es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 334 suscriptores, ocupando la posición 7 907 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 062 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 334 suscriptores.

Según los últimos datos del 27 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de 8, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 15.13%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.64% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 716 visualizaciones. En el primer día suele acumular 640 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 28 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 334
Suscriptores
+824 horas
+337 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
ফিকহের কিতাবে উসুলুল ফিকহের উদাহরণ . "আম যদি একবার তাখসিস হয় তাহলে পরবর্তীতে সেই আমকে তাখসিস করার জন্য আর কতয়ি দলিলের প্রয়োজন হয় না। বরং যন্নি দলিল দিয়েও তার থেকে তাখসিস হয়ে যায়।" এই কায়দার একটি চমৎকার উদাহরণ। . হানাফিদের মতে দারুল হারবে যদি কোনো মুসলমান যিনা করে তাহলে এই অন্যায়ের কারণে তার উপর হদ আবশ্যক হবে না। দারুল ইসলামে ফিরে আসলে শাসক চাইলে তাযির স্বরূপ শাস্তি দিতে পারবেন। তো, শাফেয়িরা এটার উপর আপত্তি তুলেছে, আয়াতে যিনা করলে বেত্রাঘাতের বিষয়টি আম। আর দারুল হারবে করলে বেত্রাঘাত করা যাবে না, আপনাদের এই তাখসিস করা সঠিক হবে না। কারণ কিতাবুল্লাহের আমকে তাখসিস করার জন্য কতয়ি দলিল লাগবে। আল্লামা ফাখরুদ্দি যাইলায়ি রহিমাহুল্লাহ, এর চমৎকার উত্তর দিয়েছেন। যিনা করলেই বেত্রাঘাতের যে শাস্তির যে আম হুকুম এখান থেকে অকাট্ট দলিলের মাধ্যমে যিনার ক্ষেত্রে সন্দেহ পাওয়া গেলে বেত্রাঘাত করা যাবে না, সেই সূরতগুলো তাখসিস হয়ে গেছে। আর একবার তাকসিস হয়ে যাওয়ার পর সেখান থেকে তাকসিস করার জন্য আর কতয়ি দলিলের প্রয়োজন নেই। তিনি লেখেন, فإن قيل هذا معارض لقوله تعالى {فاجلدوا} [النور: 2] فلا يقبل، قلنا : خص منه مواضع الشبهة من ذلك، فبعد ذلك يجوز تخصيصه بخبر الواحد والقياس، وأهل البغي التحقوا بأهل الحرب لعدم قدرة الإمام عليهم. «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 182)

হাজি ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কি র.-কে দেওবন্দে একটা দীনি মাদরাসা প্রতিষ্ঠার সংবাদ দেওয়া হলো। অবগতকারি নিজেদের দিকে নিসবত করে বললেন, ‘আমরা দেওবন্দে একটা দীনি মাদরাসার ভিত্তি রেখেছি।’ তখন হাজি সাহেব র. বলেন— ٲپ فرماتے ہیں ہم نے مدرسہ قائم کیا ہے۔ یہ خبر نہیں کہ کتنی پیشانیاں، اوقات سحر میں بسجود ہو کر گڑ گڑاتی رہیں کہ خداوندا! ہندوستان میں بقاء اسلام اور تحفظ علم کا کوئی ذریعہ پیدا کر۔ یہ مدرسہ ان ہی سحر گاہی دعاؤں کا ثمرہ ہے۔ ‘সুবহানাল্লাহ! আপনি বলছেন, আমরা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছি! জানেন না— কত অসংখ্য কপাল তাহাজ্জুদের নিস্তব্ধ প্রহরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অশ্রুসিক্ত মিনতি করেছে—আয় আল্লাহ! হিন্দুস্তানে ইসলাম ও ইলমের সংরক্ষণের কোনো মাধ্যম তৈরি করে দেন। এ মাদরাসা তো সেই সেহেরগাহি (ভোর বেলার) দোয়ার ফসল।’ -আহকামে মাদারেস, মুফতি উবাইদুর রহমান, পৃষ্ঠা নং: ১৮৮ #যেমন_ছিলেন_ওলামায়ে_দেওবন্দ @মাওলানা জাহিদ হাসানের পোষ্ট থেকে

