es
Feedback
Our Al Aqsa

Our Al Aqsa

Ir al canal en Telegram

গাজায় চলছে ঈমান নিয়ে টিকে থাকার লড়াই...

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Our Al Aqsa

El canal Our Al Aqsa (@ourealaqsa) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 31 518 suscriptores, ocupando la posición 2 215 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 618 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 31 518 suscriptores.

Según los últimos datos del 01 julio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de -307, y en las últimas 24 horas de 0, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 7.08%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 2.59% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 233 visualizaciones. En el primer día suele acumular 815 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 45.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
গাজায় চলছে ঈমান নিয়ে টিকে থাকার লড়াই...

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 02 julio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

31 518
Suscriptores
Sin datos24 horas
-1037 días
-30730 días
Archivo de publicaciones
আমাদের সপ্তম সীরাত প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন আজ... যারা এখনও রেজিস্ট্রেশন করেন নি, দ্রুত সময়ের মধ্যে করে নিন... রে
আমাদের সপ্তম সীরাত প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন আজ...
যারা এখনও রেজিস্ট্রেশন করেন নি, দ্রুত সময়ের মধ্যে করে নিন...
রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6

তারা যতই মানবাধিকার মানবাধিকার বলে বলে চিল্লাচিল্লি করে না কেন, ইসলামের উত্থান ঠেকাতে সবাই এক!!
তারা যতই মানবাধিকার মানবাধিকার বলে বলে চিল্লাচিল্লি করে না কেন, ইসলামের উত্থান ঠেকাতে সবাই এক!!

Repost from UNN-Bangla.
তারা কিন্তু দিন-রাত ৭/২৪ আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবক শেখায়!!
তারা কিন্তু দিন-রাত ৭/২৪ আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবক শেখায়!!

Repost from N/a
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ৩৯ জনের কাফেলা মদীনায় পৌঁছেছে... জুলাই মাসে দুইটি কাফেলা যাবে, ইনশাআল্লাহ হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147
+3
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ৩৯ জনের কাফেলা মদীনায় পৌঁছেছে... জুলাই মাসে দুইটি কাফেলা যাবে, ইনশাআল্লাহ হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147

