es
Feedback
Bangladesh & World Defence News (BWDN)

Bangladesh & World Defence News (BWDN)

Ir al canal en Telegram

আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগতম ❤️ সামরিক, সমর-রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রতি সেকেন্ড এর আপডেট পেতে আমাদের চ্যানেলে জয়েন করুন।

Mostrar más
3 765
Suscriptores
+124 horas
-57 días
-3130 días
Archivo de publicaciones
মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হত্যা করা মরনোত্তর প্রমোশন প্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জাহিদ তো মরে গিয়ে বেচে গেছেন। উনার স্ত্রী পারিবারিক, সামাজিক, মানসিক সবদিক থেকে এদের জন্য লাঞ্ছিত হয়েছেন। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মেজর জাহিদ কে হাতকড়া পড়া অবস্থায় ষোলটা গুলি করা হয়। ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে ব্রিগেডিয়ার জাহিদের স্ত্রীকে জেলে পাঠায় হাসিনা। ব্রিগেডিয়ার জাহিদের দুই মেয়ে, বড় মেয়ের বয়স ৭ এবং ছোটটা এক বছরের। ছোট মেয়েটা মিসেস জাহিদের সাথে জেলেই বড় হয়। জেলে যখন মাকে দেখতে যেত বড় মেয়ে শুধু কান্নাকাটি করতো। বড় মেয়ে মামার বাসায় বড় হতে থাকে। ২০২০ সালে সেপ্টেম্বরে মিসেস জাহিদ জামিন পায়। জামিন পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ডিবি অফিসে মিসেস জাহিদকে ডাকা হয়। সেখানে আমেনা মহসিন এবং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (আই আর এর নামটা কনফার্ম করতে হবে) মিসেস জাহিদকে নানা রকম প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে। আপনার কখন থেকে এই পরিবর্তন। আপনি কখন থেকে হিজাব শুরু করেছেন। আপনার হাজব্যান্ড কি আগে থেকে এমনই ছিল? এর কিছুদিন পর হঠাৎ করে আদালতে হিয়ারিং হয় এবং মিসেস জাহিদের জামিন বাতিল হয়। জামিন বাতিল হওয়া শুনে মিসেস জাহিদের মা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বছরখানেকের মধ্যে মিসেস জাহিদকে আবার জেলে পাঠানো হয়। ২০২২ সালে মিসেস জাহিদ যখন জেলে তখন উনার মা মারা যায়। জেলে থাকার কারণে উনি উনার বাবা, মাকে শেষবারের মতো দেখতে যেতে পারেননি। ২০২০ সালে মিসেস জাহিদের বাবা মারা যায়। মেজর জাহিদ মারা যাওয়া কিছুদিন পরে উনার বাবা মা ও ছেলের শোকে মারা যায়। হাসিনার আমলে কত কষ্টের এতো যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে এক একটা পরিবার জীবন যাপন করেছে। আমরা মনে করি আমরা অনেক ত্যাগ করেছি। এই ত্যাগের কাছে আমাদের লড়াই কিছু না। মেজর জাহিদের খুনের বৈধতা উৎপাদন করেছে প্রথম আলো। প্রথম আলোর ক্ষমা নাই।

শেখ হাসিনা মনে করতে শুরু করে, তার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। কিন্তু তবু নিজের ভয়ানক পুলিশ ও গোয়েন্দা বাহিনীর ওপর তার যথেষ্ট আস্থা ছিল। হারুন-বিপ্লব-মনিরুলরা স্পষ্টভাবে হাসিনাকে জানায়, তাদেরপক্ষে এই অভ্যুত্থান দমন করা সম্ভব। কিন্তু ক্যান্টনমেন্ট হাসিনার হাত থেকে যে আরো এক সপ্তাহ আগেই বেরিয়ে গেছে তা এমনকি জেনারেলরাও তখনো বোঝে নি। অনেকটা নিজের জীবন বাচাতেই জেনারেল ওয়াকার উজ জামানকে তখন দরবার ডাকতে হয়। বাকি সব কারন ছিল মূলত কাভার। এই দরবার নিয়েও ছড়িয়ে পড়ে গুজব। কিন্তু তাকদীরের চাকা ঘোরানোর মালিক যে আল্লাহপাক, ততক্ষনে বাংলাদেশের তরুনদের রক্ত আর মায়েদের অশ্রুতে তার ফায়সালা হয়ে গেছে।