মাওলানা ইফতেখার সিফাত ভাইয়ের লেখাটি গুরত্বসহ পড়বেন ইনশাআল্লাহ গালিগালাজের ট্রেন্ড নিয়ে আমাদের কনসার্ন থাকা জরুরী। কোন সাধারণ মুমিনের শানেই গালিগালাজ যায় না। আর একজন দায়ী কিংবা দ্বীন বিজয়ের স্বপ্নলালনকারীর জন্য তো এটা একদমই পরিত্যাজ্য। কিন্তু গালিগালাজ আমাদের এই প্রজন্মের একটি কমন সমস্যা। অফলাইনে যান আর অনলাইনে, সর্বত্রই এই সমস্যা। কিন্তু গালি ইস্যু নিয়ে একটা ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কনসার্ন এক জিনিস, কিন্তু সমস্যাকে কোন নির্দিষ্টি চিন্তার লোকদের সাথে জড়িয়ে আদারিং করে ফেলা ন্যারেটিভেরই অংশ। কিছুদিন আগে খেলাফত ও জমিয়তের একটা অনলাইন দ্বন্দ্ব গেছিল। সেখানে আমরা অনেক নিকৃষ্ট গালিগালাজের চর্চা দেখেছি। অনলাইনে ইসলামি অনেক দলের কর্মীরা বিরোধী মতের লোকদের নিয়মিতই গালিগালাজ করে। নিকৃষ্ট শব্দ ইউজ করে। এটা একটা জাতীয় সমস্যা। অনলাইনের সব ধরণের ফেমাস মানুষরাই ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুতে এসব গালিগালাজের শিকার হয়। কমেন্ট বা ইনবক্সে। কিন্তু নির্দিষ্ট একজন শিকার হওয়ার পর এটাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে না দেখে যেভাবে নির্দিষ্ট চিন্তা ও পন্থার সাথে জুরে দিয়ে ন্যারেটিভ উৎপাদন করা হচ্ছে, এটাও বেইনসাফি। গালি এক ধরণের জুলুম, এটাও আরেক ধরণের জুলুম। দিনশেষে আমরা সবাই মনে হচ্ছে সুযোগের অভাবে জালেম নই। সুযোগ পেলে কোন না কোন ভাবে অন্যের উপর জুলুম করে বসি।

এদেশে শুধু যারা জিহাদের কথা বলে ফেসবুক চালায় তারাই গালি দেয়। আর বাকিরা নিজ হুজুর আর রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে গেলে সালাফদের বানী ছাড়া আর মুখে কিছুই উচ্চারণ করে না, এই হলো আমাদের গালি থেকে মুক্তি ও সমাধানের পথ! অথচ হওয়া দরকার ছিলো প্রত্যেক গালিবাজ, চাই সে যেই হোক, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান। . বহু কুতুব দেখেছি, একসময় স্ক্রিনশটও রাখতাম, তার পক্ষ হয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করলে, অন্যকে নিয়ে ট্রল ও ক্ষেত্র বিশেষ গালি দিলে, সেগুলোকে নিরবে সমর্থন দেয়। কেউ তো লাইক দিয়ে পাশেও থাকে। আর অনেকে তো, গালি আর ট্রলের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে নিজে অন্যকে দেদারসের ট্রল ও বিকৃত ভাষা ব্যবহার করেই যায়! . এগুলো সমাধানের পথ না আসলেই ভাই। আমার আপনার প্রত্যেকের থেকে ভুল হয়। আল্লাহ আমাদের মাফ করুক। কিন্তু সবকিছুর পর ইনসাফ রক্ষা করা আমাদের জন্য খুবই জরুরি।

