es
Feedback
Article Bangla

Article Bangla

Ir al canal en Telegram

কাউকে প্রমোট করা উদ্দেশ্য না, তথ্যবহুল লেখাজোখা পেলে শেয়ার করি। অন্য কোনও উদ্দেশ্য নেই। ভালো কিছু টেলি চ্যানেল > @muslimatrix @badar_al_deen @News_and_Analysis

Mostrar más
1 156
Suscriptores
Sin datos24 horas
Sin datos7 días
Sin datos30 días
Archivo de publicaciones
Repost from News Box Bangla

কাশ্মীর: ক্ষতবিক্ষত মানবতা কাশ্মীর নিয়ে প্রথম কিছু লেখা: https://t.me/abidmohammad2/253 নতুন লেখাগুলো পাবেন: https://t.me/abidmohammad/5957 © @abidmohammad

শান্তনু কাইসার এর নতুন ভিডিও এসেছে, দেখে নিয়েন। https://youtu.be/Tf1cy6Z3kLo

Repost from Mohammad Abid
উর্দু ভাষার ইতিহাস
লেখা: ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি https://t.me/abidmohammad/5921 লেখাটি হয়তোবা থেকে সংগৃহীত।

গাজ্জায় সাহায্য পাঠানোর জন্য @brothersforcrescent এর প্রজেক্টে শরীক হতে পারেন। ॥

গাজার জন্য সাহায্য পাঠানোর জন্য @brothersforcrescent এর প্রজেক্টে শরীক হতে পারেন। ॥

William Shakespeare এর একটা উক্তি আছে “Jack of all trades, master of none.” অর্থাৎ যে সব বিষয়ে পারদর্শী, সে আসলে কোনো বিষয়ে পারদর্শী নয়। আসলে উক্তি টা সম্পূর্ণ উক্তি নয়। পুরো উক্তিটা হলো, “A jack of all trades is a master of none, but often times better than a master of one.” অর্থাৎ,যে সব বিষয়ে পারদর্শী, সে কোনো বিষয়ে পারদর্শী নয় কিন্তু একটা বিষয়ের উপর পারদর্শী কারো চেয়ে উত্তম। প্রথম উক্তি টা শুনে আমরা এতোটাই অভ্যস্ত যে বাদবাকি দুনিয়া নিয়ে আমরা জানতেও অভ্যস্ত নই। এর কারণ ছোট থেকে ভুল উক্তিটা আমাদের মনে প্রভাব ফেলেছে।এবং আমরা ভাবি এই একটা নিয়ে গভীরে জানতে থাকলেই এনাফ। এখন দ্বিমত আসতে পারে যে গভীর জ্ঞান ও তো দরকার।হ্যাঁ, আমি সেই বিষয়টা অস্বীকার করিনি,কিন্তু কেউ অলরাউন্ডার হতে চাইলে এই উক্তিটা খুব ই নেগেটিভ প্রভাব ফেলে,দেখা যায় তার ইচ্ছা,আকাঙ্খা আছে কিন্তু এই উক্তির বিশ্বাসের কারণে সে সেগুলো শিখতে পারছেনা। অথচ,রেনেসাঁর আগের সময়ে দেখা যায়,বিশেষ করে মধ্যযুগে মানুষজন ছিলেন পলিম্যাথ (বহু শাস্ত্রে পারদর্শী)। উদাহরণ হিসেবে, ইবনে খালদুন,আল বেরুণী,জাবির ইবনে হাইয়্যান দের কথা বলা যায়। এখনের যুগেও আগের সেই জ্ঞানতাত্ত্বিকতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব যদি কেউ বহুমূখী বিষয়ে এক্সপার্ট হতে চায়। এই ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে আসল দ্বিতীয় উক্তিটি। এটার প্রমাণ ও অবশ্য একজন করে দেখিয়েছে, Scott H. Young নামে এক ব্যক্তি আছেন যিনি MIT এর ৪ বছরের Computer Science কোর্স নিজ উদ্যোগে ১ বছরের মধ্যে শেষ করেন। এবং পরবর্তীতে ১ বছরেই ৪ টা নতুন ভাষা ও শিখে। সেইখান থেকে মানুষজন তাকে বারবার ইমেইল,মেসেজ করতে থাকে তখন ❝Ultra learning❞ নামে একটা বই লিখেন,সেখানে কিছু পদ্ধতিতে ফলো করে কোনো কিছু দ্রুত শিখার এবং বহুমূখী বিষয় শেখার পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে। এই বিষয়ে সন্দেহ নেই যে,পুরো মডার্নিজম একটা মরীচিকার মতো ধাঁধা। এই সময়ে সত্যের সন্ধান করতে হবে সালমান ফারসি(রা:) এর মতো। এবং এই ধাপ টা শুরু করার প্রথম ধাপ টা হলো পরাজিত মানসিকতা ভাঙা,মডার্নিজম কে প্রশ্ন করা এবং বহুমূখী বিষয় জানার প্রতি তীব্র আকাঙ্খা তৈরি করা। References /ইবতিহাজ তাহসিন

