es
Feedback
Dawah Min Al-Qalb

Dawah Min Al-Qalb

Ir al canal en Telegram

আপনার পছন্দের ডিজাইন করিয়ে নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুন 01748059078 আমাদের ফেসবুক পেইজে 👇 https://www.facebook.com/profile.php?id=61559929252953&mibextid=ZbWKwL

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Dawah Min Al-Qalb

El canal Dawah Min Al-Qalb (@me_dawahminalqalb) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 13 276 suscriptores, ocupando la posición 6 568 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 751 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 13 276 suscriptores.

Según los últimos datos del 10 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -281, y en las últimas 24 horas de -7, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 5.29%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 2.40% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 703 visualizaciones. En el primer día suele acumular 319 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 10.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
আপনার পছন্দের ডিজাইন করিয়ে নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুন 01748059078 আমাদের ফেসবুক পেইজে 👇 https://www.facebook.com/profile.php?id=61559929252953&mibextid=ZbWKwL

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 11 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

13 276
Suscriptores
-724 horas
-527 días
-28130 días
Archivo de publicaciones
আল্লাহুম্মা সল্লি'ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ' (ﷺ) 🖤 #dawah_min_al_qalb

মদিনার ব্যস্ত বাজারে প্রিয়নবী (ﷺ) একবার এক দরিদ্র সাহাবির পেছন থেকে দুই বাহু চেপে ধরেছিলেন। আমরা কখনো কখনো দুষ্টুমির ছলে পেছন থেকে যেভাবে বন্ধুর চোখ চেপে ধরি, নবীজির এই ঘটনাও ছিল অনেকটা তেমন। সেই সাহাবির নাম জাহির (রা.)। দেখতে তিনি সুদর্শন ছিলেন না। তিনি ছিলেন গ্রামের সাহাবি। গ্রামে নানা ধরনের ফল-ফসল উৎপাদন করে তিনি মদিনার বাজারে বিক্রি করতে আসতেন। তিনি যখন মদিনায় আসতেন, নবীজির ﷺ জন্য গ্রাম থেকে হাদিয়া আনতেন। আবার নবীজিও (ﷺ) তাকে শহুরে হাদিয়া দিতেন। নবীজি (ﷺ) তাকে বলতেন, জাহির আমাদের গ্রাম আর আমরা জাহিরের শহর। বোঝাই যায়, দুজনের মাঝে চমৎকার এক ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। একবার নবীজি (ﷺ) মদিনার বাজারে গিয়ে জাহিরকে পণ্য বিক্রি করতে দেখলেন। গ্রাম থেকে আসা এই সহজ-সরল সাহাবির সাথে স্নেহময় রসিকতা ইচ্ছা করল নবীজির। তিনি পেছন থেকে দুই বাহু আকড়ে ধরলেন জাহিরের। এমনভাবে ধরলেন, জাহির নবীজিকে দেখতে পান না। ব্যস্ত বাজারে পণ্য বিক্রির সময় এমন রসিকতা কারই ভালো লাগে! জাহির (রা.) খানিকটা বিরক্ত হলেন—কে তুমি? আমাকে ছাড়ো! ঠিক তখনই জাহিরের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে বেজে উঠল নবীজির কণ্ঠ—কেউ কি আছ, আমার এই গোলামটাকে ক্রয় করবে? নবীজির (ﷺ) কণ্ঠ শুনে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন জাহির। নিজের কানকে যেন তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। এই ব্যস্ত বাজারে তার মতো সাধারণ এক গ্রাম্য লোকের সাথে এমন রসিকতা করছেন নবীজি! মদিনার রাষ্ট্রপ্রধান! কী অবিশ্বাস্য ঘটনা! এই মুহূর্তে ঠিক কী করা যায়? হঠাৎ তার মস্তিষ্কে ঝিলিক দিয়ে উঠল এক অভিনব ভাবনা। নবীজির পবিত্র দেহের সঙ্গে তার সাধারণ শরীর ছোঁয়ানোর এই তো অপূর্ব সুযোগ! এমন সুযোগ হয়তো আর কোনোদিন আসবে না ভবিষ্যতে। জাহির (রা.) আর দেরি করেন না। নিজের পিঠটাকে তিনি নবীজির বুক ও পেটের দিকে ঠেলতে থাকেন। এরপর বলেন, হে আল্লাহর রাসুল ﷺ, আমার মতো সামান্য এক গ্রাম্য মানুষকে বিক্রি করে আপনি কতইবা মূল্য পাবেন! নবীজি (ﷺ) তখন মমতামাখা কণ্ঠে বলেন, মানুষের কাছে তোমার মূল্য সামান্য হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর কাছে তোমার দাম অনেক বেশি। প্রিয় পাঠক, চোখ বন্ধ করে জাহির রাদিয়াল্লাহু আনহুর সঙ্গে ঘটে যাওয়া মদিনা বাজারের ওই দৃশ্যটা কল্পনা করুন। আপনি অশ্রু সংবরণ করতে পারবেন না। এমনই ছিলেন আমাদের নবীজি (ﷺ)। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব হওয়া সত্ত্বেও তার জীবন ও চরিত্র ছিল সহজ, আড়ম্বরহীন, লৌকিকতামুক্ত। এই অকৃত্রিম চরিত্র-মাধুর্য দিয়ে তিনি সাহাবিদেরকে এমনভাবে ভালোবেসেছেন, আপন করে নিয়েছেন, প্রত্যেক সাহাবিই ভাবতেন, নবীজি (ﷺ) বোধহয় তাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। আজকের পৃথিবীর বড় অসুখের নাম কৃত্রিমতা। কৃত্রিমতার এই অসুস্থ সময়ে নবীজি (ﷺ)-এর অকৃত্রিম জীবনের পাঠ আজ অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। লৌকিকতামুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে আমাদেরকে সেই মহাজীবনের কাছেই ফিরে যেতে হবে বারবার। -শায়েখ আহমাদুল্লাহ হাফি. #dawah_min_al_qalb