Repost from UNN-Bangla.
অনেকেই আজ আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেন: “দ।জ্জ।ল সম্পর্কে এত স্পষ্ট ও বিস্তারিত দিকনির্দেশনা থাকার পরও মানুষ কীভাবে তার অনুসারী হবে? মানুষ কীভাবে একজন চোখা-খোঁড়া মানুষকে ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে? বিশেষ করে নামধারী মুসলিমরাই বা কীভাবে এই ধোঁকায় পা দেবে?” এই কঠিন প্রশ্নগুলোর সহজ এবং বাস্তবসম্মত জবাব পেতে হলে, বর্তমান সময়ের ফুটবল উন্মাদনা ও ফুটবলার প্রেমের মনস্তত্ত্বের দিকে একটু নজর দিন: আমরা ঠিক যেই কারণে, যেই উদ্দেশ্যে এই তারকাদের ভালোবাসি; যেভাবে তাদেরকে নিজের 'আইডল' বানিয়ে অন্যের কাছে উপস্থাপন করি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো কটু কথা সহ্য করতে পারি না—ঠিক এই মানসিক দুর্বলতাগুলোই একদিন মানুষকে দ।জ্জ।লের ধোঁকায় পতিত করবে। ১. অলৌকিকত্ব ও মোহের কাছে অন্ধত্ব: আজ আমরা কোনো ফুটবলারের জাদুকরী পারফরম্যান্সে এতটাই মুগ্ধ থাকি যে, মাঠের বাইরে তার ব্যক্তিগত বা নৈতিক চরিত্র কেমন, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। মোহের কারণে আমাদের যুক্তি-বুদ্ধি লোপ পায়। দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: দ।জ্জ।ল যখন তীব্র দুর্ভিক্ষ ও সংকটের সময়ে আসবে, তখন তার একহাতে থাকবে রুটির পাহাড়, অন্যহাতে পানির নদী। তার ইশারায় আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়বে, জমিন শস্য-শ্যামল হবে। ক্ষুধার্ত মানুষ তখন তার চরিত্রের চেয়ে নিজের পেটের ক্ষুধা মেটানো এবং তার অলৌকিক ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে তাকে অনুসরণ করবে। ২. তারকাদের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব: আজকের দিনে মানুষ যেভাবে প্রিয় খেলোয়াড়ের জার্সি গায়ে জড়ায়, তার প্রতিটি আচরণ অন্ধভাবে অনুকরণ করে এবং তার কোনো সমালোচনা সহ্য করতে পারে না; এটা এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব। দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: মানুষের এই ‘চমকপ্রদ ক্ষমতার প্রতি অন্ধ আকর্ষণ’ এবং ‘ব্যক্তিপূজা’র মানসিকতাকেই দ।জ্জ।ল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করবে। সে যখন মৃত মানুষকে জীবিত করে দেখাবে, তখন এই তারকা-পূজারী মন খুব সহজেই তাকে ‘সুপারহিরো’ বা (নাউজুবিল্লাহ) ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে। ৩. নামে মুসলিমদের ঈমানী দুর্বলতা: অনেকে ভাবেন, “আমি তো জানি সে দ।জ্জ।ল, আমি কেন তাকে মানব?” কিন্তু ঈমান শুধু জানার নাম নয়, মানার নাম। বাস্তবতা: একজন মুসলিম খুব ভালো করেই জানেন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ। অথচ স্রেফ একটা ফুটবল ম্যাচের উত্তেজনায় কোটি কোটি মুসলিম সালাত কাজা করছেন, রাত জেগে ঈমানী শক্তি ক্ষয় করছেন, এমনকি প্রিয় দলের হার-জিতে একে অপরের সাথে বিবাদে জড়াচ্ছেন। আসল সংকট: যে মন আজ সামান্য একটা চামড়ার বলের খেলা আর বিনোদনের মোহে আল্লাহর হুকুম অনায়াসে ভুলে যেতে পারে, সে চরম সংকটের মুহূর্তে দ।জ্জ।লের বিশাল ফেতনা ও দুনিয়াবী লোভের সামনে নিজের ঈমান ধরে রাখতে পারবে!? তার নিশ্চয়তা কী? মূল কথা: দ।জ্জ।লের ফেতনা হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। আজকের মিডিয়া, বিনোদন আর তারকা সংস্কৃতি যেভাবে মানুষের মন থেকে আল্লাহর ভয় তাড়িয়ে দিয়ে "চাকচিক্য ও মোহের" দাস বানাচ্ছে, এটাই আসলে দা-জ্জা-লের অনুসারী হওয়ার প্রাথমিক মানসিক প্রস্তুতি (Groundwork)। যে হৃদয় আজ আল্লাহর চেয়ে দুনিয়ার কোনো সৃষ্টিকে বেশি ভালোবাসতে শিখেছে, সেই হৃদয় আগামীতে দা.জ্জা.লের জাদুতে অন্ধ হয়ে তাকে 'প্রভু' ডাকতেও দ্বিধা করবে না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ভয়াবহ ফেতনা থেকে হিফাজত করুন। আমিন। ✍️Iqbal Ahmed

বাড়ি-গাড়ি ধ্বংসস্তুপের এই দৃশ্য দেখে প্রথমেই আপনার মাথায় কী চিন্তা আসবে? নিশ্চয়ই আপনার কাছে মনে হবে এটা হয়তো গা.জা বা লেবাননে
+6
বাড়ি-গাড়ি ধ্বংসস্তুপের এই দৃশ্য দেখে প্রথমেই আপনার মাথায় কী চিন্তা আসবে? নিশ্চয়ই আপনার কাছে মনে হবে এটা হয়তো গা.জা বা লেবাননের কোনো এলাকার চিত্র, যেখানে দখলদার ইজ্রা.য়েল বিমান হাম.লা চালিয়ে সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। কিন্তু ঘটনা এমন কিছু না। বরং এই কাজ করেছে কথিত ‘খোদা দাদ মুলক’ পাকিস্তান। গতরাতে পাকিস্তানের জালিম সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের নিরীহ সাধারণ মুসলিম জনগণের বাড়ি লক্ষ্য করে এমন ন্যাক্কারজনক হাম.লা চালিয়েছে, যা ইজ্রা.য়েল কর্তৃক গা.জা বা লেবাননে হাম.লার অনুরূপ ছিল। যাতে ৪০+ সাধারণ মুসলমান শহিদ হয়েছে, যাদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