Repost from Mohammad Abid
মনে করেন বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের যুদ্ধ লেগেছে। মায়ানমারের সেনাবাহিনীকে সমর্থন করতেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। এখন ধরেন বাংলাদেশের কাছে যেসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম আছে এর উল্লেখযোগ্য অংশই হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের উৎপাদিত। এই অবস্থায় যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সব পণ্য বয়কট করার ডাক দিল। এখন যুদ্ধের মাঝে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের যেসব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের উৎপাদিত সেগুলো কি বয়কট ক্যাম্পেইনের অংশ হিসাবে বয়কট করবেন নাকি ব্যবহার করবেন? বুদ্ধিমান মানুষ মাত্রই এটা বুঝবে, যুদ্ধের সময় হুটহাট বিকল্প উৎস থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য কাজ এবং সময় সাপেক্ষ বিষয়। তাই স্বাভাবিকভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সব পণ্য বয়কট করলেও ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের কাছে থাকা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কিন্তু আমরা ঠিকই ব্যবহার করবো। কেননা, আপাতত যুদ্ধ জয় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একবার যুদ্ধ জয় করতে পারলে এরপর থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করার সময় আমরা বিকল্প উৎস অবলম্বন করতে পারব। কিন্তু এখন যদি বয়কট ক্যাম্পেইনের অংশ হিসাবে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করি তাহলে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব হারাবো। তখন বয়কট করার মানুষই আর থাকবে না, বয়কট করার উদ্দেশ্য থাকবে না। - এখন আসেন ফিলিস্তিন ইস্যু, গাজা গণহত্যা ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট পণ্য বয়কট ক্যাম্পেইনের বিষয়ে কথা বলা যাক। ইসরায়েলকে (প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ) সমর্থন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান। কিছু প্রতিষ্ঠান ইসরায়েলের অন্যায়ের মদদদাতা। কিছু প্রতিষ্ঠান দ্বারা ইসরায়েল উপকৃত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বেশ কিছু পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তো যখনই ফেসবুকে পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানানো হয় তখনই কিছু ভাই/বোন এসে বলতে থাকেন - ফেসবুক বয়কট করেন না কেন? প্রিয় ভাই/বোন, ফেসবুক হলো সামাজিক মাধ্যম, বয়কট হলো সামাজিক আন্দোলন। সামাজিক আন্দোলন সফল করার (যুদ্ধ জয়) জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের মতো বিষয়। অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিরোধীদের উৎপাদিত হলেও তা বিরোধীদের বিপক্ষে যেমন ব্যবহার করতে হয়, বয়কট আন্দোলনেও ফেসবুককে একই দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যুদ্ধকালীন সময়ে যেমন চাইলেই বিকল্প উৎস থেকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য কাজ এবং সময় সাপেক্ষ বিষয়, তেমনই হুট করেই ফেসবুকের বিকল্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে আসাও কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ কাজ। ঠিক এই কারণেই ফেসবুক ব্যবহার করেই বয়কট ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে এবং ফেসবুক বয়কট করা হচ্ছে না। তবে ফেসবুকের বিকল্প হিসাবে ফেসবুকের পাশাপাশি টেলিগ্রাম এবং টুইটার (X) ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি আশা করি ফেসবুক কেন বয়কট করা হয় না বা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হবার পরেও কেন ফেসবুক ব্যবহার করা হচ্ছে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর আপনারা পেয়ে গিয়েছেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: উপরের লেখাটা তাদের জন্য নয় যাদের মাথায় বুদ্ধি বলতে এককালে কিছু ছিল কিন্তু এখন আর নেই বা কোনও কালেই ছিল না। এই লেখাটা মানসিক ভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিক নৈতিকতা সম্পন্ন এবং বিবেকবান মানুষদের জন্য।
/মুহাম্মাদ আবিদ @abidmohammad