Muhammad Sajal হাসিনা সরকারের আমলের শেষ জুম্মা ছিল ২রা অগাস্ট। আগেরদিন সেনাবাহিনীর অনেক ক্যান্টনমেন্ট মসজিদে জেসিও-এনসিওরা মিলে তাদের সন্তান ও সৈনিকদের চাপে সিদ্ধান্ত নেয়, জুম্মার মুনাজাতে জালিমের ধ্বংসের জন্য ইমাম সাহেবকে দিয়ে দোয়া করানো হবে। বিষয়টা আগেভাগে জেনে যায় সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন অফিসাররা। তারা আদেশ দেয়, ক্যান্টনমেন্ট মসজিদে জালিমের ধ্বংসের জন্য কোন দোয়া করা যাবে না। বিএমএ-৭০ লং কোর্স থেকে বিএমএ-৭৯ লং কোর্সের বিপুল সংখ্যক অফিসার এসময় জেসিও-এনসিওদের সাথে সহযোগিতা করে। ফলে অনেক ক্যান্টনমেন্ট মসজিদে জুম্মার মুনাজাতে ২রা অগাস্ট জালিমের ধ্বংসের জন্য দোয়া হয়, আবার অনেক মসজিদেই সেটা হয় না। ১৮ই জুলাই-২২শে জুলাইয়ে ঘটে যাওয়া মারাত্মক গনহ/ত্যার সব ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভে ফুসে ওঠে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অংশ। বিভিন্ন ওয়াটস্যাপ গ্রুপে প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা শুরু হয়। সিনিয়র অফিসার-জুনিয়র অফিসারদের মধ্যে বিভাজন চরমে ওঠে ২৭শে জুলাইয়ের পর থেকে। তরুণ অফিসাররা বুঝতে পারে, তাদের পথ ও ভবিষ্যত সিনিয়র অফিসারদের থেকে চিরদিনের জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছে। ক্রমেই বাড়তে থাকে অসন্তোষ। ৩০শে জুলাই থেকে গ্যারিসন কমান্ডাররা যা বলছিলেন, ফিল্ডে তা ঘটছিল না। কোন কোম্পানি ফিল্ডে কি করবে তা নিয়ে কোন ভরসা পাচ্ছিলো না কর্নেল-ব্রিগেডিয়াররা। এর আগেও ১৮-২১শে জুলাই বারবার ফিল্ড লেভেল অফিসাররা কমান্ডারের নির্দেশকে বিভিন্নভাবে এড়িয়ে গেছে দায়িত্ব পালনের সময়। আবার, একশ্রেনীর আওয়ামী অফিসাররা বুঝতে পারছিল, হাসিনা সরকারের পতন হলে তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার। এরা বিভিন্ন স্পটে ১৮-২১শে জুলাই হিংস্রভাবে অপারেশন পরিচালনা করে। এসময় রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি অংশ একজন ব্রিগেডিয়ার খুজছিলো, যে একটা গ্যারিসনকে কমান্ড করে এবং যার অবস্থান ঢাকার কাছাকাছি এবং যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সবুজ সংকেত পাওয়ামাত্র নিজের বাহিনী নিয়ে ঢাকার দিকে মুভ করবে। সিনিয়র রাজনীতিবিদরা ওয়াকিফহাল ছিলেন, ২০১৩ সালে তুমুল আন্দোলনের পরেও সেনাবাহিনী সরকারের পক্ষে থাকায় বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব হয় নি। তাই সেনাবাহিনীকে অন্তত নিষ্ক্রিয় রাখা বা হাসিনার বিরুদ্ধে দাড় করাতে না পারলে যে ভয়াবহ রক্তপাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হত, সেটা এড়ানোর আর কোন উপায় পাওয়া যাচ্ছিলো না। ওদিকে এই আশঙ্কাও ছিল যে বাহিনী থেকে বিদ্রোহ হলে একটা অংশ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াবে, যার