photo content

কোন সুখ-শান্তি নেই এবং তাদের নাজাত নেই রাসূল (ﷺ) এর ইত্তিবাহ ব্যতীত। #dawah_min_al_qalb
কোন সুখ-শান্তি নেই এবং তাদের নাজাত নেই রাসূল (ﷺ) এর ইত্তিবাহ ব্যতীত। #dawah_min_al_qalb

১৯৮০ তেও অস্তিত্ব ছিলোনা। পরের ৮০তেও মোস্ট প্রোভাবলি এই মাটির উপর থাকবেন না। কবরে, কঙ্কাল। . বেঁচে থাকলেও, জীর্ণশীর্ণ হাড্ডিসার শরীর। . শরীরের কিছু পার্ট টোটালি ফাংশন করবেনা, কিছু পার্ট কোনোমতে চলবে। . কোথাও একটু বের হওয়ার শক্তি নেই। বাড়ির পাশের বাজারটাতে পর্যন্ত যেতে পারেন না, ছেলে বা নাতির হাত ধরে ওয়াশরুমে যেতে হচ্ছে, কেউ কেউ বিছানায় মলমূত্র ত্যাগ করছেন। . শুয়ে থাকতে থাকতে শরীরে ঘাঁ হয়ে যাবে। . ফোনেও টাইমপাস করার জোঁ নেই, কোননা চোঁখের আলোটাও ফুরিয়ে যাবে। . ২০৮০ কত অসহায়, সাদাকালো আহা! . জাস্ট চলে যাওয়ার অপেক্ষা। মারা যাওয়ার অপেক্ষা। . এই দুনিয়ার জন্য কতকিছু, অথচ মাত্র একটা শতাব্দী ভোগ করার উপায় নেই। একটা শতাব্দীর দুই মাথার সাক্ষী হওয়ার সিস্টেম নাই। — মাহদী ফয়সাল #dawah_min_al_qalb

আমরা যদি অন্তরে গুনাহের কলুষতা জমতে দিই, তাহলে আমাদের অন্তর একসময় আবর্জনার ভাগাড় তথা গুনাহের স্তুপ এ পরিণত হবে। তখন সেখানে নতুন কোনো গুনাহের দাগ আলাদা করে আর চোখে পড়বে না। সবই তখন স্বাভাবিক মনে হবে। কিন্তু আমরা যদি নিয়মিত ইস্তেগফার আর তাওবার মাধ্যমে অন্তরকে পরিষ্কার রাখি, তাহলে সামান্য গুনাহের আঁচড় পরলেও সঙ্গে সঙ্গে তা উপলব্ধি করতে পারবো। এবং অতি দ্রুত তা মুছে ফেলার চেষ্টা করবো। বই : অন্তর যাত্রা #dawah_min_al_qalb