(লেখাটা বড় হয়ে গেছে কিন্তু একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছি,পড়ে দেখতে পারেন।) প্রোটেসট্যান্টদেরকে ক্যাথলিকরা কেন দেখতে পারতো না জানেন? কারণ তারা বাইবেল কে ব্যাখ্যা করার সুযোগ সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল। যার সূত্রপাত টা ঘটায়ছিল মার্টিন লুথার। এর আগ পর্যন্ত বাইবেল ব্যাখ্যার সুযোগ ছিল শুধুমাত্র পাদ্রিদের। আমি এইখানে বাইবেল কে সঠিক বলিনি। কিন্তু ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ❝স্কলারলি অথরিটি❞ দিয়ে দেওয়া হয়েছিল ❝সাধারণ মানুষদের❞ হাতে সেই বিষয়টার দিকে ইংগিত করলাম। ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে সেক্যুলারিজম আর সেখান থেকে এথেইজম এর মতো আইডিওলজির ব্যাপক স্প্রেড হওয়া শুরু হয়। এবার মূল আলোচনায় আসি, উপমহাদেশে ব্রিটিশদের শাসনব্যবস্থা স্ট্রং থাকার কারণে তারা এমন একটা এডুকেশন সাজানোর প্ল্যান করেছিল যাতে ভারতীয়দের মধ্যে থেকে চিন্তাশক্তির ধ্বস নামে। ১৮৩৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লর্ড মেকলে বলেন, ❝আমি ভারতবর্ষের (বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান) দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে ঘুরে বেড়িয়েছি, কিন্তু কোথাও একজন ভিক্ষুকও আমার চোখে পড়েনি, একজন চোরও আমি দেখতে পাইনি। এ দেশে সম্পদের এত প্রাচুর্য এবং এ দেশের মানুষগুলো এতটাই যোগ্যতাসম্পন্ন ও উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী যে এ দেশকে আমরা কখনোই পদানত করতে পারব না, যদি না তাদের মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলতে পারি। এ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই হচ্ছে সেই মেরুদণ্ড। এ কারণে আমার প্রস্তাব হচ্ছে, আমরা এখানকার প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা ও সংস্কৃতি এমন একটি শিক্ষা ও সংস্কৃতি দিয়ে প্রতিস্থাপন করব, যাতে প্রতিটি ভারতীয় নাগরিক ভাবতে শেখে যে যা কিছু বিদেশি ও ইংরেজদের তৈরি, তা-ই ভালো ও নিজেদের দেশের থেকে উৎকৃষ্টতর। এভাবে তারা নিজেদের ওপর শ্রদ্ধা হারাবে, তাদের দেশজ সংস্কৃতি হারাবে এবং এমন একটি পরাধীন জাতিতে পরিণত হবে, ঠিক যেমনটি আমরা চাই।❞ এবং বিভিন্ন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে, দুইশ বছরের ব্যবধানে আশি হাজার মাদ্রাসা থেকে পুরো ভারতবর্ষে মাদ্রাসা নেমে আসে মাত্র দুই হাজার এ।অপরদিকে স্কুল,কলেজ ইউনিভার্সিটি বাড়তে থাকে। ফলে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ আর মধ্যবিত্ত শিক্ষিত সমাজ উপমহাদেশের আলেমশ্রেণী এর থেকে মধ্যবিত্ত সেক্যুলার শিক্ষিত সমাজকে অধিক গুরুত্বের সাথে দেখতে থাকে। সাথে ইউরোপ থেকে ধেয়ে আসা সেক্যুলারিজম এর প্রভাবে আলেমদের অপিনিয়নগুলোকে দেখা হতে থাকে মূর্খের বক্তব্য হিসেবে। ফলশ্রুতিতে দেখা যায় সৈয়দ আমীর আলীর মতো লেখক ও চিন্তা ভাবনায় প্রাচ্যবাদ এর স্বীকার হয়ে ইসলাম এর ব্যাপারগুলোকে বস্তুবাদী (materialistic) দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যক্ত করে এবং ব্যাপক ইউনিভার্সিটির টিচার,স্টুডেন্টরা এসব গিলতে থাকে। এবং এর প্রভাবে দেখা যায়, নবী (সা:) যেখানে আলেমদের তাদের ইসলাম এর স্কলারলি অথরিটি টিকিয়ে রাখার জন্য বলেছেন ওয়ারিশ হিসেবে,ঠিক তাদের ই ব্যাখ্যা বক্তব্যকে বাদ দিয়ে নিজের ইচ্ছামত কুরআন,হাদিস থেকে দলীল,উদ্ধৃতি দিতে থাকে ভুল ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে। ফলাফল স্বরূপ, আজকে আপনারা পত্রিকায় খবর দেখলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন মুক্তিযোদ্ধা কোটার পক্ষে পবিত্র কোরআন থেকে তথাকথিত ‘দলিল’ তুলে আয়াতের মিসইন্টারপ্রিট করেছেন। References /ইবতিহাজ তাহসিন