ফল হবে গৃহযুদ্ধ। রাজনৈতিক নেতৃত্বের তরুণ অংশটি, বিশেষ করে ছাত্রসংগঠনগুলো ততদিনে মানসিকভাবে তৈরি হয়ে যায় সশস্ত্র বিপ্লবের জন্য। কিন্তু অস্ত্র কোত্থেকে আসবে, প্রশিক্ষন কিভাবে আসবে, কেউ জানতো না। সেনাবাহিনী কি ভাবছে, তা ছিল বেশিরভাগের কাছেই অজানা। সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসারদের মতামত যে ততদিনে গৌন হয়ে পড়েছে, তা তখনো রাজনৈতিক নেতৃত্ব জানতো না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এমন কোন ব্রিগেডিয়ার পাওয়া যায় নি, যে হাসিনার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে অন্তত রক্তপাতটা থামাতে পারে। কিন্তু ক্যান্টনমেন্টের অনেক বাসিন্দাই নিজেদের ভাই-বন্ধু-আপনজনদের রক্তপাতকে স্বাভাবিকভাবে নেয় নি। ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালাতে জবরদস্তি করায় একাধিক ব্রিগেডে ১ তারিখ রাতে জুনিয়র অফিসাররা ব্রিগেড কমান্ডিং অফিসারকে অবরুদ্ধ করে। ঢাকার খুব কাছেরই একটি ক্যান্টনমেন্টে হাসিনার অনুগত এক ব্রিগেডিয়ারকে মেজররা চ্যাংদোলা করে টেবিলের ওপর এনে বসালে সে ভয়ে কেদে ফেলে এবং আগামীতে সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ থাকবে এই ওয়াদা করে।(এই টেবিলে বসানোটা গুজবও হতে পারে) ৩১শে জুলাই, ১লা অগাস্ট, ২রা অগাস্ট বিজিবিতে থাকা জুনিয়র অফিসারদের একাংশ আন্দোলনকারীদের জানিয়ে দেয়, বর্ডার দিয়ে দেদারসে ভারতীয় অস্ত্র ঢুকছে। এই অস্ত্র আনা হচ্ছিল ছাত্রলীগ-যুবলীগের জন্য, যার বেশিরভাগ ১-২ তারিখে ঢাকা ও তার আশেপাশের শহর, অন্যান্য বড় শহরগুলোতে মওজুদ করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো আওয়ামী লীগের দুই স/ন্ত্রাসী শাখা। ২ তারিখ নাগাদ ছাত্র নেতৃত্বের একটি অংশ জানতে পারে, যদি সশস্ত্র সংগ্রাম হয়, পুলিশের কিছু অফিসার এবং কিছু সেনা অফিসার সাধারন মানুষের কাতারে এসে লড়াইয়ে অংশগ্রহন করতে পারে। কিন্তু তাদের সংখ্যা কত সেটা নিশ্চিত ছিল না। জেনারেল ওয়াকারের ওপর এসময় হাসিনা আস্থা হারিয়ে ফেলে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুজিব ওয়াকারকে গ্রেফতার করে তার জায়গায় নিজে সেনাপ্রধান হিসেবে বসার পরিকল্পনা এটে ফেলে, কিন্তু সেনাপ্রধানের বন্ধু বিমান বাহিনী প্রধানের ইন্টেলিজেন্স কাভারে সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।(নট কনফার্মড)) ভারত দ্রুত পরিস্থিতির ওপর নিয়ন্ত্রন হারাতে থাকে। গায়ের জোরে হাসিনাকে বাংলাদেশে রাখতে গেলে গৃহযুদ্ধ হয়ে যাবে, যা শুধু সেভেন সিস্টার্স না, পশ্চিমবঙ্গেও ছড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করতে থাকে ভারত। ফলে তারা প্ল্যান বি'তে শিফট করা শুরু করে, যা সম্পর্কে শেখ হাসিনার বা বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারোই কোন ধারনাই ছিল না।