প্রকৃত বিচ্ছেদ হে আমার বন্ধু, নিশ্চয়ই প্রকৃত বিচ্ছেদ মৃত্যু নয়। কারণ, আল্লাহ চাইলে আমরা আখিরাতে আবারও একত্রিত হব। বরং প্রকৃত বিচ্ছেদ হলো— আমাদের একজন জান্নাতে থাকবে, আর অন্যজন জাহান্নামে থাকবে! তাই, যদি কোনো দিন আমাকে কোনো গুনাহের কাজে দেখতে পাও, তবে আমার পোশাক শক্ত করে ধরে আমাকে ঝাঁকিয়ে দিও! আর আমাকে বলো— “আল্লাহকে ভয় করো।” কারণ, “সেদিন বন্ধুরা একে অপরের শত্রু হবে, তবে মুত্তাকিরা নয়।” —সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩:৬৭ ভাবার্থ: প্রকৃত বন্ধুত্ব হলো এমন বন্ধুত্ব, যা আখিরাতেও টিকে থাকে এবং একে অপরকে গুনাহ থেকে সতর্ক করে জান্নাতের পথে সহযোগিতা করে। শাইখ ড. আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিঃ। #dawah_min_al_qalb

তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে
তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে নিজের ভাইয়ের জন্য তাই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে। [সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৩] #dawah_min_al_qalb

এক সময় আসবে যখন মানুষের বক্ষ কুরআন থেকে ফাঁকা হয়ে যাবে। তারা কুরআনে না কোনো মধুরতা পাবে, না কোনো তৃপ্তি পাবে। যখন তাদেরকে যে
এক সময় আসবে যখন মানুষের বক্ষ কুরআন থেকে ফাঁকা হয়ে যাবে। তারা কুরআনে না কোনো মধুরতা পাবে, না কোনো তৃপ্তি পাবে। যখন তাদেরকে যে আমল করার আদেশ দেওয়া হয়েছে তা পূরণ করবে না, তখন তারা বলবে: “নিশ্চয়ই আল্লাহ তো ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” আর যখন আল্লাহ যেসব কাজ থেকে তাদেরকে নিষেধ করেছেন, তা করবে; তখন তারা বলবে: “তিনি আমাদের ক্ষমা করে দেবেন, কারণ আমরা তো তাঁর সাথে কারোর শরিক করি নাই।” তাদের সমস্ত কাজ হবে লোভ, লালসা ও স্বার্থের উপর; সত্যনিষ্ঠা ও আন্তরিকতার উপর নয়। — ইমাম আহমদ (রহিমাহুল্লাহ), কিতাবুজ-জুহদ, হাদিস নং ১৭১৪ সংগৃহীত #dawah_min_al_qalb

কিছু বাস্তব বিষয় যা অনেকেই গ্রহণ করতে দ্বিধা করে থাকে। ১. সালাত পরিত্যাগকারী ব্যক্তি কাফির। ২. প্রাপ্তবয়স্ক নারীর উপর নিক্বাব পরে বের হওয়া বাধ্যতামূলক বিধান। ৩. গানবাজনা হারাম। ৪. পুরুষদের দাড়ি কামানো হারাম। ৫. ধূমপান করা হারাম। ৬. পুরুষদের কাপড় টাখনুর উপরে পরা ওয়াজিব। কোনো একজন আলেম বলেছেন, "একজন মুসলিমকে তার দীনের বিধান মানানোর বিষয়টি কাফিরকে মানানোর চেয়ে কঠিন হয়ে গেছে।" আল্লাহর কাছে এ অবস্থা থেকে নিরাপত্তা চাই। . - শাইখ আবু বকর জাকারিয়া হাফিযাহুল্লাহ #dawah_min_al_qalb