Haridwar, Uttarakhand: Hindu Man named Adityaraj Saini Booked along with his Friend Amit For Gang-raping and Killing 13-year-
Haridwar, Uttarakhand: Hindu Man named Adityaraj Saini Booked along with his Friend Amit For Gang-raping and Killing 13-year-old Girl. Accused Adityaraj was Member of BJ Party OBC Morcha whom now got Expelled from the Morcha. More Details: https://indianexpress.com/article/india/girl-gang-raped-killed-body-found-along-haridwar-highway-9416492/lite/ Subscribe @HinduCrimes

Repost from Mohammad Abid
প্রাচীন রোমের একজন কবি,জুভেনাল এর একটা বিখ্যাত উক্তি আছে, ❝Give them bread and circuses and they will never revolt.❞ অর্থাৎ, ❝তাদেরকে রুটি এবং সার্কাসগুলো উপহার দাও,তারা কখনো বিদ্রোহ করবেনা।❞ এই উক্তির মধ্যে দুইটা পয়েন্ট লক্ষণীয় ১.বিনোদন ২.বিদ্রোহ যখন বিনোদন দেওয়া হতেই থাকবে তারা তাদের আসল লক্ষ্য ভুলে যাবে এবং বিদ্রোহের সেই শক্তি কিংবা বোধটুকু ও অর্জন করতে সক্ষম হবেনা। এবং সেই জাতিকে তখন পরাজিত করা খুবই সহজ কাজ। জাতীয়তাবাদী চেতনা কে উস্কে দেওয়ার জন্য ক্রিকেট নামক সার্কাস লাগিয়ে রেখেছে,এবং দেশের জনগণ ও একটা মিথ্যা সুখে ভাসছে যেটা আদতে সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই নয়।আর এদিকে তাদের ই দেশের ভাইবোন এর ভূখন্ড দখল হয়ে যাচ্ছে গত ৭ দিন ধরে,একটা বর্ডার আক্রমণ করা হয়ছে;সেই বিষয়ে তারা বেখবর। যেহেতু তথাকথিত ❝দেশপ্রেমী❞ মিডিয়া নিউজ করেনি তাই তাদের অনুভূতি যেন এমন, বর্ডার আক্রমণ করছে,এ আর এমন কি? অথচ বর্ডার আক্রমণ করা মানে হলো একটা দেশের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা। অর্থাৎ মায়ানমার সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণা করলো। রাশিয়া-ইউক্রেন নিয়ে এতো সরব জাতি নিজ দেশের বর্ডার আক্রমণ হওয়ার ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর। তাদের চিন্তার ইচ্ছা টুকু ও নেই। একটা বিনোদন পায়ছে ক্রিকেট,সেটার ব্যাপারেই জপতে থাকে,কে কত স্কোর করছে সেটা নিয়ে আহ্লাদিত। সে জাতিকে দখল করতে আর কত সময় বা লাগবে যারা নিজ জাতির মূল লক্ষ্য কি হওয়া উচিত সেটার বিষয়ে বেখবর। আজকে আপনার ভাই-বোন এর থাকার ভূখন্ড মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়া হচ্ছে কালকে আপনাকে সহ আপনার থাকার স্থানের মানচিত্র মূছে দেওয়া হবে,তখন কই যাবেন? /ইবতিহাজ তাহসিন