"অনেকেই ভাবছে ইজরাইলের অনেক পয়সা খরচ হলো ইরানের সাথে লাগতে যেয়ে। আসলে ইজরাইলের এক পয়সা খরচ হয়নি ! ওদের সকল যুদ্ধের খরচ এবং অস্ত্রের খরচ যোগায় আমেরিকা। হয়তো ভাবছেন আমেরিকা নিজে পকেট থেকে বছর বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেয়। জ্বি না , সেটাও না। আমেরিকাও এক পয়সা নিজ পকেট থেকে দেয় না। ইজরাইলের অস্ত্র থেকে শুরু করে ওদের ডাইপার কেনার পয়সা সৌদি , কাতার আর দুবাই দেয় । ট্রাম্প জেতার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল মিডিলিস্টে। কারণ , সে ওখানে চাঁদাবাজি করতে গিয়েছিল। প্রতি চার বছর পর পর আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট যেই আসুক , সে এই তিন দেশে ভ্রমণ করে। এবং এই তিন দেশ আগের চার বছরে তেল বেঁচে যে পয়সা কামায়, তার অর্ধেক আমেরিকা এসে খাজনা হিসেবে নিয়ে যায়। তবে আমেরিকা এই টাকা পুরোটা একা খায় না। সে এখান থেকে ৩০/৪০ % টাকা প্রতি বছর ইজরাইলকে ডোনেশন হিসেবে দেয়। মধ্য প্রাচ্যের এই তিন গান্ডু নামে মুসলিম রাষ্ট্র, সরাসরি ইজরায়েলকে টাকা দিতে পারেনা , শরম লাগে। তাই এই টাকা আমেরিয়াকর প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে চাঁদাবাজি দেখিয়ে ইজরায়েলে পাঠায়। খেয়াল করে দেখেন গত ৭০ বছর যাবৎ ইজরায়েল ফিলিস্তিনে এবং অন্যান্য দেশে বোমা মেরে যে ক্ষতি করে আসছে , এগুলো পুনরায় তৈরী করার জন্য ঐ তিন দেশ সবসময় টাকা দেয়। ইজরায়েল ৪/৫ বছর পর আবার বোমা মেরে সেগুলো সব ধ্বংস করে। সৌদিরা আবার টাকা দিয়ে সেগুলো তৈরী করে দেয়। ঐ তিন দেশ জীবনেও কোনদিন একটি গুলিও ছুড়ে প্রতিবাদ করেনা। কিন্তু প্রত্যেকবার টাকা দেয় নতুন করে বিল্ডিং করার জন্য। এভাবেই ঐ তিন ইতর নামে মুসলিম দেশ, ইজরায়েলের যুদ্ধের খরচ বহন করে আসছে। এবার ট্রাম্প সৌদি থেকে ১ ট্রিলিয়ন , কাতার এবং দুবাই থেকে ১.৪ ট্রিলিয়ন করে ২.৮ ট্রিলিয়ন চাঁদাবাজির খাজনা নিয়েছে। মোট ৩.৮ ট্রিলিয়ন তেল বেচার টাকা নিয়েগেছে ট্রাম্প। এক ট্রিলিয়নে কয়টা শূন্য বসে এগুলো আমাদের মতো আমজনতার মাথায় ধরবে না। কত টাকা হতে পারে , তা হিসাব করে বের করা সম্ভব নয়। চীন বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে এক বিলিয়ন দিলেই খবরের কাগজে বিশাল হেডলাইন হয়। সেখানে এবার ট্রাম্পের ইহুদি মেয়ের জামাই জেরার্ডের কোম্পানিকে সৌদি ২ বিলিয়ন দিয়েছে ডোনেশন হিসেবে। জেরার্ডের সেই কোম্পানি আবার একটি অস্ত্র কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে, যেটার মালিক ইজরাইলের ইহুদী গোষ্ঠী। মূলত সৌদি টাকায় ইজরায়েল অস্ত্র বানায় , আর সেগুলো লিবিয়া , সিরিয়া , লেবাননের বিরুদ্ধে এবং এবার ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলো। তাহলে কিছু বুঝলেন , ইজরাইলের সকল অস্ত্রের টাকা কোথা থেকে আসে ! বাংলাদেশের গরিব কৃষক গনি মিয়া সারা জীবন না খেয়ে তিল তিল করে টাকা জমায় শেষ জীবনে হজ্জ্ব করার জন্য। এছাড়া তার মনে আর কোন ইচ্ছা কাজ করে না। সে কোনদিন কক্সেসবাজারে হলিডে করতে যায়না, শহরে কোনদিন যায় না, চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে। পরিবার নিয়ে কোনদিন উপজেলাতে গিয়ে কোন রেস্টুরেন্টে ভালমন্দ খায় না, কারণ সে হজ্জের জন্য টাকা জমাচ্ছে। তার সারা জীবনের কঠোর পরিশ্রমের কয়েক লক্ষ টাকা জমিয়ে শেষ পর্যন্ত গনি মিয়া সৌদি গিয়ে হজ্জ্ব করে ঠিকই। কিন্তু সেই গনি মিয়া জানে না , তার হজ্জের খরচের ৬ লক্ষ টাকার মধ্য থেকে কিছু অংশ সৌদি সরকার আমেরিকাকে দিয়ে দেয় , এবং সেখান থেকে আমেরিকা সরাসরি টাকা অথবা অস্ত্র কিনে ইজরায়েলকে দেয় মুসলিম দেশের উপর হামলা করে নিরীহ মুসলমানদের মারার জন্য।" -Shafi Haque