কথাগুলো শতভাগ সত্য! শাইখ রহিমাহুল্লাহ 🥹 #dawah_min_al_qalb

✅✅ #dawah_min_al_qalb
✅✅ #dawah_min_al_qalb

চলন্ত পথে হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ এক দমকা বিষাক্ত ধোঁয়া এসে আপনার চোখে-মুখে লাগল, কিংবা ফুটপাতে পা ফেলতেই কারো ফেলে যাওয়া নোংরা কফ বা পানের পিকে নজর আটকে গেল। ওই মুহূর্তে আপনার ঠিক কেমন লাগে? নিজের অজান্তেই কি মন থেকে একরাশ বিরক্তি কিংবা নীরব এক দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে না? প্রিয় দ্বীনি ভাই ও বোন, কখনো কি নিজের অজান্তেই নিজেকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন—আমার কোনো অসতর্ক আচরণে অন্য কোনো ভাই বা বোনের বুক থেকেও ঠিক এমন নিঃশব্দ কষ্ট ঝরে পড়ছে না তো? আমরা অনেকেই নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করছি, সিজদায় চোখের পানি ফেলছি, নফল রোজা রাখছি। কিন্তু ঈবাদাতের চৌকাঠ পেরিয়ে বাস্তব জীবনে পা রাখতেই আমরা ভুলে যাই যে, ইসলাম শুধু জায়নামাজের ভেতরের কিছু নিয়মের নাম নয়; ইসলাম হলো সমগ্র সৃষ্টির জন্য পরম স্বস্তি ও নিরাপত্তার এক অনুপম নাম। আপনার এক মুহূর্তের তৃপ্তি, অন্যের দীর্ঘশ্বাস! ভিড়ভাট্টা রাস্তায়, ফুটপাতে বা লোকাল বাসের পাশে দাঁড়িয়ে অনেকে হয়তো মনের অজান্তেই ধূমপান করে ফেলছেন। আপনার কাছে এটা হয়তো সামান্য একটি মুহূর্তের তৃপ্তি। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, সেই বিষাক্ত ধোঁয়ায় পাশে দাঁড়ানো এক অসুস্থ বৃদ্ধের কেমন হাঁসফাঁস লাগে? কোনো ছোট্ট শিশুর বুক কতটা আঁতকে ওঠে? আপনার ক্ষণিকের অসচেতনতায় তাদের বুক চিরে যে নীরব আহাজারি বের হয়ে এলো, তার জবাবদিহিতা কি আমরা দিতে পারব? যত্রতত্র ময়লা ও থুতু ফেলা রাস্তার কোণে, সিঁড়ির ধাপে কিংবা গাড়ির জানালা দিয়ে অবলীলায় পানের পিক, কফ বা ময়লা ছুড়ে ফেলাকে আমরা নিতান্তই তুচ্ছ বিষয় মনে করি। অথচ রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—ঈমানের সত্তরেরও বেশি শাখা রয়েছে, যার একটি হলো মানুষের চলার পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা (সুনানে তিরমিজি: ২৬১৪)। এমনকি মসজিদে থুতু ফেলার মতো কাজকেও তিনি বড় গুনাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যেখানে অন্যের ফেলে যাওয়া কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেওয়া ঈমান, সেখানে আমরা কীভাবে নিজেরাই মানুষের চলার পথকে নোংরা ও যন্ত্রণাময় করে তুলতে পারি? নিজের ক্ষণিক স্বস্তিতে অন্যের শান্তি কেড়ে নেওয়া জুলুম বাসে, ট্রেনে বা হাসপাতালে উচ্চস্বরে মোবাইল ফোনে কথা বলা, কিংবা যানজটে দাঁড়িয়ে অহেতুক বিকট হর্ন বাজিয়ে অসুস্থ পথচারীকে আতঙ্কিত করা—এগুলো কোনো মামুলি বদভ্যাস নয়। অন্যের অধিকারের সীমানায় অনধিকার প্রবেশ করে তাঁদের মানসিক প্রশান্তি কেড়ে নেওয়াও স্পষ্টত বান্দার হক নষ্টের শামিল। নিজের ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য অন্যের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলার অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি। পাহাড়সম নেকির পরও দেউলিয়া হওয়ার ভয় আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ একবার সাহাবিদের জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “তোমরা কি জানো প্রকৃত নিঃস্ব বা দেউলিয়া কে?” সাহাবিরা বললেন, যার টাকা-পয়সা ও ধনসম্পদ নেই। তখন নবীজি ﷺ বললেন, “আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত দেউলিয়া সেই ব্যক্তি, যে কিয়ামতের দিন বিপুল পরিমাণ নামাজ, রোজা ও জাকাতের পুণ্য নিয়ে আসবে; অথচ দুনিয়ায় সে কাউকে গালি দিয়েছিল, কারো ওপর অপবাদ দিয়েছিল, কারো হক নষ্ট করেছিল বা কাউকে অন্যায়ভাবে কষ্ট দিয়েছিল। ফলে তার নেক আমলগুলো থেকে পাওনাদারদের হক পরিশোধ করা হবে। একপর্যায়ে তার নেকি শেষ হয়ে গেলে মজলুমদের গুনাহ তার কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (সহিহ মুসলিম: ২৫৮১) মহান আল্লাহ হয়তো তাঁর নিজের হকের ক্ষেত্রে পরম দয়া ও ক্ষমা প্রদর্শন করবেন। কিন্তু বান্দার হক এমন এক আমানত, যতক্ষণ না সেই কষ্ট পাওয়া মানুষটি মন থেকে ক্ষমা করছে, ততক্ষণ স্বয়ং আল্লাহও তা ক্ষমা করেন না। প্রকৃত মুমিন তো সে-ই, যার হাত, মুখ এবং সামান্য আচরণ থেকেও পৃথিবীর প্রতিটি সৃষ্টি সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকে। আসুন, আজ থেকেই নিজেদের অসচেতন অভ্যাসগুলোর লাগাম টানি। আমাদের প্রতিটি পদচিহ্ন যেন অন্যের স্বস্তির কারণ হয়, কোনো পথচারীর নীরব অভিশাপের নয়। লেখা : সংগৃহীত #dawah_min_al_qalb