Repost from Mohammad Abid
তালিবান নেতৃত্বাধীন ইসলামি আমিরাত আফগানিস্তানের সরকার কাঠামো সর্বোচ্চ নেতা (আমির): হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা প্রধানমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত): মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ উপ-প্রধানমন্ত্রী: আবদুল গনি বারাদার (প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী) আবদুল সালাম হানাফী (দ্বিতীয় উপ-প্রধানমন্ত্রী) আবদুল কবির (তৃতীয় উপ-প্রধানমন্ত্রী) প্রতিরক্ষামন্ত্রী: মুহাম্মাদ ইয়াকুব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত): সিরাজউদ্দিন হাক্কানী পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমির খান মুত্তাকী অর্থমন্ত্রী: গুল আঘা ইসহাকজাই শিক্ষামন্ত্রী:নুরুল্লাহ মুনির তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী:খায়রুল্লাহ খায়েরখাভা অর্থনীতিমন্ত্রী: দীন মোহাম্মদ হানিফ বিচারমন্ত্রী: আবদুল হাকিম হাক্কানি গণপূর্তমন্ত্রী: মোহাম্মদ ঈসা থানি খনি ও পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী: শাহাবুদ্দিন দেলাওয়ার পানি ও জ্বালানিমন্ত্রী: আবদুল লতিফ মনসুর

বিশ্বের সবচেয়ে বিষধর সাতটি সাপ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে https://www.bbc.com/bengali/articles/cd11179p4g8o

বখতিয়ার খিলজি ও নালন্দা https://t.me/articlebangla/244

২.বাংলায় মুসলিম সমাজ বিস্তারের প্রাথমিক ধারা, এ কে এম শাহনেওয়াজ। ৩.বাঙ্গালীর ইতিহাস সম্বন্ধে কয়েকটি কথা, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৪.ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলমান, অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ৫.ঐ ৬.বায়োগ্রাফি অব ধর্মস্বামী, জি রোয়েরিখ, কে পি জয়সওয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউট,পাটনা। ৭. বাঙ্গলার ইতিহাস, ড. ভুপেন্দ্রনাথ দত্ত। ৮.আর্নেস্ট হ্যাভেল, দি হিস্ট্রি অব এরিয়ান রুল ইন ইন্ডিয়া। ৯.এইচ হিরাস, দ্য রয়েল পেট্রনস অব দ্য ইউনিভার্সিটি অফ নালন্দা, জার্নাল অব দ্য বিহার এন্ড উড়িষ্যা রিসার্চ সোসাইটি। ১০. এস এন সদাশিবন, এ সোসাইটি হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া। ১১. P. al. jor: History of Rise, progress and Downfall of Buddhism in India ১২. বি এন এস যাদব, সোসাইটি এন্ড কালচার ইন নর্দার্ন ইন্ডিয়া ইন দ্য টুয়েলভথ সেঞ্চুরি। ১৩.ডি আর পাটিল, অ্যান্টিকোয়ারিয়ান রিমেনস অব বিহার, ( এটা বিহার সরকার কর্তৃক প্রকাশিত, নালন্দা ধ্বংসের উপর একমাত্র লিখিত গবেষণাপত্র) ১৪.আর এস শর্মা ও কে এম শ্রীমালি,এ কমপ্রিহেনসিভ হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া। এছাড়াও বিস্তারিত দেখতে পারেন: *বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগঃ মিথ ও বাস্তবতা, মুসা আল হাফিজ *ভারতবর্ষের ইতিহাসঃ রাষ্ট্র ধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা,আমিনুল ইসলাম। / খাই রুল ভাইয়ের ফেসবুক পোস্ট থেকে ২ ডিসেম্বর ২০২৩