আমার সাথে পরিচিত যত মহিলা মাদরাসার মোহতামিম আছে সবাইকে দেখা হলে একটা কথা বলি, ভাই/হযরত দয়া করে মহিলা মাদরাসাতে প্যারামেডিকেল
আমার সাথে পরিচিত যত মহিলা মাদরাসার মোহতামিম আছে সবাইকে দেখা হলে একটা কথা বলি, ভাই/হযরত দয়া করে মহিলা মাদরাসাতে প্যারামেডিকেল কোর্সটা চালু করেন। যদি আমাদের মেয়েদের জন্য মূল ক্যারিয়ার হয় একজন আদর্শ মা হওয়া, তাহলে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় একটি জরুরি বিষয় হলো, বেসিক চিকিৎসাটা জানা থাকা। পুরুষের জন্যও জরুরি, মেয়ের জন্য এই প্রাথমিক বিদ্যাটা অনেক জরুরি। এভাবে বলে বলে তেমন বিশেষ ফায়দা হয়নি। তাও বলে যাই আরকি। কেউ জিজ্ঞাসা করলেও বলি, কথা প্রসঙ্গে সুযোগ পেলেও বলে ফেলি। আলহামদুলিল্লাহ, গত বছর নারায়নগঞ্জে আমার পরিচিত এক মহিলা মাদরাসায় আমার কথায় প্রভাবিত হইয়া তারা অল্প করে শুরু করেছিলো। এবং এই বছরও নাকি ইচ্ছে আছে। . আম্মার ভাইয়ের এই কোর্সটা দেখে নিজের সেই ইচ্ছে ও স্বপ্নের কথা মনে উঠলো। তাই এই প্রথম কোনো অনলাইন কোর্স কিনলাম। শুধু নিজের জন্য না, ছোটবোন, ভাগনীর জন্যও নিলাম। আম্মার ভাইয়ের একাডেমিতে এই কোর্সটা আপনারা চাইলে আপনাদের স্ত্রী, বোনদের শিখাইতে পারেন, আশা করি কাজে লাগবে। যাদের টাকার কিছু সমস্যা আছে তারা আমার রেফারেন্স দিয়েন, আশা করি কম রাখবে। আর যদি না রাখে আমাকে ব্যক্তিগত ইনবক্স করিয়েন তাহলে আমি সুপারিশ করবো।

❤️
❤️

'বরকত শব্দটির আভিধানিক অর্থ আসমানী মঙ্গল এবং ঐ কল্যাণ ও মঙ্গল যা সরাসরি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার প্রতি অবতীর্ণ হয়। তাতে বাহ্যিক কোন উপকরণের বিন্দুমাত্র দখল থাকে না।' ইমাম রাগেব আসপাহানীকৃত "আলমুফরাদাত"-এর উদ্ধৃতিতে তা উল্লেখ করেছেন হযরত ইদরীস কান্ধলবী রহিমাহুল্লাহ। দেখুন, সীরাতে মোস্তফা ১/৮৮, আলকাউসার প্রকাশনী

সিজারের পক্ষে-বিপক্ষে একটা বড় অংশই দেখি অবিবাহিত পোলাপান! বিবাহিতদের থেকে বিবাহ সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে অবিবাহিতদের অভিজ্ঞতা বেশি থাকে এটা আবারো প্রমাণিত হলো! . আমি সিজারের পক্ষে না বিপক্ষে? আমি অবশ্যই সিজারের পক্ষে না। তবে আমার দুই সন্তানের সময়ই আমি সিজার যদি লাগে তাই টাকা পয়সা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে রেখেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমার তা লাগেনি। এটার একমাত্র ক্রেডিটা আমার ঘরের মহিলাদের--স্ত্রী, আম্মা ও আমার শ্বাশুড়ির। সিজারের মাসআলায় আজিমতটা হওয়া উচিত মহিলার, পুরুষের না। আপনি সিজার করাবেন না, এটার জন্য আপনাকে মোবারকবাদ। কিন্তু চাই আপনার বিবির যা হোক তাও সিজার করাবেন না, এটা ভালো মানসিকতা না। এটা পরিহার করতে হবে। আর সিজার না করিয়ে বিবি মরে গেলে শহিদ! ভাই, শহিদ আপনি কোনো এক সূরতে হয়ে যান ইনশাআল্লাহ। বিবিকে শহিদ করার জন্য পেরেশানি না করলেই ভালো। . এবার সিজারের আলাপের সাথে আরেকটা নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত আলাপ লক্ষ্য করলাম, গর্ভকালীন সময়েও সুস্থ বাচ্চার জন্য মেয়েদের হেলদি থাকা, ডাক্তারদের নিয়মিত পরামর্শে থাকারও একদল বিরোধিতা করেছে! এটা খুবই বাজে মানসিকতা আমার মনে হয় ভাই! এটা অনুচিত! এগুলো পরিহার করা দরকার! . সিজার কেন্দ্রিক বাড়াবাড়ি এটা শুধু ফেসবুকীয় কিছু ফ্যাক আইডির না। এলাকার বহু ঘাউড়া তাবলিগী ও বিভিন্ন পীরদের মুরিদদের মধ্যে বেশী না হলেও কম না।

ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান বহুতল ভবন সংক্রান্ত নতুন আইন জারি করেছে। সেখানে একটু উল্লেখযোগ্য আইন হলো, যেও এলাকায় ভবন নির্মান করা হবে, ভবন নির্মানের পূর্বে সেই এলাকার একজন ইমাম থেকে সত্যায়নপত্র নিতে হবে! . এটা দেখে অনেকেই দেখলাম খুশি! ইসলামি শরীয়াহতে আলেমদের সম্মানের বিষয়গুলো বলতেছেন! আরে ভাই! হুজুররা বিল্ডিংয়ের কী বুঝে! হুজুররা কী এক্সপার্ট? এক্সপার্টদের কাছে দায়িত্ব না ছেড়ে মোল্লাদের থেকে সত্যায়নের নীতির মাধ্যমে দেশকে পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কী কোনো ফায়দা হবে? . আমি মনে করি এক্ষেত্রে ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশই আদর্শ! এই অঞ্চলগুলোতে বিল্ডিং করতে হলে উক্ত এলাকার যোগ্য, আমানাতদার ও এক্সপার্ট সহ-সভাপতি ও সভাপতিদের থেকে সত্যায়ন নিতে হয়। এতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যালেন্স তৈরি হয়! পুজিবাদি বড়লোক টাকার জোরে বিল্ডিং করবে আর তারই এলাকার বেকার যুবকরা দেখে কষ্ট পাবে, এটাই কী ইসলামের শিক্ষা? গরিবদের দেখিয়ে আপনি বড় বিল্ডিংয়ে থাকবেন। আর গরিব থাকবে ঝুপড়িতে! . বড়লোক টাকা আছে বিল্ডিং করবে, তার এই টাকার কিছু অংশ সহ-সভাপতি ও সভাপতিদের হাতে গেলে দেশে কত শত বেকারের কর্মসংস্থান হয় তা নিয়ে কী কখনো ভেবেছেন? এটা নিয়ে গবেষণা না করে যারা ইমারতে ইসলামিয়ার এই কাজ নিয়ে খুশি হচ্ছেন তাদের সাথে ভারতের কোনো সংযোগ আছে কি না তা বিজ্ঞ মহলকে ভেবে দেখার অনুরোধ।

ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশ
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশি দারুণ একটা নীতিমালা জুড়ে দেয়া হয়েছে। কেউ যদি নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই স্থানীয় মসজিদের ইমামের প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে হবে। ইমাম যদি তার ব্যাপারে পজিটিভ মতামত ব্যক্ত করে, তাহলেই কেবল সে ঐ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ! সেক্যুলার রাষ্ট্রে যিল্লতির জীবন নিয়ে বসবাস করা আমাদের মতো হুজুররা কীভাবে বুঝবে ইমামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে হয়? ইমাম মানে নেতা, ইমারতে ইসলামি সেটা বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখাচ্ছে। নেতাকে নেতা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবার পারলে নামাজে না এসে চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে দেখো, জুমার বয়ানে একটু সময় বেশি নিয়ে ফেললে খতিব সাহেবকে ঝাড়ি মেরে দেখো। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকেও এমন সম্মানের জীবন দান করুন। লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত করুন।

অনলাইনে লাইভে এসে এই বান্দর বক্তা রুজু করেছে সেখানে এক ভাইয়ের প্রশ্ন আর ইসলামের নাম ব্যবহারকারী এক বক্তার উত্তর! . এদেরকে স্ট
অনলাইনে লাইভে এসে এই বান্দর বক্তা রুজু করেছে সেখানে এক ভাইয়ের প্রশ্ন আর ইসলামের নাম ব্যবহারকারী এক বক্তার উত্তর! . এদেরকে স্টেজে উঠতে দেওয়া হয় কীভাবে? এর থেকে এদেশের মুসলমানকে রক্ষাকারী কেউ কী নাই?

কোনো "যদি" ও "কিন্তু" ছাড়া এই বাজারি বক্তার ক্ষমা চাইতে হবে! কত বড় খবিস! সাহাবায়ে কেরাম, বিশেষ করে হযরত আলী রা.-এর মত সম্মানিত সাহাবীর শানে এমন নিকৃষ্ট উপমা দিতে পারে! . কোনো আশেকে আলী বা সাহাবায়ে কেরাম এই বান্দর বক্তাকে ধরে উত্তম মাধ্যম দিলে এর দায়ভার আমার নয়। আমার উদ্দেশ্য শুধু এই খবিস যেনো তাওবা করে। অন্যথায় যে এলাকায় তার মাহফিল থাকবে সেখানের ওলামায়ে কেরাম তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।