বিভিন্ন দেশের ক্লাব ফুটবলের বড় বড় ক্লাবের মালিক আরবের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন ক্লাবের লিড স্পন্সর আরবের বড় বড় কোম্পানি। ডলারের পাহাড় ঢেলে প্রসিদ্ধ ফুটবলারদের কিনে আনছে সৌদি আরব। কয়েক বছর বিশ্বকাপ হবে সৌদি আরবে। মক্কার কয়েকশো কিলোমিটার দূরে বসবে ফুটবলের আসর! আরবের রাষ্ট্রগুলোর দরকার ছিল যখন সমরাস্ত্রে শক্তিশালি হওয়া, তারা তখন ইনভেস্ট করছে ফুটবলে। উম্মাহকে নেতৃত্ব দানকারী শাসক আল্লাহ জাযিরাতুল আরবে দান করুন।

এইদিকে তাদের সমর্থনে জান বিলিয়ে দেওয়ার মতো আমাদের অবস্থা!!

প্রথম পর্ব: https://www.facebook.com/share/p/1Ft5egCJV8/ দ্বিতীয় পর্ব: https://www.facebook.com/share/p/19bCWEHkKT/ তৃতীয় প
প্রথম পর্ব: https://www.facebook.com/share/p/1Ft5egCJV8/ দ্বিতীয় পর্ব: https://www.facebook.com/share/p/19bCWEHkKT/ তৃতীয় পর্ব: https://www.facebook.com/share/p/1HAMdqGU8r/

Repost from N/a
২০২৭ সালের হজ্জের প্রাক নিবন্ধন চলমান, দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147

আমাদের সাথে হজ্জ ও উমরাহ এর বরকতময় সফরের সঙ্গী হতে জয়েন করুন: https://t.me/shatabdi_aviation

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 🌿 ছোট ছোট ১০টি সূরা ও নামাজের জরুরি দোয়া শিক্ষা কোর্স 🌿 📍 আপনি কি নামাজে প্রয়োজনীয় সূরা ও দ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 🌿 ছোট ছোট ১০টি সূরা ও নামাজের জরুরি দোয়া শিক্ষা কোর্স 🌿 📍 আপনি কি নামাজে প্রয়োজনীয় সূরা ও দোয়াগুলো শুদ্ধভাবে শিখতে চান? তাহলে আপনার জন্যই আমাদের বিশেষ ১৫ দিনের অনলাইন শিক্ষা কোর্স। 📖 কোর্সে যা শিখানো হবে: ✅ ছোট ছোট ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সূরা। ✅ নামাজের জরুরি দোয়াসমূহ। ✅ শুদ্ধ উচ্চারণ ও তাজবীদের মৌলিক নির্দেশনা। ✅ নিয়মিত অনুশীলন ও সংশোধনের সুযোগ। 📅 কোর্স শুরু: ৬ জুলাই। ⏳ কোর্সের মেয়াদ: ১৫ দিন। 🕗 ক্লাস সময়: রাত ৮:০০ – ৮:৪০। 💰 রেজিস্ট্রেশন ফি: ২৫০ টাকা। বিকাশ: 01855640147 নগদ: 01732725745 টাকা পাঠানোর সময় রেফারেন্সে an nahda লিখবেন। 🌸 কুরআন ও নামাজের প্রয়োজনীয় শিক্ষা অর্জনের এই সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/2uo9hrtzSXRLwc3P9 📌 আসন সীমিত। আজই রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন। রাসূল ﷺ বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" — (সহীহ বুখারী)