স্বামী বিবেকানন্দের দাদা ড. ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত বলেন ❝ নালন্দায় লাইব্রেরি কয়েকবার বিধ্বস্ত হয়। P. al. Jor-এর তিব্বতীয় পুস্তকে উল্লিখিত হয়েছে যে, “ধর্মসগন্ধ অর্থাৎ নালন্দার বৃহৎ লাইব্রেরি তিনটি মন্দিরে রক্ষিত ছিল। তীর্থিক (ব্রাহ্মণ) ভিক্ষুদের দ্বারা অগ্নিসংযোগে তাহা ধ্বংস হয়। মগধের রাজমন্ত্রী কুকুতসিদ্ধ নালন্দায় একটি মন্দির নির্মাণ করেন। সেখানে ধর্মোপদেশ প্রদানকালে জনাকতক তরুণ ভিক্ষু দুজন তীর্থিক ভিক্ষুদের গায়ে নোংরা জল ছিটিয়ে দেয়। তার ফলে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে ‘রত্নসাগর’, ‘রত্নধনুক’ এবং নয়তলাযুক্ত ‘রত্নদধি’ নামক তিনটি মন্দির অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করে। উক্ত তিনটি মন্দিরেই সমষ্টিগতভাবে ধর্মগ্রন্থ বা গ্রন্থাগার ছিল।❞[৭] P. al. Jor :History of the Rise, Progress and Downfall of Buddhism in India গ্রন্থটা পড়ে দেখতে পারেন। বুদ্ধপ্ৰকাশ তাঁর ‘Aspects of Indian History and Civilisation’ গ্রন্থে স্পষ্ট করে বলেছেন –❝নালন্দায় অগ্নিসংযোগের জন্য হিন্দুরাই দায়ী।❞ বাংলাদেশে ‘বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধ ভিক্ষু’ গ্রন্থে ভিক্ষু সুনীথানন্দ বলেন ❝ এজন্য কেবল ব্রাহ্মণ্যবাদীরাই দায়ী।❞ মুসলিমবিদ্বেষী লেখক আর্নেস্ট হ্যাভেল লিখেছেন ❝মুসলমান রাজনৈতিক মতবাদ শুদ্রকে দিয়েছে মুক্ত মানুষের অধিকার, আর ব্রাহ্মণদের ওপরেও প্রভুত্ব করার ক্ষমতা। ইউরোপের পুনর্জাগরণের মতো চিন্তাজগতে এও তুলেছে তরঙ্গাভিঘাত, জন্ম দিয়েছে অগণিত দৃঢ় মানুষের আর অনেক অত্যোদ্ভুত মৌলিক প্রতিভার। পুনর্জাগরণের মতোই এও ছিল মূলত এক পৌঢ় আদর্শ।... এরই ফলে গড়ে উঠল বাঁচার আনন্দে পরিপূর্ণ এক বিরাট মানবতা। সেই মানবতার দ্বার উন্মোচনে বখতিয়ার খিলজির বঙ্গজয় ছিল প্রশ্নহীন এক মাইলফলক। বৌদ্ধদের জন্য সেটা ছিল অনেক বেশি গ্লানিমুক্তি। অনেকটা নবজীবন। মুসলিম বিজয় তাদের কোনো কিছু ধ্বংস করেনি, বিপন্ন করেনি তাদের; বরং খুলে দিয়েছে মুক্তির সদর দরজা।❞[৮] ষষ্ঠ শতকের রাজা মিহিরকুল বৌদ্ধদের সহ্য করতে পারতেন না। তিনি যখন পাটলিপুত্র আক্রমণ করেন তখন সম্ভবত তখনই নালন্দা মহাবিহার ধ্বংসপ্রাপ্ত এইচ হিরাস এ বিষয়ে লিখেছেন ❝Nalanda University was not far from the capital, Pataliputra and its fame had also reached Mihirakula's ears. The buildings of Nalanda were then probably destroyed for the first time, and its priests and students dis-persed and perhaps killed.❞[৯] ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় নালন্দা প্রথমবার আক্রমণের স্বীকার হয় শৈব রাজা মিহিরকুলের দ্বারা, এরপর গৌড়রাজ শশাঙ্কের দ্বারা দ্বিতীয়বার, এরপর তিরহুতের রাজা অর্জুনের একদল ব্রাহ্মণের হাতে আবারও নালন্দা আক্রান্ত হয়। ঐতিহাসিক এস, সদাশিবন অবশ্য নালন্দা ধ্বংসের জন্য মুসলমান ও ব্রাহ্মণ উভয়কেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন।[১০] পঞ্চম শতাব্দীতে ব্রাহ্মণরা যজ্ঞাগ্নি নিয়ে নালন্দার প্রসিদ্ধ গ্রন্থাগারে ও বৌদ্ধ বিহারগুলিতে অগ্নিসংযোগ করেন।ফলে নালন্দা অগ্নিসাৎ হয়ে যায়।[১১] তিব্বতীয় শাস্ত্র ‘ পাগসাম ইয়ান জাং’ -এ ‘ ব্রাহ্মণরা নালন্দার লাইব্রেরি পুড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ’[১২] ঐতিহাসিক ডি আর পাটিল পরিস্কারভাবে বলেছেন ❝ওটা ধ্বংস করেছে শৈবরা।❞ তিনি এ-ও বলেছেন নালন্দা ধ্বংস হয়েছিল বখতিয়ার খিলজির আক্রমণের আগেই। [১৩] শৈবরাই নালন্দা ধ্বংস করেছে এই বিষয়টা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন আর এস শর্মা ও কে এম শ্রীমালি।[১৪] বখতিয়ার খিলজীকে দায়ী করার অপচেষ্টা অধিকাংশ ঐতিহাসিক নাকচ করে দিয়েছেন। এবিষয়ে দেখতে পারেন Truschke, A. 2018. The Power of The islamic Sword in Narrating The Death of Indian Buddhism , Journal of The History of Religion , Chicago University press. রাধাকৃষ্ণ চৌধুরী লিপিতাত্ত্বিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে দেখিয়েছেন যে, নালন্দা ধ্বংসের সাথে বিজয় সেনের সম্পর্ক আছে। এবিষয়ে দেখতে পারেন Chaudhary, R. 1978. Decline of the University of Vikramasila, Journal of the Indian History. রাধাকৃষ্ণ চৌধুরী নালন্দায় ১৯৬০-৭২ সাল পর্যন্ত পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতাত্ত্বিক খননের উপর ভিত্তি করে Decline of The University of Vikramasila প্রবন্ধ লিখে সুন্দর করে দেখিয়েছেন যে বখতিয়ার খিলজী'র বাংলায় আগমনের সাথে নালন্দার ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই নেই। তো কি বোঝা গেলো? আর বাংলায় মুসলিম শাসন বৌদ্ধরা কি হিসেবে দেখেছিলো এবিষয়ে জানতে চাইলে বিশদভাবে লেখা সম্ভব। --------------------------- তথ্যসুত্রঃ ১.Journal of The Varendra Research society, 1940. The Rise and Fall Of Buddhism in South Asia 2008.