সাতক্ষীরা গণহত্যার প্রমাণ লেঃ কর্নেল তৌহিদ স‍্যারের স্ট্যাটাসের বাংলা অনুবাদঃ আমি মতিউরকে বলেছিলাম, “একদিন তোমাকে এর জন্য কঠিন মূল্য দিতে হবে!” মতিউর (লেফটেন্যান্ট জেনারেল, কমান্ডো অফিসার, সাবেক জিওসি ৫৫ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন ও যশোর এরিয়া কমান্ডার) নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে আমাকে বলেছিলেন, “স্যার, সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় বাহিনীর সীমান্ত অতিক্রম করে পরিচালিত ওই অভিযানের বিষয়ে আমাকে জানানোই হয়নি। মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিক অত্যন্ত গোপনে পুরো পরিকল্পনা করেন এবং আমাকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই এই অভিযানের নির্দেশ দেন।” বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আমাদের তরুণ বয়স থেকেই আমরা মতিউরকে একজন আপসহীন কমান্ডো ও দেশপ্রেমিক হিসেবে চিনতাম। আমি তখন মতিউরকে প্রশ্ন করেছিলাম, “তুমি ভবিষ্যতে কীভাবে নিজের দায় এড়াবে, যখন ওই এলাকার (যশোর–সাতক্ষীরা) এরিয়া কমান্ডার তুমিই ছিলে?” এরপর আমি ভারতের তৎকালীন ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নূর মোহাম্মদ নূর ইসলামকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, “আপনি কীভাবে এত নির্লজ্জের মতো সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করলেন, যার মাধ্যমে ভারতীয় বাহিনীকে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা সীমান্ত অতিক্রম করে অভিযান চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল?” তিনি বিস্মিত হয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, “তুমি এসব জানলেন কীভাবে?” আমি তাকে বলেছিলাম, “আপনার অফিস থেকেই কেউ আমাকে সব নথিপত্র পাঠিয়েছে। আর এটি প্রমাণিত সত্য যে, ওই ‘টপ সিক্রেট’ চিঠিতে আপনারই স্বাক্ষর রয়েছে।” আমি আরও বলেছিলাম, “আল্লাহ চাইলে একদিন আপনাকেও আইনের মুখোমুখি হয়ে এই অমানবিক কর্মকাণ্ডের জবাব দিতে হবে।” পরে ব্রিগেডিয়ার নূর আমার কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল তারেক আহমেদ সিদ্দিক তাকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে প্রতারিত করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়িত হয়নি। মতিউর ও নূরের পাশাপাশি, তৎকালীন খুলনা সেক্টরের বিজিবি সেক্টর কমান্ডার এবং সাতক্ষীরার নীলডুমুর বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসারও এই গোপন অভিযানে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল। তারা ভারতীয় বাহিনীকে বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে সন্ধ্যার পর অভিযান পরিচালনা এবং ভোর হওয়ার আগেই ভারতে ফিরে যেতে সহায়তা করেছিলেন। এ অভিযানে শত শত নিরীহ মানুষ নিহত হন। 😭😭 এসব নথিপত্র আমার কাছে ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে সেগুলো নিয়ে আমাদের প্রয়াত প্রিয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ব্রিফ করেছিলাম এবং সব নথি তার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। নিজের দেশের ইউনিফর্মধারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীকে বাংলাদেশের ভেতরে সীমান্ত অতিক্রম করে অভিযান চালানোর অনুমতি দেওয়ার এই অভিযোগ সম্পর্কে জেনে তিনি গভীরভাবে বিস্মিত ও মর্মাহত হয়েছিলেন।