"আমি ইতোপূর্বে কখনো ভোট দেইনি আর বর্তমানেও ভোট দিচ্ছি না এবং ভবিষ্যতেও কখনো ভোট দেবো না। আমি কখনো ভোট দেইনি। আমার এ কথা মিথ্যা মনে হলে, কোনো মায়ের বেটা প্রমান করুক যে মাওলানা মনজুর ভোট দিয়েছিলো! আগে কখনো আমি ভোট দেইনি এবং ভবিষ্যতেও দেবো না, কোনোভাবেই দেবো না। আমাকে টুকরো টুকরো করলেও ভোট দেবো না। এমনিতেও এসব নির্বাচন করে মাওলানা ফজলুর রহমান বা মাওলানা ওবায়দুল্লাহ'রা কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। ক্ষমতায় তারাই যাবে যাদেরকে আগেই গোপনে নির্ধারন করেছে (ডিপ স্টেট)। এসব নির্বাচনী সরকার নিয়ে আমাদের ফারসি বেলুচদের একটা প্রবাদ আছে যে, 'তারা নেকড়েকে বানিয়েছে রাষ্ট্রপতি, কুকুরকে বানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী আর ইদুরকে বানিয়েছে রাষ্ট্র চালানোর গাড়ী।" বক্তব্যঃ~ শাইখুল হাদিস মাওলানা মনজুর মেঙ্গল (হাফিঃ), পাকিস্তান। অনুবাদঃ~ Ahmed Ibn Rahman