Repost from UNN-Bangla.
ইন্না-লিল্লাহ মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে ভেনেজুয়েলায় আঘাত হেনেছে ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে প্রায় এক লাখের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

Repost from UNN-Bangla.
বর্তমান সময়ের ফুটবল উন্মাদনা ও দাজ্জালের অনুসরণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা পড়তে পারেন, ইনশাআল্লাহ। লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1Bhmwd7c51/

আমাদের ১৫ দিনের স্পেশাল কোরআন শিক্ষা কোর্সে অংশ নিতে ভিজিট করুন: https://t.me/ANE_BD/86

আল-জাজিরার এই ক্যামেরা ম্যান গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন...
আল-জাজিরার এই ক্যামেরা ম্যান গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন...

ইসরাইলের মিডিয়াগুলো পর্যবেক্ষণ করছিলাম গত কয়েক দিন ধরে। এদের টেলিভিশনের টকশোগুলো বেশ জমে উঠেছে! নিজেরা নিজেরা ঝগড়াঝাঁটি করছে- কত বড় পরাজয় হয়েছে। কোথায় কত বড় ক্ষতি হলো ইত্যাদি নিয়ে রীতিমত ঝড় উঠেছে ইসরাইলের মিডিয়াগুলোতে। এদিকে ইজরাইলের হিব্রু ইউনিভার্সিটি একটা জরিপ করেছে। ওই জরিপে ইসরাইলের নাগরিকদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল - Who do you think won this war? ( এই যুদ্ধে কারা জয়ী হয়েছে বলে তোমরা মনে করো?) রেজাল্ট কি আসছে জানেন? - 92 percent of the respondents said Iran came out ahead. (জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৯২ শতাংশের মতে, ইরানই এই সংঘাতে বিজয়ী হয়ে বেরিয়ে এসেছে।) আরও ইন্টারেস্টিং হচ্ছে- এই জরিপে ৮২.৯ ভাগ ইসরাইলি মনে করছে- ইরানে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে ইসরাইলের নিরাপত্তা লম্বা সময়ের জন্য হুমকির মুখে পড়েছে। মানেটা খুব সহজ। নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটিয়ে দিয়েছে ইরান। কিন্তু তাই বলে ভাববেন না- ইসরাইলের লোকজন একজন ভালো প্রধানমন্ত্রীকে ভোট নিয়ে নির্বাচিত করবে। ভুল। ভয়ানক ভুল। এই মুহূর্তে ইসরাইলে বিরোধী দলীয় নেতাদের মাঝে সব চাইতে আলোচিত নাম হচ্ছে নাফতালি বেনেট। তো, নাফতালি দিন কয়েক আগে নামকরা ব্রিটিশ সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানের শোতে গিয়েছে। মরগান তাঁকে জিজ্ঞেস করেছে - What will you do if you are elected? ( নির্বাচিত হলে তুমি কী করবা?) সে কি উত্তর দিয়েছে জানেন? সে বলেছে - I will be Iran's worst nightmare ( আমি ইরানের জন্য সবচেয়ে খারাপ দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠব।) সে আরও বলেছে- ইরান নাকি পুরো পৃথিবীর জন্যই হুমকি। তাহলে বুঝতে পারছেন তো ব্যাপারটা? নেতানিয়াহুকে বিদায় দিয়ে ইসরাইলিরা আরও খারাপ নেতাকে নির্বাচিত করতে যাচ্ছে। আর এটাই ইজরাইল। তাহলে ইরানের এখন কী করা উচিত? আপাতত আজকে সুইজারল্যান্ডে অ্যামেরিকা এবং ইরানের মাঝে প্রথম রাউন্ড আলোচনা হয়েছে। অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ড্যানিয়েল ডেভিস জানিয়েছেন - আজকের আলোচনায় মূলত লেবানন প্রাধান্য পেয়েছে। অর্থাৎ ইরানিরা প্রথম দিনই বলে দিয়েছে - লেবানন থেকে ইসরাইলকে সরে যেতে হবে। আমি ব্যাপারটা অন্য