বখতিয়ার খিলজি ও নালন্দাঃ বঙ্গবিজেতা বখতিয়ার খিলজি মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী নিয়ে বঙ্গবিজয় করেছিলেন ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে। তখন বাংলায় সেন বংশের শাসক লক্ষ্মণ সেনের রাজত্বকাল। সেন বংশের শাসন নিম্নবর্ণের হিন্দু ও বৌদ্ধদের জন্য মোটেও সুখকর ছিলোনা। এরকমই পরিস্থিতিতে বখতিয়ার খিলজির আক্রমণ ঘটে আর লক্ষ্মণ সেন পালিয়ে যান। পরে এই আক্রমণের উপরেই ভিত্তি করে বহু ঐতিহাসিক মনমতো করে বখতিয়ার খিলজির উপর বেশকিছু অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তার মধ্যে মূল অভিযোগ হলো নালন্দা ধ্বংস। যাইহোক বখতিয়ার খিলজির উপর বড়োজোর উদন্তপুরী আক্রমণের অভিযোগ চাপানো যায়,যেটা নালন্দা থেকে ১০ কিলোমিটার দূটে মগধে অবস্থিত। তার বেশি কিছু না। যদিও এই উদন্তপুরী আক্রমণ হয়েছিল ভুল তথ্যের কারণে। বখতিয়ার খিলজি উদন্তপুরীকে সেনাশিবির ভেবে আক্রমণ করেছিলেন। তবে মজাদার বিষয় হলো বখতিয়ারকে উদন্তপুরী আক্রমণ করতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলো স্থানীয়রা। পণ্ডিত কুলাচার্য জ্ঞানানশ্রী তাঁর ‘ ভাদ্র কল্পদ্রুম’ এ লিখেন ❝ বৌদ্ধ ভিক্ষু ও পণ্ডিতদের মধ্যে কলহ ও বিবাদ চলছিলো।তা এমনই তীব্র ছিলো যে তাদের এক পক্ষ তুর্কী আক্রমণকারীদেরকে তাদের ওখানে আক্রমণ চালাতে প্রতিনিধি পাঠায়।❞[১] এমনকি বখতিয়ার খিলজির হয়ে অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু নদীয়া আক্রমণের সময় গুপ্তচরবৃত্তিও করেছিল।[২] যাইহোক ঐতিহাসিক মিনহাজের বিবরণে জানা যায় উদন্তপুরী একটা শিক্ষাপীঠ ছিলো।আর বখতিয়ার সেটা জানতেন না। তবে আরো কথা আছে। এই মিনহাজের বিবরণটাও সন্দেহজনক। ড. দীনেশচন্দ্র সেনের মতে উদন্তপুরী বৌদ্ধবিহার ধ্বংস হয় ১১৯৩ সালে,অন্যান্য গনেষকদের মতে ১১৯১-৯৩ এর মধ্যে। আর বখতিয়ার খিলজি আক্রমণ ঘটে ১২০৪ সালে। আর এই মিনহাজের বিবরণকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বানোয়াটও বলেছেন।[৩] এবার আসা যাক নালন্দা আক্রমণ নিয়ে। নালন্দা আক্রমণ নিয়ে বললে বলতে হয় বখতিয়ার খিলজি কখনো নালন্দাতেই যাননি। প্রফেসর ডি এন ঝাঁ তার বই Against The Grain: Notes On Identify তে বলেছেন বখতিয়ার খিলজি কখনো নালন্দায় যাননি। গবেষক লেখক অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেন ❝বখতিয়ারের বিরুদ্ধে নালন্দা মহাবিহার তথা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করার নিরঙ্কুশ অপবাদ বহুল প্রচারিত। কোনো কোনো ঐতিহাসিক লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি ১১০০ সালে বখতিয়ার খিলজি ধ্বংস