সাইয়েদ নদভী রহ. বলেন: পশ্চিমা সভ্যতা হল 'নয়া ইরতিদাদ'। অর্থাৎ পুরো পশ্চিমা সভ্যতা স্বতন্ত্র দীন। আমরা মনে করি সুপারন্যাচারাল কনসেপ্ট না থাকলে তা ধর্ম না। অথচ ব্যক্তি যা ধারণ করে, তাই ধর্ম। কেউ প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম অস্বীকার করলে তার 'ধর্ম' হল ধর্মহীনতা। পশ্চিমা সভ্যতা সুপারন্যাচারালকে অস্বীকার করে, তাই 'ধর্ম' হওয়াটাও সে অস্বীকার করে। সে নিজেকে দাবি করে 'দর্শন' বা মতবাদ (ism) হিসেবে। আগেকার 'ধর্ম' আর এখনকার 'ধর্ম' শব্দদুটো এক না। আগে 'ধর্ম' মানেই ছিল তা পুরো জীবনকে প্রভাবিত করবে। ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র-যুদ্ধ-অর্থ-বিচার সকল ক্ষেত্রে যেটার গুরুত্ব সর্বাগ্রে, সেটাই ধর্ম। ইউরোপে সেটা ছিল পোপতান্ত্রিক খৃষ্টবাদ। আমাদের জন্য সেটা ছিল ইসলাম। দীন মানে ধর্ম, এই বিচারে ততদিন অব্দি ঠিকই ছিল। দীন মানে জীবনব্যবস্থাপনা। ধর্ম ঠিক জীবনব্যবস্থাপনার কাজটাই করতো। রেনেসাঁ হিউম্যানিজমের উদ্ভবের পর থেকে ওহী-ধর্মের গুরুত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লো। এনলাইটেনমেন্ট যুগে ব্যক্তিপরিসর বাদে বাকিসব ধর্মমুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। ব্যক্তি চলবে চলুক ধর্ম দিয়ে। সমাজ-পরিবার-রাষ্ট্র-অর্থ-বিচার-যুদ্ধ এগুলো চলবে হিউম্যানিজম দিয়ে। সবার উপরে মানুষ, মানুষের কল্যাণ, মানবজনমের ভোগই সাফল্য। ধর্মকে বাদ দিয়ে কীভাবে এগুলো চলবে, কীসে সর্বোচ্চ কল্যাণ, তা বের করতে জন্ম নিল নানান মতবাদ (ism)। পরিবার চলবে : ব্যক্তিবাদ, ক্যারিয়ারিজম, নারীবাদ দিয়ে। সমাজ চলবে: ব্যক্তিবাদ, বিচ্ছিন্নবাদ দিয়ে। রাষ্ট্র চলবে: ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র দিয়ে। অর্থব্যবস্থা চলবে: পুঁজিবাদ, লিবারেল অর্থনীতি দিয়ে। বিচার চলবে: লিবারেল ইথিক্স ও মানবজ্ঞান দিয়ে। যুদ্ধ চলবে: দেশের জন্য, মতবাদের জন্য। এর কোনোটাতে কেউ ধর্ম নিয়ে এলে সে বর্বর, মধ্যযুগীয়, খ্যাত। ধর্ম যখন দীন ছিল, তখন এগুলো সবই ধর্ম দিয়ে চলতো। আজকের ধর্মগুলোকে দীন বললে সঠিক চিত্রটা সামনে আসে না। ইসলাম যেমন দীন। এই পশ্চিমা সভ্যতাও তেমন দীন। স্বতন্ত্র ও পরিপূর্ণ দীন। আজকের ধর্ম শব্দটা আর আগেকার দীন শব্দটার অর্থ আর একই নেই। একই সাথে কেউ পশ্চিমা সভ্যতা ও ইসলামকে একসাথে ধারণ করতে পারে না। একইভাবে পশ্চিমা সভ্যতার কোনো উপাদান ধারণ করলে তাকে ইসলামী একটা উপাদান অস্বীকার করতে হবে, অদরকারী মনে করতে হবে বা অস্বীকার করার রাস্তা খুঁজতে হবে। ভোটাভুটি/মিছিলমিটিং করলে কিতাল অস্বীকার গণতন্ত্র করলে খিলাফত-ইমারত অস্বীকার নারীবাদ করলে ইসলামী পরিবারব্যবস্থাপনা অস্বীকার ধর্মনিরপেক্ষতা করলে ওয়ালা-বারাআ, ইসলামী শাসনব্যবস্থা অস্বীকার ব্যক্তিবাদ করলে সৎকাজে আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ অস্বীকার। ক্যারিয়ারিজম, পুঁজিবাদ, ভোগবাদ করলে সাদাসিধে জীবন, আখিরাত, দানখয়রাত অস্বীকার। বিবর্তনবাদ করলে আদমসৃষ্টি অস্বীকার বিজ্ঞানবাদ করলে ওহীর গুরুত্ব অস্বীকার বস্তুবাদ করলে আত্মা-রুহ, আখিরাত সব অস্বীকার এভাবে পশ্চিমাসভ্যতার প্রতিটি উপাদান ইসলামের একেকটা আমল, আকীদা ও শাখাকে অস্বীকার করে। ১ম প্রজন্ম একে একটা কৌশল হিসেবে নেয়। যেমন আলীগড়ীরা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্বকে নিয়েছিল। আজ আমরা গণতন্ত্রকে নিচ্ছি। ২য় প্রজন্ম কৌশলটাকেই একমাত্র কৌশল এবং বাঁচার একমাত্র রাস্তা হিসেবে নেয়। ফলে ঐ টপিকে ইসলামের বিধানটা অপ্রাসঙ্গিক ও হাস্যকর হয়ে পড়ে। ৩য় প্রজন্ম ঐ কৌশলটাকেই আরও জরুরি ধরে ইসলামের ছিটেফোঁটাও রাখতে চায় না। যেমন এবি পার্টি বা আন-নাহদা পার্টি। এজন্যই গণতান্ত্রিক মুসলিমরা ইসলামের নানান দিককে অপ্রাসঙ্গিক সাব্যস্ত করে। কাটছাঁট করে। টুপিদাড়ি থেকে নিয়ে খিলাফত - কিতাল - পর্দা সবকিছুই। দীন উদ্ধার করতে গিয়ে দীনকেই পঙ্গু করে বসে। গণতন্ত্র স্বতন্ত্র দীন না হতে পারে। তবে গণতন্ত্র আরেকটা ভিন্নধর্মের (পশ্চিমাসভ্যতা) একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদা। যে রাস্তা আমাদেরকে ঐ দীনের দিকেই নেবে। কৌশল হিসেবে নিলেও এটা ৩ প্রজন্ম পরে আর কৌশল থাকে না। আকীদাই হয়ে যায়। আমাদের সামনেই এর প্রমাণ আছে।