ভাবে দেখছি- অ্যামেরিকাকে আসলে ইরানের সাথে চুক্তি করতে হলে হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে! ব্রিটিশ স্কাই টেলিভিশনের সামরিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইকেল ক্লার্ক আজ বলেছেন - The United States will now have to ensure Hezbollah’s security. ( অ্যামেরিকাকে এখন হেজবুল্লাহর নিরাপত্তা দিতে হবে!) আমি ওর আলোচনা শুনে হাসছিলাম। কী দিন আসলো- এখন ইসরাইলের হাত থেকে হেজবুল্লাহকে নিরাপত্তা দিতে হবে অ্যামেরিকাকে! অথচ অ্যামেরিকা হেজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনে করে। এখন শুনতে হচ্ছে- অ্যামেরিকা নাকি ওদের নিরাপত্তা দিবে! সব চাইতে মজার কথা আজ বলেছেন অ্যামেরিকান সামরিক বিশেষজ্ঞ কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর। তিনি বলেছেন - A divorce is happening between America and Israel ( অ্যামেরিকা এব ইসরাইলের মাঝে ডিভোর্স হচ্ছে) কিন্তু ট্রাম্প তো আজকেও বলেছে - Iran must stop ‘proxies’ in Lebanon (ইরানকে লেবাননে তাদের প্রক্সি বাহিনীগুলো বন্ধ করতে হবে।) আমি কর্নেল ম্যাক-গ্রেগরের সাথে একমত নই। আমার ধারণা ইসরাইল এবং অ্যামেরিকার সাথে এই মুহূর্তে ঝগড়াঝাঁটি চলছে। এখনও পুরো ডিভোর্স হয় নাই। আরেকটু কাব্যিক ভাষায় বললে- যে কোন সম্পর্কে যখন তৃতীয় পক্ষ এসে হাজির হয়। তখনই সাধারণত সম্পর্কগুলো নড়বড়ে হয়ে যায়। ইরানকে এই তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নিতে হবে। আর এ জন্য ইরানকে সামরিক দিক থেকে আরও অনেক শক্তিশালী হতে হবে। সমস্যা হচ্ছে- সৌদি আরব এবং অন্যান্য আরব দেশগুলো। অ্যামেরিকার দাস এই সৌদি শেখরা এখনও বলছে - ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানালে আমাদেরও লাগবে। সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখগুলোর জন্য পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল যা ইচ্ছা করতে পারছে। তবুও এরা থামছে না। কর্নেল ম্যাক-গ্রেগর আজও বলেছেন - আমি অবাক হবো না, এই যুদ্ধের পর আরব দেশগুলো মাঝে বেশ কয়েকটা যদি সম্পূর্ণ ভেঙেও যায়। তিনি এটাও বলেছেন - কয়েকটা আরব দেশের অস্তিত্বও হয়ত আর থাকবে না। আজকেই ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যালিস্টার বলেছেন - বাহরাইনে অ্যামেরিকান ঘাঁটির যে সদর দপ্তর আছে; সেটি আর নতুন করে ঠিক না করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে অ্যামেরিকা। আপনাদের জানিয়ে রাখি- ইরান এই ঘাঁটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। অ্যামেরিকা হয়ত এই অঞ্চল থেকে দ্রুতই সরে যাবে। এরপর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকার দাস আরব শেখদের পরিণতি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম। কপি

Repost from UNN-Bangla.
কেমনডা লাগে??
+2
কেমনডা লাগে??

Repost from UNN-Bangla.
সিলেটের শাহজালাল মাজারের দান বাক্সের হিসাবের স্বচ্ছতার পরিকল্পনা ও মাজারে চলা মদ ও জুয়ার আসর বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার সাথে সাথেই ডিসি সাহেবের বদলির নির্দেশ: ডিসি সারোয়ার আলম কি মদখোর গাজাখোরদের কাছে হেরে গেলেন, নাকি পর্দার আড়ালের কারো কাছে হেরে গেলেন?
এই দেশে ভালো মানুষের ভাত নেই