করেছেন। ভারতীয় ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ বখতিয়ারের এই আক্রমণের তারিখ জানিয়েছেন ১১০০ সাল। অথচ স্যার উলসলি হেগ বলছেন, বখতিয়ার ওদন্তপুরী আক্রমণ করেছেন ১১৯৩ সালে। আর স্যার যদুনাথ সরকার এই আক্রমণের সময়কাল বলছেন ১১৯৯ সাল। সবচাইতে মজার যে, বখতিয়ার খলজি বঙ্গ বিজয় করেন ১২০৪ সালের ১০ মে। স্যার যদুনাথ সরকার বখতিয়ারের বঙ্গ আক্রমণের সময়কাল বলছেন ১১৯৯ সাল। অন্যদিকে অধিকাংশ ঐতিহাসিকের মতে বৌদ্ধদের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করা হয় ১১৯৩ সালে। যে লোকটি ১২০৪ সালে বঙ্গে প্রবেশ করেন, সে কীভাবে ১১৯৩ সালে নালন্দা ধ্বংস করেন?❞[৪] তাহলে দেখা যাচ্ছে বখতিয়ার খিলজির আক্রমণের আগেই নালন্দা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তিনি আরো লিখেন ❝ সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা যাচ্ছে, ধ্বংস করা তো দূরের কথা, বখতিয়ার নালন্দার ধারেকাছেই যাননি।❞[৫] যদুনাথ সরকার অবশ্য চেষ্টা করেছেন বখতিয়ার খিলজির আক্রমণকে ১২০৪ থেকে পিছিয়ে ১১৯৯ আনার, কিন্তু তাতেও ধ্বংসের দায় তাঁর উপর চাপেনা। শরৎচন্দ্র দাশ তাঁর Antiquity of Chittagong প্রবন্ধে লিখেছেন, “বিক্রমশীলা ও ওদন্তপুরী বিহার দুটিকে ধ্বংস করা হয়েছিল ১২০২ সালে।” এই তালিকায় কিন্তু নালন্দার উল্লেখ নেই। লামা তারানাথ এবিষয়ে তার বই ‘ ভারতে বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস’ (১৬০৮খ্রিঃ) - এ পরিস্কারভাবে বলেছেন। তিনি কেবল উদন্তপুরী ও বিক্রমশীলা মহাবিহারে আক্রমণের উল্লেখ করেছেন,নালন্দার পর্যন্ত নাম নেননি। তিনি বলেন ❝Then came the Turuska king called the Moon to the region of Antarvedi in-between the Ganga and the Yamuna. Some of the monks acted as the messengers for this king. As a result, the petty Turuska rulers of Bhangala and other places united, ran over whole of Magadhaand massacred many ordained monks in Odantapuri. They destroyed this and also Vikramasila. The Persians at last built a fort on the ruins of the Odanta-vihara.❞ ১২৩৪-৩৬ সাল নাগাদ, অর্থাৎ বখতিয়ারের (মৃত্যু হয় ১২০৬ সালে) বিহার জয়ের ৩১ বছর পরও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন চালু ছিল। সেসময়ে তিব্বত থেকে ধর্মস্বামী এসে নালন্দা বিহারকে চালু অবস্থাতেই দেখেছেন। সেখানে মঠাধ্যক্ষ রাহুল শ্রীভদ্রের পরিচালনায় ৭০ জন সাধু পড়াশোনা করেছেন।[৬] এবার কথা হলো ধ্বংসের কথা বারবার লেখা হয়, বলা হয় তাহলে যদি ধরেই নি ধ্বংস হয়েছিল, তাহলে সেটা করেছিলো কে বা কারা?