাল্ট করা ছেলেটি জানতে পারলো, মূল খেলা নাকি HSC তে হয়! . এদিকে HSC চলমান পরীক্ষা দেয়া ছেলেটা জানে, মূল খেলা হয় Admission এ! . ওই দিকে সদ্য গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করা ছেলেটি জানে, মূল খেলা তো সবেমাত্র শুরু... . সফল ক্যারিয়ার শেষে সদ্য অবসরে গিয়ে লোকটি জানে, “এ জীবন কিছুই না, মৃত্যুর পরের জীবনই আসল জীবন!” . — Rasel Ahmed (Hafi.)

ট্রু!
ট্রু!

জীবনে পরিবর্তন আনতে সর্বদা মনে রাখুন: ১. আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সবকিছু দেখেন আর সবকিছু শোনেন৷ কোনোকিছুতেই তাঁকে ফাঁকি দেওয়া যায় না। ২. আপনার কোনো ভালো কাজ আর ভালো চেষ্টাকে তিনি বৃথা যেতে দেন না৷ সেসবের প্রতিদান আপনাকে অবশ্যই দেওয়া হবে৷ হয় দুনিয়া এবং আখিরাত—দুই জায়গাতেই, অথবা—শুধু আখিরাতে। - সংগৃহীত