একদল ছাত্র আছে যারা উস্তাদদের সাথে পরামর্শ করে নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় না৷ কিন্তু একদল এমন ছাত্রও তো আছে যারা নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো উস্তাদদের হাতে সঁপে দেয়। তাদেরকে কী আমরা সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি? তার মনের আকাঙ্খাগুলো সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারি? বা তার জন্য যেটা উপযুক্ত না, সেটাকে সঠিক আন্দাজে তাকে বুঝিয়ে দিতে পারি? . কথাগুলো এজন্য বলা সম্প্রতি পাকিস্তানে প্রচুর বাংলাদেশের মাদরাসার তালেবে ইলম গিয়েছে। যাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই অনেকেই ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হতে পারেনি। এটা নিয়ে অনেকেই দেখছি, খুবই মুরব্বিয়ানা আন্দাজে পোষ্ট দিচ্ছেন। কেনো পরামর্শ করে যাওয়া হয় না, আবেগের বসত কেনো দেশের বাহিরে যাওয়া হলো ইত্যাদি। . যারা লেখেছেন প্রত্যেকেই দিলে হাত দিয়ে বলেন তো, ইলমের জন্য রিহলার তলাবুল ইলমের যে স্বভাবজাত চাহিদা ও তীব্র স্বপ্ন ও আকাঙ্খা, সেটা নিয়ে যখন তালেবে ইলমরা আপনাদের কাছে যায় তখন আপনাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়? কয়জন মানুষ বাস্তবতা সামনে রেখে, তালেবে ইলমের ভিতরের তীব্র আকাঙ্খার প্রতি সম্মান দিয়ে তাকে পরামর্শ দেন! . আমি নিজের একটি কারগুজারি শুনাই। পাকিস্তানের বানুরীটাউনে ইফতা পড়েছে এরপরও বাংলাদেশেরও একটি বড় জায়গায় ইফতা পড়েছে এমন একজন মানুষের কাছে পাকিস্তানে গিয়ে ইফতা পড়তে যাবো ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শের জন্য ফোন দিলাম। সেই মুহতারাম আমার কথা শুনেই আগেপরে কোনো ভূমিকা ছাড়াই মুখের উপর বললো, ‘পাকিস্তানে কেনো যাবেন, সেখান থেকে তো আমাদের দেশের ইফতাগুলো আরো বেশি ভালো!’ অন্তরটা চুরমার হয়ে গিয়েছিলো! এত কষ্ট পেয়েছিলাম! একবার মুখখুলে বলে ফেলতে চেয়েছিলাম, যদি বাংলাদেশের ইফতাই ভালো হয়, তাহলে বানুরীটাউনের ইফতা ফারেগ এমন শিরোনাম সব জায়গায় কেন ব্যবহার করেন। বিশ্বাস করেন, বিদেশে গিয়েছেন এমন উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করেন, তারা যখন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে বিদেশ বিষয়ে পড়ামর্শের জন্য যান, তাদের অভিজ্ঞতা আমার থেকে ভিন্ন না। বরং আরো খারাপ! . দেখুন, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের ইফতা ভালো, তার এই উপলব্ধিটা তো তিনি ভিন্নভাবেও তো উপস্থাপন করতে পারতেন। বা সেটা বলে দেওয়ার পর অন্যান্য লাইনে কিছুটা সহযোগিতা ও পরামর্শ দিতে পারতেন। কিন্তু করলেন না। তার সাথে লম্বা সময় কথা বলে আমি সামান্যতম উপকারও পাইনি! এমন অভিজ্ঞতা পাকিস্তান পড়তে গিয়েছেন আরো কয়েকজনের সাথেই হয়েছে! . বিদেশে যাচ্ছেন, এমন বেশিরভাগ তালেবে ইলমই, চাই সে মিশরে যাক বা মাদারে ইলম দেওবন্দ, তারা রিহলার হিম্মত করার পর খুব কম উস্তাদ থেকেই সাড়া পান আর যাদের থেকে সাড়া পান তাদের থেকে কমই সহযোগিতা পান। যার কারণে জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটায় তার একাই চলতে হয়। . দেখুন, আমার এই পোষ্টের উদ্দেশ্য তালেবে ইলম ভাইদের উস্তাদ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে রিহলার বিষয়ে পরামর্শ করা থেকে অনুৎসাহিত করা নয়, আল্লাহর কাছে এমন চিন্তা ও কর্ম থেকে পানাহ চাই, বরং একটি বাস্তব বিষয় আপনাদের সাথে তুলে ধরাই উদ্দেশ্য। যে ছাত্ররা রিহলার কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তাদেরকে অনুৎসাহিত কইরেন না, আল্লাহর ওয়াস্তে। যারা রিহলার যোগ্য না, তাদেরকে বুঝান, বাস্তব সম্মত পদ্ধিতে বুঝান, কিন্তু তার রিহলার ইচ্ছেকে অনুৎসাহিত করে না। মনে রাখবেন, ইলমের জন্য রিহলা এটা ইলমের একটি স্বভাবজাত বিষয় এবং আমাদের সালাফদের হাজার বছরের আমলি তুরাস। এটাকে আপনি জীবনেও বন্ধ করতে পারবেন না। বর্ডারের কাটাতার পারেনি! এত কিছুর পরেও গত বছরও কিছু বাংলাদেশি ভাইরা দেওবন্দ থেকে পড়ে এসেছে! সুতরাং ইলমের স্বভাবজাত চাহিদা ছাত্ররা পূরণ করবেই, আপনি এই কাজে তাদের সহযোগী হবেন, নাকি অন্যকিছু হবেন সেটা আপনার সিদ্ধান্ত।