ইরাকে সৌদি আমেরিকান আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু স্থান
+5
ইরাকে সৌদি আমেরিকান আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু স্থান

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে ছাত্র জনতা মোদি সরকারের উপর অতিষ্ঠ হয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির ইনস্টাগ্রাম প্
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে ছাত্র জনতা মোদি সরকারের উপর অতিষ্ঠ হয়ে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে কমেন্ট করে বলেন
"আপনার স্বামীকে বলেন ঘরের রাগ বাইরে মিটানো ঠিক না "

মতিঝিলে একাধিক বো মা উদ্ধার করেছে পুলিশ!! একটি মাঝারি শক্তির বো ম্ব ইতোমধ্যে নিষ্ক্রিয় করেছে ডিসপোজাল ইউনিট। প্রথমে বিস্ফো রণ
মতিঝিলে একাধিক বো মা উদ্ধার করেছে পুলিশ!! একটি মাঝারি শক্তির বো ম্ব ইতোমধ্যে নিষ্ক্রিয় করেছে ডিসপোজাল ইউনিট। প্রথমে বিস্ফো রণের পর ঘটনাস্থল থেকে আরেকটি উদ্ধার করা হয়। এর পেছনে পলাতক শক্তি জড়িত নাকি অন্য কোনো চক্রান্ত জড়িত দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া আবশ্যক। সেই ২০০১-২০০৬ এর পুনরাবৃত্তি চাইনা।

ইরাকের Erbil এ, নিশ্চিতভাবেই ইরানি দাবি অনুযায়ী, একটি আমেরিকান প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে!!
+1
ইরাকের Erbil এ, নিশ্চিতভাবেই ইরানি দাবি অনুযায়ী, একটি আমেরিকান প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে!!

জুলাই বিপ্লবে আহতদের মধ্যে ১১ জন দুই চোখের এবং ৪৯৩ জন এক চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন। একটা আন্দোলনে এতো মানুষের চোখ হারানো কোনো স্বাভাবিক ঘটনা না। এর আগে আমি এক লেখায় বলেছিলাম, আন্দোলন দমনে চোখ বরাবর গুলি চালানোর এই প্যাটার্ন আমরা ফিলিস্তিন আর কাশ্মীরে বহুবার দেখেছি। সেখানে ইসরায়েলি ও ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই। একই সময়ে শ্রীলঙ্কায় আন্দোলন হয়েছে, নেপালেও আন্দোলন হয়েছে। কিন্তু সেখানে শত শত মানুষ চোখ হারানোর এমন ভয়াবহ নজির দেখা যায়নি। আরেকটা তথ্যও মাথায় রাখেন। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন ভারতে আশ্রয়ে আছেন। এতগুলো ঘটনা পাশাপাশি রাখলে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে আসে। কেন আন্দোলনরত বাংলাদেশী ছাত্রজনতার উপর এভাবে চোখ লক্ষ্য করে গুলি করা হলো? কেন এই ধরনের ভয়াবহ প্যাটার্ন দেখা গেল? এসব প্রশ্নের উত্তর আমাদের সামনেই আবার নাই। দুইয়ে দুইয়ে সবসময় চারই হয় না। কখনো কখনো, দুইয়ে দুইয়ে ২২ হয়। ভাবেন, চিন্তা করেন।

‼️ 'ডেনিজকুরদু-২' নৌ মহড়ায় নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি 'আকিয়া'  হেভিওয়েট টর্পেডোর সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ♦️ 'টিসিজি সাকারিয়া' সাবমেরিন থেকে নিক্ষিপ্ত টর্পেডোটি লক্ষ্যবস্তু জাহাজ 'এম/জি সোকুল্লু মেহমেত পাশা'কে সরাসরি আঘাত করে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। ♦️ রকেটসানের তৈরি এই অত্যাধুনিক টর্পেডোটি বর্তমানে গণউৎপাদনে রয়েছে এবং তুর্কি নৌবাহিনীতে থাকা পুরোনো বিদেশী টর্পেডোগুলোর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে। সূত্র : তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