photo content

ক্বলব হলো বাগানের মতো। এই বাগানে রোপণ করার জন্য শ্রেষ্ঠতম চারা হলো- ক্বুরআন কারীম। শাইখ আতিক উল্লাহ হাফি. #dawah_min_al_qalb
ক্বলব হলো বাগানের মতো। এই বাগানে রোপণ করার জন্য শ্রেষ্ঠতম চারা হলো- ক্বুরআন কারীম। শাইখ আতিক উল্লাহ হাফি. #dawah_min_al_qalb

সুবহানাল্লাহ! #dawah_min_al_qalb
সুবহানাল্লাহ! #dawah_min_al_qalb

“আল্লাহর কাছে তুমি কেমন, তা-ই আসল!” ইবনুল জাওযী রচিত ‘সিফাতুস সাফওয়া’ গ্রন্থে রয়েছে: “সতর্ক থেকো, যেন তুমি এমন প্রশংসিত ব্যক্তি না হয়ে যাও, যে মানুষের মাঝে পরিচিত হলেও আল্লাহর কাছে অজ্ঞাত ও অপরিচিত! হে আমার সঙ্গী! মূল শিক্ষা হলো—আল্লাহর কাছে তুমি কেমন, তা-ই। কত এমন মানুষ আছে, যারা পৃথিবীতে পরিচিত, অথচ আকাশে অপরিচিত! আবার কত এমন মানুষ আছে, যারা পৃথিবীতে অপরিচিত, অথচ আকাশে পরিচিত! আর তুমি যখন দোয়া করো, তখন ফেরেশতারা বলে: ‘হে আমাদের রব! একজন পরিচিত বান্দার কণ্ঠস্বর!’ আল্লাহর কসম! মানুষ তোমার প্রশংসা করতে করতে পৃথিবী ভরে ফেললেও, যদি তুমি আল্লাহর কাছে অন্য কারো তুলনায় উত্তম না হও, তবে তা তোমার কোনো উপকারে আসবে না। আর মানুষ যদি তোমাকে পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত নিন্দায় ভরিয়ে দেয়, তবুও যদি তুমি আল্লাহর কাছে অন্যদের তুলনায় উত্তম হও, তবে তা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। সুতরাং সতর্ক থেকো—যেন তোমার কাজকর্ম লোক দেখানোর জন্য না হয় এবং তোমার প্রচেষ্টা আল্লাহর জন্য না হয়! লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন: ‘সাবধান! মানুষ যেন তোমাকে এমন অবস্থায় না দেখে যে, তুমি আল্লাহকে ভয় করছ; অথচ তোমার অন্তর পাপাচারী।’” ✍️ শাইখ ড. আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিঃ #dawah_min_al_qalb