এই বইটা সবধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য। এই বই আপনাকে হুজুর বানাবে না। দুনিয়ার স্বার্থে হলেও বইটি স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ভাইরা হাতে
এই বইটা সবধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য। এই বই আপনাকে হুজুর বানাবে না। দুনিয়ার স্বার্থে হলেও বইটি স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ভাইরা হাতে নিন! পড়ুন। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করুন৷ . স্কুল-কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছাত্রদের গিফটের মধ্যে এই বইটি রাখুন। বইটি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়াটা তাদের জন্য অনেক বড় একটি ইহসান আমাদের পক্ষ থেকে।

প্রতি মাসে একবার শেরপুর যাওয়া হয়। মহাখালী থেকে রাতে নাইটে উঠি। সকালে ফজর পড়ি মাদরাসায়। আমি যেদিন যাই নাজেম সাহেব হুজুর তার কা
প্রতি মাসে একবার শেরপুর যাওয়া হয়। মহাখালী থেকে রাতে নাইটে উঠি। সকালে ফজর পড়ি মাদরাসায়। আমি যেদিন যাই নাজেম সাহেব হুজুর তার কামরা আমার জন্য ছেড়ে দেন৷ সকালের স্নিগ্ধ বাতাস যখন নাজেম সাহেবের রূমে বারান্দা দিয়ে শরীরে এসে স্পর্শ করে সফরের পুরো ক্লান্তি যেনো নিমেষেই দূর হয়ে যায়। একদম সীমিত সামর্থ্য দিয়েও একটি মাদরাসার পরিবেশকে কতটা সুন্দর, পরিপাটি ও অপূর্ব রূপে সাজানো যায় তার একটি আদর্শ নমুনা হলো মারকাযুত তুরাস। আল্লাহ মাদরাসার যাবতীয় হাজত গায়েবি খাজানাহ থেকে পূরণ করে দিক। আমীন। . মাদরাসার ছাত্রদের পড়ালেখার মানকে আরো উন্নত করতে বড় পরিসরে একটি ইলমি মাকতাবার উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ গতকাল নাজেম সাহেব ও Abu Usama Jafar ভাই শুনালেন। শুনে অনেক খুশি লাগলো। জিজ্ঞাসা করলাম, প্রাথমিক বাজেট কত৷ আপাতত শূণ্য, জানালন উনারা। আল্লাহ উত্তমরূপে ও আদর্শের উপর অবিচল রেখে যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দেন সে দোয়া রইলো। . মাদরাসার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই৷

শুনতে পারেন স্বল্প সময়ের এই রিলসটি https://youtube.com/shorts/Xufrf88Ta-k?si=GwgMlYsyFmmtXwkR

বইটা কেন পড়তেছেন না, কোন অজুহাত আপনার বলেন আমাকে, শুনি।
বইটা কেন পড়তেছেন না, কোন অজুহাত আপনার বলেন আমাকে, শুনি।

নতুন বই। মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা বইটার সিক্যুয়েল বলা যায়। এই বই লিখতে গিয়ে এমন অনেক কিছু জেনেছি, যা ছাত্রজীবনে জানতে পারলে ভা
নতুন বই। মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা বইটার সিক্যুয়েল বলা যায়। এই বই লিখতে গিয়ে এমন অনেক কিছু জেনেছি, যা ছাত্রজীবনে জানতে পারলে ভাল হত। হয়ত কাজের দুয়েকটা কথা পেয়েও যেতে পারেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ভার্সিটি পড়ুয়া, কর্মজীবী থেকে গৃহিণী, জেনারেল-কওমী... সবাই কিছু না কিছু হেল্প পাবেন আশা করি। স্কুলভিত্তিক দাওয়াতী কাজ যারা করছেন, তারা একটা লিটারেচার পাবেন, কি কি বিষয় সামনে নিয়ে দাওয়াতী কাজ করবেন।

Abdullah bin bashir - Estadísticas y analítica del canal de Telegram @abdullahbinbashir