🇮🇷 🇺🇸 "এই যুদ্ধের সমীকরণ পরিষ্কার: সবকিছু অথবা কিছুই না! যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারি না, সেখানে কেউ তেল বিক্রি কর
🇮🇷 🇺🇸
"এই যুদ্ধের সমীকরণ পরিষ্কার: সবকিছু অথবা কিছুই না! যে অঞ্চলে আমরা তেল বিক্রি করতে পারি না, সেখানে কেউ তেল বিক্রি করবে না। যদি আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তবে কোনো অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না, এবং এই প্রণালীর নিরাপত্তা মার্কিন বাহিনীর অনুপস্থিতির ওপর নির্ভর করে। আমরা বারবার বলেছি যে এই প্রণালীর পরিস্থিতি যুদ্ধের পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে না।"
- ইরানি সংসদ স্পিকার, মোহাম্মদ বাকির কালিবফ

+1
নয়া দিল্লির সংসদ ভবনের বাইরে কিছুক্ষণ আগে তীব্র সংঘর্ষ। মোদি দ্রুত সংসদ ভবন ত্যাগ করেছেন। পুলিশ এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন!

ইরানে বুল্ডোজার ও মাছ ধরার নৌকায় বোম্বিং করে তার ভিডিও ও প্রকাশ করছে আমেরিকা

তিনটি তেলবাহী জাহাজ গতকাল হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করে আমেরিকার উপর নির্ভর করে। ভিন্ন রুটে যাত্রাকালে, ১টি জাহাজ ইরানি মাইনের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ভয় পেয়ে বাকি ২টি জাহাজ ফিরে চলে যায়। _ আইআরজিসি

ভারতে গত দুই হাজার বছরে কোন বিপ্লব হয়নি। আর এখন ভারত একটা ম্যাচিউর ডেমোক্রেটিক দেশ, সেখানে ইলেকশন হয়, বিভিন্ন প্রদেশে জনগণ ভোট দিয়ে ভিন্নদলকে ক্ষমতায় আনছে। অর্থাৎ, মানুষের ক্ষোভটা ব্যালটে ট্রান্সফর্ম হতে পারে। তাই, ভারতে বিপ্লব হবার কোন সম্ভাবনা নাই। যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নেই মোদির পতন হল, ক্ষমতায় আসলো রাহুল গান্ধী বা কেজরিওয়াল। কিন্তু তাতেও তাদের বাংলাদেশ নীতির কোন পরিবর্তন হবে না। তারা আওয়ামী লীগকে এম্পাওয়ার করে যাবে। তবে হ্যাঁ, কংগ্রেস হল রাশাপন্থী, বিজেপি আমেরিকাপন্থী; তাই কংগ্রেস আসলে আমাদের বড় ক্ষতি হবে। আর কিছু উপকার হবে ভারতের মুসলমানদের। তারা ক্ষানিকটা স্বস্তি পাবে।

জর্দানে রাতের বেলাতেও চাকরির মায়া কিংবা জেলের ভয় উপেক্ষা করে ধারাবাহিক মিছিল করেছিলো প্রবাসী ভাই-বোনেরা!

যাদের অবদানের কথা কেউই বলেনা! কারফিউর কারণে কেও জানতেও হয়তো পারিনি আমরা! জুমার নামাজের পর জর্দানে কর্মরত হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশী মা-বোনেরা আইন ভঙ্গ করে তীব্র গরমে মিছিল বের করেন! এই ভিডিও অথেনটিক।

বিশ্বে বাংলাদেশই প্রথম নিষিদ্ধ করে পলিথিন উৎপাদন, ব্যবহার ও বিপণন। ২০০২ সনের ১ মার্চ আইনটি পাস হয়। আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা এ
বিশ্বে বাংলাদেশই প্রথম নিষিদ্ধ করে পলিথিন উৎপাদন, ব্যবহার ও বিপণন। ২০০২ সনের ১ মার্চ আইনটি পাস হয়। আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা এমন একটি আইনের আওতায় দুই যুগ ধরে বসবাস করছি ! কোথাও কোন জেল - জরিমানা নেই । এর মানে দেশে কোথাও কোনো পলিথিন ব্যবহার - উৎপাদন নেই। ছবিটি সংগৃহীত, সম্ভবত সিঙ্গাপুরের আশে পাশে কোথাও হবে ! Rakibul Hasan Khan