বাইরের জগতে আপনি হয়তো ভীষণ মার্জিত, পরোপকারী আর হাসিখুশি একজন মানুষ। সবাই আপনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কিন্তু কখনো কি নিভৃতে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছেন—দিনশেষে যখন আপনি ঘরের দরজায় কড়া নাড়েন, তখন ভেতরের মানুষগুলোর বুকে কি স্বস্তির শীতল বাতাস বয়, নাকি অজানা এক আতঙ্কে বুক কেঁপে ওঠে? আমাদের প্রিয় নবীজি ﷺ বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে তার পরিবারের কাছে উত্তম; আর আমি আমার পরিবারের কাছে তোমাদের চেয়েও সর্বোত্তম” (জামে তিরমিজি: ৩৮৯৫)। দ্বীনদারির সবচেয়ে বড় পরীক্ষা কিন্তু বাইরের সমাজে নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের চার দেয়ালে লুকানো থাকে। ভুলের পর তার চোখে কি কেবলই আতঙ্ক? মানুষ মাত্রই ভুল হবে। কিন্তু আপনার ঘরে কি ভুল স্বীকার করার মতো নিরাপদ পরিবেশ আছে? নাকি সামান্য কিছু ভুল কিংবা ছোট্ট কোনো অসাবধানতায় ঘরের মানুষটিকে অপরাধীর মতো কাঁপতে হয়? আপনার গলার কর্কশ স্বর আর চোখরাঙানির ভয়ে যদি তাকে মিথ্যা বলতে হয়, তবে সেই ভুলের দায়ভার কেবল তার নয়, কিছুটা আপনারও। কারণ আপনি তাকে সেই অভয়টুকু দিতে পারেননি, যেখানে সে নির্ভয়ে বলতে পারে—‘আমার ভুল হয়ে গেছে’। কান্নার প্রহরগুলোতে আপনি কি তার নির্ভরতার চাদর? ক্লান্তিতে ভেঙে পড়ে, চোখের জল ফেলে সে কি আপনার কাছে এসে বলতে পারে—‘আজ আমার মনটা ভীষণ খারাপ’? নাকি দুর্বলতা প্রকাশ করলেই ধেয়ে আসে অতীত ভুলের খোঁটা, কটূক্তি আর নিষ্ঠুর তুলনা? প্রিয় ভাই ও বোন, ভালোবাসার মানুষটিকেও যদি আপনার সামনে সারাক্ষণ নিখুঁত হওয়ার অভিনয় করে যেতে হয়, তবে সে বড় একা! তাকে এমন এক নিরাপত্তা দিন, যেন পৃথিবীর সমস্ত ক্লান্তি আর ক্ষত নিয়ে সে নির্দ্বিধায় আপনার সামনে এসে ডুকরে কেঁদে উঠতে পারে। মতের অমিল কি কেড়ে নেয় সম্পর্কের মাধুর্য? দাম্পত্য কিংবা পরিবারে মানুষের সাথে মতের অমিল থাকা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কিন্তু নিজের যুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে আমরা কি ঘরের মানুষটির আত্মসম্মানকে ধুলোয় মিশিয়ে দিই? কটূক্তি, তুচ্ছতাচ্ছিল্য আর মুখ ভার করে দিনের পর দিন কথা বন্ধ রাখা কিন্তু কোনো মুমিনের চরিত্র হতে পারে না। যে মানুষটি মতভেদ নিয়েও নিশ্চিন্ত থাকে যে আপনি তাকে আঘাত করবেন না, তার কাছে আপনি কিন্তু এক আকাশ। আপনি কি তার আশ্রয়ের ঠিকানা, নাকি বন্দিশালা? নবীজি ﷺ যখন হেরা গুহা থেকে ওহির প্রচণ্ড ভারে কাঁপতে কাঁপতে ফিরলেন, তিনি কিন্তু অন্য কোথাও যাননি; দৌড়ে গিয়েছিলেন প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজা (রা.)-এর কাছে। খাদিজা (রা.) সেদিন কোনো কৈফিয়ত চাননি; বরং পরম মায়ায় চাদর জড়িয়ে দিয়ে বলেছিলেন, ‘দেখেবন নিশ্চয় আল্লাহ কখনো আপনাকে অপমানিত করবেন না।’ ঘর হলো এমন এক জায়গা, যেখানে বাইরের সব ঝড় এসে থেমে যায়। আসুন, আমাদের প্রিয়জনদের জন্য আমরা এমন এক প্রশান্তির নীড় হয়ে উঠি, যেন বাইরের দুনিয়া যতই নিষ্ঠুর হোক, আমাদের কাছে ফিরে এলেই তারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বলতে পারে—‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে এসেছি।’ লেখা : সংগৃহীত #dawah_min_al_qalb

photo content

বিশ্বাসী (মুমিন) তো তারাই যাদের হৃদয় আল্লাহকে স্মরণ করার সময় কম্পিত হয়। #dawah_min_al_qalb